ভারতের জম্মুতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যায় প্রাণহানি ১২

ভারতের জম্মুতে মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যায় প্রাণহানি ১২ ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় ‘ক্লাউডবার্স্ট’ বা মেঘভাঙা বৃষ্টিতে হঠাৎ বন্যায় অন্তত ১২ জনের প্রাণ গেছে। প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারেও বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আজ দুপুরের পর পরই কিশতওয়ার জেলার চাশোতি গ্রামে এই বিপর্যয় নেমে আসে। সরকারি কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা পিটিআইকে জানান, এ পর্যন্ত ১২টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাণহানি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।হিন্দুদের তীর্থক্ষেত্র ‘মাচাইল মাতা’র মন্দিরের উদ্দেশে প্রতি বছর পুণ্যার্থীরা যে তীর্থযাত্রা করে থাকেন, তা শুরু হয় কিশতওয়ারের এই চাশোতি গ্রাম থেকেই। চাশোতি পর্যন্তই গাড়ি চলাচলের রাস্তা আছে, এরপর বাকি পথ হেঁটে যেতে হয়। আকস্মিক বন্যার পর এই বার্ষিক তীর্থযাত্রা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ভারতের এনডিআরএফ বাহিনীর অন্তত ১৮০ জন সদস্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে উদ্ধারের কাজ চালাতে ঘটনাস্থলে দিকে রওনা হয়ে গেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর থেকে নির্বাচিত এমপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আহতদের চিকিৎসায় হেলিকপ্টার রাখা আছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিশতওয়ারে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টির পর জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কেন্দ্র সরকার ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে, পাশাপাশি প্রয়োজনে জনগণকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়লো ৫০ শতাংশ

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়লো ৫০ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়ানো হয়েছে। প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী উভয়ের ভাতা বাড়ানো হয়েছে। প্রশিক্ষার্থীদের ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। আর প্রশিক্ষকদের ভাতা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে যুগ্মসচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা এক ঘণ্টা ক্লাস নিলে ভাতা পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা। উপসচিব ও তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা ভাতা পাবেন ৩ হাজার টাকা। আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়ানো হয়। অর্থ বিভাগের উপসচিব মর্জিনা আক্তার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং অধীনস্থ অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্য বক্তা সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করা হলো। এতদিন প্রতি ঘণ্টার সেশনে তৃতীয় গ্রেড বা যুগ্মসচিব ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীর প্রশিক্ষণ সম্মানী পেতেন ২ হাজার ৫০০ টাকা। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী তারা পাবেন ৩ হাজার ৬০০ টাকা। আর চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেড বা উপসচিব এবং তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীরা পেতেন ২ হাজার টাকা। এখন থেকে তারা পাবেন ৩ হাজার টাকা। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণে এতদিন গ্রেড-৯ থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা পেতেন ৬০০ টাকা। নতুনভাবে এটিকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২০০ টাকা করা হয়েছে। গ্রেড-১০ থেকে তার নিম্ন পর্যায়ের কর্মচারীর প্রতিদিন প্রশিক্ষণ ভাতা ছিল ৫০০ টাকা। সেটিকে এখন বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইভাবে কোর্স পরিচালকের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা, কোর্স সমন্বয়কের সম্মানী প্রতিদিনের জন্য ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা ও সাপোর্ট স্টাফদের সম্মানী ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি শর্তের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং দপ্তর কর্তৃক শুধু নিজ নিজ দপ্তরের কর্মচারীদের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের জন্য এটি প্রযোজ্য হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য সদর দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। প্রশিক্ষণের ব্যাপ্তিকাল দিনব্যাপী না হলে দুপুরের খাবার বাবদ কোনো ব্যয় করা যাবে না। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ স্মারক প্রযোজ্য হবে না। গ্রেড বলতে Substantive grade (মূল গ্রেড) বুঝাবে। আদেশ জারির তারিখ থেকে পুনর্নির্ধারিত হার কার্যকর হবে।
শিবগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউপির চন্ডিপুর এলাকার সানুর মোড়ে বাংলাদেশ চ্যারিটি ফাউন্ডেশন-বিসিএফ’এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ ও মেডিসিন চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আজ সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে ৩০০ রোগীকে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা বিতরণ, ঔষধ প্রদান ও ৩০ জনের ফ্রি কান পরীক্ষা করা হয় । একই সাথে ৫০ জন রোগীকে মেডিসিন চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রকোশলী রবিউল আউয়াল। এসময় কলেজ শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বাদল, সমাজসেবক জামাল উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ঘুম আসে না? রাতে বিশেষ এই পানীয় পান করুন

ঘুম আসে না? রাতে বিশেষ এই পানীয় পান করুন রাতে ঘুমের জন্য যাদের লড়াই করতে হয় না, তারা সৌভাগ্যবান। কিন্তু অনেকেরই সেই সৌভাগ্য হয় না। আলো কমিয়ে দেওয়া, ফোন দূরে রাখা, গরম কিছু পান করা- এরকম নানা অভ্যাসও সঠিক সময়ে ঘুম আনতে পারে না অনেক সময়। তবে কিছু উপকারী পানীয় আছে যা আপনাকে রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করতে পারে। সেরকম একটি হলো, জিরা দুধ। উষ্ণ দুধ দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সময় একটি প্রধান পানীয় হিসেবে পরিচিত, তবে এতে জিরা যোগ করলে উপকারিতা আরও বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে হজম, ঘুম এবং চাপ উপশমের জন্য। জিরা দুধ কী এবং কেন এটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে : জিরা গুঁড়া মিশ্রিত এক গ্লাস গরম দুধ। ঐতিহ্যগতভাবে ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে এটি খাওয়া হয়, এটি হজম, প্রশান্তি এবং ঘুম বর্ধক বৈশিষ্ট্যের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। আয়ুর্বেদ অনুসারে, জিরা (কিউমিনাম সাইমিনাম) জিরাক নামে পরিচিত, যার অর্থ ‘যা হজম করে’। এটি লঘু (হালকা), রুক্ষ (শুষ্ক) এবং উষ্ণা (গরম) হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ, যা কফ এবং বাত দোষের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে। দুধের সাথে মিলিত হলে এটি শীতল এবং পুষ্টিকর হয়ে ওঠে, এই মিশ্রণটি প্রায় সবার জন্য উপযুক্ত প্রতিকার হয়ে ওঠে। জিরা দুধ কি ঘুমের মান উন্নত করতে পারে? হ্যাঁ। জিরাতে মেলাটোনিন থাকে। এই হরমোন ঘুম-জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। এতে থাইমোকুইনোনও রয়েছে, যা ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ঘুমের মান উন্নত করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশনে প্রকাশিত ২০২৪ সালের একটি ডাবল-ব্লাইন্ড গবেষণায় দেখা গেছে যে, জিরার নির্যাস (BCO-5) ঘুমের দক্ষতা উন্নত করে, ঘুমের লেটেন্সি হ্রাস করে এবং অংশগ্রহণকারীদের মোট ঘুমের সময় বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, দুধে ট্রিপটোফ্যান থাকে, যা সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন তৈরিতে সাহায্য করে – ঘুম নিয়ন্ত্রণের জন্য উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্য স্লিপ ডক্টর নামে পরিচিত ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ডঃ মাইকেল ব্রুস নিশ্চিত করেছেন যে, উষ্ণ দুধে ট্রিপটোফ্যানের পরিমাণ থাকার কারণে এটি আরও ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। জিরা এবং দুধ একসাথে শান্ত, ঘুম-বান্ধব মিশ্রণ তৈরি করে যা স্নায়ুতন্ত্র এবং পাচনতন্ত্র উভয়ের ওপর কাজ করে, যা হতে পারে আপনার রাতের রুটিনে একটি স্মার্ট সংযোজন।
বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে?

বক্স অফিসে মুখোমুখি অজয়-সিদ্ধার্থ, কে এগিয়ে? বলিউডে একইসঙ্গে মুক্তি পায় অজয় দেবগনের ‘সন অফ সর্দার টু’ ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর ‘ধড়ক টু’। মুক্তির ১৩ দিন পার হওয়ার পর আয়ের দিক থেকে কে এগিয়ে- তা এবার আলোচনায়। দুটি সিনেমারই দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে দর্শকের দীর্ঘ প্রতিক্ষা থাকলেও বক্স অফিসে এর আয় খুব বেশি আশাব্যঞ্জক হয়নি। মুক্তির সময়ে সিনেমা দুটি প্রবল প্রতিযোগিতার মুখে পড়লেও মোহিত সুরির ‘সাইয়ারা’ সে সময় বক্স অফিসে রাজত্ব শুরু করে। এরই মধ্যে মুক্তির তালিকায় যোগ হয় আরও দুটি সিনেমা- ‘ওয়ার টু’ ও ‘কুলি’। বলা বাহুল্য, বলিউডে এখন সিনেমার বাজার রমরমা; একসাথে বহু ছবির মুক্তি! কিন্তু প্রশ্ন, দুই সপ্তাহ পরে ‘সন অফ সর্দার টু’ ও ‘ধড়ক টু’ আয়ের দিক থেকে কোনটি এগিয়ে রইল? স্যাকনিল্কের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ১৫০ কোটি বাজেটের অজয় দেবগনের কমেডি ঘরানার ‘সন অফ সর্দার টু’ দুই সপ্তাহে শুধু ভারতের বাজারেই আয় করেছে ৪৫ কোটি ১২ লক্ষ রুপি। এদিকে তৃপ্তি দিমরি ও সিদ্ধার্থ চতুর্বেদীর রোম্যান্টিক ঘরানার ‘ধড়ক টু’ এর বাজেট ছিল ৪৫ কোটি রুপি। ভারতের বক্স অফিসে এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় ২২ কোটি ২৪ লক্ষ রুপি, যা আয় ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে ‘সন অফ সর্দার টু’-এর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে।
বন্যায় ১৯০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত; গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে মানুষ আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে

বন্যায় ১৯০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত; গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে মানুষ আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। গতকাল বিকেল ৩টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের ১ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পদ্মা পাড়ের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলী জানান, সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল মতিন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৯টি স্কুলে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। চরাঞ্চলের কৃষকরা বলেন, প্রতিদিন পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ভয়াবহ হারে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আবাদিজমি পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। ফলে আউশ, রোপা আমন, কলা, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে— নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৯২৬ কৃষকের রোপা আউশ ১২৭২ হেক্টর, ৫২ হেক্টর সবজি, ১৩ হেক্টর হলুদ ও ৫ হেক্টর কলা ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে ১৩৫ হেক্টর সম্পূর্ণ, ৪০৫ হেক্টর আংশিক আক্রান্ত হয়েছে। তিনি জানান, ৩ হাজার ১৫ জন কৃষকের ৫০৪ হেক্টর ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে আক্রান্ত ফসলের মাঠ থেকে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না বলেও জানান এই দুই কৃষি কর্মকর্তা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বেড়েছে ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দায় বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পদ্মা বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ৮৩ সেন্টিমিটার এবং পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৬৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭০ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৭৩ মিটার। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৬৫ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭২ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৭৬ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৮৬ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।
ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে পুশইন

ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে পুশইন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে ১৩ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কাঞ্চান্টার ক্যাম্পের সদস্যরা ভোলাহাট উপজেলার চামুচা বিওপির সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এস এর কাছ দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে। পরে ৫৯ বিজিবির মহানন্দা ব্যাটালিয়নের চাঁনশিকারী বিওপির টহলদল সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তাদের আটক করে। আটককৃতরা সবাই পুরুষ এবং তারা অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে সেখানে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে। আটককৃতরা হলেন— যশোর মনিরামপুর থানার হুগলাডাংগা গ্রামের আরশাদ আলী সরদারের ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৩২), টাঙ্গাইল ঘাটাইল থানার ডাকাতিয়া গ্রামের মৃত কাষ্ণরাম বর্মনের ছেলে বিষ্ণু বর্মণ (৩৪), কুমিল্লার লাকসাম থানার এলাইচ গ্রামের হায়াত উ নবীর ছেলে মো. রবিউল ইসলাম (৩০), খুলনা সোনাডাংগা থানার গোবরচাকা মোল্লাবাড়ী গ্রামের মো. ইদ্রিস শেখের ছেলে পন্টু শেখ (৩০), রংপুর কাউনিয়া থানার চন্ডিপুর মহেসা গ্রামের মৃত নুরুজ্জামানের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩৬), লালমনিরহাট আদিতমারী থানার দুর্গাপুর গ্রামের ইসলা হকের ছেলে টিটু প্রামাণিক (৩০), কুষ্টিয়া ভেড়ামারা থানার ভেড়ামারা গ্রামের মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে মো. মেহেদী হাসান মুন্না (২৯), জগশর গ্রামের মো. কামাল হোসেনের ছেলে মো. সেলিম (২৯), দৌলতপুর থানার ছাতারপাড়া গ্রামের মৃত সারোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রুলাস (৩২), রাজশাহীর বাঘা থানার আতারপাড়া গ্রামের মো. জাকির শেখের ছেলে মেহের আলী (৩২), পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থানার ময়নাগুড়ি গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে মো. রহমত (৪০), ময়মনসিংহ গৌরীপুর থানার তেরশিরা গ্রামের মৃত ইশালি শিকদারের ছেলে মো. তহিল উদ্দিন সিকদার (৪০), ঠাকুরগাঁও হরিপুর থানার মারাধা গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে মো. মোশারফ আলী (২১)। জানা যায়, তারা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময় কাজের খোঁজে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদেরকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে এবং বিএসএফ তাদের সীমান্তে এনে বাংলাদেশে পুশইন করে। মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া জানান, আটককৃতরা ২০২৩ হতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় কাজের সন্ধানে ভারতে প্রবেশ করেছিল এবং তারা ভারতীয় পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ করে। সাজাভোগ শেষে পুলিশ তাদেরকে ১১৯ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের নিকট হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে বিএসএফ কাঞ্চান্টার বিএসএফ ক্যাম্প কর্তৃক তাদেরকে সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এস এর নিকট দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে। আটককৃত ব্যক্তিদেরকে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় ভোলাহাট থানায় হস্তান্তর করা হবে।
পানি স্থির পদ্মায়, বেড়েছে মহানন্দা ও পুনর্ভবায়

পানি স্থির পদ্মায়, বেড়েছে মহানন্দা ও পুনর্ভবায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থির থাকলেও মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। আজ সকাল ৯টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বাড়েনি। মহানন্দায় বেড়েছে ৫ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ৮ সেন্টিমিটার। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭৩ মিটার; যা গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২১.৭৩ মিটারই রয়েছে। অর্থাৎ পদ্মার পানি স্থির রয়েছে। অন্যদিকে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৭২ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭৭ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৮৬ মিটার; যা বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৯৪ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।
সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃ*ত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ২৫২

সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃ*ত্যু নেই, হাসপাতালে ভর্তি ২৫২ গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। একই সময় সারাদেশে ২৫২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৫১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬ জন ও রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭০ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত ২৪ হাজার ২০০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২৫ হাজার ৫৭৬ জন। এর মধ্যে ৫৮ দশমিক নয় শতাংশ পুরুষ ও ৪১ দশমিক এক শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরের এ যাবত ডেঙ্গুতে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের।২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
রূপচর্চায় হলুদের জাদু!

রূপচর্চায় হলুদের জাদু! রান্নায় অপরিহার্য মসলা হলুদ। বাংলাদেশি রান্নায় যেন হলুদ ছাড়া কোনো তরকারি রাঁধাই সম্ভব না। কিন্তু কেবল হলুদ কেবল আপনার রান্নাকেই সুস্বাদু ও সুন্দর করে তোলে না চাইলে আপনার বিউটি রুটিনেও হলুদ বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। কীভাবে? চলুন জেনে দেখে নেওয়া যাক। গায়ের রঙ উজ্জ্বল করে আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবেই গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে চান তবে হলুদ ব্যবহার করুন। বিয়ের আগে গায়ে হলুদের আয়োজন কেন করা হয় জানেন তো? বিশেষ দিনটিতে কন্যার গায়ের রঙ যেন খোলাশা হয় সেজন্যেই। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং জীবানু-নিরোধক উপাদান যার দরুণ এটি ব্যবহারে গায়ের রঙ উজ্জ্বল, সজীব ও সতেজ হয়ে ওঠে। চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে চোখের নিচে কালো দাগ যার থাকে, সেই বোঝে কত যন্ত্রণার বিষয় এটি! বাজারে অনেক ধরনের সামগ্রী পাওয়া যায় এটি দূর করার জন্যে, কিন্তু সবগুলোই কি নিরাপদ ও কার্যকরী? প্রতিদিন নিয়ম করে হলুদ দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক চোখের আশেপাশে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন। দাঁত সাদা করে আপনার হয়তো মনে হতে পারে হলুদ আবার কীভাবে দাঁত সাদা করবে? কিন্তু হ্যাঁ, হলুদ দাঁতকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তোর মতন সাদা করে তোলে এবং দাঁত ব্যথা এবং জিঙ্গাইভিটিস দূর করে। আপনি প্রতি সকালে টুথপেস্ট হিসেবে হলুদ ব্যবহার করতে পারেন, ফলাফল কিছুদিনের মধ্যেই দেখতে পাবেন। ব্রণের সঙ্গে যুদ্ধ করে মুখের ব্রণ দূর করতে হলুদ দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে কারণ এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক থাকে। লালচে ভাব ও ব্যথা কমিয়ে এটি ধীরে ধীরে ব্রণ সারিয়ে তোলে। আপনি যদি অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে টোনার বানিয়ে কিছুদিন ব্যবহার করতে থাকেন, তবে উল্লেখযোগ্য ফলাফল পাবেন। ব্রণের দাগ সারাতেও এটি সমান উপকারী। বয়সের ছাপ কমিয়ে দেয় আপনার ত্বকে উল্লেখযোগ্য হারে বয়সের ছাপ পড়ছে? কিংবা সূর্যের আলোতে অধিক সময়ে অবস্থানের কারণে কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়েছে? চিন্তার কিছু নেই। আধা চা-চামচ হলুদ গুড়োর সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। দশ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ধীরে ধীরে ত্বকে লাবণ্য ফিরে আসবে। দেখলেন তো, রান্নার কাজে অপরিহার্য মসলা হলুদ ত্বকের সুরক্ষায় কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকেই বিউটি রুটিনে হলুদ যোগ করুন এবং ফলাফল নিজের চোখেই দেখুন।