শিবগঞ্জে বিদায়ী সংবর্ধনায় ফুলেল শুভেচছায় সিক্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস

শিবগঞ্জে বিদায়ী সংবর্ধনায় ফুলেল শুভেচছায় সিক্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস শিবগঞ্জে বদলি জনিত বিদায সংবর্ধনায ফুলেল শুভেচছায় সিক্ত হলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস। আজ সকালে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সর্বস্তরের জনগণের জন্য বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এসময় ফুলেল শুভেচছায় ভরে ওঠে উপজেলা চত্বর। সবার চোখে পানি আসে বিদায়ের কান্নায়। বিদায় মুহুর্তে শৃতিচারন করে বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম বলেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে কাঞ্চন কুমার দাস ছিলেন একজন অন্যন্য ব্যক্তি। তিনি সমাজের প্রত্যেকটা অসহায় দরিদ্র মানুষের সাহায্যর জন্য কাজ করেছেন। একই সুরে কথা বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলার রশিদ (সোনু), সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ আতাউর রহমান বিনোদপুর ইউনিযন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রুহল আমিন সহ উপস্থিত অনেকেই। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বিদায়ী ফুলেল শুভেচছা জানানো হয়। উল্লেখ্য যে, কাঞ্চন কুমার দাস গত ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কমকর্তা হিসেবে যোগদান করে সুনামের সাথে কাজ করে বদলি হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে।
চাঁন্দলাই নূরানী একাডেমি’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

চাঁন্দলাই নূরানী একাডেমি’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত চাঁন্দলাই নূরানী একাডেমি’র শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে নূরানী একাডেমি চত্বরে চাঁন্দলাই জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের সভাপতি আজ আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ নবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক লতিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সভাপতি মোঃ আকবর হোসেন, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুজার গিফারী। অন্যানের মধ্যে বক্তব্য দেন, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সাইদুজ্জামান, চাঁন্দলাই জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের সেক্রেটারি আব্দুর রাকিব এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাদলাই নূরানী একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ ওবাইদুর রহমান।
ফর্সা ত্বক চান? নিয়মিত খেতে হবে এই জুস

ফর্সা ত্বক চান? নিয়মিত খেতে হবে এই জুস আপনি কি সব ধরণের ক্রিম এবং ক্লিনজার ব্যবহার করে ক্লান্ত, কিন্তু কিছুই আপনার নিস্তেজ ত্বকের উন্নতি করে না? যদি তাই হয়, তাহলে আপনার ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। কীভাবে? অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে। এই খাবারগুলো কেবল সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয় বরং প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল, নরম এবং স্বাস্থ্যকর ত্বককে উন্নীত করতেও সাহায্য করে। সাম্প্রতিক একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে, সুস্থতা বিশেষজ্ঞ এবং সৌন্দর্য লেখক বসুধা রাই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জুস তৈরির রেসিপি শেয়ার করেছেন। এটি প্রস্তুত করা সহজ এবং মাত্র কয়েকটি উপাদানের প্রয়োজন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর পুষ্টিগুণ কীভাবে তৈরি করবেন- বিটরুট ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, বিটরুট প্রাকৃতিক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য ব্রণ কমাতে এবং ত্বকের জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে সাহায্য করে। গাজর গাজর হলো ভিটামিন এ (রেটিনল) এর একটি দুর্দান্ত উৎস, যা স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টের একটি জনপ্রিয় উপাদান। রেটিনল ত্বকের কোষ উৎপাদনে সহায়তা করে, ছিদ্র খুলে দেয়, ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে এবং কোলাজেন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে। আমলকি আমলকি ভিটামিন সি থাকে, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ফ্রি র্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এটি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং দৃঢ়, তরুণ ত্বকের জন্য কোলাজেন উৎপাদনকে সমর্থন করে। হলুদ হলুদের প্রধান সক্রিয় যৌগ, কারকিউমিন, অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং বার্ধক্যের দৃশ্যমান লক্ষণকে বিলম্বিত করতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ব্রণ এবং ব্রণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। আদা আদার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের বার্ধক্য কমাতে এটিকে চমৎকার করে তোলে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেও সমৃদ্ধ যা একটি স্বাস্থ্যকর, উজ্জ্বল ত্বকে অবদান রাখে। জুস তৈরির রেসিপি তৈরি করতে যা লাগবে ২-৩টি বিটরুট ৬-৮টি গাজর ৫টি আমলকি ছোট এক টুকরো কাঁচা হলুদ ছোট এক টুকরো আদা। যেভাবে তৈরি করবেন সবকিছু ঠান্ডা জুসারে ব্লেন্ড করে নিন। এবার গ্লাসে ঢেলে খেয়ে নিনন। যদি জুসার না থাকে, তাহলে ব্লেন্ডারে সবকিছু ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। এভাবে নিয়মিত পান করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে দ্রুতই।
সব যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চান সামান্থা!

সব যোগাযোগ বন্ধ রাখতে চান সামান্থা! দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তেলেগু এবং তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে খ্যাতি অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে বলিউডে অভিষেক ঘটে। অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।সব কিছুর মাঝেও সামান্থা মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার পক্ষে। তিনি নিজের সঙ্গে সময় কাটাতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। ফোন ছাড়াই নীরবে সময় কাটাতে পারেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি ‘নীরবতার সাধনা’ লেখা একটি কার্ডের ছবিও পোস্ট করেছেন। শেয়ার করে লিখেছেন, ‘তিন দিনের নীরবতা, না কোনও ফোন। না কারও সঙ্গে যোগাযোগ। কেবল নিজের সঙ্গে সময় কাটানো।’ অনেক নেটিজেনদের মধ্যেই এই প্রশ্ন যদি তিনি নীরবই থাকবেন বলে মনে করেন, তবে কেন তা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন কেন। এদিকে অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রামে ধ্যানের একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ধ্যান। যদি কোনও একটা জিনিস আমি মন থেকে চাই সেটা হলো ধ্যান। আমি চাই তোমরাও এই চেষ্টা করো। প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিট ধ্যান করো।’ ‘যে ভাবেই হোক না কেন নীরবে বসে থাকো। তোমার শ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনোযোগ দাও। অথবা ইউটিউব দেখে ধ্যান করো। এর কোনও ঠিক বা ভুল নেই। শুধু মন দিয়ে ধ্যান করাটা খুব দরকার।’ সামান্থার কাছে ধ্যান জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও লিখেছেন, ‘পৃথিবীতে যতই বিশৃঙ্খলা তৈরি হোক না কেন, আমি জানি আমার ভিতরে একটা শান্ত জায়গা রয়েছে। এবং সেটি একই রয়েছে। যখন তুমি নিজের বাড়ির পথ খুঁজে বের করতে শিখে যাবে, তখন বাইরের শব্দ তার নিয়ন্ত্রণ হারাবে। সেটাই চেষ্টা করে দেখুন।’
আজ এটিএম শামসুজ্জামানের প্রয়াণ দিবস

আজ এটিএম শামসুজ্জামানের প্রয়াণ দিবস বরেণ্য অভিনয়শিল্পী এটিএম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পরপারে পাড়ি জমান। একুশে পদকপ্রাপ্ত এই অভিনেতার আজ চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। মৃত্যুর আগে বেশ কয়েক বছর নানা শারীরিক সমস্যায় ভোগেন এটিএম শামসুজ্জামান। প্রয়াণ দিবসে তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও ভক্তরা। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজের মাধ্যমে তার রুপালি জগতে পদচারণা শুরু হয়। এরপর ১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে আসেন এটিএম শামসুজ্জামান। ‘জলছবি’-তে প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্যকারের কাজ করেন। শতাধিক চিত্রনাট্যের কাহিনি লিখেছেন বরেণ্য এই অভিনেতা। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করলেও ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে দশর্কের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই গুণী অভিনয়শিল্পীকে। টেলিফিল্ম, নাটকসহ রূপালি পর্দার নানা শাখায় সগৌরবে বিচরণ করেছেন তিনি। নাসির উদ্দিন পরিচালিত ‘আলফা’ চলচ্চিত্রে সর্বশেষ অভিনয় করেন তিনি। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালি’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেতার সম্মাননা অর্জন করেন। ‘জলছবি’, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘রামের সুমতি’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘চুড়িওয়ালা’, ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ চলচ্চিত্রে তাকে কৌতুক চরিত্রে দেখা যায়। নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘লাঠিয়াল’ চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করেন এটিএম। খলনায়ক চরিত্রে অভিনীত তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো— ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘স্বপ্নের নায়ক’। এ ছাড়াও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘অনন্ত প্রেম’, ‘দোলনা’, ‘অচেনা’, ‘মোল্লা বাড়ির বউ’, ‘হাজার বছর ধরে’, ‘চোরাবালি’। শাবনূর-রিয়াজ অভিনীত ‘এবাদাত’ নামের চলচ্চিত্রে ২০০৯ সালে প্রথম পরিচালক হিসেবে কাজ করেন এটিএম। ১৯৪৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এটিএম শামসুজ্জামান। গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি আর ঢাকায় থাকতেন দেবেন্দ্র নাথ দাস লেনে। পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পোগজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল ও রাজশাহীর লোকনাথ হাইস্কুলে। তার বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল এবং শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন।
যুক্তরাষ্ট্রে আবারো মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষ, নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রে আবারো মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষ, নিহত ২ যুক্তরাষ্ট্রে আবারো মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষ হয়েছে। এবার দক্ষিণ অ্যারিজোনায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের (এনটিএসবি) বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে দক্ষিণ অ্যারিজোনায় সেসনা ১৭২-এস এবং ল্যানসেয়ার ৩৬০ এমকে ২- মডেলের দুটি এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট বিমানের মাঝ আকাশে সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিটি বিমানে দুজন করে যাত্রী ছিলেন। এনটিএসবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে জানিয়েছে, বিমান দুটি রানওয়ে ১২-এর ওপর থাকাকালে সংঘর্ষে জড়ায়। এটি মারানা আঞ্চলিক বিমানবন্দরের দুটি রানওয়ের মধ্যে একটি।সংস্থাটি আরো জানায়, সেসনা ১৭২-এস নিরাপদে অবতরণ করলেও ল্যানসেয়ার ৩৬০ এমকে-২ রানওয়ে ৩-এর কাছে ভূমিতে আছড়ে পড়ে এবং সংঘর্ষের পরপরই তাতে আগুন ধরে যায়। নিহতদের সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।মাঝ আকাশে কীভাবে দুই বিমানের সংঘর্ষ ঘটল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে মাঝ আকাশে যাত্রীবাহী বিমান ও সামরিক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হন। ২০০১ সালের পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা।এর ঠিক একদিন পরেই অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় একটি ছোট চিকিৎসা পরিবহন বিমান কয়েকটি ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানে থাকা ছয়জনসহ অন্তত সাতজন নিহত হন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপির রেখা গুপ্তা

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপির রেখা গুপ্তা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রেখা গুপ্তা। আজ দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। বিজেপির সুষমা স্বরাজ, কংগ্রেসের শীলা দীক্ষিত ও আম আদমি পার্টির অতিশী মারলেনার পর রেখা গুপ্তা হলেন দিল্লির চতুর্থ নারী মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এই মুহূর্তে ভারতের যে কয়টি রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, তার মধ্যে একমাত্র দিল্লিতেই রয়েছে তাদের নারী মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি এদিন ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন ছয় বিধায়ক। তারা হলেন-পরভেশ ভার্মা, মনজিন্দার সিং সিরশা, কপিল মিশ্র, আশীষ সুদ ও পঙ্কজ কুমার সিং রাবিন্দার সিং। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ও বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি বিধানসভার নির্বাচনে দিল্লি শালিমার বাগ কেন্দ্র থেকে ২৯,৫৯৫ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন ৫০ বছর বয়সী রেখা। তার প্রধান দুই প্রতিপক্ষ ছিলেন আপ প্রার্থী বন্দনা কুমারী ও কংগ্রেস প্রার্থী প্রবীণ কুমার জৈন। বুধবার রাতেই তাকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করে দলের হাইকমান্ড। এত বড় এক দায়িত্ব দেওয়ার পরই দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন রেখা। এবারই প্রথম বিধানসভার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপির এই নারী নেত্রী। আর প্রথমবারেই বাজিমাত রেখার। উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ বছর পর দিল্লিতে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। সম্প্রতি বিধানসভার নির্বাচনে দিল্লিতে ৭০ আসনের মধ্যে বিজেপি ৪৮ আসনে জয় পেয়েছিল। আম আদমি পার্টি (আপ) জয় পেয়েছিল ২২ আসনে। বিজেপির এই বিপুল জয়ের পরেই মনে করা হচ্ছিল কোনো নারী বিধায়ককে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসানো হতে পারে। এবারের নির্বাচনে নারী ভোটারদের কাছে টানতে একাধিক কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল দলীয় নির্বাচনি ইশতেহারে। যার মধ্যে অন্যতম নারীদের প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা, গর্ভবতী মহিলাদের এককালীন ২১ হাজার রুপি প্রদান, সিনিয়র মানুষদের পেনশন প্রদান ও নারীদের ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি প্রমুখ।
২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ

২৭তম বিসিএসে বঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ প্রায় ১৭ বছর আগে ২৭তম বিসিএসে নিয়োগবঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ এ বিষয়ে আপিল শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। আইনজীবীরা বলেন, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। রায় অনুযায়ী ২৭তম বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিত ১১৩৭ জনকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে। এর আগে, গতকাল ২৭তম বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিত ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরত চেয়ে আপিল শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। গত বছরের ৭ নভেম্বর ২৭তম বিসিএসে নিয়োগবঞ্চিত ১১৩৭ জনের পক্ষে করা আপিল শুনবেন বলে আদেশে বলা হয়। এ সংক্রান্ত রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আলাদা আবেদনের শুনানি নিয়ে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ। ওই বিসিএসে প্রথমবারের মৌখিক পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখে ২০১০ সালের ১১ জুলাই আপিল বিভাগ রায় দেন। এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১১৩৭ জনের পক্ষে ১৪০ জন আলাদাভাবে আবেদন করেন। সেদিন আদেশের পর আবেদনকারীদের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, এক-এগারোর সরকারের সময় ২৭তম বিসিএসে দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১১৩৭ জন চূড়ান্ত সুপারিশের পর চাকরিতে প্রবেশ করবেন- এ পর্যায়ে ওই সিদ্ধান্ত হয়। পরে দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়ে মামলা হয়। দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া বৈধ বলেন অন্য একটি বেঞ্চ। দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা অবৈধ ঘোষণার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আলাদা লিভ টু আপিল করে সরকারপক্ষ। লিভ টু আপিল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে ২০১০ সালে রায় দেন আপিল বিভাগ। এই রায়ে দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া সঠিক বলা হয়। আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে নিয়োগবঞ্চিত ১১৩৭ জনের পক্ষে ১৪০ জন আলাদা তিনটি আবেদন করেন বলে জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন। তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ছিল না। এমনকি দ্বিতীয়বার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি পিএসসি আইন ও বিধিতে নেই। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৩ জুলাই ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। ২০০৯ সালের ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ। প্রথম রায়ের বিরুদ্ধে নিয়োগবঞ্চিত ২৫ জন আপিল বিভাগে দুটি লিভ টু আপিল করেন। দ্বিতীয় রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি লিভ টু আপিল করে সরকার। এক্ষেত্রে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন ২০৫ জন। কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে সরকারের লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে ২০১০ সালের ১১ জুলাই রায় দেন আপিল বিভাগ। ২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি ২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। ওই বছরের ৩০ মে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১ জুলাই প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করে পিএসসি। ওই বছরের ২৯ জুলাই দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষায় ৩২২৯ জন উত্তীর্ণ হন। পরে তাদের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়।
রুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৯ শতাংশ

রুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৯ শতাংশ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণিতে মূল ভর্তি পরীক্ষা আজ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯৯ দশমিক ১০ শতাংশ। রুয়েটের বিভিন্ন ভবনে ‘ক’ গ্রুপের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। এছাড়া ‘খ’ গ্রুপের প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর পৌনে ২টায়। নির্বাচনী (লিখিত) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৮ হাজার ২ জন ছাত্র-ছাত্রী মনোনীত হয়েছিলেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ৭ হাজার ৯৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী। অর্থাৎ ভর্তি পরীক্ষায় প্রায় ৯৯ দশমিক ১০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছেন। রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরীক্ষার হলগুলো পরিদর্শন করেন। পরীক্ষা চলাকালে ক্যাম্পাসে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আনসার ও স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা নিয়োজিত ছিলেন। আজ সকাল থেকেই ভর্তি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের পদচারনায় রুয়েট ক্যাম্পাস হয়ে উঠেছিল মুখরিত। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভর্তি পরীক্ষায় রুয়েটের ইতিহাসে সর্বাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উপাচার্য সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্বেচ্ছাসেবক এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃজ্ঞতা জানিয়েছেন। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মর্তুজা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত ভর্তির জন্য নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৮ মার্চ। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল admission.ruet.ac.bd ওয়েবসাইটেপ্রকাশ করা হবে। চলতি বছর রুয়েটের ১৪টি বিভাগে ১ হাজার ২৩৫ ছাত্র-ছাত্রীকে ভর্তি করা হবে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, নেই নাহিদ-রিয়াদ

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, নেই নাহিদ-রিয়াদ প্রস্তুতি ম্যাচ ভালো যায়নি বাংলাদেশের। হারতে হয়েছে পাকিস্তান শাহিনসের কাছে। সেই ধাক্কা সামলে আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচেই টস ভাগ্য রইল নাজমুল হাসান শান্তর পক্ষে। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক। একাদশে জায়গা হয়নি আলোচিত পেসার নাহিদ রানার। নেই অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। এর আগে ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেবার ৫ উইকেটের জয়ে পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর আর ভারতের বিপক্ষে জয় পাওয়া হয়নি তাদের। গত ১৮ বছরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আরও দশ ম্যাচ খেলেও ভারতকে হারাতে পারেনি তারা। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমি-ফাইনালে ভারতের কাছে হেরেই বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালেও বাংলাদেশের স্বপ্ন থামিয়ে দিয়েছিল ভারত। এবার সময় হয়েছে সেই আক্ষেপ ঘুচানোর। বাকিটা দেখা যাবে মাঠেই। বাংলাদেশের একাদশ: তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, জাকের আলী, তানজিম হাসান, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ভারতের একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, হার্দিক পান্ডিয়া, হর্ষিত রানা, মোহাম্মদ শামি ও কুলদীপ যাদব।