১৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

১৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ  রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ নভেম্বর পর্যন্ত আমদানি পণ্যের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের বিল বাবদ ১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে রিজার্ভ কমে ১৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম-৬) নেমে যায়। তবে গত এক মাসে বিদেশি মুদ্রার এই সঞ্চয় বাড়তে বাড়তে আবারো ১৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে রিজার্ভ ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে তা ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাংকের ঋণ পেলে চলতি ডিসেম্বর মাসেই রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হোসনে আরা শিখা গণমাধ্যমকে জানান, রিজার্ভ একটি চলমান বিষয়, এটি একসময় কমবে, আবার বাড়বে। বর্তমানে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ইতিবাচক এবং রফতানি আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আশা করছি শিগগিরই রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে।

৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা

৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা ৪৭তম বিসিএসের আবেদনের নতুন দিন-তারিখ জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী— আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে এ বিসিএসের অনলাইন আবেদন শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এবার আবেদন ফি ২০০ টাকা। আজ বিকেল ৫টার দিকে পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।এর আগে গত ২৮ নভেম্বর ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী— ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে অনিবার্য কারণে তা স্থগিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যে সময়সীমা ছিল, তার চেয়ে এবার সময় বাড়ানো হয়েছে। প্রথম দফার ঘোষণা অনুযায়ী আবেদনের জন্য প্রার্থীরা ২২ দিন সময় পেতেন। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী— আবেদনের জন্য ৩৪ দিন সময় পাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।পিএসসি সূত্র জানায়, আবেদন ফি ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় বিসিএসে আবেদন স্থগিত করা হয়েছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার আবেদন ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করায় ফের আবেদনের তারিখ ঘোষণা করলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, ৪৭তম বিসিএসের আবেদনপত্র পূরণ ও ফি জমাধান শুরু হওয়ার কথা ছিল ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায়। শেষ সময় ছিল ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে তার আগের দিন এ প্রক্রিয়া স্থগিত করা হলো। এ বিসিএসে তিন হাজার ৪৮৭ জনকে ক্যাডার এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে ১ হাজার ৩৩১ এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

ডেঙ্গুতে আরো ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৪

ডেঙ্গুতে আরো ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৪৪ সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ৩৪৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সাত জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুই জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ৪১৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন, চলতি বছরে মোট ৯৫ হাজার ৫৬৬ জন ডেঙ্গুরোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৯৪৭ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক এক শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক নয় শতাংশ নারী।গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চলতি বছরের এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৪১ জন।২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ মে। আজ ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর মো. আবুল বাশার সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১০ মে থেকে শুরু হয়ে ১৮ মে শেষ হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলি: পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন নিতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে সংগ্রহ করবে।শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাতে হবে।পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন।কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্র/ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

শিবগঞ্জে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে ৫৯ বিজিবি

শিবগঞ্জে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে ৫৯ বিজিবি শিবগঞ্জ থানার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের শিয়ালমারা গ্রামে একটি বাঁশ বাগানে অভিযান পরিচালনা করে ৩৯৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে ৫৯ বিজিবি। বিজিবির পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়, চোরাকারবারীরা ভারত থেকে আনায়নকৃত ফেন্সিডিল রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনের উদ্দেশ্যে শিয়ালমারা গ্রামের সইমুদ্দিন এর বাঁশ বাগানে বস্তায় ভরে রেখেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৩ টায় শিয়ালমারা বিওপিতে নায়েক নুরুল হোদার নেতৃত্বে একটি চৌকষ দল অভিযান চালালে ফেনসিডিলগুলো আটক করে। আটককৃত ফেন্সিডিল জিডি করে শিবগঞ্জ থানায় জমা করা হবে বলেও জানায় বিজিবি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতার্ত মানুষের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র শীতবস্ত্র বিতরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতার্ত মানুষের মাঝে ৫৯ বিজিবি’র শীতবস্ত্র বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নে অবস্থিত ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর এলাকার স্থানীয় শীতার্ত জনসাধারণের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আজ দুপুর ১টার দিকে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিবি’র রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ইমরান ইবনে রউফ। উপস্থিত ছিলেন ৫৯বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, ব্যাটালিয়ন সহকারী পরিচালক বেলাল হোসেন সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার বিজিবি সদস্যরা। অনুষ্ঠানে ১৫০ জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সেক্টর কমান্ডার ও ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক। তাঁরা বলেন, প্রতিবছরই সদর দপ্তর এলাকায় এবং সীমান্তের দূর্গম এলাকায় মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এবরাও তারই ধারাবাহিকতায় এই আয়োজন করা হয়েছে। বিজিবি’র এমন মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যহত থাকবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ টাউন হাইস্কুলের ছাদ থেকে ক*কটেল উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ টাউন হাইস্কুলের ছাদ থেকে ক*কটেল উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর কেন্দ্রে ১৫ নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর এলাকায় অবস্থিত টাউন হাইস্কুলের (নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়) পুরাতন দোতলা ভবনের ছাদ হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এনিয়ে গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ৫দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে ৯টি ককটেল উদ্ধারের ঘটনা ঘটল। মাত্র ১ দিন আগে গত ১০ ডিসেম্বর জেলা নির্বাচন অফিসের বাউন্ডারির ভেতর থেকে ২টি ও এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রধান ভবনের সামনের ফুল বাগানের পাশের ড্রেন থেকে ৪টি ককটেল উদ্ধার হয়। পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা নির্বাচন অফিসারের দেয়া খবরে পুলিশ ককটেলগুলো উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, আজ বিকাল ৪টার দিকে গোপন সূত্রে খবর পাবার পর সদর থানা পুলিশের একটি দল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে টাউন হাইস্কুলের পুরাতন ভবনের ছাদ হতে দুটি লাল ও একটি কাল স্কচটেপ মোড়ানো ককটেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। উদ্ধার দলের নেতৃত্ব দেয়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসাব্বির আহমেদ বলেন, উদ্ধারের সময় ভবনটির ছাদ তালা দেয়া ছিল। তবে পাশাপাশি অবস্থিত স্কুলের নতুন চারতলা ভবন থেকে প্রথমে ওই ভবনের ছাদে যাওয়া হয়।পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ একজন পিওন পাঠিয়ে ছাদ খোলার ব্যবস্থা করে। স্কুলের সহকারী গ্রন্থাগারিক মনিরুজ্জামান টিয়া বলেন,গত ১০ ডিসেম্বর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হবার পর স্কুল বন্ধ রয়েছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস.এম নুরুল কাদির সৈকত বলেন, কে বা কারা, কখন ও কি উদ্দেশ্যে স্কুলের ছাদে ককটেল রেখেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক শহরে ককটেল উদ্ধারের আরও দুটি ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আ্ইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, ককটেল উদ্ধারের প্রতিটি ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তাওে কাজ করছে পুলিশ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। এটি শক্ত হাতে দমন করা হবে। এ নিয়ে অনান্য আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সাথে বসা হবে। উল্লেখ্য বিগত সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে জেলা নির্বাচন অফিসের বাউন্ডারি ওয়ালে টাউন হাইস্কুলে, আদালত চত্বরে, অফিসাসূ ক্লাবে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এসবব ঘটনায় মামলা হয় ও কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়।

রহনপুর ট্রানজিট পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন নেপাল দুতাবাসের ঢাকা মিশনের উপ-প্রধান

রহনপুর ট্রানজিট পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন নেপাল দুতাবাসের ঢাকা মিশনের উপ-প্রধান রহনপুর ট্রানজিট পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন নেপাল দুতাবাসের ঢাকা মিশনের উপ-প্রধান মিস ললিতা শীলওয়াল। আজ দুপুর ২ টায় স্হলযোগে তিনি রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌছান। সেখান থেকে তিনি রেলের ইঞ্জিনচালিত মোটর ট্রলিতে করে বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ের শিবরামপুর পয়েন্টে যান। ওইখানে বাংলাদেশের জিরো পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। সেখানে নওগাঁর ১৬ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাঙ্গাবাড়ি বিওপি’র সদস্যরা অতিথিদের বরণ করেন। এ সময় নেপাল দুতাবাসের ঢাকা মিশনের দ্বিতীয় সচিব মিস ইয়োজানা বামজান, বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপপরিচালক মো: মিহরাবুর রশিদ খান ও রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাষ্টার মো: মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন। নেপাল দুতাবাসের ঢাকা মিশনের উপপ্রধান ললিতা শীলওয়াল সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের এ ট্রানজিট পয়েন্টটি তাদের একটি নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ। তিনি এ রুটটি তাদের দেশের জন্য একটি সহজ ও সাশ্রয়ী ট্রানজিট রুট এবং এ রুট ব্যবহার করে তারা লাভবান হচ্ছে। এ জন্য তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ইন্টারচেঞ্জ শাখার উপপরিচালক মো: মিহরাবুর রশিদ খান জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় আন্ত:দেশীয় যোগাযোগের জন্য ৫ টি ট্রানজিট ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্টের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর ও দিনাজপুরের বিরল। তাই গুরুত্ব বিবেচনায় কিভাবে এ পয়েন্ট দিয়ে বানিজ্য বাড়ানো যায় এজন্যই আজকের এ পরিদর্শণ। প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে ৪২ কিলোমিটার ভারতীয় অংশের ট্রানজিট নিয়ে পণ্য পরিবরহন করে থাকে নেপাল। বাংলাদেশের মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দ্র হয়ে বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ট্রানজিট ব্যবহার করে রাসায়নিক সার আমদানী করে থাকে নেপাল ।

ভারতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩০-৪০টি গাড়িতে বাসের ধা*ক্কা, নি*হত ৭

ভারতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩০-৪০টি গাড়িতে বাসের ধা*ক্কা, নি*হত ৭ ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস ৩০-৪০টি গাড়িকে ধাক্কা দিয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। এ ঘটনায় এখন পযর্ন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে অন্তত ৪৯ জন। গতকাল রাত পৌনে ১০টার দিকে মুম্বাইয়ে কুরলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা গেছে, বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩০-৪০টি গাড়িকে ধাক্কা মেরে ফুটপাথে উঠে যায়। তার পর একটি আবাসনের মূল ফটকে ধাক্কা মারে। এই দুর্ঘটনায় প্রথমে চার জন পথচারীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র সরকারের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বৃহন্মুম্বই ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট আন্ডারটেকিং (বেস্ট)-এর বাস ছিল সেটি। ওই বাস যাত্রীদের নিয়ে কুরলা স্টেশন থেকে আন্ধেরির উদ্দেশে যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎই বাসটির গতি বাড়তে থাকে। গতি কমানোর জন্য চিৎকার করতে থাকেন যাত্রীরা। তার পরেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। এই প্রসঙ্গে মহারাষ্ট্রের অন্যতম ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গণেশ গাওড়ে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, কুরলায় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কিছু গাড়িতে ধাক্কা মেরেছে। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তদন্ত চলছে। গতকাল রাতেই বাসচালক সঞ্জয় মোরেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চালকের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু হয়েছে। বাস চালানোর সময় তিনি মত্ত অবস্থায় ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আজ সকালে দুর্ঘটনাস্থলে যান ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্তের পরে কী কারণে দুর্ঘটনা, তা বোঝা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাসটির কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া আরো ২৭ জন দেশে ফিরেছেন

আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া আরো ২৭ জন দেশে ফিরেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভে গ্রেফতার এবং পরে ক্ষমা পাওয়া আরো ২৭ জন প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। গতকাল রাত ৮টায় তারা দুবাই থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এ সময় বাংলাদেশ প্রবাসী নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে তাদের স্বাগত জানানো হয়। প্রবাসী নেটওয়ার্কের বাংলাদেশের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ফাহিম জানান, ১৮৮ জন প্রবাসীকে মুক্তি দিয়েছে আমিরাত সরকার। এর মধ্যে আশা করছি, ১৮৫ জনই ফিরে আসবেন। তিনজন প্রবাসীকে সে দেশের বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। কী কারণে ফেরত নেয়া হয়েছে তা এখনো আমরা জানি না। এর আগে ২৯ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করে গ্রেফতার হওয়া আরো ৭৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছে দেশটির সরকার। এ নিয়ে মোট ১৮৮ জনকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় মুক্তি দিয়েছে আরব আমিরাত। প্রথম দফায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ৫৭ জন বাংলাদেশিকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়। উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করায় ৫৭ বাংলাদেশিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন সে দেশের আদালত। তাদের মধ্যে তিন জনকে যাবজ্জীবন, ৫৩ জনকে ১০ বছর এবং ১ জনকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।