চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ২ তরুন নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে ২ তরুন নিহত চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষে একই মোটরসাইকেল আরোহি দুই তরুন নিহত হয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয়, পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকাল ৪টার দিকে সার্কিট হাউস মোড়ে সোনামসজিদ স্থলবন্দর মহাসড়কে ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন শহরের পোলাডাঙ্গা জোড়বাগান মহল্লার শাহ আলমের ছেলে রিফাত ও চাঁদলাই জোড়বাগান মহল্লার আশরাফুল ইসলামের ছেলে সোহাগ। রিফাত ও সোহাগ সম্পর্কে আপন মামাতো-ফুপাতো ভাই। সূত্রগুলি জানায়, সার্কিট হাউস মোড়ে মোটরসাইকেলটি দ্রুতগতিতে ব্যস্ততম সোনামসজিদ মহাসড়কে উঠে পড়লে একটি চলন্ত ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রিফাত। গুরুতর আহত হন সোহাগ। তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে শহরে তুলকালাম কান্ড ঘটায় বিক্ষুদ্ধ জনতা। পুলিশের কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে এমন অভিযোগে কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন দিয়ে সম্পূর্ণ জ্বালিয়ে দেয়া হয়, আধা কিলোমিটার দূরের বিশ্বরোড মোড়ের দ্বিতল আতউল ট্রাফিক বক্স, বক্সের রাখা পুলিশের একটি মোটরসাইকেল। এসময় ঘটনাস্থল মহাসড়কে প্রায় ২ ঘন্টা অবরোধ সৃষ্টি করায় দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ে যানবাহন এবং ভাংচুর ও লুটপাট করা হয় নিকটের সদর থানা পুলিশ ফঁড়ি ও ফাঁড়ির ভেতর অবস্থিত পুলিশ অফিসার্স মেস। জনতার প্রচন্ড ক্ষোভের মুখে এ সময় ঘটনাস্থলগুলো ছেড়ে চলে যায় পুলিশ। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নূরে আলম বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, পুলিশ মরদেহ হেফাজতে নিয়েছে। বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হলেও পুলিশের কেউ আহত হন নি। ট্রাকটি পালিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
বিশ্বশান্তির ৬ সারথীর মরদেহ আসছে আগামীকাল

বিশ্বশান্তির ৬ সারথীর মরদেহ আসছে আগামীকাল সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ আগামীকাল আনা হচ্ছে স্বদেশে। দেশে ফেরার পর যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় সম্পন্ন হবে বিশ্বশান্তিতে জীবন দেয়া এ বীরদের জানাযা ও দাফন। গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জনের মৃত্যু এবং ৯ জন আহত হন। আহত সকলের চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরইমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে। ঘটনায় নিহত ৬ শান্তিরক্ষী হলেন- নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া। আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান। শহীদ শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল ও গৌরবময় নিদর্শন হয়ে থাকবে। জীবন হাতে নিয়ে কেবল দেশে নয়, সমরে-শান্তিতে বিশ্বের তরেও তারা। যার সবশেষ উদাহরণ সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয়জন বীর শান্তিরক্ষী শাহাদতবরণ। জাতিসংঘের পতাকা তলে বিশ্বশান্তি রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গের শপথ করেই তাদের সেখানে যাওয়া। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। সুদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অসাধারণ পেশাদারিত্ব, সাহস আর আত্মত্যাগ দেখল বিশ্ববাসী। আহত আট জনের মধ্যে তিন জন নারী সৈন্য। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের যাত্রা শুরু হয়। ‘নীল হেলমেট’ পরে বিশ্বশান্তিরসারথী হয়ে বাংলাদেশের অভিষেক ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তখন জাতিসংঘের ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ১০টি দেশে শান্তির পতাকা হাতে নিয়োজিত তারা। এরই মধ্যে প্রথম বারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপটার মোতায়েন করা হয়েছে। শুরু থেকে সুদানে সর্বশেষ ছয় জন নিহত হওয়া ছাড়াও এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩১ জন, নৌবাহিনীর চার জন, বিমানবাহিনীর ছয় জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন ২৭২ জন। শুরু থেকেই বিভিন্ন বৈশ্বিক মিশনে বাংলাদেশের চিকিৎসক, প্রকৌশলীরাও অংশ নিয়েছেন, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের অবদানের একটি দুর্দান্ত স্বীকৃতি। বৈশ্বিক ফোরামে নেতৃত্বের স্মারক। আমাদের জাতীয় ভাবমূর্তির সঙ্গেও সম্পর্কিত। মিশনগুলো অনেক চ্যালেঞ্জে ভরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অনুকূল নয় এমন জলবায়ু, সম্পদের অভাব-সব মিলিয়ে মিশন বাস্তবায়ন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর অবদানের জন্য জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশের প্রশংসায় ‘শান্তির কূটনীতির মোরসাল’ হিসেবে অভিহিত করেছে। শুধু যুদ্ধবিগ্রহের স্থগিতাদেশ রক্ষা বা সংঘাত প্রতিরোধ নয়, স্থানীয় জনগণের কল্যাণ, পুনর্গঠন এবং পুনর্বাসনে এমন ভূমিকা অন্য অনেক দেশের কোনো বাহিনীই দেখাতে পারেনি। তাদের শিক্ষা, স্কুল নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, শিশুদের শিক্ষা প্রসার ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের নমুনা শেখার মতো। তাই শিখছে, অভিজ্ঞতা নিচ্ছে। উপলব্ধি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তি সদস্যরা কেবল অস্ত্রধারী সৈন্য নয়, মানবতার সৈনিকও। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সময়ের পরিক্রমায় শান্তি রক্ষার ইতিহাসে জাতিসংঘের অন্যতম নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হয়ে উঠেছে দেশের সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যরা। কেবল শান্তি প্রতিষ্ঠা পর্যই তাদের কাজ শেষ নয়। মিশনগুলোতে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করা, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহায়তায় কাজ করে। যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশ বা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনা, পুনর্গঠন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি বা শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের প্রয়োজন, মানবিক সংকট মোকাবিলাসহ বিভিন্ন পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে। সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যবর্তী সীমান্ত অঞ্চল আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (সিএআর), সাইপ্রাস, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো), লেবানন, দক্ষিণ সুদান, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল পশ্চিম সাহারা, ইয়েমেন, লিবিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন নানা মাত্রায় কঠিন কাজ। সেই কঠিনের সঙ্গী করে জীবন বিলিয়ে দেয়া শান্তির সারথীদের মরদেহ আগামীকাল স্পর্শ করবে তাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে।
নভেম্বরে সড়কে প্রাণ গেছে ৪৮৩ জনের

নভেম্বরে সড়কে প্রাণ গেছে ৪৮৩ জনের নভেম্বর মাসে সারাদেশে ৫৩৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮৩ জন। আহত হয়েছেন আরও এক হাজার ৩১৭ জন। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাতেই নিহত হয়েছেন ১৯৪ জন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ১৬ শতাংশ। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, অক্টোবর মাসের তুলনায় নভেম্বরে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয়ই বেড়েছে। অক্টোবরে ৪৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন ৪৪১ জন। ওই মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৪ দশমিক ২২ জন নিহত হলেও নভেম্বর মাসে তা বেড়ে দৈনিক গড়ে ১৬ দশমিক একজনে দাঁড়িয়েছে। অক্টোবরে সবচেয়ে বেশি, ১৩৭ জন নিহত হয়েছিলেন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১০৬ জন পথচারী এবং ৫৭ জন যানবাহনের চালক ও সহকারী। নিহতদের মধ্যে নারী ছিলেন ৬৪ জন এবং শিশু ৭১ জন। নিহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী ছিলেন ৫৭ জন। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ের ব্যবসায়ী ২৩ জন, ওষুধ ও বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় প্রতিনিধি ১৭ জন, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ১৪ জন এবং শিক্ষক ১৩ জন রয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে বিজিবির দিনব্যাপী অভিযানে ৮১২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় দ্রব্য জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে বিজিবির দিনব্যাপী অভিযানে ৮১২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় দ্রব্য জব্দ শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের সীমান্তেবর্তী ঠুঠাপাড়া গ্রামে বিজিবির অভিযানে ৩৭৫ বোতল নেশাজতীয় ভারতীয় চকো প্লাস সিরাপ জব্দ হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয় নি। বিজিবি জানায়,গতকাল রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসুদপুর বিওপির টহল দল অভিযান চালালে, সেখানে একটি ডোবায় ৪টি বস্তায় ভরে পানির নীচে লুকিয়ে রাখা সিরাপগুলো জব্দ করা হয়। গতকাল দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, এসব সিরাপের মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। সিরাপগুলো শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ নিয়ে গতকাল দিনব্যাপী বিজিবির ৩টি পৃথক অভিযানে ৮১২ বোতল ভারতীয় নেশার সিরাপ জব্দ করেছে হয়েছে। এর আগে ভোর ৫টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত দুটি পৃথক অভিযানে বিজিবির মাসুদপুর বিওপির অপর একটি টহল দল ঠুঠাপাড়া গ্রাম থেকে ২৭৮ বোতল চকো প্লাস ও মনাকষা বিওপির একটি টহল দল ১৫৯ বোতল এস্কাফ সিরাপ জব্দ করে।
লিবিয়া থেকে ফিরলেন ৩৪৫ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ৩৪৫ বাংলাদেশি লিবিয়ায় থেকে আরও ৩৪৫ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। তাদের বেশিরভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। এ সময় অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আজ বুরাক এয়ারের দুটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের মধ্যে অনেকেই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রত্যাবাসীতদের অভিজ্ঞতা ভাগ করার আহ্বান জানান। এছাড়া আইওএম প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা সরবরাহ করেছে। লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইওএম যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহীর পদত্যাগের ঘোষণা

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহীর পদত্যাগের ঘোষণা সংস্থা ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিরোধ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি) প্রধান নির্বাহী স্কট উইনিক। তিনি বলেছেন, ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদী দিকনির্দেশনা ও ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার নিয়ে সদস্য সংস্থা ও খেলোয়াড়দের সংগঠনের সঙ্গে মনমালিন্যের কারণেই তার এই সিদ্ধান্ত। আগামী ৩০ জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়বেন। অস্ট্রেলিয়া গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্কট উইনিক বলেন, গভীরভাবে ভাবনার পর তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিশেষ করে দেশের ক্রিকেটে টি টোয়েন্টি সংস্করণের ভূমিকা নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি কয়েকটি সদস্য সংস্থা ও খেলোয়াড় সংগঠনের সঙ্গে মিলছে না। এ অবস্থায় সংস্থার স্বার্থে নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়াই সঠিক বলে মনে করছেন। বিশ্বকাপে ছেলের অজানা গল্প শোনালেন দিবু মার্তিনেজের বাবাবিশ্বকাপে ছেলের অজানা গল্প শোনালেন দিবু মার্তিনেজের বাবা। দুই বছরের বেশি সময় দায়িত্বে থাকার সময়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। তার নেতৃত্বে নারী দল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে, পুরুষ দল ভারতে টেস্ট সিরিজে জয় পায় এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ওঠে। স্কট উইনিক আরও বলেন, ‘আমি দায়িত্বে থেকে যদি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সমর্থন ছাড়া কাজ চালিয়ে যাই, তাহলে সেটা সংস্থার ভেতরে অস্থিরতা তৈরি করবে। সেটি আমি চাই না।’ আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা ফাইনালের দিন-তারিখ ঘোষণাআর্জেন্টিনা–স্পেন ফিনালিসিমা ফাইনালের দিন-তারিখ ঘোষণা দায়িত্ব ছাড়ার পর স্কট উইনিক তার আগের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন। স্কট উইনিকের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো, যখন নিউজিল্যান্ড নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি টোয়েন্টি লিগ চালুর পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাবিত এই লিগ চালু হলে বর্তমান ঘরোয়া পুরুষ ও নারী টি টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন লিগের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে জানুয়ারির মধ্যেই।
পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরে এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিলো বাংলাদেশ। আজ দুবাইয়ের সেভেন স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়ে, ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান। নির্ধারিত ২৭ ওভারের ইনিংসে টস হেরে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করতে নেমে ২৬.৩ ওভারে ১২১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ১৬.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান করে জয় নিশ্চিত করে করে ফাইনালে ওঠে পাকিস্তানের যুবারা। রোববার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। ১২২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান তুলে একটি উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ওভারে ২০ রান যোগ করে দ্রুত ম্যাচ শেষের ইঙ্গিত দেয় তারা। এরপর ৮৫ রানের জুটি গড়েন সামির মিনহাস ও উসমান খান। উসমান ২৬ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন সামিউন বশির শিকার হয়ে। তৃতীয় উইকেটে আহমেদ হুসাইনকে নিয়ে সামির ম্যাচ জেতার ইনিংস খেলে আট উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। সামির ৫৭ বলে ৬৯ রান করেন এবং তার ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৬.৩ ওভারে জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে তারা এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে। ম্যাচটি দুবাইয়ে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে শুরু হয়। বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ইনিংসের দৈর্ঘ্য ৫০ ওভার থেকে কমে ২৭ ওভারে আসে। টস জিতে পাকিস্তান প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশের শুরুটা ছিল খারাপ। দলীয় ২৪ রানে ৪ বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার রিফাত বেগ ও জাওয়াদ আবরার। এরপর অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ২৬ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন, দলীয় স্কোর ৫৫ রানে পৌঁছায়। এরপর বাকিদের ব্যাটিং ভাঙন ধরতে থাকে। সামিউন বশির ৩৭ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলের শেষ অবদান রাখেন। পাকিস্তানের পক্ষে আব্দুল সুবহান চারটি উইকেট ও হুজাইফা আহসান দুটি উইকেট নেন। বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটাররা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালের পথে পৌঁছানোর স্বপ্ন পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়।
শিবগঞ্জে জাতীয় প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন

শিবগঞ্জে জাতীয় প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন শিবগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস২০২৫ উদয়াপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের উদ্যোগে রেলী ও উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় আলোচনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, মাইগেশন প্রোগ্রামের প্রতিনিধি মোঃ বাবুল ইসলাম। রেলিতে সরকারি বেসরকারি এবং মাইগ্রেন্ট জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন। এতে বক্তব্য রাখেন, শিবগঞ্জ উপজেলার আইসিটি বিভাগের মোহাম্মদ রাসেল, মোহাম্মদ তহুরুল ইসলাম, এবং ব্রাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রতিনিধি মোঃ বাবুল ইসলামসহ অন্যান্য।
চাঁপাইনবাগঞ্জে নিরাপদ পানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গৃহীত প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

চাঁপাইনবাগঞ্জে নিরাপদ পানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গৃহীত প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা চাঁপাইনবাগঞ্জে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যম্মত পায়খানা ব্যবহার ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বিষয়ক স্পেশাল প্রকল্প সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সিসিডিবি হলরুমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ চাঁপাইনবাগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম-ওয়াশ বিজনেস প্লান প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে। সভায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জেমস বিশ্বাস সভার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এসময় সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শ্যামল এইচ কস্তা প্রকল্পের কার্যক্রম সকলের সামনে তুলে ধরেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সকলের পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করেন। সভায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী জন পলাশ হাঁসদা এই এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন এবং এলাকার অবস্থা বিবেচনা করে পরবর্তীতে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া প্রোগ্রামকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস দেন। সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ এপির কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, লিন্ডা রিচিল, লাভলী খাতুন ও মুস্তাফিজুর রহমান, (ঝিলিম, গোবরাতলা, বারোঘরিয়া, মহরাজপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ অংশগ্রহণ করেন।
বাবুডাইংয়ে চার দিনব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প উদ্বোধন

বাবুডাইংয়ে চার দিনব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার দিনব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প শুরু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের সার্বিক সহযোগিতায় এ ক্যাম্পের আয়োজন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রোভার। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শেহালা কলোনি মহল্লায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ কার্যালয়ে ‘প্রকৃতির মেলবন্ধনে রোভারিং’ স্লোগানে এ ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়। এতে বিভিন্ন জেলা থেকে রোভার সদস্যরা অংশ নেয়। ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বাবুডাইং আলোর পাঠশালা। সকাল ৯টায় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার ডেন (কার্যালয়)-এ পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন ক্যাম্প চিফ বাংলাদেশ স্কাউটস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রোভারের অ্যাসিস্ট্যান্ট লিডার ট্রেনার (এএলটি) সাইফুল ইসলাম। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন— প্রোগ্রাম চিফ বাংলাদেশ স্কাউটস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এএলটি কে এ এম মাহফুজুর রহমান, ডেপুটি ক্যাম্প চিফ জেলা রোভারের সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ক্যাম্প কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম, আবাসন ইনচার্জ ও বাবুডাইং আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, ক্যাম্পের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ স্কাউটস, রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক উপকমিশনার (সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য) মো. হেলাল উদ্দিন শেখ নাসিম, ক্যাম্প পরিচালক চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের সহসভাপতি সাঈদ মাহমুদ। ট্র্যাকিং মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাবুডাইং আলোর পাঠশালার সহকারী শিক্ষক নির্মল কোল। এসময় বক্তারা বলেন, এ ক্যাম্পটির মাধ্যমে রোভার সদস্যরা নানা বিষয়ে রোমাঞ্চকর ও শিক্ষণীয় বিষয় জানতে পারবে। তারা এ ক্যাম্প চলাকালীন ২৫টি মিশন সম্পন্ন করবে। এর মধ্যে রয়েছে— সেভ দ্য নেচার অ্যান্ড আর্ন মানি, নেচার অবজারভেশন, ব্যাক উডস্ ম্যান কুকিং, নাইট হাইকিং, অ্যামেজিং নাইট, সাইড সীন, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট, অ্যামেচার রেডিও অ্যাক্টিভিটিজ, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ, ক্যারিয়ার প্ল্যানিং। এসব চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জঙ্গল, টিলাবেষ্টিত প্রতিকূল পরিবেশ অতিক্রম করবে। পরিদর্শন করতে পারবে কোল ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষদের জীবন গাঁথার গল্প। এছাড়া ঐতিহাসিক সোনামসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক বিষয়বস্তু নিয়ে জানার সুযোগ পাবে।