গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। আজ প্রকাশিত ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়। এতে লেখা রয়েছে—“স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবে গড়ার জন্য ‘হ্যাঁ’তে সিল দিন।” প্রেস উইং জানিয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মোট আটটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হবে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গণভোটের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা। গত রবিবার গণভোট ২০২৬-এর প্রথম ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়। এদিকে গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তৃণমূল পর্যায়ে গণভোটের বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা যায়।
চতুর্থ দিনে দুপুর পর্যন্ত ২৩ জনের মনোনয়ন বৈধ করল ইসি

চতুর্থ দিনে দুপুর পর্যন্ত ২৩ জনের মনোনয়ন বৈধ করল ইসি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রির্টানিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলের উপর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চতুর্থ দিনের মতো চলছে শুনানি। দুপুর পর্যন্ত ২৩ জনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আজ আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সকাল ১০টায় শুরু হয় শুনানি। এতে দুপুর পর্যন্ত ২৩ জনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন কমিশন। এদিন জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে জুলাই ঐক্য। দুপুরে আগারগাঁও থেকে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচি শুরু করে জুলাই ঐক্য। এদিন ৭০ জনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ৩ দিনে আপিলে মনোনয়ন বৈধ হয়েছে ১৫০ জনের। সারাদেশে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন ৬৪৫ জন।
দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা

দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা রাজধানীতে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন। ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা-২০২৬’ শীর্ষক দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক এ সম্মেলনটির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সকালে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে শুরু হওয়া সম্মেলনটি চলবে আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশের ইউজিসি ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও গবেষক, কূটনীতিকরা উপস্থিত আছেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) জানায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে মোট আটটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিনে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা, সুশাসন ও গুণগতমান এবং অন্তর্ভুক্তি’ এবং ‘গবেষণা, উদ্ভাবন, স্থায়িত্ব এবং সামাজিক সম্পৃক্ততা’ শীর্ষক দুটি সেশন থাকবে। দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমন্বয়, ডিজিটাল রূপান্তর এবং স্মার্ট লার্নিং ইকোসিস্টেম, ‘গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা’, ‘উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পথরেখা: সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং নেটওয়ার্কিং’, ‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে অংশীজনদের সংলাপ: সুশীল সমাজের কণ্ঠস্বর’ এবং ‘উপাচার্যদের সঙ্গে সংলাপ: হিট প্রকল্পের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের শেষ দিনে ‘উচ্চশিক্ষায় জেন্ডার ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা শেষে ‘ঢাকা হায়ার এডুকেশন ডিক্লারেশন’ বা ঢাকা ঘোষণার মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানায় ইউজিসি।
২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৮ জন শিশু

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৮ জন শিশু ২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। আজ সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান জানান, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, চালক বা হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে ৫৩৭ শিশু। আর পথচারী হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৪৭১ শিশু। সড়কের ধরন অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে ২৮১ শিশু, আঞ্চলিক সড়কে ৩৬৪ শিশু, গ্রামীণ সড়কে ২৯১ শিশু এবং শহরের সড়কে ৭২ শিশু নিহত হয়েছে। বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী নিহত শিশুর সংখ্যা ১৭৯ জন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৩৮২ জন এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪৪৭ জন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলাধুলার সময় শিশু নিহতের ঘটনা বেশি ঘটছে। পথচারী হিসেবে শিশুরা গ্রামীণ সড়কে সবচেয়ে বেশি হতাহত হচ্ছে। কারণ গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়ি ঘেঁষা। অনেক ক্ষেত্রে ঘরের দরজা খুললেই সড়ক– এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এসব সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি থাকে না। ফলে যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত নয়। এ অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই শিশুরা নিহত ও পঙ্গু হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে যাচ্ছে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জুনের শেষ সপ্তাহে। এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১ মার্চ থেকে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। স্বাভাবিক শিক্ষাসূচি অনুযায়ী প্রতিবছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও করোনা মহামারির প্রভাব ও পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে গত কয়েক বছর ধরে এ সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। চলতি বছর জাতীয় নির্বাচন এবং পবিত্র রমজান মাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে পিছিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা ও ফরম পূরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার এহসানুল কবির সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। টেস্ট পরীক্ষা ও ফরম পূরণসহ প্রাথমিক কাজগুলো শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায় থেকে বিশেষ কোনো অনুরোধ এলে ফরম পূরণের সময় দু-এক দিন বাড়ানো হতে পারে। এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু হবে। আশা করছি, এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে।
এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু

এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের গণহত্যা মামলার বিচার শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজি)। জাতিসংঘের এই আদালত ‘বৈশ্বিক আদালত’ (ওয়ার্ল্ড কোর্ট) নামেও পরিচিত। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে জাতিসংঘের আদালতের অবস্থান। আজ দেশটির স্থানীয় সময় বেলা ১০টা থেকে (বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা) মামলার শুনানি শুরু হবে। আগামী ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে এই শুনানিপর্ব। জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত যে মামলাটি নথিবদ্ধ করা হয়েছিল, সেই মামলার তদন্তকারী দল ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে বাংলাদশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে বোমা হামলা হয়েছিল। সশস্ত্র রোহিঙ্গাগোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-কে এই হামলার জন্য দায়ী করে মিয়ানমারের সরকার। পরে এ হামলার জের ধরে ওই মাসেই বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তবর্তী রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে সাধারণ রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে বর্মী সেনাবাহিনীর লাগাতার হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের সামনে টিকতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশসহ আশপাশের বিভিন্ন দেশে পালাতে শুরু করে। বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন সে সময়। তারা এখনও বাংলাদেশেই আছেন। ২০১৭ সালে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানের পরপরই জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল এ ঘটনার তদন্ত করেছিল। সেই দলের তদন্ত প্রতিবেদনে সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দলের সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই ২০১৯ সালে বৈশ্বিক আদালতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলা করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিায়া। সেই মামলারই শুনানি শুরু হচ্ছে সোমবার। মিয়ানমারে যখন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছিল, সে সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন অং সান সুচি। জাতিসংঘের অনুসন্ধানি দলের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। গাম্বিয়া যখন মামলা করে, তখনও সেই মামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সুচি বলেছিলেন, গাম্বিয়ার অভিযোগ ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন সুচি এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকার। বর্তমানে মিয়ানমারের কারাগারে আছেন তিনি এবং দুর্নীতির অভিযোগে সেনাবাহিনীর আদালতে তার বিচার চলছে। বৈশ্বিক আদালতে দায়ের কৃত রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌজিমান রয়টার্সকে বলেন, “গণহত্যার প্রকৃত সংজ্ঞা কী, কীভাবে গণহত্যা সম্পর্কিত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করা যায়ে এবং কীভাবে এ ধরনের অপরাধের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়— এসবের নিষ্পত্তিতে এই মামলা একটি নজির হয়ে থাকবে।”
শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন?

শীতে ভিটামিন ডি পেতে কখন রোদে বসবেন? শীতকাল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সবাই সূর্যের আলোর জন্য মুখিয়ে থাকি। শীতের তীব্রতা থেকে মুক্তি পেতে রোদে আরও বেশি সময় ব্যয় করার চেষ্টা করি। এই সূর্যের আলো আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলোর মধ্যে একটি পূরণ করতে অবদান রাখে, তা হলো ভিটামিন ডি উৎপাদন। বিশ্বজুড়ে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠান্ডা মাসগুলো এই পরিস্থিতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। নিম্ন-তাপমাত্রার দিনগুলোতে সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সর্বোত্তম সময়টি জানা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ের পাশাপাশি, আপনার শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য কতটা সূর্যের আলো যথেষ্ট তা সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। আপনার কতটা সূর্যের আলো প্রয়োজন? বেশিরভাগ সময় শীতকালে মুখ, বাহু বা পায়ের মতো শরীরের বিভিন্ন অংশ সরাসরি ২০ থেকে ৪০ মিনিট সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসার ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। শীতকালে সূর্য থেকে নির্গত UVB রশ্মির প্রভাব গ্রীষ্মের তুলনায় কম থাকে, তাই যদি কেউ শীতকালে একই পরিমাণ ভিটামিন ডি পেতে চান, তাহলে তাদের রোদে দীর্ঘ সময় কাটাতে হবে। শীতকালে সূর্য থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার সেরা সময় সাধারণত, শীতকালে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সূর্য থেকে সর্বাধিক ভিটামিন ডি পাওয়ার সময়। শীতের ভোরে এবং শেষ বিকেলে সূর্যের রশ্মি খুব সংকীর্ণ কোণে আসে, যার অর্থ হলো এর বেশিরভাগ অংশ বায়ুমণ্ডল দ্বারা শোষিত হয় এবং পৃথিবীতে পৌঁছানো UVB রশ্মির তীব্রতা খুব কম। শীতকালে কম ভিটামিন ডি উৎপাদন শীতের মাসগুলোতে পৃথিবীর ঝোঁক উত্তর গোলার্ধকে সূর্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, যা UVB রশ্মির তীব্রতা হ্রাস করে। অপর্যাপ্ত UV রশ্মির কারণে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি উৎপাদনের জন্য আমাদের শরীরের সূর্যের সংস্পর্শে কিছুটা বেশি সময় প্রয়োজন। মেঘ, দূষিত বায়ু এবং মোটা পোশাকও ভিটামিন ডি উৎপাদনকে প্রভাবিত করে। যারা ঘরের ভেতরে থাকতে পছন্দ করেন এবং ঠান্ডার সময় বাইরে যেতে ইচ্ছুক নন তাদের ঘাটতির ঝুঁকি বেশি থাকে। ত্বকের রঙের ওপর নির্ভর করে গবেষণা অনুসারে, ত্বকের রঙ সরাসরি রোদে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সময়ের পরিমাণকে প্রভাবিত করে। ফর্সা ত্বকের ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি স্তর তৈরি করতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রোদে থাকা যথেষ্ট, তবে মাঝারি বা কালো ত্বকের ব্যক্তিদের ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে কারণ মেলানিন প্রাকৃতিক UV ফিল্টার হিসাবে কাজ করে। ভিটামিন ডি-এর জন্য পরিপূরক এবং খাবার শীতের দিনে শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা অনেকটাই হ্রাস পায়, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে। সেজন্য দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হবে। যেমন- ডিমের কুসুম, ফর্টিফাইড দুধ, মাশরুম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি। যাদের ভিটামিনের তীব্র ঘাটতি ধরা পড়ে এবং স্বাভাবিকভাবে অবস্থার উন্নতি করতে পারে না তাদের সম্পূরক গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে?

আর্চার মাছ রক্ষণাবেক্ষণে অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? অ্যাকুরিয়াম শুধু মাছ রাখার জায়গা নয়, কারও কাছে তার চেয়েও বেশি কিছু। পানির নিচের জগৎ, নিজের হাতে সেই অ্যাকুরিয়াম সাজানো, নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্র বুঝে মাছ রাখা— এসবে আনন্দ খুঁজে পান অনেকেই। তাদের কাছে এ-ও যেন এক সৃষ্টি, নেশা, ভাললাগা। অ্যাকুরিয়ামের জন্য সবাই একটু অন্য রকম মাছ খোঁজেন। এমন শখ থাকলে বেছে নিন আর্চার মাছ, এটি দেখতে ভীষণ সুন্দর। তবে এর বৈশিষ্ট্য হলো মুখ দিয়ে পানি ছোড়া। প্রচণ্ড গতিতে মুখ দিয়ে পানি ছুড়তে পারে আর্চার মাছ। সে কারণেই তার এমন নামকরণ। অনেকেই বলেন, বিভিন্ন গবেষণাতেও উঠে এসেছে এই মাছ নাকি লোকজনের মুখ মনে রাখতে পারে। মূলত শিকার ধরার জন্যই মাছটি পানি ছুড়ে। পানির গতিতে ঘায়েল হয় ছোট পোকামাকড়। এই মাছের জন্য অ্যাকুরিয়ামের পরিবেশ কেমন হবে? – আর্চার মাছ সমুদ্রের মতো লবণাক্ত পানি বা পুকুরের মিষ্টি পানি, কোনোটিতেই থাকতে পারে না। এই মাছের জন্য প্রয়োজন তার মাঝামাঝি পানি। যা হালকা লবণাক্ত হবে। – এই মাছের জন্য বড় অ্যাকুরিয়ামের দরকার। দৈর্ঘ্যে ৫ ফুট, প্রস্থ ও উচ্চতায় দুই ফুটের অ্যাকুরিয়াম প্রয়োজন। কিংবা ৭৫ গ্যালন পানি ধরে, এমন অ্যাকুরিয়াম দরকার। – খাওয়ার বিষয়টা বেশ আলাদা। এই মাছ মুখ দিয়ে পানি ছুড়ে শিকারকে ঘায়েল করে খায়। ফলে আর্চার মাছের জন্য ছোট ছোট পোকামাকড়, লার্ভা, শুকনো প্ল্যাঙ্কটন দিতে হবে। – ছোট ছোট মাছেদেরও খেয়ে নেয় এই মাছ। এমনিতে শান্ত হলেও, বড় মাছের সঙ্গে রাখলে ঝামেলা হতে পারে। – ঠিকঠাকভাবে রাখতে পারলে আর্চার মাছ ৫-৮ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। – ২২থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এই ধরনের মাছের জন্য আদর্শ।
অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা!

অর্ডার করার ১৬ বছর পরে ফোন হাতে পেলেন ক্রেতা! লিবিয়ার ত্রিপোলি শহরের এক মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ২০১০ সালে নোকিয়া ফোন অর্ডার করেছিলেন, ফোনগুলো পেয়েছেন — প্রায় ১৬ বছর পর! কেন এতো দেরি হলো? ফোনগুলো ছিল পুরনো বার-টাইপের। যেমন ‘মিউজিক এডিশন’ এবং ‘ ফোন ও কমিউনিকেটর ’ মডেল, আর এগুলো একসময় খুব দামি ও আধুনিক ছিল। ২০১১ সালে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ায় এই ফোনগুলোর চালান লিবিয়ার কোথাও আটকে যায় এবং দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর পর্যন্ত গুদামে পড়ে ছিল। ফোনগুলোর প্রেরক ও প্রাপক দুইজনই ত্রিপোলিতে থাকলেও গৃহযুদ্ধের কারণে এই চালান পৌঁছতে এত সময় লেগেছিল! এই ফোনগুলো খুলে দেখার মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন ওই দোকানদার। ভিডিওটি প্রচুর শেয়ার হচ্ছে, যেখানে দোকানদার হাসতে হাসতে বলছিলেন—‘‘এগুলো কি ফোন, নাকি ঐতিহাসিক নিদর্শন?” সূত্র: এনডিটিভি
সিলেটের বোলিং তোপে ১১৪ রানে অলআউট রংপুর

সিলেটের বোলিং তোপে ১১৪ রানে অলআউট রংপুর বিপিএলের ২৩তম ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ মুখোমুখি হয়েছে সিলেট টাইটান্স ও রংপুর রাইডার্স। সিলেটের বোলিং তোপে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি রংপুরের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯.১ ওভারে তারা অলআউট হয়েছে মাত্র ১১৪ রানে। জিততে সিলেটকে করতে হবে ১১৫ রান। ব্যাট করতে নেমে রংপুর যেভাবে উইকেট হারাচ্ছিল তাতে একটা সময় মনে হচ্ছিল ১০০ এর নিচেই থামবে তাদের ইনিংস। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাটে তাদের দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোয়। মাহমুদউল্লাহ ২৩ বলে ৪টি চারে করেন ২৯ রান। তার আগে খুশদীল শাহ ৩টি চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩০ রান। এছাড়া লিটন দাস ১২ বলে ৪টি চারে ২২ ও ইফতিখার আহমেদ ১ চারে করেন ১৭ রান। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোটা। বল হাতে সিলেটের নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। শহিদুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৬ রানে নেন ৩টি উইকেট। আর মঈন আলী ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ৮ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। ৩.১ ওভারে ২৪ রান খরচায় অপর উইকেটটি নেন সালমান ইরশাদ।