বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, যৌতুক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে কল্যাণী মহিলা সমিতি এ বৈঠক আয়োজন করে। গ্রিনভিউ স্কুলের সামনে সমিতির মর্জিনা হক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে অংশ নেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন মহল্লা থেকে আগত ৩০ জন নারী। নারী কল্যাণ সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফারুকা বেগমের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— সমিতির সিনিয়র সদস্য মানসুরা, শামীমা আখতার জাহান, অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা, তাজকেরা খাতুন ও মহিলা বিষয়ক প্রশিক্ষক নিলুফার ইয়াসমিন। বৈঠকে যৌতুক, বাল্যবিয়ের কুফল, নারী ও শিশু নির্যাতন, মানবপাচার, ধর্ষণ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নারী উদ্যোক্তাদের পাঁচ শতাংশ সুদে ক্ষুদ্রঋণ দেবে ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. আমজাদ হোসেন খাঁন জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাত্র ৫ শতাংশ সুদে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্রঋণ দেবে সোনালী ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলো। কোনো জামানত ছাড়াই এই ঋণ দেয়া হবে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সিএমএসএমই, নারী উদ্যোক্তা খাতে ঋণ বিতরণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি/সাক্ষরতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, ৩৪টি ব্যাংকের আয়োজনে ২ থেকে ৩ জন করে নারী উদ্যোক্তা এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন। এইসব নারীদের উৎপাদিত পণ্য দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। কারণ, একসময় আমাদের নারী উদ্যোক্তারা বুটিকস এবং পার্লারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আজ তারা ভিন্ন ভিন্ন সেক্টরে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছেন। বিশেষ করে বর্তমানে নারীরা আইটি সেক্টরেও ভালো করছেন। তিনি বলেন— এক পরিসংখ্যানে দেখলাম ২০২২ সালে এই জেলায় নারীদের শিক্ষিতের হার ছিল ৭৩ শতাংশ। এই শিক্ষিত নারী উদ্যোক্তারা আমাদের জিডিপিতে অবদান রাখতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আমজাদ হোসেন খাঁন আরো বলেন— বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক, জেলা প্রশাসন, এসএমই ফাউন্ডশন ও নারী চেম্বারের মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আমাদের নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা অর্জন করানো হবে। এসময় তিনি নারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটি কমিটি করার নির্দেশনা দেন। ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে তিনি বলেন— নারী উদ্যোক্তাদের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন এবং প্রতিদিনের হিসাবের রেজিস্টার ব্যবহার করতে হবে। যাতে ব্যাংক একনজর দেখলেই বুঝতে পারে আপনারা ঋণ পাবার যোগ্য। ঋণ পেতে যে কেউ গ্যারান্টার হতে পারবেন। তবে ঋণ নেবার আগে স্বামী বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। তা না হলে ঋণের টাকা যদি অন্য খাতে চলে যায় তাহলে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে ঝামেলা হবে। সোনালী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল অফিস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মোর্শেদ ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন, সোনালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী জেনারেল ম্যানেজারস অফিসের জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. শওকত জামান। নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে লিড ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংক পিএলসিসহ অন্যান্য ৩৪টি ব্যাংক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। দ্বিতীয় পর্বে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

নারী উদ্যোক্তাদের পাঁচ শতাংশ সুদে ক্ষুদ্রঋণ দেবে ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) মো. আমজাদ হোসেন খাঁন জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাত্র ৫ শতাংশ সুদে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্রঋণ দেবে সোনালী ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলো। কোনো জামানত ছাড়াই এই ঋণ দেয়া হবে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সিএমএসএমই, নারী উদ্যোক্তা খাতে ঋণ বিতরণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি/সাক্ষরতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, ৩৪টি ব্যাংকের আয়োজনে ২ থেকে ৩ জন করে নারী উদ্যোক্তা এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন। এইসব নারীদের উৎপাদিত পণ্য দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। কারণ, একসময় আমাদের নারী উদ্যোক্তারা বুটিকস এবং পার্লারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে আজ তারা ভিন্ন ভিন্ন সেক্টরে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছেন। বিশেষ করে বর্তমানে নারীরা আইটি সেক্টরেও ভালো করছেন। তিনি বলেন— এক পরিসংখ্যানে দেখলাম ২০২২ সালে এই জেলায় নারীদের শিক্ষিতের হার ছিল ৭৩ শতাংশ। এই শিক্ষিত নারী উদ্যোক্তারা আমাদের জিডিপিতে অবদান রাখতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আমজাদ হোসেন খাঁন আরো বলেন— বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক, জেলা প্রশাসন, এসএমই ফাউন্ডশন ও নারী চেম্বারের মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আমাদের নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষতা অর্জন করানো হবে। এসময় তিনি নারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ একটি কমিটি করার নির্দেশনা দেন। ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে তিনি বলেন— নারী উদ্যোক্তাদের ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন এবং প্রতিদিনের হিসাবের রেজিস্টার ব্যবহার করতে হবে। যাতে ব্যাংক একনজর দেখলেই বুঝতে পারে আপনারা ঋণ পাবার যোগ্য। ঋণ পেতে যে কেউ গ্যারান্টার হতে পারবেন। তবে ঋণ নেবার আগে স্বামী বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। তা না হলে ঋণের টাকা যদি অন্য খাতে চলে যায় তাহলে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে ঝামেলা হবে। সোনালী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল অফিস, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মোর্শেদ ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন, সোনালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী জেনারেল ম্যানেজারস অফিসের জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. শওকত জামান। নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে লিড ব্যাংক হিসেবে সোনালী ব্যাংক পিএলসিসহ অন্যান্য ৩৪টি ব্যাংক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। দ্বিতীয় পর্বে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে ইমাম সম্মেলন

গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে ইমাম সম্মেলন চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে জেলাপর্যায়ে ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। এসময় তিনি বলেন— গণভোটের ব্যাপারে প্রাপ্যতা বোঝানোর জন্য সরকারের মেসেজটা সকল মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য এই আয়োজন। তিনি আরো বলেন, ইমামরা হচ্ছেন রাষ্ট্রের মডেল, রাষ্ট্রের বড় একটা অংশের মানুষের সৃজনশীল জায়গাতে আপনারা কাজ করতে পারেন। তিনি আরো বলেন, সরকারের যে স্লোগান— ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এবং পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ, না হলে কিছুই পাবেন না— এই আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নে আপনারা এই দায়িত্বটা পালন করবেন। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রচারণার জায়গা থেকে সরকারের সকল বিভাগ কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, ইমামদের মাধ্যমে সকল স্তরের মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছানো সম্ভব। তিনি আরো বলেন, আমরা জানি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনসহ সকল দপ্তর একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ঐতিহাসিক নির্বাচনের প্রেক্ষাপটের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। আমরা রাষ্ট্রের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ। আপনার ভোট আপনি দিবেন। তিনি আরো বলেন, আপনারা গণভোটের প্রচার করবেন, বিশেষ করে হ্যাঁ ভোটের। আমাদের সকলের ঐকমত্যের প্রয়োজনে হ্যাঁ ভোটের প্রয়োজন। হ্যাঁ, না— এর সিদ্ধান্ত মানুষের তবে আমাদেরকে এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে বলতে হবে। শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আপনারা সবাই জানেন, ফিৎনা-ফেসাদ কখনোই ইসলাম সমর্থন করে না। আমি চাইব, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আপনারাই সামনের সারিতে থাকবেন। আমরা শান্তিপূর্ণ, ঐতিহাসিক এবং উৎসবমুখর নির্বাচন করতে যাচ্ছি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) উজ্জল কুমার ঘোষ, সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক গোলাম মোস্তফা। বিশেষ আলোচক ছিলেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. এমরান হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মণ, আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া নিমগাছি দারুল উলুম জেসামিয়া ক্বওমি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহবুুবুর রহমান। সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলেওয়াত করেন উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেস ইমাম মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম মাওলানা মুখতার আলী। ইমাম সম্মেলনের আয়োজন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সম্মেলনে সদর উপজেলার ২০০, শিবগঞ্জ উপজেলার ২০০, ভোলাহাট উপজেলার ১০০, গোমস্তাপুর উপজেলার ১৫০, নাচোল উপজেলার ১০০ জন ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিন অংশগ্রহণ করেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’-এর আওতায় পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক ও শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু তার জীবনের সবচেয়ে বড় গ্লানি। তিনি বলেন, ‘দেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু তা কমাতে আমরা কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারছি না। এর প্রধান অন্তরায় হচ্ছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধকে উপেক্ষা করছে।’ বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতিকে বিশ্বের অন্যতম উদ্ভট নিয়ম আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই পদ্ধতি পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য ৬০ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চালকদের গাড়ি চালানোর দক্ষতা যাচাইয়ের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদেরই লাইসেন্স প্রদান করা হবে। হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হন চালকরা এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার আওতায় পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা সড়কে থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে জরিমানা করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বা শুধু জরিমানা করে মানুষের আচরণ পরিবর্তন করা যায় না। মানুষের কল্যাণে এই উদ্যোগ-এই উপলব্ধি চালকদের অন্তরে ধারণ করতে হবে।’ বায়ুদূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে বিআরটিসির অনেক বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হওয়া অগ্রহণযোগ্য। এ ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তিনি বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি আহ্বান জানান।
গোমস্তাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত : অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড

গোমস্তাপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত : অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড গোমস্তাপুরে অবৈধভাবে অন্য উপজেলায় সার বিক্রির অভিযোগে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ বিকেলে অটোভ্যানে করে অন্য উপজেলায় সার নেওয়ার সময় জনগন বিক্রেতাদের আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে রহনপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স আল আমিন ট্রেডার্স থেকে সার ক্রয় করে অটোভ্যানে করে পার্শ্ববর্তী উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই সময় সাধারণ জনগণ অটোভ্যানটি আটক করে। পরে সহকারী কমিশনার (ভুমি) উম্মে সালমা রুমি ও কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেনের উপস্থিতিতে, উপজেলা কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় এবং অন্যত্র সার বিক্রির অপরাধে ওই সার ডিলারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীকে সর্তকও করা হয়।
শহরে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে হত্যা, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারীসহ আটক ৭

শহরে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে হত্যা, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারীসহ আটক ৭ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের প্রান্তিকপাড়া জিয়ানগর মহল্লায় পৌরসভার সরবরাহকৃত পানি সংগ্রহকে কেন্দ্র „করে নারীদের ঝগড়ার জেরে প্রতিপক্ষের গাছের ডালের আঘাতে এক জেলে নিহত হয়েছেন। তিনি ওই মহল্লার মৃত আখতার মুন্সির ছেলে নাসির উদ্দিন বাসু। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ৩ নারীসহ ৭ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবার, মহল্লাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১টার দিকে মহল্লার জন্য স্থাপিত পৌর পানি সরবরাহ কলে পানি সংগ্রহ করছিল ওই মহল্লার এরশাদের ছেলে অটোচালক বাবুর স্ত্রী নুরী। একই সময় পানি সংগ্রহে আসা নিহত বাসুর শ্যালিকা লাইলির সাথে তার মারামরি হয়। নিহত বাসু ওই মারামারি থামিয়ে বাড়ি চলে আসেন। পরে নুরী তার পিতার বাড়িতে খবর দিলে তার স্বজনরা এসে বাড়ির পাশেই বাসুর উপর চড়াও হলে ঘাড়ে ডালের আঘতে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন বাসু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনার পর পুলিশ বাবু, তাঁর স্ত্রী নুরী, তাঁর মা খোদেজা, তার শ্মাশুড়ি সহ ৪ জনকে বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল থেকেও নুরুীর ৩ স্বজনকে আটক করে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ। র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ২টি ওয়ান শুট্যারগান বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে অস্ত্র আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় এক যুবককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে বিশেষ ট্রাইবুনাল। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশেষ ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক হ্যায়দার আলী খোন্দকার একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে সাজা ঘোষণা করেন। দন্ডিত যুবক রাজশাহীর তানোর উপজেলার ময়েনপুর এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে নয়ন আলী । মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার খয়রাবাদ মরিচাডাঙ্গা এলাকায় র্যাব-৫ ব্যাটালিয়ন রাজশাহীর অভিযানে ২টি ওয়ান শুট্যার গান সহ আটক হন ময়েন। এ ঘটনায় পরের দিন ১৭ সেপ্টেম্বর একমাত্র ময়েনকে আসামী করে গোমস্তাপুর থানায় মামলা করেন র্যাবের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রীকান্ত বিশ্বাস। ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গোমস্তাপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর ক্িরর একমাত্র ময়েনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ১০ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানী শেষে ট্রাইবুনাল মঙ্গলবার ময়েন আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেন। আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.জাকির হোসেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলির সংশোধিত নীতিমালা-২০২৬ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও এ নীতিমালার বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে পারবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বদলির ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় একটি নীতিমালার আওতায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার’-এর মাধ্যমে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়। বদলির সাধারণ শর্তাবলী -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা/বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে। -প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে। -সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। -আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা তার চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোনো জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা যে কোনো জেলায় অথবা স্বামী/স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। -প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন। -বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। -একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিন বার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন। -একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে- -নারী, দূরত্ব, স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) এবং জ্যেষ্ঠতা-এই চার বিষয় বিবেচনা করা হবে। -চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী সকল আবেদনকারীর কর্মস্থল একই উপজেলায় হলে তাদের বর্তমান কর্মস্থল যে উপজেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত উপজেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারী বিভিন্ন উপজেলার হলে তাদের কর্মস্থল যে জেলায় সে জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। -একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারীর কর্মস্থল বিভিন্ন জেলায় হলে তাদের নিজ-নিজ জেলার কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে। -দূরত্ব পরিমাপের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে। -অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। -বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের পূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। -একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) জন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে [নারী ও জ্যেষ্ঠতা] বদলির সুযোগ পাবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের অধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। -আবেদনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। বদলির কর্তৃপক্ষ মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে। আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া -বদলির সমগ্র প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। -মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুমোদনক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সফটওয়্যার তৈরি ও অনলাইন আবেদনের ফরম্যাট নির্ধারণ করবে। -বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স পূর্বের প্রতিষ্ঠান থেকে বদলিকৃত প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ট্রান্সফার হবে। -পারস্পরিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ বদলি/পদায়নের বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে পারবেন। -বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি এবং জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। -বদলির আবেদনের ভিত্তিতে বদলি অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলিকৃত শিক্ষক কোনো ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না। -আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বদলিকৃত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন। -অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যোগদানের তথ্য চেয়ারম্যান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ও মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে অনলাইনে অবহিত করবেন। -অবমুক্তি হতে যোগদান পর্যন্ত দিবসগুলো কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে। -কোনো শিক্ষকের বিষয়ে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না। রহিতকরণ এই নীতিমালা জারি হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর জারিকৃত ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৪’ রহিত করা হয়েছে।
ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হলে নারীর শরীরে যেসব ক্ষতি হয়

ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হলে নারীর শরীরে যেসব ক্ষতি হয় হাড়ের স্বাস্থ্য এবং শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সামগ্রিক সুস্থতা বৃদ্ধি পর্যন্ত, ভিটামিন বি১২ নারীদের জন্য পুষ্টির একটি পাওয়ার হাউস। এই ভিটামিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এর ঘাটতি নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে প্রচলিত একটি সমস্যা। এটিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণ ক্লান্তি, চাপ বা হরমোনের ওঠানামার ফলাফল হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হয়। অবহেলিত আচরণ এবং সাধারণ সচেতনতার অভাবের ফলে বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যাকে নির্ণয় করা যায় না, যা সম্ভাব্যভাবে গুরুতর দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। ভিটামিন বি১২ এর অভাবের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলির মধ্যে কেবল দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিই নয় বরং রক্ত ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে। এটি চুল এবং ত্বকের গুণমান হ্রাসের মতো শারীরিক সূচকের মাধ্যমেও প্রকাশিত হতে পারে। ভিটামিন বি১২ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের প্রতিবেদন অনুসারে, ভিটামিন বি১২ একটি অপরিহার্য পুষ্টি যা শরীরকে স্নায়ু কোষ এবং লোহিত রক্তকণিকা সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এটি ডিএনএ সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিবেচনা করার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানবদেহ নিজে থেকে ভিটামিন বি১২ তৈরি করে না। এর একমাত্র উৎস হলো আপনি যে খাবার এবং পানীয় গ্রহণ করেন, সেগুলো। ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্তকণিকা তৈরি, ডিএনএ তৈরি এবং সুস্থ স্নায়ুতন্ত্রকে সহায়তা করে শরীরের সঠিকভাবে কার্যকারিতা নিশ্চিত করে। পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ শরীরকে অক্সিজেন পরিবহন, স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে এবং কোষের ক্ষতি নিরাময়ে সহায়তা করে। ভিটামিন বি১২ এর মাত্রা কম হলে শরীরের এই কার্য সম্পাদনের ক্ষমতা ধীর হয়ে যায়, যার ফলে দৈনন্দিন জীবন এবং সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। কেন নারীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন খাদ্যতালিকা, নির্দিষ্ট জৈবিক চাহিদা এবং ভিটামিন শোষণের সমস্যার ফলে নারীরা ভিটামিন বি১২ এর ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। যে নারীরা প্রাণিজ খাবার গ্রহণ করেন না তাদের ঘাটতির ঝুঁকি বেশি। বিভিন্ন হজমজনিত রোগে ভুগছেন অথবা যারা নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশনের ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করছেন তারাও এই সমস্যার সম্মুখীন হন। লক্ষণ এবং সতর্কতা ভিটামিন বি১২ এর অভাব বিভিন্ন ধরণের শারীরিক এবং স্নায়বিক লক্ষণ উপস্থাপন করতে পারে, যার তীব্রতা বিভিন্ন রকম হতে পারে। ভিটামিন বি১২ এর অভাবের সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এমন লক্ষণগুলো জেনে নিন- * দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এবং ক্রমাগত দুর্বলতা। * চুলের সমস্যা যেমন চুল পাতলা হওয়া, বর্ধিত ঝরে পড়া এবং চুল নিস্তেজ বা ভঙ্গুর। * ফ্যাকাশে রঙ এবং ঘন ঘন শ্বাসকষ্ট। * স্নায়ুসংক্রান্ত সমস্যা, যেমন ঘন ঘন মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরা। * প্যারেস্থেসিয়া, যার মধ্যে রয়েছে বাহু ও পায়ে অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি। * মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সমস্যা এবং ভুলে যাওয়া। * জিহ্বার প্রদাহ এবং বারবার মুখের আলসার। চিকিৎসা না করা হলে এই অভাব মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, যা অস্বাভাবিক, বর্ধিত লোহিত রক্তকণিকা দ্বারা চিহ্নিত। ধীরে ধীরে স্নায়বিক জটিলতা আরও খারাপ হতে পারে; তাই এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবিলম্বে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট

এখন মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি : আলিয়া ভাট সড়ক দুর্ঘটনার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আজও আলিয়া ভাটকে নাড়া দেয়। গাড়ির পেছনের আসনে বসলেও তিনি নিয়মিত সিটবেল্ট পরেন। রাস্তায় চলাচলের সময় এক ধরনের ভয় কাজ করে তার মধ্যে। কারণ, একটি দুর্ঘটনাই একসময় তার খুব কাছের একজনকে কেড়ে নিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতের একটি সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেন আলিয়া ভাট। সেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন ও ভিকি কৌশল। অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের একটি বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। আলিয়া জানান, মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি তার ন্যানিকে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় হারান। ওই নারী তার দেখাশোনা করতেন এবং পরিবারের সদস্যের মতোই ছিলেন। আলিয়ার ভাষায়, তিনি শুধু ন্যানি নন, দিদির মতো একজন মানুষ ছিলেন।ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে আলিয়া বলেন, তার ন্যানি একদিন সঙ্গীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে মন্দিরে যাচ্ছিলেন। সঙ্গীর মাথায় হেলমেট থাকলেও ন্যানির মাথায় হেলমেট ছিল না। পথে একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি ছিটকে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।এই ঘটনা আলিয়ার মনে গভীর প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন আতঙ্কে ভুগেছেন তিনি। পরিবারের সবাই তখন নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্ক হয়ে ওঠে। আলিয়ার মা তাকে নিয়ে সব সময় চিন্তিত থাকতেন। এমনকি গাড়িচালককে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল- সিটবেল্ট ছাড়া গাড়ি চালালে চাকরি থাকবে না। আলিয়া জানালেন, এখন নিজে মা হওয়ার পর সেই সময়কার উদ্বেগ, ভয় আর নিরাপত্তার গুরুত্ব আরও ভালোভাবে বুঝতে পারছেন তিনি। বলেন, ‘এখন নিজে মা হয়ে এই বিষয়গুলো বুঝতে পারি।’ আলিয়া ভাট এখন তার জীবনের এক নতুন অধ্যায় পার করছেন। একদিকে যেমন তার পেশাগত ব্যস্ততা, অন্যদিকে তিনি তার মেয়ে রাহার মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করছেন। এর আগে আলিয়া বলেছিলেন, মেয়ের জন্মের পরেই আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসি যে, মেয়েকে কখনো একা ছাড়ব না । রাহাকে কখনও আমি দেখব, কখনও রণবীর। যার যখন কাজ থাকবে, অন্যজন ছুটি নিয়ে আমরা সন্তানের কাছে থাকব।