জাতিসংঘের ফিলিস্তিন সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

জাতিসংঘের ফিলিস্তিন সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ফিলিস্তিন সংকটের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ও দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। দুই দিনব্যাপী এই মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনটি আগামী ২৮-২৯ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে। ফ্রান্স ও সৌদি আরব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের গৃহীত প্রস্তাব এ/আরইএস/৭৯/৮১-এর আলোকে যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করছে। উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সম্মেলনের আলোচনায় অংশ নিয়ে গাজায় চলমান মানবিক ও রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের প্রতি নতুন করে গতি সঞ্চারে সচেষ্ট হবেন, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থাকবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সম্মেলনে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার এবং টেকসই দ্বিরাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের প্রশ্নে বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সম্মেলনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ, এবং নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলোর প্রতি নিজের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সময়সীমা নির্ধারিত রোডম্যাপের পক্ষে মত তুলে ধরবে বলে জানা গেছে। এই উচ্চপর্যায়ের জাতিসংঘ সম্মেলনকে গাজা শাসনব্যবস্থা নিয়ে ঐকমত্য গঠনে, বাধাহীন মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করতে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জোরদারে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বৈশ্বিক প্রয়াস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পরিসরে ফিলিস্তিনের ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন স্বাধীনতা ঘোষণার পরপরই প্রথম দিকের স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর অন্যতম ছিল।
পর্যবেক্ষক সংস্থা চেয়ে নির্বাচন কমিশনের গণবিজ্ঞপ্তি

পর্যবেক্ষক সংস্থা চেয়ে নির্বাচন কমিশনের গণবিজ্ঞপ্তি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধনের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুনভাবে নিবন্ধন পেতে আগ্রহী বেসরকারি সংস্থাগুলোকে আগামী ১০ আগস্ট বিকেল ৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর নির্ধারিত ফরম (EO-1) পূরণ করে আবেদন করতে বলা হয়েছে। গতকাল ইসির জনসংযোগ শাখা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, সদ্য প্রণীত ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫’ অনুসারে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধিত ৯৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়েছে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার নতুন নীতিমালার মাধ্যমে ২০২৩ সালের পুরোনো নীতিমালা বাতিল করে এবং পূর্বের সংস্থাগুলোর বৈধতা স্থগিত করে নাসির উদ্দিন কমিশন। নতুন নীতিমালার আওতায় এবার থেকে যোগ্যতা সম্পন্ন সংস্থাগুলোর আবেদন যাচাই করে পুনর্নিবন্ধন দেওয়া হবে। আগামী ১০ আগস্ট বিকাল ৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বরাবর স্থানীয় পর্যবেক্ষক নিবন্ধনের আবেদন ফরম (EO-1) এ আবেদন দাখিল করতে হবে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ২০২৫, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা নিবন্ধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি এবং আবেদন ফরম (EO-1) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় (কক্ষ নং-১০৫) এবং নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd -তে পাওয়া যাবে। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পর্যবেক্ষক নিবন্ধন প্রথা শুরু করে ইসি। সে সময় ১৩৮টি সংস্থা নিবন্ধন পেয়েছিল। ওই নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষক ছিল ১ লাখ ৫৯ হাজার ১১৩ জন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ২০১৪ সালে ৩৫টি সংস্থার ৮ হাজার ৮৭৪ জন পর্যবেক্ষক ভোট দেখেছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৮টি নিবন্ধিত সংস্থার মধ্যে ৮১টি দেশি সংস্থার ২৫ হাজার ৯০০ জন পর্যবেক্ষক ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৯৬টি নিবন্ধিত সংস্থার মধ্যে ৮০টির মতো সংস্থার ২০ হাজার ২৫৬ জন ভোট দেখেছেন।
বাংলাদেশকে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম দিল চীন

বাংলাদেশকে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম দিল চীন বাংলাদেশকে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েছে চীন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন। ঢাকার চীনা দূতাবাস জানায়, গতকাল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর এবং বাংলাদেশের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। চিকিৎসা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে দুই হাজারেরও বেশি প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম, যা ইউনান প্রদেশের পররাষ্ট্র দপ্তর এবং চীনের উহান তৃতীয় হাসপাতাল সরবরাহ করেছে। বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধারে চীন সরকার কর্তৃক বাংলাদেশকে প্রদত্ত জরুরি চিকিৎসা সহায়তার অংশ হিসেবে এ সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়েছে। দূতাবাস আরো জানিয়েছে, বাংলাদেশের চাহিদার ভিত্তিতে চীন তার সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।
সারাদেশে ডেঙ্গুতে একজনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৮০

সারাদেশে ডেঙ্গুতে একজনের মৃ*ত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৮০ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজন মারা গেছেন এবং একই সময়ে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৮০ জন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৬ জন, চট্রগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯ জন এবং রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চারজন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ১৭ হাজার ১৯৩ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৪ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৬২৫ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক ছয় শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক চার শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৭০ জন মারা গেছেন। ২৪ ঘণ্টায় মৃত একজন চট্রগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে একলাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৭৫ জন। এর আগে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
২০০৭ সালের ভোটারদের ফরম সার্ভারে যোগ করার নির্দেশ

২০০৭ সালের ভোটারদের ফরম সার্ভারে যোগ করার নির্দেশ ২০০৭ সালের সকল ভোটের আবেদন ফরম সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মাসি সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দেশনাটি দিয়েছে ইসি সচব আখতার আহমেদ। ইসির এনআইডি পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২০০৭ সালের ভোটারদের মধ্যে এ পর্যন্ত দুই কোটি ৩৮ লাখ নাগরিকের ২ নম্বর ফরম (ফরম-২) স্ক্যান করা হয়েছে। অবশিষ্ট ফরমগুলোও দ্রুততার সঙ্গে স্ক্যান সম্পন্ন করা এবং সার্ভারে আপলোড দেওয়া প্রয়োজন। ইসি সচিব তার নির্দেশনায় দ্রুত সিস্টেম ম্যানেজারকে ২ ফরম আপলোড করার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। ভোটার হওয়ার বা এনআইডি পাওয়ার জন্য নাগরিকরা যে ফরম পূরণ করেন সেটাকেই ২ নম্বর ফরম বলা হয়। এই ফরমটির ভিত্তিতে এনআইডি সংশোধন আবেদন সম্পন্ন করা হয়। আর অনেকের ফরমটি সার্ভারে না থাকায় তদন্তের সময় জটিলতায় পড়তে হয় মাঠ কর্মকর্তাদের।
সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলন করলে বাধ্যতামূলক অবসর

সরকারি কর্মচারীরা আন্দোলন করলে বাধ্যতামূলক অবসর সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর দ্বিতীয় সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। গতকাল আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর সইয়ে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর অধিকতর সংশোধনে প্রণীত এই অধ্যাদেশ সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হবে। নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন সরকারি কর্মচারী আন্দোলনে গেলে, অর্থাৎ নিজে নিয়ম লঙ্ঘন করে একজন সরকারি কর্মচারী আরেকজন সরকারি কর্মচারীর কাজে বাধা দিলে বা তাকে তার কাজ থেকে বিরত রাখলে, তাকে বাধ্যতামূলক অবসরসহ চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যাবে। সাধারণত সরকারি কর্মচারীরা নিজেরা কোনো আন্দোলন করলে নিজেও কাজ থেকে বিরত থাকে এবং অন্যজনকেও কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য চাপ দেন। অধ্যাদেশে সরাসরি আন্দোলনের কথা বলা না হলেও যেভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তাতে আন্দোলনকে বুঝায় বলে আইনজীবীদের অভিমত। নতুন অধ্যাদেশের ৩৭ এর (গ) তে বলা হয়েছে, যে কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাহার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তা হবে সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ এবং তজ্জন্য তিনি উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত যেকোনো দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। আর উপ-ধারা (২) এ বলা হয়েছে, (২) উপ-ধারায় (১) উল্লিখিত কোনো কর্মের জন্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে নিম্নবর্ণিত যেকোনো দণ্ড দেওয়া যাবে, যথা- (ক) নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ; (খ) বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া; এবং (গ) চাকরি থেকে বরখাস্ত। অধ্যাদেশে বলা হয়, যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নম্বর আইন) এর অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয় এবং যেহেতু সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় আছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট তা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আশু ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান আছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করলেন। এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশোধিত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ২০১৮ সনের ৫৭ নম্বর আইনের ধারা ৩৭ক এর সংশোধন। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সনের ৫৭ নং আইনের এর ধারা ৩৭(ক) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩৭(ক) প্রতিস্থাপিত হবে। ৩৭ (ক) ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের আচরণ ও দণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ বিধান। (১) এই আইন বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালায় যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী (ক) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করেন, আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র এবং নির্দেশ অমান্য করেন বা তা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করেন বা এসব কার্যে অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত করেন, অথবা (খ) ছুটি বা যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ ছাড়া অন্যান্য কর্মচারীদের সঙ্গে সমবেতভাবে নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন, অথবা (গ) যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হইতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তা হবে সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ এবং তজ্জন্য তিনি উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত যেকোনো দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, (৩) যেক্ষেত্রে কোনো সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে উপ-ধারা (১)-এ বর্ণিত কোনো অসদাচরণের জন্য কার্যধারা নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অথবা এতদুদ্দেশ্যে তৎকর্তৃক, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অভিযোগ গঠন করবেন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীকে, অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তি বলে অভিহিত, কেন এই ধারার অধীন দোষী সাব্যস্তপূর্বক দণ্ড আরোপ করা হবে না এই মর্মে ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে শুনানি করতে ইচ্ছুক কি না, ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি তাও উক্ত নোটিশে উল্লেখ করবেন। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। তবে এরূপ ক্ষেত্রে দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী দণ্ড আরোপের আদেশ প্রাপ্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৩৬ অনুযায়ী আদেশ পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করতে পারবেন এবং রাষ্ট্রপতি যেরূপ উপযুক্ত মনে করবেন, সেরূপ আদেশ দেবেন। অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, অধ্যাদেশের (১২) উপ-ধারা (১০) ও (১১) এর অধীন, যথাক্রমে, আপিল ও রিভিউয়ে প্রদত্ত আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, নেই জুলাইযোদ্ধা কোটা

একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, নেই জুলাইযোদ্ধা কোটা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই নীতিমালা প্রকাশিত হয়। যেকোনো শিক্ষাবর্ষে এসএসসি সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাল এবং ধারাবাহিক আগের দুই সালে দেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নীতিমালার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে কোনো কলেজ বা সমমানের প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হবে। বিদেশি কোনো বোর্ড বা অনুরূপ কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে তার সনদের মান নির্ধারণের পর উপনীতি ২.১ এর অধীনে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। কলেজ সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ অথবা সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তাা বা কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশসহ মোট ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নূন্যতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে সংরক্ষিত থাকবে। যদি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয় সেক্ষেত্রে তাদের নিজেদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের মাধ্যমে প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজস্ব দপ্তরের প্রধান হলে সেক্ষেত্রে তীর একধাপ উপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যার ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত আসনে ভর্তি করতে হবে। কোন অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য কোনো কোটা রাখা হয়নি।
গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারকে জানাতে হবে

গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারকে জানাতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। সংশোধিত আইন কার্যকর হলে কাউকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবার বা বন্ধু বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাতে হবে। আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনগত একটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়েছে। ইতোপূর্বে আমরা সিপিসি বা দেওয়ানি কার্যবিধি পরিবর্তন করেছিলাম বা সংশোধন করেছিলাম। আজকে আমরা সিআরপিসি বা ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন করেছি। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের দুইটা সিদ্ধান্ত ছিল, গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে যাতে স্বচ্ছতা থাকে, জবাবদিহিতা থাকে। গ্রেপ্তার পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির যেন অধিকার থাকে। এই রায়গুলোর আলোকে আরও বিস্তারিতভাবে আমরা বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট কনসার্ন এক্সপার্ট সবার সঙ্গে বৈঠক করে সংশোধন চূড়ান্ত করেছি। আসিফ নজরুল বলেন, কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের কথা বলি, এখন থেকে এই সংশোধন কার্যকর হওয়ার পর থেকে যে গ্রেপ্তার করবে, যে পুলিশ অফিসার তার ক্লিয়ার আইডেন্টিটি থাকতে হবে, তার নেমপ্লেট থাকতে হবে, তার আইডি কার্ড থাকতে হবে। যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার হচ্ছে তিনি চাহিবামাত্র যে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে তাকে আইডেন্টিটি কার্ড দেখাতে হবে, এটা বাধ্যতামূলক। তাকে যখন থানায় নিয়ে আসা হবে যত দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবার বা বন্ধু বা আইনজীবীকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাতে হবে যে, গ্রেপ্তার করেছি আমরা এই কারণে গ্রেপ্তার করেছি, এই মামলায় গ্রেপ্তার করেছি এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এখানে আছে। যত দ্রুত সম্ভব করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই বারো ঘণ্টার বেশি সময় নেওয়া যাবে না, এরমধ্যে জানাতেই হবে। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির শরীরে যদি আঘাতের চিহ্ন থাকে বা গ্রেপ্তার ব্যক্তি যদি বলেন, আমি অসুস্থ বোধ করছি। অবশ্যই সাথে সাথে তাকে নিকটস্থ ডাক্তারের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা দিতে হবে। আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা বলেছি প্রত্যেকটা গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে একটা মেমোরেন্ডাম রাখতে হবে, বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে। কাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কী অভিযোগে কোন আইনে, তার পরিবারের কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কে গ্রেপ্তার করেছে। ডিটেইল একটা মেমোরেন্ডাম থাকবে প্রত্যেকটা গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে। আগের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যে গ্রেপ্তার করতো, বলতো আমরা জানি না। র্যাব গ্রেপ্তার করে বলতো যে পুলিশ জানে, পুলিশ গ্রেপ্তার করে অন্য এজেন্সির নাম বলতো। আমরা আইনে বলেছি, যে সংস্থাই গ্রেপ্তার করুক তাদের কনসার্ন অফিসে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কেন গ্রেপ্তার করেছে, কোথায় গ্রেপ্তার করেছে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, সমস্ত তথ্য সেখানে থাকতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না: আসিফ মাহমুদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না: আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। সেখানে তিনি লিখেছেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক। আজ উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে উত্থাপিত এ সংক্রান্ত চারটি আইনের সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে।” জানা গেছে, স্থানীয় স্তরের প্রশাসনে নিরপেক্ষতা ও জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে দলীয় প্রতীক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে এ-সংক্রান্ত চারটি আলাদা অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে ১ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এরপর উপদেষ্টা পরিষদ হয়ে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতি নিয়ে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করার কথা। আজ উপদেষ্টা পরিষদ সেই খসড়া অনুমোদন করল।
উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: ডিএনএ টেস্টে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: ডিএনএ টেস্টে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাব তাদের পরিচয় শনাক্ত করেছে। আজ বিকেলে সিআইডি প্রধান কার্যালয়ের মিডিয়া শাখা থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হয়। পরিচয় শনাক্ত হওয়া ৫ জন হলেন- মো. ফারুক হোসেন ও সালমা আক্তার দম্পতির মেয়ে ওকিয়া ফেরদৌস নিধি, মো. বাবুল ও মাজেদা দম্পতির মেয়ে লামিয়া আক্তার সোনিয়া, মো. আব্বাস উদ্দিন ও মোসা. মিনু আক্তার দম্পতির মেয়ে আফসানা আক্তার প্রিয়া, মো. শাহাবুল শেখ ও মিসেস মিম দম্পতির মেয়ে রাইসা মনি এবং আব্দুল কাদির ও উম্মে তামিমা আক্তার দম্পতির মেয়ে মারিয়াম উম্মে আফিয়া। গত সোমবার দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি দোতালা ভবনে বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ১৬৫ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। পরে এ ঘটনায় আহত আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ খবর অনুযায়ী এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৩ জনে।