২০৩৪ সৌদি বিশ্বকাপে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ

২০৩৪ সৌদি বিশ্বকাপে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ ২০৩৪ বিশ্বকাপ ফুটবল হবে সৌদি আরবে। দর্শক ও ভক্তদের এই বিশ্বকাপে মদ্যপান করতে দেওয়া হবে না বলে গতকাল জানিয়েছেন ইংল্যান্ডে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ বিন বান্দার আল সৌদ। খালিদ বিন বান্দার আল সৌদ বলেছেন, এই টুর্নামেন্ট দেখতে যারা সৌদি আরবে যাবেন, তাদের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশটির সংস্কৃতিকে সম্মান করা উচিত। বিশ্বকাপ চলাকালীন সৌদি আরবের কোথাও মদ বিক্রি করা হবে না, এমনকি হোটেলেও না। গত বছর ডিসেম্বরে ভার্চ্যুয়াল ফিফা কংগ্রেসে ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ চূড়ান্ত করতে সদস্যদেশগুলোকে ভোট দিতে বলেছিল ফিফা। সে ভোটে শুধু সৌদি আরবই প্রার্থী ছিল। ফিফার পক্ষ থেকে সৌদির নামটি বলার পর সদস্যরা শুধু হাততালি দিয়ে সমর্থন জানান। এই সমর্থনই ভোট।ব্রিটেনের রেডিও স্টেশন এলবিসিকে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ‘এ মুহূর্তে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। অ্যালকোহল ছাড়া অনেকভাবেই মজা করা যায়। এটা শতভাগ প্রয়োজনীয় নয়, আপনি পান করতে চাইলে সেটা দেশ ছাড়ার পর। কিন্তু এ মুহূর্তে অ্যালকোহলের অনুমোদন নেই। ’ ২০২২ বিশ্বকাপের শুরুতেও অ্যালকোহল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আয়োজক দেশ কাতারে অ্যালকোহল পাওয়া যাবে কি না, এটা ছিল আলোচনার বিষয়। ইসলামি মূল্যবোধ ও আইনে পরিচালিত হয় কাতার। সেবার বিশ্বকাপ শুরুর দুই দিন আগে আলোচনার মাধ্যমে স্টেডিয়ামে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়। তবে হোটেল ও স্বীকৃত ফ্যান পার্ক থেকে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় কিনতে পেরেছেন দর্শকেরা।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে রাতে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে রাতে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠবে মিনি বিশ্বকাপ খ্যাত চ্যাম্পিয়নস ট্রফির। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে সপ্তাহখানেক আগেই দেশ ছাড়ছে বাংলাদেশ দল। আজ দিবাগত রাত ১টায় দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে টাইগাররা। মূল টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দেশ ছাড়ার আগে গতকাল মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এখানে অংশ নেন ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্টের সকল সদস্য। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির নবম আসর শুরু করবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া ২৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শবে বরাতে আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ করলো ডিএমপি

শবে বরাতে আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ করলো ডিএমপি আগামীকাল শুক্রবার ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ধর্মীয় গাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি-পটকা ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য বেচাকেনা, বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শবে বরাতের পবিত্রতা রক্ষা, শান্তিপূর্ণভাবে পালন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য বেচাকেনা, বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলো। ডিএমপি অরডিন্যান্স-১৯৭৬-এর ২৮ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন, প্রজ্ঞাপন জারি

ড. ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন, প্রজ্ঞাপন জারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। যার সভাপতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সহসভাপতি হিসেবে আছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিশনের সদস্য হিসেবে আছেন-জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ কমিশন কাজ শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কমিশন আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য গঠিত কমিশনগুলোর সুপারিশসমূহ বিবেচনা ও জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিসমূহের সঙ্গে আলোচনা করবে। কমিশনের কার্যালয় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে; কমিশনের মেয়াদ হইবে কার্যক্রম শুরুর তারিখ হইতে ৬ (ছয়) মাস এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এই কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর

শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জন সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। আজ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদ উদ্দিন। আগামী রবিবার চেম্বার আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় দেন। রায়ের দিন আবেদনকারীদের আইনজীবী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ হাজার ৫৩১ জনের তৃতীয় পর্যায়ের যে নিয়োগ ছিল সেটা ২৩ জুলাইয়ের নোটিফিকেশনের পরিপন্থি। এ কারণে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে ১৫৩ জন রিট করেছিলেন। হাইকোর্ট বিভাগ সেই রিট পিটিশনে জারি করা রুল শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে উত্তীর্ণদের যে ফল ঘোষণা করেছে সেটাকে ২৩ জুলাইয়ের পরিপন্থি এবং আপিল বিভাগের ২১ জুলাইয়ের রায়ের পরিপন্থি বলেছেন। রায়ের উপসংহার হিসেবে হাইকোর্ট বলেছেন, ৩১ অক্টোবরের যে ফলাফল সেটা বাতিল হবে। নতুন করে মেধার ভিত্তিতে ২৩ জুলাইয়ের নোটিফিকেশন ফলো করে ফলাফল প্রকাশ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। ২৩ জুলাইয়ের নোটিফিকেশনে মেধার যে ৯৩ শতাংশ নির্ধারণ করা ছিল সেটা ফলো করতে বলা হয়েছে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল ৫ শতাংশ। এছাড়া ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটা ছিল। ২০২৩ সালের ১৪ জুন ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে গত ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ৩১ অক্টোবরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ১১ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়োগ আদেশ সংবলিত নির্দেশনা জারি করে। এ সংক্রান্ত আদেশ অনুসারে নির্বাচিত প্রার্থীদের অনুকূলে ২০ নভেম্বর নিয়োগপত্র ইস্যু করার কথা ছিল। ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ বঞ্চিতরা হাইকোর্টে রিটটি করেন। রুলে ৩১ অক্টোবর ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ বিষয়ে ১১ নভেম্বরের নির্দেশনা সংবলিত স্মারক কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। আদেশে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। ফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থীর নিয়োগ আটকে যায়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সেই রুলের ওপর রায় দেওয়া হয়।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডকে ত্রিদেশীয় সিরিজের আয়োজন করেছে পাকিস্তান। তবে সিরিজের শুরুটা ভালো করতে পারেনি মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায় স্বাগতিকরা। অপরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাও প্রথম ম্যাচে হেরেছে কিউইদের সঙ্গে। আজ করাচি ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান। ফাইনালে উঠতে হলে দুই দলেরই এই ম্যাচ জিততে হবে। এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচের দুটিতেই জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। ১৪ ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছে সরকার

জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানিয়েছে সরকার গেল বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ যে দমন-নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়কে (ওএইচসিএইচআর) ধন্যবাদ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ধন্যবাদ জানানো হয়। এতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারে কর্মরত সব ব্যক্তি এবং কোটি কোটি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে এমন একটি দেশে রূপান্তরিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে সব মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিবেদনে গত জুলাই-আগস্টে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠী, সংগঠন এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জড়িত ছিল বলে প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে ওএইচসিএইচআর স্বাধীনভাবে এই তদন্ত করেছে। এতে গত জুলাই-আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দ্বারা সংগঠিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মতো ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৎকালীন সরকার এবং তার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা, আওয়ামী লীগ, এর সহিংস গোষ্ঠী ও সংগঠনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ছিল। যার মধ্যে রয়েছে কয়েকশ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গুরুতরভাবে শারীরিক নিপীড়ন ও বলপ্রয়োগ, ব্যাপক হারে নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক এবং নির্যাতনসহ অন্যান্য ধরনের নিপীড়ন। ওএইচসিএইচআর যুক্তিসংগত কারণে বিশ্বাস করে যে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিকল্পনা, সমন্বয় এবং নির্দেশনায় এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো ঘটেছিল। ওএইচসিএইচআরের অনুমান, বিক্ষোভ চলাকালে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই মিলিটারি রাইফেল এবং প্রাণঘাতি মেটাল প্যালেটস লোড করা শটগানে নিহত হয়েছেন। এই ধরনের শটগান সাধারণত বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে। বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে আজীবনের জন্য কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুলিশ এবং র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ১১,৭০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার এবং আটক করা হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে প্রায় ১২-১৩ শতাংশ শিশু বলে জানা গেছে।
সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদে আমার ছেলে অবসাদে চলে যায় : নাগার্জুন

সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদে আমার ছেলে অবসাদে চলে যায় : নাগার্জুন ছেলে নাগা চৈতন্যকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন দক্ষিণী তারকা নাগার্জুন। সামান্থা প্রভুর সঙ্গে চার বছরের দাম্পত্য ভেঙে যাওয়ার পর কেমন থাকবেন নাগা? এই প্রশ্নই দিনরাত ভাবাচ্ছিল তাকে। যদিও শোভিতার সঙ্গে নাগার দ্বিতীয় বিয়ের পর নিশ্চিন্ত বাবা। তবে প্রাক্তন বৌমা সামান্থাকে ছেলেকে অবসাদে ফেলে চলে যাওয়ার জন্য দোষারোপ করলেন দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা নাগার্জুন! সামান্থার সঙ্গে নাগা চৈতন্যের বিচ্ছেদের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোপের মুখে পড়তে হয় নাগাকে। বাবার দ্বিতীয় বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে নাগার দ্বিতীয় বিয়ের কারণ খুঁজতে শুরু করে নেটাপাড়ার বাসিন্দারা। ২০১৭ সালে সামান্থাকে বিয়ের পর ২০২১-এ বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন নাগা চৈতন্য। এই তারকা জুটি দু’জনে মিলেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বিচ্ছেদের সময় তারা জানান, দুজনের পথচলা আলাদা হয়ে গেলেও পরস্পরকে শ্রদ্ধা করবেন। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাগা চৈতন্য জানান, সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমে যেভাবে আলোচনা হয়, তাতে করে নিজেকেই অপরাধী মনে হয়। অভিনেতা সাফ জানান, ‘লোকে আমাদের বিচ্ছেদের বিষয়টাকে এমনভাবে দেখছে, যেন আমি একাই দোষ করেছি।’ নাগা চৈতন্যর এমন মন্তব্যের পর এবার ছেলের কথার রেষ টেনে নাগার্জুন জানালেন, সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নাগা অবসাদে ডুবে গিয়েছিল। দক্ষিণী জনপ্রিয় এই তারকা বলেন, ‘আমার ছেলেটা খুব দুঃখে ছিল। সে কারও কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে না। তবে বাবা হিসেবে আমি বুঝতাম। ও আসলে সামান্থার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অবসাদে ডুবে গিয়েছিল। এখন ওকে ফের খুশি দেখে নিশ্চিন্ত।’এদিকে নাগার্জুনের এমন মন্তব্য ভালোভাবে নেয়নি সামান্থার অনুরাগীরা। তারা এখনও অভিনেত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য নাগা চৈতন্যকেই দায়ী করছেন।
প্রতিদিন একটি লেবু খেলে শরীরে যা ঘটে

প্রতিদিন একটি লেবু খেলে শরীরে যা ঘটে লেবু নিঃসন্দেহে সবার প্রিয় একটি টক খাবার। গরম ভাতের সঙ্গে রস চেপে খাওয়া থেকে শুরু করে সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া পর্যন্ত, লেবু বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা হয়। তবে এর অনন্য স্বাদ ছাড়াও বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। লেবু পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং শরীরকে নানা ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে একটি লেবু যোগ করলে শরীরে কী ঘটে জানেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে লেবুর সবচেয়ে সুপরিচিত সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি হলো এর ভিটামিন সি উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষকে ফ্রি র্যাডিক্যাল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, প্রদাহ কমায়। লেবুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা গলার সংক্রমণ এবং সাধারণ সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সহায়তা করে। ২. লেবু অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো লেবু হজমকে উদ্দীপিত করে এবং সুস্থ অন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করে। এর প্রাকৃতিক অ্যাসিডিটি পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন বাড়ায়, যা খাদ্য সঠিকভাবে ভেঙে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয়। এটি পাচনতন্ত্র থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। যদি আপনার পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হয়, তাহলে দিনে অন্তত একটি লেবু খান। ৩. বার্ধক্য রোধকারী প্রভাব লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা তারুণ্য এবং সুস্থ ত্বক বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়, ত্বককে দৃঢ় করে এবং বলিরেখা কমায়। লেবুর ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য ব্রণ, রঞ্জকতা এবং ত্বকের নিস্তেজতা কমাতে সাহায্য করে। ৪. হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো লেবু হৃদপিণ্ড এবং রক্ত সঞ্চালনতন্ত্রের জন্য দুর্দান্ত, এর সমৃদ্ধ ভিটামিন সি এবং ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান এই কাজে সহায়তা করে। ভিটামিন সি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং ধমনীর কাঠিন্য কমায়। লেবুতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায়, হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। লেবুতে পটাশিয়াম থাকে, যা হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি লেবু যোগ করুন। ৫. ওজন কমানোর জন্য ভালো লেবু প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে এবং চর্বি বিপাক বৃদ্ধি করে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। লেবুতে পেকটিন ফাইবার থাকে, যা পেট ভরা অনুভব করতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমায়। এটি লিভারকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে উদ্দীপিত করে, বিপাক উন্নত করে। সাইট্রিক অ্যাসিড হজম এবং পুষ্টির শোষণ উন্নত করে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে।
সালমানকে নিয়ে অ্যাটলির নয়া মিশন, বাজেট ৭০০ কোটি টাকা!

সালমানকে নিয়ে অ্যাটলির নয়া মিশন, বাজেট ৭০০ কোটি টাকা! ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তারকা পরিচালক অ্যাটলি কুমার। ২০১৩ সালে তামিল ভাষার ‘রাজা রানি’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটে। নির্মাণ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তার মধ্যে অধিকাংশ সিনেমাই ব্যবসাসফল। এবার বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে নিয়ে নতুন মিশন শুরু করতে যাচ্ছেন অ্যাটলি। বলিউড হাঙ্গামা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘অ্যাটলি৬’ বা ‘এ৬’ সিনেমায় ভিন্ন একটি জগৎ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছেন পরিচালক। ৫০০ কোটি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭০০ কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি) বিশাল বাজেটে নির্মিত হবে সিনেমাটি। আর এতে অভিনয় করবেন সালমান খান ও রজনীকান্ত। এরই মধ্যে ভারতের এই দুই তারকার সঙ্গে কথাও বলেছেন পরিচালক অ্যাটলি কুমার। একটি সূত্র বলিউড হাঙ্গামাকে বলেন, “পুনর্জন্মের গল্প নিয়ে পিরিয়ড ড্রামা ঘরানার সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন অ্যাটলি কুমার। ‘এ৬’ সিনেমায় এমন একটি অদৃশ্য জগৎ তৈরির পরিকল্পনা করছেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। অ্যাটলির সঙ্গে নতুন কিছু আবিষ্কারের যাত্রা নিয়ে উচ্ছ্বসিত সালমান খানও। সিনেমাটির জন্য ওজন কমাতে হবে সালমান খানকে এবং নির্দিষ্ট ধরণের শারীরিক গড়ন প্রয়োজন তার।” সালমান-রজনীকান্ত ছাড়া অন্য আর কে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে খুব শিগগির এ বিষয়ে জানা যাবে বলেও এ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্মাণ ক্যারিয়ারে বেশ কিছু সিনেমা নির্মাণ করেছেন অ্যাটলি কুমার। তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো— ‘থেরি’, ‘মের্শাল’, ‘বিগিলি’, ‘জওয়ান’ প্রভৃতি।