নাচোলে আগুনে পুড়ে মরেছে ৫ গবাদিপশু : দিশেহারা কৃষক

নাচোলে আগুনে পুড়ে মরেছে ৫ গবাদিপশু : দিশেহারা কৃষক নাচোল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পুকুরপাড়া মহল্লায় আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ২টি গরু, ৩টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। এছাড়াও ২০ মণ গম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক ওবায়দুর রহমান। গতকাল দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। মশা তাড়ানোর জন্য গোয়ালঘরে দেওয়া কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা গেছে। কৃষক ওবায়দুর রহমান জানান, সোমবার সন্ধ্যায় টিনশেড গোয়ালঘরে ২টি গরু, ৩টি ছাগল ও মুরগি রেখে নিরাপদ স্থানে মশা তাড়ানোর কয়েল জ্বালিয়ে রেখে ঘুমিয়ে যাই। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরের দিকে গেলে গবাদিপশুগুলোকে মরে পড়ে থাকতে দেখতে পাই। গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটায় আমরা কেউ টের পাইনি। এ ঘটনায় প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ওবায়দুর রহমান।
ওজন কমাবে ৩ ডাল!

ওজন কমাবে ৩ ডাল! প্রোটিন, ভিটামিন এবং প্রয়োজনীয় খনিজে ভরপুর ডাল অত্যন্ত উপকারী। রক্তাল্পতা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এই দানাশস্য খুবই উপকারী। কিন্তু জানেন কি ৩ ধরনের ডাল ওজন কমাতেও কার্যকর! ছোলার ডাল ছোলার ডালে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স। ফলে দেহ সুস্থ থাকে। কর্মক্ষমতা বাড়াতেও ছোলার ডালের গুরুত্ব অত্যন্ত। এক রান্না করা ছোলার ডাল সারা দিনের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের ৩৩ শতাংশ অবধি প্রয়োজন পূরণ করে। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরা ছোলার ডাল হৃদযন্ত্রের জন্যেও ভালো। ইনফ্লেম্যাশন কমিয়ে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে ছোলার ডাল। অড়হর ডাল এক কাপ রান্না করা অড়হর ডাল সারা দিনের প্রয়োজনীয় প্রোটিনের ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ অবধি প্রয়োজন রক্ষা করে। অড়হর ডালে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বা জিআইয়ের মাত্রা কম। ফ্যাটের পরিমাণও কম। অন্যদিকে প্রোটিন ও ফাইবারের মাত্রা বেশি। এই ডাল খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকার অনুভূতি হয়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা বন্ধ হয়। ওজন নিয়ন্ত্রিত থাকে। মসুর ডাল মসুর ডালে আছে ২৬ শতাংশ প্রোটিন। এক কাপ রান্না করা মসুর ডালে আছে ১৯ গ্রাম প্রোটিন। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রয়োজনীয় প্রোটিনের ৩১ শতাংশ অবধি পূর্ণ করে।
আলিফের হাত ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিরল বাংলাদেশের আর্চারি

আলিফের হাত ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফিরল বাংলাদেশের আর্চারি এ বছর আন্তর্জাতিক আর্চারিতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ধরা দেয়নি বাংলাদেশের। একের পর এক আসরে হতাশাই সঙ্গী হয়েছে। তবে সেই হতাশার বৃত্ত ভেঙে আশার আলো দেখালেন আব্দুর রহমান আলিফ। সিঙ্গাপুরে চলমান এশিয়া কাপ আর্চারি (লেগ-২)-এর রিকার্ভ পুরুষ এককে ফাইনালে উঠেছেন এই বাংলাদেশি আর্চার। এর মাধ্যমে একটি পদক নিশ্চিত হয়েছে দেশের। আজ সেমি-ফাইনালে চাইনিজ তাইপের চেন পিন-আনকে ৬-২ সেট পয়েন্টে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন আলিফ। স্বর্ণজয়ের লড়াইয়ে তিনি শুক্রবার মুখোমুখি হবেন জাপানের মিয়াতা গাকুতোর। এশিয়া কাপে আলিফের শুরুটা হয়েছিল ‘বাই’ পেয়ে। এরপর চীনের আথলেট আলিনকে ৬-২ ব্যবধানে হারিয়ে পৌঁছান শেষ ৩২-এ। পরের রাউন্ডে মালয়েশিয়ার মুহাম্মাদ শাফিকের বিপক্ষে জয় আসে ৬-৪ সেটে। কোয়ার্টার ফাইনালে চাইনিজ তাইপের লি কাই-ইয়েনকে ৭-৩ ব্যবধানে হারিয়ে পৌঁছে যান সেমিতে। সেমি-ফাইনালে আলিফের শুরুটা ছিল দারুণ। প্রথম সেটে ২৬-২৫ পয়েন্টে জয় পেলেও পরের দুটি সেটে ২৮-২৭ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। তবে চতুর্থ সেটে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২৯-২৫ ব্যবধানে জয় এনে সমতায় ফেরান তিনি। নির্ধারক পঞ্চম সেটে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ২৮-২৭ পয়েন্টে জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করেন আলিফ। এই সাফল্যের মাধ্যমে শুধু ব্যক্তিগত নয়, দেশের আর্চারিতেও নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিলেন তরুণ এই আর্চার।
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ২৬হাজার ১০৯ হাজি

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ২৬হাজার ১০৯ হাজি পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে গতকাল রাত পর্যন্ত ২৬ হাজার ১০৯ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৯৫ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ২১ হাজার ৫১৪ জন দেশে ফিরেছেন। আজ হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৮ হাজার ৭১৪, সৌদি পতাকাবাহী সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ১০ হাজার ৬১৫ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৬ হাজার ৭৮০ জন দেশে ফিরেছেন। মোট ৬৬টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ২২টি ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের, ২৭টি সাউদিয়ার এবং ১৭টি ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের। এখন পর্যন্ত ৩২ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী। এদের মধ্যে ২১ জন মক্কায়, ১০ জন মদিনায় এবং ১ জন আরাফায় মারা গেছেন।সৌদি আরবের সরকারি হাসপাতালগুলো এ পর্যন্ত ২৫৬ জন বাংলাদেশিকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। এদের মধ্যে এখনো ২৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।গত ২৯ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটের মাধ্যমে এ বছরের হজ কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৩১ মে শেষ হয়। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার কার্যক্রম ১০ জুন শুরু হয়েছে এবং তা ১০ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ২৪৪

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ২৪৪ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩৮ জনই বরিশাল বিভাগের। যদিও আজ ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি। এর আগের দিন সোমবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুশুণ্য দিনে এবং আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৩৪ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি মাসের ১৭ দিনে মোট মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ১২১ জন। আর সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৬ হাজার ৪৬৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ নারী। এছাড়া এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩০ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২০৯ জন ডেঙ্গুরোগী। আর এ বছর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৮ জন। এর আগের বছর ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মারা গেছেন ৫৭৫ জন।
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ১৫৮ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ১৫৮ বাংলাদেশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় ১৫৮ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি অভিবাসী লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন।আজ সকালে লিবিয়ার ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। প্রত্যাবাসনকৃত এসব বাংলাদেশি নাগরিককে অবতরণের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।
শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরিতে গলে বাংলাদেশের হাসি

শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরিতে গলে বাংলাদেশের হাসি ৪৫ রানে তিন উইকেটের পতন, তখন মাত্র ১৭ ওভারের খেলা শেষ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর টস জিতে ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কি তবে ভুল? দিনের শুরুতে তা মনে হলেও শেষে এসে সঠিকই মনে হচ্ছে। মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে শান্ত নিজেই যে দলের বৈঠা চালালেন। দুজনের সেঞ্চুরিতে ভর করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টের প্রথম দিন শেষে হাসছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৯২। শান্ত ১৩৬ ও মুশফিক ১০৫ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম সেশন থেকে দুজনের পথচলা শুরু। কেউই ছাড়েননি হাল। শেষ সেশনে এসে শান্ত-মুশফিক দুজনেই পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। ২০২ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন শান্ত। চার দিকে সমালোচনা চলতে থাকা এই ব্যাটার মেতে ওঠেন বুনো উল্লাসে। এটি তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১১টি চার ও ১টি ছয়ের মারে সাজানো ছিল দুর্দান্ত ইনিংসটি। শান্তকে অনুসরণ করে যেন মুশফিকও তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বাদশ শতক। ১৭৬ বলে পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। মাত্র ৫টি চারে মুশফিকের সেঞ্চুরি বলে দিচ্ছে কতটা দৃঢ়তার সঙ্গে খেলছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া শান্ত-মুশফিকের জুটি থেকে আসে ৪৪৩ বলে ৪৭ রান। অথচ দিনের শুরুটা ছিল বাজে। এনামুল হক বিজয় ফেরেন ১০ বলে শূন্য রানে। তার আউটের পর ক্রিজে ওপেনার সাদমান ইসলামের সঙ্গী হন মুমিনুল হক। দুজনে আভাস দেন ঘুরে দাঁড়ানোর। কিন্তু বেশিদূর যেতে পারেননি। দেখে শুনে খেলতে থাকা সাদমান ৫৩ বলে ১৪ রানে বিদায় নিলে ভাঙে ৩৪ রানের জুটি। সাদমানের বিদায়ের পরই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এবার বিদায় নেন ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করতে থাকা ব্যাটার মুমিনুল হক। চারটি চারের মারে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ বলে ২৯ রান। এরপরের গল্প শুধু শান্ত-মুশফিকের। লঙ্কান পেসারদের মুভমেন্টকে মামুলি বানিয়ে প্রথম সেশনে আর কোনো উইকেট দেননি দুজনে। প্রথম সেশনে বাংলাদেশ পায় ৩ উইকেটে ৯০ রান। দ্বিতীয় সেশনে বিনা উইকেটে ৯২ রানের পর তৃতীয় ও সেশনে আসে ১১০ রান তোলে। লংকানদের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন তারিন্দু রত্নায়েকে। ১ উইকেটের দেখা পান আসিথা ফার্নান্দো।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ১৪ বছরের কিশোর সিহাব হ*ত্যা মামলায় ২ জনের যা*বজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ১৪ বছরের কিশোর সিহাব হ*ত্যা মামলায় ২ জনের যা*বজ্জীবন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যাটারীচালিত একটি রিক্সাভ্যান কেড়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে ১৪ বছরের কিশোর সিহাবকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দায়ের একটি মামলায় ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে উভয়কে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। আজ বিকেল পৌনে ৪টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ মিজানুর রহমান আসামীদের উপস্থিতিতে দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডিতরা হলেন- গোমস্তাপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ছোটদাদপুর গ্রামের আফজাল হোসেন ওরফে আবজাল মন্ডলের ছেলে আব্দুল হাকিম ওরফে হাকিম আলী এবং শিবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর কর্নখালী গ্রামের সুজন আলী। একই মামলায় গোমস্তাপুরের কাশিয়াবাড়ি আলমপুর গ্রামের মৃত তফের আলীর ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন নামে অপর এক আসামীকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। নিহত সিফাত গোমস্তাপুরের পার্বতীপুর ইউনিয়নের ধলখেরৈ গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীব (পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২০ সালের ৩১ আগষ্ট বিকালে বাড়ি থেকে ভাড়ার জন্য ভ্যান নিয়ে বের হয় সিফাত। কিন্তু ওইদিন সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খুঁজেও তার সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পরদিন ১ সেপ্টেম্বর গোমস্তাপুর থানায় নিখোঁজ ডায়রী করেন সিফাতের বাবা। এরপর পুলিশ সিফাতকে খুঁজতে শুরু করে এবং ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হাকিম ও সুজনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা পরিকল্পিতভাবে ভ্যান কেড়ে নেবার জন্য সিফাতকে ৩১ আগষ্ট রাতেই গলায় পরনের গেঞ্জি পেঁচিয়ে শ^াসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরদিন ২ সেপ্টেম্বর ভোররাতে গোমস্তাপুরের রাধানগর ্ ইউনিয়নের যাতাহারা বাজার এলাকায় সড়ক থেকে ৩ শত গজ ভেতের একটি আখক্ষেতের মধ্যে থেকে সিফাতের মরদেহ উদ্ধার হয়। কেড়ে নেয়া ভ্যান উদ্ধার হয় মোয়াজ্জেমের বাড়ি থেকে। এ ঘটনায় ওইদিন সিফাতের বাবা গোমস্তাপুর থানায় ৩ জনকে আসামী করে মামলা করেন। ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এবং গোমস্তাপুর থানার তৎকআলীন পরিদর্শক মিজানুর রহমান ওই ৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। ২৮ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মঙ্গলবার হাকিম ও সুজনকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন এবং মোয়াজ্জেমকে খালাস দেন। আসামীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড. গোলাম মোস্তফা এবং অন্যরা।
গোমস্তাপুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে টেউটিন ও অর্থ বিতরণ

গোমস্তাপুরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে টেউটিন ও অর্থ বিতরণ গোমস্তাপুরে অগ্নিকা-সহ প্রাকৃতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে টেউটিন,শুকনো খাবার ও অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এইগুলো বিতরণ করা হয়। গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী প্রধান অতিথি থেকে উপকারভোগী মধ্যে এসব বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলিম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজমসহ উপকারভোগীরা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের কর্তৃক উপজেলার ১৫ জন উপকারভোগীকে ২ বান্ডিল টেউটিন, এক বস্তা শুকনো খাবার ও ৩ হাজার টাকা করে চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ৯টি অগ্নিকা-, ৩টি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত, ১টি করে অসহায় গরীব ও দুস্থ বিধবা পরিবার রয়েছে।
জীবনে ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ কীভাবে বাড়াবেন

জীবনে ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ কীভাবে বাড়াবেন কারও জীবনে যদি ‘অ্যাটেনশন স্প্যান’ বা মনোযোগের সময়কাল খুব শর্ট বা ছোট হয় তাহলে তার প্রকৃত জ্ঞান বাড়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম। আমাদের অ্যাটেনশন স্প্যান কমিয়ে দেওয়ার পেছনে কয়েকটি অভ্যাস দায়ী। যেগুলো জীবনের জন্যও টক্সিক ভূমিকা পালন করে। ১. ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে ফোন ব্যবহার করা। এটা খুবই খারাপ অভ্যাস। দিনের প্রথম ও শেষ এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা উচিত। ২. দ্বিতীয় ধ্বংসাত্মক অভ্যাস হচ্ছে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ না করেই ওষুধ সেবন করা। নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ সেবন করলে অসুখ কমার বদলে বেড়ে যেতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা ছাড়াই ওষুধ সেবনের ফলে হয়তো অসুখের উপসর্গগুলো কমে যাবে কিন্তু মূল সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। প্রত্যেক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যদিও এতে টাকা কম ব্যয় হয় কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে শরীর খারাপ হয়ে যেতে পারে। ৩. শর্ট ফর্ম সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট দেখাও একটি খারাপ অভ্যাস। যত ছোট কনটেন্ট,ততটাই ইউজলেস। যত ছোট কনটেন্ট ডোপামিন হরমোন লেভেলের জন্য ততবেশি ক্ষতিকর। দিনে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিতে পারেন। খুব প্রয়োজন না হলে এর বেশি সময় দেবেন না। যদি আপনি আপনার জীবনের লক্ষ্য সেট করে থাকেন, স্বপ্ন সেট করে থাকেন তাহলে সেই স্বপ্ন তাড়া করতে সময় ব্যয় করুন। ৪. অতিরিক্ত ভোগের অভ্যাস আপনাকে লাইফে এগোতে দেবে না। একজন বন্দির সময় যেভাবে বন্দি অবস্থায় কেটে যায়, আপনার সময়ও ওভাবে কেটে যাবে। খুব বেশি খাওয়া বা খুব ঘন ঘন খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। নিজের দিনটাকে ভালোভাবে সাজিয়ে তুলুন। দিনের দশ শতাংশ সময় ভোগের জন্য ব্যয় করতে পারেন। আর দিনের ৯০ শতাংশ সময় আত্মচিন্তা ও উৎপাদন কাজে ব্যায় করুন। ৫. জানেন তো- শর্ট অ্যাটেনশনের অভ্যাস সবচেয়ে খারাপ। অথচ এই সিস্টেমের মধ্যেই আমরা বসবাস করছি। ধরুন আপনি ধনী হতে চান, আপনার উচিত-কীভাবে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠানগুলো-রিজার্ভ ব্যাংকগুলো কাজ করে এবং কারা এর মালিক। তাদের সম্পর্কে জানা। যে বিষয়গুলো একটি টিকটক ভিডিওতে শর্ট অ্যাটেনশন স্প্যানে পাওয়া সম্ভব নয়।