চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাববিস্তারকারী স্টেকহোল্ডার-অংশীজনদের সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার বিষয়ে; স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাববিস্তারকারী স্টেকহোল্ডার-অংশীজনদের সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনুরা মিশন মাঠে “বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাববিস্তারকারী স্টেকহোল্ডার-অংশীজনদের সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এনএজিআর-ন্যাশনাল এজেন্সি ফর গ্রিণ রিভ্যুলেশন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্টেফান সরেন এর সভাপতিত্বে এই সংলাপ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, ইউনিসেফ স্ট্রেংদেনিং সোশাল এন্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার উত্তম মন্ডল, আমনুরা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কুদরত-ই-খুদা, ৩নং ঝিলিম ইউপি মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ পারভেজ, মহিলা মেম্বার মোসাঃ জোহরা বেগম, ও মেম্বার মোঃ বাদশা, এফএইচ এসোশিয়েশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া ম্যানেজার রিপন কিস্কু প্রমুখ।   সংলাপ ও মতবিনিময় সভায় ৩নং ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের ছয়টি গ্রামের দেড়শতাধিক স্থানীয় জনগণ অংশগ্রহন করেন। সংলাপ ও মতবিনিময়ে স্থানীয় জনগন সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে তাদের বিধবা ভাতা, দুঃস্থ ও অসহায়দের বিভিন্ন সুবিধা এবং দরিদ্র আদিবাসী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা কিভাবে পাওয়া যায় সে সম্পর্কে কথা বলেন। এছাড়াও সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কাছে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সভায় প্রধান অতিথি কাঞ্চন কুমার দাস একজন বিধবা দুস্থ মাতা ও একজন প্রতিবন্ধি বয়স্ক মহিলাকে তাদের সমস্যার কথা শুনে আশু ভাতা প্রদানের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আশ্বাস দেন। এছাড়াও তিনি সকলকে বাল্যবিবাহ বন্ধ এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করার জন্য শপথ করান। এই “বাল্যবিবাহ এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধ করার বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাববিস্তারকারী স্টেকহোল্ডার/অংশীজনদের সাথে সংলাপ ও মতবিনিময় সভাটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা, এনএজিআর – ন্যাশনাল গ্রিণ রিভ্যুলেশন সংস্থা, ও ইউনিসেফ স্ট্রেংদেনিং সোশাল এন্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর যৌথ আয়োজনে সম্পন্ন হয়। এনএজিআর প্রোগ্রাম ম্যানেজার প্রদীপ হেমব্রমের সঞ্চালনা এই মতবিনিময় সভায় আরও অংশগ্রহন করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশা শ্রেণির জনগণ ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাজশাহী-ঢাকা পর্যন্ত চলা ৪ আন্ত:নগর ট্রেনের রুট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার দাবিতে; পরপর দুদিন রেলপথ অবরোধের ডাক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাজশাহী-ঢাকা পর্যন্ত চলা ৪ আন্ত:নগর ট্রেনের রুট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার দাবিতে; পরপর দুদিন রেলপথ অবরোধের ডাক রাজশাহী-ঢাকা পর্যন্ত চলাচলকারী ৪টি আন্ত:নগর ট্রেন সিল্কসিটি, পদ্মা, ধুমকেতু ও মধুমতি’র রুট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার দাবিতে রেলপথ অবরোধ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটফর্মে মানববন্ধন, অবস্থান ও জেলা প্রশাসককে স্মারককলিপি প্রদান কর্মসূচী’র ডাক দিয়েছে দুটি সংগঠন। সংগঠন দুটি হচ্ছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর জেলা শাখা এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি,ঢাকা। আগামীকাল সুজন এবং পরদিন ১৫ মে বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি, ঢাকা পরপর দুদিন নিজ নিজ কর্মসূচী পালন করবে বলে জানিয়েছেন দুই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ফলে পরপর দুদিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে রেলপথ অবরোধ করা হবে। বিভিন্ন সংগঠন, মহল সহ নানা শ্রেণী পেশার সাধারণ মানুষও এসব কর্মসূচীতে সাড়া দিয়েছে। কর্মসূচী সফল করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবাদ সম্মেলন,চলছে মাইকিং, গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা। নেতৃবৃন্দ বলছেন, বর্তমানে ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত চলাচলকারী পাঁচটি আন্ত:নগর ট্রেনের মধ্যে একমাত্র বনলতা চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত চলে। অথচ নাগরিক কমিটি সহ বিভিন্ন মহল দীর্ঘদিন থেকে সকল ট্রেনই চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চালাানোর দাবিতে আন্দোলন করছে। অথচ দাবিটি পূরণ না হওয়ায় ২৫ লক্ষাধিক জনসংখ্যার জেলাবাসীকে বিভিন্ন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আম সহ বিভিন্ন দিকে সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনার জেলাবাসী নিরাপদ আধুনিক যোগাযোগ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আগামীকাল কর্মসূচীর ব্যাপারে সুজন জেলা সম্পাদক মনোয়ার হোসেন বলেন, গত ৭ মে সুজন সকল ট্রেন চালুসহ ৮ দফা দাবিতে মানবন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচী পালন করে। দাবি পূরণে দেয়া হয় ৭ দিনের আল্টিমেটাম। কিন্তু এ ব্যাপারে সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সুনিদিষ্ট আশ^াস না মেলায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় রেল স্টেশনে মানববন্ধন ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচী পালন করা হবে। এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি,ঢাকার সাধারণ সম্পাদক এড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত চলা সকল আন্ত:নগর ট্রেনের রুট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পর্যন্ত বর্ধিত করার দাবিতে রেলওয়ে ষ্টেশনে অবস্থান,শান্তিপূর্ণ রেলপথ অবরোধ ও জেলা প্রশাসককে স্মারলিপি প্রদান কর্মসূচীর ব্যাপারে আগামীকাল দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করা হবে। পরে ১৫ মে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কর্মসূচী পালন করা হবে।

পুশইন বন্ধে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা

পুশইন বন্ধে দিল্লিকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের পুশইনের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে দি‌ল্লি‌কে কূটনৈতিক পত্র দিয়েছে ঢাকা। গত ৯ মে পত্রটি দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র। পত্রে বলা হয়, পুশইনের পদক্ষেপ গভীর উদ্বেগের, যা চূড়ান্তভাবে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলছে এবং জনমনে নেতিবাচক মনোভাবও তৈরি করছে।পুশইনের পদক্ষেপ ১৯৭৫ সালের যৌথ ভারত-বাংলাদেশ নির্দেশিকা, সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (সিবিএমপি) ২০১১ এবং বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের আলোচনায় দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্মত সিদ্ধান্তের পরিপন্থী। চিঠিতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তির বাংলাদেশি নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বিদ্যমান প্রক্রিয়া মেনে বাংলাদেশ তাদের ফেরত নেবে। এর ব্যত্যয় হলে দুই দেশের বোঝাপড়ার মধ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশের পরিবর্তে তাদের আদি নিবাস মিয়ানমারেই ভারতের ফেরত পাঠানো উচিত। কোনোভাবে ভারতীয় নাগরিকদের জোর করে বাংলাদেশে পুশইন করাটা উচিত হবে না। বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে এ ধরনের পুশইন অগ্রহণযোগ্য এবং তা পরিহার করা উচিত বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এর আগে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান জানান, ভারত থেকে এভাবে পুশইন করা সঠিক প্রক্রিয়া নয়। সে দেশে কোনো বাংলাদেশি থাকলে তাদের ফরমাল চ্যানেলে পাঠাতে হবে। গত ৭ মে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ি সীমান্ত দিয়ে ৬৬ জন ভারতীয় নাগরিক এবং কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে আরও ৩৬ জন রোহিঙ্গাকে পুশইন করা হয়। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৯ মে ভোরে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া চরে ৭৮ জনকে রেখে যায়।

ব্যস্ত জীবনে কেন দরকার স্লো লিভিং?

ব্যস্ত জীবনে কেন দরকার স্লো লিভিং? জীবন যেন দৌড়ে চলছে। সকাল থেকে রাত-মিটিং, ক্লাস, যানজট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা। এসবের ভিড়ে নিজের জন্য একটু সময় রাখাও যেন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক এমন সময়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এক নতুন জীবনদর্শন ‘স্লো লিভিং’। শব্দটির অর্থই বলে দেয়, জীবনকে একটু ধীরে উপভোগ করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরণটি কেবল ধীরে কাজ করা নয়, বরং প্রতিটি কাজকে মন দিয়ে করা। দ্রুততার চাপে আমরা অনেক কিছুই মিস করি-যেমন প্রিয় মানুষের হাসি, সকালের রোদ, বিকেলের বাতাস কিংবা চায়ের কাপের গন্ধ। স্লো লিভিং-এর প্রভাব যেভাবে পড়ে আমাদের প্রতিদিনের জীবনে-জীবনযাপনে স্ট্রেস কমে: নিয়মিত সময় নিয়ে কাজ করলে মস্তিষ্কে চাপ কম পড়ে। ঘুম ভালো হয়: ব্যস্ততা কমালে ঘুমের মান বাড়ে। সম্পর্ক মজবুত হয়: কাছের মানুষদের জন্য সময় পাওয়া যায়। সৃজনশীলতা বাড়ে: মন হালকা থাকলে চিন্তা পরিষ্কার হয়। কীভাবে শুরু করবেন? দিনে অন্তত ৩০ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। খাবার সময় ফোন দূরে রাখুন। মৃদু গানের সঙ্গে সকালে হাঁটার চেষ্টা করুন। ‘না’ বলতে শিখুন, সবকিছুতেই হ্যাঁ বলা জরুরি নয়। জীবন একবারই পাওয়া যায়। কাজ, দায়িত্ব আর প্রতিযোগিতার মধ্যেও দরকার একটু থেমে নিজের দিকে ফিরে তাকানো। তাই মাঝে মাঝে গতি কমান, নিঃশ্বাস নিন, আর উপভোগ করুন জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো।

গরমে বাড়ছে জ্বর-অসুস্থতা, সুস্থ থাকতে করণীয়

গরমে বাড়ছে জ্বর-অসুস্থতা, সুস্থ থাকতে করণীয় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। এই আবহাওয়ায় শরীর খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেকেই জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, খাবারে অরুচি ও পানিশূন্যতায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, গরমকালীন এই সময়টিতে শরীর থেকে দ্রুত ঘামের মাধ্যমে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, দেখা দেয় হালকা জ্বর বা ভাইরাল ইনফেকশন। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং যারা আগে থেকেই দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। এই সময়ে সচেতন না হলে সাধারণ ঠান্ডা ও জ্বর থেকেও বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য তারা পরামর্শ দিয়েছেন—প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি ও তরল পান করতে, হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খেতে, আর বাইরের ভাজাপোড়া খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে। জ্বর বা দুর্বলতা দেখা দিলে বিশ্রাম নিতে হবে। হালকা খাবার খেতে হবে বারবার করে। পাতলা স্যুপ, ডাবের পানি, লেবু শরবত, ওআরএস এসব শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে সাহায্য করে। গরমে অতিরিক্ত ঘাম হলে দিনে দুইবার গোসল করাও উপকারী। এই সময় হালকা রঙের সুতির পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি দুপুর ১২টা থেকে ৪টার মধ্যে রোদে বের না হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি বের হতেই হয়, তাহলে ছাতা, সানগ্লাস, টুপি এবং পর্যাপ্ত পানি সঙ্গে রাখতে হবে। গরমে জ্বর বা ক্লান্তি তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে বা অতিরিক্ত দুর্বলতা, বমি, মাথা ঘোরা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, চোখ বসে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এসবই পানিশূন্যতার লক্ষণ। আর বাড়ির ছোট সদস্য ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নে রাখারও তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বড় বিনিয়োগ পাওয়ার আশায় মধ্যপ্রাচ্য সফরে ট্রাম্প

বড় বিনিয়োগ পাওয়ার আশায় মধ্যপ্রাচ্য সফরে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড আজ ট্রাম্প সৌদি আরবে যাচ্ছেন। এই সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যাবেন।হোয়াইট হাউস বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের এবারের সফর ঐতিহাসিক। এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সির প্রথম কোনো সরকারি রাষ্ট্রীয় সফর। ট্রাম্পের এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি আঞ্চলিক ইস্যুতে কূটনৈতিক অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করবেন, যার মধ্যে রয়েছে গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং সৌদি আরব-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ সংক্রান্ত আলোচনা। সৌদি আরবে ট্রাম্পের লক্ষ্য হলো মার্কিন শিল্পখাতে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। এই অঙ্ক সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের আগের ঘোষিত ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির তুলনায় অনেক বেশি। মধ্যপ্রাচ্য সফরে ইসরায়েলকে তালিকায় রাখছেন না ট্রাম্প। অবশ্য এ সিদ্ধান্তে কিছু মহলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সৌদি আরব থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক কিম্বারলি হ্যালকেট জানান, মঙ্গলবার সকালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পৌঁছালে ট্রাম্পকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা জানানো হবে। ইস্তাম্বুলের জাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামি আল-আরিয়ান বলছেন, ট্রাম্প এই সফরের মাধ্যমে তিন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে এবং তাদের কাছ থেকে অন্তত দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে চাচ্ছেন।

শিবগঞ্জ চকপাড়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৯৯টি ক*ক*টেল ও ৪০টি পে*ট্রোল*বো*মা উদ্ধার

শিবগঞ্জ চকপাড়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৯৯টি ক*ক*টেল ও ৪০টি পে*ট্রোল*বো*মা উদ্ধার শিবগঞ্জ উপজেলার চকপাড়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি’র অভিযানে ৯৯টি ককটেল এবং ৪০টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয় নি। বিজিবি জানায়, আজ দুপুর ২টার দিকে চকপাড়া সীমান্তের আওতাধীন এলাকায় বাংলাদেশের প্রায় এক কিলোমিটার অভ্যন্তরে কয়লাবাড়ি কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সোনা মসজিদগামী মহাসড়কের উপর অভিযান চালায় চকপাড়া বিওপি’র একটি টহল দল। এ সময় টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মহাসড়কের উপর দুটি আম বহনকারী ঝুড়ি (ক্রেট) ফেলে পালিয়ে যায় কতিপয় ব্যাক্তি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা ওই ঝুড়িগুলো ট্রাকে করে কোথাও পরিবহন করত। পরে টহল দল ঝুড়িগুলো তল্লাশী করে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯৯টি ককটেল এবং ৪০টি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করে। আজ সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়ন-৫৯ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া অভিযানটি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে ওই ঝুড়ি দু’টিতে ৯৯টি ককটেল এবং ৪০টি পেট্রোল বোমা বহন করছিল এবং সেগুলি কোথায় নেয়া হত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করে আইনের আওতায় আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান অধিনায়ক কিবরিয়া।

বাল্যবিবাহ এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাব বিস্তারকারী স্টেক হোল্ডার ও অংশীজনদের সাথে সংলাপ

বাল্যবিবাহ এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি প্রভাব বিস্তারকারী স্টেক হোল্ডার ও অংশীজনদের সাথে সংলাপ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ বন্ধ, শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা এবং বাল্যবিবাহ মুক্তকরণে আলোচনা ও করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও পরিকল্পনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার যুগী ডাইং এর এসডিএস ফাউন্ডেশন এর সম্মেলন কক্ষে, এসএসবিসি প্রকল্পের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্বাস্থ্য ও সমাজকর্মী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি শিশু ও যুব সমাজের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি মোঃ মতিউর রহমান, সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উত্তম মন্ডল, রেডিও মহানন্দার সহকারী স্টেশন ম্যানেজার মোঃ রেজাউল করিম, ইসপেস এর ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান আলী, মাওলানা মোঃ বেলাল উদ্দিন-শিক্ষক, গণশিক্ষা কার্যক্রম ও আবদুর রহিমসহ অন্যান্যরা। আলোচনা ও পরিকল্পনামূলক সভায় অতিথিরা বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সংহিসতা বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরো জোরদার করার আহ্বান জানান। এই সময়ে বাল্য বিয়ে নিরোধ আইন, কারণ ও প্রতিরোধ, বন্ধে অভিভাবক ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের একসাথে করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করা হয় এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ গ্রাম ও ওয়ার্ডকে বাল্যবিবাহ মুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন । এছাড়াও রেডিও মহানন্দার সহকারী স্টেশন ম্যানেজার রেজাউল করিম বাল্য বিয়ে, শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ে রেডিও মহানন্দার কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি শিশুর নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তুলে ধরে বলেন -আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শিশুর বিয়ে না দিয়ে তাকে লেখাপড়া করিয়ে তার ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন। অনুষ্ঠানে সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক উত্তম মন্ডল -বাল্য বিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের সাথে সাথে টিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্ব টিকা দান সপ্তাহ ২৪ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৫ শুরু হয়েছে ঠিক সময়ে শিশুর প্রতিটি টিকা নিশ্চিত করুন। টিকা শিশুর জীবন বাচাই, নির্ধারিত দিন তারিখ এর আগে টিকা না দিলে তাকে অকার্যকর ডোজ বলে। অকার্যকর ডোজে শিশুর টিকা প্রাপ্তি সম্পূর্ণ হয় না এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাহত হয়। যে সকল শিশুরা জন্মের পর থেকে দুই বছর বয়সের মধ্যে এখনো টিকা গ্রহণ করেনি নিকটস্থ স্বাস্থ্য টিকা দান কর্মীর সাথে যোগাযোগের আহব্বান জানান। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন টিকা শিশুর জীবন বাঁচায়, শিশুর সুস্থ সুন্দর আগামীর জন্য টিকা দেওয়া নিশ্চিত করি এবং কার্যকর টিকা গ্রহণে সচেতন হই।

আগামী রবিবার ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী রবিবার ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী রবিবার দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ইসহাক দারের সফরকালে বেশ কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিষয় চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসস’কে জানিয়েছেন, ‘কয়টি চুক্তি সই হবে তা সেটি এখনো নিশ্চিত নয়, তবে একাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।’ এই সফরকে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যা বিগত ১৩ বছরের মধ্যে কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সফর। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দুই দেশের সম্পর্কের অচলাবস্থা নিরসনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার জন্য এই সফরকে কূটনীতিকরা একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

মার্চে সড়কে ঝরেছে ৬১২ প্রা*ণ, আ*হত ১ হাজার ২৪৬

মার্চে সড়কে ঝরেছে ৬১২ প্রা*ণ, আ*হত ১ হাজার ২৪৬ গত মার্চ মাসে সারা দেশে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৬১২ জন নিহত ও এক হাজার ২৪৬ জন আহত হয়েছেন। আজ বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন তুলে ধরে হয়। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌপথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত মার্চে সারা দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট ৬৪১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬৬৪ জন নিহত ও ১ হাজার ২৫৩ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬১২ জন নিহত ও এক হাজার ২৪৬ জন আহত হয়েছে। রেলপথে ৪০টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে। নৌপথে আটটি দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও একজন আহত হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এ সময়ে ২২৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৫১ জন নিহত ও ২০৮ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ২৭ শতাংশ, নিহতের ৪১ দশমিক এক শতাংশ ও আহতের ১৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ওই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৪৮টি। এ বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫০ জন নিহত ও ৩৬৪ জন আহত হয়েছে। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে, ৩১টি। ওই বিভাগে দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত ও ৮৬ জন আহত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন ২১ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১৪৭ জন চালক, ৯৯ জন পথচারী, ৮৫ জন পরিবহন শ্রমিক, ৮১ জন শিক্ষার্থী, ১৪ জন শিক্ষক, ১১৩ জন নারী, ৫৮ জন শিশু, একজন আইনজীবী, একজন সাংবাদিক, একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং ১৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন তিনজন পুলিশ সদস্য, তিনজন সেনা সদস্য, দুইজন বিজিবি সদস্য, একজন আইনজীবী, একজন মুক্তিযোদ্ধা, ১২১ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৯৭ জন পথচারী, ৭৪ জন নারী, ৫২ জন শিশু, ৫১ জন শিক্ষার্থী, ২২ জন পরিবহন শ্রমিক, ১৪ জন শিক্ষক ও সাতজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। এ সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৯১০টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ বাস, ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, পাঁচ দশমিক ১৬ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ১০ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, পাঁচ দশমিক ৪৯ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ২২ দশমিক ৫৯ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭ দশমিক ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে, সাত দশমিক ৯২ শতাংশ বিবিধ কারণে এবং শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৪ দশমিক ২৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৭ দশমিক ২৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার তিন দশমিক ৫৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।