ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি

ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি ইফতারে ঠান্ডা ঠান্ডা কোনো পানীয় না হলে কি চলে? অনেকে বাইরে থেকে কেনা ইন্সট্যান্ট শরবত গুলিয়ে খেয়ে থাকেন। এতে সাময়িক প্রশান্তি আর স্বাদ পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর বদলে বাড়িতে থাকা বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়ে স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন। তাতে যেমন প্রাণ জুড়াবে, তেমনই শরীরও ভালো থাকবে। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক, ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : খেজুর- ১০-১২টি দুধ- ২ কাপ পাকা কলা- ২টি দই- ২ টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়া- ২ চা চামচ মধু- ২ চা চামচ বরফ- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমে পরিষ্কার ও গরম পানিতে খেজুরগুলো ভিজিয়ে রেখে নরম করে নিন। এবার পানি থেকে তুলে তার সঙ্গে কলা টুকরা করে মেশান। এরপর ব্লেন্ডারে সবগুলো উপকরণ নিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ভালোভাবে ব্লেন্ড করবেন যেন দানাদানা না থাকে। ব্লেন্ড হয়ে গেলে কাঁচের গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করবেন। উপরে বরফের টুকরা ছড়িয়ে দিন। এটি ইফতারের আগে আগে তৈরি করলে খেতে বেশি ভালোলাগবে। তৈরি করে বেশিক্ষণ রেখে দিলে স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।
কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা?

কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা? দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা অবশেষে পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। লুকোছাপার অবসান ঘটিয়ে এবার যেন সত্যি সত্যিই বাজতে চলেছে বিয়ের সানাই। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বিজয়ের বাড়ির সেই ঝলমলে সাজসজ্জার ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। গত কয়েকদিন ধরেই বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিয়ের দিনক্ষণ গোনার পালা। এর মাঝেই হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে একসাথে দেখা মিলেছে এই চর্চিত জুটির। গুঞ্জন রয়েছে, রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের ভেন্যু চূড়ান্ত করতেই একসঙ্গে শহর ছেড়েছিলেন তারা। সেখান থেকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে ফিরেই বিজয় তার দীর্ঘদিনের বড় চুল কেটে ফিরেছেন পুরনো লুকে, যা দেখে ভক্তদের ধারণা জীবনের বিশেষ দিনের জন্যই নিজেকে নতুন করে সাজিয়েছেন অভিনেতা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই জুটি। এরপর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বসবে তারকাবহুল রিসেপশন। সেই অনুষ্ঠানে আল্লু অর্জুন, রামচরণ, রাজামৌলি ও প্রভাসের পাশাপাশি বলিউডের খান, কাপুর ও বচ্চন পরিবারের সদস্যদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিগত আট বছর ধরে বিজয় ও রাশমিকা প্রেম করছেন বলে খবর চাউর থাকলেও তারা বিষয়টি কখনোই সরাসরি স্বীকার করেননি। তবে গত অক্টোবরে রাশমিকার আঙুলে দামী আংটি দেখে বাগদানের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। সে সময় বিয়ের প্রশ্ন করা হলে রাশমিকা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেছিলেন, ‘সবাই তো দেখছি সব জানেন!’
বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অভিনেতার বাবা ও সাবেক মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেন সুনীল মালহোত্রা। প্রিয় বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন সিদ্ধার্থ, যা তার সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে দেখা গেছে। পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুনীল মালহোত্রা। ভারতের মার্চেন্ট নেভিতে দীর্ঘকাল দাপটের সঙ্গে কাজ করা এই মানুষটি পরিচিত ছিলেন তার অটল শৃঙ্খলা, সততা ও প্রখর দায়িত্ববোধের জন্য। ইনস্টাগ্রামে বাবার সঙ্গে কাটানো শৈশব থেকে বর্তমানের একাধিক অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। পোস্টে অভিনেতা স্মৃতিচারণ করে লেখেন, ‘স্ট্রোকের শিকার হয়ে পরবর্তী সময়ে হুইলচেয়ারে বন্দী হলেও তার বাবার মনোবল ছিল অটুট। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ সামলানো থেকে শুরু করে অসুস্থতার কঠিন দিনগুলো প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন এক অদম্য যোদ্ধা।’ বাবার আদর্শকে নিজের জীবনের ভিত্তি উল্লেখ করে সিদ্ধার্থ লেখেন, ‘আজ আমি যা কিছু হতে পেরেছি, সবই তার জন্য। বাবার সততাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও উত্তরাধিকার।’ পুরো পরিবার এখন শোকস্তব্ধ। প্রিয় অভিনেতার শোকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিনোদন জগতের সহকর্মী এবং ভক্তরা সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানাচ্ছেন। মুহূর্তের মধ্যেই খবরটি অনলাইনে ট্রেন্ডিং হয়ে দাঁড়ায়। সুনীল মালহোত্রার শেষকৃত্যের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে প্রিয়জন হারানোর এই কঠিন সময়ে ভক্তরা সিদ্ধার্থ ও তার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন।
ভালোবাসা দিবসে ভেঙে পড়েছে ইতালির বিখ্যাত ‘লাভার্স আর্চ’

ভালোবাসা দিবসে ভেঙে পড়েছে ইতালির বিখ্যাত ‘লাভার্স আর্চ’ ভালোবাসা দিবসে মানুষ আনন্দ আর স্মৃতির খোঁজে ছুটে যেতো ‘লাভার্স আর্চ’-এ। কিন্তু দিনটিতেই ভেঙে পড়ল ইতালির এই জনপ্রিয় পর্যটন স্থাপনা। ইতালির আদ্রিয়াটিক সাগর উপকূলে অবস্থিত বিখ্যাত পাথুরে কাঠামো ‘লাভার্স আর্চ’। ১৪ ফেব্রুয়ারি এটি হঠাৎ ধসে যায়। এই ঘটনা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘লাভার্স আর্চ’ ছিল প্রাকৃতিকভাবে তৈরি একটি পাথরের খিলান। এটি পুলিয়া অঞ্চলের মেলেনদুগ্নো শহরের কাছে সান্ত’আন্দ্রেয়া এলাকার অংশ। বহু বছর ধরে এটি প্রেমিক-প্রেমিকা ও নবদম্পতিদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হিসেবে স্বীকৃত। প্রেম বা বিয়ের প্রস্তাব, ছবি তোলা এবং ভ্রমণ স্মৃতির জন্য মানুষ এখানে ভিড় করত। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েক দিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল সমুদ্র উপকূলের ওপর প্রচণ্ড আঘাত হানছিল। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের চাপেই শেষ পর্যন্ত পাথরের খিলানটি ভেঙে পড়ে। মেলেনদুগ্নোর মেয়র বলেন, এটি ভালোবাসা দিবসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত উপহার। তিনি জানান, এই ধস এলাকার ভাবমূর্তি ও পর্যটনের জন্য বড় ধাক্কা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু একটি স্থাপনা ভেঙে পড়ার ঘটনা নয়। উপকূলের আরও অনেক জায়গায় ফাটল দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ সামনে আরও ধসের আশঙ্কা রয়েছে। একে বলা হচ্ছে উপকূল ক্ষয় (সমুদ্রের ঢেউ ও আবহাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে ভূমি ভেঙে যাওয়া)। একই সময় ইতালির আয়োনিয়ান সাগর উপকূলের বিভিন্ন এলাকায়ও বড় ক্ষতি হয়েছে। উজেন্তো থেকে গাল্লিপোলি পর্যন্ত দীর্ঘ সৈকত এলাকায় বালু সরে গেছে, ছোট পাহাড় ধসে পড়েছে এবং কিছু বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলতি বছরে টানা খারাপ আবহাওয়ার কারণে দক্ষিণ ইতালিতে ক্ষতির পরিমাণ এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিসিলির নিসচেমি শহরে ভূমিধসের কারণে ১,৫০০-এর বেশি মানুষকে ঘর ছাড়তে হয়েছে।
নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা

নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা নতুন সরকার গঠনের পর দেশের সব অঙ্গনের মানুষের মতো সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষদেরও সরকারের কাছে রয়েছে নানা প্রত্যাশা। দেশের জনপ্রিয় ও শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খানও চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে নতুন সরকারের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদার পরিবেশ নিশ্চিত করা।” জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি—বারবার সামনে আসে এসব প্রশ্ন। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হোক।” তিনি আরও বলেন, “মূল্যায়নের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাইরের হস্তক্ষেপ রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।” সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন এই চিত্রনায়ক। তিনি বলেন, “সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ দূর করতে স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি এবং পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে প্রকৃত মেধাবীরা উৎসাহ পাবেন।” দেশের প্রেক্ষাগৃহ কমে যাওয়া এবং হলগুলোর পরিবেশ ও মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ ও আধুনিকায়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মাঝখানে কয়েকবার প্রেক্ষাগৃহ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই বলব, সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। মানুষ পরিবার নিয়ে আবার ছবি দেখছে, তাদের শুধু সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে।” শাকিব খানের মতে, দেশের বন্ধ ও জরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহগুলো সংস্কারে স্বল্প সুদে ঋণ, করছাড় এবং পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা যেতে পারে। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, “যেসব জেলায় প্রেক্ষাগৃহ নেই সেখানে কম আসনসংখ্যার ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা হলে ব্যয় কমবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারাও যুক্ত হতে পারবেন।” শাকিব খান প্রেক্ষাগৃহ উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার কথাও বলেন। তার মতে, নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট ও ট্যাক্সছাড়, জমি লিজে বিশেষ সুবিধা এবং আমদানি করা প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রপাতিতে শুল্ক কমালে বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রজেকশন, ডলবি সাউন্ড এবং অনলাইন টিকেটিং ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক বা প্রণোদিত করলে দর্শকের অভিজ্ঞতা উন্নত হবে এবং হলমুখী দর্শক বাড়বে। শাকিব খান মনে করেন, দর্শক ফিরিয়ে আনতে দেশীয় চলচ্চিত্রের নির্দিষ্ট প্রদর্শন কোটা চালু, উৎসবভিত্তিক বিশেষ প্রদর্শনী এবং পরিবারবান্ধব কনটেন্টে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, “প্রেক্ষাগৃহকে শুধু সিনেমা প্রদর্শনের স্থান নয়, বরং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজনও সম্ভব।” সবশেষে শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারকে ঝামেলামুক্ত, পেশাদার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অ্যাকশনধর্মী টিভি সিরিজ ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ ফের দেখা যাবে পর্দায়। ছয় বছর পর সিরিজটি নতুন করে দর্শকের সামনে আসা কথা জানিয়েছে দ্য হলিউড রিপোর্টার। শুরুতে চার্লিস এঞ্জেলসকে নিয়ে দুটি সিনেমা বানিয়েছিল সনি পিকচার্স। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া চার্লিস এঞ্জেলস ও এর তিন বছর পর মুক্তি পাওয়া ‘চার্লিস এঞ্জেলস: ফুল থ্রটল’ বক্স অফিসেও ব্যবসা সফল হয়েছিল। ২০১৯ সালে আবারও চার্লিস এঞ্জেলসকে পর্দায় হাজির করে সনি। ওই বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এর মাঝে, ২০১১ সালে চার্লিস এঞ্জেলসের নতুন একটি টিভি সিরিজ মুক্তি দেয় সনি। জনপ্রিয়তা না পাওয়ায় মাত্র সাত পর্ব প্রচারের পর বন্ধ হয়ে যায় সেটি। নারী গোয়েন্দা নির্ভর সিনেমাটিকে নতুন করে সাজানোর জন্য সনি এরই মধ্যে দায়িত্ব দিয়েছে দ্য প্রোপোজাল ও ক্রেজি রিচ এশিয়ানসের লেখক পিট কিয়ারেলিকে। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কে থাকছেন সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি হলিউড রিপোর্টার। তবে তারা জানিয়েছে প্রথম সিনেমার তারকা ড্রু ব্যারিমোর ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্লাওয়ার ফিল্মস ব্যানার নতুন এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সনি পিকচার্সও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মূল চার্লিস এঞ্জেলস ১৯৭৬ সালে শুরু হয়ে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত চলে টিভিতে। সিরিজটির সঙ্গে এর কেন্দ্রীয় তিন চরিত্রের তিন অভিনেত্রী জ্যাক্লিন স্মিথ, কেইট জনসন ও ফারাহ ফসেট এই তুমুল জনপ্রিয়তা পান বিশ্বজুড়ে।
নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম

নতুন বিতর্কে জড়ালেন অভিনেতা সোহম কয়েকদিন পরই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। এর আগেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন টালিউড নায়ক ও বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন আরেক অভিনেতা-রাজনীতিবিদ শাহিদ ইমাম। শাহিদের অভিযোগ, সোহম তার থেকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঋণের সামান্য অংশ ফেরত দিলে বাকিটা ফেরত দেননি। এমনিক শাহিদকে নাকি হুমকি দিচ্ছেন সোহম। তবে সোহম হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, হুমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। টাকা ফেরত দেব একাধিক বার জানিয়েছি। নির্বাচনের আগে আমায় কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিনয় দুনিয়ায় শাহিদ ‘শুভম’ নামে পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, সোহমের সঙ্গে তার পরিচয় দীর্ঘদিনের। সেই সুবাদে তিনি ২০২১ সালে অভিনেতা-প্রযোজক সোহমকে ৬৮ লক্ষ টাকা ধার দেন। শাহিদের কথায়, অভিনয়ের পাশাপাশি সেই সময় আমি তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা। ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২৩ সালে মুক্তি পান শাহিদ। তিনি বলেন, সংশোধনাগারে থাকার ফলে আমি টাকা ফেরত চাইতে পারিনি। ২০২৩ সালে জামিন পাই। সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যোগাযোগ করি সোহমের সঙ্গে। তার থেকে টাকা ফেরত চাই। শাহিদের কথা অনুযায়ী, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তার পরেই তিনি নীরব। শাহিদের দাবি, দু’বছর অপেক্ষার পর বাধ্য হয়ে সোমবার সোহমের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির মামলা দায়ের করেছি। মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করি চারু মার্কেট থানায়। তবে যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে, সেই অভিযুক্ত সোহম কিন্তু ঋণ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেননি। বিস্তারিত জানিয়েছেন সে সম্পর্কে। তিনি বলেন, ২০২১ সালে ‘পাকা দেখা’ ছবির কারণে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম শাহিদের থেকে। তার আরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে সেটা দেননি। তখন অন্যদের থেকে বাকি টাকা জোগাড় করি। এরপর ২৫ লক্ষ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৪৩ লক্ষ টাকাও মিটিয়ে দেব, বার বার বলেছি শাহিদকে। আমার কয়েকটি ছবি আটকে। বাংলা ছবির ব্যবসার অবস্থাও সকলের জানা। ফলে, ছবিমুক্তি না ঘটলে বা হাতে টাকা না এলে কী করে ঋণশোধ করব? শাহিদ আমার অবস্থাটাই বুঝলেন না! সোহম বলেন, আইনি নোটিশ পেয়েছি। আমার আইনজীবী বিষয়টি দেখছেন। শাহিদ আইনি পথে হাঁটলে আমিও আইনি পদক্ষেপ করব। তবে উনি কোন কালে যুবনেতা ছিলেন, সেটা জানি না। সোহমের আক্ষেপ, সামনে নির্বাচন আসছে বলেই হয়তো পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এশিয়ান কাপ খেলতে রাতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন বাঘিনীরা

এশিয়ান কাপ খেলতে রাতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন বাঘিনীরা বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য বড় মঞ্চে নিজেদের পরিচয় দেখানোর সময় শুরু হয়ে গেছে। আজ রাতে ঢাকা ছাড়ছেন আফঈদা খন্দকার ও ঋতুপর্ণা চাকমার। আগামী ১ থেকে ২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার তিন শহরে অনুষ্ঠিতব্য নারী এশিয়ান কাপ খেলতে যাচ্ছেন তারা। বাংলাদেশ গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে ৯ বার চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া, তিনবারের চ্যাম্পিয়ন চীন এবং উজবেকিস্তানের সঙ্গে। সিডনিতে ৩ মার্চ নিজেদের প্রথম ম্যাচে চীনের মুখোমুখি হবে পিটার বাটলারের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। এশিয়ান কাপে প্রথমবার খেলার সুযোগ পেয়ে বাংলাদেশ নারী দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। অনুশীলনের ফাঁকে ঋতুপর্ণা সামাজিক মাধ্যমে রিকশায় চড়ার ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন, তাদের অস্ট্রেলিয়া যাত্রার খবর। অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার পর পুরো দল একসঙ্গে অনুশীলন করেছেন কোচ বাটলার। দলে আছেন সুইডেনপ্রবাসী আনিকা। তবে বিদেশে ক্যাম্প আয়োজন করতে পারেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), যা বড় মঞ্চে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন ছিল। প্রাথমিক পরিকল্পনায় দলের ক্যাম্প থাইল্যান্ডে হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল হওয়ায় এবার সরাসরি অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে মনিকা চাকমা ও মারিয়া মান্দারা। সিডনিতে গিয়ে স্থানীয় কোনো ক্লাবের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল। গ্রুপের তিন ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৯ মার্চ পার্থে জয় নিশ্চিত করা। এই ম্যাচ জিতলে সেরা দুই রানার্সআপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
অপরাজিত থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করলো ভারত

অপরাজিত থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করলো ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপট ধরে রাখল ভারত। ভারত বুধবার নেদারল্যান্ডসকে ১৭ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্বে টানা চার জয় নিশ্চিত করেছে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে গত আসরের চ্যাম্পিয়নদের এটি টানা ১২তম জয়।নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ১৯৩ রান তোলে ভারত। জবাবে ডাচরা থামে ১৭৬ রানে। শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। অফ স্পিনার আরিয়ান দত্তকে মারতে গিয়ে বোল্ড হন আভিশেক শর্মা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম তিন ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হওয়ার তেতো অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর এই ব্যাটার। ইশান কিষান ৭ বলে ১৮ রানের ঝড়ো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিলক ভার্মা (২৭ বলে ৩১) ও সূর্যকুমার যাদব (২৮ বলে ৩৪) ত্রিশ ছুঁলেও বড় স্কোরে রূপ দিতে ব্যর্থ হন। পাঁচ নম্বরে নেমে ৩১ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শিভাম দুবে। ছয়টি ছক্কা ও চারটি চারে সাজানো এই ঝড়ো ইনিংসেই ভারতের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ওঠে। পরে বল হাতে ৩৫ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। শেষ ওভারে টানা দুই বলে দুটি ক্যাচ হাতছাড়া হলেও পরের বলেই উইকেট নিয়ে ঘুরে দাঁড়ান তিনি। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৩৫ বলে ৭৬ রানের জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পান্ডিয়া করেন ২১ বলে ৩০ রান। রান তাড়ায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম চার ব্যাটসম্যানই ২০ ছুঁলেও কেউ ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। তিন নম্বরে বাস ডে লিডে ২৩ বলে ৩৩ রান করে দলের সর্বোচ্চ সংগ্রাহক। রহস্য স্পিনার ভারুন চক্রবর্তী ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ডাচদের চাপে ফেলেন। নিজের প্রথম ওভারেই ফেরান ম্যাক্স ও’ডাউডকে। ইনিংসের ত্রয়োদশ ও নিজের তৃতীয় ওভারে টানা দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ভারতের নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত করেন তিনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২৮ রান দরকার ছিল ডাচদের। তবে নিতে পারে মাত্র ১০ রান। চার ম্যাচে এক জয় ও তিন হারে আসর শেষ করল নেদারল্যান্ডস, আর নিখুঁত গ্রুপ পর্ব শেষ করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে সুপার পর্বে পা রাখল ভারত।
ভারত থেকে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি

ভারত থেকে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ভবিষ্যতে ভারতের ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়টি ভাবছে। চলমান টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশের ভারত সফর বাতিল এবং পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট ঘোষণা জনিত জটিলতার পরিপ্রেক্ষিতে এই পরিকল্পনা উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৯ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এবং ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ভারতের ভেন্যুতে হওয়ার কথা। বিশ্বকাপে ভারত ও বাংলাদেশ সহ-আয়োজক হলেও রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে পারেনি। পাকিস্তানও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খাওয়ার ঘোষণা দেয়ায় আইসিসি বিপাকে পড়ে। বিষয়টি মীমাংসার জন্য পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান লাহোরে যান। পরে পাকিস্তান অবস্থান পরিবর্তন করায় নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনার পর ক্রিকেট প্রশাসকদের মধ্যে বিস্তৃত বিকল্প পরিকল্পনার আলোচনা শুরু হয়েছে। সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা নিরাপত্তাজনিত জটিলতা এড়াতে ভারতভিত্তিক টুর্নামেন্টের বিকল্প ভেন্যু হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে বিবেচনা করা হতে পারে। অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যেই ২০২৮ সালে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে আছে, যেখানে সহ-আয়োজক হিসেবে নিউজিল্যান্ডও রয়েছে। আইসিসি চাইছে, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো যাতে নির্বিঘ্নে অংশ নিতে পারে, সেই জন্য বিকল্প ভেন্যু নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। ক্রিকেটের আর্থিক শক্তির কেন্দ্র হিসেবে ভারত সম্প্রতি বেশিরভাগ বড় টুর্নামেন্টের আয়োজক। তবে আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে এই আয়োজক স্বত্ব পুনর্বিবেচনার বিষয়ও উঠতে পারে।