ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়ামে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

ইস্পাত-অ্যালুমিনিয়ামে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব স্টিল (ইস্পাত) ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যমান বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার আরও বিস্তৃতি ঘটল। এই শুল্কের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির খরচ বাড়বে। ধাতব পদার্থের বড় যোগানদাতা কানাডাসহ অন্যান্য দেশের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই ট্রাম্প প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমদানির ওপর নির্ভরশীল মার্কিন ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ জানালেও ট্রাম্পের মতে এ সিদ্ধান্ত দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে। তিনি স্পষ্ট জানান, কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না। তার মতে, তিনি নিয়মগুলোর সরলীকরণ করছেন, যা কার্যকর হবে ৪ মার্চ থেকে। ট্রাম্প বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা আমেরিকাকে আবার সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে। আমাদের স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম দেশে উৎপাদিত হতে হবে, বিদেশে নয়। শুল্কের কারণে ভোক্তাদের খরচ বাড়বে কি না— এমন প্রশ্নে মার্কিন প্রেসিডেন্টের জবাব, শেষ পর্যন্ত এটি সস্তা হবে। তিনি বলেন, আমাদের মহান শিল্পগুলোর আমেরিকায় ফেরার সময় এসেছে… এটি কেবল শুরু। তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে ওষুধ ও কম্পিউটার চিপের ওপরও শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্টিল আমদানিকারক দেশ, যেখানে কানাডা, ব্রাজিল ও মেক্সিকো এর প্রধান তিনটি সরবরাহকারী। সোমবার রাতে কানাডার উদ্ভাবনবিষয়ক মন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেইন এই শুল্ককে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে আখ্যা দেন। ২০১৮ সালে প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প স্টিলের ওপর ২৫ শতাংশ এবং অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও মেক্সিকোসহ অনেক দেশের জন্য শুল্ক ছাড়ের ব্যবস্থা করেন।

ডিসেম্বর ধরেই জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি 

ডিসেম্বর ধরেই জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি  ডিসেম্বরেই নির্বাচনের লক্ষ্য ধরে শুধু জাতীয় নির্বাচনেরই প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় সরকারের ভোট করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তবে সরকার চাইলে বাধ্য হয়েই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের ভোট করবে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। কমিশন বলছে, এখনও পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছে না। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন নিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জও দেখছে না কমিশন। জাতীয় নির্বাচন নাকি স্থানীয় সরকারের নির্বাচন এ নিয়ে রাজনীতির মাঠের আলোচনা যখন তুঙ্গে ঠিক তখনই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল তাদের বার্তা। কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই স্থানীয় সরকারের ভোট করা সম্ভব নয়। তবে সরকার চাইলে বাধ্য হয়েই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের ভোট করবে কমিশন। এর আগে বেলা ১১টায় কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ইউএনডিপির প্রতিনিধিসহ ১৮টি উন্নয়ন সহযোগী দেশের রাষ্ট্রদূতরা। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচিতে প্রযুক্তিগত ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)৷ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে বিদেশিদূতদের নিয়ে এ বৈঠকে আলোচনাও হয়। যদিও বর্তমান কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই জানিয়ে আসছে যে, নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার অভিপ্রায় অনুযায়ী কাজ করছে ইসি। এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জ ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলটির তিন সদস্যের প্রতিনিধি। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও আরও কয়েকজন উপদেষ্টা ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ফখরুল জানান, দ্রুততম সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ও তার সঙ্গে যারা ছিলেন তারাও বলেছেন অতিদ্রুত নির্বাচন ব্যবস্থা করতে কাজ করছেন তারা। তিনি (ড. ইউনূস) বলেছেনও ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে কাজ করছেন তারা। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো স্থানীয় নির্বাচন বিএনপি মেনে নেবে না বলেও জানান মির্জা ফখরুল। এদিকে বৈঠকের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সব রাজনৈতিক দল একমত হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে সরকারের আপত্তি নেই। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন দ্রুত চায় বিএনপি। নির্বাচনের রোডম্যপ চেয়েছে বিএনপি। সরকারের পরিকল্পনা, চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ নাগাদ নির্বাচন হওয়ার কথা বলা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যেসময় নির্বাচন চায় তখনই নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি।

৬ গোল খাওয়া ব্রাজিলই এখন আর্জেন্টিনার ওপরে

৬ গোল খাওয়া ব্রাজিলই এখন আর্জেন্টিনার ওপরে দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর খুব বাজেভাবে শুরু করেছিল ব্রাজিল। তবে কথায় আছে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। সেটাই প্রমাণ করেছে সেলেসাওরা। চির-প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে ৬-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। এরপর গ্রুপ পর্বের খেলায় কলম্বিয়ার বিপক্ষেও হেরেছিল। সেই ব্রাজিল কিনা আসরের চূড়ান্ত পর্বে এসে এখন সবার ওপরে! গতকাল ব্রাজিল ৩-১ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়েকে। সেলেসাওদের হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন গুস্তাভো প্রাদো, রায়ান এবং আলিসন সান্তানা। অন্যদিকে আজ আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়াকে। এই জয়ে ফলে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গাও নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে চিলিতে অনুষ্ঠিত হবে যুবা বিশ্বকাপ। চূড়ান্ত পর্বে ব্রাজিলের মতো আর্জেন্টিনাও জিতেছে তিনটি ম্যাচ। দুই দলেরই পয়েন্ট ৯। কিন্তু গোল ব্যবধানে থাকায় টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছে ব্রাজিল। এবারের আসরে কোনো ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না। যে দল টেবিলের শীর্ষে থেকে আসর শেষ করবে, তারাই হবে চ্যাম্পিয়ন। আগামী শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) অলিখিত ফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসর খুব বাজেভাবে শুরু করেছিল ব্রাজিল। তবে কথায় আছে শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। সেটাই প্রমাণ করেছে সেলেসাওরা। চির-প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে ৬-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল। এরপর গ্রুপ পর্বের খেলায় কলম্বিয়ার বিপক্ষেও হেরেছিল। সেই ব্রাজিল কিনা আসরের চূড়ান্ত পর্বে এসে এখন সবার ওপরে! গতকাল ব্রাজিল ৩-১ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়েকে। সেলেসাওদের হয়ে গোলের দেখা পেয়েছেন গুস্তাভো প্রাদো, রায়ান এবং আলিসন সান্তানা। অন্যদিকে আজ আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারিয়েছে কলম্বিয়াকে। এই জয়ে ফলে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গাও নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে চিলিতে অনুষ্ঠিত হবে যুবা বিশ্বকাপ। চূড়ান্ত পর্বে ব্রাজিলের মতো আর্জেন্টিনাও জিতেছে তিনটি ম্যাচ। দুই দলেরই পয়েন্ট ৯। কিন্তু গোল ব্যবধানে থাকায় টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছে ব্রাজিল। এবারের আসরে কোনো ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে না। যে দল টেবিলের শীর্ষে থেকে আসর শেষ করবে, তারাই হবে চ্যাম্পিয়ন। আগামী শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) অলিখিত ফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

অবশেষে সাক্ষাৎ হচ্ছে ইউনূস-মোদির

অবশেষে সাক্ষাৎ হচ্ছে ইউনূস-মোদির আগামী ৪ এপ্রিল বিমসটেক সামিটে ব‍্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট– বিমসটেক শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর এই শীর্ষ বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার। আজ সকালে গুলশান-২-এ বিমসটেক সম্মেলন নিয়ে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সংস্থাটির মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে। এদিন ইন্দ্র মণি পান্ডে বলেন, ৪ এপ্রিল ব‍্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেবেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হবে। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না তা নির্ভর করে দুই দেশের ওপর। যদিও ঢাকা-দিল্লি শীর্ষ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিতে ইন্দ্র মনির কাছ থেকে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত না হলেও প্রধান উপদেষ্টার ব্যাংককে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি আছে। কোনো কিছু চূড়ান্তভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা যোগ দেবেন, এটা নিশ্চিত। এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বরে বিমসটেক সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু থাইল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে স্থগিত হয়ে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। সেসময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছিলেন, বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক হতে পারে। বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন স্থগিত হওয়ার পর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে প্রায় একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেও মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি ড. ইউনূসের। তখন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, মূলত এ দুই নেতা একই সময়ে নিউইয়র্কে উপস্থিত না থাকার কারণে তাদের সাক্ষাৎ হবে না। বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে দাবি করেন, কোনভাবেই বিমসটেক চীন বা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোন প্লাটফর্ম নয়। আগামী শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিমসটেক সভাপতি দেশ হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে রিভিউ শুনানি ২ সপ্তাহ মুলতবি

তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে রিভিউ শুনানি ২ সপ্তাহ মুলতবি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাজনৈতিক দল ও ছয় ব্যক্তির করা চারটি আবেদনের শুনানি মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ আজ এ আদেশ দেন।সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। এ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এ আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূরীকরণ এখনো আমাদের একটি বড় চ্যালেঞ্জ : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূরীকরণ এখনো আমাদের একটি বড় চ্যালেঞ্জ : গণশিক্ষা উপদেষ্টা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ‌‘বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের লক্ষ্য সুদূরপ্রসারি এবং দৃঢ়। দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূরীকরণ এখনও আমাদের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দারিদ্র্য দূরীকরণে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।’ আজ সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতা। সামাজিক বৈষম্য, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, পশ্চাৎপদতা দূরীকরণ এবং সুখী-সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি গড়ে তোলার মাধ্যমেই অর্জিত হতে পারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এই অর্জনের অঙ্গীকারই বাংলাদেশ আপনাদের (শিক্ষার্থীদের) কাছ থেকে আশা করে। জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য, অর্থনীতি, রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রেই আপনারা (শিক্ষার্থীরা) ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। সততা, কর্মনিষ্ঠা, দক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে আপনারা (শিক্ষার্থীরা) গড়ে তুলবেন সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ।’ রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো.সাহাবুদ্দিনের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে উপদেষ্টা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও ক্ষমতাবলে এই সমাবর্তনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। লেবাননের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. হাসান দিয়াব কনভোকেশন স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এবারের সমাবর্তনে ৩ হাজার ৯৫১ জন গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী ১২ জন গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর, চেয়ারম্যান ও উপাচার্যসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘স্বর্ণপদক’ প্রদান করেন। উপদেষ্টা সমাবর্তন পদযাত্রায়ও অংশ নেন। সমাবর্তনে চ্যান্সেলর এওয়ার্ড প্রাপ্তরা হলেন ফার্মেসি বিভাগের আবু ফারহান সিয়াম, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিরিং বিভাগের জাবেদ হাসান, নিউট্রিশান এন্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের হুমায়রা আসিমা মিম, টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাশুর সাদ করিম এবং সফটওয়্যার ইঞ্জনিয়ারিং বিভাগের আশিকুল হক।

অভিনয় ছেড়ে বিদেশে, কী বললেন পারসা ইভানা?

অভিনয় ছেড়ে বিদেশে, কী বললেন পারসা ইভানা? ছোট পর্দার অভিনেত্রী পারসা ইভানা। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে তুমুল আলোচিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ ধারাবাহিক নাটক দিয়ে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেছেন করেছেন তিনি। সেখানে ইভা চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এরপর নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করে যাচ্ছেন। তবে সম্প্রতি একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছিলেন পারসা ইভানা। সেখানে এই তারকা দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ‘যদি কখনও অভিনয় বন্ধ করে দেন তাহলে তার কোন বিষয় মিস করবে?’ এরপর থেকেই অনেকের প্রশ্ন, তাহলে কী অভিনয় ছেড়ে দেবেন পারসা ইভানা? প্রসঙ্গটি নিয়ে একটি টেলিভিশন টকশোতে কথা বলেন ছোট পর্দার এই অভিনয়শিল্পী। তার কথায়, অভিনয় ছাড়ার বিষয়টা ঠিক না, একটু আবেগের বসে বলেছিলাম। আমার কাছে মনে হয় একজন অভিনেত্রী খুব কম সুযোগ-সুবিধা পায়। খুব কম ভালো কাজের স্ক্রিপ্ট আসে আমার কাছে। যেহেতু আমার মা দেশের বাইরে থাকে, আম্মুরও ইচ্ছে আমি যাতে চলে যাই। কিন্তু আমি যাচ্ছি না, কারণ এই জায়গাটার প্রতি অনেক সফট কর্নার আছে। ওইটা চিন্তা করে আমি ইমোশনাল হয়ে যাই। যদি কখনও আমার অভিনয় ছেড়ে দিতে হয়, আমার মনে হয় অনেক বেশি ডিপ্রেশন পরে যাব। সেই অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ইভানাকে প্রশ্ন করেন- যদি কখনও অভিনয় ছেড়ে দেন সেক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো মিস করবেন? এ প্রশ্নের উত্তরে পারসা ইভানা বলেন, শুটিং সেটে যাওয়া, স্ক্রিপ্ট পড়া, সহ-শিল্পীদের মিস করা, নির্মাতাদের মিস করা। আমার মনে হয় আমি অভিনয় ছাড়া কিছু পারি না। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন চরিত্রে পর্দায় নিজেকে মেলে ধরেছেস পারসা ইভানা। তবে তার ইচ্ছে বাস্তবধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে পর্দায় নিজেকে দেখার। এই অভিনেত্রী ভাষ্য, একটা সময় ইচ্ছা ছিল এ ধরণের কিংবা ওই ধরণের চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে ছোট পর্দায় অনেক চরিত্র এক্সপ্লোর করে ফেলেছি। তবে এখন যেসব কন্টেন্ট হচ্ছে দেশের বাইরে নেটফ্লিক্সে, অনেক রিয়েলিস্টিক কাজ হচ্ছে, আমি চাই এমন চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে। যেমন, আলিয়া ভাট গাঙ্গুবাই করেছিল। যদি কখনও সুযোগ পাই করা হবে। ব্যক্তিজীবনে অনেকটাই সাধারণ পারসা ইভানা। তার কথায়, আমি সাধারণ মানুষের মতো চলাচল করি। প্রতিদিন রিক্সা করে বের হয়ে ঘুরাফেরা করি, ঝালমুড়ি খাই, ফুচকা খাই। সাধারণ জীবন আমি খুব পছন্দ করি। এদিন রান্নায় কতটা পারদর্শী সে বিষয়েও কথা বলেন পারসা ইভানা। তিনি বলেন, আমার আম্মু অনেক ভালো রান্না করে। ছোটবেলা থেকেই যেখানেই বেড়াতে যেতাম, যার বাসায় হোক কারও হাতে রান্না খেতাম না। আম্মুকে বলতাম ‘তোমাকে রান্না করতে হবে, না হলে আমি যাব না’। এখনতো বড় হয়ে গেছি, অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। তবে সেই জায়গা থেকে রান্নার প্রতি আমার তেমন ফেসিনেশন নেই। সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয় না, হয়তো রান্নাটা আমার জন্য না। তবে আমার বন্ধুদের জন্য মাঝে মাঝে রান্না করি, তারা বলে ‘মজা হয়েছে’। আমার করা কালাভুনা বেশি ভালো হয়, একবার রোস্ট করেছিলাম সেটাও নাকি ভালো হয়েছিল। এদিকে, সবশেষ ‘প্রাকৃতজন’ নাটকে দেখা গেছে পারসা ইভানাকে। ভিকি জাহেদ পরিচালিত সাসপেন্স, থ্রিলারধর্মী এই এই নাটকে মিতা চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। এতে তার বিপরীতে জাকির চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। এর গল্পে দেখা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট করা একজন ব্যাচেলর চাকুরীজীবি জাকির। চট্টগ্রাম থেকে মিতা নামের এক অসহায় মেয়ে পালিয়ে আসে। এরপর পরিচয় হয় জাকিরের সঙ্গে। মেয়ের বিপদের কথা শুনে তাকে নিজের বাসায় থাকতে দেন। মেয়েটিকে পছন্দ করতে শুরু করে জাকির কিন্তু তার মাথায় সারাক্ষণ পরকীয়ার ভয় ভর করে থাকে। একটা সময়ে সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েটিকে বিয়ে করবে। এরপরই ঘটে এক অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এরপর নানা ঘটনায় এগিয়ে যায় নাটকটি।

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই: সেনাপ্রধান

আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই: সেনাপ্রধান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আমরা একটি সুস্থ জাতি দেখতে চাই। একটি সুস্থ জাতি পেলে দেশের জন্য বড় কাজে দেবে। আজ ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথন-২০২৫ এ তিনি এসব কথা বলেন। এদিন ভোর ৫টায় রাজধানীর ৩০০ ফিটে এই ম্যারাথনের প্রথম দৌঁড় শুরু হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রান ফর ইউনিটি, রান ফর হিউম্যানিটি’। এখন পর্যন্ত দেশে আয়োজিত ম্যারাথনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। এবার ১০ হাজার দৌঁড়বিদ এতে অংশ নিয়েছেন। এছাড়া ১০টি দেশের বেশ কয়েকজন বিদেশি ম্যারাথনার প্রতিনিধিত্ব করছেন। সেনাপ্রধান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি। আন্তর্জাতিক ম্যারাথনের পাশাপাশি এ ধরনের ম্যারাথন বড় বড় শহর ও জেলা শহরে আয়োজন করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমার একটা সুন্দর ম্যারাথন করলাম। এখানে ১০ হাজারের ওপরে দৌঁড়বিদ ছিলেন। দেশি ও বিদেশি। এখানে উদ্দেশ্য জয়-পরাজয় নয়। উদ্দেশ্য ছিল, দেশ ও জাতিকে ফিজিক্যালি ল’ অন্তর্ভুক্ত করা। আজ যে সাড়া পেয়েছি, আমরা অভিভূত। পরবর্তী সময়েও এ ধরনের ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হবে।’ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘মিলিটারি একাডেমিতে এখন ক্যাডেট নেই। আগে যেমন সুস্থতা ছিল, এখন সে রকম পাই না। এর অন্যতম কারণ হলো, আজ-কাল তরুণরা শারীরিক কার্যকলাপে খুব বেশি সচেতন না। আগের মতো খেলার মাঠ নেই, দৌড়ঝাঁপও কমে গেছে। খেলা-ধুলায় সুযোগ-সুবিধাও কম গেছে। এ জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, ম্যারাথনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সংযুক্ত করবো।’

কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে ব্রাজিল

কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল পর্বে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল। আগের ম্যাচে উরুগুয়েকেও একই ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা। টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান তাদের। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল বেশি করায় শীর্ষে আর্জেন্টিনা। আজ কলম্বিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের হয়ে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন ইয়াগো তেওদোরো দা সিলভা নগুয়েইরা। ভেনেজুয়েলাতে শুরু হওয়া ম্যাচটির ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল বক্সে বাড়ান পেদ্রো। সেখান থেকে লফিয়ে নিঁখুত হেডে জাল খুঁজে নেন ইয়াগো সিলভা। ম্যাচে আরো বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল সেলেসাওদের সামনে। তবে তারা কাজে লাগাতে পারেননি। ৮৭তম মিনিটে প্রতিপক্ষ ফুটবলারকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ব্রাজিলের ইগোর সেলোতে। এতে অবশ্য সমস্যা হয়নি তাদের। জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা। গ্রুপ পর্বের লড়াই শেষে শিরোপার জন্য উরুগুয়ে, চিলি, কলম্বিয়া, প্যারাগুয়ের সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকান অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল পর্বে লড়ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। টুর্নামেন্টের নিয়মানুযায়ী, পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ থাকা দল হবে চ্যাম্পিয়ন।

সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু

সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে আজ থেকে গাজীপুর এলাকাসহ সারাদেশে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করা হবে। আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত। সভায় সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ শনিবার থেকেই গাজীপুর এলাকাসহ সারাদেশে এই অভিযান শুরু হবে। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ -এর ব্যাপারে আগামীকাল প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।