আফ্রিকায় জনপ্রিয় উপস্থাপককে গুলি করে হত্যা

আফ্রিকায় জনপ্রিয় উপস্থাপককে গুলি করে হত্যা দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় রেডিও, টিভি উপস্থাপক এবং ডিজে ওয়ারিক স্টক জোহানেসবার্গে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ জনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার শহরের জাম্বেসি হাউসের কাছে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪০ বছর। তিনি ‘ডিজে ওয়্যারাস’ নামে পরিচিত ছিলেন। এদিকে তার নিহতের খবরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিনোদন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ওয়ারিকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। পুলিশের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ঘটনার দিন জাম্বেসি হাউসের কাছে বাড়ির নিরাপত্তায় ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতির তদারকি করছিলেন তিনি। এসময় তিনজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার দিকে এগিয়ে আসে এবং তাঁদের মধ্যে একজন সরাসরি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। হামলার সময় আত্মরক্ষার জন্য স্টকের কাছে একটি লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও তিনি তা ব্যবহারের সুযোগ পাননি। হামলাকারীরা তার কাছ থেকে কোনো কিছুই ছিনিয়ে নেয়নি। স্টকের বোন নিকোল এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের পরিবার আজ শোকে স্তব্ধ।’ ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় সাধারণ মানুষকে কোনো ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রীড়ামন্ত্রী গায়টন ম্যাকেঞ্জি। এছাড়া ‘বিল্ড ওয়ান’ দলের নেতা মুসি মাইমান এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছন। তিনি এ ঘটনাকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে মন্তব্য করেছেন। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ওই নারী ওই ভবনের একজন প্রাক্তন ভাড়াটিয়া। ধারণা করা হচ্ছে, ভবনের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজন সন্দেহভাজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত নারীসহ অন্যান্য অপরাধীদের ধরতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে জন্ম ডিজে ওয়ারিক স্টকের। ২০০৮ সালে ‘YFM’ রেডিওর মাধ্যমে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে ‘5FM’ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত মিউজিক প্রোগ্রাম ‘Live AMP’-এ টানা ছয় বছর উপস্থাপনা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সম্প্রতি তিনি ‘The Shady PHodcast’ এবং রিয়ালিটি শো ‘Ngicel’iVisa’-এর সঞ্চালক হিসেবেও অত্যন্ত সফল ছিলেন।
মেহজাবীন চৌধুরীর মামলার শুনানি পিছিয়েছে

মেহজাবীন চৌধুরীর মামলার শুনানি পিছিয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর হুমকি-ধামকির মামলার বিষয়ে জবাব দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী বছরের ১২ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ ঢাকার ৩ নং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক বদলি জনিত কারণে জবাব দাখিল সংক্রান্ত শুনানি হয়নি। এজন্য পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১২ জানুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক সাম্প্রতিক সময়ে অন্যত্র বদলি হওয়ায় এই মামলার নির্ধারিত তারিখে শুনানি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তাই নিয়ম অনুযায়ী মামলাটির শুনানির জন্য একটি নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতে নতুন বিচারক যোগদান করার পর মামলার নথিপত্র পুনরায় উপস্থাপনপূর্বক এই মামলার শুনানি গ্রহণ করা হবে। এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন পান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর তৎকালীন বিচারক আফরোজা হক তানিয়ার আদালত এ জামিন মঞ্জুর করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বাদীর সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭(৩) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।
তৃতীয়বারের মতো ডোপিংয়ে শীর্ষে ভারত

তৃতীয়বারের মতো ডোপিংয়ে শীর্ষে ভারত ডোপিংয়ের মাধ্যমে একপ্রকার প্রতারণার মাধ্যমে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টা করেন অনেক খেলোয়াড়রা। তবে এর থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মকর্তারা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেঝেন। এরপরও বিভিন্ন সময়ে ডোপিং কেলেঙ্কারিতে নাম উঠে এসে খেলোয়াড়দের। বছরের শেষে এসে ডোপিং কেলেঙ্কারি দেশের নাম প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা)। তালিকায় টানা তৃতীয় বছরের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে ভারতের নাম। আজ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে এটিকে ভারতের জন্য বিব্রতকর ‘হ্যাটট্রিক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রকাশিত সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (নাডা) গত বছরের মোট ৭ হাজার ১১৩টি মূত্র ও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ২৬০টি নমুনায় নিষিদ্ধ পদার্থের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এই ফলাফল ভারতের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। গত বছর ডোপিং কেসের সংখ্যায় শীর্ষে ছিল অ্যাথলেটিক্স (৭৬টি)। এরপর যথাক্রমে ভারোত্তোলন (৪৩টি) এবং কুস্তি (২৯টি)। চলতি বছরের জুলাই মাসে অনূর্ধ্ব-২৩ কুস্তির চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারিস অলিম্পিকের কোয়ার্টার-ফাইনালিস্ট রীতিকা হুডা ডোপ টেস্টে পজিটিভ হন এবং তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ভারতের ইউনিভার্সিটি গেমসে কিছু ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে মাত্র একজন করে অ্যাথলেট হাজির হওয়ার খবর পাওয়া যায়। বাকি প্রতিযোগীরা অ্যান্টি-ডোপিং কর্মকর্তাদের উপস্থিতির কারণে আগেই মাঠ ছাড়েন বলে । ২০২৪ সালে ডোপপাপের দিক দিয়ে ভারতের পরেই অবস্থান করছে ফ্রান্স, দেশটিতে ৯১টি পজিটিভ কেস শনাক্ত হয়েছে। ৮৫টি কেস নিয়ে ইতালি তৃতীয়। এরপর রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র, উভয় দেশেরই ৭৬টি করে কেস। তাদের পরেই রয়েছে জার্মানি (৫৪টি) এবং চীন (৪৩টি)। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডোপিংবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে নাডা। সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে অ্যান্টি-ডোপিং কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনে ডোপিংয়ের এই অভিশাপ মোকাবিলায় নাডা ইন্ডিয়া শুধু পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ায়নি, পাশাপাশি শিক্ষা ও সচেতনতার ওপরও জোর দিয়েছে। নাডা জানায়, চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৬৮টি পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১০টি পজিটিভ কেস পাওয়া গেছে।
অ্যাডিলেডে হারের প্রহর গুনছে ইংল্যান্ড

অ্যাডিলেডে হারের প্রহর গুনছে ইংল্যান্ড পার্থ ও ব্রিসবেন টেস্টে ব্যর্থতার পর অ্যাডিলেডকে অ্যাশেজে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হিসেবে দেখেছিল ইংল্যান্ড। তবে তৃতীয় টেস্টেও অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারছে না ইংলিশ ব্যাটিং লাইনআপ। ছোট ছোট জুটি গড়লেও সেগুলো বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছেন ব্যাটাররা। দ্বিতীয় দিন শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২১৩ রান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের চেয়ে তারা এখনও পিছিয়ে রয়েছে ১৫৮ রানে। আজ দিনের শুরুতে প্রথম সেশনে আরও ৪৫ রান যোগ করেই অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৭১ রান। ইংল্যান্ডের হয়ে জোফরা আর্চার নেন সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেট। তবে কামিন্সের বলে ৯ রান করে ক্রলি ফিরতেই বিপর্যয় নামে ইংল্যান্ডের ইনিংসে। মাত্র এক রানের ব্যবধানে ওলি পোপ (৩) ও বেন ডাকেটকে (১৯) ফিরিয়ে নাথান লায়ন ছাড়িয়ে যান গ্লেন ম্যাকগ্রার রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হন এই অফ স্পিনার। ৪২ রানেই ৩ উইকেট হারায় সফরকারীরা। এরপর জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের জুটিতে আসে ২৯ রান। তবে ১৯ রান করা রুট কামিন্সের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। ৭১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। পঞ্চম উইকেটে ব্রুক ও অধিনায়ক বেন স্টোকস যোগ করেন ৫৬ রান। ক্যামেরন গ্রিন ৪৫ রান করা ব্রুককে ফিরিয়ে দিলে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ১২৭/৫। স্টোকস ও জেমি স্মিথ মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করলেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২২ রান করা স্মিথকে কামিন্স আউট করলে ষষ্ঠ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। এরপর দ্রুত উইল জ্যাকস (৬) ও ব্রাইডন কার্স (০) ফিরলে স্কোর দাঁড়ায় ১৬৮/৮। দুটি উইকেটই নেন স্কট বোল্যান্ড। শেষদিকে জোফরা আর্চারকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন বেন স্টোকস। অবিচ্ছিন্ন ৪৫ রানের জুটিতে দ্বিতীয় দিন শেষ করে ইংল্যান্ড। স্টোকস ১৫১ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত আছেন। আর্চার ওয়ানডে মেজাজে ৪ চারে ৪৮ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় দিনে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। স্কট বোল্যান্ড ও নাথান লায়ন নেন দুটি করে উইকেট, আর একটি উইকেট পান ক্যামেরন গ্রিন।
দুই ভাগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান

দুই ভাগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলে পাকিস্তান দলের বাংলাদেশ সফরে এসে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা পাকিস্তানের। তবে আগামী ২৬ মার্চ থেকে পিএসএলের ১১তম আসর মাঠে গড়ানোর কারণে পরিবর্তন আসছে পাকিস্তান জাতীয় দলের বাংলাদেশ সফরের সূচিতে। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পিএসএলের কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সিরিজ দুই ভাগে হবে। আজ গণমাধ্যমকে ফাহিম জানান, পিএসএলের আগে বাংলাদেশ সফরে এসে শুধু সাদা বলের সিরিজ খেলে দেশে ফিরে যাবে পাকিস্তান দল। পিএসএল শেষে ফের বাংলাদেশে এসে খেলবে টেস্ট সিরিজ।
বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মিরাজ-শান্তরা

বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মিরাজ-শান্তরা ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ২৮ জানুয়ারি ভারতের বেঙ্গালুরুতে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানে নামিবিয়া এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুটো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্যই জানিয়েছেন বিসিবির অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হবে বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বে ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি, ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে টাইগারদের। তবে পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগামী আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে ভারতে যাবে বাংলাদেশ। কয়েকদিন বিশ্রাম এবং প্রস্তুতির পর ২ এবং ৪ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়া ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। তবে এই সূচি এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানিয়ে রেখেছেন ফাহিম। ক্রিকেট অপারেশন্সের আরেক সদস্য শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, বিপিএলের মধ্যে জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ বোলারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের জন্য ১ জন ফিজিও সবসময়ই কাজ করবে। যদি কারো ওয়ার্কলোড বেশি হয়ে যায়, বিসিবি ওই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বলে তাকে বিশ্রাম দেয়ার ব্যবস্থা করবে বলে জানান নাফীস। বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের এখন ব্যস্ত সূচি। আগামী প্রায় এক মাস ধরে চলবে বিপিএল। তাই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এটিই এখন বড় মঞ্চ। এই টুর্নামেন্টের পর বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে দেশেই দুই থেকে তিন দিনের জন্য ছোটখাটো একটি ক্যাম্প করার পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছেন ফাহিম।
বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তার আশ্বাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তার আশ্বাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঢাকাস্থ বিদেশি দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে কূটনীতিকদের আশ্বস্ত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আজ বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় কূটনীতিকদের জন্য আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন উপলক্ষে সরকারের গৃহীত হালনাগাদ প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সভায় জানানো হয়, নির্বাচন ঘিরে সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও কূটনীতিকদের অবহিত করা হয় এবং বিভিন্ন দেশকে পর্যবেক্ষক পাঠানোর আমন্ত্রণ জানানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রিফিংয়ে ঢাকাস্থ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪০ জন কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।
ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০

ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৪০ সারাদেশে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন। এসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪০ জন ডেঙ্গুরোগী। মারা যাওয়া ব্যক্তি ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১০ জন এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে ১ লাখ ১ হাজার ২৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩২০ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৭৭২ জন।
গুম ও হাওর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন

গুম ও হাওর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গুম ও হাওর সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে। এছাড়া বৈঠকে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে বাংলাদেশের নতুন একটি দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং। সেগুলো হলো-গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন এবং সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে বাংলাদেশের নতুন একটি দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর গুম হওয়া ব্যক্তি অন্যূন ৫ বছর ধরে গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে ট্রাইব্যুন্যাল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিসাপিয়ার্ড’ বা ‘গুম’ ঘোষণা করতে পারবে। সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল’-এর জন্য মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে পারবে। ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ট্রাইব্যুনাল আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন এবং গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা তার ওপর নির্ভরশীল পরিবারের কোনো সদস্য কমিশনের পুর্বানুমতি ব্যাতিরেকে গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। এদিকে, বাংলাদেশ হাওড় ও জলাভূমি সংরক্ষণ অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব, কর্তৃত্ব ও অধিক্ষেত্র সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। হাওর ও জলাভূমি এলাকার জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের লক্ষ্যে সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারির বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, হাওর ও জলাভূমি এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংরক্ষিত হাওর ও জলাভূমি এলাকা ঘোষণা করার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া হাওর ও জলাভূমি এলাকায় নিষিদ্ধ কার্যক্রমের বিবরণ প্রদান, নিষিদ্ধ কার্যক্রম সংঘটিত হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা এবং উক্ত অপরাধের জন্য আরোপনীয় দণ্ডের বিধান করা হয়েছে। হাওর ও জলাভূমি এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে অধিদপ্তরের মতামত গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অন্যান্য কর্তৃপক্ষ/দপ্তর/সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, স্থানীয় অংশীজনদের সম্পৃক্ততা এবং সংরক্ষণ কার্যক্রমে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিধি, প্রবিধান ও নির্দেশিকা প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী বার্নে বাংলাদেশের নতুন একটি দূতাবাস স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে বাংলাদেশের পার্মানেন্ট মিশন রয়েছে। বার্নে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেরই দূতাবাস থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের দূতাবাস না থাকায় জেনেভার পামার্নেন্ট মিশনেই এতদিন ধরে জাতিসংঘ ও দূতাবাসের কাজগুলো সম্পন্ন করা হচ্ছিল। সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী ও কৌশলগত অংশীদার। এসব বিবেচনায় নিয়ে বার্নে বাংলাদেশ দূতাবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একজন রাষ্ট্রদূত, ফার্স্ট সেক্রেটারি, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু হবে। এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৮২টি মিশন অফিস আছে। উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের অকুতোভয় যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তার বিষয়ে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান নিয়মিতভাবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, খোঁজখবর জানাচ্ছেন।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গতকাল সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন। তিনি সরাসরি হাদির চিকিৎসার দেখভাল করছেন। এছাড়া এ বছর মহান বিজয় দিবস সুন্দর ও সুচারুভাবে উদযাপনের জন্য মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
বায়ু দূষণ রোধ বাঁচাতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার ১০০ কোটি মানুষের জীবন

বায়ু দূষণ রোধ বাঁচাতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার ১০০ কোটি মানুষের জীবন দক্ষিণ এশিয়ার ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি এবং হিমালয়ের পাদদেশ (আইজিপি-এইচএফ) নামে পরিচিত অংশগুলোতে বায়ু দূষণ স্বাস্থ্য এবং উৎপাদনশীলতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ক্ষতি করছে। এটি এই অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুতর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি। এই অঞ্চলের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ অস্বাস্থ্যকর বায়ু শ্বাস নেয়, যার ফলে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয়। এর ফলে প্রতি বছর এই অঞ্চলে জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়ে থাকে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। ‘পরিবর্তনের নিঃশ্বাস: ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি এবং হিমালয়ের পাদদেশে পরিচ্ছন্ন বাতাসের সমাধান’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং বিচারব্যবস্থায় কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে, জনস্বাস্থ্যের উন্নতি করতে এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থনে অবদান রাখবে। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত আইজিপি-এইচএফ-এ বায়ু দূষণের মূল উৎস পাঁচটি। এর মধ্যে রয়েছে- রান্না ও গরম করার জন্য কঠিন জ্বালানি পোড়ানো, উপযুক্ত ফিল্টার প্রযুক্তি ছাড়াই জীবাশ্ম জ্বালানি ও জৈববস্তুপুঞ্জ পোড়ানো, অদক্ষ অভ্যন্তরীণ দহন যানবাহন ব্যবহার করা, কৃষকদের ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানো এবং অদক্ষভাবে সার ও সার ব্যবস্থাপনা করা, এবং পরিবার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্জ্য পোড়ানো। প্রতিবেদনে এমন কিছু সমাধান তুলে ধরা হয়েছে, যা সহজেই গ্রহণ করা এবং এর ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে- বৈদ্যুতিক রান্না; শিল্প বয়লার, চুল্লি এবং ইটভাটার বিদ্যুতায়ন এবং আধুনিকীকরণ; অ-মোটরচালিত এবং বৈদ্যুতিক পরিবহন ব্যবস্থা; উন্নত ফসলের অবশিষ্টাংশ এবং পশুপালনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা; এবং উন্নত বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার এবং নিষ্কাশন। প্রতিবেদনে পরিচ্ছন্ন-বাতাস সমাধানগুলোকে তিনটি পারস্পরিকভাবে তিনটি ক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, রান্না, শিল্প, পরিবহন, কৃষি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তাদের উৎসে নির্গমন হ্রাস করে এমন হ্রাস সমাধান। দ্বিতীয়ত, সুরক্ষা ব্যবস্থা যা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে, যাতে পরিষ্কার বাতাসে রূপান্তরের সময় শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলো সুরক্ষিত থাকে। তৃতীয়ত, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, বাজার-ভিত্তিক উপকরণ এবং আঞ্চলিক সমন্বয় দ্বারা সমর্থিত শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যা সময়ের সাথে সাথে বহু-ক্ষেত্র এবং বহু-বিভাগীয় অগ্রগতি বজায় রাখে। বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ অর্থনীতিবিদ মার্টিন হেগার বলেন, “এই প্রতিবেদন থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সমাধানগুলো নাগালের মধ্যেই রয়েছে এবং নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য সমন্বিত, সম্ভাব্য এবং প্রমাণ-ভিত্তিক সমাধানগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি বাস্তব রোডম্যাপ প্রদান করে। দক্ষিণ এশীয় উদ্যোগ, পরিবার এবং কৃষকদের জন্য পরিষ্কার প্রযুক্তি এবং অনুশীলন গ্রহণের জন্য এবং সরকারগুলোকে তাদের সমর্থন করার জন্য শক্তিশালী আর্থিক ও অর্থনৈতিক যুক্তি রয়েছে।” সমাধানগুলো কার্যকর করতে দেশগুলোকে সহায়তা করতে প্রতিবেদনটি ‘চারটি-আই’ এর উপর জোর দেয়। সেগুলো হলো:- ইনফরমেশন (তথ্য): পরিকল্পনা এবং জবাবদিহিতার জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহ করে এমন তথ্য। ইনসেনটিভ (প্রণোদনা): পরিষ্কার বিকল্পগুলোর দিকে আচরণগত এবং বিনিয়োগ স্থানান্তরকে উৎসাহিত করে এমন প্রণোদনা। ইন্সটিটিউশন (প্রতিষ্ঠান): এমন প্রতিষ্ঠান যা কর্মের সমন্বয় সাধন করে, সম্মতি নিশ্চিত করে এবং জাতীয় ও স্থানীয় বাস্তবায়নকে সংযুক্ত করে। ইনফ্রাস্ট্রাকচার (অবকাঠামো): আধুনিক ও দক্ষ শিল্প কার্যক্রমের সাথে পরিচ্ছন্ন শক্তি, পরিবহন এবং বর্জ্য ব্যবস্থা সক্ষম করে এমন অবকাঠামো। দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ বিষয়ক বিশ্বব্যাংকের অনুশীলন ব্যবস্থাপক অ্যান জিনেট গ্লোবার বলেন, “পরিচ্ছন্ন বায়ু অর্জনের জন্য স্থানীয়, জাতীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে অব্যাহত সহযোগিতা, টেকসই অর্থায়ন এবং শক্তিশালী বাস্তবায়ন প্রয়োজন। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে, সরকারগুলো দূষণ কমাতে, লাখ লাখ জীবন বাঁচাতে এবং সকলের জন্য পরিষ্কার বায়ু সরবরাহ করার এই পথ অনুসরণ করতে পারে।