নাচোলে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেমিনার

নাচোলে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেমিনার নাচোলে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষকদের নিয়ে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) নাচোল এই সেমিনারের আয়োজন করে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ইউআইটিআরসিইর সহকারী প্রোগ্রামার শামছ-ই-তাবরিজের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহিম। সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা সরকার ও অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন খান। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, এআই ব্যবহার করে মানুষ সহজেই তার কাঙ্ক্ষত প্রয়োজন (প্রশ্নের উত্তর) পেতে পারেন। কিন্তু এআই এর ব্যবহার মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এদিকে ইন্টারনেট বা সাইবার জগতের কোনো সীমানা নেই। তাই সাইবার অপরাধের ভয়াবহতাও অনেক। বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো স্থানে আক্রমণ করা সম্ভব। বাংলাদেশ নিজেদের ডিজিটাল হিসেবে ঘোষণা দিলেও সাইবার নিরাপত্তায় অনেক পিছিয়ে। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয় বরং সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, মূলত ইন্টারনেট জগতের কোনো বর্ডার (সীমানা) নেই এবং এখানে কারও একক মালিকানাও নেই। পুরো পৃথিবী এক। সুতরাং বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা ব্যাপক। পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে আক্রমণ করা সম্ভব। তাই সাইবার অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি খুব গুরুত্বপুর্ণ।

সপ্তাহের বাজার দর : চাল ও আলুর মূল্য ঊর্ধ্বমুখি

সপ্তাহের বাজার দর : চাল ও আলুর মূল্য ঊর্ধ্বমুখি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেড়েছে চাল, আটা, আলু ও দেশী মুরগির দাম। ডাল, মাছ, মাংস, সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। আজ সকালে জেলা শহরের নিউ মার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এমনটাই জানা গেছে। বস্তায় চাল বিক্রেতা রুবেল জানান, আটাশ চাল প্রতিকেজি ৬৪ টাকা, গত সপ্তাহের তুলনায় ৪ টাকা বেড়ে মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৭৬ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা, নাজির সাইল ৯০ টাকা, বাসমতি ১০০টাকা ও আতপ চাল ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মুদি দোকানদার আব্দুর রহমান বাবু জানান, ৫০ কেজির এক বস্তা চালের দাম বেড়েছে একশ টাকার বেশি। সাদা স্বর্ণা ৫২ টাকা থেকে ৫৪ টাকা, লাল স্বর্ণা ৫৬-৫৯ টাকা, আটাশ ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা, মিনিকেট ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুশর ডাল ১০০-১৩০ টাকা, মটর ডাল ১৩০-১৪০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ৮০-৯০ টাকা, ছোলার ডাল ১২০-১২৫ টাকা, খোলা গমের আটা ৪০ থেকে ৪২ টাকা, প্যাকেট আটা ৪৮-৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪২ থেকে ৪৩ টাকায়। সবজি বিক্রেতা আব্দুল খালেক জানান, প্রতিকেজি ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০টাকা, পটোল ২৫ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, বরবটি ৬০টাকা, দেশি শসা ৫৫ টাকা, করলা ৭০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, পেঁপে ৩৫ টাকা, আলু ২৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, চাইনা গাজর ১৬০ টাকা, দেশি গাজর ৮০ টাকা, করলা ৭০ টাকা,কাঁচা কলা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ ও কুমড়ার জালি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৩০ টাকা। মাছ বিক্রেতারা জানান, রুই ওজন ভেদে ২৬০ টাকা থেকে সাড়ে ৩শ টাকা, ছোট মিড়কা ২৪০ টাকা, কাতল ৩২০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, পাঙ্গা ২০০ টাকা, বোয়াল ৮৫০ টাকা, আইড় ৮০০ টাকা, ট্যাংরা ৮০০ টাকা, পাবতা ৪০০ টাকা, সিং৫০০ টাকা, কই ২৫০ টাকা এবং ইলিম বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ২শ টাকা কেজি দরে। মুরগি বিক্রেতারা জানান, দেশি মুরগি গত সপ্তাহে ছিল ৫০০-৫২০ টাকা এবং আজ দাম বেড়ে ৫৬০ টাকা, সোনালি ২২০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৪৫ টাকা, প্যারেন্স ৩৮০ টাকা, লাল লিয়ার ২৮০ টাকা, সাদা লিয়ার ২৬০ কেজি। গরুর মাংস বিগ্রে হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী সবজি

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী সবজি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য খাবারের ক্ষেত্রে নানা নিষেধ মেনে চলতে হয়। এমনকী কিছু কিছু সবজিও এড়িয়ে চলতে হয়। তবে কিছু সবজি আছে যেগুলো ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। কারণ সেগুলোর গ্লাইসেমিক সূচক কম। এ ধরনের সবজি নিয়মিত খেলে তা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন সবজিগুলো ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী- ১. ব্রোকলি ব্রোকলি এমন একটি সবজি যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। ২০১২ সালে রিসার্চ গেটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, ব্রোকলির গ্লাইসেমিক সূচক কম এবং এতে সালফোরাফেন থাকে, যা শরীরে রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ব্রোকলি ফাইবারে ভরপুর, যা চিনির শোষণকে ধীর করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরিয়ে রাখে। ব্রোকলি, সেদ্ধ যেভাবেই খান না কেন এটি আপনার সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তাই ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকতে নিয়মিত এই সবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন। ২. পালং শাক এই সবুজ পাতাযুক্ত শাক রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। পালং শাকের গ্লাইসেমিক সূচক ১৫, যার অর্থ এটি হঠাৎ করে সুগার স্পাইক তৈরি করে না। এটি ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর, যা রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০১৬ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, সবুজ পাতাযুক্ত শাক-সবজি খেলে তা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে। তাই আপনার স্মুদি, তরকারি, সালাদ বা পরোটায় নিশ্চিন্তে পালং শাক যোগ করে নিন। এতে স্বাদ ও পুষ্টি দুটিই মিলবে। ৩. ফুলকপি পালং শাকের মতো ফুলকপিও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত। এই সবজির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ১৫ এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি, যার অর্থ এটি ধীরে ধীরে হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা আপনার শরীরকে সামগ্রিকভাবে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। আপনি এটি ভাজতে পারেন, সুস্বাদু সবজি তৈরি করতে পারেন অথবা স্যুপে যোগ করতে পারেন, ফুলকপি নানাভাবে খাওয়া যায় আবার খেতেও সুস্বাদু। তাই ডায়াবেটিস থাকলে নিয়মিত এই সবজি খেতে পারেন। এতে আরও অনেক উপকার মিলবে।

হজে গিয়ে ৩৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

হজে গিয়ে ৩৬ বাংলাদেশির মৃত্যু চলতি বছর পবিত্র হজপালনে সৌদি আরবে গিয়ে ৩৬ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল ১৯ জুন মৃত্যুবরণ করেছেন গাজীপুরের গাছার মো. আফজাল হোসাইন (৬৮)। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃতদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী। এর মধ্যে ২৩ জন মারা গেছেন মক্কায়, ১১ জন মদিনায়, একজন আরাফায় এবং একজন জেদ্দায়। আজ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের মৃত্যু সংবাদে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে জানানো হয়, সৌদি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা প্রাপ্ত মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ২৭০ জন এবং সৌদি সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তিকৃত হজযাত্রীর সংখ্যা ২৫ জন। পোর্টাল সূত্রে জানা যায়, এ বছর হজে গিয়ে গত ২৯ এপ্রিল প্রথম মারা যান রাজবাড়ীর পাংশার মো. খলিলুর রহমান (৭০)। এরপর ২ মে মারা যান কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের মো. ফরিদুজ্জামান (৫৭), ৫ মে মারা যান পঞ্চগড় সদরের আল হামিদা বানু (৫৮), ৭ মে মারা যান ঢাকার মোহাম্মদপুরের মো. শাহজাহান কবির (৬০), ৯ মে মারা যান জামালপুরের বকশিগঞ্জের হাফেজ উদ্দিন (৭৩), ১০ মে মারা যান নীলফামারী সদরের বয়েজ উদ্দিন (৭২), ১৪ মে মারা যান চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মো. অহিদুর রহমান (৭২) ও ১৭ মে মারা যান গাজীপুর সদরের মো. জয়নাল হোসেন (৬১)। গত ১৯ মে মারা যান চাঁদপুরের মতলবের আ. হান্নান মোল্লা (৬৩), ২৪ মে মারা যান রংপুরের পীরগঞ্জের মো. সাহেব উদ্দিন (৬৯), ২৫ মে মারা গেছেন চাঁদপুরের কচুয়ার বশির হোসাইন (৭৪)। ২৭ মে মারা যান চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের শাহাদাত হোসেন, ২৯ মে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৫৩), একই দিন মাদারীপুর সদরের মোজলেম হাওলাদার (৬৩), গাজীপুরের টঙ্গীর পূর্ব থানার আবুল কালাম আজাদ (৬২) এবং ৩১ মে নওগাঁ সদরের মো. আবুল হোসেন (৭৩)। এ ছাড়া, গত ১ জুন মারা যান, গাজীপুরের পুবাইলের মো. মফিজ উদ্দিন দেওয়ান (৬০) ও নীলফামারীর সৈয়দপুরের মো. জাহিদুল ইসলাম (৫৯), ৫ জুন মারা যান ঢাকার কেরানীগঞ্জের মনোয়ারা বেগম মুনিয়া (৫৩), ৬ জুন খুলনার বটিয়াঘাটা এলাকার শেখ মো. ইমারুল ইসলাম (৬২), ৭ জুন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির মো. মুজিব উল্যা (৬৮), ৯ জুন মারা যান গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের এ টি এম খায়রুল বাসার মন্ডল (৬৪), ১০ জুন মারা যান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার গোলাম মোস্তফা (৫৮)। আর ১২ জুন মারা যান পাঁচজন- নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আব্দুর রশিদ (৬৮), লালমনিরহাটের পাটগ্রামের আমির হামজা (৬০), ঢাকার আদাবরের এ এস এম হায়দারুজ্জামান (৬০), ময়মনসিংহের কোতয়ালী থানার মো. মনিরুজ্জামান (৬৬) ও নোয়াখালীর চাটখিলের খাতিজা বেগম (৪১) এবং ১৪ জুন মারা যান ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের রোকেয়া বেগম (৬২) ও যশোরের মনিরামপুরের মিসেস মনজুয়ারা বেগম (৫৯), ১৬ জুন মারা যান ঢাকার রামপুরার মো. মোজাহিদ আলী প্রাং (৫১) ও কুমিল্লার মুরাদনগরের বেগম সামছুন্নাহার (৭৬), ১৭ জুন মারা যান ঢাকার উত্তরার মোছা. নাজমা রানা (৪২) এবং ১৮ জুন মারা যান সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আফিয়া খাতুন (৬৩) ও ঢাকার শাহজাহানপুরের মনোয়ারা ছিদ্দিকা (৫৮)। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। মৃতদেহ তার নিজ দেশে নিতে দেয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু নেই। তবে একই সময়ে ১৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩০ জন মারা গেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৬ জন, চট্রগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিন জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুই জন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট ছয় হাজার ২১৪ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২০ জুন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে সাত হাজার ৭৭ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ দশমিক সাত শতাংশ নারী রয়েছেন।

সদর উপজেলার নবাগত ইউএনও’কে রেডিও মহানন্দার ফুলেল শুভেচ্ছা

সদর উপজেলার নবাগত ইউএনও’কে রেডিও মহানন্দার ফুলেল শুভেচ্ছা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে রেডিও মহানন্দা। আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক এবং রেডিও মহানন্দার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিব হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রয়াসের পরিচালক(মানব সম্পদ ও প্রশিক্ষণ) ও রেডিও মহানন্দার স্টেশন ম্যানেজার আলেয়া ফেরদৌস, সহকারি স্টেশন ম্যানেজার রেজাউল করিম ও প্রয়োজক (অনুষ্ঠান ও খবর) নয়ন আলী। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে রেডিও মহানন্দার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। উল্লেখ্য, পদাধীকার বলে কমিউনিটি রেডিও স্থাপন, সম্প্রচার ও পরিচালনা নীতিমালা-২০২২’ এর আলোকে রেডিও মহানন্দা ৯৮.৮ এফএম’র উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

শিবগঞ্জ বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেনের ইন্তেকাল; রাষ্ট্রীয় মর্যদায় দাফন সম্পন্ন

শিবগঞ্জ বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেনের ইন্তেকাল; রাষ্ট্রীয় মর্যদায় দাফন সম্পন্ন শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যমপুর ইউনিয়নের কয়লাদিয়াড় গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল হোসেন ইন্তেকাল করেছেন – ইন্না লিল্লাহি অইন্না ইলাহি রাজিউন। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টায় নিজ বাসভবনে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,৩ ছেলে, ১ মেয়ে সহ বহু গূণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় নিজ গ্রামের আমবাগানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদানের পর নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজাহার আলী,শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শাকিল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সভাপতি মাহবুববুর রহমান মিজান সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। মুত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৫ বছর বয়স।  

শিবগঞ্জ সীমান্তে তৃতীয় দফায় ২০ জনকে পুশ ইন বিএসএফের; বিজিবি’র দফায় দফায় তীব্র প্রতিবাদ

শিবগঞ্জ সীমান্তে তৃতীয় দফায় ২০ জনকে পুশ ইন বিএসএফের; বিজিবি’র দফায় দফায় তীব্র প্রতিবাদ শিবগঞ্জ উপজেলার মাসুদপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে ২০ জনকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী-বিএসএফ) দফায় দফায় এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। এনিয়ে গত ২৩ দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সীমান্ত দিয়ে ৪৫ জনকে পুশইন করল বিএসএফ। এর আগে গত ২৭ মে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের বিভীষণ সীমান্ত দিয়ে ১৭ জন এবং গত ৩ জুন জেলার ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারি সীমান্ত দিয়ে ৮ জনকে পুশ ইন করে বিএসএফ। ২৭মে এবং ৩ জুন পুশ ইনের শিকার ২৫ জনকে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্তের পর পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি,পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ ভোর পৌনে ৫টার দিকে প্রচন্ড দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে মাসুদপুর বিওপির আওতাধীন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৪/৫-১ এর নিকট দিয়ে ২০ জনকে ঠেলে পাঠায় ব্এিসএফ। পরে সীমান্তের শূণ্য লাইনের নিকট থেকে তাদের আটক করে বিজিবি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাইয়ে তাদের বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্তের পর দুপুরে তাদের শিবগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়। তবে ২০ জনের নিকট জন্মসনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। পুশইনের শিকারদের মধ্যে ৩ জন পুরষ, ৭জন নারী এবং ১০ জন শিশু রয়েছে। এদের ৭জন কড়িগ্রামের ফুলবাড়ি, ৫ জন নাগেশ^রী, ৫ জন উলিপুর উপজেলা এবং ৩ জন রংপুর কোতোয়ালী থানা এলাকার বাসিন্দা। জানা গেছে ১০ থেকে ১৫ বছর পূর্বে তারা ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের পর হরিয়ানা প্রদেশে ইটভাটায় কাজ করত। পুশইনকৃত ১০ শিশু ভারতে জন্মগ্রহণ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু বলেন, অত্যন্ত অমানবিকভাবে প্রতিকুল আবহাওয়ায় এককাপড়ে ২০ জনকে পুশইন করা হয়। যা আন্তর্জাতিক আইনের সূস্পষ্ট লংঘন। চরম অমানবিক এবং কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এক্ষেত্রে কোনরকম রীতিনীতির তোয়াক্কা করে নি বিএসএফ। তারা বিষয়টি আগেই জানাতে পারত। কিন্তু তারা পরে জানিয়েছে। অধিনায়ক আরও বলেন, বিষয়টি বিজিবি সদর দপ্তরের নিদের্শণা মোতাবেক জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারকে জাননো হয়েছে। কোম্পানী এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পতাকা বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে লিখিতভাবে প্রতিবাদ জাননো হবে। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, ৪/৫ বছরের শিশুসহ মানুষগুলো অত্যন্ত দরিদ্র। অত্যন্ত দূরাবস্থার মধ্যে দিয়ে তাঁরা এসছেন। শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন তাদের ডাকবাংলোতে ২০ জনের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। পুশইনের শিকারদের পরিবারকে খবর দিয়ে আনার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জামের বীজের গুঁড়া খাওয়ার  উপকারিতা জেনে নিন

জামের বীজের গুঁড়া খাওয়ার  উপকারিতা জেনে নিন জাম গ্রীষ্মের সুস্বাদু ফলের মধ্যে একটি। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণেও ভরপুর। সাধারণত এর আমরা ফেলে দিই। তবে আপনি জেনে অবাক হবেন যে, জামের বীজ গুঁড়া করে খাওয়া হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। হজমশক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা পর্যন্ত, খালি পেটে জামের বীজের গুঁড়া খাওয়ার পাঁচটি উপকারিতা জেনে নিন- ১. রক্তে শর্করার মাত্রায় ভারসাম্য রাখে ডায়াবেটিসে ভুগছেন এমন রোগীদের জন্য জামের বীজের গুঁড়া দারুণ উপকারী বলে মনে করা হয়। কারণ জাম্বোলিন এবং অ্যালকালয়েডের মতো যৌগের উপস্থিতি। এই দুটিই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে পরিচিত। এশিয়ান প্যাসিফিক জার্নাল অফ ট্রপিক্যাল বায়োমেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, জামের বীজের নির্যাস ডায়াবেটিক ইঁদুরের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, যা এর ডায়াবেটিস-বিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকার প্রমাণ দেয়। ২. হজমশক্তি উন্নত করে আপনি কি হজমের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে জামের বীজের গুঁড়া খাওয়া উপকারী হতে পারে। এটি হজম স্বাস্থ্যের জন্য এটি এত ভালো কেন? কারণ এর অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট এবং কার্মিনেটিভ বৈশিষ্ট্যে, যা পাচনতন্ত্রকে প্রশমিত করে। সকালে খালি পেটে এই বীজের গুঁড়া খেলে অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে পেট ফাঁপা এবং অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় জামের বীজের গুঁড়া খাওয়ার আরেকটি আশ্চর্যজনক সুবিধা হলো, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ, যা ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। একবার আপনি নিয়মিত এর গুঁড়া খাওয়া শুরু করলে, লক্ষ্য করবেন যে অসুস্থ হওয়ার ফ্রিকোয়েন্সি অনেকটাই কমে গেছে। ৪. ওজন কমাতে সহায়তা করে ওজন কমানো বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তবে জামের বীজের গুঁড়া খেলে তা সহজ হতে পারে। উচ্চ ফাইবারের কারণে খালি পেটে এটি খেলে ক্ষুধা কমতে পারে এবং পেট ভরে যেতে পারে। এটি দিনের বেলা অতিরিক্ত খাওয়াও প্রতিরোধ করতে পারে। দ্য ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ওবেসিটির মতে, জাম ফ্যাট বিপাক রোধ করতে এবং চর্বি জমা কমাতেও সাহায্য করতে পারে। ৫. ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে যেহেতু জাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ, তাই এটি আমাদের ত্বকের জন্যও দুর্দান্ত। এই বৈশিষ্ট্যগুলো ব্রণ, পিগমেন্টেশন এবং কালচে দাগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। শুধু তাই নয়, এর গুঁড়া খেলে অকাল বার্ধক্য এবং নিস্তেজ ত্বকও প্রতিরোধ করা যায়। তাই আপনি যদি সুস্থ এবং উজ্জ্বল ত্বক অর্জন করতে চান, তাহলে জামের বীজের গুঁড়া খাওয়া শুরু করুন।

তথ্য গোপন করে জুলাই অভ্যুত্থানের সুবিধা নিলে ২ বছরের কারাদণ্ড

তথ্য গোপন করে জুলাই অভ্যুত্থানের সুবিধা নিলে ২ বছরের কারাদণ্ড যদি কোনো ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও তথ্য গোপন করে বিভ্রান্তিকর কাগজপত্র দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য বা আহত জুলাই যোদ্ধা দাবি ও সুবিধা গ্রহণ করেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। নতুন জারি করা অধ্যাদেশে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্যে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা বা আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গতকাল দিবাগত রাতে জারি করেছে সরকার। এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, কার্যাবলী, কর্মচারী,ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠায় বিস্তারিত এখানে উল্লেখ রয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে অপরাধ ও বিচার বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এখানে বলা হয়, কোনও ব্যক্তি ‘শহীদ’ পরিবারের সদস্য বা যেকোনও শ্রেণির আহত না হওয়া সত্ত্বেও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বা জ্ঞাতসারে মিথ্যা, বিকৃত তথ্য প্রদান, তথ্য গোপন ও বিভ্রান্তিকর কাগজ দাখিল করে নিজেকে ‘শহীদ’ পরিবারের সদস্য বা আহত দাবি করে চিকিৎসা, আর্থিক, পুনর্বাসন সুবিধা দাবি অথবা গ্রহণ করেন তাহলে তিনি এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে।।এতে আরও বলা হয়, কোনও ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ করলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড এবং অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সুবিধা বা আর্থিক সহায়তার দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই আইনের অধীন অপরাধ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হবে। এই অধ্যাদেশের অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, বিচার, আপিল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ (অ্যাক্ট নং ভি অব ১৮৯৮) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে। এছাড়া, অধ্যাদেশে নিহত-আহতদের দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিদের যথাক্রমে ‘জুলাই শহীদ’ এবং ‘জুলাই যোদ্ধা’র স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনটি শ্রেণি রয়েছে। তা হলো, অতি গুরুতর আহত, গুরুতর আহত ও আহত। অধ্যাদেশে জুলাই ‘শহীদ’ পরিবার এবং আহতদের কল্যাণে নেয়া সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের আইনি ভিত্তি দেয়া হয়েছে।