রহনপুর পৌরসভা ট্রাফিকদের মধ্যে ছাতা বিতরণ

রহনপুর পৌরসভা ট্রাফিকদের মধ্যে ছাতা বিতরণ গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার ট্রাফিকদের মধ্যে ছাতা বিতরণ করছে মানবতার সেবায় রহনপুর নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। গতকাল সকালে রহনপুরস্থ উপজেলা ডাকবাংলো চত্বরে ছাতাগুলো বিতরণ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি ও রহনপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান জেম প্রধান অতিথি থেকে ট্রাফিকদের মধ্যে ছাতাগুলো বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ খান, কোষাধ্যক্ষ আইনাল হক সুমন, সদস্য ফিরোজ কবির, মুনিরুল ইসলাম, খায়রুল আনামসহ অন্যরা। সংগঠনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান জেম বলেন, রোদ ও বৃষ্টিতে ট্রাফিকদের দায়িত্ব পালন করা একটি কষ্টসাধ্য কাজ। রাস্তায় শৃঙ্খলা, যাত্রীদের নিদিষ্ট গন্তব্যে যেতে ও যানবাহনের যানজট নিরসনে কাজ করে থাকেন তারা। তাদের একটু কষ্ট দূর করতে এই সামান্য প্রচেষ্টা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদীতে ভাসমান এক ব্যাক্তির মর*দেহ উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদীতে ভাসমান এক ব্যাক্তির মর*দেহ উদ্ধার চাঁপাইনবাবঞ্জ শহর ঘেঁষা মহানন্দা নদী থেকে মনিমুল হক নামে এক ব্যাক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি শহরের রাজারামপুর মিস্ত্রীপাড়া মহল্লার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। পূর্বে তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর (আদম ব্যাপারী) কাজ করতেন। পরিবার, পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটারেরও বেশি দূরে শহরের নামো-রাজারামপুর এলাকায় তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজ্ঞাত হিসেবে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বিকালে স্বজনরা তাকে শনাক্ত করে। এর আগে পুলিশ ব্যূরো অব ইনভেষ্টিগেশন-পিবিআই এর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ থেকে আলামত সংগ্রহ করে। মরদেহের বাম বগলের নীচে ও বাম বাহুর চামড়া ছিলা ছিল। এছাড়া দেহে বাহ্যিক কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। সদর থানার অফিসসার ইনচার্জ(ওসি) মতিউর রহমান বলেন, মনিমুলের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পেলেই তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। পরিবারের বরাতে ওসি আরও বলেন, প্রদিনি সকালে বাড়ির নিকট ঘাটে তাঁর গোসল করতে যাওয়া অভ্যাস ছিল। রাতে তিনি বাড়িতে ছিলেন; হতে পারে সকালে গোসলে নেমে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও ছিল।

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০১ জনকে পরীক্ষা করে ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৬০ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২ জন। এর ফলে এ সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৮ জন দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০০ জনে। দেশে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৭৮ জন। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু-দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

শিবগঞ্জে নদীতে কৃষকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

শিবগঞ্জে নদীতে কৃষকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার শিবগঞ্জ উপজেলার পাগলা নদী থেকে থেকে আসাবুল নামে এক কৃষকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি শিবগঞ্জের চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত গতকাল রাত ৮টার দিকে শিবগঞ্জের কানসাট ঘাট এলাকায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহে বাহ্যিক তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন মেলে নি। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, আসাবুল গতকাল সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন এবং প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ,পানিতে ডুবে তাঁর মৃুত্য হয়েছে। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে; মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তার মৃত্যুর কারণ বেরিয়ে আসবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বিদ্যূৎ স্পৃষ্টে আবু রায়হান নামে একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি মহারাজপুর ইউনিয়নের মাসানিয়াপাড়া এলাকার আনারুল ইসলামের ছেলে। পরিবার, পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর সোয়া ২টার দিকে নিজ বাড়িতে একটি ড্রিল মেশিনে কাজ করছিলেন রায়হান। এসময় তিনি অসতর্কতাবশত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে পড়ে যান ও চিৎকার দেন। ঘটনা টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে বিকেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৩৬৯ হাজি

প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৩৬৯ হাজি ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে। সৌদি আরবে পবিত্র হজ সম্পন্ন করে প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩৬৯ জন হাজি। আজ সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এসভি-৩৮০৩’ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজে হাজিদের স্বাগত জানান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। তিনি ফুল দিয়ে প্রথম ফিরতি ফ্লাইটের হাজিদের বরণ করে নেন। বিমানবন্দরে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও হজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, আজ আরো সাতটি ফিরতি ফ্লাইটে আড়াই হাজারের বেশি হাজি দেশে ফিরবেন। ফিরতি হজ ফ্লাইট চলবে আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত। এ বছর হজ উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সৌদি আরবে গেছেন। এর মধ্যে প্রথম হজ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায় ২৯ এপ্রিল।এরপর প্রায় এক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে হজযাত্রীদের বহন করে ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হয়। সর্বশেষ হজ ফ্লাইটটি যায় গত ১ জুন। পুরো এই সময়ে মোট ২২০টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। যার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। এবার হজ ফ্লাইট পরিচালনায় অংশ নেয় তিনটি এয়ারলাইনস।সেগুলো হচ্ছে—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইনস এবং ফ্লাইনাস। ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রেও এসব এয়ারলাইনস প্রতিদিন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনা করবে। ফিরতি হজযাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে নেওয়া হয়েছে কয়েকটি বিশেষ ব্যবস্থা। বেবিচক জানিয়েছে, এভসেক পুরো হজযাত্রী চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ফ্লাইট আগমনের পর আনসার সদস্যরা হাজিদের স্বাগত জানিয়ে সঠিক পথে গাইড করবেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের তত্ত্বাবধানে হাজিদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ কাউন্টারে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এতে করে ভিড় এড়ানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। লাগেজ বেল্ট ৫, ৬, ৭ ও ৮ শুধুমাত্র হাজিদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। আনসার সদস্যরা হাজিদের লাগেজ সংগ্রহে সহায়তা করবেন। লাগেজ সংগ্রহ শেষে হাজিরা গ্রিন চ্যানেল-২ দিয়ে কাস্টমস পার হবেন। এরপর তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তত্ত্বাবধানে জমজমের পানি সংগ্রহ করবেন এবং ক্যানোপি-২ দিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। এছাড়া, এপিবিএন এর ব্যবস্থাপনায় হাজিদের জন্য নির্ধারিত ড্রাইভওয়েতে যান চলাচল সুনিশ্চিত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ; পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্ত ৭৪৭

ভারতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ; পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্ত ৭৪৭ ভারতে ফের ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সোমবার একদিনে নতুন করে ৩৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে দেশজুড়ে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৯১ জনে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। সোমবার (৯ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে কেরালায়, যেখানে বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৯৫৭ জন। এর পরেই রয়েছে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ এবং রাজধানী দিল্লি। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে নতুন করে ৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২৮ জনে। পশ্চিমবঙ্গে রোববার থেকে সোমবার পর্যন্ত ৫৪ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফলে রাজ্যে মোট সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ জনে, যা কেরালা ও গুজরাটের পর দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ। করোনার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘কোভিড শব্দটি শুনলেই মানুষ ভয় পায়। তবে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ তবে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে ওমিক্রনের নতুন উপ-ভ্যারিয়েন্ট—জেএন১, এনবি.১.৮.১, এলএফ৭ এবং এক্সএফসি। এগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হালকা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এসব ভ্যারিয়েন্টকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন রূপ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং জানিয়েছে, বর্তমানে আতঙ্কের কিছু নায়। তবে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সকালে বিটরুটের জুস খেলে কী হয়?

সকালে বিটরুটের জুস খেলে কী হয়? প্রতিদিন সকালে বিটরুটের রস খেলে তা শরীরের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, বিটরুটের রসে থাকা নাইট্রেট পেশীতে অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত করে, সহনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যায়ামের সময় ক্লান্তি কমায়। গবেষণা ইঙ্গিত দেয় যে, বিটরুটের রস খাওয়া ক্রীড়াবিদদের কর্মক্ষমতা উন্নত হয়। বিটরুটের রসে বিটালাইন থাকে, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এই যৌগগুলো নির্দিষ্ট ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ সহ দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়। বিটরুটের জুস কীভাবে তৈরি করবেন ১টি ছোট বিটরুট ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ছোট ছোট কিউব করে কেটে একটি ব্লেন্ডার জারে ১/২ ইঞ্চি আদা, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ১/২ কাপ পানি দিন। মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। এবার সেই রসে এক চিমটি ব্ল্যাক সল্ট মিশিয়ে পান করুন। তৈরির প্রক্রিয়া তো জানলেন, এবার তবে জেনে নিন প্রতিদিন সকালে বিটরুটের জুস খেলে কী হয়- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে বিটরুট প্রাকৃতিক নাইট্রেট সমৃদ্ধ, যা শরীর নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত করে। এটি একটি যৌগ যা রক্তনালীকে শিথিল এবং প্রশস্ত করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়াটি রক্ত ​​প্রবাহকে উন্নত করে এবং রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালেরতাজা বিটরুটের রসে খেলে হৃদরোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে বিটরুটের শটে ক্যালোরি কম থাকে এবং এতে কোনো চর্বি থাকে না। সুতরাং, এটি সকালে পান করার জন্য একটি দুর্দান্ত সংযোজন হতে পারে। সকালে বিটরুটের জুস খেলে তা যথেষ্ট পুষ্টি শরীরে পৌঁছে দেয়, যা শক্তি বৃদ্ধি করে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ বিটরুট পটাশিয়াম, খনিজ পদার্থ এবং ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ। যা স্নায়ু এবং পেশীকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। তাই শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য বিটরুটের জুস খেতে পারেন। লিভারের জন্য ভালো বিটরুট তার ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এতে বিটালাইন এবং বিটেইন রয়েছে। এগুলো এক ধরনের যৌগ যা লিভারকে ভালোভাবে বিষাক্ত পদার্থ প্রক্রিয়া করতে সহায়তা করে। বিটরুট লিভার এনজাইমের কার্যকলাপ বৃদ্ধি করে এবং পিত্ত উৎপাদনে সহায়তা করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে বিটরুটে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই পুষ্টিগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ও সুস্থ রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে। সেইসঙ্গে ত্বকের প্রাকৃতিক মেরামত প্রক্রিয়ায়ও সহায়তা করে। যার ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিটরুট ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন এবং জিঙ্কের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর। যার সবই একটি সুস্থ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর উজ্জ্বল লাল রঙ আসে বিটালাইন থেকে, যা প্রদাহ কমাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়তা করার জন্য পরিচিত শক্তিশালী উদ্ভিদ যৌগ। হজম উন্নত করে বিটরুট খাদ্যতালিকাগত ফাইবার এবং নাইট্রেট সমৃদ্ধ, যা সুস্থ হজম এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। এর প্রাকৃতিক যৌগ পিত্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে, লিভারকে চর্বি ভাঙতে এবং বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়াও ফাইবার পাচনতন্ত্রকে নিয়মিত এবং সুষম রাখতে সাহায্য করে।

সমালোচনার উত্তর দেবেন যেভাবে

সমালোচনার উত্তর দেবেন যেভাবে সমালোচনা এমন একটি বিষয় যার সম্মুখীন আমরা সবাই হই। কর্মক্ষেত্রে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে, এমনকি অনলাইনে অপরিচিতদের কাছ থেকেও। এবং সত্যিকার অর্থে এটি সবসময় ভালো লাগে না। কখনো কখনো এ ধরনের অভিজ্ঞতা মনের মধ্যে থেকে যায়, বিশেষ করে যখন এটি আমাদের স্নায়ুকে স্পর্শ করে বা আমাদের অস্থির করে তোলে। কিন্তু সমালোচনা মোকাবিলা করতে হবে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের অর্থ হলো নিজের নিজের আবেগ বোঝা এবং তা বিজ্ঞতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হওয়া। কেউ সমালোচনা করলে তার উত্তর দিতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন না। কঠোর সমালোচনা থেকেও মূল্যবান শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব, যদি আপনি জানেন যে কীভাবে শিখতে হয়। কেউ আপনার সমালোচনা করলে কী করবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে থামুন সমালোচনার পর প্রথম মুহূর্তটিই সবচেয়ে আবেগপ্রবণ হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে পিছিয়ে আসুন এবং গভীর নিঃশ্বাস নিন। এই ছোট্ট বিরতি আপনাকে শান্ত হতে সাহায্য করবে এবং এমন কিছু আবেগপ্রবণ কথা বলা এড়াতে সাহায্য করবে যা পরে অনুশোচনার কারণ করতে পারে। অন্যের সমালোচনা এবং প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বিরতি নিন। এতে বিষয়টি অতোটাও জটিল মনে হবে না। ২. কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন কখনো কখনো সমালোচনার ভাষা কঠোর হলেও হয়তো তার উদ্দেশ্য আপনার উপকার করা হতে পারে। আপনার ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স সঠিক বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে। আপনি সমালোচনার পেছনের উদ্দেশ্য ধরতে পারবেন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করুন, এই ব্যক্তি আসলে কী বলতে চাইছেন? কীভাবে বলছে তার বদলে কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন। ৩. ভালোভাবে বুঝতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন চুপ করে থাকার পরিবর্তে, কৌতূহলের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান। আপনার কথাগুলো বুঝতে পারিনি, আরেকবার বুঝিয়ে বলবেন কি? অথবা, আপনার কি মনে হয় আমি অন্যভাবে কী করতে পারতাম? এর মতো চিন্তাশীল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন। এতে আপনার মানসিক পরিপক্কতার প্রমাণ মিলবে। ৪. ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না কেউ যখন কোনো ত্রুটি বা ভুল দেখিয়ে দেয়, বিশেষ করে যদি তা কোনো সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে, তখন আঘাত লাগা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কিন্তু ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সব সমালোচনাই ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। একটি ভুল আমাদের মূল্য বা ক্ষমতা কমিয়ে দেয় না। তাই কেউ সমালোচনা করলেই আপনি ছোট হয়ে যাবেন না, বরং সেখান থেকেও শেখার চেষ্টা করুন।

২৫০ কোটির বাড়ি বানালেন রণবীর-আলিয়া !

২৫০ কোটির বাড়ি বানালেন রণবীর-আলিয়া ! বলিউডের তারকা জুটি রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট বানিয়েছেন ২৫০ কোটির নতুন বিলাসবহুল বাড়ি। বান্দ্রায় কাপুর পরিবারের পৈতৃক ভিটেয় তৈরি হয়েছে এই ছয়তলা বিশিষ্ট ‘কাপুর ম্যানশন’। অভিজাত এই বাড়ি দেখতে যেমন রাজপ্রাসাদ, তেমনই দামেও পিছিয়ে নেই শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ বা অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র তুলনায়। রণবীরের বাবা প্রয়াত ঋষি কাপুর ও মা নীতু কাপুর উত্তরাধিকার সূত্রে পান কাপুরদের পুরোনো বাড়ি। সেখানেই পুরোনো ভবন ভেঙে গত দেড় বছর ধরে নতুন বাড়ি নির্মাণ করিয়েছেন রণবীর-আলিয়া। বলিউড সূত্র জানায়, সম্প্রতি বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এখন শুভ দিনক্ষণ দেখে গৃহপ্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে পাপারাজ্জিদের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ব্যালকনি সাজানো হয়েছে নানা রকম ফুল ও গাছে। গোটা ভবনজুড়ে আধুনিক ধূসর রঙের ছোঁয়া, যা আবারও এই তারকা দম্পতির সৌন্দর্যবোধ ও রুচির পরিচয় দেয়। জানা যায়, ১৯৮০ সালে রাজ কাপুর ও কৃষ্ণারাজ কাপুর এই সম্পত্তি ঋষি কাপুর ও নীতু কাপুরের নামে লিখে দেন। সেই সূত্রেই নতুন করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল ছয়তলা বাড়ি। সূত্র আরও জানিয়েছে, বাড়ির রেজিস্ট্রি হবে রণবীর-আলিয়ার কন্যা রাহার নামে। ঠাকুমার নামে থাকা বাড়ির অর্ধেক রাহাকে উপহার দিতে চান তারা। বর্তমানে রণবীর ও আলিয়া আলাদা ফ্ল্যাটে থাকেন নীতু কাপুরের সঙ্গে। তবে নতুন বাড়ি তৈরি হয়ে গেলে তারা এক ছাদের নিচে থাকার পরিকল্পনা করেছেন। পাশাপাশি, এই তারকা জুটির আরও চারটি ফ্ল্যাট রয়েছে বান্দ্রাতেই, যেগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ কোটি টাকা। এ ছাড়া নীতু কাপুর সম্প্রতি নিজ নামে ১৫ কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন বলেও জানা গেছে। প্রসঙ্গত, রণবীর বর্তমানে ব্যস্ত আছেন ‘রামায়ণ’-এর শুটিংয়ে এবং আলিয়া আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একাধিক প্রজেক্টে কাজ করছেন। ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত সময় বের করে নতুন বাড়ির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন তারা।