আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

আগামীকাল থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য ভর্তুকি মূল্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম চালু করছে সরকার। আগামীকাল থেকে ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন জেলা ও মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। আজ টিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। টিসিবির উপপরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (শুক্রবার ছাড়া) ঢাকা মহানগরীতে ৬০টি ট্রাকে পণ্য বিক্রি চলবে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৫টি, গাজীপুরে ৬টি, কুমিল্লা মহানগরীতে ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ১২টি, ঢাকা জেলায় ৮টি, ফরিদপুরে ৪টি, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট জেলায় ৫টি করে ট্রাক নামানো হবে। ১০ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) মোট ১৯ দিন প্রতিদিন প্রতিটি ট্রাক থেকে ৫০০ জন সাধারণ ভোক্তা ভর্তুকি মূল্যে পণ্য কিনতে পারবেন। যেকোনো ভোক্তা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড না থাকলেও পণ্য কেনা যাবে। ভোক্তা প্রতি ভোজ্যতেল ২ লিটার ২৩০ টাকা, চিনি ১ কেজি ৮০ টাকা এবং মসুর ডাল ২ কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি করা হবে।
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং জনপ্রিয় কেন বর্তমান সময়ে ওজন কমানো, স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং জীবনযাত্রা সহজ করার জন্য মানুষ এখন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর প্রতি ঝুঁকছে। দেখা গেছে নিয়ন্ত্রিত ফাস্টিং এর মাধ্যমে ওজন কমানো ও অতিরিক্ত ওজনের ফলে যেসব রোগব্যাধি হয় সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে আনে। যার ফলে ওজন কমে অন্যদিকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হরমোন লেভেলকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি শরীরের ইনস্যুলিন কমিয়ে গ্রোথ হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি চর্বি ঝরানোর হরমোন নোরাড্রেনালিন এর নিঃসরণও বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে এর ফলে পেটের চারপাশের ক্ষতিকর চর্বি, যেগুলোর কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলোও ঝরে যায়। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সফলতা নির্ভর করে কম ক্যালোরি গ্রহণের উপর। খাবার গ্রহণের সময় যদি অতিরিক্ত খেয়ে ফেললে কাংখিত ফলাফল পাওয়া যাবেনা। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা পারভীন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার আলোচনার ভিত্তিতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতিগুলো হলো… ১৬/৮ ঘণ্টা ফাস্টিং: এই পদ্ধতিতে সকালের নাস্তা খাবেন না। বেলা ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খাওয়া দাওয়া করবেন। এরপর ১৬ ঘণ্টার ফস্টিং। তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার ভাল সময় হল ডিনারের পরে। রাতে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিয়ে বাকি সময়টা উপোস দিন। ফলে, ঘুমনোর সময়েই ৭-৮ ঘণ্টা এমনিতেই গ্যাপ হয়ে যাবে। আর সকালে সময় মতো খেলেই হল। খান-থামুন-খান: এই পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা করে কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন প্রতি সপ্তাহে ১ বা ২ বার। যেমন ধরুন একদিন রাতের খাবার খেয়ে পরদিন রাতে খাবেন। ৫/২ ডায়েট: এই পদ্ধতিতে প্রতি সপ্তাহে পরপর ২ দিন ৫০০ থেকে ৬০০ ক্যালোরির খাদ্য গ্রহণ করুন। বাদবাকি দিনগুলোতে স্বাভাবিক খাবার খান। ১৬/৮ ঘণ্টার পদ্ধতিটি সহজ বলে মনে হয় অনেকের কাছে। এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়ও বটে। খাবার কেমন হবে- ফাইবারে ভরপুর ফল ও শাকসব্জি রাখুন খাদ্যতালিকায়। অঙ্কুরিত ছোলা, চিকেন, অল্প তেলে রান্না মাছ, স্যালাড, সবজির তরকারি, ডিম খেতে পারবেন। ব্রাউন রাইস খেলে বেশি ভাল হয়। ব্রকোলি, আলু, আমন্ড বাদাম, পপকর্ন, গোটাশস্য বেশি করে খান। এছাড়া খাবারের তালিকায় তাজা ফলের ক্ষেত্রে এমন ফল রাখুন যেগুলো কম মিষ্টি। যেমন- মিষ্টি কম এমন ফল হলো আপেল, কমলা, মাল্টা, আংগুর, আনার, জাম, আমলকি ইত্যাদি। একটা ডায়েট চার্ট তৈরি করা ভালো। কখন কী খাবেন, কতটা খাবেন, তা লিখে রাখুন। ফাস্টিংয়ের পরে বেশি খেয়ে ফেললে চলবে না। ফাস্টিং কখন করা যাবে না – আপনি যদি আন্ডার ওয়েট হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি ইটিং ডিজ-অর্ডার থেকে থাকে। তবে, চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করতে যাবেন না। মনে রাখা জরুরী, খাবার সময়টাতে যদি জাংক ফুড অথবা অতিরিক্ত ক্যালরি যুক্ত খাবার খেয়ে ফেলেন তাহলে ফাস্টিং কোন কাজে আসবে না। যে খাবারগুলি আপনাকে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার সময়ে ওজন কমতে বাধা দিবে সেগুলো হচ্ছে- সোডা,এ্যালকোহল,ভাজা খাবার,অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার,সরল শর্করা,প্রদাহ বৃদ্ধিকারী তেল যেগুলো শস্যদানা থেকে প্রস্তুত হয়।,অতিরিক্ত ক্যাফেইন।
পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল

পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের ভালো লাগে, বাংলাদেশি বিয়ে করতে চান রাশিয়ান মডেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির। জন্ম রাশিয়াতে হলেও এ মডেল বাংলা ভাষায় কথা বলেন। শাড়ি পরেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ রুশ তরুণী বাংলাদেশের ছেলে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির বলেন, ‘রাশিয়ার মস্কোতে আমার জন্ম। আমার বাবা ভারতীয় ও মা রাশিয়ান। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি বলে, শাড়ি পরি বলে অনেকে মনে করেন আমি বাংলাদেশি। আসলে তা নয়। আমার বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি বলেন, ‘যখন আমার ৫ বছর বয়স তখন আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। আমার বাবার ব্যবসা ছিল এখানে। এরপর আমি মার কাছে চলে যাই। রাশিয়ায় আমার মার কাছে গেলেও আমি বাংলা ভাষা ভুলিনি। বাবার কারণে ইন্ডিয়ার ভাষাও আমি জানি।’ এদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষকে ভালোবাসায় এ মডেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিয়ের জন্য রাশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোন দেশের ছেলেকে বেছে নেবেন তিনি। এর উত্তরে মনিকা বলেন, ‘আমার মা রাশিয়ান, আমার বাবা ভারতীয় হলেও আমার বাংলাদেশ ভালো লাগে। বিয়েটা আসলে মনের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সব বাংলাদেশির মন ভালো নয়, সব ভারতীয়দের মন ভালো নয় আবার সব রাশিয়ানদের মন ভালো নয়। তাই বলবো, যার মন বেশি ভালো হবে তাকে বিয়ে করবো।’ বিয়ে প্রসঙ্গে এ মডেল আরও বলেন, ‘তবে আমার ইচ্ছা হয়তো বাংলাদেশে। কারণ এদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের আমার অনেক ভালো লাগে। তবে বিয়ে যাকেই করি না কেন বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়া- এ তিন দেশের পোশাক পরেই বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।’ রাশিয়ান মডেল মনিকা কবিরের রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। ডাকনাম মনিশকা। লাতিন নাচে তিনি বেশ পারদর্শী। বাবার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। তাই রাশিয়ার ভাষা ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, তুর্কি, ইংরেজি এবং আজারবাইজানের ভাষা জানেন এ লাস্যময়ী সুন্দরী।
১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও

১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা, বেতন বাড়বে কর্মকর্তাদেরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাঠপর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষকদের বেতন দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম গ্রেড করার প্রস্তাব করেছে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা থেকে বিভাগীয় উপ-পরিচালক পর্যন্ত সব কর্মকর্তার বেতন এক গ্রেড করে উন্নীত করার সুপারিশ আগামী সপ্তাহে করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্যসূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কারণ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বেতনও বর্তমানে দশম গ্রেডে থাকায় প্রধান শিক্ষক ও তদারকি কর্মকর্তার একই গ্রেডে থাকা প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করছে।অপরদিকে, সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে অবস্থান করছেন। বেতন কাঠামোয় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মধ্যে তিন ধাপ পার্থক্য রয়েছে, যা টাকা হিসেবে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। সহকারী শিক্ষকরা এ ব্যবধানকে ‘বৈষম্য’ হিসেবে দেখছেন। এই অসন্তোষ দূর করতে সরকার বেতন গ্রেড উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান জানান, সহকারী শিক্ষকদের পদনাম পরিবর্তন করে ‘শিক্ষক’ করা হয়েছে এবং তাদের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব সরকারকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ইউপিইও), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের (ডিডি) বেতন এক ধাপ বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হবে।তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার পর অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠকে বেতন বাড়ানোর যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং নতুন পে-কমিশনের কাছে বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের কাছে দেওয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রস্তাবে শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডের (১১ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ১১তম গ্রেড (১২ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) করার কথা বলা হয়েছে। সারাদেশে ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন সাড়ে তিন লাখের বেশি। সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউএপিইও) বেতন ১০ম গ্রেডের (১৬ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে নবম গ্রেড (২২ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে। সারাদেশে এই পদের সংখ্যা দুই হাজার ৬০৭টি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ইউপিইও) বেতন নবম গ্রেডের (২২ হাজার টাকা স্কেল) থেকে অষ্টম গ্রেড (২৩ হাজার টাকা স্কেল) এ উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সারাদেশে কর্মরত ৫১৬ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। দেশে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) আছেন ৬৮ জন। তাদের বেতন সপ্তম গ্রেডের (২৯ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে ষষ্ঠ গ্রেড (৩৫ হাজার ৫০০ টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে সুপারিশ করা হচ্ছে। এর বাইরে বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের বেতন পঞ্চম গ্রেডের (৪৩ হাজার টাকা স্কেল) পরিবর্তে চতুর্থ গ্রেড (৫০ হাজার টাকা স্কেল) দেওয়া হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সুপারিশ করবে।
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ফেরত দেওয়া হলো ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা চলতি বছর সৌদি আরবে সফলভাবে হজ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। হজ ব্যবস্থাপনায় ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সাশ্রয়ের ফলেই এই টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনুসের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছায় এবং তা বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যবস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।চলতি বছরে হজ প্যাকেজের খরচ গত বছরের তুলনায় ৭৩ হাজার টাকা কমিয়ে আনা হয়েছে। ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রীর হজ ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহার ও সীমিত জনবলেই কার্যক্রম পরিচালনা করেছে মন্ত্রণালয়। এ বছর ২০২৫ সনের হজে তিনটি নতুন সেবার উদ্ভাবন করা হয়। তা হলো, আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ চালুকরণ, মোবাইল ফোনে রোমিং সুবিধা প্রদান ও হজ প্রি-পেইড কার্ড হজযাত্রীদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া। এছাড়া সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সীমিত জনবলের মাধ্যমে হজ কার্যক্রম সম্পাদন করে। রাজস্ব খাতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ২৯ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে রাজস্ব খাতে ৩৬টি পদ সৃজনের কার্যক্রম গ্রহণ এখন অর্থ বিভাগের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে।
জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো পাকিস্তান। ত্রিনিদাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৯ ওভারে ২৮০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাত বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন এভিন লুইস, এ ছাড়াও শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৫৩) ফিফটি করার খানিক বাদেই আউট হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। সফরকারীদের পক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান নওয়াজ ৬৩ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫৩ রান করেন। এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজদের। দলীয় এবং ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানেই তারা ওপেনার ব্রেন্ডন কিংকে হারায়। সেই ধাক্কা সামলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন লুইস ও কেসি কার্টি। ৩৯ বলে কার্টি ৩০ রানে ফিরলে সেই জুটি ভাঙে। এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। যা নিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভুগেছে। লুইস ৬২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০, শাই হোপ ৭৭ বলে ৪ চারে ৫৫ এবং রোস্টন চেজ ৫৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেন। শেষদিকে ক্যারিবীয়দের পুঁজিটা বেড়েছে মূলত চেজ ও গুদাকেশ মোতির কল্যাণে। ২১৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোপের দলটি বড় পুঁজি পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল। যদিও চেজ ফিফটি করার পরই নাসিম শাহ’র স্লোয়ার ডেলিভারিতে হালকা চালে ব্যাট চালিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোতি। যা উইন্ডিজদের পুঁজি ২৮০–তে নিয়ে যায়। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং নাসিম শাহ নেন ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের পক্ষে রান পাননি কেবল ওপেনার সাইম আইয়ুব (৫)। দলীয় ১৬ রানে তার বিদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৯ রান। এই ম্যাচ দিয়ে ৪ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বাবর আজম ও রিজওয়ান। মাঝে একাধিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও, দুই অভিজ্ঞ তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াড গড়েছিল পাকিস্তান। দলে ফিরে বাবর ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৭, রিজওয়ান ৬৯ বলে ৪টি চারে ৫৩ রান করেছেন। সাবেক ও বর্তমান দুই অধিনায়কের পর সালমান আগা ফেরেন মাত্র ২৩ রান করে। ফলে ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাকি সময়টা তাদের নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিয়ে গেছেন হাসান নওয়াজ ও হুসাইন তালাত। দুজনের অপরাজেয় জুটি ১০৪ রানে পৌঁছাতেই পাকিস্তান গন্তব্যে পা রাখে। হাসান ৫৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৩ এবং তালাত ৩৭ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৪০ রানে থাকেন অপরাজিত। উইন্ডিজদের পক্ষে ২ উইকেট নেন শামার জোসেফ।
কারো সন্তানের জীবন কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়: অপূর্ব

কারো সন্তানের জীবন কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়: অপূর্ব প্রায় সাত মাস পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। দেশে ফিরেই একমাত্র সন্তান জায়ান ফারুক আয়াশকে দিতে চাইলেন এক অবিস্মরণীয় চমক। নিজের ঘরে ঢুকতেই অপূর্ব দেখেন, আয়াশ মিষ্টি ঘুমে আচ্ছন্ন। বাবার স্নেহমাখা স্পর্শে ঘুম ভাঙতেই চোখ মেলে দেখেন প্রিয় মানুষটিকে। মুহূর্তেই আবেগে ভেসে যায় ছোট্ট আয়াশের মুখ। বাবা-ছেলের সেই নিখাদ ভালোবাসার দৃশ্য ধরা পড়ে অপূর্বর ক্যামেরায়, যা তিনি শেয়ার করেন সামাজিকমাধ্যমে। কিন্তু সেই আবেগঘন ভিডিও নিয়েই শুরু হয় কিছু ভিত্তিহীন মন্তব্য ও নেতিবাচক আলোচনা। এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন অপূর্ব। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেতা বলেন, কিছু মানুষের সত্য-মিথ্যার বোধ নেই, ন্যূনতম সম্মানবোধও না। কিছু মানুষের গসিপ আর মিথ্যার কারখানা সমাজকে বিষাক্ত করে। আর কিছু গড়পড়তা মানুষরা, যাচাই না করেই শেয়ার করেন, রিঅ্যাক্ট দেন, ভুল বিচার করেন। সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা নিয়েও চলে নোংরা বিচার ও আজেবাজে কথাবার্তা। অপূর্ব বলেন, এটা শুধু লজ্জাজনকই নয়, চরম অমানবিকও। আর যারা এই কাজগুলো করেন তাদেরকে আমি কোনো জ্ঞান দিতে যাব না। কারণ যাদের পরিবার তাদের ভেতর কোন মূল্যবোধ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে, যাদের সমাজ মানবিকতা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদেরকে কোনো জ্ঞান দিয়ে লাভ হবে না। এরপর এই অভিনেতা আরও বলেন, যাদের মস্তিষ্ক, হৃদয়ে নেগেটিভিটির ক্যান্সার তাদেরকে, মা-বাবা তাদের সন্তানকে কতোটা ভালোবাসে সেটা প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এই অভাগারা জানে না প্রতিটা বাবা-মায়ের কাছেই তাদের সন্তান জীবনের সবচেয়ে বড় অংশ। তার প্রতিটি হাসি, প্রতিটি কান্না, প্রতিটি অর্জন- সবকিছু তারা নিজের হৃদয়ে অনুভব করে। সন্তানের হাসি-কান্না তার প্রতিটা অনুভূতি পিতা-মাতার প্রতিটি দিনকে করে তোলে উজ্জ্বল ও অর্থবহ। তারা জানে না আপনি আপনার সন্তানকে যতটা ভালোবাসেন অন্য একজন পিতা-মাতাও তার সন্তানকে ঠিক ততটাই ভালোবাসেন। নিজেকে উত্তম আর অন্যকে অধম ভাবার মতন অসুস্থতা থেকে আপনারা দ্রুত সেরে উঠুন সেই প্রত্যাশা করি। সঙ্গে অপূর্ব যোগ করেন, আমার বা অন্য কারো সন্তান নিয়ে মনগড়া কোনো ভুল মন্তব্য করার আগে ভেবে নিন। আপনি যদি সত্য না জানেন, তবে নীরব থাকুন। কারণ কারো সন্তানের জীবন আপনার কনটেন্ট তৈরির ‘আইটেম’ নয়। ইতোমধ্যেই মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন বলেও জানান ‘বড় ছেলে’ খ্যাত এই অভিনেতা। তার কথায়, কিছু ভুঁইফোড়, নীচু মানসিকতার মানুষ ব্যস্ত অন্যের চরিত্র হননে! যারা এতোটাই নীচ যে পিতা-পুত্রের গভীর ভালোবাসার মধ্যেও অন্য কিছু খোঁজার চেষ্টা করেছেন। মিথ্যা তথ্য আর গাঁজাখুরি বানানো গল্পের আশ্রয় নিয়ে ভিউ পাওয়ার আশায় সাধারণের কাছে এমন কিছু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যা দেখে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হোন আমার সন্তান ও আমার পরিবারের নামে! যারা চেষ্টা করেছেন সাংবাদিকতা নামক মহান পেশাকেও কলংকিত করতে এইসব হঠাৎ গজিয়ে ওঠা ইউটিউব চ্যানেল বা পেইজগুলো দিয়ে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, ইতোমধ্যেই তিন জনকে শনাক্ত করে আনাও হয়েছে। বাকিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে খুব শিগগিরই। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অপূর্ব। তিনি বলেন, এত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে ধন্যবাদ। সবাই মিলে একটা সুস্থ সমাজ গড়ে তুলি, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেই। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাকে বিয়ে করেন অপূর্ব। সে সংসার ভেঙে গেলে ২০১১ সালে নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে আয়াশ নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে এই সংসার ২০২০ সালে ভেঙে যায়। পরবর্তীতে অপূর্ব ও অদিতি দুজনেই বিয়ে করে আলাদা সংসার সাজিয়েছেন।
মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো

মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অরের মনোনয়নে জায়গা হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলা ৪০ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা এবারও বাদ পড়ায় পুরস্কারের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। রিও আভের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রোনালদোর সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘এটা কাল্পনিক’। এর আগে গত বছরও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তখন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি পুরস্কার জেতায় রোনালদো মন্তব্য করেছিলেন, ‘এটার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। ভিনিসিয়ুসেরই পাওয়া উচিত ছিল। অনেকবার এমন অনুভব করেছি, রাগও পেয়েছি। পরে বুঝেছি—এগুলো এমন লড়াই যেখানে জেতা যায় না। ’ পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো মেসির পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিজয়ী। গত মৌসুমে আল নাসরের হয়ে ৩৫ এবং পর্তুগালের হয়ে ৮ গোল করেন। জাতীয় দলকে নিয়ে জেতেন ইউইএফএ নেশনস লিগ। এদিকে রোনালদোর মতোই এবারও ৩০ জনের তালিকায় জায়গা হয়নি ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক লিওনেল মেসির, ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, প্যারিসে এক জমকালো আয়োজনে। বর্ষসেরা এই পুরস্কার জয়ীর নাম নির্ধারিত হবে সাংবাদিকদের ভোটে। একনজরে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ফুটবলাররা: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি), জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (পিএসজি ), জুড বেলিংহ্যাম (রেয়াল মাদ্রিদ), দিজিরে দুয়ে (পিএসজি), ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান), সেরহু গিরাসি (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড), আর্লিং ব্রট হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), ভিক্তর ইয়োকেরেশ (আর্সেনাল), আশরাফ হাকিমি (পিএসজি), হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ), খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া (পিএসজি), রবের্ত লেভানদোভস্কি (বার্সেলোনা), আলেক্সিস মাক আলিস্তার (লিভারপুল), লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান), স্কট ম্যাকটমিনে (নাপোলি), কিলিয়ান এমবাপে (রেয়াল মাদ্রিদ), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), জোয়াও নেভেস (পিএসজি), পেদ্রি (বার্সেলোনা), কোল পালমার (চেলসি), মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), ডেকলান রাইস (আর্সেনাল), ফাবিয়ান রুইস (পিএসজি), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রেয়াল মাদ্রিদ), মোহামেদ সালাহ (লিভারপুল), ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎস (লিভারপুল), ভিতিনিয়া (পিএসজি), লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)।
টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল বিশ্ব ক্রিকেট এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দুনিয়ায় ভাসছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল), সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০—সবই ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণ নিয়ে মাঠে গড়ায়। এমনকি ব্যতিক্রমী ১০০ বলের ফরম্যাট “দ্য হান্ড্রেড”–ও জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের আলোচনায়।তাহলে প্রশ্ন—কোন লিগই বা সবচেয়ে সেরা? বিবিসি স্পোর্ট ও ক্রিকভিজ একসঙ্গে কিছু মূল পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে চেষ্টা করেছে উত্তর খুঁজতে। শেষ বলের রোমাঞ্চে এগিয়ে আইপিএল শেষ ওভার বা শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচের দিক থেকে শীর্ষে আইপিএল। শেষ বলে নিষ্পত্তি হওয়া ম্যাচে আইপিএল কেবল সামান্য ব্যবধানে দ্য হান্ড্রেডকে ছাড়িয়ে গেছে। শেষ ওভারে সিদ্ধান্ত হওয়া ম্যাচের হারেও আইপিএল (২৮.৯ শতাংশ) প্রথম, পিএসএল (২৭.৫ শতাংশ) দ্বিতীয়, দ্য হান্ড্রেড (২৪.৪ শতাংশ) তৃতীয়। হোম অ্যাডভান্টেজে এগিয়ে এসএ২০ ঘরের মাঠে জয়ের শতাংশের দিক থেকে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ (৬০ শতাংশ), আর সবচেয়ে নিচে আইপিএল (৪৫.৪ শতাংশ)। ছক্কা–চারে রাজত্ব আইপিএলের চারের সঙ্গে ছক্কার বন্যায় আইপিএল সবার ওপরে। দ্বিতীয় পিএসএল, তৃতীয় আইএলটি২০। দ্য হান্ড্রেড এই তালিকায় সবচেয়ে নিচে, যা ব্যাট-বলের মধ্যে ভালো ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়। গড় রান ও উইকেট প্রথম ইনিংসে গড় রান: পিএসএল (১৮০) আইপিএলকে (১৭৯) সামান্য হারিয়েছে। আইএলটি২০ সবচেয়ে কম (১৬১)। দ্য হান্ড্রেডে গড় ১৪৪, যা পূর্ণ ২০ ওভারে আনলে দাঁড়ায় ১৬৭। বোলিং স্টাইলে ক্যারিবিয়ানে সবচেয়ে বেশি উইকেট আসে স্পিনে, আর অস্ট্রেলিয়ায় পেসারদের দাপট। তারকাখ্যাতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলের একাদশে গড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতায় শীর্ষে আইএলটি২০ (৪২৩ ম্যাচ), দ্বিতীয় পিএসএল (৩৫১), তৃতীয় আইপিএল (৩৩৫)। বিগ ব্যাশ সবচেয়ে নিচে (১৪৫), যা অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মৌসুম চলার সময়সূচির কারণে। অর্থ, সময় ও ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্স’ বেতন কাঠামোয় আইপিএল শীর্ষে, দ্বিতীয় আইএলটি২০। ম্যাচের গড় সময়ের হিসাবে সবচেয়ে ধীর সিপিএল (প্রায় ৪ ঘণ্টা), সবচেয়ে দ্রুত বিগ ব্যাশ (৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট)। বিভিন্ন মানদণ্ড যোগ করে তৈরি করা ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্সে’ শীর্ষে আইপিএল, এরপর পিএসএল, আইএলটি২০, দ্য হান্ড্রেড ও শেষদিকে বিগ ব্যাশ। তাহলে বিপিএল নেই কেন? বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ তালিকায় না থাকার কারণ বিবিসির ওই রিপোর্টে উল্লেখ নেই। তবে ধারণা করা যায়— এই সূচকের জন্য যত গভীর ও ধারাবাহিক পরিসংখ্যান প্রয়োজন, বিপিএলের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলকভাবে কম বা অসম্পূর্ণ। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রচার ও নির্দিষ্ট সময়সূচির ধারাবাহিকতায় বিপিএল এখনো পিছিয়ে। আর বিদেশি তারকার সংখ্যা ও মানে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এবং জাতীয় দলের সূচির সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে অনেক বড় খেলোয়াড় আসতে পারেন না। সবমিলিয়ে এই গবেষণার লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী, বৈশ্বিক দর্শকপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে বড় লিগগুলো তুলনা করা—সেই মানদণ্ডে বিপিএলকে বিবেচনা করা হয়নি।
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নি*হ*ত ৭২

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নি*হ*ত ৭২ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা হামলায় একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৭২ জন। আহত হয়েছেন আরও ৩১৪ জনের বেশি। এতে করে চলমান যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৩৩০ জনে। শুক্রবার ৮ আগস্ট স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর বর্বর গোলাবর্ষণে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯ জন ফিলিস্তিনি। নিহত-আহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, শুধু যেসব মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে, কেবল তাদেরকেই এই হিসেবের মধ্যে ধরা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকা অনেক মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও সরঞ্জামের সংকটে। এদিকে গাজার ওপর অবরোধের কারণে চরম খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অপুষ্টিজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২০১ জনের, যাদের মধ্যে ৯৮ জনই শিশু। এছাড়া, ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৭২ জন। শুক্রবারও ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ গেছে অন্তত ১৬ জনের। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও রাষ্ট্র ইসরায়েলকে গাজায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নিঃশেষ ও জিম্মিদের মুক্ত করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগও দায়ের হয়েছে।