সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে, ভারতের বার্তা

সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে, ভারতের বার্তা পাকিস্তান সম্পূর্ণভাবে ‘সন্ত্রাস রপ্তানি’ বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত থাকবে— এমনটা জানিয়েছে ভারত সরকার। ভরত সরকারের জলশক্তি মন্ত্রণালয় তাদের মাসিক প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদের সচিবকে এই বার্তা দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ভারতের অবস্থান মন্ত্রণালয় আগে থেকেই জানিয়ে এসেছে। তবে এবার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ পাকিস্তান সম্প্রতি ভারতকে ১৯৬০ সালের এই চুক্তি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। তাদের দাবি, এই চুক্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত পানির ওপর কোটি কোটি মানুষ নির্ভরশীল। গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব টি ভি সোমানাথনকে পাঠানো এক রিপোর্টে জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব দেবশ্রী মুখার্জি জানিয়েছেন, “পহেগাঁওয়ে সাধারণ নাগরিকদের ওপর ‘পাকিস্তান-প্রবর্তিত’ সন্ত্রাসী হামলার পরপরই সরকার এই চুক্তিকে ‘স্থগিত’ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়”।
উত্তর প্রদেশে ৯০ বাংলাদেশিকে আটকের দাবি ভারতীয় পুলিশের

উত্তর প্রদেশে ৯০ বাংলাদেশিকে আটকের দাবি ভারতীয় পুলিশের ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলায় ৯০ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করার দাবি করেছে সেখানকার পুলিশ। দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল স্থানীয় নৌঝিল থানার খাজপুর গ্রামের একটি ইটভাটা এলাকা থেকে এসব বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খাজপুর গ্রামে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন এসব বাংলাদেশি নাগরিক। মথুরার পুলিশ সুপার (এসএসপি) শ্লোক কুমার জানান, অভিযানে বেশ কয়েকটি ইটভাটায় তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে আটক করা হয় ৩৫ জন পুরুষ, ২৭ জন নারী ও ২৮ জন শিশুকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্বীকার করে এবং বৈধ কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে পারেনি। পুলিশ আরও জানায়, তিন থেকে চার মাস আগে প্রতিবেশী রাজ্য হয়ে তারা মথুরায় প্রবেশ করেন। আটকদের কাছ থেকে কিছু জাল আধার কার্ডও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, ভুয়া নথির মাধ্যমে এসব কার্ড তৈরি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও অন্যান্য সহযোগীদের খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার পেছনের চক্র এবং অনুপ্রবেশের পদ্ধতি সম্পর্কে আরও তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।
পুশব্যাক নয়, নিয়ম মেনে ফেরত পাঠানো হবে অবৈধ ভারতীয়দের: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পুশব্যাক নয়, নিয়ম মেনে ফেরত পাঠানো হবে অবৈধ ভারতীয়দের: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভারত থেকে পুশইনের মাধ্যমে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশি থাকলে তাদের পুশব্যাক করার সুযোগ নেই। তবে ভারতীয় নাগরিক ও দেশটির রোহিঙ্গারা থাকলে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। আজ সুন্দরবনে বিজিবির বয়েসিং ভাসমান বিওপি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতে কোনো অবৈধ বাংলাদেশি থেকে থাকলে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠাতে হবে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভারতের কাছে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। বলেছি, পুশইন না করে প্রোপার চ্যানেলে পাঠাতে। ভারতের পুশইনকে উসকানি হিসেবে দেখছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয়দের পুশব্যাকের চিন্তা নেই। প্রোপার চ্যানেলে পাঠাব। এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, যেখানেই পুশইনের চেষ্টা হচ্ছে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হচ্ছে। পুশইন রোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পুশইনের ফলে জঙ্গি-সন্ত্রাসী দেশে ঢোকার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এরা যাতে ঢুকতে না পারে সে প্রত্যাশা করব। সুন্দরবনের জলসীমান্ত সুরক্ষায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী রায়মঙ্গল নদী ও বয়েসিং খালের সংযোগস্থলে বিজিবির এই ভাসমান বিওপিটি উদ্বোধন করা হয়েছে। বিজিবির যশোর রিজিয়নের আওতাধীন রিভারাইন বর্ডার গার্ড (আরবিজি) কোম্পানির দায়িত্বপূর্ণ জলসীমান্তের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতে এটি উদ্বোধন করা হয়।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ-ভারতের ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১৮০ কিলোমিটার নদীঘেরা। এর মধ্যে প্রায় ৭৯ কিলোমিটার এলাকা সুন্দরবনের অন্তর্গত। বিজিবি আরও জানায়, সুন্দরবনের গহীন অরণ্যের দুর্গম এই সুদীর্ঘ জলসীমান্তের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। নানা প্রতিকূলতা ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বিজিবির রিভারাইন বর্ডার গার্ড কোম্পানি একটি স্থল বিওপি, ২টি ভাসমান বিওপি, একটি জাহাজ ও কিছু সংখ্যক জলযানের মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এর মধ্যে কৈখালী বিওপি ও কাঁচিকাটা ভাসমান বিওপির মধ্যকার দূরত্ব ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি। ফলে মধ্যবর্তী বয়েসিং নামক স্থানে আরেকটি ভাসমান বিওপি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় বয়েসিং খালে এই ভাসমান বিওপি স্থাপন করা হয়েছে। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বয়েসিং খালে স্থাপনকৃত বিজিবির তৃতীয় বর্ডার অবজারভেশন পোস্টের (বিওপি) দুজন অফিসারের নেতৃত্বে ৩৫ জন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মাধ্যমে রায়মঙ্গল নদী ও বয়েসিং খাল দিয়ে নারী ও শিশু পাচার, মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধভাবে বিদেশি জাহাজ চলাচলসহ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে নজরদারি করা হবে।
এনজিওর ধারণা থেকে বেরিয়ে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

এনজিওর ধারণা থেকে বেরিয়ে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ে আসতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা মাইক্রোক্রেডিটকে এনজিওর ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে ব্যাংকিংয়ের ধারণা গ্রহণ করে ঋণগ্রহিতাকে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ কথা জনানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মাইক্রোক্রেডিট এখনও এনজিও। এই এনজিও থেকে উত্তরণ হতে হবে। এনজিও পর্যায়ে থেকে গেলে ব্যাংকিং মেজাজে আসবে না। মেজাজে আসতে হবে, এটাকে ব্যাংক হতে হবে। মাইক্রোক্রেডিটের জন্য আলাদা আইন করতে হবে। গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর সময়কার স্মৃতিচারণ করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমরা যখন গ্রামীণ ব্যাংক করলাম, তখন আপত্তি উঠলো এটাকে ব্যাংক বলা যাবে কি না। আমরা বললাম, আমাদেরটাই প্রকৃত ব্যাংক, তোমাদেরটা লোক দেখানো। ব্যাংক যে শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে সেটা হলো ট্রাস্ট, তোমরা যেটা করছো সেটা ডিসট্রাস্ট। আমাদের ব্যাংকিং মানুষের ভিত্তিতে হয়েছে। জমানতবিহীন ব্যাংক, বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা টাকা দেই। ‘আজ এমন সময় আমরা আলাপ করছি যখন জামানতওয়ালা ব্যাংক, যারা নিজেদের প্রকৃত ব্যাংক বলে বিচার করতো, তাদের অনেকে আজকে হাওয়া। টাকা নিয়ে লোপাট। ব্যাংক শেষ। আর মাইক্রোক্রেডিটের পরিসংখ্যান দেখেন। কেউ পয়সা নিয়ে পালায় নাই। এই হলো পরিহাস,’ বলেন তিনি। মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ- উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটাই প্রকৃত ব্যাংকিং, আগামী দিনের ব্যাংকিং যেটাতে মানুষ নিজের পরিচয়ে কাজ করবে নিজের বিশ্বাসের ওপরে ব্যাংকিং চলবে, টাকার ওপরে না। মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের পর প্রত্যেক এনজিও চেষ্টা করলো একইরকম কিছু করতে। ক্রমে ক্রমে প্রসার হতে আরম্ভ করল। নানারকমের নতুন নতুন জিনিস, নানা আইডিয়া নিজেদের সুবিধার জন্য ঢোকাতে আরম্ভ করলো। এটা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ হবে মনে করে একটি রেগুলেটরি অথরিটির প্রয়োজন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তারা বলল ‘আমাদের কাজ না’। অর্থ মন্ত্রণালয় শুরুতে গুরত্ব দিল না, পরে বলল ‘আচ্ছা কী করতে হবে জানাও’। তখন আমরা বললাম, রেগুলেটরি অথরিটি হওয়া দরকার, কারণ যে হারে বাড়ছে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে। ‘তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন সাহেব আমাদের সমর্থন করল। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এটা হতে পারবে না। তারা ব্যাখ্যা চাইল। আমি বললাম, এটা বহু দেশে বলেছি, এখনো বলি, গ্রামীণ ব্যাংকও ব্যাংক, অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংক। কিন্তু তফাৎ অনেক। উদাহরণ দেই, আমেরিকান ফুটবলও ফুটবল। ইউরোপিয়ান ফুটবলও ফুটবল। কিন্তু খেলা ভিন্ন। আপনি যদি ইউরোপিয়ান ফুটবলের রেফারিকে দিয়ে আমেরিকান ফুটবল খেলা চালাতে চান, ইট উইল বি অ্য ডিজাস্টার। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে তো ক্ষুদ্র ঋণ জানেই না। সে তো ইউরোপীয় ফুটবলের রেফারি,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন। নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কে হবে এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ না, যে দেশেই মাইক্রোক্রেডিট হয়েছে সে দেশই সমস্যায় পড়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি তাদের বারে বারে বলে এসেছি, তোমাদের এত কিছু চিন্তা করতে হবে না। কারণ বাংলাদেশ এর সমাধান দিয়ে দিয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি শুধু যে বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছে তা না, এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশের সহায়ক হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, রেগুলেটরের ওপর কড়া না হয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন যেন হয় সেভাবে আইন করা, যেন কোনোকিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয়। এমআরএকে এখন রেগুলশনের পাশাপাশি প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিও দেখতে হবে। সেভিংসের রিটার্ন, সার্ভিস চার্জ যেন সহজ হয় সেদিকে নজর দিন। উপকারভোগীদের জন্য যেন সহজ হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তার বক্তব্যে বলেন, মাইক্রোক্রেডিট আজকে অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের ১০ শতাংশ স্থান সমপরিমাণ সম্পদ আছে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকিং খাতে যে জায়গাগুলোতে দুর্বলতা আছে, মাইক্রোক্রেডিট সে জায়গায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদস্যদের সঞ্চয় বেড়েছে ৬৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে, পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বেড়ে ৬১ হাজার কোটি টাকার ওপরে হয়েছে। এটা বড় অর্জন। তারা নিজেদের সঞ্চয় ও উদ্বৃত্ত দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে। বিদেশি সহায়তা, অনুদান নাই বললেই চলে। দাতা তহবিল তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটা খুবই নগণ্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং ছড়িয়ে পড়ছে। মাইক্রোক্রেডিটের শাখা আছে ২৬ হাজারের মতো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। এখানে একটা হেলদি কম্পিটিশন শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফরমাল সেক্টরের পদচারণা বাড়ছে, বাড়বে। মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউটটে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে হবে। মাইক্রোক্রেডিট আরও ফাংশনাল করতে রেগুলেটরি অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করবে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি নিয়ে নতুন আইনের খসড়া করা হয়েছে। সরকারের কাছে শিগগিরই নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
ভক্তদের চাওয়া পূরণ করতে জুটি বাঁধছেন রাশমিকা-বিজয়!

ভক্তদের চাওয়া পূরণ করতে জুটি বাঁধছেন রাশমিকা-বিজয়! ভারতীয় দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরকোন্ডা। ২০১৮ সাল ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হন তারা। ২০১৯ সালে ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা যায় এ জুটিকে। এ দুটো সিনেমায় তাদের রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করে। ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘গীতা গোবিন্দম’-এর মতো প্রেমের সিনেমার শুটিংয়ের সময় থেকে বিজয়ের সঙ্গে রাশমিকার বোঝাপড়া ভালো। সেই সময় থেকেই এ জুটিকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জনের সূত্রপাত। যদিও এ সম্পর্ক ‘বন্ধুত্বে’ সীমাবদ্ধ বলে দাবি তাদের। তবে জিমে যাওয়া, চুপিচুপি শহর ছেড়ে ছুটি কাটানো, লিভ-ইনের গুঞ্জনসহ তাদের নানা কীর্তিকলাপ নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহের শেষ নেই। ব্যক্তিগত কারণে বছর জুড়েই আলোচনায় থাকেন রাশমিকা-বিজয়। কিন্তু গত ৫ বছর ধরে নতুন কোনো সিনেমায় তাদের দেখা যায়নি। প্রিয় তারকা জুটিকে ফের একসঙ্গে পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন ভক্তরাও। দর্শক চাহিদা থাকার পরও কেন একসঙ্গে অভিনয় করেন না তারা? এ নিয়ে নানাজনের নানা মত রয়েছে। তবে ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পর্দায় জুটি বেঁধে ফিরছেন এই যুগল! ইন্ডিয়া গ্লিটস এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, “ভিডি ১৪’ সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন রাশমিকা মান্দানা। পিরিয়ড-ড্রামা ঘরানার এ সিনেমা নির্মাণ করছেন রাহুল সংকৃত্যায়ন। সিনেমাটির চিত্রনাট্য এক নজর পড়েই ভালো লেগে যায় রাশমিকার। ফলে আর সময় নষ্ট করেননি এই অভিনেত্রী। বিজয় দেবরকোন্ডার ৩৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘ভিডি ১৪’ সিনেমার ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশ করেন পরিচালক রাহুল। তাতে সুঠাম দেহের লম্বা কেশের বিজয়কে মন্দিরে বসে থাকতে দেখা যায়। ‘কুবেরা’, ‘থামা’, ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার কাজ এখন রাশমিকার হাতে রয়েছে। এরই মধ্যে ‘কুবেরা’, ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। এখন ‘থামা’ সিনেমার শুটিং করছেন। সিনেমাটির কাজ শেষ করে ‘ভিডি ১৪’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন এই অভিনেত্রী। তবে এখনো রাশমিকার শুটিং শিডিউল চূড়ান্ত হয়নি। এমনকি সিনেমাটিতে অভিনয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণাও দেননি রাশমিকা কিংবা নির্মাতা রাহুল। ২০২৩ সালের শেষের দিকে খবর চাউর হয়েছিল, পুনরায় জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন বিজয়-রাশমিকা। এটি পরিচালনা করার কথা ছিল গৌতম তিনানুরির। যদিও এটি গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ ছিল।
ক্যারিয়ারের বড় সুযোগ ছাড়লেন আলিয়া

ক্যারিয়ারের বড় সুযোগ ছাড়লেন আলিয়া জীবনের প্রথম সবকিছুর অভিজ্ঞতা বিশেষ হয়ে থাকে। আর তা যদি হয় নিজের ক্যারিয়ারের কোনও প্রথম পদক্ষেপ হয়, তাহলে তার অনুভূতি আরও ভিন্ন। বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটও তার ব্যতিক্রম নন। তবে নিজেই তেমন একটি সুযোগ ছেড়ে দিয়েছেন আলিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কথা ছিল তার। তবে নিজের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই অনুষ্ঠানে যাননি আলিয়া। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিষয়টি জানিয়েছেন রণবীর কাপুরঘরণী নিজেই। কান চলচ্চিত্র উৎসব নিয়ে নিজেও বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন আলিয়া। একটি সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে ফ্রান্সে গিয়ে মূল আয়োজনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন আলিয়া। আর এ কারণেই এবার কানের উদ্বোধনে অংশ নেওয়া হল না তার। তবে এ নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই আলিয়ার। বরং তার এই ত্যাগে দেশপ্রেমই প্রকাশ পেয়েছে। ইতোমধ্যেই মেট গালার গালিচায় ধরা দিয়েছিলেন আলিয়া। সেই অনুষ্ঠানে তার সাজ মন ছুঁয়েছিল ভক্তদের। প্রসঙ্গত, ১৩ মে থেকে শুরু হয়েছে ৭৮তম কাল চলচ্চিত্র উৎসব। বিজয়ীদের নাম ঘোষণার মাধ্যমে ২৪শে মে এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামবে।
এই গরমে প্রাণ জুড়াতে যা খাবেন

এই গরমে প্রাণ জুড়াতে যা খাবেন গরমে ঠান্ডা কিছু খাওয়ার জন্য মন হাহাকার করবেই। হাত বাড়ালেই যেখানে আইসক্রিম, বিভিন্ন প্যাকেটজাত জুস আর কোল্ড ড্রিংকস পাওয়া যায়, সেখানে স্বাস্থ্যকর কিছু খাওয়ার অভ্যাস রাখা আসলেই কঠিন। তবে একটা কথা, আপনার শরীরের যত্ন নিতে হবে আপনাকেই। কোনটা আপনার জন্য ভালো, কোনটা নয় সেটুকু জানা জরুরি। সেইসঙ্গে খেতে হবে এমন কিছু যা আপনার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হবে না। এই গরমে প্রাকৃতিক পানীয় বেছে নিন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন পানীয়গুলো এসময় পান করতে পারেন- ১. আখের রস আখের রস বিভিন্ন সমস্যার প্রাকৃতিক প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক। আখের রস খেলে তা রক্তরস এবং শরীরের তরল তৈরিতে সাহায্য করে, যা পানিশূন্যতা এবং শরীরের নিস্তেজভাব মোকাবিলায় সাহায্য করে। আখের রসে পুদিনা পাতা মিশিয়ে পান করতে পারেন। এতে স্বাদ আরও বাড়বে, সেইসঙ্গে আপনি আরও সতেজ অনুভব করবেন। ২. লাচ্ছি দই দিয়ে তৈরি এই পানীয় গরমে আপনাকে শীতল রাখতে অন্যতম কার্যকরী পানীয়। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, সহজেই এতে অনেক বৈচিত্র্য যোগ করা যায়। ক্লাসিক থেকে পুদিনা, অ্যাভোকাডো, আম থেকে কলা আখরোট এবং আরও অনেক কিছু। ৩. লেবুর শরবত গ্রীষ্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় লেবুর শরবত কেন মিস করবেন? দ্রুত তৈরি করা যায় এবং সুস্বাদু বলে এই পানীয় সবার কাছেই বেশ পছন্দের। পুদিনা পাতা, লেবু, চিনি এবং পানি দিয়ে তৈরি করে নিন লেবুর শরবত। স্বাদ ও পুষ্টি বাড়াতে চাইলে জিরা, গোল মরিচ ইত্যাদি মসলাও যোগ করতে পারেন। ৪. তরমুজের রস গ্রীষ্মের সেরা ফলের মধ্যে একটি হলো তরমুজ। এর রস আরও ভালো। এর অত্যন্ত সতেজ এবং হাইড্রেটিং বৈশিষ্ট্য শরীরকে হাইড্রেটেড এবং সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে প্রাণ জুড়াতে তরমুজের টাটকা রসে চুমুক দিতেই পারেন। ৫. বার্লি ওয়াটার বার্লি ওয়াটার সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি প্রাচীন প্রতিকার। এটি তৈরি করতে আপনার যা যা লাগবে তা হলো বার্লি, পানি, লবণ, কয়েক ফোঁটা মধু এবং লেবু। সুস্বাদু এই পানীয় গরমে আপনার প্রাণ তো জুড়াবেই, সেইসঙ্গে এটি শরীরের জন্য আরও অনেক উপকারিতা নিয়ে আসবে।
আপনার হার্ট ভালো নেই, বুঝবেন যেভাবে

আপনার হার্ট ভালো নেই, বুঝবেন যেভাবে বিশ্বব্যাপী হৃদরোগ মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ। কখনো কখনো এমন কিছু প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেগুলো আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপেক্ষা করি। হার্টের সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ বোঝা, হৃদযন্ত্র-বান্ধব খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি হৃদরোগ সম্পর্কিত সমস্যা প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, প্রতিরোধ সবসময় নিরাময়ের চেয়ে ভালো। হৃদরোগের ৫টি প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণ হৃদযন্ত্রের গঠন এবং কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে এমন বিভিন্ন অবস্থাকে হৃদরোগ বলা হয়। প্রাথমিক লক্ষণ সনাক্ত করার মাধ্যমে সময়মতো চিকিৎসা করা যেতে পারে। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের মতে, মূল সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে রয়েছে: বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি: প্রায়ই চাপ বা বুক ভারী বোধ হতে পারে। শ্বাসকষ্ট: বিশ্রাম বা শারীরিক কার্যকলাপের সময় শ্বাস নিতে অসুবিধা। গোড়ালি বা পায়ে ফোলাভাব: হৃদপিণ্ডের পাম্পিং দক্ষতা হ্রাসের কারণে তরল জমা। ক্লান্তি: নিয়মিত কার্যকলাপের সময় অস্বাভাবিক ক্লান্তি। মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানো। এই লক্ষণগুলো হৃদরোগের নির্দিষ্ট অবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, করোনারি ধমনী রোগে প্রায়ই বুকে ব্যথা দেখা দেয়, অন্যদিকে হার্ট ফেইলিওর ফুলে যাওয়া এবং ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে। প্রাথমিক লক্ষণগুলো সনাক্ত করে এবং সময়মতো চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। হৃদরোগের জন্য ডায়েট টিপস সম্পূর্ণ খাবার গ্রহণ করুন: বিভিন্ন ধরণের ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য, বাদাম এবং বীজ অন্তর্ভুক্ত করুন। এই খাবারগুলোতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে যা হৃদরোগ প্রতিরোধে কাজ করে। স্বাস্থ্যকর চর্বি বেছে নিন: অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো এবং স্যামনের মতো ফ্যাটি মাছের মতো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেছে নিন। এই চর্বিগুলো ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। লবণ এবং চিনি গ্রহণ সীমিত করুন: অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়াতে পারে, অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি খেলে তা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধির করতে পারে। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয় কমাতে চেষ্টা করুন। হাইড্রেটেড থাকুন: প্রচুর পাি পান করুন। ডাবের পাি এবং লেবু মিশ্রিত পানি নিয়মিত পান করুন। পরিমিত খাবার: খাবারের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। এটি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করবে, যা আপনার হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ কমাতে পারে।
রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার: খাদ্য উপদেষ্টা

রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার: খাদ্য উপদেষ্টা রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে আরও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য বিষয়ক উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। আজ সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠৃকে বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও রাশিয়া থেকে গম আমদানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ, বিশেষ করে গম ও সার—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের একটি বড় অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করে। বর্তমানে দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন, যার মধ্যে দেশীয় উৎপাদন মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টন। বাকি ৬০ লাখ মেট্রিক টন আমদানি করতে হয়। তিনি আরও বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের কাউন্সিলর ভ্লাদিমির মোচালভ, খাদ্য সচিব মো. মাসুদুল হাসান এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শান্তিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

শান্তিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ভবিষ্যতে শান্তিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ তিনি জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের উচ্চস্তরের অধিবেশনে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্যানেল আলোচনায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিদ্যমান ম্যান্ডেটের প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্রে যেকোনো পরিবর্তন আনার সময় আয়োজক সরকার, সেনা ও পুলিশ প্রেরণকারী দেশ, শান্তিরক্ষীদের মাঠ পর্যায়ে এবং জাতিসংঘ সচিবালয়সহ সব অংশীদারদের মধ্যে অংশীদারিত্বের ওপরও জোর দেন। তিনি সম্পদের সীমাবদ্ধতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং তহবিলের ঘাটতি মোকাবিলায় জরুরি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণের আহ্বান জানান। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বার্লিনে ১৩-১৪ মে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তারা রয়েছেন। দুইদিনের এ সম্মেলনে শান্তিরক্ষাকারী দেশগুলোর বৃহত্তম সম্মেলনে ১৬০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। বৈঠকের পাশাপাশি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জার্মানি, আলজেরিয়া, কোস্টারিকা, গাম্বিয়া, গুয়াতেমালা, তিউনিসিয়া, প্যারাগুয়ে, সিয়েরা লিওন, জাপান এবং মালাউইয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।