আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এতে অংশ নেবে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন শিক্ষার্থী। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। প্রথমদিনে অনুষ্ঠিত হবে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ২৯১, প্রতিষ্ঠান সংখ্যা ১৮ হাজার ৮৪। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন ছাত্রী। এই বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২৫ এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৬৩। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ এবং ৩৪ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব/ঘটনা, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৪টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনাগুলো হলো:- ১. পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। ২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুসরণ করে পরীক্ষা গ্রহণ। ৩. প্রথমে এমসিকিউ, পরে সৃজনশীল পরীক্ষা; কোনো বিরতি থাকবে না। ৪. প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে সংগ্রহ করতে হবে। ৫. ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর কেন্দ্রের মাধ্যমে বোর্ডে পাঠাতে হবে। ৬. OMR ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। ৭. সৃজনশীল, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে আলাদাভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে। ৮. শুধু নিবন্ধিত বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে। ৯. নিজ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবে না; আসনবিন্যাসে স্থানান্তরের ব্যবস্থা থাকবে। ১০. সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। ১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না। ১২. একই উপস্থিতিপত্রে তিন অংশের উপস্থিতি গণনা করতে হবে। ১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। ১৪. ফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে।

বিশ্বকে বদলানোর মতো দুর্দান্ত আইডিয়া আছে বাংলাদেশের: বিনিয়োগকারীদের প্রধান উপদেষ্টা

বিশ্বকে বদলানোর মতো দুর্দান্ত আইডিয়া আছে বাংলাদেশের: বিনিয়োগকারীদের প্রধান উপদেষ্টা আজ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টা। বিশ্বকে বদলে দেওয়ার মতো দুর্দান্ত সব আইডিয়া বাংলাদেশের কাছে আছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসার ভালো সুযোগ রয়েছে। এ ব্যবসা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা পৃথিবীর জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে।” বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের আয়োজনে চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন গত ৭ এপ্রিল শুরু হলেও আজ প্রধান উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারা বিশ্ব থেকে আসা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, “বাংলাদেশ এই মুহুর্তে বিনিয়োগের সঠিক জায়গা। এ ব্যবসা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা পৃথিবীর জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। এক সময় ক্ষুদ্রঋণ বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র গ্রামে শুরু হলেও এখন এটি আমেরিকার সবচেয়ে বড় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “সবাই মিলে উপার্জন করে মানুষের ভাগ্য বদল করাটা স্বর্গীয় অনুভূতি। কার্বন নিঃসরণ বাদ দিয়ে আমরা নতুন সভ্যতা গড়তে পারি। বর্তমান সভ্যতা আত্মবিধ্বংসী।” প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, “তরুণ প্রজন্ম সম্মিলিতভাবে পৃথিবীকে বদলে দেবে। তারা সরকারের অপেক্ষায় বসে থাকবে না। সেই নতুন বিশ্ব গড়তে এখন থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশে ব্যবসা করা শুধু এ দেশেই বিনিয়োগ নয়, বরং এর অর্থ বিশ্বব্যাপী সামাজিক ব্যবসার অংশ হওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নতির ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমেই সম্ভব দারিদ্র্য বিমোচন। আর সামাজিক ব্যবসার আদর্শ স্থান বাংলাদেশ।” অনুষ্ঠানে বিনিয়োগে অবদান রাখার জন্য চার ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- ওয়ালটন (দেশি বিনিয়োগকারী) বিকাশ (বিদেশি বিনিয়োগকারী), স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস ও ফেব্রিকস। এছাড়া, বিশেষ ক্যাটাগরিতে কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের চেয়ারম্যানকে সম্মান সূচক নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে পাঁচটি খাতকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরা হচ্ছে। খাতগুলো— নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল ইকোনমি, টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল, স্বাস্থ্য ও ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত; মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বারোপ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত; মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে গুরুত্বারোপ ‘জন্ম হোক সুরক্ষিত, ভবিষৎ হোক আলোকিত’ এই প্রতিপাদ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। আজ দিবসটি পালন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে সিভিল সার্জন অফিস। সকালে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে কোর্ট চত্বর ঘুরে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. এ. কে. এম. শাহাব উদ্দীন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মাতৃমৃত্যু হার কমানোর জন্য মায়েদেরকে গর্ভকালীন অবস্থায় চারবার চেকআপ করতে হবে। কোনোভাবেই ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাবার বাচ্চাকে খাওয়ানো যাবে না। সিভিল সার্জন আরো বলেন সন্তান জন্মদানে মায়েরা যেন প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারিটা করেন। আর বাড়িতে ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে সেখানে যেন প্রশিক্ষিত ধাত্রী দ্বারা করানো হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাচ্চা জন্মের সময় মা ও নবজাতক যেন সঠিক পরিচর্যা পায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে আমাদের মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হারটা অনেক কমে যাবে। এর ফলে আমাদের এসডিজির যে লক্ষ্যমাত্রা, সেটি আমরা পূরণ করতে পারব। এসময় অন্যানোর মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ’র প্রোগ্রাম অফিসার ডা. এএসএম আশরাফুজ্জামান, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী মোমেনা খাতুন, জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সমন্বয়কারী রাফিউল ইসলাম। পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ’র সার্ভেইলেন্স অ্যান্ড ইমুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা হক স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। সভায় অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সুলতানা পাপিয়া, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার চৌধুরী আব্দুল্লাহ আস শামস তিলক, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোসা. শামশুন নাহার, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ক্লিনিক ম্যানেজার শামীমা খাতুন, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির স্মার্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম, ইসিসিসিপি-ড্রাইট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক বুকল কুমার ঘোষ, অফিসার শাহরিয়ার শিমুলসহ ব্র্যাক, প্রয়াস, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, ডাসকো ও আপস এনজিওর প্রতিনিধিরা।

লম্বা শুস্ক মৌসুমের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাঙ্খিত বৃষ্টি,আম ও ধানের জন্য আশীর্বাদ

লম্বা শুস্ক মৌসুমের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাঙ্খিত বৃষ্টি,আম ও ধানের জন্য আশীর্বাদ আমের রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে শুরু হয়েছে আমের নতুন মৌসুম। বেড়ে উঠছে গুটি। গাছ পরিচর্যা চলছে জোরেশোরে। এদিকে ইরি-বোরো ধানও মাঠে বেড়ে উঠছে। গত সেপ্টেম্বর মাসের পর দীর্ঘদিন উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় অর্থাৎ প্রায় অনাবৃষ্টির পর গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিক থেকে আজ ভোররাত পর্যন্ত থেমে থেমে কখনও হালকা আবার কখনও মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে জেলায়। জেলার দুই বৃহত্তম উপজেলা সদর ও শিবগঞ্জে গড়ে ৫ মি.মি করে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কৃষি বিভাগ। জেলার অন্য তিন ্উপজেলা গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাটে ছিটেফোটা বৃষ্টি হয়েছে। বজ্রসহ বৃষ্টি হলেও ঝড় বা শিলাবৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন দিনে চৈত্র্যর তীব্র ক্ষরাক্রান্ত জেলাবাসী ও কৃষকরা। এদিকে পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ফাল্গুণের পর চৈত্র মাসের প্রথম ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত রাতে,ভোরে ও সকালে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করেছে। ভোওে কখনও পড়ে কুয়াশা। এমতাবস্থায় বৃষ্টিতে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁরা আশা করছেন আবহাওয়ার এই অবস্থা এখন কেটে যাবে। বাম্পার ফলন হবে আম ও ধানের । জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়,জেলায় ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর জমির ৮১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৪০টি আমগাছের ৯২ শতাংশে মুকুল আসার পর গুটি বেশ বড় হয়েছে। আমের জন্য চলতি মৌসুমের আবহাওয়া শুরু থেকেই যথেষ্ট অনুকুল বলছেন সংশ্লিষ্ট সকলেই। মৌসুমে শীতের তীব্রতা কম থাকায় বেশিরভাগ মুকুল এসেছে আগাম ও সময়মত। চলতি মৌসুমের ডিসেম্বরে জেলার সর্বনি¤œ গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস হলেও জানয়ারী থেকে তা ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তারা আরও জানায়, চলতি বছর হেক্টর প্রতি ১০.৩ মে.টন হিসেবে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ২৯০ টন আম উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই আরও বেশী উৎপাদনের ব্যাপারে আশাবাদী। গত মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল সাড়ে ৩ লক্ষ টন ও উৎপাদন হয় ৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৭৮ টন। গত মৌসুমে ৭৩ থেকে ৭৫ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছিল। গত বছর ২০২৪ সালে ১৩৩ টন আম রপ্তানী হয়েছে মূলত: ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে। এর আগের বছর ২০২৩ সালে হয়েছিল ৩৭৬ টন। তবে এবার রপ্তানীর পরিমাণ বাড়বে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ ও ব্যবসায়ীরা। তাজা আম রপ্তানীর সাথে প্রক্রিয়াজাত আম রপ্তানী বাড়াতে হবে। এদিকে জেলায় ৫১ হাজার ৯৩৫ হেক্টর জমিতে ইরি আবাদের লক্ষ্য থাকলেও বরেন্দ্র এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর আশংকাজনক হারে নেমে যাওয়ায় সেচের দায়িত্বে থাকা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) সদর, নাচোল ও গোমস্তাপুর এলাকায় তাদের সেচের আওতাধীন আংশিক এলাকায় ধান চাষ নিরুৎসাহিত করে। উৎসাহিত করা হয় গম,সরিষা,মসুর,বুট,ধনিয়ার মত ফসল ও সব্জি। ফলে ধান চাষ কমে হয়েছে ৪৭ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমিতে। হেক্টর প্রতি ৪.৬৭ টন হিসেবে ২ লক্ষ ২২ হাজার ৮৯৯.১ টন উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। ধানের দানা শক্ত হয়ে এসেছে। এ মাসের শেষ থেকেই শুরু হবে আগাম ইরি কাটা। অপরদিকে ৩৯ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে আউশ রোপনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন কৃষকরা। মাসখানেকের মধ্যেই আউশ রোপন শুরু হবে। এখন মাঠে রয়েছে ভুট্টা,মুগ,তিল,হলুদের মত ফসল ও সব্জি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, হালকা বৃষ্টি হলেও এ সময় তা আম-ধানসহ সকল ফসলের জন্য উপকার বয়ে আনবে। আপাতত: আম ও ধান চাষে বড় সমস্যা নেই। আম চাষী সদর উপজেলার রামকৃষ্টপুর গ্রামের মো.মন্টু হাজী (৬৩) ও বিদিরপুর গ্রামের বিষু মিয়া(৬০) বলেন, গুটি ঝরার মুখে বৃষ্টির পর কয়েকদিন আর কোনও ফসলে কোনরুপ বালাইনাশক দিতে হবে না। আমের বোঁটা শক্ত হবে। আম ঝরা কমে যাবে। আম বৃদ্ধির হার বাড়বে। আকার-আকৃতি ভাল হবে। প্রকৃতির ক্ষতিকারক পোকামাকড় আক্রমন কমে আসবে। তবে গাছের গোড়ায় সেচের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে জানান তাঁরা। এদিকে আম সংশ্লিস্টরা আমের নায্য মূল্যের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সদর উপজেলার গহিলবাড়ি গ্রামের ধানচাষী আব্দুল মান্নান( ৬০) বলেন, ঝড় ও শিল ছাড়া যেটকু বৃষ্টি হয়েছে তাতেই অনেক উপকার হবে। দিন দিন সেচের পানি সংকট বাড়ছে। এমন অবস্থায় বৃষ্টির পানি খবই দরকারি ছিল।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা’র তীর রক্ষা বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা বন্ধে পাউবো’র জিডি’র আবেদন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা’র তীর রক্ষা বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা বন্ধে পাউবো’র জিডি’র আবেদন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙ্গণ থেকে রক্ষাকল্পে নির্মিত বামতীর বাঁধ ধ্বংস করে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরীর (জিডি) আবেদন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ। গতকাল পাউবো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. চাঁন মিয়া স্বাক্ষরিত জিডি আবেদন করেন। ওই আবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০০১-২০০৩ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওতাধীন ‘পদ্মা নদীর ভাঙ্গণ হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা রক্ষা প্রকল্প’ এবং পদ্মা নদীর ভাঙ্গণ হতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাধীন পাঁকা ও দূর্লভপুর এলাকা রক্ষা’ প্রকল্পের মাধ্যমে দূর্লভপুর হতে সদর উপজেলার বাখের আলী এলাকা পর্যন্ত ২০.৪৮ কি.মি মাটির বাঁধ,৮টি স্পার ও ক্লোজার নির্মাণ করা হয়। গত ১৮ মার্চ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের কালিনগর এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো কর্মকর্তারা স্থানীয়দের নিকট জানতে পারেন যে, বেআইনীভাবে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা রাতের আঁধারে বাঁধের সিসি ব্লকের উপর দিয়ে রাস্তা তৈরী করে পদ্মার চর থেকে এস্কেভেটর,ডাম্প ট্রাক,পাওয়ার টিলার ইত্যাদি ব্যবহার করে মাটি কাটছে ও বালু উত্তোলন করছে। ফলে ব্লক ভেঙ্গে ক্লোজার দূর্বল হয়ে মূল বাঁধ হুমকির মুখে। এর ফলে ক্লোজার ভেঙ্গে গেলে পদ্মার পানি জেলার পাগলা নদীতে প্রবেশ করবে। ফলে বর্ষায় ও বন্যায় সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা নদী ভাঙ্গণসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ব্যাপারে মৌখিকভাবে কয়েকবার নিষেধ করলেও মাটি কাটা কার্যক্রম চলছে। এমতাবস্থায় প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ তথা কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে আইনী পদক্ষেপ নেয়া জরুরী। এ ব্যাপরে পাউবো, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, বিসয়টি উদ্বেগের। জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ ব্যাপাওে আলোচনা করা হবে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মতিউর রহমান বলেন,গত রোববার রাতে জিডি আবেদন পাওয়া গেছে। উর্ধতণ মহলের সাথে কথা বলে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিস্ট ৬ নং বাঁধ এলাকার ইউপি সদস্য গোলাম আরিফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এমন ঘটনা নতুন নয়। দায়িত্বশীল অনেকেই এ ব্যাপারে অবগত।

ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলের গ*ণহ*ত্যা প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে মার্চ ফর প্যালে*স্টাইন

ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলের গ*ণহ*ত্যা প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে মার্চ ফর প্যালে*স্টাইন ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিশ্বব্যাপি গড়ে উঠা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে গোমস্তাপুরে মার্চ ফর প্যালেস্টাইন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ সকালে রহনপুরের তাওহিদী জনতা নামের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয়ে রহনপুর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলোনী মোড়ে এসে শেষ করে। সেখানে পথসভায় বক্তব্য দেন আমিরুল মুমিন, মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাওলানা শাহজালাল, হিজবুল্লাহ, পিয়াস আহমেদ, নাফিস, শুভসহ অনেকে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হ*ত্যার প্রতিবাদে দিনব্যাপী বি*ক্ষোভ মিছিল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হ*ত্যার প্রতিবাদে দিনব্যাপী বি*ক্ষোভ মিছিল ফিলি*স্তিনে ইস*রাইলি গণ*হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সহ বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ দিনব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে শান্তিরমোড় এলাকা থেকে ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’ শ্লোগানে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্বরোড মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তারা গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যা অব্যাহত থাকলেও জাতিসংঘের নীরব ভুমিকার কঠোর সমালোচনা করেন এবং মুসলিম দেশগুলোকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহবান জানান। সমাবেশে বক্তারা ইসরাইলি পন্য বয়কটেরও ঘোষণা দেন। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কোষাধ্যক্ষ মাহববুবুর রহমানের নেতৃত্বে দুপুরে ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনিষ্টিটিউট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর পথসভায় বক্তব্য দেন আব্দুর রাহিম, আজিমুল ইসলাম মাহিন শেখ নাসিম, সাইমুম সাদাব, শোহান সহজ প্রমুখ।

১৩০ রান তাড়ায় তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

১৩০ রান তাড়ায় তামিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মাত্র ১৩০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৫৯ বলে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন তানজিদ হাসান তামিম। তার সেঞ্চুরির দিনে তার দল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ১০ উইকেটে হারিয়েছে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাবকে। আজ বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৩০ রান। সেই রান টপকে যায় মাত্র ১৮.৩ ওভারে। যেখানে তামিম একাই খেলেন ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস। আগে ব্যাট করতে নেমে শরিফুল ইসলাম, শেখ মেহেদী হাসানদের তোপে ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় পারটেক্স। সহজ লক্ষ্যে সাইফ হাসানকে নিয়ে ওপেন করতে নামেন তামিম। ১০৩ রানই এসেছে তামিমের ব্যাটে। সাইফ করেছেন ৫৩ বলে ২৬ রান।

ঈদের ১১ দিনে সড়কে ঝরেছে ২৪৯ প্রাণ

ঈদের ১১ দিনে সড়কে ঝরেছে ২৪৯ প্রাণ পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের ১১ দিন দেশে ২৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৪৯ জনের। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আহত হয়েছেন ৫৫৩ জন। কিন্তু বাস্তবে আহতের সংখ্যা ২ হাজারে বেশি। শুধু রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালেই ঈদের ২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৫৭১ জন, যার অধিকাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। আজ রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০৬ জন, যা মোট নিহতের ৪২.৫৭ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৪.৩৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৩৯ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৫.৬৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৩২ জন, অর্থাৎ ১২.৮৫ শতাংশ। একই সময়ে ৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। ১৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র: দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়- মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১০৬ জন (৪২.৫৭%), বাস যাত্রী ১৪ জন (৫.৬২%), ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী ৯ জন (৩.৬১%), প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ১৮ জন (৭.২২%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৯ জন (১৯.৬৭%), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-করিমন-পাখিভ্যান-মাহিন্দ্র-টমটম-আলগামন) ১০ জন (৪%) এবং বাইসাইকেল আরোহী ৪ জন (১.৬০%) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন: রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৮৭টি (৩৩.৮৫%) জাতীয় মহাসড়কে, ৯৮টি (৩৮.১৩%) আঞ্চলিক সড়কে, ৪৩টি (১৬.৭৩%) গ্রামীণ সড়কে এবং ২৯টি (১১.২৮%) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনার ধরন: দুর্ঘটনাসমূহের ৬৮টি (২৬.৪৫%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১১৩টি (৪৩.৯৬%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৪১টি (১৫.৯৫%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ২৪টি (৯.৩৩%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১১টি (৪.২৮%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে। দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন: দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে- ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-ড্রাম ট্রাক-ট্যাঙ্ক লরি ১৩%, বাস ১৯.১১%, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার ৭.৩৫%, মোটরসাইকেল ২৯.১৬%, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ২১.৫৬%, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-করিমন-পাখিভ্যান-মাহিন্দ্র-টমটম-আলগামন) ৫.১৪%, বাইসাইকেল-রিকশা ২.৬৯% এবং অজ্ঞাত যানবাহন ১.৯৬%। দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা: দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৪০৮টি। (বাস ৭৮, ট্রাক ২৯, কাভার্ডভ্যান ৪, পিকআপ ৫, ট্রাক্টর ৬, ট্রলি ৫, ড্রাম ট্রাক ৩, ট্যাঙ্ক লরি ১, মাইক্রোবাস ১১, প্রাইভেটকার ১৮, জীপ ১, মোটরসাইকেল ১১৯, থ্রি-হুইলার ৮৮ (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ২১ (নসিমন-করিমন-পাখিভ্যান-মাহিন্দ্র-টমটম-আলগামন), বাইসাইকেল-রিকশা ১১ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ৮টি। দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ: সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৩.১১%, সকালে ২৩.৩৪%, দুপুরে ২১%, বিকালে ২৬.৮৪%, সন্ধ্যায় ৮.১৭% এবং রাতে ১৭.৫০%।

গা*জায় ইস*রায়েলি গণ*হত্যা*র তীব্র নি*ন্দা বাংলাদেশের

গা*জায় ইস*রায়েলি গণ*হত্যা*র তীব্র নি*ন্দা বাংলাদেশের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত গণহত্যা এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানায়। এতে উল্লেখ করা হয়, গত মাসে একতরফা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর থেকে ইসরায়েলি সামরিক হামলায় বহু ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। পাশাপাশি গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, যা মানবিক বিপর্যয়ের দিকে পরিচালিত করেছে। স্পষ্টতই, ইসরায়েল বারবার আন্তর্জাতিক আবেদনের প্রতি কোনো গুরুত্ব দেয়নি এবং এর পরিবর্তে ক্রমবর্ধমানভাবে হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযান চালানোর জন্য গাজার ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর নির্বিচার বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের তীব্র নিন্দা জানায়। বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েলকে অবিলম্বে সব সামরিক অভিযান বন্ধ, সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে দায়িত্ব পালনের দাবি করছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানাচ্ছে যে, তারা যেন নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন, বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষা এবং অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে তাদের নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব পালন করে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিলিস্তিনি জনগণের সব ন্যায্য অধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমানা অনুসারে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। বাংলাদেশ সরকার মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য আলোচনার প্ল্যাটফর্মে ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর সহিংসতা ও দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে কূটনীতি এবং সংলাপের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানায়। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের প্রস্তাব, শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য ফিলিস্তিনিদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি সমস্যার দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের দিকে কাজ করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশ তার আহ্বানে অবিচল এবং দ্ব্যর্থহীন থাকবে।