ভোটকেন্দ্রে নেওয়া যাবে না মোবাইল

ভোটকেন্দ্রে নেওয়া যাবে না মোবাইল গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সীমিত কর্মকর্তারা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারসহ কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্য। তারা হলেন— ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ, ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত অঙ্গীভূত আনসার, সাধারণ আনসার ও ভিডিপির মধ্যে ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ দুই জন আনসার সদস্য। ইসি জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা । এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। সব মিলিয়ে প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন।
আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রচার, ২৯৯ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন

আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রচার, ২৯৯ আসনে ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সব ধরনের প্রচার শেষ হচ্ছে আগামীকাল সকাল সাড়ে ৭টায়। এদিকে, সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণের সব ধরেন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ের পর রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রচারপত্র বিতরণ কিংবা গণমাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ইসি। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২৯৯টি সংসদীয় আসনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে ৩০০ আসনের পরিবর্তে এবার ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কারণে এবার বুথ ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ব্যালট গণনায় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ইসি। নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করবেন মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ভোটার সংখ্যার দিক থেকে ২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সর্বাধিক ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল। সব মিলিয়ে প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।এছাড়া, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ১৯৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। আর সবচেয়ে কম প্রার্থী রয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনে, যেখানে মাত্র ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাতের আকাশে দেখা যাবে যেসব চমক !

১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাতের আকাশে দেখা যাবে যেসব চমক ! ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে পশ্চিম আকাশে গ্রহগুলোর আনাগোনা শুরু হয়েছে। রাতের আকাশে এখন দেখা যাচ্ছে বৃহস্পতি, বুধ, নেপচুন, শনি, ইউরেনাস ও শুক্র গ্রহ। বিশেষ করে শুক্র ও বুধ গ্রহ দিগন্তের খুব কাছে, যা সন্ধ্যার পর আকাশে একটি উজ্জ্বল বিন্দুর মতো দেখা যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ণিমা, যা উত্তর গোলার্ধে ঐতিহ্যবাহীভাবে ‘স্নো মুন’ নামে পরিচিত। এই দিনে চাঁদ পূর্ণ আকারে ঝলমল করবে। তবে চাঁদের উজ্জ্বলতা অন্যান্য গ্রহগুলো দেখার ক্ষেত্রে সাময়িক বিরক্তিকর হতে পারে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়, বিশেষ করে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, চাঁদ বিভিন্ন গ্রহের কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে, যা ‘কনজাংশন’ নামে পরিচিত। এই সময়ে চাঁদ ও মঙ্গলের খুব কাছে আসার দৃশ্য দেখা যাবে, ফলে রাতের আকাশে লাল গ্রহ মঙ্গলের পাশ থেকে চাঁদকে সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। গ্রহগুলো দেখা সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে সূর্যাস্তের পর গোধূলি সময়, যখন আকাশে আলো কিছুটা কম থাকে। বুধ ও শনি গ্রহ দিগন্তের খুব নিচে অবস্থান করে, তাই উঁচু স্থান বা খোলা মাঠ থেকে তাদের দেখা সুবিধাজনক। শহর থেকে দূরে, যেখানে কৃত্রিম আলো কম, সেখানে ছায়াপথসহ গ্রহগুলো আরও স্পষ্ট দেখা যাবে। বৃহস্পতি ও শুক্র গ্রহ খালি চোখে সহজেই দেখা যায়, কিন্তু নেপচুন ও ইউরেনাস দেখার জন্য ভালো মানের বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপ দরকার। কারণ এরা অনেক ক্ষীণ আলো ফেলে। এই দুই গ্রহ শনাক্ত করতে স্কাই-ম্যাপ অ্যাপ ব্যবহার করলেই সুবিধা পাওয়া যাবে। ফেব্রুয়ারির এই প্রথমার্ধে আকাশ দেখার জন্য সময় বের করে গ্রহ ও চাঁদের কনজাংশন উপভোগ করুন এবং রাতের আকাশের রোমাঞ্চকর দৃশ্যের সাক্ষী হন।
মেমোরি চিপ সংকটে চীনের দিকে ঝুঁকছে এইচপি, ডেল, এসার ও আসুস

মেমোরি চিপ সংকটে চীনের দিকে ঝুঁকছে এইচপি, ডেল, এসার ও আসুস বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের তীব্র সংকট। বাড়ছে দাম। অনিশ্চয়তায় প্রযুক্তি শিল্প। এই প্রেক্ষাপটে বড় চার পিসি নির্মাতা— এইচপি, ডেল, এসার ও আসুস প্রথমবারের মতো চীনা নির্মাতাদের কাছ থেকে মেমোরি চিপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে নিক্কেই এশিয়া। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এ তথ্য যাচাই করতে পারেনি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেনি। মেমোরি চিপ এখন স্মার্টফোন থেকে ডেটা সেন্টার সবখানেই অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু সরবরাহ ঘাটতি পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে চাপে ফেলেছে। ফলে নতুন পণ্য উন্মোচন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। উৎপাদন খরচও বাড়ছে দ্রুত। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচপি ইতিমধ্যে চীনের মেমোরি চিপ নির্মাতা চাংসিন মেমোরি টেকনোলজিস এর পণ্য যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বৈশ্বিক ডিআরএএম সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে তারা। যদি ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাজারগুলোর জন্য প্রথমবারের মতো সিএক্সএমটির চিপ ব্যবহার শুরু করতে পারে এইচপি। ডেলও একই পথে হাঁটছে বলে জানা গেছে। ২০২৬ জুড়ে মেমোরির দাম বাড়তেই থাকবে— এমন আশঙ্কায় তারা সিএক্সএমটির ডিআরএএম পণ্য যাচাই করছে। এসার জানিয়েছে, তাদের চীনা চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এসব চিপ সংগ্রহ করে তবে তারা তা ব্যবহারে আগ্রহী। অন্যদিকে আসুসও কিছু ল্যাপটপ প্রকল্পের জন্য চীনা উৎপাদন সহযোগীদের মেমোরি চিপ সংগ্রহে সহায়তা করতে বলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক প্রযুক্তি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এতদিন শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলো মূলত দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠিত সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভর করত। এখন চাপে পড়ে বিকল্প উৎস খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে। তবে চীনা মেমোরি চিপ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকেও সংবেদনশীল হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র–চীন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নজরকাড়া হয়ে উঠতে পারে।
ইংল্যান্ডে বেড়েই চলেছে গৃহহীন শরণার্থীর সংখ্যা

ইংল্যান্ডে বেড়েই চলেছে গৃহহীন শরণার্থীর সংখ্যা ইংল্যান্ডে গত চার বছরে আশ্রয়প্রার্থী থেকে শরণার্থী হওয়া মানুষের মধ্যে গৃহহীন বা গৃহহীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সংখ্যা পাঁচ গুণ বেড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে বিবিসি জানিয়েছে, ইংল্যান্ডে ২০২১-২২ অর্থবছরে গৃহহীন বা গৃহহীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৫৬০। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৩১০-এ। দাতব্য সংস্থাগুলো বলছে, এই পরিস্থিতি মূলত সরকারের নীতির ‘সরাসরি ফল’। তাদের অভিযোগ, নতুন করে স্বীকৃতি পাওয়া শরণার্থীদের মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে সরকারি আবাসন ছাড়তে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্রয় আবেদনের সিদ্ধান্ত দ্রুত দেওয়ার ফলে বেশি মানুষ শরণার্থী মর্যাদা পেলেও, তাদের থাকার জায়গা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেই। সরকার অবশ্য জানিয়েছে, তারা শরণার্থীদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজস্ব বাসস্থানে যেতে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং গৃহহীনতার ঝুঁকি কমাতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে। এই সংকট এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন পরপর কয়েকটি সরকার যুক্তরাজ্যের চাপগ্রস্ত আশ্রয় ব্যবস্থাকে সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে আবেদন ও আপিলের বিশাল জট জমে আছে। লেবার সরকার সেই জট দ্রুত কমাতে চায়, যার ফলে একদিকে বেশি মানুষ শরণার্থী মর্যাদা পাচ্ছেন, অন্যদিকে তাদের জন্য বাসস্থান সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গৃহহীন শরণার্থীদের সহায়তাকারী এক সংস্থা জানিয়েছে, সাহায্য চাইতে আসা অধিকাংশই ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণী। তাদের একজন ২৬ বছর বয়সী ইউসরা। সুদানে যুদ্ধ থেকে পালিয়ে ছোট নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে আসেন তিনি। ইউসরা জানান, যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর আগেই তার পরিবারের সবাই নিহত হন। প্রায় পাঁচ মাস সরকার-নির্ধারিত এক আশ্রয় হোটেলে থাকার পর গত আগস্টের শেষ দিকে তিনি শরণার্থী মর্যাদা পান। কিন্তু এরপর থেকে তিনি গ্রেটার ম্যানচেস্টারের রাস্তায় একটি তাঁবুতে রাত কাটাচ্ছেন। ইউসরা বলেন, ‘কখনো কখনো মাতাল লোকজন এসে তাঁবু খুলতে চেষ্টা করে। আমি চিৎকার শুরু করি। ভোর না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে পারি না।’ তিনি জানান, আবাসন ছাড়ার আগেই স্থানীয় কাউন্সিলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, কিন্তু একক প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সামাজিক বাসস্থানের তালিকায় তার অগ্রাধিকার কম। শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার পর একজনকে ২৮ দিনের মধ্যে সরকারি আবাসন ছাড়তে হয় এবং একই সময়ে কাজ খুঁজতে বা ইউনিভার্সাল ক্রেডিটের জন্য আবেদন করতে হয়। অথচ সরকার নিজেই বলছে, প্রথম কিস্তির ইউনিভার্সাল ক্রেডিট পেতে গড়ে ৩৫ দিন লাগে। ফলে অনেক শরণার্থী কোনো আয় বা বাসস্থানের ব্যবস্থা করার আগেই আশ্রয় সহায়তা হারান। জাতীয় গৃহহীনতা দাতব্য সংস্থা ক্রাইসিসের নীতি ও প্রচার প্রধান জ্যাসমিন বাসরান বলেন, ‘২৮ দিন মোটেই যথেষ্ট সময় নয়। আমরা শরণার্থীদের মধ্যে গৃহহীনতার সর্বোচ্চ বৃদ্ধি দেখছি।’ তার মতে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি, কারণ সরকারি পরিসংখ্যানে শুধু স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো ঘটনাগুলোই ধরা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল স্বল্পমেয়াদি সমাধান নয়, আশ্রয় নীতিতে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডাইভারসিটির পরিচালক জ্যাকুই ব্রডহেড বলেন, হোটেলের মতো বেসরকারি ব্যবস্থার বদলে সরকার নিজস্ব অস্থায়ী আবাসনে বিনিয়োগ করলে তা আশ্রয় সংকটের পাশাপাশি সামগ্রিক আবাসন ঘাটতিও কমাতে পারে।
জেলায় গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি

জেলায় গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরুর মাংস ও দেশী মুরগির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধির কারণ বলে মাংস বিক্রেতারা জানিয়েছেন। আজ সকালে জেলা শহরের নিউমার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। গরুর মাংস বিক্রেতা সেলিম জানান, গাভীর মাংস ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, ষাঁড়ের মাংস ৭৫০ টাকা থেকে ৮০০, ছাগলের মাংস ৯০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে মুরগি বিক্রেতারা জানান, দেশী মুরগি ৫২০ টাকা, সোনালি ২৭০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা, প্যারেন্স ৩৫০ টাকা, লাল লেয়ার ২৮০ টাকা, বতক ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কবুতরের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি। বস্তায় চাল বিক্রেতা কাওসার আলী রুবেল জানান, ২৮ জাতের চাল প্রতিকেজি ৬৮ টাকা, মিনিকেড ৭৮ টাকা, পাইজাম ৫২ টাকা, আতপ ১৩২ টাকা, বাসমতি ৯৫ টাকা, কাটারিভোগ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে আব্দুর রহমান বাবু জানান, লাল স্বর্ণা প্রতিকেজি ৫০ টাকা, সাদা স্বর্ণা ৪৫ টাকা, ২৮ চাল ৬৫—৭০ টাকা, জিরাসাইল ৭০—৭৫ টাকা, গমের খোলা আটা ৪৬ টাকা, মসুর ডাল ৮০—১৬০ টাকা, মটর ডাল ১১০ টাকা, খেসাড়ির ডাল ১০০ টাকা, ছোলার ডাল ১২০ টাকা, মুগডাল ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা হালি। সবজি বিক্রেতা আব্দুল খালেক জানান, বেগুন ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, পেঁপে ২৫ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, মটরসুঁটি ৬০—১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা, আলু ২০—২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস পাতা কপি ৩০ টাকা ও লাউ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। মাছ বিক্রেতারা জানান, বড় সাইজের সিলভার কার্প ও ব্রিগহেড ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা, দেশি সিং ৬০০—৮০০ টাকা, বাইম ৮০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই ২৪০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, মিড়কা ২৫০ টাকা, বড় কাতল ৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২২০ টাকা, জাপানি রুই ২৩০ টাকা, চিতল ৬৫০ টাকা, শোল ৭৭০ টাকা, চিংড়ি ৮৫০ টাকা, আইড় ১৩০০ টাকা, বাসট ১৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০—৮০০ টাকা, পাবতা ৩৬০ টাকা, দেশী পুঁটি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল

পর্যটকের চাপে জাপানের ‘মাউন্ট ফুজি চেরি ব্লসম’ উৎসব বাতিল জাপানের নান্দনিক মাউন্ট ফুজিকে পটভূমিতে রেখে চেরি ব্লসম বা সাকুরা উৎসবের যে চোখজুড়ানো দৃশ্য পর্যটকদের মূল আকর্ষণ ছিল, তা এবার বাতিল করা হয়েছে। অতিরিক্ত পর্যটকের চাপে স্থানীয় বাসিন্দাদের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠায় কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৩ ফেব্রুয়ারি জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় ইয়ামানাশি অঞ্চলের ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহব্যাপী স্থায়ী হওয়া এই জনপ্রিয় উৎসবটি এ বছর হচ্ছে না। সাধারণত প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে এই উৎসবে। শহর কর্তৃপক্ষের মতে, পর্যটকদের ভিড়ে স্থানীয়দের ‘শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রা হুমকির মুখে’ পড়েছে। জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান কমে যাওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশটি ভ্রমণের আকর্ষণ বেড়েছে। ফলে ২০২৫ সালে রেকর্ড ৪ কোটি ২৭ লাখ পর্যটক জাপান সফর করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালেও দেশটিতে রেকর্ড প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক এসেছিলেন। তবে এই পর্যটক জোয়ারের কারণে কিয়োটোর মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেখানে ছবি তোলার জন্য পর্যটকদের বিরুদ্ধে ঐতিহ্যবাহী কিমোনো পরিহিত গেইশাদের বিরক্ত করার অভিযোগও উঠেছে। ফুজিইয়োশিদা শহর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদেশি পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত ভিড়ে শহরে সবসময় যানজট লেগে থাকছে। যত্রতত্র সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলা হচ্ছে। এমনকি নাগরিকদের ব্যক্তিগত বাগানে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং সেখানে মলমূত্র ত্যাগের মতো বিব্রতকর ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। এক বিবৃতিতে ফুজিইয়োশিদার মেয়র শিগেরু হোরিউচি বলেন, ‘মাউন্ট ফুজির এই সুন্দর দৃশ্যের পেছনে লুকিয়ে আছে নাগরিকদের বিপন্ন জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা। আমরা গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকদের মর্যাদা এবং বসবাসের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমরা ১০ বছরের পুরোনো এই উৎসবটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তবে শহর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, উৎসব বাতিল হলেও বসন্তের আগমনে পর্যটকদের ভিড় পুরোপুরি থামানো যাবে না। কারণ উৎসবের মূল কেন্দ্র পার্কটি থেকে মাউন্ট ফুজি, চেরি গাছ এবং একটি পাঁচতলা প্যাগোডার যে চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়, তা পর্যটকদের টানেই। মাউন্ট ফুজি বরাবরই পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। ভিড় সামলাতে নিকটবর্তী শহরগুলো এর আগে ছবি তোলার জায়গায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। এছাড়া পাহাড়ে ওঠার জন্য ফি নির্ধারণ এবং প্রতিদিন আরোহীদের সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সূত্র : এএফপি।
শিবগঞ্জে ২ প্রার্থীর আচরণবিধি লংঘন, প্রার্থীদের সতর্কীকরণ

শিবগঞ্জে ২ প্রার্থীর আচরণবিধি লংঘন, প্রার্থীদের সতর্কীকরণ শিবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে ৩ মিটার বা প্রায় ১০ ফুট অধিক উচ্চতার প্রচারণার প্রতীক ঝোলানো টাওয়ার সদৃশ স্তম্ভ ও বাঁশ নির্মিত উঁচু প্রতীক অপসারণ শুরু করেছে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে নিযুক্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেটগণ। আজ সকাল ১১টার দিক থেকে দুপুর প্রায় ১টা পর্যন্ত শিবগঞ্জ পৌর এলাকা ও উপজেলার কানসাট, ছত্রাজিতপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনী নিয়ে নিয়মিত নজরদারির সময় নির্বাচনী প্রচারণার প্রতীক নজরে এলে তা অপসারণ করা হয় এবং অবশিষ্টগুলো নিজ উদ্যোগে অপসরানের জন্য সংশ্লিস্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়। এ অভিযানে শিবগঞ্জ পৌরসভার কর্মীরা সহায়তা করেন। অভিযানে শিবগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সাব্বির আহমেদ রোবেল বলেন, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার ৭(জ) ধারা লংঘন হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত কোন প্রতীক ৩ মিটারের অধিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতায় নির্মাণ করা যাবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ আসনের সকল প্রার্থীসহ সংশ্লিস্টদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শিবগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক আহমেদ বলেন, এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ম্যাজিষ্টেট সাব্বির আরও বলেন, এর আগে ওই আইনের ১৩(ক) ধারা লংঘিত হওয়ায় গত ৪ জানুয়ারী বুধবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে বিশ্বরোড মোড় ও নতুন ষ্টেডিয়াম এলাকায় একটি প্রতীকের ২ টি তোরণ ভেঙ্গে দেয়া হয়। এছাড়া ওই রাতে বিধি ভেঙ্গে প্রচারণার প্রতীক আলোকসজ্জা করায় জেলা শহরের ২টি প্রতীকের ২জন কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়।
ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের সব ভোটকেন্দ্রকে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে এবং এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ

গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফারণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনা দু’টিতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ – ওসি আব্দুল বারিক এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন ও গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আব্দুল বারিক জানান, গতকাল রাত ১২ টার দিকে গোমস্তাপুর থানার ফটকে ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে শব্দ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে একই সময় গোমস্তাপুর বাজারে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ওসি আরও জানান, কে বা কারা, কোন উদ্যেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে। উপজেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।