গোমস্তাপুরে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ

গোমস্তাপুরে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ গোমস্তাপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বেলা ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকির মুন্সী। উদ্বোধনী দিনে প্রত্যেক কৃষককে বিঘাপ্রতি ৫ কেজি করে আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়। উপজেলা কৃষি বিভাগ আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ও সূচনা বক্তব্য দেন— উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার লাবনী, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলামসহ উপহারভোগী কৃষকরা। প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খরিফ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রোপা আমন, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, ইয়ার ফ্লো মেশিন, তালা, নারিকেল, লেবু, পেঁয়াজ কন্দ, আম, নিম, কাঁঠাল, বেল, তুলা ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে এসব উপকরণ বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২০ জনকে রোপা আমন (উফশী) ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার; ৫৫০ জনকে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, বালাইনাশক ও রাসায়নিক সার; ১৫০ জনকে উফশী জাতের শাকসবজি ও রাসায়নিক সার; ৯৫ জনকে লেবু ও জৈব সার; ১০ জনকে শীতকালীন পেঁয়াজ কন্দ, বালাইনাশক ও সংরক্ষন পাত্র; ৮৬ জনকে উন্নতজাতের আম; ২০ জনকে হাইব্রিড তুলা; ৮টি পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য এয়ার ফ্লো মেশিন; ৯০টি প্রতিষ্ঠানকে নারিকেলের চারা; কৃষক পরিবারের ১ হাজার ৪৫০ শিক্ষার্থীকে নিম, বেল, জাম ও কাঁঠাল চারাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৪৩০টি তালের চারা ও বেড়া সহায়তা করা হবে হলে উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
শিবগঞ্জে ৬ দফা দাবিতে স্বাস্থ্য সহকারীদের অবস্থান কর্মসূচি

শিবগঞ্জে ৬ দফা দাবিতে স্বাস্থ্য সহকারীদের অবস্থান কর্মসূচি ৬ দফা দাবিতে শিবগঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। আজ সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েনের ব্যানারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন উপজেলা শাখার সভাপতি রাকিব রায়হান, সহসভাপতি নুরুন্নাহার শাপলা, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, স্বাস্থ্য সহকারী মিজানুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদসহ অন্যরা। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য স্বাস্থ্য সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য সহকারীরা যেভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের দৌড় গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে- সে অনুযায়ী আমরা বেতন পাচ্ছি না। পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া দরকার। এখনো আমরা অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। ৬ দফা দাবির সমূহের মধ্যে রয়েছে- নির্বাহী আদেশে নিয়োগ বিধি সংশোধন শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক/সমাধান করে ১৪তম গ্রেড প্রদান, ইন সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেকনিক্যাল পদমর্যাদাসহ বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, পদোন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করা, পূর্বের নিয়োগবিধি অনুযায়ী নিয়োগ পেলেও কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী সকল স্বাস্থ্য পরিদর্শক স্বাস্থ্য পরিদর্শকদের অভিজ্ঞতার আলোকে স্নাতক পাস স্কেলে আত্মীকরণ করতে হবে, বেতন স্কেলে উন্নীতকরনের পূর্বে স্বাস্থ্য সহকারী সহকারি স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য পরিদর্শকগণ যত সংখ্যক টাইম স্কেল অথবা উচ্চতর গ্রেট প্রাপ্ত বা প্রাপ্য হয়েছেন তা পরবর্তী পুননির্ধারিত বেতন স্কেলের সাথে যোগ করতে হবে, পূর্বে ইন সার্ভিস ডিপ্লোমা এসআইটি কোর্স সম্পূর্ণকারী স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক স্বাস্থ্য পরিদর্শকদেরকে ডিপ্লোমাধারী সম্পন্ন হিসেবে গণ্য করে সরাসরি ১১তম দিতে হবে।
প্রয়াস পরিদর্শন করলেন পিকেএসএফ’র শফিকুল ইসলাম

প্রয়াস পরিদর্শন করলেন পিকেএসএফ’র শফিকুল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নশিপুরে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও দুগ্ধ পণ্য বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সাধারণ পর্ষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শাহেদ। এসময় তিনি উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত খিরসা, মাঠা ও স্বর দই খেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আজ সকালে পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন পিকেএসএফ’র আরএমটিপি প্রকল্পের ভ্যালুচেইন প্রজেক্ট ম্যানেজার এরফান আলী। পরিদর্শন দলের সঙ্গে ছিলেনÑ প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন, পরিচালক (মানবসম্পদ প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) আলেয়া ফেরদৌস, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, আরএমটিপি ডেইরি প্রকল্পের ফোকাল পার্সন ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাজিন বিন রেজাউল। এসময় তার সহধর্মিণী ও কন্যাসন্তান সঙ্গে ছিলেন। অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আরএমটিপি ডেইরি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. মাহমুদুল হাসান, প্রোডাক্ট প্রোমোশন অ্যান্ড মার্কেটিং অফিসার কৃষিবিদ তোহরুল ইসলাম, সহকারী ভ্যালুচেইন ফ্যাসিলিটেটর আব্দুল্লাহ-আল-কাফি, আকরাম আলী মোল্লা, আব্দুল আলীম, প্রয়াসের অফিসার শাহরিয়ার শিমুল, সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক। পরে তিনি নাধাইকৃষ্ণপুরে সাঁওতাল পল্লীতে আদিবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন। সন্ধ্যায় রেডিও মহানন্দার দেশ ও দেশের বাইরে থেকে আসা অতিথিদের নিয়ে অনুষ্ঠান “কাছে থেকো বন্ধু” প্রোগ্রামে অংশ নেন এবং প্রয়াস ফোক থিয়েটারের ইনস্টিটিউটের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এসময় তাকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেস্ট উপহার দেন প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন।
হজ শেষে ফিরেছেন ৪২ হাজার ৯৫০ হাজি

হজ শেষে ফিরেছেন ৪২ হাজার ৯৫০ হাজি হজপালন শেষে সৌদি আরব থেকে শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৪২ হাজার ৯৫০ হাজি। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৬ জন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৪৪ জন হাজি। আজ হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।এতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ১০৯টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে দেশে ফেরা হাজিদের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪৩টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ১৭ হাজার ৮২ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৭টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৫৪৩ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৩২৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হজে গিয়ে ৩৮ বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও নারী ১১ জন। এর মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ২৫ জন, মদিনায় ১১ জন, জেদ্দায় একজন ও আরাফায় ১ জন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট ছিল ২৯ এপ্রিল আর শেষ ফ্লাইট ৩১ মে। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় গত ১০ জুন। এ দিন সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এসভি-৩৮০৩’ ৩৭৭ হাজিকে নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।আগামী ১০ জুলাই হজযাত্রীদের শেষ ফিরতি ফ্লাইট।
শেষ টেস্ট খেলতে গল থেকে কলোম্বোতে বাংলাদেশ দল

শেষ টেস্ট খেলতে গল থেকে কলোম্বোতে বাংলাদেশ দল দাপট দেখিয়েও গল টেস্ট জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ড্র করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে টাইগারদের। এবার সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে চোখ নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। আজ দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু কলোম্বোতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। দলের সঙ্গে সকল ক্রিকেটার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা সেখানেই পৌঁছেছেন। কলোম্বো পৌঁছে অবশ্য ক্রিকেটাররা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঘুরে ফিরে দেখছেন ক্রিকেটাররা। কয়েকজন ক্রিকেটারের সঙ্গে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরাও। আগামীকাল থেকে মাঠের অনুশীলনে নামার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। আগামী দুইদিন অনুশীলন শেষে আগামী ২৫ জুন সিরিজের শেষ টেস্টে মাঠে নামবে দুই দল। শেষ টেস্টে দলে দেখা যাবে মেহেদী হাসান মিরাজকে। কলম্বো টেস্ট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী অধিনায়ক শান্ত। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এই ম্যাচ আত্মবিশ্বাস দেবে। মিরাজ সুস্থ আছে পুরোপুরি। আশা করি পরের ম্যাচে খেলতে পারবে। কন্ডিশন ভিন্ন হবে। ওই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা খুব কম প্লেয়ারেরই আছে। মুশফিক (মুশফিকুর রহিম) ভাইয়ের সম্ভবত ১ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে। এছাড়া আর কেউ খেলেনি। কন্ডিশনে বুঝে টিম কম্বিনেশন হবে। ব্যাটিং অইখানে যাওয়ার পর বুঝতে পারব। এই ম্যাচ অবশ্যই দলকে আত্মবিশ্বাস দেবে।’
সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনার টাকা বাড়ালো সরকার

সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনার টাকা বাড়ালো সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ দিচ্ছে সরকার। এই সুবিধায় সর্বনিম্ন দেড় হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭৫০ টাকা করা হয়েছে। আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ও সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ও সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুমোদিত হয়। উপস্থাপন করা বাজেটের ওপর পত্রপত্রিকায় মতামত ও অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে নাগরিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ওপর ভিত্তি করে নিম্নরূপ পরিবর্তন আনা হয়েছে : এতে আরো বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধা চাকরিরতদের জন্য ন্যূনতম ১৫০০ টাকা এবং পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭৫০ টাকা করা হয়েছে। নিট টেনশন ১৭ হাজার ৩৮৮ টাকার ঊর্ধ্বে প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং তদনিম্নের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে বিশেষ সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিচারপতি এবং এমপিওভুক্তদের ক্ষেত্রে আলাদা আদেশ করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। গত ৩ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে জানানো হয়েছিল, কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই বিশেষ সুবিধার ন্যূনতম পরিমাণ হবে এক হাজার টাকা এবং পেনশনভোগীদের জন্য তা ন্যূনতম ৫০০ টাকা হবে।
বাংলাদেশে ভারতীয় ‘রিপাবলিক বাংলা’ টিভির সম্প্রচার বন্ধে রুল

বাংলাদেশে ভারতীয় ‘রিপাবলিক বাংলা’ টিভির সম্প্রচার বন্ধে রুল বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘রিপাবলিক বাংলা’র সম্প্রচার বন্ধে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। এর আগে ‘রিপাবলিক বাংলা’ টিভির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ডে তাদের নিউজ ও কনটেন্ট নিষিদ্ধ এবং ব্লক করার দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। ওই রিট পিটিশনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব; আইসিটি বিভাগের সচিব এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে। রিট পিটিশনে বলা হয়, ‘রিপাবলিক বাংলা’ একটি ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল। এই চ্যানেল স্যাটেলাইট সম্প্রচারের পাশাপাশি তাদের নিউজ, কনটেন্টসমূহ ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, এই ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা প্রচার করে যাচ্ছে। এতে বলা হয়, এই ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ক্রমাগতভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য সম্প্রচার করছে এবং বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। এই ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে চট্টগ্রাম বিভাগকে বিচ্ছিন্ন করে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এছাড়া এই চ্যানেল নিরন্তর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রিট পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘রিপাবলিক বাংলা’ সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিডিয়া আগ্রাসন চালাচ্ছে। এই চ্যানেল বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এছাড়া উক্ত ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলটি বাংলাদেশের জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। “বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই ‘রিপাবলিক বাংলা’ চ্যানেলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের জননিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত বিদেশি টেলিভিশন চ্যানেলের সব নিউজ, কনটেন্ট বাংলাদেশের ভূখণ্ডে নিষিদ্ধ ও ব্লক করে দিতে হবে।” বলা হয় পিটিশনে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে এর আগে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও বাংলাদেশ সরকার ‘রিপাবলিক বাংলা’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং চ্যানেলটির নিউজ ও কনটেন্টগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইউটিউব থেকে ব্লক না করার কারণে উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। আজ শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেন।
কাঁঠালের বিচির জাদুকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা

কাঁঠালের বিচির জাদুকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা কাঁঠালের বিচি শুধুই ফেলে দেওয়ার বস্তু নয়—এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যের জন্য রয়েছে একাধিক উপকারিতা। খেতেও সুস্বাদু। প্রতি ১শ গ্রাম বিচি থেকে শক্তি পাওয়া যায় ৯৮ ক্যালরি। এতে কার্বোহাইড্রেট ৩৮ দশমিক ৪ গ্রাম, প্রোটিন ৬ দশমিক ৬ গ্রাম, ফাইবার ১ দশমিক ৫ গ্রাম, চর্বি শূন্য দশমিক ৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম শূন্য দশমিক ৫ থেকে শূন্য দশমিক ৫৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস শূন্য দশমিক ১৩ থেকে শূন্য দশমিক ২৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ১ দশমিক ২ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম ও পটাসিয়াম ৪ দশমিক ৭ মিলিগ্রাম রয়েছে। যেসব উপকারিতা মিলবে কাঁঠালের বিচি খেলে, আসুন জেনে নিই: * কাঁঠালের বিচি আয়রনের একটি বড় উৎস। নিয়মিত এটি খেলে রক্তস্বল্পতা ও অন্যান্য রক্তরোগের ঝুঁকি দূর হয়। এছাড়া আয়রন মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্র সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। * হেলথলাইন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি আর্টিকেলে বলা হচ্ছে, কাঁঠালের বিচিতে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান রয়েছে। এর উপরিভাগ ছোট ছোট কণা দ্বারা আবৃত থাকে যা ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে। কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। * ফাইবার ও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চসমৃদ্ধ কাঁঠালের বিচি খেলে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষুধা নিবারণ করা সহজ হয়। এরা শরীরে সহজে হজম হয় না। কিন্তু অন্ত্রে থাকা উপকারী। * ব্যাকটেরিয়াদের খাদ্য হিসেবে কাজ করে। * রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় কাঁঠালের বিচি। * স্টাইলক্রেজ ওয়েবসাইট বলছে, কাঁঠালের বিচিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যগুলো ফ্রি র্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। *অকাল বার্ধক্য ও বলিরেখা থেকে দূরে থাকা যায়। ঠান্ডা দুধে কাঁঠালের বিচি পিষে ত্বকে লাগালে ত্বক টানটান থাকে। * কাঁঠালের বিচি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়ায়। * কাঁঠালের বিচিতে থাকা উচ্চ মানের প্রোটিন আমাদের পেশি তৈরিতে সাহায্য করে। * কাঁঠালের বিচি বদহজম রোধ করে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। * কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে আসে। * কাঁঠালের বিচি প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস সমৃদ্ধ যা মানসিক চাপ কমায়। * বলিরেখা দূর ও ত্বকের বিভিন্ন রোগ সারাতে সাহায্য করে। * প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে কাঁঠালের বিচিতে। চোখের জন্য উপকারি ও রাতকানা রোগ কাটাতেও সাহায্য করে। * চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমে। *নিয়মিত কাঁঠালের বিচি খেলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়বে। এটি খেলে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতাও দূর হবে।
জেল্লা বাড়াতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী মাস্ক

জেল্লা বাড়াতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী মাস্ক ত্বকের দীপ্তি ফেরাতে বাজারে নানা রকম উপাদানে তৈরি মাস্ক রয়েছে। কোন ত্বকের জন্য কোনটি ভালো, না বুঝে ব্যবহার করলে হিতে বিপরীতও হতে পারে। ত্বক তৈলাক্ত। মুখময় ব্রণ। সেই মুখে যে মাস্ক ব্যবহার করা যায়, সেটাই কি মাখতে পারেন যাদের ত্বকের ধরন শুষ্ক, তারাও? কার্যক্ষেত্রে দেখা যায়, অনেকেই শুধু মাস্কের উপযোগিতা বিচার করে মুখে মাখছেন। উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে ত্বকের সমস্যা বা ধরন। তবে বিউটিশিয়ানদের পরামর্শ, সমস্যা এবং ত্বকের ধরন বুঝেই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। যে কোনো প্রসাধনী যেমন যে কোনো ত্বকের উপযোগী নয়, তেমনই মাস্কও সব ত্বকের জন্য এক রকম হতে পারে না। আর সে কারণেই বাজারে নানা রকম উপাদানে তৈরি মুখের মাস্ক রয়েছে। বেছে নেবেন কোনটি? শুষ্ক ত্বক: ত্বকের ধরন কারও কারও বেশ শুষ্ক হয়। মুখে কোনো ঔজ্জ্বল্য থাকে না। এমন ত্বকের জন্য দরকার হয় আর্দ্রতার। সেজন্য বেছে নেওয়া যেতে পারে হাইড্রেটিং জেল বা ক্রিম মাস্ক। এই ধরনের মাস্ক ত্বকে আর্দ্রতার জোগান দিতে এবং সেই আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে। হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যুক্ত শিট মাস্ক বা অন্য কোনও মাস্ক এ জন্য আদর্শ। কারণ, মুখে আর্দ্রতা জোগাতে এই উপাদান একাই একশো। জেল্লাহীন ত্বক: কারও ত্বক শুষ্ক না হলেও জেল্লা থাকে না। মুখের কোনও কোনও অংশ কালচে হয়। এমন ত্বকের জন্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যুক্ত প্রসাধনী জরুরি। দরকার হয় এক্সফোলিয়েশনের, যাতে ত্বকে জমা মৃত কোষ পরিষ্কার করা যায়। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন সি যুক্ত কোনও মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকের কালচে ভাব দূর করে দীপ্তি ফেরাতে কাজে আসতে পারে নিয়াসিনামাইডও। স্পর্শকাতর: কারও ত্বক হয় স্পর্শকাতর। এমন ত্বকে যে কোনো জিনিস মাখা যায় না। সুগন্ধী, অ্যালকোহল মিশ্রিত কোনো প্রসাধনী বা মাস্ক এমন ত্বকের উপযোগী নয়। বরং ক্যালেন্ডুলা, ক্যামোমাইল অয়েল রয়েছে এমন উপাদান মিশ্রিত মাস্ক বেছে নেওয়া যায়। পরামর্শ, মুখের জন্য মাস্ক বেছে নেওয়ার আগে সেটি ত্বকের ওপর পরীক্ষিত কি না জেনে নেওয়া প্রয়োজন। ত্বকের ধরন স্পর্শকাতর হলে ক্লে মাস্ক বা এক্সফোলিয়েটিং মাস্ক এড়িয়ে চলা ভালো।
কন্যাসন্তানের মা হলেন স্বাগতা

কন্যাসন্তানের মা হলেন স্বাগতা প্রথমবারের মতো মা হয়েছেন অভিনেত্রী জিনাত শানু স্বাগতা। থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে জন্ম নিয়েছে তার কন্যাসন্তান। মা ও নবজাতক- দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন স্বাগতা নিজেই। আজ রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে মেয়ের একটি ছবি পোস্ট করেন স্বাগতা। সেখানে এই অভিনেত্রী লেখেন, মরিয়াম সর্বজয়া শানু আজাদ, পৃথিবীতে স্বাগতম। বিয়ের এক বছরের মাথায় মাতৃত্বের এই আনন্দ সংবাদ জানান তিনি গেল ফেব্রুয়ারিতে। শুরুতে বাংলাদেশের একাধিক হাসপাতালেই চিকিৎসা নেন স্বাগতা। কিন্তু নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা কম থাকায় চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে পাড়ি জমান থাইল্যান্ডে। সেখানে গিয়েও একাধিক হাসপাতাল ঘুরতে হয় তাকে। অবশেষে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন স্বাগতা। এর আগেও সামাজিকমাধ্যমে তিনি জানিয়েছিলেন, আমি একটা মিশন নিয়ে থাইল্যান্ডে এসেছি। বাংলাদেশের অনেক ডাক্তার বলেছেন আমি ভুল করছি, কিন্তু আমি শেষ দিন পর্যন্ত চেষ্টা করব যেন স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম দিতে পারি। ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রেমিক হাসান আজাদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন স্বাগতা। হাসান একজন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও মিউজিক কম্পোজার। পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে লন্ডনে বসবাসরত হাসান একজন সফল ব্যবসায়ীও।