সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন

সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন নাস্তা বলতে আমরা সাধারণত মুখরোচক কোনো খাবারকেই বুঝি। বিশেষ করে মসলাদার, ডুবো তেলে ভাজা অথবা অতিরিক্ত লবণ কিংবা চিনি মিশ্রিত নানা খাবার। কিন্তু এসব খাবারই সুস্থ থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই বলে কি আপনি নাস্তা খাবেন না? নিশ্চয়ই খাবেন। সেজন্য অস্বাস্থ্যকর বা শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবারের পরিবর্তে আপনাকে বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক নাস্তা হিসেবে কোন খাবারের বদলে কোন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন- ১. বিস্কুটের পরিবর্তে বাদাম এবং বীজ : চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার পরিবর্তে কয়েকটি বাদাম, আখরোট অথবা কুমড়া এবং সূর্যমুখী বীজ খান। এগুলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। সেইসঙ্গে ময়দার তৈরি খাবারের চেয়ে অনেক ভালোভাবে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ২. চিপসের বদলে ছোলা : ভাজা চিপস অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি দিয়ে ভরা থাকে। আরও ভালো পছন্দ হতে পারে ভাজা ছোলা। এগুলো হালকা, মুচমুচে, ফাইবার এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনে ভরপুর, যা আপনি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ ধরে খেতে পারবেন। ৩. চিনিযুক্ত দইয়ের বদলে টক দই : স্বাদযুক্ত দইয়ে অনেকটা চিনি থাকে। পেঁপে বা বেরির মতো তাজা ফলের সঙ্গে টক দই খান। এই মিশ্রণটি প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এবং এতে প্রোবায়োটিক রয়েছে যা অন্ত্রকে পুষ্ট করে, চিনির ক্ষয় ছাড়াই স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। ৪. চকোলেটের বদলে পিনাট বাটার : মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা হলে প্রক্রিয়াজাত চকোলেট বার বা ক্যান্ডির পরিবর্তে একটি আপেল বা কলার সঙ্গে এক চামচ পিনাট বাটার মিশিয়ে খান। এই সমন্বয় প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেটকে স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ করে, যা আপনাকে হঠাৎ এনার্জি ক্রাশের ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করে। ৫. ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির : ইনস্ট্যান্ট নুডলস অনেকের কাছে সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে প্রিয় দ্রুত খাবারের মধ্যে একটি, তবে এতে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে এবং প্রায় শূন্য পুষ্টি থাকে। এর বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির খাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো হলো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় আপনাকে সজাগ এবং উদ্যমী থাকতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশকে উড়িয়ে শিরোপা জিতল ভারত

বাংলাদেশকে উড়িয়ে শিরোপা জিতল ভারত সাফ উইমেনস অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ছন্নছাড়া খেলায় বড় ব্যবধানে হার মানল বাংলাদেশ। শনিবার নেপালের পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আলপি-তৃষ্ণাদের ৪-০ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এককভাবে ট্রফি জিতে নেয় ভারত। রাউন্ড রবিন লিগে বাংলাদেশের কাছে ২–০ ব্যবধানে হারের মধুর প্রতিশোধ ফাইনালেই নিল ভারত। এর আগে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় দুইবারই ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ২০২১ সালে বাংলাদেশ ১–০ গোলে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। আর ২০২৪ সালে সেই আলোচিত ‘টস কাণ্ড’-এর পর সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে। নেপাল এই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করল। রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের জাল অক্ষত রেখে ১৮ গোল করে তিন জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফাইনালে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ছিল সাবধানী। রাউন্ড রবিনে একমাত্র হারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতও ছিল সতর্ক-ফলে ম্যাচের শুরুটা ছিল ধীরগতির। দ্বিতীয় মিনিটেই ভারতের ফরোয়ার্ড বিপজ্জনক হয়ে উঠলে গোলরক্ষক ইয়ারজান পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে জোরালো শটে দলকে বিপদমুক্ত করেন। ১৬তম মিনিটে বক্সের বাইরে আলবা দেবির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সুরভি আক্তার আফরিন। আভিস্তা বাসনেতের নেওয়া ফ্রি-কিক সরাসরি ইয়ারজানের হাতে ধরা পড়ে। ম্যাচে প্রাণ ফেরে ৪২তম মিনিটে। বাম দিক থেকে আসা ক্রস ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। দূরের পোস্টে ফাঁকায় থাকা প্রীতিকা বর্মন বল পেয়ে শট না নিয়ে বাড়িয়ে দেন ঝুলান নংমাইথেমকে। ভারত অধিনায়ক সহজেই ইয়ারজানকে পরাস্ত করে লিড এনে দেন। চলতি আসরে এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম গোল হজম। বিরতির পর সমতাসূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫২তম মিনিটে তৃষ্ণা সুবর্ণ সুযোগ পেলেও একা গোলরক্ষকের সামনে বল বাইরে মারেন। সুযোগ নষ্ট করে হতাশায় বক্সেই বসে পড়েন তিনি। ৬২তম মিনিটে এলিজাবেথ লাকরার সফল স্পট-কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ভারত। আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে ইয়ারজান পোস্ট ছেড়ে বেরোলেও বলের নাগাল পাননি। আলভা দেবি বল নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে প্রতিমা মুন্ডার হালকা স্পর্শে বক্সে পড়ে গেলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন।বাংলাদেশ ৬৮তম মিনিটে তৃতীয় গোল হজমের পর ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায়। অর্পিতার ব্যাক-পাস ক্লিয়ার করতে সময় পেয়েও দেরি করেন ইয়ারজান। চাপের মুখে নেওয়া শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ফিরে এলে পার্ল ফার্নান্দেস আলতো টোকায় জালে জড়িয়ে দেন বল। ৮৩তম মিনিটে সতীর্থের কাটব্যাকে আনভিতা কোনাকুনির নিখুঁত শটে চতুর্থ গোল হজম করে বাংলাদেশ। তাতেই নেপাল থেকে ট্রফি নিয়ে ফেরার স্বপ্ন ভেঙে যায় পিটার জেমস বাটলারের শিষ্যদের। ফাইনালের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো বাংলাদেশকে, আর ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এককভাবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।
জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি

জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী জুনের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ চান। এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, প্রায় চার বছর ধরে চলা এ সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমেরিকানরা প্রস্তাব করছে যেন রাশিয়া ও ইউক্রেন আসছে গ্রীষ্মের শুরুর দিকেই যুদ্ধ শেষ করে এবং সম্ভবত তারা এই নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী উভয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরি করবে।’ তবে তার এ মন্তব্য শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত প্রচার না করার শর্ত ছিল। জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের প্রশাসন সব ঘটনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমার ওপর জোর দিয়েছে। তারা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে (সম্ভবত মিয়ামিতে) পরবর্তী দফার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। ইউক্রেন ইতোমধ্যে এতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার দম্ভোক্তি করেছিলেন। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও কোনো শান্তিচুক্তি এখনও অধরা রয়ে গেছে। সমালোচকরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ক্রেমলিনের যুদ্ধের বয়ান এবং সর্বোচ্চ দাবিগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মার্কিন-মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় আলোচনার পর এ নতুন সময়সীমা দেওয়া হলো। তবে ওই আলোচনায় খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে, কারণ উভয় পক্ষই তাদের বিপরীতমুখী দাবিতে অনড় ছিল। ক্রেমলিন দাবি করেছে যে, ইউক্রেনকে শিল্পসমৃদ্ধ পূর্ব দনবাস অঞ্চল (দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক) থেকে সরে যেতে হবে, যেখানে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। কিয়েভ এই শর্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের সংবিধান অনুযায়ী রাশিয়ার দাবি করা এ পূর্বাঞ্চলীয় ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া নিষিদ্ধ। উভয়পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দী হস্তান্তরের বিষয়ে একমত হয়েছে। ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ৫ ফেব্রুয়ারি এই বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার জেলেনস্কি আরো জানান, চুক্তির আওতায় রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবন্দী বিনিময় অব্যাহত থাকবে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আমেরিকান মধ্যস্থতাকারী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বৃহস্পতিবার বলেন যে শান্তি আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি থাকলেও’ বন্দী বিনিময় প্রমাণ করে যে ‘নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক তৎপরতা বাস্তব ফলাফল বয়ে আনছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমাধান না এলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা কিছু জানাননি। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে

২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর গালফ নিউজের। সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় হাজিদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার প্রস্তুতি জোরদার ও কার্যক্রম সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই ২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। তারিখটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলে যায়। ওই সময় বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠায় সৌদি মন্ত্রণালয়। সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এতে পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মক্কা ও মদিনার আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবাসংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হবে। আর মার্চে ভিসা চূড়ান্তকরণ এবং হাজিদের আগমনের জন্য প্রস্তুতির তথ্য জমা দেওয়া হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরির ১ জিলকদ) থেকে প্রথম দফার হাজিরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। হাজিদের আগমনের মাধ্যমে হজ মৌসুমের চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাজিদের আগমনের আগেই অবকাঠামো ও সেবাসমূহ পুরোপুরি প্রস্তুত রাখতে ঘোষিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজ জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হাজি নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন প্রায় ৩০ হাজার হাজি। আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ বিষয়ক দপ্তর তাদের মৌলিক চুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছে।
হাফপ্যান্ট পরেই গ্র্যামির মঞ্চে, আলোচনায় জাস্টিন বিবার

হাফপ্যান্ট পরেই গ্র্যামির মঞ্চে, আলোচনায় জাস্টিন বিবার গানের পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় লাইফস্টাইল ও অদ্ভুত ফ্যাশন সেন্সের জন্য প্রায়ই সংবাদের শিরোনাম হন জনপ্রিয় পপ তারকা জাস্টিন বিবার। এবার সংগীতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন ‘গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস’-এর মঞ্চে পোশাক নিয়ে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন এই তারকা। কারণ পারফর্মের সময় তার পরনে ছিল শুধু হাফপ্যান্ট আর মোজা; যা নিয়ে এখন আলোচনায় এই শিল্পী। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হঠাৎ করে বিবারকে এমন অবস্থায় দেখে একরকম হকচকিয়ে যান আয়োজক ও বিচারকেরা। আর বিবারের এমন খামখেয়ালি পোশাকের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেনও না তারা। গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের নির্বাহী প্রযোজক বেন উইনস্টন এক পডকাস্টে জানান, বিবার যে এমন পোশাকে পারফর্ম করবেন, তা তিনি আগে থেকে কাউকেই জানাননি। বলেন, আমার মনে হয় না মঞ্চে ওঠার আগ পর্যন্ত তিনি ঠিক করেছিলেন কী পরবেন। সৃজনশীল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়ও তিনি কোনো আভাস দেননি, শুধু বলেছিলেন- মঞ্চে উঠে গান গাইবেন। জানা গেছে, সেদিন জাস্টিন বিবার তার নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডের তৈরি করা একটি সাটিন বক্সার শর্টস পরে পারফর্ম করতে মঞ্চে ওঠেন। আয়োজকরা জানান, এই বিশেষ পারফরম্যান্সের জন্য বিবার খুব একটা সময় নষ্ট করতে চাননি, তাই হয়তো বিবার এমন পোশাকেই চলে আসেন। এবারের অনুষ্ঠানে জাস্টিন বিবারের পোশাক ছাড়াও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কিংবদন্তি গায়িকা চের-এর একটি ভুল। ‘রেকর্ড অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরির বিজয়ী ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি ভুলবশত ২০০৫ সালে প্রয়াত সংগীতশিল্পী লুথার ভ্যানড্রসের নাম বলে ফেলেন। তবে দ্রুতই ভুল শুধরে নিয়ে আসল বিজয়ী কেনড্রিক ল্যামারের নাম ঘোষণা করেন তিনি।
‘কেন ওরা রাজনীতিতে গেল, ববিতার প্রশ্ন

‘কেন ওরা রাজনীতিতে গেল, ববিতার প্রশ্ন শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা। একুশে পদক প্রাপ্তির পর জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি মনে করি, শিল্পীদের একেবারেই রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয়। একজন শিল্পী যেভাবে কাজ করেছেন, পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন, একটা সময় দেশের মানুষ তাদের অনেক ভালোবাসেন। কিন্তু যে মুহূর্তে শিল্পী রাজনীতিতে জড়ান, সব কিছু জিরো হয়ে যায়। এ সময় তিনি একুশে পদক প্রাপ্তির জন্য ভক্ত-দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘‘ভক্ত-দর্শকের ভালোবাসায় আমি ববিতা হয়েছি, একটা পর্যায়ে পৌঁছেছি। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সাক্ষাৎকারে শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানোর নেতিবাচক দিক তুলে ধরে ববিতা বলেন, “শিল্পী সবসময় শিল্পী। সে রাজনীতি সচেতন হবে, কিন্তু কেন সে রাজনীতি করবে? এটা আমার খুব অপছন্দ। যে যা-ই বলুক, আমার একটাই কথা শিল্পীরা কখনোই রাজনীতিতে যাবে না। এ সময় তিনি অভিনেতা রিয়াজ ও ফেরদৌসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এই যে দেখেন রিয়াজ, ফেরদৌসসহ আরও কে কে তো শিল্পী হিসেবে ভালোই ছিল। কেন ওরা রাজনীতিতে গেল! রিয়াজ এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে কেন? রাজনীতি এমন একটা জায়গা, এখানে কাল কী হবে কেউ বলতে পারে না। এসব কারণে শিল্পী হিসেবে মানুষ তার নাম ভুলে যাচ্ছে। ববিতা মনে করেন একজন শিল্পীর গ্রহণযোগ্যতা রাজনীতিবিদের চেয়েও বেশি। তিনি বলেন, “যত দিন দল ক্ষমতায়, রাজনীতিবিদ তত দিন শক্তিশালী। যে মুহূর্তে দল ক্ষমতায় নাই, রাজনীতিবিদের সবকিছু তখনই শেষ। কিন্তু একজন শিল্পীর ক্ষমতা সবসময় থেকে যাবে, যত দিন যাবে বাড়বে। উল্লেখ্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছর একুশে পদক প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ববিতা একুশে পদক চলচ্চিত্রকার, সাহিত্যিক জহির রায়হানকে উৎসর্গ করেছেন।
১৪৯০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন

১৪৯০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৪৪তম বিসিএসে এক হাজার ৪৯০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের সাত মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ নিয়োগ আদেশ জারি করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়, যা শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন এবং নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়নকারী কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে ভিন্ন কোনো নির্দেশ না এলে নির্ধারিত তারিখেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক বলে গণ্য হবেন এবং তাঁর নিয়োগপত্র বাতিল বলে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলে, সে ক্ষেত্রে নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩০ জুন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে। এতে বিভিন্ন ক্যাডারের এক হাজার ৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ হাজার ৬৯০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।
৪ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

৪ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৪ লাখ ১ হাজার ৪৬০টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৯৮ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮১৭ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। অপরদিকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪৬টি ব্যালট ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা গ্রহণ করেছেন। বিদেশের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) অবস্থানরত ভোটারদের কাছেও পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৬ জন নিবন্ধিত ভোটারের ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৩ লাখ ২৪ হাজার ২ জন ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৯ হজার ৩৯৪ জন ভোট দিয়েছেন এবং ২ লাখ ১৩ হাজার ৬৯৭ জন তাদের ব্যালট পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৭০৬টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ করা হবে।
এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ

এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ বাঙালির রান্নাঘরে আর কোনো তরকারি থাকুক বা না থাকুক আলুর সরব উপস্থিতি অবশ্যই দেখা যায়। ভাজি, ভুনা, তরকারি, ভর্তা সবকিছুতেই এই সবজি ব্যবহার করা হয়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, প্রতিদিন আলু খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য আদৌ উপকারি? আর দিনে কতটুকু আলু খাওয়া নিরাপদ? চলুন জেনে নিই পুষ্টিবিদরা এ সম্পর্কে কী বলেন? পুষ্টিবিদদের মতে, আলু খাওয়া বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক পরিমাণে ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে আলু শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। সাধারণত একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে মাঝারি আকারের এক থেকে দুইটি আলু খেতে পারেন। ওজনের হিসাবে যা ১০০ থেকে ১৫০ গ্রামের সমান। তবে যেভাবে ইচ্ছে আলু খেলে চলবে না। ভাজা বা অতিরিক্ত তেল মসলা দিয়ে রান্না করা আলু খাওয়া যাবে না। আলুতে আছে শর্করা, যা শরীরে শক্তি জোগায়। তাই পরিশ্রমী মানুষ বা যারা শারীরিক কাজ করেন, তাদের জন্য আলু ভালো শক্তির উৎস হতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আলু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে। আলুতে থাকা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশিয়াম। এই খনিজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়াও আলুতে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। উপকারি হলেও আলু খাওয়ার ব্যাপারে কিছু সতর্কতা মানা জরুরি। এই সবজিটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আলু পরিমিত খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন আলু না খাওয়াই ভালো। খেলেও অল্প পরিমাণে এবং অন্যান্য শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত। এছাড়া যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদেরও বুঝেশুনে আলু খেতে হবে। সেদ্ধ বা অল্প তেলে রান্না করা আলু পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস বা বেশি তেলে ভাজা আলু খেলে কমবে না ওজন। সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু খারাপ নয়, খারাপ হলো এটি অতিরিক্ত খাওয়া এবং ভুল রান্নার পদ্ধতি। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমাণ মেনে, ভারসাম্য রেখে আলু রাখতেই পারেন। এতে কোনো ক্ষতি হবে না। বরং মিলবে উপকার।
হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না

হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না মানুষ যখন প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায় তখন অনেকেই অলসতা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা সাধারণত অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। দ্রুত ধারণা করা যায় যে প্রোটিনই এর জন্য দায়ী। পুষ্টিবিদদের মতে, সমস্যাটি প্রোটিন নিজে নয় বরং এটি বৃদ্ধি করার কারণে ঘটতে পারে। প্রোটিন কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি গ্রহণের সময় মানুষ কী ভুল করে তা জেনে নিন। প্রোটিন শরীরের বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাজকে সাহায্য করে। টিস্যু মেরামত থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা এবং পেশী তৈরিতে সহায়তা করা এর কাজ। এটি এমন কিছু যা আমাদের সত্যিই প্রয়োজন। কিন্তু অস্বস্তি তখনই শুরু হয় যখন মানুষ অন্য কোথাও সঠিক সমন্বয় না করে তাদের প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায়। বেশি প্রোটিন মানে শরীরের আরও পানি, স্থির ফাইবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন যাতে হজম এবং সামগ্রিক ভারসাম্য ঠিক থাকে। এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা না হলে শরীর চাপ অনুভব করে এবং প্রোটিনকে এই ঘাটতি থেকে আসা প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী করা হয়, পুষ্টির কারণে নয়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় যে ৩টি ভুল এড়িয়ে চলবেন- ১. পর্যাপ্ত পানি পান না করা : প্রোটিন বেশি গ্রহণের ফলে বেশি ইউরিয়া তৈরি হয়। এটি একটি বর্জ্য পদার্থ যা কিডনি বের করে দেয়। প্রোটিনের পাশাপাশি পানির পরিমাণ বৃদ্ধি না পেলে শরীর এই বোঝা পরিষ্কার করতে কষ্ট পায়। তখন মাথাব্যথা, ক্লান্তি, প্রস্রাবের গাঢ় রঙ, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। প্রোটিন ডিহাইড্রেট করে না, অপর্যাপ্ত হাইড্রেশন তৈরি করে। যদি প্রোটিন গ্রহণ বেড়ে যায়, তাহলে পানির পরিমাণও বাড়াতে হবে। ২. ফাইবার কমানো : অনেকে প্রোটিন বাড়ানোর সঙ্গেসঙ্গে অজান্তেই প্লেট থেকে ফাইবার সরিয়ে ফেলেন। যেহেতু প্রোটিন শেক এবং পাউডারের ফাইবার খুব কম বা কোনো ফাইবার থাকে না, তাই পূর্ণ খাবারের পরিবর্তে খেলে পাচনতন্ত্রের সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত ফাইবার এবং পর্যাপ্ত পানি ছাড়া হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যে কারণে উচ্চ-প্রোটিন খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ হয়ে ওঠে। সমস্যাটি প্রোটিন নয় বরং ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য এবং ডালের অভাব যা অন্ত্রকে সচল রাখে। ৩. ফল এবং শাক-সবজি না খাওয়া : এটি সবচেয়ে উপেক্ষিত ভুলের মধ্যে একটি। কিছু প্রাণিজ প্রোটিন শরীরের খাদ্যতালিকায় অ্যাসিডের ভার বাড়ায়। ফল এবং শাক-সবজি এটি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে কারণ সেগুলো পটাসিয়াম সরবরাহ করে। পটাসিয়াম হলো একটি খনিজ যা অ্যাসিডকে নিউট্রাল করে এবং শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। পটাসিয়ামের মাত্রা কম হলে পেট ফাঁপা, পেশীতে ক্র্যাম্প, রক্তচাপের ওঠানামা, কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। উচ্চ প্রোটিন কম পটাসিয়ামের সঙ্গে মিলিত হলে এই সমস্যাগুলো দেখা দেয়।