শিবগঞ্জে টলি উল্টে শ্রমিক নিহত

শিবগঞ্জে টলি উল্টে শ্রমিক নিহত শিবগঞ্জে কংক্রীট ঢালাই কাজে ব্যবহৃত মিক্সচার মেশিনবাহী একটি ট্রলির একটি যন্ত্রাংশ খুলে গিয়ে, ট্রলিটি উল্টে গেলে এর নীচে চাপা পড়ে ট্রলিতে থাকা এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তিনি শিবগঞ্জ পৌর ৯ নং ওয়ার্ডের মর্দানা নয়াপাড়া গ্রামের কসিমুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম মংলু। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শিবগঞ্জ পৌর কারবালা মোড় এলাকার সড়কে দূর্ঘটনাটি ঘটে। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, সড়কে চলাচলকারী ছোট যানবাহনকে ওভারটেক করার সময় ট্রলিটি দূর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ট্রলিতে থাকা শ্রমিক মংলু ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তবে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।

শীতকালে ফুসফুস ভালো রাখবে এই পানীয়

শীতকালে ফুসফুস ভালো রাখবে এই পানীয় শীতকাল এলেই দূষণের পরিমাণ বেড়ে যায়। সূক্ষ্ম কণা (PM2.5) এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে, যা কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতির কারণ হয়। এই পরিবেশগত সংকটের মধ্যে অনেকেই ঐতিহ্যবাহী অনুশীলনগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন, যা একসময় ফুসফুসের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে বেছে নেওয়া হতো। এরকম একটি সহজ এবং সহজলভ্য প্রতিকার হলো গরম পানিতে গুড় মিশিয়ে খাওয়া। এই পানীয় শরীরের পরিষ্কারক প্রক্রিয়াগুলোকে প্রাকৃতিকভাবে সহায়তা করে। গুড় কেন ফুসফুসের জন্য উপকারী গুড় হলো আখের রস থেকে উৎপাদিত অপরিশোধিত চিনি। এটি আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ট্রেস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ধরে রাখে যা বিপাক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সমর্থনে ভূমিকা পালন করে। রক্ত ​​পরিশোধন, গলার জ্বালা কমানো এবং শ্বাস নালী থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য গুড় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এটি হালকা কফনাশক হিসেবে কাজ করে, শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মা আলগা এবং নির্গমনে সহায়তা করে, বিশেষ করে দূষণ বা ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের জন্য উপকারী। তাই নিয়মিত এই পানীয় পান করলে উপকারিতা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। আধুনিক পুষ্টি গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, গুড় শরীরের মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স প্রক্রিয়া হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্বাসযন্ত্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা ফুসফুস থেকে দূষণকারী, ধুলো এবং অ্যালার্জেন আটকে রাখতে এবং অপসারণ করতে সহায়তা করে। শ্লেষ্মা গঠন বৃদ্ধি করে এবং লিম্ফ্যাটিক চলাচলে সহায়তা করে, গুড় শ্বাস-প্রশ্বাসের জ্বালা দূর করার জন্য শরীরের ক্ষমতা বাড়ায়। যদিও গুড় ভেজানো পানি পান করা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না, তবে এর জৈবিক সক্রিয় বৈশিষ্ট্যগুলো দূষিত পরিবেশে শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করার প্রাকৃতিক উপায় হিসেবে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। সমস্যা বেড়ে গেলে অবশ্যই আপনাকে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। গবেষণা কী বলছে লখনউয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল টক্সিকোলজি রিসার্চ সেন্টারের একটি গবেষণায় অনুসন্ধান করা হয়েছে যে, ধোঁয়াটে বা ধুলোযুক্ত পরিস্থিতিতে শিল্প কর্মীরা নিয়মিত গুড় খাওয়ার সময় কেন শ্বাসকষ্ট কম হয়। গবেষকরা কয়লার ধুলোর সংস্পর্শে আসা ইঁদুরের ওপর এই পর্যবেক্ষণ পরীক্ষা করে দেখেছেন যে, যাদের গুড় দেওয়া হয়েছিল, তাদের ফুসফুস এবং লিম্ফ নোড থেকে ধূলিকণার পরিষ্কারের প্রক্রিয়া অপরিশোধিত প্রাণিদের তুলনায় ভালো ছিল। গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, গুড় ফুসফুসের টিস্যুর ক্ষতি এবং ফাইব্রোসিস কমিয়েছে, যা অঙ্গের প্রাকৃতিক স্থিতিস্থাপকতা সংরক্ষণে সহায়তা করেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, গুড় শ্লেষ্মায় সিয়ালিক অ্যাসিড বৃদ্ধি করে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে দূষিত পদার্থ অপসারণের জন্য শরীরের প্রক্রিয়া, মিউকোসিলিয়ারি ক্লিয়ারেন্স বৃদ্ধি করেছে। এই যৌগটি একটি ঋণাত্মক চার্জ বহন করে যা ধনাত্মক চার্জযুক্ত ধুলো এবং ধোঁয়া কণাগুলোকে আকর্ষণ করে এবং আটকে রাখে, যা শ্বাসনালী থেকে দ্রুত অপসারণকে সক্ষম করে।

পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ আর পিঁপড়ার ওজন সমান!

পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষ আর পিঁপড়ার ওজন সমান! বিশ্বে ১২,০০০-এর বেশি প্রজাতির পিঁপড়া রয়েছে, এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি বড় এবং কিছু প্রজাতি ছোট। একটি পিঁপড়া তার নিজের ওজনের চেয়ে ২০ থেকে ৫০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে। পিঁপড়া গবেষকদের মতে, ‘‘পৃথিবীতে যত পিঁপড়া আছে, তাদের জৈববস্তু পৃথিবীতে বসবাসকারী ৭০০ কোটি মানুষের জৈববস্তুর ওজনের সমান।’’ পিঁপড়ার কোনো ফুসফুস বা কান নেই। তারা হাঁটু ও পায়ের বিশেষ কম্পন সেন্সরের মাধ্যমে আশেপাশের পরিস্থিতি বুঝতে পারে। পিঁপড়া ফেরোমন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং সারিবদ্ধভাবে খাবার সংগ্রহ করে। পিঁপড়াদের রানি, পুরুষ ও শ্রমিক পিঁপড়ার মধ্যে কাজের বিভাজন থাকে। রানি ডিম পাড়ে, পুরুষ প্রজননে সহায়তা করে, এবং শ্রমিকরা খাদ্য সংগ্রহ ও বাসা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে থাকে। প্রায় ২০০ প্রজাতির পিঁপড়াকে সৈনিক পিঁপড়া বলা হয়। সৈনিক পিঁপড়ারা আক্রমণাত্মক আচরণ করে। ক্ষুদ্র এই প্রাণীটি ডাইনোসরের সময় থেকে এখন পর্যন্ত টিকে আছে এবং বৈজ্ঞানিকদের ধারণা পৃথিবীতে মানব জাতির আগনের কয়েক কোটি বছর আগে থেকে পৃথিবীতে পিঁপড়া ছিলো। তথ্যসূত্র: নিউজ ১৮

যে পাখি দিনের কাজ শুরু করে ৯টায়

যে পাখি দিনের কাজ শুরু করে ৯টায় বিশ্বের বেশিরভাগ পাখি খুব ভোরে জেগে যায়, এবং খাদ্যের সন্ধ্যানে বেরিয়ে পড়ে। সেই বিচারে সেবু ফ্লাওয়ারপেকার আলাদা। নিজেদেরকে অন্যান্য শিকারি পাখির হাত থেকে বাঁচাতে সকালে তারা বাসাতেই থাকে। সেবু ফ্লাওয়ারপেকার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে খাদ্য সন্ধ্যানে বের হয়। বা এই সময়ের মধ্যে সক্রিয় থাকতে পছন্দ করে। খাদ্য সংগ্রহের সময়, এই পাখি তার পছন্দের ফুলের গাছের দিকে দ্রুত উড়ে যায়। খাবার খায় এবং তারপরে তাৎক্ষণিকভাবে উড়ে যায়। যদিও সেবু ফ্লাওয়ারপেকার খুব কমই ডাকে, এর শব্দ পিগমি ফ্লাওয়ারপেকারের ডাকের মতো। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মনে করা হয়েছিলো যে, পৃথিবীর বন থেকে ফ্লাওয়ারপেকার হারিয়ে গেছে, বা বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু ১৯৯২ সালে মধ্য সেবু সুরক্ষিত ভূমির ছোট এক চুনাপাথর বনে দেখা দেয়। এবং সেই ধারণা পাল্টে যায়। সেবু হলো ফিলিপাইনের একটি দ্বীপপুঞ্জ। বর্তমানে ধারণা করা হয়, ৮৫ থেকে ১০৫টি ফ্লাওয়ারপেকার জীবিত আছে। এই অল্পসংখ্যক পাখিকে টিকিয়ে রাখতে জোর চেষ্টা চলছে।

শীতকাল এলেই ‘স্নো ফেইরি’ হয়ে যায় বরফের বলের মতো

শীতকাল এলেই ‘স্নো ফেইরি’ হয়ে যায় বরফের বলের মতো ‘জাপানি স্নো ফেইরি’ হলো লম্বা লেজযুক্ত টিট পাখির একটি উপ-প্রজাতি, যা জাপানের হোক্কাইডো অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। এটি দেখতে ছোট ও তুলতুলে সাদা। স্নো ফেইরি দৈর্ঘ্যে সাধারণত ১২ থেকে ১৬ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর লেজের অংশ কালো আর দেহের অংশ সাদা। এই পাখিটির আসল নাম শিমা এনাগা। শিমা মানে দ্বীপ। এনাগা মানে হচ্ছে লম্বা লেজওয়ালা পাখি। খুবই আদুরে এই পাখি জাপানের হোক্কাইদোতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। যদিও এর কিছু আত্মীয়-স্বজন ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকায়ও বাস করে। এই পাখির পুরো শরীর সাদা পালকে ঢাকা থাকে এবং চোখ দুটি ছোট ও কালো হওয়ায় এদের দেখতে অনেকটা তুলোর বলের মতো লাগে। এদের এই নরম তুলতুলে সাদা চেহারার কারণেই ‘বরফের পরী’ বা ‘স্নো ফেইরি’ ডাকনাম দেওয়া হয়েছে। শীতকালে এদের দেহের পালক শীত থেকে বাঁচার জন্য ফুলতে থাকে। যেন এরা নিজের দেহকে গরম রাখতে পারে। সে সময় এদের সাদা পালক এতটাই ফুলে ওঠে যে দেহটা গোলাকার হয়ে যায়। তখন পাখিগুলোকে দেখলে বরফের বল মনে হয়।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে শ্রীলংকা

পাকিস্তানের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে শ্রীলংকা দীর্ঘ ছয় বছর পর পাকিস্তান সফরে রয়েছে শ্রীলংকা ক্রিকেট দল। এই সফরে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে শ্রীলংকা। তারই ধারাবাহিকতায় রাওয়ালপিন্ডিতে আজ পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ৩য় ওডিআই ম্যাচটি শুরু হয়েছে বিকেল সাড়ে ৩টায়। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। তবে তাদের বোলাররা শুরুতেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছেন। পাক বোলারদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করছেন। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছে শ্রীলংকা।

বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট

বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট সারাদেশের সব আদালত প্রাঙ্গণে ও বাসস্থানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের দায়ের করা হয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে শিকদার মো. মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

অনিবন্ধিত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিটিআরসির সুখবর

অনিবন্ধিত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য বিটিআরসির সুখবর আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে বন্ধ হয়ে যাবে সব ধরনের অবৈধ ও অনিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট। তবে, এর মধ্যেই যারা অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।  সংস্থাটির নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ ডিসেম্বরের আগে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোন স্বংক্রিয়ভাবেই নিবন্ধিত হয়ে যাবে। আজ এ বার্তা দিয়েছে বিটিআরসির। সেখানে বলা হয়েছে, ‘১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট (বৈধ বা অবৈধ বা ডাটাবেইজে পাওয়া যায়নি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং তা নেটওয়ার্কে সচল থাকবে।’ বার্তায় আরও বলা হয়, আগামী ১৬ ডিসেম্বরে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেমটি চালু হতে যাচ্ছে। ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সকল মোবাইল হ্যান্ডসেট (বৈধ বা অবৈধ বা ডাটাবেইজে পাওয়া যায়নি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে এবং তা নেটওয়ার্কে সচল থাকবে। মোবাইল হ্যান্ডসেট ক্রয়ের পূর্বে বৈধতা যাচাই করার পদ্ধতি: আপনার হ্যান্ডসেটের IMEI নাম্বার জানার জন্য ডায়াল করুন *#06#। অতঃপর মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD<space>১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে প্রেরণ করুন। ফিরতি মেসেজ এর মাধ্যমে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এনইআইআর সম্পর্কিত তথ্য সেবা : এনইআইআর সম্পর্কিত যে কোন তথ্য জানার প্রয়োজন হলে বিটিআরসির হেল্পডেস্ক নম্বর ১০০ এ কল করুন। যেকোনো অপারেটরের মোবাইল নাম্বার থেকে ডায়াল করুন *16161#। সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার নম্বর ১২১ এ ডায়াল করে অথবা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করে এ সংক্রান্ত সেবা নিন। NEIR সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসার সমাধান পেতে ভিজিট করুন http://neir.btrc.gov.bd।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজার ১৩৯

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১ হাজার ১৩৯ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৮ জন, খুলনা বিভাগে ১১৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রাজশাহী বিভাগে ৪৬ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে), রংপুর বিভাগে ৯ জন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং সিলেট বিভাগে একজন (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদিকে, গত একদিনে সারা দেশে ১১৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৪২ জন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৪ হাজার ৯৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

টি-টেন লিগে দল পেলেন তাসকিন

টি-টেন লিগে দল পেলেন তাসকিন সাকিব আল হাসান, সাইফ হাসানের পর আবুধাবি টি-টেন লিগে দল পেলেন টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। নাহিদ রানাও টি-টেন লিগে দল পেয়েছিলেন, তবে তার খেলা হচ্ছে না। টুর্নামেন্ট শুরুর আগমুহূর্তে রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাসকিনের অংশগ্রহণের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে নর্দান ওয়ারিয়র্স ফ্র্যাঞ্চাইজি। ৮ দলের টুর্নামেন্টের টি-টেন লিগ শুরু হবে ১৮ নভেম্বর। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩০ নভেম্বর। আবুধাবি টি-টেন লিগে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে যুক্ত হয়েছে রয়্যাল চ্যাম্পস। ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের ড্রাফটের আগেই সাকিব আল হাসানকে দলে নেয় তারা। এই দলে সাকিব সতীর্থ হিসেবে পাবেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জেসন রয়ের মতো তারকাদের। ড্রাফটে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে সাইফ হাসানকে দলে নেয় অ্যাসপিন স্ট্যালিয়ন্স। বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন সাইফ। দলের সঙ্গে দ্রুতই যোগ দেবেন তিনি। ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে দল পেয়েছিলেন নাহিদ রানাও। তবে বিসিবি অনাপত্তিপত্র না দেওয়ায় এ আসরে আর খেলা হচ্ছে না তার।