জেলায় গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি

জেলায় গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে মাংস বিক্রেতারা জানিয়েছেন। আজ সকালে জেলা শহরের নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। গরুর মাংস বিক্রেতা সেলিম জানান, গাভীর মাংস ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, ষাঁড়ের মাংস ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০, ছাগলের মাংস ৯০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মুরগি বিক্রেতারা জানান, দেশী মুরগি ৫২০ টাকা, সোনালি ২৭০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা, প্যারেন্স ৩৫০ টাকা, লাল লেয়ার ২৮০ টাকা, বতক ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কবুতরের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। বস্তায় চাল বিক্রেতা কাওসার আলী রুবেল জানান, ২৮ জাতের চাল প্রতিকেজি ৬৮ টাকা, মিনিকেড ৭৮ টাকা, পাইজাম ৫২ টাকা, আতপ ১৩২ টাকা, বাসমতি ৯৫ টাকা, কাটারিভোগ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আব্দুর রহমান বাবু জানান, লাল স্বর্ণা প্রতিকেজি ৫০ টাকা, সাদা স্বর্ণা ৪৫ টাকা, ২৮ চাল ৬৫—৭০ টাকা, জিরাসাইল ৭০—৭৫ টাকা, গমের খোলা আটা ৪৬ টাকা, মসুর ডাল ৮০—১৬০ টাকা, মটর ডাল ১১০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ১০০ টাকা, ছোলার ডাল ১২০ টাকা, মুগডাল ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা হালি। সবজি বিক্রেতা আব্দুল খালেক জানান, বেগুন ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, মটরসুঁটি ৬০—১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা, আলু ২০—২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস পাতা কপি ৩০ টাকা ও লাউ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। মাছ বিক্রেতারা জানান, বড় সাইজের সিলভার কার্প ও ব্রিগহেড ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা, দেশি সিং ৬০০—৮০০ টাকা, বাইম ৮০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই ২৪০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, মিড়কা ২৫০ টাকা, বড় কাতল ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, জাপানি রুই ২৩০ টাকা, চিতল ৬৫০ টাকা, শোল ৭৭০ টাকা, চিংড়ি ৮৫০ টাকা, আইড় ১৩০০ টাকা, বাসট ১৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০—৮০০ টাকা, পাবতা ৩৬০ টাকা, দেশী পুঁটি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল

পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল জাপানের নান্দনিক মাউন্ট ফুজিকে পটভূমিতে রেখে চেরি ব্লসম বা সাকুরা উৎসবের যে চোখজুড়ানো দৃশ্য পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ছিল, তা এবার বাতিল করা হয়েছে। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপে স্থানীয় বাসিন্দাদের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠায় কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় ইয়ামানাশি অঞ্চলের ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হওয়া এই জনপ্রিয় উৎসবটি এ বছর হচ্ছে না। সাধারণত প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে এই উৎসবে। শহর কর্তৃপক্ষের মতে, পর্যটকদের ভিড়ে স্থানীয়দের ‘শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রা হুমকির মুখে’ পড়েছে। জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশটি ভ্রমণের আকর্ষণ বেড়েছে। ফলে ২০২৫ সালে রেকর্ড ৪ কোটি ২৭ লাখ পর্যটক জাপান সফর করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালেও দেশটিতে রেকর্ড প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক এসেছিলেন। তবে এই পর্যটক জোয়ারের কারণে কিয়োটোর মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে ছবি তোলার জন্য পর্যটকদের বিরুদ্ধে ঐতিহ্যবাহী কিমোনো পরিহিত গেইশাদের বিরক্ত করার অভিযোগও উঠেছে। ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ে শহরে সবসময় যানজট লেগে থাকছে। যত্রতত্র সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলা হচ্ছে। এমনকি নাগরিকদের ব্যক্তিগত বাগানে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং সেখানে মলমূত্র ত্যাগের মতো বিব্রতকর ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। এক বিবৃতিতে ফুজিইয়োশিদার মেয়র শিগেরু হোরিউচি বলেন, ‘মাউন্ট ফুজির এই সুন্দর দৃশ্যের পেছনে লুকিয়ে আছে নাগরিকদের বিপন্ন জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা। আমরা গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকদের মর্যাদা এবং বসবাসের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমরা ১০ বছরের পুরোনো এই উৎসবটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তবে শহর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, উৎসব বাতিল হলেও বসন্তের আগমনে পর্যটকদের ভিড় পুরোপুরি থামানো যাবে না। কারণ উৎসবের মূল কেন্দ্র পার্কটি থেকে মাউন্ট ফুজি, চেরি গাছ এবং একটি পাঁচতলা প্যাগোডার যে চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়, তা পর্যটকদের টানেই। মাউন্ট ফুজি বরাবরই পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। ভিড় সামলাতে নিকটবর্তী শহরগুলো এর আগে ছবি তোলার জায়গায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। এছাড়া পাহাড়ে ওঠার জন্য ফি নির্ধারণ এবং প্রতিদিন আরোহীদের সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র : এএফপি।

শিবগঞ্জে ২ প্রার্থীর আচরণবিধি লংঘন, প্রার্থীদের সতর্কীকরণ

শিবগঞ্জে ২ প্রার্থীর আচরণবিধি লংঘন, প্রার্থীদের সতর্কীকরণ শিবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে ৩ মিটার বা প্রায় ১০ ফুট অধিক উচ্চতার প্রচারণার প্রতীক ঝোলানো টাওয়ার সদৃশ স্তম্ভ ও বাঁশ নির্মিত উঁচু প্রতীক অপসারণ শুরু করেছে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে নিযুক্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেটগণ। আজ সকাল ১১টার দিক থেকে দুপুর প্রায় ১টা পর্যন্ত শিবগঞ্জ পৌর এলাকা ও উপজেলার কানসাট, ছত্রাজিতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনী নিয়ে নিয়মিত নজরদারির সময় নির্বাচনী প্রচারণার প্রতীক নজরে এলে তা অপসারণ করা হয় এবং অবশিষ্টগুলো নিজ উদ্যোগে অপসরানের জন্য সংশ্লিস্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়। এ অভিযানে শিবগঞ্জ পৌরসভার কর্মীরা সহায়তা করেন। অভিযানে শিবগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সাব্বির আহমেদ রোবেল বলেন, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার ৭(জ) ধারা লংঘন হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত কোন প্রতীক ৩ মিটারের অধিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতায় নির্মাণ করা যাবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ আসনের সকল প্রার্থীসহ সংশ্লিস্টদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শিবগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক আহমেদ বলেন, এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ম্যাজিষ্টেট সাব্বির আরও বলেন, এর আগে ওই আইনের ১৩(ক) ধারা লংঘিত হওয়ায় গত ৪ জানুয়ারী বুধবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিশ্বরোড মোড় ও নতুন ষ্টেডিয়াম এলাকায় একটি প্রতীকের ২ টি তোরণ ভেঙ্গে দেয়া হয়। এছাড়া ওই রাতে বিধি ভেঙ্গে প্রচারণার প্রতীক আলোকসজ্জা করায় জেলা শহরের ২টি প্রতীকের ২জন কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়।

ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব ভোটকেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে এবং এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ

গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফারণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনা দু’টিতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ – ওসি আব্দুল বারিক এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন ও গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আব্দুল বারিক জানান, গতকাল রাত ১২ টার দিকে গোমস্তাপুর থানার ফটকে ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে শব্দ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে একই সময় গোমস্তাপুর বাজারে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ওসি আরও জানান, কে বা কারা, কোন উদ্যেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে। উপজেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত না হলে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল সম্প্রচারক জিওস্টার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এখনো লিখিতভাবে আইসিসিকে জানানো হয়নি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ভারত ম্যাচ বর্জনের কারণে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশীদারিত্ব থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কেটে নিতে পারে। সেই অর্থ সম্প্রচারককে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পিসিবি সূত্র আরও জানায়, অবস্থান পরিবর্তন না করলে শুধু আর্থিক জরিমানাই নয়, সম্প্রচারকের পক্ষ থেকে সরাসরি মামলার মুখেও পড়তে হতে পারে বোর্ডকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হচ্ছে শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি।

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি  হালুয়ার স্বাদ কে না পছন্দ করেন! বিশেষ করে মিষ্টি খাবার খেতে যারা বেশি ভালোবাসেন, তাদের কাছে পছন্দের একটি পদ হলো হালুয়া। অতিথি আপ্যায়নে বা বিশেষ কোনো আয়োজনে থাকে নানা স্বাদের হালুয়া। সাধারণত আমাদের দেশে ছোলার ডাল কিংবা সুজির হালুয়া বেশি খাওয়া হয়। তবে আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু হালুয়া। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : বিটরুট- ১টি লবণ- ১ চিমটি সুজি- ১/২কাপ ময়দা- ১/২কাপ ঘি- ১/২ কাপ এলাচ- ২টি গুঁড়া দুধ- ৩ টেবিল চামচ পানি- পরিমাণমতো গোলাপ জল- ১/২চা চামচ কিশমিশ, বাদাম ও কোকোনাট পাউডার- সাজানোর জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে বিটরুট ধুয়ে গ্রেট করে তারপর ব্লেন্ড করে নিন। এবার বিটের রসটুকু ছেঁকে নিন। একটি ননস্টিক কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে ময়দা ও সুজি একসঙ্গে মিশিয়ে অনবরত নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। একটু লালচে ভাব হয়ে এলে তাতে বিটের রস, চিনি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে গোলাপজল ও কাজু পেস্তা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। উপরে কোকোনাট পাউডার ও কিশমিশ-বাদাম ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে রক্ত পরিশোধন, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) অপসারণ এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সামলায় কিডনি। তবে বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। কেবল পর্যাপ্ত পানি খেলেই কিডনি রক্ষা পায় না, প্রয়োজন সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার হাতের কাছে থাকা কিছু সাধারণ খাবারই হতে পারে কিডনির সুরক্ষাকবচ। জেনে নিন কী কী রাখবেন আপনার দৈনন্দিন তালিকায়- ফুলকপি ও পেঁয়াজ : ডিটক্সের হাতিয়ার কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে ফুলকপির জুড়ি নেই। এটি ভিটামিন সি, ফোলেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, যা শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়ায় দারুণ কাজ করে। অন্যদিকে, যারা পটাশিয়ামের ভয়ে সবজি বাছেন, তাদের জন্য পেঁয়াজ আদর্শ। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন- অ্যাসিলিন ও কোয়ারসেটিন কিডনির ওপর চাপ কমিয়ে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফল যখন মহৌষধ : আপেল ও তরমুজ কিডনিকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণে দ্রুত কাজ করে। এছাড়া আপেলের উচ্চ ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শুধু কিডনির প্রদাহই কমায় না, বরং রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তেল ও ভেষজ গুণ : রান্নায় স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস হিসেবে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার কিডনি রোগীদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পাশাপাশি যারা ওজন কমাতে গ্রিন টি খান, তারা জেনে খুশি হবেন যে এটি কিডনির জন্য একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ কিডনির কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। রসুন ও সামুদ্রিক মাছ : প্রদাহবিরোধী বা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ঠাসা রসুন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ রাখা জরুরি। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমিয়ে কিডনির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত লিটল সেন্ট জেমস ও গ্রেট সেন্ট জেমস। এই দুই দ্বীপকে জেফরি এপস্টেইন পরিণত করেছিলেন একটি গোপন কম্পাউন্ডে। আর এখানেই তিনি মানবপাচারের শিকার নারী ও শিশুদের এনে আটক রাখতেন। সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, দুটি দ্বীপ মিলিয়ে মোট আয়তন ছিল প্রায় ২৩৭ একর। বাহ্যিকভাবে দ্বীপগুলো ছিল অভিজাত অতিথিদের জন্য বিলাসী স্বর্গ। আদতে বাস্তবে পাচার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য এটি ছিল নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে ঘেরা এক ভয়াবহ ফাঁদ। দ্বীপগুলোর বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থাই জেফরি এপস্টেইনের কার্যক্রম পরিচালনাকে আরও সহজ করে তোলে। এই দ্বীপে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ভবন, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে অতিথিদের চলাফেরা ধারণ করার ব্যবস্থাও ছিল বলে জানা যায়। বার্তা সংস্থা এপি জানায়, দ্বীপ দুটিতে ব্যক্তিগত জেট, হেলিপ্যাডসহ নানা বিলাসী সুবিধা থাকলেও সেগুলো পরিচালিত হতো কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দ্বীপগুলো কার্যত একটি ‘লজিস্টিক হাব’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের সাধারণ পর্যটকের ছদ্মবেশে সেন্ট থমাস বিমানবন্দর দিয়ে এই দ্বীপে আনা হতো। এরপর তাদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখা হতো। তারা বাইরের দুনিয়া থেকে ওই দ্বীপের মতো নির্জন আর একা হয়ে পড়তেন।

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী প্রদানের কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা ০১৩৪২-০৪৬২৩২ ও ০১৬১২-৬৭৭০৭৪ নম্বর দু’টি ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।’ এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো- আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানি প্রদান করা হবে। এ জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে এই ধরনের প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে এ জাতীয় জালিয়াতি এড়াতে সকলকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতেও বলা হয়েছে।