সারাদেশে ৪০০ টাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সারাদেশে ৪০০ টাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সারাদেশে এক রেটে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার জন্য আইএসপিগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সম্প্রতি বিটিআরসি এক নির্দেশনায় মহানগর, জেলা শহর, উপজেলা এবং ইউনিয়নপর্যায়ে পাঁচ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট মাসিক সর্বোচ্চ ৪শ টাকায় দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্য যুক্তিসংগত পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য একটি বাস্তবসম্মত এবং গ্রাহকবান্ধব ইন্টারনেট ট্যারিফ প্রণয়নে সরকারিবেসরকারি সব ধরনের আইএসপিদের জন্য বিটিআরসি একটি খসড়া ট্যারিফ প্রস্তুত করে তা অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠায় এবং পরবর্তীতে সরকার ট্যারিফটি অনুমোদন করেন। এ ছাড়াও সারাদেশে ১০ এমবিপিএস ৭শ টাকা এবং ২০ এমবিপিএস ১১শ টাকা। ট্যারিফের শর্তাবলি: বিটিআরসি’র লাইসেন্সধারী সকল সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন ধরনের আইএসপি প্রতিষ্ঠানের জন্য উল্লিখিত ট্যারিফটি ১ জুলাই থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে এবং পরবর্তীতে নতুন করে ট্যারিফ নির্ধারিত না হলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে তা বলবৎ থাকবে। তবে কমিশন বাজার চাহিদা ও গ্রাহক স্বার্থ বিবেচনায় যে কোনো সময় তা পরিবর্তন করতে পারবে। গ্রাহক সেবা ও সেবার মান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় জরিমানা শর্তসহ সেবার মান বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি সেবার মানদণ্ড নির্ধারণে এ, বি, সি গ্রেড মোতাবেক গ্রেড অব সার্ভিস বজায় রাখতে প্রতিটি আইএসপি বাধ্য থাকবে। সব ধরনের আইএসপির ক্ষেত্রে গ্রাহক পাঁচদিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিল ৫০ শতাংশ দেবে, ১০ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মাসিক বিলের ২৫ শতাংশ দেবে এবং ১৫ দিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে ওই মাসে কোন মাসিক বিল দেবে না। সরকারের অনুমোদিত ইন্টারনেট স্পিড সর্বনিম্ন সীমা পাঁচ এমবওপিএস বিদ্যমান রেখে ট্যারিফের তালিকা অনুযায়ী ৫, ১০, ২০ অথবা কামেকশন র্যাশিও ১:৮-কে আনুপাতিক হারে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে কমিশনের অনুমোদনক্রমে গ্রাহকদের আইএসপি অন্যান্য প্রোডাক্টসেবা দিতে পারবে। কমিশন থেকে অনুমোদিত ট্যারিফ চার্ট আইএসপিদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং অনুমোদিত সেবা বা ট্যারিফে কোনো ধরনের পরিবর্তন বা সংযোজন গ্রহণযোগ্য নয়। ট্যারিফের বাইরে অনুমোদন ব্যতীত কোন সেবা/প্রোডাক্ট পরিচালনা করলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনানুযায়ী ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কমিশন আইনি ব্যবস্থা নেবে। গ্রাহক অভিযোগ (টিকেটিং নাম্বারসহ) দ্রুততার সাথে সমাধান করতে হবে, গ্রাহকের কোন অভিযোগপ্রাপ্ত হলে বিটিআরসি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং গ্রাহক অভিযোগ ও অভিযোগ সমাধানের তথ্য কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লিনিক ওয়ার্ড বয় ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লিনিক ওয়ার্ড বয় ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পৃথক জায়গা থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে নূর ইসলাম ও অপর জন নাচোল উপজেলার খেসবা চন্দ্রাইল গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে জয়। গতকাল রাতে ও সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি উদ্ধার হয়। গতকাল রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গহিলবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নূর ইসলাম এর গলায় ওড়নার ফাঁস দেয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। এ সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন। স্থানীয় সূত্র, পরিবার ও পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জানালা দিয়ে মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়া হয়। নূর ইসলাম বিভিন্ন এনজিও’র নিকট ঋণগ্রস্থ ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঋন শোধের চাপে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে জেলা শহরের হাসপাতাল সড়কের মমতা হাসপাতালের ৫ম তলার একটি কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ওই হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় জয়ের ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার, হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং পুলিশ সুত্র জানায়, তিনি পাঁচ বছর যাবৎ ওই ক্লিনিকে কর্মরত ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি টের পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। জয়ের পিতা বলেন, জয় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মহিষালবাড়ি এলাকায় তাঁর নানার বাড়িতে বড় হয়েছে। সে সদর উপজেলার বারঘরিয়া এলাকায় মেসে থেকে ক্লিনিকে কাজ করত। তবে জয়ের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারে নি কেউ। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মতিউর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই দুই যুবক আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। দুটি ঘটনায় থানায় দুটি পৃথক অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।
মুনমুনের উপস্থাপনা এখনও মিস করেন অনেকেই

মুনমুনের উপস্থাপনা এখনও মিস করেন অনেকেই উপস্থাপনা একটি শিল্প। বর্তমানে এর মান কতটুকু ধরে রাখা যাচ্ছে সেটা একটা বড় প্রশ্ন। দেখা যাচ্ছে যে, বিনোদন জগতের তারকাদেরকে বিভিন্ন উপস্থাপক যেসব প্রশ্ন করেন- তা অনেক সময় নেটিজেনদের কাছে হাস্য-রসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও এ দায় কেবল উপস্থাপককে দেওয়া চলে না, দর্শক কি গ্রহণ করছেন, কেন গ্রহণ করছেন-তা নিয়েও বিস্তর বলার আছে। যাইহোক, সাবলীল এবং পরিমিতিবোধ সম্পন্ন উপস্থাপনার জন্য রুমানা মালিক মুনমুনকে নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই আলোচনা করছেন। বাংলা চলচ্চিত্র নামের একটি গ্রুপ পেইজে রহমান মতি নামের একজন রুমানা মালিক মুনমুনকে নিয়ে একটি পোস্ট করার পরেই শুরু হয় তুমুল আলোচনা। রহমান মতি লিখেছেন, ‘‘আজকাল উপস্থাপনাটা সস্তা হয়ে গেছে। লাউ প্রিয় না টমেটো প্রিয় এ সমস্ত প্রশ্ন পর্যন্ত ইন্টারভিউতে উপস্থাপকরা করেন, ব্যক্তিগত জীবনের বিব্রতকর প্রশ্ন তো আছেই। মুনমুনকে কখনো এগুলো বলতে দেখিনি। জনপ্রিয় ‘আমার আমি’ অনুষ্ঠানের নিয়মিত উপস্থাপক ছিলেন মুনমুন। হুমায়ুন ফরীদি-র পর্বে তাকে ভদ্রভাবে আগে থেকে জিজ্ঞেস করে বলেছিল-‘আমি কি সুবর্ণা মুস্তাফাকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারব?’- ফরীদি বলেছিলেন ‘না’। মুনমুন আর কোনো প্রশ্ন করেননি। এই যে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি এত সুন্দর কার্টেসি আজকাল উপস্থাপনায় দেখা যায় না। মুনমুনের ভয়েস আর হাসিও তার উপস্থাপনার সৌন্দর্য ছিল।’ ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘‘এখনকার উপস্থাপনা দেখলে আমার মুনমুন ম্যাম এর কথাই মনে পড়ে, কি সুন্দর ভদ্রতা, বাচনভঙ্গি, কাউকে বিন্দুমাত্র ছোট না করে উপস্থাপনা করা, এছাড়াও তখনকার যারা ছিলো সবাই ভালোভাবে প্রশ্ন করতো, এখনকার সবতো কত নোংরা প্রশ্ন করা যায় সে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত।’’ মো. জেহাদ নামের একজন লিখেছেন, ‘‘উনি যাদের ইন্টারভিউ নিয়েছেন বর্তমান সময়ের উপস্থাপক/উপস্থাপিকাদের যোগ্যতা নেই তাদের সামনে বসার। এখনকার উপস্থাপকরা তো লিজেন্ডদের সামনেও পা তুলে বসে আর প্রশ্ন করে আপনার মাসিক ইনকাম কতো।’’ তবে মুনমুন যেসব তারকাদের সাক্ষাৎকার নিতেন তারা ছিলেন উঁচুমানের শিল্পী, সে কথাও বলছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘‘এখানে আরেকটা বিষয় আছে। ওই সময়ের সেলিব্রেটিরাও এখনকার সেলিব্রেটিদের মতো ছিলেন না। এখন তো টিকটকাররাও সেলিব্রিটি তাই প্রশ্ন ও তেমন ই আসে।’’ নেটিজেনদের অনেকেই মুনমুনকে উপস্থাপনায় আবারও দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
দীপিকার শরীরে বাসা বেঁধেছে কঠিন রোগ, সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত স্বামী

দীপিকার শরীরে বাসা বেঁধেছে কঠিন রোগ, সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত স্বামী কোলের সন্তান এখনও স্তন্যপান করেন। মাকে ছাড়া যেন একমুহূর্তও চলে না একরত্তির। মাতৃত্ব নিয়ে যখন ব্যস্ত হিন্দি টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর, ঠিক সেই সময় তার জীবনে ঝড়! অভিনেত্রীর শরীরে বাসা বেঁধেছে কঠিন রোগ। লিভার টিউমারে আক্রান্ত তিনি। ভক্তদের সেই দুঃসংবাদ জানালেন দীপিকার স্বামী শোয়েব ইব্রাহিম। এমন পরিস্থিতিতে ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে চিন্তিত তিনি। শোয়েব ইব্রাহিম বলেন, “দীপিকা ভালো নেই। আমার মনে হয় পেটে কোনও সমস্যা হয়েছে। যখন আমি চণ্ডীগড়ে ছিলাম তখন ওর পেটে ব্যথা শুরু হয়। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো অম্বলজনিত সমস্যা। কিন্তু ব্যথা কিছুতেই যখন কমছে না তখন পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে যান দীপিকা। পারিবারিক চিকিৎসক আমার বাবারও চিকিৎসা করেন। তিনি কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক দেন। বেশ কয়েকটি রক্তপরীক্ষা করাতে বলেন। ৫ মে পর্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিক খান দীপিকা। সেই সময় তিনি সুস্থই ছিলেন। বাবার জন্মদিনের পর আবার পেটে ব্যথা শুরু হয়। এরইমধ্যে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টও চলে আসে। যখন বোঝা যায় শরীরে কিছু একটা সংক্রমণ হয়েছে।” অভিনেত্রীর স্বামী শোয়ের আরও বলেন, “আবার চিকিৎসকের কাছে যাই। চিকিৎসক সিটি স্ক্যান করাতে বলেন। জানা যায় দীপিকা পেটের বাঁ দিকে একটি টিউমার হয়েছে। এটা টেনিস বলের মতো আকারের হয়ে গেছে, যা শুনে আমরা অবাক হয়ে যাই।” বলে রাখা ভালো, এখনও বেশ কয়েকটি রিপোর্ট হাতে পাওয়া বাকি অভিনেত্রী। ওই রিপোর্টে আরও কোনও দুঃসংবাদ রয়েছে কিনা, তা ভেবেই চিন্তিত শোয়েব। চিকিৎসক যদিও দীপিকাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন। তবুও তাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা কমছে না স্বামী শোয়েবের। হিন্দি ছোট পর্দার চেনা মুখ দীপিকা। প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। ২০১৮ সালে শোয়েব ইব্রাহিমের সঙ্গে ভোপালে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেত্রী। বিয়ের পর থেকে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। কোলের সন্তান ছোট্ট রুহানকে নিয়ে সুখের সংসার তাদের। তারই মাঝে এই দুঃসংবাদে স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ অনুরাগীদের।
অতিথি আপ্যায়নে আমের রেসিপি

অতিথি আপ্যায়নে আমের রেসিপি বাড়িতে অতিথি এলে কী দিয়ে আপ্যায়ন করবেন? আমের দিনে এটা নিয়ে ভাবতেই হবে না। খুব সহজেই তৈরি করা যায় আমের এমন কয়েকটি রেসিপি। চলুন জেনে নিই। পাটিসাপটা পিঠা উপকরণ ময়দা ২ কাপ, চিনি ১ কাপ, পানি প্রয়োজনমতো। পুরের জন্য ঘন দুধ ৪ কাপ, পাকা আমের কাঁঠাল (মাখানো আম) ১ কাপ, পোলাওয়ের চাল ২ টেবিল চামচ (ভিজিয়ে ব্লেন্ড করে নিন), চিনি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া ও লবণ সামান্য। প্রণালি ময়দা, চিনি ও প্রয়োজনমতো হালকা গরম পানি দিয়ে মিশিয়ে মাঝারি ঘন মিশ্রণ তৈরি করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার পুরের সব উপকরণ একসঙ্গে একটি হাঁড়িতে নিয়ে চুলার হালকা আঁচে রান্না করুন। ঘন ঘন নাড়তে হবে যেন নিচে লেগে না যায়। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে একটি ছড়ানো প্লেটে ঢেলে ঠান্ডা করে নিন। প্যান গরম করে তাতে অল্প তেল ব্রাশ করুন। ময়দার মিশ্রণ আধা কাপ পরিমাণ ঢেলে প্যান ঘুরিয়ে বড় রুটির মতো ছড়িয়ে দিন। ২-৩ মিনিট পর এক পাশে পুর দিয়ে পিঠাগুলো ভাঁজ করে তুলে নিন। আমের লাচ্ছি উপকরণ পাকা আম কিউব করে কাটা ৩ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ (স্বাদমতো), মিষ্টি দই ১.৫ কাপ, পানি ২ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স সামান্য (ইচ্ছামতো)। সাজানোর জন্য: পেস্তা বাদাম কুচি ১ টেবিল চামচ ও বরফ কুচি। প্রণালি সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। ঠান্ডা পরিবেশনের জন্য স্বচ্ছ গ্লাসে ঢেলে উপর থেকে পেস্তা বাদাম কুচি ও বরফ কুচি ছড়িয়ে দিন।
শামীম গা*য়ে হা*ত দেয়নি, দুঃখ প্রকাশ সেই অভিনেত্রীর

শামীম গা*য়ে হা*ত দেয়নি, দুঃখ প্রকাশ সেই অভিনেত্রীর অভিনেতা শামীম হাসান সরকারের নামে মারধর, গালিগালাজ, হুমকির মতো অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা প্রিয়া। শুধু তাই নয়, শুটিং সেটে মাদক সেবন করে তার সঙ্গে বাজে ব্যবহারের অভিযোগও করেন এই অভিনেত্রী। এ ঘটনার পর প্রিয়াঙ্কার সব অভিযোগ অস্বীকার করেন শামীম হাসান সরকার। পরবর্তী সময়ে অভিনয়শিল্পী সংঘে দুজনই অভিযোগ জানান। তার ভিত্তিতে সালিস বৈঠকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সমাধান করা হয়েছে। জানা গেছে, এই পরিস্থিতি নিয়ে তারা দুজনই অনুতপ্ত। এতে করে সংশ্লিষ্ট শিল্প মাধ্যমের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার দায় স্বীকার করে এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘও। অভিনয়শিল্পী সংঘের ফেসবুক পেজ থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে অভিনেতা শামীমকে তার ভুলের জন্য ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী এবং নারী সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনেতাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। জানা যায়, সেই সালিসে ছিলেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কাও। সেখান থেকে অনুতপ্ত মনোভাব প্রকাশ করেন তিনি। এই অভিনেত্রী বলেন, শুটিং সেটে শামীম ভাইয়ের সঙ্গে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। শট দিতে গিয়ে আমার ভুল হয়, উনি রেগে যান, গালিগালাজ করেন। তবে উনি এসব রাগের মাথায় করেছেন, এটা উনি স্বীকার করেছেন। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ঘটনাটি আমি সরাসরি শিল্পী সংঘে না জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফেলি, এটা আমার ভুল ছিল। আমি যেহেতু নতুন, তাই ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। এ জন্য আমি দুঃখিত। ধর্ষণের অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, ধর্ষণের ব্যাপারটি একেবারে ভুল তথ্য। উনি আমাকে স্পর্শ করেননি বা এ ধরনের কিছু করেননি। অভিনয়শিল্পী সংঘ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পক্ষই অনুতপ্ত। তাদের ভুল স্বীকার এবং দুঃখ প্রকাশ শিল্পীসমাজে দায়বদ্ধতার দৃষ্টান্ত। কয়েক সপ্তাহ আগে প্রিয়াঙ্কা প্রিয়া একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামীম হাসান সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনেন। তিনি দাবি করেন, শামীম শুটিং সেটে তাকে গালিগালাজ করেছেন, মারধরের চেষ্টা করেছেন এবং এমনকি ধর্ষণের হুমকিও দিয়েছেন। সাক্ষাৎকারটি সম্প্রচার হওয়ার পরপরই সামাজিকমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। শামীম হাসান সরকারও এর পরদিনই এক সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি দাবি করেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
দুবাই বিমানবন্দরে ৩ দিন আটকে থেকে অবশেষে দলের সঙ্গে রিশাদ-নাহিদ

দুবাই বিমানবন্দরে ৩ দিন আটকে থেকে অবশেষে দলের সঙ্গে রিশাদ-নাহিদ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনদিন আটকে থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশের তরুণ দুই ক্রিকেটার রিশাদ হোসেন ও নাহিদ রানা দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার ভোররাতে তারা মুক্তি পান এবং শারজাহতে দলের সঙ্গে যুক্ত হন। এই ঘটনায় প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ঠিক ১৮ ঘণ্টা আগে তারা টিম হোটেলে পৌঁছান। গত ১৪ মে বাংলাদেশ দল প্রথম দফায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমায়। বাকি খেলোয়াড়রা নির্বিঘ্নে ইমিগ্রেশন পার হলেও রিশাদ ও নাহিদকে আটকে রাখা হয় ‘ডকুমেন্ট যাচাই’-এর জন্য। বিষয়টি এতটাই দীর্ঘায়িত হয় যে, একপর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ মিঠু জানান, “তাদের ভিসা বৈধ ছিল। তারা দলের সঙ্গেই গিয়েছিল। কিন্তু ইমিগ্রেশনে আটকে গিয়ে তারা ‘রিভিউ’র মধ্যে পড়ে। মাঝখানে তাদের খুঁজে পাওয়াই যাচ্ছিল না। ” বিসিবি দ্রুত আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড এবং দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করে। শেষপর্যন্ত ১৭ মে ভোর ২:৩০টার দিকে তাদের মুক্তি মেলে। এই বিলম্বের প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তান থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন। তখন পিএসএল (পাকিস্তান সুপার লিগ) স্থগিত হওয়ায় তারা দুবাইয়ে স্বল্প সময় অবস্থান করেন। সেসময় কোনো ডকুমেন্টসে ঘাটতি থাকায় হয়তো এবার ইমিগ্রেশনে বাধা সৃষ্টি করেছে। তিন দিনের জটিলতায় রিশাদ ও নাহিদ দলের দুটি প্রস্তুতি সেশন মিস করেছেন। তাদের ১৮ মে’র প্রথম ম্যাচে মাঠে নামানো হবে কি না, তা নির্ভর করবে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির ওপর। বাংলাদেশ ১৮ ও ২০ মে শারজাহতে দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে।
বিসিবিতে ফের দুদকের অভিযান

বিসিবিতে ফের দুদকের অভিযান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং তৃতীয় বিভাগ বাছাইয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগে ফের অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ দুপুর ১টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়। দুদকের জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযান পরিচালনা করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল। এর আগে ১৬ এপ্রিল মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রায় ১৯ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক। সেসময় অভিযোগ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। সম্প্রতি বিসিবির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। তার বিরুদ্ধে বিসিবি ও সরকারি অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বিসিবির কাছে ২৭ ধরনের তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক সাইদুজ্জামান। তার সঙ্গে রয়েছেন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও উপসহকারী পরিচালক সুবিমল চাকমা।
তিন বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

তিন বিভাগে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুএক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। গতকাল বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ি, সিরাজগঞ্জ, চাঁদপুর, বান্দরবান, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর ও ঝিনাইদহ অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে। শনিবারের (১৭ মে) পূর্বাভাস রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটের কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। রোববারের (১৮ মে) পূর্বাভাস রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সোমবার (১৯ মে) ও মঙ্গলবারের (২০ মে) পূর্বাভাস রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। প্রথম দিনে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, দ্বিতীয় দিনে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে।
২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৫৬৬ জন গ্রেফতার

২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৫৬৬ জন গ্রেফতার সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ৯৯৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া অন্যান্য ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন ৫৭১ জন। আজ পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ৯৯৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য ঘটনায় গ্রেফতার ৫৭১ জন। মোট গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫৬৬ জনকে। বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের এই কর্মকর্তা।