মন খারাপ থাকলে যা করতে পারেন

মন খারাপ থাকলে যা করতে পারেন সব সময় আমাদের মন ভালো থাকবে, এমনটা নাও হতে পারে। মন খারাপ থাকলে যা করতে পারেন- ১. সহানুভূতিশীল বন্ধু ও আত্মীয়দের সঙ্গে বেশি সময় কাটান। সহানুভূতিশীল মানুষ অন্যের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনে। নিজের খারাপ লাগার কথাটি খুলে বলতে পারলে, অনেক সময় মন হালকা হয়। ২. সাধ্যের অতিরিক্ত চাপ নিতে যাবেন না। অতিরিক্ত কাজের চাপ মন ও শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। ৩. যেসব কাজ আপনাকে আনন্দ দেয়, মন খারাপের সময় সেসব কাজ বেশি করে করুন। আনন্দের কাজটিও করতে ‘ভালো লাগছে না’ মনে হলেও, এক পর্যায়ে দেখবেন ভালো লাগতে শুরু করেছে। ৪. খারাপ লাগা দূর করার জন্য ঘর থেকে বের হোন। বাজার করা, শপিংয়ে যাওয়া বা একটু হাঁটার জন্য হলেও বের হোন। দূরে কোথাও যেতে হবে তা নয়, প্রকৃতির কাছাকাছি কোথাও ঘুরতে যান। ৫. অল্প সময়ের জন্য হালকা ব্যায়ামও করতে পারেন। বেশি না, ১৫-৩০ মিনিট হাঁটাও মন ও শরীরের জন্য বেশ উপকারী। ৬. জীবনে কী কী ভালো ঘটনা ঘটেছে, তার একটি লিস্ট করুন। দেখবেন, মন ভালো লাগছে। নিজেকে বলুন, আপনি সব সময় খারাপ ছিলেন না। আবারও ভালো সময় আসবে। ৭. নিজের প্রতি ধৈর্যশীল হোন। খারাপ কিছু ঘটলে নিজেকে দোষারোপ করতে থাকা বা সেটি নিয়ে বার বার ভাবা বন্ধ করুন। আত্মসমালোচনা যেন আপনার মধ্যে নেগেটিভিটি না আনে। ৮. মন খারাপ থাকলে সাধারণত আমাদের আত্মবিশ্বাসও কমে যায়। এই সময়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। ৯. ভালো একটা ঘুম দিন। রাতে ভালো ঘুম না হলেও মন খারাপ হতে পারে। অনেক সময় মনে হয়, কারণ ছাড়াই খারাপ লাগছে। আসলে সবকিছুর ১১. পেছনেই কারণ থাকে। ভালো ঘুম হলে, শরীর ও মন ফ্রেশ লাগতে পারে। ১২. যদি প্রায়ই এবং দীর্ঘ সময় ধরে মন খারাপ থাকে তাহলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হলে, কাউন্সেলিংও প্রয়োজন হতে পারে।
শরীরচর্চার অভ্যাসে বাড়ে মনোযোগ

শরীরচর্চার অভ্যাসে বাড়ে মনোযোগ ওজন কমাতে শরীরচর্চার জুড়ি নেই। রোগা হওয়ার তাগিদে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে ব্যস্ত সবাই। নিয়মিত শরীরচর্চা করার পরে ওজন যদি নাও কমে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা অবধারিত বাড়ে। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা গবেষণা তেমনটাই জানাচ্ছে। ব্যায়াম শুধু শরীর আর মনের খেয়াল রাখে না। মস্তিষ্ক সচল রাখতেও শরীরচর্চা করা জরুরি বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাসে বশে থাকে ওজন। হাঁটুতে ব্যথা, রক্তচাপের সমস্যা, ডায়াবিটিস থাকলেও ব্যায়াম করে সুফল পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি শরীরচর্চা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। স্মৃতিভ্রম যে কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তার উদাহরণ হলো ডিমেনশিয়া। মাত্র কয়েক দশকে ডিমেনশিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়বে প্রায় ২শ শতাংশ। টাইপ-২ ডায়াবিটিস থাকলেও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। শরীরচর্চা টাইপ-২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকিও কমায়। ফলে প্রতিদিনের শারীরিক কসরতের অভ্যাস একসঙ্গে বহু রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কীভাবে বাড়িয়ে তোলে শরীরচর্চা। নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাসে স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে তোলে। শরীরচর্চা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে মস্তিষ্কের প্রতিটি কোষ সচল থাকে। কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্মৃতি ধরে রাখাও অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। তবে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানোর বদলে হাঁটলে কিংবা সাইকেল চালালেও উপকার পাওয়া যাবে। শরীরচর্চার অভ্যাসে বাড়ে মনোযোগ। ইঁদুরদৌড়ের জীবনে যেটা অত্যন্ত প্রয়োজন। মনোযোগহীন কাজের গুণমান নিয়ে সংশয় থাকেই। কার্ডিও মনোযোগ বাড়িয়ে তোলে। হার্টের খেয়াল রাখতেও কার্ডিওর জুড়ি মেলা ভার। ব্যায়াম করলে শুধু ওজন কমে না, মনও ভালো থাকে। সার্বিকভাবে ভালো থাকতে শারীরিক অসুস্থতার ঝুঁকি কমালে চলবে না। মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়েও সমান নজর দিতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য বিঘ্নিত হলে শরীরের ওপরও এর প্রভাব পড়ে।
ফিট থাকতে নিয়মিত করুন সাইক্লিং
ফিট থাকতে নিয়মিত করুন সাইক্লিং খোলা আকাশের নিচে, গাছে ঘেরা রাস্তায় সাইকেল চালালে প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এতে করে মাথা থেকে দুশ্চিন্তাগুলো বাতাসের সঙ্গে মিলিয়ে যায়। সকালের দিকে দূষণ ও গাড়ির চাপ কম থাকে। তাই সকালে সাইক্লিং করুন, সকালে না পারলে সারাদিনে কিছুটা সময় বের করে সাইকেল চালান। আর নিরাপদ বাহন কিন্তু সাইকেল, চাইলে নিয়মিত যাতায়াতের জন্য গণ-পরিবহনের পরিবর্তে সাইকেল ব্যবহার করতে পারেন। সাইক্লিংয়ের উপকারিতা * সাইক্লিং শুধু পায়ের ব্যায়াম নয়। নিয়মিত সাইকেল চালালে আমাদের শরীরের প্রতিটি পেশিতে চাপ পড়ে, ফলে পেশি সুগঠিত ও শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। * সাইক্লিং আমাদের হার্ট, ফুসফুস এবং রক্তচাপের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখে। আর এভাবে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। * আমাদের কাজ করার জন্য যে স্ট্যামিনা প্রয়োজন হয়, নিয়মিত সাইক্লিং থেকে আমরা সেই কর্মস্পৃহা পেয়ে থাকি। যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষে দ্রুত পৌঁছতে সাহায্য করে। * খোলা আকাশের নিচে, গাছে ঘেরা রাস্তায় সাইকেল চালালে প্রকৃতির সাথে আমাদের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এতে করে মাথা থেকে দুশ্চিন্তাগুলো বাতাসের সঙ্গে মিলিয়ে যায়। ফলে মানসিক চাপ কমানোর জন্য এটি খুব ভালো একটি উপায়।শরীরের মেদ কমে- নিয়মিত সাইক্লিং-এ আমাদের শরীরের বাড়তি মেদ কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। * সাইক্লিংয়ের ফলে আমাদের শ্বাস এবং হার্ট বিট উন্নত হয়। সাইক্লিংয়ে সাবধানতা শহরের ব্যস্ত রাস্তায় সাইক্লিং করা সহজ নয়। এক্ষেত্রে নিজের সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাইকেল কেনার সময় নিরাপত্তা গিয়ার ঠিক আছে কি না চেক করে নিন। সব সময় রাস্তার একপাশ দিয়ে সাইকেল চালাতে হবে। বাই সাইকেল চালালেও ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। কখনোই খুব দ্রুত সাইকেল চালানো যাবে না। হেলমেট ব্যবহার করুন। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে সাইকেল চালানোর আগে কিছু খেয়ে নিতে হবে। সাইকেল চালানোর সময় অনেক ঘাম হয়। তাই ক্লান্তি দূর করতে সঙ্গে এক বোতল পানি বা জুস রাখুন। কখনো ব্যথা পেলে বা কোনো শারীরিক সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বাইসাইকেল কিনতে ফনিক্স, এমটিভি, হারকিউলিক্স, হিরো, ফায়ারফক্সসহ ভালো মানের একটি সাইকেল কিনতে পারবেন ১০ থেকে ২০ হাজার টাকায়। ঢাকার গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, নিউমার্কেট, বংশালসহ দেশের ছোট বড় সব শহরেই দেশি বিদেশি ব্র্যান্ডের সাইকেল পাওয়া যায়।
বিয়ে করলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল-অভিনেত্রী মুনমুন

বিয়ে করলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল-অভিনেত্রী মুনমুন বিয়ে করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জামিল হোসেন। নববধূও অভিনয় জগতের। অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদ মুনের সঙ্গে মালা বদল করলেন জামিল। রোববার (৬ এপ্রিল) রাতে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয় তাদের। বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা জামিল হোসেন নিজেই। ফেসবুকে স্ত্রী মুনের সঙ্গে ছবি প্রকাশ করেছেন জামিল। তাতে দেখা গেছে, মাথায় পাগড়ি, পায়ে নাগরা জুতো ও গায়ে শেরওয়ানিতে বরবেশে অভিনেতা জামিল। অন্যদিকে বিয়ের গর্জিয়াস লাল শাড়ি পরে হাতে চুড়ি, গলায় হার ও মাথায় টিকলিতে বধূ সাজে মুনমুন। দুজনেই একে অপরের হাত ধরে দাঁড়িয়ে হাস্যোজ্জ্বল। ছবির ক্যাপশনে জামিল লিখেছেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের পাশাপাশি তাদের নতুন জীবনের শুভকামনা জানিয়েছেন অভিনেতা রওনক হাসান, অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি, সালহা খানম নাদিয়াসহ আরও অনেকে। ছোট পর্দার অভিনেত্রী মুনমুন নাটকের বেশ চেনা মুখ। জামিলের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশকিছু নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং সেট থেকেই দুজনের পরিচয় ও পরে প্রণয়। অবশেষে সেই প্রণয়কে পরিণতি দিলেন এ যুগল।
মেসির গোলে হার এড়াল ইন্টার মায়ামি

মেসির গোলে হার এড়াল ইন্টার মায়ামি প্রথমার্ধে দুইবার জালে বল পাঠাল ইন্টার মায়ামি। তবে লাভ হয়নি। উল্টো যোগ করা সময়ে হজম করে বসে তারা। তিন মিনিটের মধ্যেই অবশ্য শোধ করে ফেলে ক্লাবটি। হারের কবল থেকে দলকে রক্ষা করেন লিওনেল মেসি। মেজর লিগ সকারের ম্যাচে আজ টরন্টো এফসির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মায়ামি। টরন্টোর হয়ে ফেডেরিকো বের্নারদেশি দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর মায়ামিকে সমতায় ফেরান আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। যদিও ড্র করে তার দল শীর্ষস্থান থেকে নিচে নেমে গিয়েছে। তবে এক ম্যাচ কম খেলেছ তারা। ম্যাচ শুরু হওয়ার পর সমান তালেই লড়াই চালাতে থাকে দুদল। এর মধ্যে ২৪তম মিনিটে সুযোগ পান মেসি। তবে বক্স থেকে তার নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক। ৪০তম মিনিটে জাল খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন তারকা। তবে ভিএআর সেটি বাতিল করে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে টরন্টোকে এগিয়ে নেন ফেডেরিকো। ইনসিনিয়ের পাস বক্সের ভেতর থেকে জালে পাঠান ইতালিয়ান উইঙ্গার। তিন মিনিট পর মায়ামিকে সমতায় ফেরান মেসি। বক্সের একটু সামনে সেগোভিয়ার পাস ডান পায়ে ঠেকিয়ে বাঁ পায়ের ভলিতে জাল খুঁজে নেন তিনি। লিগের চলতি মৌসুমে মেসির তৃতীয় গোল এটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গোল হলো ছয়টি। বিরতির পর লড়াই চলতে থাকে আগের মতোই। তবে গোলের দেখা পায়নি কেউই। ফলে ড্র নিয়ে ১৪ পয়েন্টে দুইয়ে মায়ামি। এক ম্যাচ বেশি খেলা কলম্বাস ক্রু ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে।
প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম অবনমনে রেকর্ড সাউদাম্পটনের

প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম অবনমনে রেকর্ড সাউদাম্পটনের ৩১ ম্যাচে স্রেফ ২ জয়! সঙ্গে ৪ ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুত রেলিগেশন হয়েছে সাউদাম্পটনের। গতকাল টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানের হারে রেলিগেশন নিশ্চিত হয়েছে ক্লাবটির। লন্ডনে প্রথমার্থেই জোড়া গোল করে টটেনহ্যামের জন্য জয় সহজ করে দেন ব্রেন্নান জনসন। ত্রয়োদশ মিনিটে জে স্পেন্সের দারুণ এক কাটব্যাক থেকে প্রথম গোলটি করেন তিনি। ৪২তম মিনিটে করেন পরের গোলটি। সতীর্থের ক্রস থেকে আসা বল হেডে জনসনকে বাড়ান ম্যাডিসন। সহজেই সেটি জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড। বিরতির পর অবশ্য শেষ মুহূর্তে গিয়ে গোল পায় সাউদাম্পটন। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে গোলটি করেন ম্যাথিউস ফার্নান্দেস। পাঁচ মিনিট পর আরও একটি গোল হজম করে বসে রেলিগেসনে যাওয়া দলটি। পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন ম্যাথিস টেল। একইসঙ্গে সাত ম্যাচ আগেই রেলিগেসন নিশ্চিত হয়ে যায় সাউদাম্পটনের।
গঙ্গায় নিঃশব্দ মৃত্যু! বিপন্ন ৬ হাজার ডলফিন

গঙ্গায় নিঃশব্দ মৃত্যু! বিপন্ন ৬ হাজার ডলফিন ভারতের দীর্ঘতম ও পবিত্র নদী গঙ্গা একসময় হাজার হাজার ডলফিনের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ছিল। এখন সেই নদীর বুকেই ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৬ হাজার ডলফিন—যাদের অস্তিত্ব আজ মারাত্মক হুমকির মুখে। গাঙ্গেয় ডলফিন ভারতের জাতীয় জলজ প্রাণী। এই ডলফিন সাধারণত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীব্যবস্থায় বাস করে। এরা আলাদা এক প্রজাতি—সামুদ্রিক ডলফিনের মতো পানিতে লাফিয়ে চলাফেরা করে না। চোখেও দেখতে পায় না বললেই চলে। এরা ঘোলা নদীর তলদেশ ঘেঁষে সাঁতার কাটে, প্রতিধ্বনির ওপর নির্ভর করে পথ খোঁজে। সাম্প্রতিক এক সরকারি জরিপে দেখা গেছে, ভারতে নদীতে বসবাসকারী ডলফিনের সংখ্যা ৬ হাজার ৩২৭। এর মধ্যে ৬ হাজার ৩২৪টি গাঙ্গেয় ডলফিন, বাকি তিনটি সিন্ধু ডলফিন। সিন্ধু ডলফিন মূলত পাকিস্তানে বেশি দেখা গেলেও কিছু ভারতে চলে আসে, কারণ নদীটি দুই দেশ মিলে ভাগ করে নেয়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনসারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এই দুই ধরনের ডলফিনকেই ‘বিপন্ন প্রাণী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারতের ‘ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউট’র গবেষকরা ১০টি রাজ্যের ৫৮টি নদীতে জরিপ চালান। সেখানেই মেলে ভয়াবহ চিত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঙ্গেয় ডলফিন মূলত সামুদ্রিক ডলফিনের বিবর্তিত রূপ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে প্লাবনের সময় ডলফিনেরা নদীতে এসে আটকা পড়ে এবং ধীরে ধীরে খাপ খাইয়ে নেয়। এই ডলফিন প্রজাতির প্রজনন হারও কম। স্ত্রী ডলফিন ছয় থেকে দশ বছরে প্রজননক্ষম হয় এবং দুই থেকে তিন বছর অন্তর মাত্র একটি করে বাচ্চা জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ১৯৮০ সাল থেকে অন্তত ৫০০টির বেশি ডলফিন মারা গেছে। বেশিরভাগই মাছ ধরার জালে আটকা পড়ে, আবার অনেককে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়। ডলফিনের মাংস এবং শরীর থেকে প্রাপ্ত তেল মাছ ধরার টোপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে আরও ভয়াবহ দিক হলো—অনেক জেলে আইনগত জটিলতা এড়াতে ডলফিন হত্যার ঘটনা গোপন রাখেন। ভারতের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ডলফিন শিকার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও প্রয়োগের ঘাটতি রয়ে গেছে। এছাড়া নদীতে ক্রমবর্ধমান ক্রুজ পর্যটন পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে এখন নিয়মিতভাবে চলাচল করছে বিলাসবহুল জাহাজ। আর এতে ভয় পাচ্ছেন সংরক্ষণবাদীরা। ভারতের পরিবেশবিদ রবীন্দ্র কুমার সিনহা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ডলফিন শব্দের প্রতি খুব সংবেদনশীল। ক্রুজ চলাচল বাড়তে থাকলে গাঙ্গেয় ডলফিন বিলুপ্তির দিকে যেতে পারে—যেমনটা চীনের ইয়াংজি নদীর বাইজি ডলফিনের সঙ্গে হয়েছিল। চোখে দেখতে না পারা, ধীর সাঁতারের গতি এবং শব্দভিত্তিক দিকনির্দেশনার ওপর নির্ভরশীলতার কারণে এই ডলফিন প্রজাতিটি প্রায়ই নৌকা বা বড় জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যায়। তবে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু আশার খবর রয়েছে। ২০০৯ সালে গাঙ্গেয় ডলফিনকে জাতীয় জলজ প্রাণী হিসেবে ঘোষণা করে ভারত সরকার। এরপর ২০২০ সালে প্রণীত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা এবং ২০২৪ সালে স্থাপিত একটি গবেষণা কেন্দ্র ডলফিন সংরক্ষণে ভূমিকা রেখেছে। রবীন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, হ্যাঁ, আমরা কিছুটা অগ্রগতি করেছি। তবে এখনও অনেক পথ বাকি। এই প্রাণীকে বাঁচাতে আমাদের হাতে সময় খুব কম।
গাজায় ইসরায়েলের বো*মাবর্ষণ চলছেই, আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহ*ত

গাজায় ইসরায়েলের বো*মাবর্ষণ চলছেই, আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহ*ত ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রোববার (৬ এপ্রিল) রাতভর বোমাবর্ষণে আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গাজার মধ্যাঞ্চল দেইর আল-বালাহের পাঁচটি এলাকায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে ইসরায়েল। এই হামলার বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন সাংবাদিকও রয়েছেন। এর আগে বাসিন্দাদের ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। এছাড়া একটি মেডিকেল সূত্রের বরাতে বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, গাজা শহরের পূর্বে আল-নাখিল স্ট্রিটে ইসরায়েলি কামানের গোলাবর্ষণে আট শিশুসহ দশজন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আরেকটি মেডিকেল সূত্র জানিয়েছে, গাজা শহরের পূর্বে শুজাইয়া পাড়া লক্ষ্য করে বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এদিকে গাজার জাওয়াইদা এলাকায় একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে ড্রোন হামলায় আরও একজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে বোমা ফেললে আটজন নিহত হয়েছেন।রোববারের নিহতের সংখ্যাসহ গত অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ভূখণ্ডটিতে প্রাণহানি প্রায় ৫০ হাজার ৭০০ জনে পৌঁছে গেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচারে হামলায় কমপক্ষে ৫০ হাজার ৬৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৩৮ জন। তবে সরকারি মিডিয়া অফিস মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
শুল্ক নিয়ে অনড় ট্রাম্প, দেশে দেশে অস্থিরতা

শুল্ক নিয়ে অনড় ট্রাম্প, দেশে দেশে অস্থিরতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা আমদানির ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের পক্ষেই কথা বলে যাচ্ছেন। বাজারের অস্থিরতা এবং বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা এই নীতি বজায় রাখার বিষয়ে অনড় মনোভাব দেখিয়েছেন। এদিকে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ নিয়ে বিভিন্ন দেশে চলছে টানাপোড়েন। বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশ এরইমধ্যে শুল্ক নিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের। টেলিভিশনে একাধিক সাক্ষাৎকারে, ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সাম্প্রতিক শেয়ারবাজারের পতনকে গুরুত্বহীনভাবে উল্লেখ করেছেন। আর বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক জোর দিয়ে বলেছেন যে পরিকল্পনা অনুযায়ী পারস্পরিক শুল্ক কার্যকর করা হবে। বেসেন্ট বলেন, অস্থিরতার ফলে মন্দা আসবে এমন কোনো কারণ নেই। ‘এটি একটি সমন্বয় প্রক্রিয়া’, বলেন তিনি। এদিকে আরেক শীর্ষ উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট বলছেন, ৫০টিরও বেশি দেশ একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শেয়ারের সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে, যেখানে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার সবচেয়ে বাজে সপ্তাহ পার করল। এই নাজুক অবস্থা চলতি সপ্তাহেও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা ৬০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং জায়ান্ট জেপি মরগান ভবিষ্যৎবাণীতে এমনটিই বলেছে। রোববার সন্ধ্যায় এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলো ‘একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে আছে। ’ পণ্যের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং বাজারে মন্দার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আমেরিকান ভোক্তাদের ‘সহনসীমা’ নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অস্থিরতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক রোববার সিবিএস নিউজকে জানান, সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ ‘বেসলাইন’ শুল্ক আগামী দিনগুলোতে অবশ্যই বহাল থাকবে। তালিকায় থাকা প্রায় ৬০টি দেশের ওপর উচ্চতর শুল্ক ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। শুল্ক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে লুটনিক বলেন, ‘সবকিছুই কার্যকর হবে। তিনি (ট্রাম্প) যা ঘোষণা করেছেন, সবই বাস্তবায়ন হবে এবং তিনি রসিকতা করে কিছু করেননি। ’ ট্রাম্পের শীর্ষ অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দাবি, ৫০টিরও বেশি দেশ আলোচনা শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তবে কোন কোন দেশ তালিকায় রয়েছে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। সৌদি আরবের শেয়ার বাজারে প্রায় সাত শতাংশ দরপতন হয়েছে –যা মহামারির পর থেকে এ পর্যন্ত একদিনে সবচেয়ে বড় ক্ষতি বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। ইন্দোনেশিয়া ও তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের পণ্যের ওপর ৩২ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার বিপরীতে প্রতিশোধমূলক পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে না তারা। ভিয়েতনাম ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছে, তাদের ওপর আরোপ করা ৪৬ শতাংশ শুল্ক যেন অন্তত ৪৫ দিন পর কার্যকর করা হয়। আর চীন তো মার্কিন পণ্যে পাল্টা ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেন, পৃথিবীকে আমরা আগে যেভাবে চিনতাম এখন তা বদলে গেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
শুল্ক নিয়ে অনড় ট্রাম্প, দেশে দেশে অস্থিরতা
শুল্ক নিয়ে অনড় ট্রাম্প, দেশে দেশে অস্থিরতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা আমদানির ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের পক্ষেই কথা বলে যাচ্ছেন। বাজারের অস্থিরতা এবং বাণিজ্যযুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো সত্ত্বেও তারা এই নীতি বজায় রাখার বিষয়ে অনড় মনোভাব দেখিয়েছেন। এদিকে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ নিয়ে বিভিন্ন দেশে চলছে টানাপোড়েন। বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিভিন্ন দেশ এরইমধ্যে শুল্ক নিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের। টেলিভিশনে একাধিক সাক্ষাৎকারে, ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সাম্প্রতিক শেয়ারবাজারের পতনকে গুরুত্বহীনভাবে উল্লেখ করেছেন। আর বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক জোর দিয়ে বলেছেন যে পরিকল্পনা অনুযায়ী পারস্পরিক শুল্ক কার্যকর করা হবে। বেসেন্ট বলেন, অস্থিরতার ফলে মন্দা আসবে এমন কোনো কারণ নেই। ‘এটি একটি সমন্বয় প্রক্রিয়া’, বলেন তিনি। এদিকে আরেক শীর্ষ উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেট বলছেন, ৫০টিরও বেশি দেশ একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শেয়ারের সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি কমেছে, যেখানে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার সবচেয়ে বাজে সপ্তাহ পার করল। এই নাজুক অবস্থা চলতি সপ্তাহেও অব্যাহত থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা ৬০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং জায়ান্ট জেপি মরগান ভবিষ্যৎবাণীতে এমনটিই বলেছে। রোববার সন্ধ্যায় এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলো ‘একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে আছে। ’ পণ্যের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং বাজারে মন্দার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আমেরিকান ভোক্তাদের ‘সহনসীমা’ নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অস্থিরতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক রোববার সিবিএস নিউজকে জানান, সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ ‘বেসলাইন’ শুল্ক আগামী দিনগুলোতে অবশ্যই বহাল থাকবে। তালিকায় থাকা প্রায় ৬০টি দেশের ওপর উচ্চতর শুল্ক ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। শুল্ক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে লুটনিক বলেন, ‘সবকিছুই কার্যকর হবে। তিনি (ট্রাম্প) যা ঘোষণা করেছেন, সবই বাস্তবায়ন হবে এবং তিনি রসিকতা করে কিছু করেননি। ’ ট্রাম্পের শীর্ষ অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দাবি, ৫০টিরও বেশি দেশ আলোচনা শুরু করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তবে কোন কোন দেশ তালিকায় রয়েছে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। সৌদি আরবের শেয়ার বাজারে প্রায় সাত শতাংশ দরপতন হয়েছে –যা মহামারির পর থেকে এ পর্যন্ত একদিনে সবচেয়ে বড় ক্ষতি বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। ইন্দোনেশিয়া ও তাইওয়ান জানিয়েছে, তাদের পণ্যের ওপর ৩২ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার বিপরীতে প্রতিশোধমূলক পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে না তারা। ভিয়েতনাম ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছে, তাদের ওপর আরোপ করা ৪৬ শতাংশ শুল্ক যেন অন্তত ৪৫ দিন পর কার্যকর করা হয়। আর চীন তো মার্কিন পণ্যে পাল্টা ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্পের শুল্ক নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেন, পৃথিবীকে আমরা আগে যেভাবে চিনতাম এখন তা বদলে গেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।