গোমস্তাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত : অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

গোমস্তাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত : অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড গোমস্তাপুরে অবৈধভাবে অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ বিকেলে অটোভ্যানে করে অন্য উপজেলায় সার নেওয়ার সময় জনগন বিক্রেতাদের আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে রহনপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স আল আমিন ট্রেডার্স থেকে সার ক্রয় করে অটোভ্যানে করে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই সময় সাধারণ জনগণ অটোভ্যানটি আটক করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভুমি) উম্মে সালমা রুমি ও কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেনের উপস্থিতিতে, উপজেলা কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় এবং অন্যত্র সার বিক্রির অপরাধে ওই সার ডিলারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীকে সর্তকও করা হয়।
শহরে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে হত্যা, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারীসহ আটক ৭

শহরে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে হত্যা, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারীসহ আটক ৭ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রান্তিকপাড়া জিয়ানগর মহল্লায় পৌরসভার সরবরাহকৃত পানি সংগ্রহকে কেন্দ্র „করে নারীদের ঝগড়ার জেরে প্রতিপক্ষের গাছের ডালের আঘাতে এক জেলে নিহত হয়েছেন। তিনি ওই মহল্লার মৃত আখতার মুন্সির ছেলে নাসির উদ্দিন বাসু। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৩ নারীসহ ৭ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার, মহল্লাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১টার দিকে মহল্লার জন্য স্থাপিত পৌর পানি সরবরাহ কলে পানি সংগ্রহ করছিল ওই মহল্লার এরশাদের ছেলে অটোচালক বাবুর স্ত্রী নুরী। একই সময় পানি সংগ্রহে আসা নিহত বাসুর শ্যালিকা লাইলির সাথে তার মারামরি হয়। নিহত বাসু ওই মারামারি থামিয়ে বাড়ি চলে আসেন। পরে নুরী তার পিতার বাড়িতে খবর দিলে তার স্বজনরা এসে বাড়ির পাশেই বাসুর উপর চড়াও হলে ঘাড়ে ডালের আঘতে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন বাসু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বাবু, তাঁর স্ত্রী নুরী, তাঁর মা খোদেজা, তার শ্মাশুড়ি সহ ৪ জনকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল থেকেও নুরুীর ৩ স্বজনকে আটক করে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ। র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ২টি ওয়ান শুট্যারগান বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে বিশেষ ট্রাইবুনাল। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক হ্যায়দার আলী খোন্দকার একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে সাজা ঘোষণা করেন। দন্ডিত যুবক রাজশাহীর তানোর উপজেলার ময়েনপুর এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে নয়ন আলী । মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার খয়রাবাদ মরিচাডাঙ্গা এলাকায় র্যাব-৫ ব্যাটালিয়ন রাজশাহীর অভিযানে ২টি ওয়ান শুট্যার গান সহ আটক হন ময়েন। এ ঘটনায় পরের দিন ১৭ সেপ্টেম্বর একমাত্র ময়েনকে আসামী করে গোমস্তাপুর থানায় মামলা করেন র্যাবের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রীকান্ত বিশ্বাস। ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোমস্তাপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর ক্িরর একমাত্র ময়েনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ১০ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানী শেষে ট্রাইবুনাল মঙ্গলবার ময়েন আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.জাকির হোসেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির সংশোধিত নীতিমালা-২০২৬ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও এ নীতিমালার বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে পারবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বদলির ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় একটি নীতিমালার আওতায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার’-এর মাধ্যমে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়। বদলির সাধারণ শর্তাবলী -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা/বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। -প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। -সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। -আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা যে কোনো জেলায় অথবা স্বামী/স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। -প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন। -বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। -একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিন বার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন। -একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে- -নারী, দূরত্ব, স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) এবং জ্যেষ্ঠতা-এই চার বিষয় বিবেচনা করা হবে। -চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী সকল আবেদনকারীর কর্মস্থল একই উপজেলায় হলে তাদের বর্তমান কর্মস্থল যে উপজেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত উপজেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারী বিভিন্ন উপজেলার হলে তাদের কর্মস্থল যে জেলায় সে জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারীর কর্মস্থল বিভিন্ন জেলায় হলে তাদের নিজ-নিজ জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে। -দূরত্ব পরিমাপের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে। -অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। -বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের পূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। -একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) জন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে [নারী ও জ্যেষ্ঠতা] বদলির সুযোগ পাবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের অধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। -আবেদনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। বদলির কর্তৃপক্ষ মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে। আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া -বদলির সমগ্র প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সফটওয়্যার তৈরি ও অনলাইন আবেদনের ফরম্যাট নির্ধারণ করবে। -বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স পূর্বের প্রতিষ্ঠান থেকে বদলিকৃত প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ট্রান্সফার হবে। -পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ বদলি/পদায়নের বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে পারবেন। -বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি এবং জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। -বদলির আবেদনের ভিত্তিতে বদলি অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলিকৃত শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না। -আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বদলিকৃত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন। -অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যোগদানের তথ্য চেয়ারম্যান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ও মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে অনলাইনে অবহিত করবেন। -অবমুক্তি হতে যোগদান পর্যন্ত দিবসগুলো কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে। -কোনো শিক্ষকের বিষয়ে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না। রহিতকরণ এই নীতিমালা জারি হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জারিকৃত ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৪’ রহিত করা হয়েছে।
ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হলে নারীর শরীরে যেসব ক্ষতি হয়

ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হলে নারীর শরীরে যেসব ক্ষতি হয় হাড়ের স্বাস্থ্য এবং শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধি পর্যন্ত, ভিটামিন বি১২ নারীদের জন্য পুষ্টির একটি পাওয়ার হাউস। এই ভিটামিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এর ঘাটতি নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে প্রচলিত একটি সমস্যা। এটিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ ক্লান্তি, চাপ বা হরমোনের ওঠানামার ফলাফল হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হয়। অবহেলিত আচরণ এবং সাধারণ সচেতনতার অভাবের ফলে বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যাকে নির্ণয় করা যায় না, যা সম্ভাব্যভাবে গুরুতর দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। ভিটামিন বি১২ এর অভাবের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলির মধ্যে কেবল দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিই নয় বরং রক্ত ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। এটি চুল এবং ত্বকের গুণমান হ্রাসের মতো শারীরিক সূচকের মাধ্যমেও প্রকাশিত হতে পারে। ভিটামিন বি১২ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের প্রতিবেদন অনুসারে, ভিটামিন বি১২ একটি অপরিহার্য পুষ্টি যা শরীরকে স্নায়ু কোষ এবং লোহিত রক্তকণিকা সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি ডিএনএ সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিবেচনা করার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানবদেহ নিজে থেকে ভিটামিন বি১২ তৈরি করে না। এর একমাত্র উৎস হলো আপনি যে খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করেন, সেগুলো। ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি, ডিএনএ তৈরি এবং সুস্থ স্নায়ুতন্ত্রকে সহায়তা করে শরীরের সঠিকভাবে কার্যকারিতা নিশ্চিত করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ শরীরকে অক্সিজেন পরিবহন, স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে এবং কোষের ক্ষতি নিরাময়ে সহায়তা করে। ভিটামিন বি১২ এর মাত্রা কম হলে শরীরের এই কার্য সম্পাদনের ক্ষমতা ধীর হয়ে যায়, যার ফলে দৈনন্দিন জীবন এবং সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। কেন নারীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন খাদ্যতালিকা, নির্দিষ্ট জৈবিক চাহিদা এবং ভিটামিন শোষণের সমস্যার ফলে নারীরা ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। যে নারীরা প্রাণিজ খাবার গ্রহণ করেন না তাদের ঘাটতির ঝুঁকি বেশি। বিভিন্ন হজমজনিত রোগে ভুগছেন অথবা যারা নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশনের ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করছেন তারাও এই সমস্যার সম্মুখীন হন। লক্ষণ এবং সতর্কতা ভিটামিন বি১২ এর অভাব বিভিন্ন ধরণের শারীরিক এবং স্নায়বিক লক্ষণ উপস্থাপন করতে পারে, যার তীব্রতা বিভিন্ন রকম হতে পারে। ভিটামিন বি১২ এর অভাবের সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এমন লক্ষণগুলো জেনে নিন- * দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এবং ক্রমাগত দুর্বলতা। * চুলের সমস্যা যেমন চুল পাতলা হওয়া, বর্ধিত ঝরে পড়া এবং চুল নিস্তেজ বা ভঙ্গুর। * ফ্যাকাশে রঙ এবং ঘন ঘন শ্বাসকষ্ট। * স্নায়ুসংক্রান্ত সমস্যা, যেমন ঘন ঘন মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরা। * প্যারেস্থেসিয়া, যার মধ্যে রয়েছে বাহু ও পায়ে অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি। * মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সমস্যা এবং ভুলে যাওয়া। * জিহ্বার প্রদাহ এবং বারবার মুখের আলসার। চিকিৎসা না করা হলে এই অভাব মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যা অস্বাভাবিক, বর্ধিত লোহিত রক্তকণিকা দ্বারা চিহ্নিত। ধীরে ধীরে স্নায়বিক জটিলতা আরও খারাপ হতে পারে; তাই এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবিলম্বে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট

এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট সড়ক দুর্ঘটনার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আজও আলিয়া ভাটকে নাড়া দেয়। গাড়ির পেছনের আসনে বসলেও তিনি নিয়মিত সিটবেল্ট পরেন। রাস্তায় চলাচলের সময় এক ধরনের ভয় কাজ করে তার মধ্যে। কারণ, একটি দুর্ঘটনাই একসময় তার খুব কাছের একজনকে কেড়ে নিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতের একটি সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেন আলিয়া ভাট। সেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও ভিকি কৌশল। অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের একটি বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। আলিয়া জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি তার ন্যানিকে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারান। ওই নারী তার দেখাশোনা করতেন এবং পরিবারের সদস্যের মতোই ছিলেন। আলিয়ার ভাষায়, তিনি শুধু ন্যানি নন, দিদির মতো একজন মানুষ ছিলেন।ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে আলিয়া বলেন, তার ন্যানি একদিন সঙ্গীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। সঙ্গীর মাথায় হেলমেট থাকলেও ন্যানির মাথায় হেলমেট ছিল না। পথে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি ছিটকে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এই ঘটনা আলিয়ার মনে গভীর প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন আতঙ্কে ভুগেছেন তিনি। পরিবারের সবাই তখন নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্ক হয়ে ওঠে। আলিয়ার মা তাকে নিয়ে সব সময় চিন্তিত থাকতেন। এমনকি গাড়িচালককে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল- সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালালে চাকরি থাকবে না। আলিয়া জানালেন, এখন নিজে মা হওয়ার পর সেই সময়কার উদ্বেগ, ভয় আর নিরাপত্তার গুরুত্ব আরও ভালোভাবে বুঝতে পারছেন তিনি। বলেন, ‘এখন নিজে মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি।’ আলিয়া ভাট এখন তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় পার করছেন। একদিকে যেমন তার পেশাগত ব্যস্ততা, অন্যদিকে তিনি তার মেয়ে রাহার মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করছেন। এর আগে আলিয়া বলেছিলেন, মেয়ের জন্মের পরেই আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসি যে, মেয়েকে কখনো একা ছাড়ব না । রাহাকে কখনও আমি দেখব, কখনও রণবীর। যার যখন কাজ থাকবে, অন্যজন ছুটি নিয়ে আমরা সন্তানের কাছে থাকব।
প্রকাশ্যে তীব্র অপমান, স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা

প্রকাশ্যে তীব্র অপমান, স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা দীর্ঘদিনের স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব, কিন্তু সেই সম্পর্ক ভাঙতে সময় লাগল না এক মুহূর্ত। বলিপাড়ার ইনফ্লুয়েন্সার ওরহান আত্রামানি ওরফে ওরির সাথে সব সম্পর্ক শেষ করে দিলেন সাইফ আলি খানের কন্যা সারা আলি খান। প্রকাশ্যে সারার ক্যারিয়ার ও পরিবার নিয়ে ওরির অপদস্থকর মন্তব্যের জেরে এই বিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার শুরু ওরির একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সেখানে তিনি সারা আলি খান, তার মা অমৃতা সিং এবং ভাই ইব্রাহিম আলি খানের চর্চিত প্রেমিকা পলক তিওয়ারিকে উদ্দেশ্য করে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। ওরি জানান, এই তিনটি নাম তার কাছে অত্যন্ত অপছন্দের। এমন প্রকাশ্য অপমানের পর কোনো কথা খরচ না করেই ওরিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করে দেন সারা ও ইব্রাহিম। বন্ধুত্বে ফাটল ধরার পর ওরি আরও এক ধাপ এগিয়ে সারাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন; সেটাও ভীষণ ন্যাক্কারজনকভাবে! আরেক রিল ভিডিওয় ওরিকে দেখা যায় কালো নেটের গেঞ্জিতে স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে ভিতরে থাকা সাদা ব্রা এবং তার স্ট্র্যাপ। এই ইনফ্লুয়েন্সারের এমন উদ্ভট সাজপোশাক দেখে একজন প্রশ্ন ছোড়েন, ওই অন্তর্বাসে ঠিক কী ধরে রেখেছেন আপনি? আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই অযাচিতভাবে সারা আলি খানের নাম উল্লেখ করে বসেন ওরি। বলেন, আমার এই অন্তর্বাসে সারার ক্যারিয়ারের হিট ছবিগুলো ধরে রেখেছি। ওরির এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে নেটিজেনদের মাঝেও তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে। এদিকে সারার এতসব অপমানের পরেও সরাসরি কোনো তর্কে জড়াননি নবাবকন্যা। তবে সিনেমা জগতে আসার আগে থেকেই সারা এবং ওরি একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বলিউডের যেকোনো বড় পার্টিতে তাদের একসাথে দেখা যেত।
‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে’

‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে’ ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌনী রায়ের সম্প্রতি হরিয়ানার কর্নলে স্টেজ শো করতে গিয়ে প্রকাশ্যেই শারীরিক হেনস্তারর শিকার হয়েছেন। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে এবার সোচ্চার হয়েছেন টলিউড সুপারস্টার শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। কর্নলে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন মৌনী। সেখানে মঞ্চে ওঠার সময় একদল ব্যক্তি ছবি তোলার কথা বলে তাকে ঘিরে ধরেন। মৌনীর অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে দাদুর বয়সী দুই ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা অভিনেত্রীর কোমরে হাত দেন এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করেন। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন মৌনী। তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি অত্যন্ত হতাশ। মঞ্চের দিকে যাওয়ার সময় কয়েকজন কাকু এবং তাদের পরিবারের পুরুষরা আমার কোমরে হাত রেখে ছবি তুলছিলেন। বাধ্য হয়ে তাদের হাত সরাতে বললে তারা বিষয়টি সহজভাবে নেননি।’ মৌনীর এই সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে এগিয়ে এসেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে শুভশ্রী লেখেন, ‘কিছুদিন আগেই আমরা নতুন বছরের উদযাপন করেছি। ২০২৬ সালে বসবাস করছি। তবে কিছুই পাল্টায়নি। এখনও মহিলাদের হেনস্তা করা হচ্ছে। ‘তাদের ভোগপণ্য হিসাবে দেখা হয়। মৌনীকে যে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, সেটা একেবারেই কাম্য নয়। মৌনী, তুমি অত্য়ন্ত শক্তিশালী। তুমি সকল মহিলার প্রতিনিধি হয়ে তোমার সঙ্গে ঘটা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছো। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ, ভালোবাসা।’
সালমান খানের সম্পদ ও বিলাসিতার অজানা গল্প

সালমান খানের সম্পদ ও বিলাসিতার অজানা গল্প বিলাসিতা সবার কাছে এক রকম নয়। কারও কাছে বিলাস মানে পছন্দের বই কেনা, কারও কাছে আবার দামি গাড়ি বা বাড়ি। কেউ নিজের উপার্জন ব্যয় করেন সমাজসেবায়, আবার কেউ শখের বশে তৈরি করেন ব্যক্তিগত অবসরকেন্দ্র। বলিউড তারকারাও এর ব্যতিক্রম নন। শাহরুখ খানের বিলাসিতার প্রতীক তাঁর ২০০ কোটির বাড়ি ‘মান্নাত’। অন্যদিকে সালমান খান তাঁর বিলাসিতাকে দেখেন ভিন্ন চোখে। তিনি অর্জিত অর্থ ব্যয় করেছেন নিজের শখ আর পছন্দের জায়গাগুলোতে। সেই তালিকায় চোখ রাখলেই বোঝা যায়, মুম্বইয়ের ভাইজান বিলাস বলতে কী বোঝেন। শাহরুখ খানের মতো রাজপ্রাসাদ নয়, তবু সালমান খান যে বাড়িতে থাকেন সেটি মুম্বইয়ের বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট। বহু পুরোনো এই ঠিকানাতেই থাকে তাঁর পরিবার। আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকার এই বাড়ি বদলানোর কোনো আগ্রহ নেই তাঁর। এখানেই প্রতিদিন ভক্তদের ভিড় জমে প্রিয় তারকার এক ঝলক দেখার আশায়। তবে এটি সালমানের সবচেয়ে দামি সম্পত্তি নয়। মুম্বইয়ের কোলাহল থেকে দূরে পানভেলে রয়েছে তাঁর ফার্মহাউস। বিস্তীর্ণ সবুজ জমি ঘেরা এই বাড়িতে রয়েছে তাঁর পোষ্যদের থাকার জায়গা এবং নিজস্ব আঁকার স্টুডিও। অবসর পেলেই এখানে সময় কাটান সালমান খান। এই ফার্মহাউসের মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সম্পত্তির বাইরেও সালমান খান এর বিলাস ছড়িয়ে আছে তাঁর ব্র্যান্ডে। বলিউডে তারকাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড চালুর চল শুরু হওয়ার অনেক আগেই সালমান খান তৈরি করেছিলেন তাঁর ব্র্যান্ড বিইং হিউম্যান। এই ব্র্যান্ড শুধু ফ্যাশন নয়, সামাজিক কাজের সঙ্গেও যুক্ত। দেশের বাইরেও এর ফ্যাশন শো হয়েছে, যেখানে হাঁটেছেন বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীরা। বর্তমানে এই ব্র্যান্ডের বাজার মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। প্রযোজনার জগতেও সালমান খান বড় নাম। তাঁর নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা সালমান খান ফিল্মস থেকে তৈরি হয়েছে বজরঙ্গী ভাইজানসহ একাধিক জনপ্রিয় ছবি। বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি ভিন্ন ধারার সিনেমাতেও বিনিয়োগ করেছে এই সংস্থা। এর বর্তমান মূল্য ৫০০ কোটিরও বেশি বলে ধারণা করা হয়। এ ছাড়া সালমান খান এর আরেকটি বড় শখ হলো হাতঘড়ি। এই শখ নিয়ে খুব বেশি কথা না হলেও তাঁর ঘড়ির সংগ্রহের মূল্য আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে কয়েকটি ঘড়ি একেবারেই বিরল, যা শুধু তাঁর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সালমান খানের বিলাসিতা চোখে পড়ার মতো জাঁকজমকপূর্ণ না হলেও, তাঁর শখ আর বিনিয়োগের তালিকা দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায় ভাইজানের বিলাস ভাবনার গভীরতা।
প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয়-সঞ্জয়

প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয়-সঞ্জয় জমজমাট অ্যাকশন থ্রিলার নিয়ে আসছেন বলিউড নির্মাতা লাভ রঞ্জন। যেখানে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে অজয় দেবগন, সঞ্জয় দত্ত এবং তামান্না ভাটিয়াকে। চূড়ান্ত না হলেও আপাতত ছবিটির শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘রেঞ্জার’।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে লাভ রঞ্জন বলেন, ‘রেঞ্জার’ এখন শুধুই একটি টেন্টেটিভ টাইটেল। এ ছবির জন্য উপযুক্ত একটি নাম খুঁজেছি আমরা। ছবির মুক্তি তো এখনো প্রায় ১১ মাস বাকি, তাই আশা করছি তার মধ্যেই এই নাম নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব আমরা। একইসঙ্গে ছবির মুক্তির সময় নিয়েও স্পষ্ট করেছেন তিনি। পরিচালক নিশ্চিত করেছেন, চলতি বছরের ৪ ডিসেম্বর মুক্তির লক্ষ্যেই এগোচ্ছে ছবিটি। এই ছবির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, প্রথমবারের মতো অ্যাকশন ছবিতে জুটি বাঁধছেন অজয় ও সঞ্জয়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তারা একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করলেও আশ্চর্যজনকভাবে কখনো অ্যাকশন ঘরানায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন লাভ রঞ্জন। তার কথায়, ২৫ বছরেরও বেশি সময়ে অজয় স্যার আর সঞ্জু স্যার অনেক ছবি একসঙ্গে করেছেন, কিন্তু কোনো অ্যাকশন ফিল্ম নয়। এটা সত্যিই অবাক করার মতো। এবার প্রথমবার তাদের অ্যাকশন ছবিতে একসঙ্গে দেখা যাবে, এটাই এই ছবির অন্যতম রোমাঞ্চকর দিক। এর আগে, এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে ‘মেহবুবা’, ‘হাম কিসিসে কম নেহি’, ‘অল দ্য বেস্ট’, ‘রাস্ক্যালস’ ও ‘সন অব সর্দার’-এর মতো ছবিতে। পাশাপাশি সালমন খানের ‘রেডি’ ছবিতে অতিথি শিল্পী হিসেবে কাজ করেছিলেন সঞ্জয়-অজয় এবং অজয়ের ‘রাজু চাচা’ ছবিতেও একঝলকের জন্য দেখা গিয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। যদিও দুজনেই আলাদাভাবে ‘এলওসি কার্গিল’, ‘ট্যাঙ্গো চার্লি’ এবং ‘ভুজ: দ্য প্রাইড অব ইন্ডিয়া’-র মতো অ্যাকশন ছবিতে অভিনয় করেছেন, তবে কোনো ছবিতেই তাদের অ্যাকশন দৃশ্যে একসঙ্গে দেখা যায়নি।