দিল্লিতে ৮৮ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ; ৬ জনের প্রাণহানি

দিল্লিতে ৮৮ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ; ৬ জনের প্রাণহানি তীব্র তাপপ্রবাহের পর এবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে। ৮৮ বছরের রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে দেশটির বিভিন্ন এলাকা। ভারি বৃষ্টি এবং বন্যার কারণে গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লিতে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় জারি করা হয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতা। দিল্লি ছাড়া পাঞ্জাব এবং উত্তরাখণ্ডেও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আজ শনিবার দিল্লির বসন্ত বিহারের একটি নির্মাণস্থলে ধসে পড়া দেয়ালের ধ্বংসস্তূপ থেকে তিন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া শুক্রবার দিল্লির নিউ উসমানপুর এলাকায় বৃষ্টির পানিতে ভরা খাদে খেলার সময় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। অপর একটি ঘটনায় শালিমারবাগ এলাকায় প্লাবিত আন্ডারপাসে পানিতে ডুবে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে নতুন করে জারি করা হয়েছে বন্যার সতর্কতা। আসাম ও মেঘালয়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ। এতে সেখানে বন্যা পরিস্থিতির নতুন করে অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল আসামে। তবে সেখানে এখনও পানিবন্দী রয়েছে এক লাখের বেশি বাসিন্দা।
চলতি জুনে প্রচণ্ড গরমে ভুগেছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ

চলতি জুনে প্রচণ্ড গরমে ভুগেছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষ চলতি জুনের ৯ দিন অস্বাভাবিক গরমে ভুগেছে বাংলাদেশের ১৭ কোটিরও বেশি মানুষ বলে জানিয়েছে মার্কিন সংস্থা ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ’। তাদের বিজ্ঞানীদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এ তথ্য। বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশ প্রচণ্ড গরমের মুখে পড়েছিল। এতে গত ১৬ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত এই অস্বাভাবিক তাপমাত্রা আরও অন্তত ৩ বার পরিলক্ষিত হয়েছিল। শুধু যে বাংলাদেশের মানুষ জুন মাসের গরমে ভুগেছে তা নয়, সব মিলিয়ে বিশ্বের ৫০০ কোটিরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়ে ক্লাইমেট চেঞ্জ। যার মধ্যে ভারতের ৬১ কোটি ৯০ লাখ, চীনের ৫৭ কোটি ৯০ লাখ, ইন্দোনেশিয়ার ২৩ কোটি ১০ লাখ, নাইজেরিয়ার ২০ কোটি ৬০ লাখ, ব্রাজিলের ১৭ কোটি ৬০ লাখ, বাংলাদেশের ১৭ কোটি ১০ লাখ, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ কোটি ৫০ লাখ, ইউরোপে ১৫ কোটি ২০ লাখ, মেক্সিকোতে ১২ কোটি ৩০ লাখ, ইথিওপিয়ায় ১২ কোটি ১০ লাখ এবং মিসরে ১০ কোটি ৩০ লাখ মানুষকে অসহনীয় গরমের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। ক্লাইমেট সেন্ট্রাল নামের অপর একটি সংস্থার প্রধান পোগ্রাম অফিসার অ্যান্ড্রু পার্সিং বলেছেন, ‘গত ১০০ বছর ধরে কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর কারণে বিশ্ব এখন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ বছরের গ্রীষ্মে যে তাপপ্রবাহ দেখা গেছে এটি অপ্রাকৃতিক বিপর্যয়। আর যতদিন পর্যন্ত কার্বনের দুষণ বন্ধ না করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এটি একটি স্বাভাবিক বিষয়ে রূপ নেবে।
এইচএসসি পরীক্ষা আগামীকাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

এইচএসসি পরীক্ষা আগামীকাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট -এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল। এবার দেশের ১১টি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় বসছেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সাত লাখ ৫০৯ জন। এর আগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।চলতি মাসের ৫ তারিখে সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মোট নয় হাজার ৪৬৩টি প্রতষ্ঠান থেকে দুই হাজার ৭২৫টি কেন্দ্র পরীক্ষায় অংশ নেবেন। তিনি জানান, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডর অধীনে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ১১ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে ছাত্র পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার জন এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ ৯৪ হাজার ৬০১ জন জন। এসব পরীক্ষার্থীরা চার হাজার ৮৭০টি প্রতিষ্ঠান থেকে দুই হাজার ৭২৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডর অধীনে আলীম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ৮৮ হাজার ৭৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৭ হাজার ৫৯২ জন এবং ছাত্রী ৪৪ হাজার ৪৮৪ জন। পরীক্ষার্থীরা দুই হাজার ৬৮৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৪৫২টি কেন্দ্রে। কারিগিরি শিক্ষা বোর্ডর অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা ইন কমার্স) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন জন মোট দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৬৯ হাজার নয়জন এবং ছাত্রী ৬৫ হাজার ৪২৪ জন। এসব পরীক্ষার্থীরা মোট এক হাজার ৯০৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় বসবেন ৭০৭টি কেন্দ্রে। এদিকে, পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্বের কারণ একটি রেজিস্টারে লিখে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেমন- পরীক্ষার্থী, কক্ষ পর্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর), মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ছাড়া অন্য কেউই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। অন্যদিকে, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।
রহনপুর পৌরসভার নিম্নআয় এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রহনপুর পৌরসভার নিম্নআয় এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত রহনপুর পৌরসভায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-আইইউজিআইপি’র নিম্নআয় এলাকা উন্নয়ন কমিটি লিনিক গঠন ও সদস্যদের দায়িত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে রহনপুর পৌরসভার কার্যালয়ে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। গভর্নেন্স ইম্প্রুভমেন্ট আ্যন্ড ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট জিআইসিডি কনসালটেন্সির সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন, রহনপুর পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান খাঁন। প্রধান অতিথি ছিলেন আইইউজিআইপি প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক ফুলকাম বাদশাহ্। কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন এলজিইডি ভবনের ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট বিশেষজ্ঞ কাজী লিয়াকত আলী, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (সিএম) আব্দুল মজিদ, জুনিয়র জিডিপিএ বিশেষজ্ঞ এনএন নাসরীন। দিনব্যাপি কর্মশালায় মেয়র, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল হক, কাউন্সিলর, পৌরকর্মচারী ও লিনিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষনে মোট ৪২ জন অংশ গ্রহণ করেন। কর্মশালায় নগর পরিচালনা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-আইইউজিআইপি উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম, নিম্নআয় এলাকা উন্নয়ন কার্যক্রমে, কমিউনিটি মবিলাইজেশনে পদক্ষেপ, পরিবারের বৈশিষ্ট্য জনগোষ্ঠীর সঙ্গে পরিচিতি, দলগঠন, উন্নয়ন কমিটি ও দায়িত্ব, নির্বাচন পরিচালনা পদ্ধতি, কমিউনিটি কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, উপপ্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধাপ, লিনিক কমিটির গঠনের প্রয়োজনীয়তাসহ আর্থ সামাজিক ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের অভিযানে ২ কেজি হেরোইনসহ যাত্রীবেশে কারবারি গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের অভিযানে ২ কেজি হেরোইনসহ যাত্রীবেশে কারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় চাাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের উপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের অভিযানে একটি অটোরক্সিায়, অভিনব কায়দায় যাত্রীবেশে বহনকালে ১ কেজি ৮৯৪ গ্রাম হেরোইনসহ জাহাঙ্গীর নামে এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছে। সে নাচোল উপজেলার খলসি বাজার এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। র্যাব জানায়, গতকাল রাতে গোদাগাড়ী পৌর ডাইংপাড়া এলাকায় অভিযানটি চালানো হয়। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বাড়ি নাচোল হলেও সে প্রায়ই চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে। র্যাব জানায়, বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যে র্যাব জানতে পারে, ১ জন মাদক কারবারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে রাজশাহী শহরের দিকে যাচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল পরিকল্পনা মাফিক সড়কে চেকপোষ্ট বসিয়ে সন্দেহজনক গতিবিধির একটি অটোরক্সিা থামিয়ে তল্লাশী করে। এ সময় অভিনব কায়দায় বহনকালে জাহাঙ্গীরের কাছে থেকে হেরোইন জব্দ হয়। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানায় র্যাব।
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৪২

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ৪২ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি এবং সারা দেশে আরও ৪২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৪২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের বরিশালে বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এক জন, চট্রগ্রাম বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে চার জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৪ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এক জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন, চলতি বছরে মোট তিন হাজার ৩২০ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৭ জুন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৫৩৮ জন। এর মধ্যে দুই হাজার ১৪০ জন পুরুষ এবং এক হাজার ৩৯৮ জন মহিলা রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরের এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৩ জন।
শ্রীলঙ্কা হেড কোচের পদত্যাগ

শ্রীলঙ্কা হেড কোচের পদত্যাগ চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকেই ছিটকে গেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। এর আগে সর্বশেষ ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও প্রথম পর্বের গেরো খুলতে পারেনি লঙ্কানরা। এরই মধ্যে এবার শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের হেড কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ক্রিস সিলভারউড। যদিও আচমকা পদত্যাগের জন্য ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। পদত্যাগের ঘোষণায় সিলভারউড বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কোচ হওয়া মানে প্রিয়জনদের থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকা। পরিবারের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর মনে করছি এখনই আমার বাড়ি ফেরার সময় এবং পরিবারের সান্নিধ্যে সময় কাটানো প্রয়োজন।’ আরও যোগ করেন, ‘আমি খেলোয়াড়, কোচ, ব্যাকরুম স্টাফ এবং এসএলসির (শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট) ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। শ্রীলঙ্কায় থাকার সময়ে তাদের সমর্থন ছিল অসাধারণ। সমর্থন ছাড়া, কোনো সাফল্য সম্ভব হতো না।’ ক্রিস সিলভারউডের অধীনে সাম্প্রতিককালে খারাপ সময় কাটলেও বেশ কিছু সাফল্যও এসেছে। শ্রীলঙ্কা জাতীয় দল ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ জিতেছে এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে।
পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে ৬ দিনে ৫ শতাধিক মৃত্যু

পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে ৬ দিনে ৫ শতাধিক মৃত্যু পাকিস্তানে অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে গত ছয়দিনে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একদিনেই প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ১৫০ জন। দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র করাচিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। পাকিস্তানের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সংস্থা জানায়, করাচির মর্গগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি লাশ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে গত ছয় দিনে তারা প্রায় ৫৬৮টি লাশ সংগ্রহ করেছে, যার মধ্যে গত মঙ্গলবারই সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪১টি লাশ। করাচির সিভিল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের প্রধান ডা. ইমরান সারওয়ার শেখ বিবিসিকে জানান, গত রোববার থেকে বুধবার পর্যন্ত হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত ২৬৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন মারা গেছেন, যাদের বেশিরভাগের বয়স ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে করাচির বাসিন্দারা চরম সংগ্রাম করছে। শহরটিতে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। করাচি ছাড়াও পুরো সিন্ধ প্রদেশে গত মাসে প্রায় রেকর্ড ৫২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পাকিস্তান ছাড়াও ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। গত মে মাস থেকে সেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে, আবার কখনও কখনও তা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা নিয়মিত এবং তীব্র হয়ে উঠছে। করাচির এই তীব্র তাপপ্রবাহ আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারত হয়ে নেপাল-ভুটানে প্রবেশের দ্বার খুলছে বাংলাদেশ রেলওয়ের

ভারত হয়ে নেপাল-ভুটানে প্রবেশের দ্বার খুলছে বাংলাদেশ রেলওয়ের বাংলাদেশ ও ভারতের রেল ট্রানজিট চুক্তির মধ্যে দিয়ে ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে দেশের রেলওয়ে। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে ভারত নিজেদের ভূখণ্ডে যেতে পারবে।আর বাংলাদেশ রেলওয়ে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেতে পারবে নেপাল-ভুটানে। প্রস্তাবিত চুক্তিতে ১২টি রুটের কথা বলা হয়েছে, যেসব রুট ব্যবহার করে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ‘সেভেন সিস্টার্স’খ্যাত সাত রাজ্যে যোগাযোগ সহজ হবে। এক্ষেত্রে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে নেপাল-ভুটানে যেতে পারা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। বুধবার ধোঁয়াশা দূর করেছেন রেলপথ সচিব হুমায়ুন কবির ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্যে উন্মুক্ত হচ্ছে ভারতীয় রেলপথ দিয়ে নেপাল-ভুটান প্রবেশের দ্বার। নেপাল ও ভুটান যথাক্রমে ১৯৭৬ ও ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে ট্রানজিট চুক্তি করেছিল। কিন্তু ভারতের ভূ-খণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের মালবাহী গাড়ি চলাচল করতে না পারায় সেটি খুব একটা কার্যকর হয়নি। এখন ভারতের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কারণে নতুন করে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে পূর্বে হওয়া কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে। ভারত-বাংলাদেশ রেল করিডোর নিয়ে নয়া চুক্তি চলতি মাসের ২২ জুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৩টি ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার এক নম্বর রয়েছে রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে নতুন ট্রেন সার্ভিস চালুকরণ, ভারতীয় রেল করিডোর নিয়ে নয়া চুক্তি। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৭৭ বছর পর রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে পুনরায় ট্রেন সার্ভিস চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। যেটি হবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী চতুর্থ আন্তঃদেশীয় ট্রেন। এছাড়া এই চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে ভারতের কলকাতা থেকে ‘সেভেন সিস্টার্স’-খ্যাত সাত রাজ্যের ১২টি রুটে পণ্য ও যাত্রী চলাচলের সুবিধা। এ বিষয়ে ভারতীয় রেলওয়ের বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত নিউজ করেছে ভারতীয় প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন পরিকল্পনার আওতায় মোট এক হাজার ২৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের ১৪টি সেকশন থাকবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ভেতরে থাকবে ৮৬১ কিলোমিটার। আর নেপালে ২০২ কিলোমিটার ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে থাকবে ২১২ কিলোমিটার পথ। পত্রিকাটি বলছে, বাংলাদেশ সরকার দেশের ভেতরে ভারতকে রেলপথ স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নয়াদিল্লির পরিকল্পনা সহজ হয়েছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে মোট ৮৬১ কিলোমিটার, নেপালে ২০২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার এবং উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ২১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জরিপ চালানো হবে। ভারতের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশ রেলওয়ে নেপালেও পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। প্রস্তাব অনুসারে, ভারত ও নেপালের মধ্যে রেল সংযোগের জন্য অনুমোদিত রুট বিরাটনগর-নিউ মাল জং সেকশনে ১৯০ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণের প্রয়োজন হবে। আর গালগালিয়া-ভদ্রপুর-কাজলী বাজার সেকশনে সাড়ে ১২ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণের প্রয়োজন হবে। অন্যদিকে ভুটানে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের রেলপথ ব্যবহার করে দেশটির সীমান্তবর্তী হাসিমারা স্টেশন যাওয়া যাবে। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল হক বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যে রেল সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে যোগাযোগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চায় তা আদতে একটি ‘ওপেন ডোর’ পলিসি। এ সম্পর্ক উন্নয়নের মূল কথা হলো, ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমতাভিত্তিক উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া। কেউ এগিয়ে যাবে, কেউ পিছিয়ে যাবে, এ নীতিতে আসলে উন্নয়ন স্থিতিশীল হয় না। আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি চমৎকার ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে। আমাদের কোস্ট লাইন বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য করা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এই সুযোগটি কিন্তু প্রতিবেশী ভারতের সেভেন সিস্টারস, নেপাল বা ভুটানের নেই। সে জায়গায় বাংলাদেশ তার ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিতে পারে। বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামো বহুমাত্রিক। ’ ট্রানজিট চুক্তিতে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রেল ট্রানজিটে বাংলাদেশকে লাভবান হতে নেপাল-ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে হবে। ভারত যেমন আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করছে আমরাও যেন তেমনি ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে এ সুযোগ সুবিধা নিতে পারি। ’ এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব হুমায়ূন কবির বলেন, ‘যখন বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন), ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্ক আর বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল নিয়ে উপআঞ্চলিক সংযুক্তি-বিবিআইএন নিয়ে কথা বলছি, সেই নেটওয়ার্ক বা রুট কিন্তু কেবল একটি দেশের রুট ব্যবহার করে বাস্তবায়ন সম্ভব না। আমরা চুক্তি বাস্তবায়নের সময় বলছি, ভারতের ট্রেনটি গেদে স্টেশন থেকে দর্শনা, আব্দুলপুর, চিলাহাটি হয়ে হলদিবাড়ি, ডালগাও পর্যন্ত যাবে। পরে আমাদের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের আলিদুয়ারপুর জেলার হাসিমারা সীমান্ত পর্যন্ত রেল চালানোর অনুমতি মিলেছে। এতে আমরা ভুটান সীমান্তের কাছাকাছি যেতে পারব। ’ ভারতের সঙ্গে যে ১২টি রেলপথে আন্তদেশীয় সংযোগ স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে রেলওয়ে তাতে নজর রাখছে বিরল-রাধিকাপুর এবং মোগলহাট-গিতলদহ রুটে। রেলপথ সচিব বলেন, ‘বিরল-রাধিকাপুর হয়ে ভারতের যোগবাণী পর্যন্ত রেল চলবে। সেখান থেকে নেপালের বিরাটনগর সীমান্ত কাছে। নেপালের পাথর এ রুটে আসছে বাংলাদেশে। এই পথে যদি পণ্যবাহী রেল আমরা পরিচালনা করতে পারি, তবে বাংলাদেশ রাজস্ব আরও বেশি আয় করবে। চুক্তি অনুযায়ী আমরা ভারতের বর্তমান রেলপথ ব্যবহার করতে পারব। ’ ১২টি রেলপথে আন্তঃদেশীয় সংযোগ স্থাপন করার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ কীভাবে হবে, এ প্রশ্নে রেলওয়ে মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী বলেন, ‘দুই দেশের একটা কমিটি হবে। এখন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) তৈরি করতে হবে। ট্যারিফ প্ল্যান করতে হবে। সবে তো চুক্তি হলো। কারা কীভাবে অর্থ লগ্নি করবে সেটি আসবে তারপর। ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট দু-ধরনের পলিসির কথাই চুক্তিতে আছে। এখন নেপাল, ভুটানে কীভাবে পণ্য যাবে, কীভাবে আমরা লভ্যাংশ পাব সেটি নির্ধারণ করবে কমিটি। এতে কোনো এক দেশ এককভাবে লাভবান হবে এমন কোনো কথা নেই। ’
প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করা হবে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করা হবে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী সুষম-জনকল্যাণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করা হবে। আজ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য মুক্তির মূল শক্তি হবে শিক্ষা। শিশুদের মেধা বিকাশে নতুন শিক্ষা কারিকুলাম তৈরি করা হচ্ছে। শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছরের করার পরিকল্পনা করছে সরকার। শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হবে আজকের শিশুরাই। প্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্মই দেশকে এগিয়ে নেবে সমৃদ্ধির দিকে। আর তাই কোমলমতি শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে। এর আগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি। এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশুবান্ধব প্রাথমিক শিক্ষা, স্মার্ট বাংলাদেশের দীক্ষা’। ২০২২ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পদক নীতিমালায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে কয়েকটি নতুন পদক সংযোজন করে মোট ১৮ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজ সংস্কৃতির উন্নয়ন, আত্ম-উন্নয়ন, আত্ম-নির্ভরশীলতা অর্জন এবং দেশ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজ দেশের সংস্কৃতি উন্মোচন করা।