ভারতে ৪ বছরের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন

ভারতে ৪ বছরের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন নরেন্দ্র মোদি সরকার আভাস দিয়েছেন ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে যেতে পারে। এবাবের জিডিপি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আজ প্রকাশিত ভারতীয় জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার উদ্বেগজনক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ, চলতি অর্থবছরে কমে হতে চলেছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, যা কিনা গত ৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হবে। অবশ্য ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার নিম্নমুখী হওয়া নিয়ে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল। যদিও তাদের পূর্বাভাস ছিল, এই হার চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। তবে জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর বলছে, তার থেকেও কম হবে প্রবৃদ্ধির হার। এই বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা অনুমান করেছিলেন যে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশে থাকতে পারে। তবে বাস্তবে তা প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটাই কম হয়ে দাঁড়ায়। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) তা হয়েছিল ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভারতে উৎসবের মৌসুম ও সরকার ঘোষিত নানাবিধ প্রকল্প আগামী ত্রৈমাসিকে কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। তবে জাতীয় পরিসংখ্যান দফতরের প্রতিবেদন স্বাভাবিকভাবেই মোদি সরকারের চিন্তা বাড়াবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপি সরকার ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে তুলে ধরার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। তবে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে যে পূর্বাভাস এলো, তারপর মোদি সরকার এটা বাস্তবায়ন করতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

নাচোলে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

নাচোলে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তারুণ্যের উৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের মিনি কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সবুজ হাসানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন- উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা সোহেল রানা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহেদ, সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দীন খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, নেজামপুর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, নাচোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক, নাচোল উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, মো. ইব্রাহীম, ও আবুল হোসেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহাডাঙ্গায় ট্রেনে ধাক্কা খেয়ে মৃত্যু একজনের

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহাডাঙ্গায় ট্রেনে ধাক্কা খেয়ে মৃত্যু একজনের চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনে ধাক্কা খেয়ে ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার মহাডাঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে। মারা যাওয়া ব্যক্তির ভাইয়ের বরাত দিয়ে সদর থানার এসআই আসগর আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে মানসিক ভারসাম্যহীন ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ সম্ভবত বিকেল ৪টার দিকে ট্রেন থেকে পড়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে এক রিকশাওয়ালা তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন এবং রাজশাহী নিয়ে যাবার প্রস্তুতিকালে তিনি মারা যান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের এসআই মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্য নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মহাডাঙ্গা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদুৎপৃষ্ট হয়ে হাসিব আলী নামের এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। মারা যাওয়া তরুণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ঘাটিয়ালপাড়া মহল্লার আব্দুস সালামের ছেলে। মারা যাওয়া তুরুণের স্বজন, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে জেলা শহরের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় দোতলা ভবনে কাজ করতে গিয়ে বিদুৎপৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্য শ্রমিকরা উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি রইস উদ্দিন বলেন- আইনানুগ ব্যবস্থা শেষে পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন হুইলচেয়ার, ঋণ ও লাঠি বিতরণ এবং সেরা সংগঠন ও সমাজকর্মীকে ক্রেস্ট প্রদান

জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন হুইলচেয়ার, ঋণ ও লাঠি বিতরণ এবং সেরা সংগঠন ও সমাজকর্মীকে ক্রেস্ট প্রদান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বৃহস্পতিবার ওয়াকাথন, কল্যাণ রাষ্ট্রবিষয়ক মুক্ত আড্ডা, প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার ও ঋণ বিতরণের মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৫। ‘নেই পাশে কেউ যার-সমাজসেবা আছে তার’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে জেলা সদরে জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়সহ উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে ওয়াকাথন শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় আইসিটি ল্যাবে কল্যাণ রাষ্ট্রবিষয়ক মুক্ত আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক উম্মে কুলসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আড্ডায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবুল কালাম সাহিদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেশমা খাতুন, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, অ্যাঞ্জেল গার্ডেনের প্রতিষ্ঠাতা আমিনুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার আহ্বায়ক আব্দুর রাহিম ও মুখ্য সংগঠক মোত্তাসিন বিশ্বাস। সঞ্চালনা করেন সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা অফিসার ফিরোজ কবির। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ বলেন- কাজ করলে সেই কাজের কিছু ভুলভ্রান্তি হবে। তবে দেখতে হবে আমাদের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? তিনি বলেনÑ সরকারের সামাজিক সুরক্ষার যেসকল কর্মসূচি রয়েছে সেগুলোর উপকারভোগী নির্বাচন করার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা আছে, সেই হিসেবে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব আছে তাদেরকে সঠিকভাবে নিয়মনীতির আঙ্গিকে নির্বাচন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু জনপ্রতিনিধি এককভাবে নয়, আমাদের সকলের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী যেন আমরা তা করি। এখন আমাদের সুযোগ এসেছে সঠিকভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করার। জেলা প্রশাসক বলেনÑ উপকারভোগী নির্বাচনে কিছু বাণিজ্য যে হয়নি তা কিন্তু বলা যাবে না। সকল ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি আগেও হয়েছে। এখন আমাদের সচেতন থাকতে হবে। বৈষম্যবিহীন যন্ত্রণাবিহীন যে নতুন সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে জুলাই-আগস্টে ছাত্রভাইদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে, তাদের তত্ত্বাবধানে যে বিপ্লব হয়েছে, এই বিপ্লব-উত্তর বাংলাদেশে আমরা যেন সঠিকভাবে উপকারভোগী নির্বাচন করে আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। আমরা যেন জনবান্ধবভাবে মানুষকে সেবা দিতে পারি, আমাদের সেই চেষ্টা করতে হবে। বক্তাদের মতামতের প্রেক্ষিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দুজনকে হুইলচেয়ার ও কয়েকজনকে ভাতার বই প্রদান করা হয়। নাচোলেও জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাচোল উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিনি কনফারেন্স রুমে কল্যাণ রাষ্ট্রবিষয়ক মুক্ত আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আড্ডায় আংশ নেন- ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সবুজ হাসান। এসময় নাচোল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল হক, নাচোল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, কসবা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহেরাব, সিনিয়র মৎস্য অফিসার ইমরুল কায়েস, সোনাইচন্ডী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন। শেষে ২১ জনের মধ্যে ৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। গোমস্তাপুরে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ওয়াকাথন, কল্যাণ রাষ্ট্রবিষয়ক মুক্ত আড্ডা ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে ওয়াকাথন শুরু হয়ে এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা সভাকক্ষে আয়োজিত আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম। অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন- উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ইউসুফ আলী, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সাবেক কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠক ইউসুফ আলী, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার জাহান সুমন, আলিনগর প্রতীতি সাধারণ পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক শরিফউদ্দীন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রাসেল আলী, ডাসকো প্রতিনিধি সুশান্ত চন্দ্র শীল। আলোচনা শেষে চারজনকে হুইলচেয়ার তুলে দেন অতিথিরা। এছাড়া সমাজসেবায় অবদান রাখার জন্য উপজেলার ৯টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এবং ৩ জন সমাজকর্মীকে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ইমাম, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডাসকো ফাউন্ডেশনসহ এনজিও প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। শিবগঞ্জে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ওয়াকাথন, কল্যাণ রাষ্ট্রবিষয়ক মুক্ত আড্ডা, পুরস্কার বিতরণ, হুইলচেয়ার ও লাঠি বিতরণ করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আড্ডায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আফতাবুজ্জামান আল-ইমরান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ, উপজেলা প্রকৌশলী ছাবের আলী, শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুল বাতেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বজলুর রশিদ সনু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নানসহ অন্যরা। এছাড়া সমাজসেবা কার্যালয়ের উপকারভোগী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা সমাজসেবা চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেষে পল্লী সমাজসেবা-আরএসএস মাতৃকেন্দ্র ও প্রতিবন্ধী ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী তিনজনকে পুরস্কার, ৬ জনকে হুইলচেয়ার ও ৪ জনকে লাঠি দেয়া হয়।

গেজেট প্রকাশ; ‘জাতীয় কবি’র রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম

গেজেট প্রকাশ; ‘জাতীয় কবি’র রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭২ সালের ৪ মে বাংলাদেশে আসার তারিখ থেকে তাকে ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক গেজেটে বলা হয়, গত ডিসেম্বরে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করা হয়েছে। এটি সবার অবগতির জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে, ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে গেজেট প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। কাজী নজরুল ইসলামের ‘জাতীয় কবি’র মর্যাদার বিষয়টি এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত সত্য এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও স্বীকৃত। বাংলাদেশের জনগণ তাকে তার ঢাকায় আগমনের তারিখ থেকে ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাশা করে আসছিল। উপদেষ্টা পরিষদ এ প্রত্যাশা অনুযায়ী এ প্রস্তাব অনুমোদন করে। কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয় এবং তার বসবাসের জন্য ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (পুরাতন) সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এরপর ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মানসূচক পদক একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) এক সমাবর্তন উৎসবে এই উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। অসুস্থতার জন্য নজরুলকে এ উৎসবে আনা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তারিখে বঙ্গভবনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহ নজরুলকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী নজরুলের উদ্দেশে একটি মানপত্রও পাঠ করেন। কবি নজরুল ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। নজরুল তার একটি গানে লিখেছেন, ‘মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিও ভাই, যেন গোরে থেকেও মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই’। এই ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। পরবর্তীকালে তাকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে সম্বোধন করে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৮ জারি করা হয়। ১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের কলকাতার এলবার্ট হলে সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু, বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, এস, ওয়াজেদ আলী, দীনেশ চন্দ্র দাশসহ বহু বরণ্যে ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কাণ্ডারী’ এবং ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এরপর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশে কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান উপদেষ্টারাও কবিকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃত হলেও কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করে এর আগে সরকারিভাবে কোনো গেজেট জারি করা হয়নি।

২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড

২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড প্রিমিয়ার লিগে গত ১৪ ডিসেম্বর ইপ্সউইচ টাউনের বিপক্ষে খেলা চলাকালীন ক্লাবটির নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন উলভারহ্যাম্পট ওয়ানডারার্সের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মাথিউস কুনিয়া। যে কারণে তাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। ম্যাচটিতে অবশ্য জিততে পারেনি কুনিয়ার দল। ২-১ ব্যবধানে হেরে বসে। ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের নিরাপত্তাকর্মীকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন কুনিয়া। পরে তার চশমাও কেড়েন নেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। এই ঘটনায় নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জরিমানাও গুণতে হবে তাকে। দিতে হবে ৮০ হাজার পাউন্ড। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রিমিয়ার লিগে নটিংহ্যাম ফরেস্ট ও এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ব্রিস্টল সিটির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এই ফরোয়ার্ডকে পাবে না উলভস। যদিও ভালো অবস্থানে নেই ক্লাবটি। ১৯ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৭তম স্থানে রয়েছে তারা।

বছরের প্রথম দিনে বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম 

বছরের প্রথম দিনে বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম  নতুন বছরের প্রথম দিনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে। নতুন দামে আউন্সপ্রতি বেড়েছে ১৮ দশমিক ২৫ ডলার। ফলে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকালে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছিল আউন্সপ্রতি ২ হাজার ৬২৪ দশমিক ৪৯ ডলার। রয়টার্স জানিয়েছে, ২০২৪ সালে সোনার দাম বেড়েছে ২৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ বা ৫৪৬ দশমিক ৬৩ ডলার। ২০১০ সালের পর সোনার সবচেয়ে বাজার ছিল ২০২৪ সাল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রয়, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও মুদ্রানীতির রাশ আলগা হওয়ার কারণে গত বছর পণ্যটির দাম বেড়েছে। গতকাল স্পট মার্কেটে সোনার দাম বেড়েছে দশমিক ৪ শতাংশ; প্রতি আউন্সের দাম ওঠে ২ হাজার ৬১৫ ডলারে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে থাকে। সংগঠনটির সবশেষ দেওয়া দাম অনুযায়ী, সবশেষ সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সংগঠনটির সবশেষ দেওয়া দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৮৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩২ হাজার ১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪১ টাকা। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৯২ হাজার ৮৬৯ টাকা। সংগঠনটির পক্ষে সোনার দাম বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি। এই কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যে হারে সোনার দাম বাড়ছে, তাতে দেশের বাজারেও দাম বাড়ানো লাগবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি বলেন, ‘আমার সোনার দাম বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি স্থানীয় বাজারের ওপর ভিত্তি করে। স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আবার পাকা সোনার দাম কমলে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্ববাজারের দামের চিত্র পাকা সোনার দামে প্রভাব ফেলে।’

শিক্ষার্থীরা সব বই কবে নাগাদ পাবেন জানালেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান

শিক্ষার্থীরা সব বই কবে নাগাদ পাবেন জানালেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেছেন, ৪১ কোটির মধ্যে ৬ কোটি বই দেওয়া হয়ে গেছে। আরো ৪ কোটি বই দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রাথমিকের বাকি সব বই ও মাধ্যমিকের ৮টি বই পৌঁছে যাবে শিক্ষার্থীদের হাতে। এছাড়াও ১০ জানুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিকের দশম শ্রেণির বই ও ২০ তারিখের মধ্যে সকল শ্রেণির বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে যাবে। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান এ কে এম রিয়াজুল হাসান এসব কথা বলেন। বিগত দেড় দশক ধরে বই উৎসবের নামে অর্থের অপচয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, এবার বই ছাপানোর কাজ দেরিতে শুরু করায় এবং হঠাৎ শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আসায় বেশ কিছু সংশোধন-পরিমার্জন করতে হয়েছে এনসিটিবিকে। এ কারণে বিগত বছরগুলোর মতো এবার বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পারছে না সরকার। তবে, ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত হচ্ছে পরিমার্জিত পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন। এ প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের ৪৪১টি বই পরিমার্জন করা হয়েছে। এনসিটিবির ওয়েবসাইটে বইগুলোর অনলাইন ভার্সন পাওয়া যাবে আজ থেকেই।

সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে না পেরে শিক্ষা উপদেষ্টার দুঃখ প্রকাশ

সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে না পেরে শিক্ষা উপদেষ্টার দুঃখ প্রকাশ ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। তবে দেশের সব প্রান্তের সব শিক্ষার্থীর হাতে একযোগে নতুন বই তুলে দিতে পারেনি সরকার। এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনে সারা দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে না পেরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে আমরা আন্তরিক দুঃখিত। আজ ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে পাঠ্যবইয়ের অনলাইন ভার্সন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অধীন শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যের বই এখন থেকে আর বিদেশে ছাপানো হবে না বলেও জানান তিনি। শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বই ছাপার ব্যবসাকে উন্মুক্ত ও সুশৃঙ্খল করা হবে। এখন থেকে আর বিদেশে বই ছাপানো হবে না। দেশেই ছাপা হচ্ছে। উন্নতমানের ছাপা, কাগজ ও মলাটের ব্যবস্থা করা হবে। এনটিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বছর ৪১ কোটি বইয়ের চাহিদা থাকলেও ছয় কোটি বই ছাপানো গিয়েছে। তবে জানুয়ারির মধ্যে সব বই ছাপানোর আশ্বাস দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পাঠ্যবই শুদ্ধ বা পরিমার্জন করা হয়েছে জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দলীয় রাজনীতি নিরপেক্ষভাবে যেন বইয়ে থাকে সেভাবেই পরিমার্জন করা হয়েছে।