বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ দিলো অস্ট্রেলিয়া

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ দিলো অস্ট্রেলিয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা পাওয়া আরও কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া। দেশটি একধাক্কায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ফি দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়েছে। মূলত রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসনের লাগাম টানতে এবং এর জেরে দিন দিন আবাসন বাজারের ওপর চাপ তীব্র হতে থাকায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। আজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়া তার ভিসা ফি দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়েছে বলে সোমবার দেশটি জানিয়েছে। সর্বশেষ পদক্ষেপে চলতি জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভিসার ফি ৭১০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৬০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (১০৬৮ মার্কিন ডলার) করা হয়েছে।এছাড়া ভিজিটর ভিসাধারী ও অস্থায়ী স্নাতক ভিসা রয়েছে এমন শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত অবস্থায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্লেয়ার ও’নিল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আজকে কার্যকর হওয়া পরিবর্তনগুলো আমাদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং এমন একটি অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরি করতে সাহায্য করবে যা অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরও সুন্দর, ক্ষুদ্রতর এবং আরও ভালোভাবে কাজ করতে সক্ষম।’ চলতি বছরের মার্চ মাসে অভিবাসন বিষয়ে প্রকাশিত সরকারি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় নেট ইমিগ্রেশন ৬০ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে ভিসা ফি বৃদ্ধির ফলে অস্ট্রেলিয়ার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করা এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মতো প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। উত্তর আমেরিকার এই দুই দেশে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা ফি যথাক্রমে ১৮৫ মার্কিন ডলার এবং ১৫০ কানাডিয়ান ডলার (১১০ মার্কিন ডলার)। সরকার বলেছে, তারা ভিসা সংক্রান্ত নানা নিয়ম ও বিধির ত্রুটিগুলোও বন্ধ করছে যা বিদেশি ছাত্রদের অস্ট্রেলিয়ায় তাদের থাকার সময়সীমা ক্রমাগত প্রসারিত করার সুযোগ দিতো। ২০২২-২৩ সালে দ্বিতীয় বা পরবর্তী স্টুডেন্ট ভিসায় ছাত্রদের সংখ্যা ৩০ শতাংশ বেড়ে দেড় লাখের বেশি হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিলো অস্ট্রেলীয় সরকার। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়ার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় বার্ষিক অভিবাসন রেকর্ড মাত্রায় বেড়েছে। এরপর বিপুল সংখ্যায় অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে গত বছরের শেষের দিক থেকে স্টুডেন্ট ভিসার নিয়মগুলোকে কঠোর করার জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয় অস্ট্রেলিয়া।এরই অংশ হিসেবে সর্বশেষ এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে গত মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমন নিয়ন্ত্রণে ভিসার আবেদন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের প্রদর্শনের জন্য সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে অস্ট্রেলিয়ার সরকার। সেসময় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেসব বিদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই ন্যূনতম ২৯ হাজার ৭১০ অস্ট্রেলীয় ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় (২১ লাখ ৪৬ হাজার ৯২২ টাকা) সঞ্চিত থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই সঞ্চিত অর্থ সংক্রান্ত ব্যাংক নথি প্রদর্শন করতে হবে। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসায় আবেদনে যেসব কাগজপত্র-নথি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক, সেসবের মধ্যে ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ বিষয়ক নথিও অন্তর্ভুক্ত। এই নথি অন্তর্ভুক্ত করা না হলে আবেদন গ্রহণ করার নিয়ম নেই। এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার আবেদনের জন্য প্রদর্শনযোগ্য সঞ্চিত অর্থের বাধ্যবাধকতা ছিল ন্যূনতম ২১ হাজার ৪১ অস্ট্রেলীয় ডলার, পরে ২০২৩ সালের অক্টোবরে তা বৃদ্ধি করে ২৪ হাজার ৫০৫ অস্ট্রেলীয় ডলারে উন্নীত করা হয়। সেই হিসেবে গত মে মাসে প্রদর্শনযোগ্য সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হয় দ্বিতীয় দফায়।
বর্ষাকালে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে

বর্ষাকালে যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে বর্ষা গরমের তীব্রতা থেকে মুক্তি দেয়, নিয়ে আসে স্বস্তি। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে এসময় জলবাহিত রোগ, হজম সংক্রান্ত সমস্যা এবং সংক্রমণসহ অনেকগুলি স্বাস্থ্য সমস্যাও নিয়ে আসে। এই সময়ে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য আপনি কী খাচ্ছেন সেদিকে অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার দূষণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বা বর্ষাকালে স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুস্থ ও নিরাপদ থাকার জন্য বর্ষাকালে কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- পাতাযুক্ত সবুজ শাক-সবজি যদিও পালং শাক, লেটুস এবং বাঁধাকপির মতো শাক-সবজি সাধারণত স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়, তবে বর্ষা মৌসুমে এগুলো সমস্যার কারণ হতে পারে। স্যাঁতসেঁতে এবং আর্দ্র অবস্থা এই সবজিতে ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য রোগজীবাণুর জন্য একটি আদর্শ প্রজনন স্থল। ভেজা অবস্থার কারণে পাতাযুক্ত শাক সহজেই ময়লা, জীবাণু এবং পোকার ডিম দ্বারা দূষিত হতে পারে। এগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করা কঠিন, ফলে পেটের সংক্রমণ এবং ডায়রিয়ার মতো খাদ্যজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। বাইরের খোলা খাবার পথের পাশের খাবার প্রস্তুত এবং পরিবেশন করা হয় খোলা পরিবেশে। এ ধরনের খাবার বৃষ্টির পানি এবং মাছির মাধ্যমে দূষিত হতে পারে। রাস্তার খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত পানি বিশুদ্ধ নাও হতে পারে, যা কলেরা এবং টাইফয়েডের মতো জলবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। রাস্তার খাবার খাওয়ার পরিবর্তে, পরিষ্কার, তাজা উপাদান এবং নিরাপদ রান্নার অভ্যাস ব্যবহার করে বাড়িতে একই ধরনের স্ন্যাকস তৈরি করুন। মাশরুম মাশরুম ছত্রাক এবং স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেড়ে ওঠে, যা বর্ষাকালে খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বর্ষাকালে কেন মাশরুম এড়িয়ে চলা উচিত? বন্য মাশরুম আর্দ্র অবস্থায় ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং টক্সিন দ্বারা সহজেই দূষিত হতে পারে। কিছু মাশরুম হজম করা কঠিন হতে পারে, যা সম্ভাব্য পেট খারাপের কারণ হতে পারে। এর পরিবর্তে, তাজা, খামারে জন্মানো মাশরুম বেছে নিন। সেগুলো খাওয়ার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার ও সেদ্ধ করে নিন।
পিরিয়ডের সময় ব্রণ? যেভাবে দূর করবেন

পিরিয়ডের সময় ব্রণ? যেভাবে দূর করবেন মাসিক চক্র জুড়ে হরমোনের মাত্রা ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। পিরিয়ডের ঠিক এক বা দুই সপ্তাহ আগে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, এর ফলে তেল গ্রন্থিগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তেল উৎপাদন করে। এই অতিরিক্ত তেল মৃত ত্বকের কোষ এবং ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ত্বকের ছিদ্রগুলোকে আটকে রাখে এবং ব্রণের সৃষ্টি করে। এই ব্রণ সাধারণত নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে সেজন্য আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খান স্বাস্থ্যকর খাবার শুধু রোগ প্রতিরোধই করে না, এটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্রণ হোক বা প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোম (PMS)-জনিত ব্রণ হোক, শাক-সবজি, ফলমূল, দানাশস্য এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার উপশম দিতে পারে। সেইসঙ্গে চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অ্যালকোহলের মতো খাবার এড়িয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম ব্যায়াম নিজেই ব্রণ নিরাময় করে না; তবে এটি ব্রণ কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ওয়ার্কআউট রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, শর্করা অতিরিক্ত হরমোন তৈরি করতে পারে যা তেল উৎপাদন বাড়ায়, ব্রণের একটি প্রধান কারণ। ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালনকেও উন্নত করে, ত্বকের কোষে অক্সিজেন এবং পুষ্টি পৌঁছে দেয় এবং বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। পিরিয়ডের সময় হরমোন ওঠানামা করে। এটি আপনার তেল গ্রন্থিগুলোকে সিবাম অতিরিক্ত উৎপাদন করতে উৎসাহিত করতে পারে, যার ফলে ছিদ্র আটকে যায় এবং ব্রণ হয়। ব্রণ তখনই হয় যখন আপনার শরীর চাপের মধ্যে থাকে, কারণ এটি কর্টিসল নিঃসরণ করে, যা হরমোনের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্যকে ব্যাহত করে। এর ফলে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্ট্রেস দূর করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, যোগব্যায়াম এবং মেডিটেশনের মতো কৌশল বেছে নিতে হবে। সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুমও এক্ষেত্রে জরুরি।
পর্যাপ্ত না ঘুমালে যেসব ক্ষতি হয়

পর্যাপ্ত না ঘুমালে যেসব ক্ষতি হয় আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুম নিয়ে অবহেলা করলে ভুগতে হতে পারে নানা সমস্যায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন অন্তত সাত-আট ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন যদি আপনি অন্তত ছয় ঘণ্টারও কম সময় ঘুমান তাহলে শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি হতে পারে। তাই নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য এদিকে খেয়াল করা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক পর্যাপ্ত না ঘুমালে আপনার কী কী ক্ষতি হতে পারে- অনিদ্রা অনিদ্রা মূলত আমাদের অভ্যাসের কারণেই হয়ে থাকে। আপনি যদি নিয়মিত ঘুমে অবহেলা করেন তাহলে ঘুমের সময়সূচি নষ্ট হয়ে যাবে। তখন আর ঠিক সময়ে ঘুম আসতে চাইবে না। তাই প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। এতে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমও হবে। ফলে অনেক ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে থাকা সহজ হবে। মস্তিষ্কের ক্ষতি ঘুম পর্যাপ্ত না হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। আপনি যদি ঘুমে অনিয়ম করেন তাহলে বিষয়টি নিজেই টের পাবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে। এর ফলে দেখা দিতে পারে হ্যালুসিনেশনের মতো সমস্যাও। তাই মস্তিষ্ক সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে আপনাকে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন। এই সমস্যা একবার দেখা দিলে সহজে দূর হয় না। অনেকে মনে করেন কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার পেছনে কেবল আমাদের খাবারই দায়ী। আসলে তা নয়। এর নেপথ্যে কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে অপর্যাপ্ত ঘুমও। কারণ ঘুমের অভাব হলে তা প্রভাব ফেলে আমাদের পরিপাকতন্ত্রেও। এর ফলে দেখা দেয় কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই এই সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করুন। বিষণ্ণতা বিষণ্ণতা কোনো শখের অসুখ নয়। অনেক বেশি মানসিক চাপ থেকে এই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। যারা নিয়মিত না ঘুমায় তারা অন্যদের মতো হাসিখুশি কিংবা কর্মক্ষম থাকতে পারে না। কারণ পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মানসিক চাপ। সেখান থেকে দেখা দেয় বিষণ্ণতা। তখন মেজাজ খিটখিটে হতে থাকে এবং কাজেও মন বসে না। বিষণ্ণতা কিন্তু শরীরেও বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।
চুল লম্বা করতে কী খাবেন?

চুল লম্বা করতে কী খাবেন? অনেক চেষ্টা করেও চুল লম্বা করতে পারেন না কেউ কেউ। বাইরে থেকে যত যত্নই নেওয়া হোক না কেন, আপনার শরীর যদি পর্যাপ্ত পুষ্টি না পায় তবে চুল কাঙ্ক্ষিত লম্বা হবে না। এমনকী চুল হারাবে তার উজ্জ্বলতাও। তাই সুস্থ ও সুন্দর চুলের জন্য যত্ন তো নেবেনই, তারও আগে পুষ্টিকর ও চুলের জন্য উপকারী খাবার খাওয়া জরুরি। কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলো সম্পর্কে- আমন্ড বাদামের মধ্যে আমন্ড বেশ পুষ্টিকর ও জনপ্রিয়। এই বাদামে মিলবে প্রচুর ভিটামিন ই। এই ভিটামিন মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন এই বাদাম খেলে চুল হবে মসৃণ এবং লম্বা। তাই লম্বা চুল পেতে চাইলে আমন্ড বাদাম নিয়মিত খাবেন। সবুজ শাক পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো সবুজ শাক। এতে থাকে প্রচুর আয়রন এবং সেইসঙ্গে আরও থাকে ভিটামিন ই। নিয়মিত শাক খেলে তা ভালো হজমেও ভূমিকা রাখে। সেইসঙ্গে চুলে জোগায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি। তাই লম্বা চুল পেতে চাইলে আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে হবে সবুজ শাক। এতে আপনার ত্বকও উজ্জ্বল হবে। সূর্যমুখী বীজ সূর্যমুখী বীজ হলো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ অন্যতম খাবার। এই বীজ আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকার করে। সেইসঙ্গে চুল ভালো রাখতেও কাজ করে। ভিটামিন ই যুক্ত সূর্যমুখী বীজ আপনার স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। দই কিংবা সালাদের সঙ্গে খেতে পারেন এই বীজ। অ্যাভোকাডো চুলের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো অ্যাভোকাডো। এই ফলে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ভিটামিন ই। এটি শুধু শরীরের নয়, চুলের জন্যও ভীষণ কার্যকরী। নিয়মিত অ্যাভোকাডো খেলে চুল মজবুত এবং সুন্দর হবে। সেইসেঙ্গ পাবেন কাঙ্ক্ষিত চুল। প্রতিদিন সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে অ্যাভোকাডো খেতে পারেন।
প্রথম দিনেই ২০০ কোটির পথে প্রভাস-দীপিকার ‘কাল্কি’

প্রথম দিনেই ২০০ কোটির পথে প্রভাস-দীপিকার ‘কাল্কি’ মুক্তির আগেই বক্স অফিসে তুমুল আলোচনায় এসেছিল দক্ষিণী সিনেমা ‘কাল্কি’। এবার সেই আলোচনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট কার্ডে ৪০০ কোটির ব্যবসার কথা আগেই জানা গিয়েছিল। এবার মুক্তির প্রথম দিনের আয়ের আলোকে সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিল প্রভাস-দীপিকার এ দক্ষিণী সিনেমা। যে মেগা বাজেট সিনেমায় রূপদান করেছেন কমল হাসান, অমিতাভ বচ্চনদের সঙ্গে বাংলার শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ও। অগ্রীম বুকিংয়ে ৫৫ কোটির ব্যবসা করে বক্স অফিসে ঝড় তোলার আভাস দিয়েছিল ‘কাল্কি’। আর ওপেনিং ইনিংসেও শুধু সকাল পর্যন্ত ৩৩ কোটির আয় করে তাক লাগিয়ে দিল এ সিনেমা। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী, প্রথম সপ্তাহে প্রভাস-দীপিকার দক্ষিণী সিনেমার বিজয়রথ অপ্রতিরোধ্যই থাকবে। একটি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম সপ্তাহে বিশ্বের বক্স অফিসে ২০০ কোটি আয় করতে পারে ‘কাল্কি’। এর মধ্যে শুধুমাত্র ভারত থেকেই ১২০-১৪০ কোটির ব্যবসা করতে পারবে। যা কিনা চলতি বছরে শুরুর দিনের আয়ের আলোকে এখন পর্যন্ত কোনো সিনেমা অতিক্রম করেনি। অগ্রীম বুকিং অনুযায়ী দক্ষিণী বেল্টে, বিশেষ করে তেলুগু সিনেবাজার থেকে সব থেকে বেশি ব্যবসা করার এখন পর্যন্ত খবর জানা গেছে। তবে দিল্লি কিংবা মুম্বাইতে টিকিট বিক্রির গ্রাফ খানিক ধীরগতিতেই। এদিকে বিদেশে ব্লকবাস্টার ‘আরআরআর’ সিনেমার রের্কডও ভেঙে করে দিয়েছে ‘কাল্কি’ । উত্তর আমেরিকায় প্রিমিয়ার শোতে এসএস রাজামৌলীর সিনেমা ৩ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসাকে পাল্লা দিয়ে দিয়ে প্রভাস-দীপিকার ‘কাল্কি’ ৩.৮ মিলিয়ন ডলারের আয় করেছে। সেখানে প্রায় ৮০ হাজার ২০০টি স্ক্রিনে ‘কাল্কি’প্রদর্শন করা হচ্ছে।
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হিনা খান

স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হিনা খান কয়েকদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল থাইরয়েড ক্যানসারে আক্রান্ত ভারতের ছোটপর্দার অভিনেত্রী হিনা খান। অভিনেত্রীর ঘাতকব্যাধী রোগের খবর প্রকাশ্যে আসতেই ঝড় বয়ে যায় ভক্ত-অনুরাগীমহলে। শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে নিজেই সেই জল্পনা-কল্পনার সত্যতা হিনা জানিয়ে বললেন, ‘স্টেজ ৩’। হিনা খান জানিয়েছেন, ‘সম্প্রতি আমাকে নিয়ে যে জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়েছে, সেই বিষয়েই একটা খবর দিতে চাই। যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমার জন্য উদ্বিগ্ন তাদের বলছি, আমি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। মারণ রোগের তৃতীয় ধাপ। খুব কঠিন চ্যালেঞ্জ বটে, তবে সকলকে আশ্বস্ত করছি যে আমি সুস্থ রয়েছি। এ রোগ জয় করার জন্য যতটা মনোবল থাকা প্রয়োজন বা যতটা শক্তির প্রয়োজন, সবটাই রাখছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় সবকিছুই মেনে চলছি। এ সময়ে আমার গোপনীয়তাকে সম্মান করবেন আপনারা। আপনাদের ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেয়ে আমি সত্যিই ধন্য। ঈশ্বরের আশীর্বাদে আমি এবং পরিবারের সকলেই পজিটিভ থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি, এই যুদ্ধে আমি জিতবই। দয়া করে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিনার ফলোয়ারের সংখ্যা নেহাত কম নয়! সর্বদাই লাইমলাইটে থাকেন তিনি। কখন কী পরলেন, কী খেলেন, কোথায় গেলেন? সবটাই অনুরাগীদের নখদর্পণে। হবে না-ই বা কেন! হিনা সোশাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। সব সময়ের আপডেট শেয়ার করে নেন তাদের সঙ্গে। এবারও তার একটি পোস্ট থেকেই ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। যা কিনা অনুরাগীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে দ্বিগুণ। সেসব নজর এড়ায়নি তার। এ খবর বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হিনা খান নিজেই দুঃসংবাদটা দিলেন। হিনা খান সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লিখেছিলেন, ‘আমাদের এই গল্পের শেষ নেই! লড়াই যতই কঠিন হোক না কেন, যে যোদ্ধা তার জীবনে চমৎকার হবেই হবে। আল্লার উপরই ছেড়ে দিলাম সব।’ তবে শুধু অভিনেত্রীর পোস্টই নয়! এরমাঝেই ভাইরাল হয়ে যায় এক ডাক্তারের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট। যেখানে ওই চিকিৎসক সাফ জানিয়েছেন, ‘এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার থাইরয়েড ক্যানসারে আক্রান্ত। তিনি হাসপাতালেও এসেছিলেন। তবে জীবনেও ভাবিনি ওই তারকার এমন কঠিন রোগে আক্রান্ত হবেন।’
কুবের মিশু সাব্বির, কপিলা হচ্ছেন মাহি

কুবের মিশু সাব্বির, কপিলা হচ্ছেন মাহি বাংলা সাহিত্যে অমর এক চরিত্র কুবের। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র চরিত্র এটি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধি কুবের। যে হেরে যায় পুঁজিবাদ ও সামন্তবাদের কূটকৌশলের কাছে। যুগে যুগে চরিত্রটিকে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। তৈরি হয়েছে নাটক-সিনেমাও।এবার এই চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা মিশু সাব্বিরকে। ‘এমন যদি হতো’ নামের বিশেষ একটি ধারাবাহিক নাটকে এ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এতে কুবেরের শালী চরিত্র কপিলা হিসেবে পর্দায় হাজির হবেন সামিরা খান মাহি।এটি রচনা করেছেন রাজিবুল ইসলাম রাজিব। ১৯৫২ এন্টারটেইনমেন্ট প্রোডাকশনের ব্যানারে এটি প্রযোজনা করেছেন সাজু মুনতাসীর। সিরিজটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ ও সাইদুর রহমান রাসেল। এ সিরিজে মিশু ছাড়াও আরও কয়েকজন অভিনেতা ঐতিহাসিক ও অতীতের বিভিন্ন সময়ের জনপ্রিয় চরিত্র দেখা দেবেন। যার মধ্যে আলাদীনের দৈত্য চরিত্রে হাজির হবেন অভিনেতা চাষী আলম। দেবদাস চরিত্রে দেখা যাবে জোভানকে। ওপার বাংলার বিখ্যাত অভিনেতা ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদলে মুকিত জাকারিয়াকে দেখা যাবে ঢাকার ভানু চরিত্রে। টয়া আসবেন কাজী আনোয়ার হোসেনের গোয়েন্দা চরিত্র মাসুদ রানা সিরিজের নায়িকা সোহানা হয়ে। প্রযোজক সাজু মুনতাসীর জানান, সম্পূর্ণই ভিন্ন আমেজের নতুন আইডিয়ার একটি কাজ ‘এমন যদি হতো’। আমরা চেষ্টা করেছি সময়ের সেরা পরিচালকদের দিয়ে সেরা এবং জনপ্রিয় শিল্পীদের অভিনয়-সমৃদ্ধ সিরিজ তৈরি করতে। আশা করছি দর্শক খুব উপভোগ করবেন সিরিজটি।’ এ ধারাবাহিকের নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ জানান, ১ জুলাই থেকে মাছরাঙা টিভিতে প্রচার হবে ‘এমন যদি হতো’। প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দেখা যাবে নাটকটি।
হাসপাতালে সোনাক্ষী-জহির, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন

হাসপাতালে সোনাক্ষী-জহির, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও জহির ইকবাল। গত ২৩ জুন তাদের সাত বছরের সম্পর্কের শুভ পরিণয় ঘটল। তবে বিয়ের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই হাসপাতালে ছুটতে হলো নবদম্পতিকে। এরপর থেকে নায়িকার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন চলছে।গত শুক্রবার বিকেলে জহির-সোনাক্ষী হাসপাতালে গিয়েছিলেন। নবদম্পতির হাসপাতালে প্রবেশ করার ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি পাপারাজ্জিরা। সেই ভাইরাল ভিডিও ঘিরেই জল্পনা শুরু হয়েছে যে, ‘সোনাক্ষী সিনহা কি অন্তঃসত্ত্বা?’ অনেকের ধারণা, ‘বিয়ের আগেই সম্ভবত গর্ভধারণ করেছেন অভিনেত্রী! ‘কারণ, গত রোববার নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্টে শুধু প্রিয়জনদের সাক্ষী রেখেই আইনি বিয়ে সারেন একেবারে সাধারণভাবে। বিয়ের পোশাকেও আর পাঁচজন বলিউড নায়িকার মতো ফ্যাশন ডিজাইনারের পেছনে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করেননি তিনি। মা পুনম সিনহার বিয়ের শাড়ি পরেই কাগুজে বিয়ে সারেন সোনাক্ষী।এদিকে কেন বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই হাসপাতালে যেতে হলো সোনাক্ষীকে, সেই বিষয়ে জানা গেছে, বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আর সেজন্যই নবদম্পতিকে সেখানে যেতে হয়। উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা। সম্ভবত মেয়ের বিয়ের পর শারীরিক অসুস্থতার জন্যই সংসদে গিয়ে এখনো পর্যন্ত শপথ নিতে পারেননি শত্রুঘ্ন সিনহা।
নিয়মিত পরীমণির চশমা ভাঙে পূণ্য!

নিয়মিত পরীমণির চশমা ভাঙে পূণ্য! ঢাকাই চিত্রনায়িকা পরীমণি। ঢালিউড অভিনেতা শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলে পূণ্য ও দত্তক নেওয়া কন্যা প্রিয়মকে সঙ্গে নিয়েই কাটছে তার সংসার। মেয়েকে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে না আনলেও ছেলেকে নিয়ে আদর আমোদের মুহূর্ত প্রায়ই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন নায়িকা। এদিকে দেখতে দেখতে কিছুটা বড় হয়ে গেল পূণ্য। সে এখন বসতে পারে, খেলতে পারে। এর আগে ঈদের সময় পূণ্য নিজ হাতে কোরবানির মাংস বাটিতে রাখছে, এমন দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছিলেন পরীমণি। তখন পূণ্যকে এ অবস্থায় দেখে অনুরাগীদের মন ভাসতে থাকে মুগ্ধতা, ভালোবাসায়। সম্প্রতি ছেলে পূণ্যকে নিয়ে বরিশাল বেড়াতে যান পরীমণি। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় অবকাশ যাপন করেন তারা। সন্তানকে নিয়ে ভালোলাগার মুহুর্তের ছবিও ভাগ করেন সামাজিক মাধ্যমে। এখন বরিশাল থেকে ফিরেও ছেলেকে নিয়েই ব্যস্ততা পরীমণির। কিন্তু এরই মধ্যে নায়িকা জানালেন, তার সব চশমাই নাকি এখন জোড়াতালি দেওয়া! নিশ্চয়ই কোনো কারণে ভেঙেছে পরীর চশমা; সেই কারণটাই জানাতে চাইলেন নায়িকা। সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন পরী। তাতে দেখা যায়, বেশ প্রাণোচ্ছল অবস্থায় বসে আছে পূণ্য। এ সময় মায়ের চশমা নিয়ে খেলছিল সে। এক পর্যায়ে লক্ষ্য করা যায় যে চশমাটি ভাঙা। সেটির ভেঙে যাওয়া অংশটুকু চশমার মূল অংশে জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে পূণ্য। পরে সেই ভাঙা চশমাটির দিকে ক্যামেরা ধরে পরী দেখালেন তার ছেলের কাণ্ড। তার সব চশমা ভাঙার দায় আদুরে ছেলের ওপর চাপিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার সব চশমা জোড়াতালি দেওয়া এখন!’ ভিডিওটি দেখে মা ছেলের প্রতি রীতিমতো ভালোবাসা প্রকাশ করেন অনুরাগীরা। পাশাপাশি মুগ্ধতাও প্রকাশ করেন অনেকে।