বিদায়বেলায় ‘টাটা’ বলার প্রচলন যেভাবে শুরু

বিদায়বেলায় ‘টাটা’ বলার প্রচলন যেভাবে শুরু বিদায়ের সময় বন্ধুকে, সহকর্মীকে বা প্রিয়জনকে বিদায় জানাতে আমরা প্রায়ই বলি – ‘টাটা’। এই শব্দটি এতটাই পরিচিত যে, বয়স বা প্রজন্ম নির্বিশেষে সবার মুখে এটি শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- বিদায়ের সময় সবাই কেন বলে ‘টাটা’? ভাষাবিদদের মতে, ‘টাটা’ মূলত ব্রিটিশ ইংরেজি থেকে আগত একটি শব্দ। এটি ‘গুডবাই’ বা ‘ফেয়ারওয়েল’-এর তুলনায় অনেক বেশি অনানুষ্ঠানিক ও আন্তরিক অভিব্যক্তি। উনিশ শতকের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে, বিশেষ করে ককনি (Cockney) উপভাষায়, শব্দটির প্রচলন শুরু হয়। সেখান থেকে এটি পুরো ব্রিটিশ সমাজে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে উপনিবেশের প্রভাবে ভারতীয় উপমহাদেশেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর সহজ উচ্চারণ। শিশুদের মুখে উচ্চারণ সহজ বলে মা–বাবারা প্রাথমিকভাবে বিদায় জানাতে শেখানোর সময় বলেন- বলো টাটা। শিশুরাও হাসিমুখে হাত নাড়িয়ে বলে ‘টাটা’, যা একধরনের স্নেহমিশ্রিত বিদায়ের রীতি হয়ে ওঠে। আরও একটি মজার দিক হলো, অনেক ভাষায় ‘টাটা’ শব্দের অর্থ ‘বাবা’। ফলে যখন শিশুরা ‘টাটা’ বলে বিদায় জানায়, তখন সেটি একদিকে আবেগের প্রকাশ, অন্যদিকে ধ্বনিগতভাবে সহজ একটি বিদায়ের ইঙ্গিত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মিষ্টি ধ্বনি বিদায়ের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ব্রিটিশ উপনিবেশের যুগে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শব্দটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে এখন ‘টাটা’ এক অনানুষ্ঠানিক, বন্ধুত্বপূর্ণ বিদায়ের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে। ভাষাবিদরা বলেন, আনুষ্ঠানিক পরিবেশে ‘গুডবাই’, ‘ফেয়ারওয়েল’ বা ‘বিদায়’ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে ‘টাটা’, ‘বাই’ বা ‘সি ইউ লেটার’-এর মতো শব্দই আন্তরিকতা প্রকাশ করে।
বহুরূপী মানুষ চেনার সহজ উপায়

বহুরূপী মানুষ চেনার সহজ উপায় অনেক সময় আমরা মানুষের মিষ্টি কথায় সহজেই প্রলুব্ধ হয়ে যাই। কিন্তু কি জানেন? সব মিষ্টি কথা মানে সত্যিকারের ভালোবাসা বা আন্তরিকতা নয়। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বহুরূপী বা ফেক মানুষদের আচরণে এমন কিছু লক্ষণ থাকে যা চিনে নিলে আপনি মানসিক শান্তি ও আবেগ রক্ষায় সচেতন থাকতে পারবেন। . খুব দ্রুত এবং অতিরিক্ত ভালো আচরণ যারা সত্যিকারের ভাল মানুষ, তারা কখনোই অতিরিক্ত অভিনয় করে না বা খুব দ্রুত বিশ্বাস জেতার চেষ্টা করে না। কিন্তু বহুরূপী মানুষ প্রথম থেকেই অতিরিক্ত মিষ্টি বা দয়ালু হলে সেটি সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। . বারবার নিজের চরিত্র বদলানো একই ব্যক্তি বিভিন্ন মানুষের কাছে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। কেউ নম্র ও ভদ্র, আবার অন্য কারো কাছে আত্মবিশ্বাসী। এ ধরনের আচরণ মনোবিজ্ঞানে ‘ইম্প্রেশন ম্যানেজমেন্ট’ নামে পরিচিত। . সত্যিকারের আবেগ তৈরি করতে না পারা এরা আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজের স্বার্থে সম্পর্ক স্থাপন করে, সত্যিকারের ভালোবাসা বা সহানুভূতির জন্য নয়। . সব সময় অন্যের সমালোচনা করা বহুরূপী মানুষরা অন্যের গসিপ করে এবং সমালোচনা করতে ভালোবাসে। তারা নিজস্ব অনিশ্চয়তা ও কম আত্মবিশ্বাস লুকানোর জন্য এমন আচরণ করে। যারা অন্যদের খারাপ কথা বলে, তারা আপনার পেছনেও একই কাজ করবে। . বন্ধুসুলভ আচরণ করে গোপনে প্রতিযোগিতা যদিও বন্ধুত্বের ভান করে, তাদের মধ্যে হিংসা ও প্রতিযোগিতার মনোভাব লুকানো থাকে। তারা আপনার সাফল্যে খুশি না হয়ে আপনাকে ছোট করার চেষ্টা করে। মনোবিজ্ঞানে এটিকে ‘কভারট রাইভেলারি’ বলা হয়। সত্যিকারের বন্ধুত্ব হলো একে অপরকে উৎসাহ দেওয়া, আর বহুরূপী মানুষের সাথে সম্পর্ক মানসিক শান্তি নষ্ট করতে পারে। তাই, এই লক্ষণগুলো বুঝে সাবধান হওয়া জরুরি।
আজ একা থাকার দিন

আজ একা থাকার দিন আজ ১১ নভেম্বর বিশ্বের নানা প্রান্তে পালিত হচ্ছে ‘সিঙ্গেল ডে’ বা একা থাকার দিন। একা থাকা মানেই নিঃসঙ্গতা নয় বরং নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা, নির্বিবাদী জীবনযাপন, নিজের সত্তাকে উপভোগ করার সুযোগ। সিঙ্গেল মানেই ঝাড়া হাত-পা, কোনো কৈফিয়তের দায় নেই, নেই প্রেমের টানাপড়েন। কেউ কেউ হয়তো প্রেমহীনতার আফসোসে ভোগেন, কিন্তু অনেকেই এই একাকিত্বকেই স্বাধীনতার আনন্দ হিসেবে দেখেন একা থাকার আনন্দ যারা একবার অনুভব করেন, তারা জানেন এর ভেতর লুকিয়ে আছে মুক্তির স্বাদ। কেউ কেউ সম্পর্কের ব্যর্থতা বা বিচ্ছেদের পর নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন, আবার কেউ নিজের ইচ্ছায় একা থাকাকে বেছে নেন। এই ‘সিঙ্গেল ডে’ উদযাপনের সূত্রপাত চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী, যারা ভালোবাসায় ব্যর্থ হলেও জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতেন, ১৯৯৩ সালে প্রথম এই দিবসটি উদযাপন করেন। দিনটি বেছে নেওয়া হয় ১১ নভেম্বর অর্থাৎ ১১-১১। প্রতিটি ‘১’ একক মানুষকে বোঝায়, আর চারটি এক মিলে জীবনের সম্মিলিত আনন্দকে প্রতীকীভাবে প্রকাশ করে। চীনে দিনটি মূলত ভালোবাসা দিবসের বিপরীতে একা মানুষদের উৎসব হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এখন বিশ্বের নানা প্রান্তে এই দিনটি পালিত হয় আত্মপ্রেম, স্বাধীনতা এবং নিজেকে উদযাপনের বার্তা নিয়ে। ‘ডেজ অব দ্য ইয়ার’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের প্রচারক ছিলেন টমাস ও রুথ রয় নামের দুজন ভদ্রলোক। তাঁদের লক্ষ্য ছিল, মানুষ যেন একা থাকাকে লজ্জার নয়, বরং গর্বের বিষয় হিসেবে দেখতে শেখে। বহুরূপী মানুষ চেনার সহজ উপায় : তাই আজকের দিনটি হোক নিজের জন্য নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর, নিজের সঙ্গ উপভোগ করার দিন। একা থাকা মানেই কিন্তু শূন্যতা নয়; বরং স্বাধীনতার মিষ্টি পরশ।
মোবাইল কোর্টের অভিযান : শব্দ দূষণ করায় ৪ মামলা ও জরিমানা আদায়

মোবাইল কোর্টের অভিযান : শব্দ দূষণ করায় ৪ মামলা ও জরিমানা আদায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শব্দ দূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। আজ পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের দ্বারিয়াপুর এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬ এর ৮(১) লংঘন করে যানবাহনে অনুমোদিত শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার অপরাধে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ১৫(২) অনুযায়ী ৩টি বাস ও ১টি ট্রাকচালককের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সেই সঙ্গে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ৮টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সহযোগিতায়, মোবাইল কোর্টের নেতৃত্ব দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ্র। প্রসিকিউশন প্রদান করেন— পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ। এসময় শব্দদূষণ সম্পর্কিত সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং একই সাথে বিভিন্ন যানবাহনে স্টিকার লাগানো হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান বা মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ১৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ১৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৮ জন ও বহির্বিভাগে ৫ জন এবং গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৪ জন রোগী। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ৫ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩ জন, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১ জন করে রোগীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৯ জন পুরুষ ও ৬ জন মহিলাসহ ১৫ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলাসহ ৬ জন এবং ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ পুরুষ ও ১ জন মহিলাসহ ৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাবমতে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৬৭০ জন।
মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু : খেলাধুলা চর্চার আহ্বান বক্তাদের

মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু : খেলাধুলা চর্চার আহ্বান বক্তাদের ‘খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল’, ‘মাদক নয়-আম চাষে করব বিশ্বজয়’, ‘মাদককে না বলুন’— এমন সব স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫। আজ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নতুন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সোলায়মান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— পুলিশ সুপার রেজাউল করিম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল মতিন, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামানসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অদিধিপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রাজিউর রহমান। বক্তারা তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা চর্চা করার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। সহযোগিতা করছে জেলা ক্রীড়া সংস্থা। টুর্নামেন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, শিবগঞ্জ উপজেলা, গোমস্তাপুর উপজেলা, নাচোল উপজেলা ও ভোলাহাট উপজেলা দল অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী খেলায় শিবগঞ্জ উপজেলা বনাম নাচোল উপজেলা দল মুখোমুখি হয়। খেলার প্রথমার্ধে ১৫ নম্বর জার্সি পরিহিত জোবায়েরের করা গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় শিবগঞ্জ উপজেলা দল। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে ১০ নম্বর জার্সি পরিহিত সিজানের করা আরো ১টি গোলের সুবাদে ২-০ গোলে জয়লাভ করে শিবগঞ্জ উপজেলা দল। আগামীকাল একই স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে সদর ও গোমস্তাপুর উপজেলা ফুটবল দল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ দিনে আরো ৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৩ জন ও বহির্বিভাগে ২ জন এবং গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৯ জন রোগী। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ১ জন, শিবগঞ্জ থেকে ২ জন ও গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় জেলা হাসপাতাল থেকে ২ জন রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৫ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলাসহ ১৩ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন পুরুষ, ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলাসহ ৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব মতে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৬২৫ জন।
শিবগঞ্জ মনাকষা থেকে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১

শিবগঞ্জ মনাকষা থেকে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১ শিবগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের শাহাপাড়ার রাস্তার উপর থেকে ৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জনকে আটক করেছে র্যাব-৫। র্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়, গতকাল রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিলসহ একই উপজেলার শ্যামপুর এলাকার এন্তাজ আলীর ছেলে মোবারক হোসেন রসদুলকে আটক করে। আটকককৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় র্যাব।
ভোলাহাটে সাংবাদিকদের সাথে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র মতবিনিময়

ভোলাহাটে সাংবাদিকদের সাথে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র মতবিনিময় ভোলাহাটে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে সহকারী কমিশনার ভূমি ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম হোসেন মতবিনিময় করেছেন। সম্প্রতি ভোলাহাট উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে যোগদান করেন শামীম হোসেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ভোলাহাট উপজেলার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সাথে আজ বিকেলে অফিস কক্ষে সৌজন্য মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। মতবিনিময় সভায় ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম হোসেন সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে কালে বলে মোঃ মনিরুজ্জামান স্যার খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি অল্প সময়ে ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নে যে কার্যক্রম চালিয়েছেন এর ধারাবাহিকতায় চালিয়ে যেতে যান। এছাড়াও বৃহত্তর বিলভাতিয়া বিল, জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মেডিকেল মোড় উন্নয়ন, মাদকদ্রব্য, ভেজাল শিশুখাদ্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন উন্নয়নে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মোঃ শামীম হোসেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সাপ্তাহিক ভোলাহাট সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ গোলাম কবির, বরেন্দ্র নিউজের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ জামিল হোসেন, অনলাইন এনটিভি ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম, আমার দেশ ভোলাহাট প্রতিনিধি আলি হায়দার, আমার সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাংবাদিক কায়সার আহমেদ, মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ শরিফুল ইসলামসহ অন্যরা। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ মোঃ আবু মোতালেব উপস্থিত ছিলেন।
শিবগঞ্জে ৩ দিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

শিবগঞ্জে ৩ দিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন ‘‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’’ এই প্রতিপাদ্যে- তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে দুপুরে শিবগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় মহিলা সংস্থার আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৩ দিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজাহার আলী। এ সময় তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসার ঘটানো, তাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে এবং উদ্যোক্তা-ভোক্তার মাঝে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেই এ মেলার আয়োজন। পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নের পথকে সুগম করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের মধ্য দিয়ে নারীরাই পারে দেশ ও পরিবারকে এগিয়ে নিতে। কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, এ মেলায় আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। এখান থেকে আমরা উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখছি। উদ্যোক্তা শামীমা বেগম বলেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই, তারা অনলাইন ব্যবসায় এগিয়েছে। অনলাইন ব্যবসায় ঝুঁকে পড়ছে নারীরা। এতে একদিকে যেমন তারা আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন অন্যদিকে সাবলম্বী হয়ে উঠছেন। পরিবারের কাজের ফাঁকে তারা নিজেদের মেধা দিয়ে ব্যবসাকে টিকিয়ে রেখেছেন। আরেক উদ্যোক্তা আমিনা রোজি উর্মি বলেন, আমি স্বল্প পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কয়েক বছরে এখন আমার দ্বিগুণের ওপরে। আমাকে দেখে এখন অন্যরাও ঝুঁকে পড়েছেন এ ব্যবসায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন আবু ফেরদৌস ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতারসহ অন্যরা। মেলায় ৫০টি স্টলে খাদ্য, বস্ত্র, নারীদের হাতের তৈরী বিভিন্ন পণ্য ও প্রসাধনী সামগ্রী স্থান পেয়েছে। মেলা সাধারণ মানুষের জন্য প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উন্মুক্ত রয়েছে। মেলা চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত।