৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর

৩ সহজ উপায় পরিশ্রম ছাড়া নারকেল কোরানোর এই শীতে পিঠা বানানোর কথা ভাবছেন? তাহলে মাথায় রাখুন নারকেল ছাড়া পিঠাপুলির পূর্ণ স্বাদ পাওয়া যায় না। কিন্তু নারকেল কোরাতে অনেকের বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়। আবার কারো কারো বাসায় কোরানোর দা বা মেশিনও থাকে না। তাহলে কী করবেন? বলছি। সহজ কিছু কৌশল জানলে অল্প সময়ে নারকেল কোরানো যাবে। সেদ্ধ করে নিন নারকেল ফুটন্ত পানিতে মিনিট দশেক ভিজিয়ে রাখুন। গরম পানিতে মিনিটে পাঁচেকের জন্য সেদ্ধও করতে পারেন। এতে নারকেলের খোলা নরম হয়ে আসবে। ভারী কিছু দিয়ে অল্প টোকা মারলেই ভেঙে যাবে। পাশাপাশি নারকেলের শাঁসও নরম হয়ে যাবে। চামচ দিয়ে টানলেই শাঁস উঠে আসবে। এর পর ওই শাঁস ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। ফ্রিজে রেখে দিন নারকেল দুই টুকরো করে ফ্রিজে দুই দিন রেখে দিন। দুই দিন পর দেখবেন নারকেলের মালা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে। নারকেলের শাঁস ছুরির সাহায্যে বের করে নিন। কিংবা ভারী কিছু দিয়ে টোকা মারুন। খোলা ভেঙে শাঁস বেরিয়ে আসবে। তারপরে ফুড প্রসেসরে দিয়ে নারকেল প্রস্তুত করে নিন। পরিশ্রম ছাড়াই নারকেল কোরাতে পারবেন। মাইক্রোওভেনের সাহায্য নিন নারকেলের মালাগুলো ৩০ সেকেন্ডের জন্য মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। যদি দেখেন খোসা থেকে শাঁস বেরিয়ে আসছে, তাহলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। যদি তা না হয়, তাহলে আরও ২-৩ বার ৩০ সেকেন্ড করে মাইক্রোওভেনে ঘুরিয়ে নিন। তবে, বেশি গরম করবেন না। শাঁস খোলা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করলে মাইক্রোওভেন বন্ধ করে দিন। ছুরি বা চামচের সাহায্যে শাঁস বের করে ব্লেন্ডারের সাহায্যে পিঠার জন্য নারকেল প্রস্তুত করে নিন।

বচ্চন পরিবারে বিদ্যার দৌড়ে কে এগিয়ে?

বচ্চন পরিবারে বিদ্যার দৌড়ে কে এগিয়ে? ভারতের বিখ্যাত বচ্চন পরিবারের সবাই সুপারস্টার। দেশের অধিকাংশ মানুষই বচ্চন পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে অনেক তথ্য জানেন। বলি শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চন, অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই এবং অগস্ত্য নন্দা। বিগবি অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের প্রেমের গল্প যেভাবে শুরু হয়েছিল, তা কারও অজানা নেই। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের বিয়ে, সন্তান ও ডিভোর্স-চর্চা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জল্পনা-কল্পনার কোনো অন্ত নেই। কিন্তু আপনি কি জানেন? বচ্চন পরিবারের কোন সদস্য বেশি শিক্ষিত? নিখিল নন্দা ও তার স্ত্রী শ্বেতা বচ্চন পরিবারের সবচেয়ে শিক্ষিত। দুজনেরই বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি রয়েছে। অমিতাভ বচ্চন এলাহাবাদের বয়েজ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর নৈনিতালের শেরউড কলেজে ভর্তি হন। এরপর তিনি কিরোরী মাল কলেজ থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। অন্যদিকে জয়া বচ্চন ভোপালের সেন্ট জোসেফ কনভেন্ট স্কুল এবং পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এফটিআইআই) থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি ব্যাচেলর অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর অভিষেক বচ্চন মুম্বাইয়ের বোম্বে স্কটিশ স্কুল শেষে সুইজারল্যান্ডের এগলন কলেজ থেকে স্কুল এডুকেশন শেষ করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজনেস নিয়ে লেখাপড়া করছিলেন। তবে অভিনয়ে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। অন্যদিকে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন মুম্বাইয়ের আর্য বিদ্যা মন্দির হাই স্কুল থেকে দশম শ্রেণি পাশ করেছিলেন। এরপর তিনি জয় হিন্দ কলেজ ও ডিজি রুপারেল কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। পরে তিনি রচনা সংসদ একাডেমি অব আর্কিটেকচারের ব্যাচেলর অব আর্কিটেকচার কোর্সে ভর্তি হন, কিন্তু মডেলিং ও অভিনয়ে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেন। অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের মেয়ে শ্বেতা বচ্চন নন্দা নয়াদিল্লির মডার্ন স্কুলে পড়ার পর দেরাদুনের বিখ্যাত দুন স্কুল থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেন। এরপর তিনি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের নাতনি নভ্যা নাভেলি নন্দা নিউইয়র্কের ফোর্ডহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি ডিজিটাল টেকনোলজি ও ইউএক্স ডিজাইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চনের নাতি অগস্ত্য নন্দা লন্ডনের সেভেনোয়াকস স্কুলে পড়াশোনা করেন। তবে তাদের কোন কোর্সের ডিগ্রি রয়েছে, সে সম্পর্কে তথ্য ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না। নিখিল নন্দা বচ্চন পরিবারের জামাই এবং এসকর্টস কুবোটা লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি), শ্বেতা বচ্চনের স্বামী। তিনি দেরাদুনের দুন স্কুলে পড়েন এবং তারপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্টন স্কুল থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি অর্জন করেন। সবকিছু বিশ্লেষণ করে জানা যায়, নিখিল নন্দা ও তার স্ত্রী শ্বেতা বচ্চন পরিবারের সবচেয়ে শিক্ষিত। দুজনেরই বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি রয়েছে।

বোনের বিয়েতে কৃতির আবেগঘন স্মৃতিচারণ

বোনের বিয়েতে কৃতির আবেগঘন স্মৃতিচারণ বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের ছোট বোন নূপুর শ্যানন। দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর নূপুরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সংগীতশিল্পী স্টেবিন বেন। দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে হিন্দু ও খ্রিস্টান উভয় রীতিতেই সম্পন্ন হয়েছে এই জমকালো আয়োজন। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা ও আনন্দঘন মুহূর্ত শেষ হলেও বিদায়ের ক্ষণে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি কৃতি শ্যানন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শৈশব থেকে বর্তমান পর্যন্ত বোনের সঙ্গে কাটানো নানা স্মৃতির ছবি শেয়ার করে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। এক আবেগঘন পোস্টে কৃতি লেখেন, ‘আমি বলে বোঝাতে পারব না ঠিক কী অনুভব করছি। আমার ছোট্ট বোনটার নাকি বিয়ে হয়ে গেল! যখন আমার বয়স মাত্র পাঁচ বছর, তখন ওকে প্রথম কোলে নিয়েছিলাম। আর আজ সেই হাত দিয়েই ওর বিয়ের গাঁটছড়া বেঁধে দিলাম। নূপুর, তুই আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী কনে। ভগ্নিপতি স্টেবিন বেনকে উদ্দেশ করে কৃতি লেখেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরেই তুমি আমাদের পরিবারের অংশ। আজ তা পূর্ণতা পেল। পোস্টের শেষাংশে কৃতি আরও লেখেন, ‘আমি সারাজীবনের জন্য কেবল একজন ভাই নয়, বরং একজন ভালো বন্ধুও পেলাম। তোমাদের দু’জনের বিয়ের মুহূর্তটা আমার জীবনের সবচেয়ে আবেগপ্রবণ স্মৃতিগুলোর একটি হয়ে থাকবে। তবে মনে রেখো স্টেবিন, নূপুর আমার জান। আমি ওকে তোমার হাতে তুলে দিচ্ছি না, বরং তোমাকে আমাদের শ্যানন পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। কৃতির এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়েছে। শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন নবদম্পতি নূপুর শ্যানন ও স্টেবিন বেন।

মত প্রকাশে কখনোই রাখঢাক করেন না আসিফ

মত প্রকাশে কখনোই রাখঢাক করেন না আসিফ   স্পষ্টভাষী হিসেবে শিল্পীসমাজে আলাদা পরিচিতি রয়েছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের। নিজের ভাবনা কিংবা মতামত প্রকাশে তিনি কখনোই রাখঢাক করেন না। এ কারণেই প্রশংসার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয় তাকে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে হাজির হন আসিফ আকবর। অনুষ্ঠানে উপস্থাপক দেশের কয়েকজন তারকার নাম উল্লেখ করে জানতে চান—তাদের সামনে পেলে কী প্রশ্ন করতে চান এই সোজাসাপ্টা গায়ক। এ সময় চিত্রনায়িকা পরীমণিকে নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানান আসিফ। তিনি বলেন, ‘পরীমণিকে যতটুকু দেখি, সে একটু খামখেয়ালী। তাকে আমি প্রশ্ন করতে চাই—তুমি আমাদের মুক্তি দেবে কবে? তুমি একটা কিছু করো, সেটেল ডাউন হও। কীভাবে করবে, সেটাও আমাকে বলো।’ পরীমণির ব্যক্তিত্ব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘পরীমণির সঙ্গে এ নিয়ে আগেও কথা হয়েছে। সে সবসময় হাসিখুশি থাকে, সবকিছু খুব ক্যাজুয়ালি নেয়। এটা ওর একটা দারুণ দিক।’ শুধু তাই নয়, ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে আসিফ আকবরের। তিনি বলেন, শাকিব খানের সঙ্গে দেখা হলে জানতে চাইবেন—‘আপনি যখন ডায়লগ দেন, তখন একরকম শোনায়। কিন্তু গানের সময় হঠাৎ গলা চিকন, একটু মেয়েলি হয়ে যায়। যেখানে এন্ড্রু কিশোর, মিলু ভাই, সৈয়দ আব্দুল হাদীর মতো কিংবদন্তিরা কণ্ঠ দিয়েছেন, সেখানে এখন যাদের সঙ্গে আপনি ঠোঁট মেলাচ্ছেন, সেই টোনটা আপনার সঙ্গে ঠিক যাচ্ছে না। আপনি এটা কীভাবে এনজয় করছেন?’ এ প্রসঙ্গে আসিফ আরও বলেন, ‘প্লেব্যাকের নিজস্ব একটা ব্যাকরণ আছে। সেটার দিকেও শিল্পীদের নজর দেওয়া জরুরি।’ এখানেই থেমে থাকেননি এই গায়ক। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা মাহফুজ এনাম জেমসকেও প্রশ্ন করতে চান তিনি। আসিফের ভাষায়, ‘আপনি এত বড় একজন শিল্পী। কিন্তু দেশের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আপনাকে দেখা যায় না। আপনার ফেসবুক আছে, নানা বিষয় শেয়ার করেন। কিন্তু শিল্পীদের সমস্যা বা দেশের সংকট নিয়ে কিছু বলেন না। আপনার মুখ থেকে কিছুই বের হয় না!’ সব মিলিয়ে আবারও নিজের স্পষ্টভাষী অবস্থানের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে এলেন আসিফ আকবর। তার এমন খোলামেলা মন্তব্যে নেটিজেনদের মধ্যেও শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

অভিমান করেই সিনেমা ছেড়েছিলাম: ডলি জহুর

অভিমান করেই সিনেমা ছেড়েছিলাম: ডলি জহুর   নন্দিত অভিনেত্রী ডলি জহুর পর্দায় যার উপস্থিতি মানেই মায়ের চরিত্রে এক আলাদা আবেশ। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই অভিনেত্রী দীর্ঘ ১৫ বছর বড় পর্দা থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। অবশেষে বিরতি ভেঙে আবারও সিনেমায় ফিরছেন তিনি। জানা গেছে, ২০১০ সালে অভিমান করেই চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন ডলি জহুর। দীর্ঘ বিরতির পর সম্প্রতি তিনি অভিনয় করেছেন ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ শিরোনামের একটি কাজে। বর্তমানে রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমা ‘দম’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন এই অভিনেত্রী। কাজে ফেরার অভিজ্ঞতা জানিয়ে ডলি জহুর বলেন, “অভিমান করেই সিনেমা ছেড়েছিলাম। কমার্শিয়াল সিনেমা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলাম। একই ধরনের চরিত্র, একই গল্প আর কত ভালো লাগে? কিন্তু এবার রেদওয়ান রনির অনুরোধ ফেলতে পারিনি। ও খুব যত্ন নিয়ে কাজ করে। আগামীকাল পর্যন্ত পাবনায় শুটিং চলবে। সবাই খুব খেয়াল রাখছে, ভালো লাগছে। চলনবিলের শুটিং সেট থেকে নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী বলেন, “চলনবিলের ওপর দিয়ে জীবনে কতবার গিয়েছি, কিন্তু এবার এখানে শুটিং করছি এটাই আলাদা অনুভূতি। একটু ঠান্ডা লেগেছে, ওষুধ খাচ্ছি। তারপরও মনটা খুব ভালো। তাহলে কি এখন থেকে নিয়মিত বড় পর্দায় দেখা যাবে তাকে এমন প্রশ্নের উত্তরে বাস্তবসম্মত জবাব দেন ডলি জহুর। তিনি বলেন, “সেই বয়স কি আর আছে? আর এখন তো আমাদের কেন্দ্র করে গল্প লেখা হয় না। একই ধরনের চরিত্রে বারবার কাজ করার ইচ্ছাও নেই। উল্লেখ্য, এসভিএফ ও আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড প্রযোজিত এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি সহপ্রযোজিত সিনেমা ‘দম’ মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরে। সিনেমাটিতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দেখা যাবে আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীকে। প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করছেন পূজা চেরি।

সবাইকে খুশি করা যাবে না : হিমি

সবাইকে খুশি করা যাবে না : হিমি ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি আবারও আলোচনায়। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকেন তিনি। সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে এক দর্শকের নেতিবাচক মন্তব্যের জবাব দিয়ে নেটিজেনদের দৃষ্টি কাড়েন এই অভিনেত্রী। ঘটনার সূত্রপাত হিমির একটি ফেসবুক লাইভকে কেন্দ্র করে। লাইভ চলাকালীন এক অনুরাগী তার চোখের মেকআপ নিয়ে মন্তব্য করেন। ওই দর্শক লেখেন, ‘চোখে মেকআপ না করলে আপনাকে আরও ভালো লাগত।’ এমন অযাচিত মন্তব্যে কিছুটা বিরক্ত ও হতাশ প্রতিক্রিয়া জানান হিমি। সরাসরি জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘আপনাদের কিছু না কিছু বলতেই হবে! মেকআপ না করলে বলেন মেকআপ করলে ভালো হতো, আবার করলে বলেন না করলেই ভালো হতো। আসলে কোনোভাবেই সবাইকে খুশি করা যাবে না।’ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, ‘আজকের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে একটু সাজগোজ করেছি। করতে দেন না কেন? সমস্যাটা কোথায়?’ পরবর্তীতে ওই লাইভ ভিডিওর একটি অংশ নিজের ফেসবুক পেজে রিলস আকারে শেয়ার করেন হিমি। মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেক ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী অভিনেত্রীর স্পষ্টবাদী বক্তব্যের প্রশংসা করেন এবং তার পক্ষ নিয়ে মন্তব্য করেন। ভক্তদের মতে, তারকাদের ব্যক্তিগত সাজগোজ কিংবা রুচি নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সংযম থাকা উচিত। তারা মনে করেন, শিল্পীদের নিজস্ব পছন্দ ও স্বাধীনতাকে সম্মান জানানোই হওয়া উচিত। উল্লেখ্য, অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্যও পরিচিত জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। তার এমন সাহসী ও সোজাসাপ্টা অবস্থান আবারও প্রশংসিত হচ্ছে ভক্তদের মাঝে।

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে মটরশুঁটি সবজি নয়। এটি শিম জাতীয়। মটরশুঁটি ছোলা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি এবং চিনাবাদামের মতো একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। তবুও, বেশিরভাগ মানুষ মটরশুঁটিকে সবজি হিসেবে গণ্য করে। মটরশুঁটির পুষ্টি মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ নির্ভর করে আপনি কীভাবে তা প্রস্তুত করেন তার উপর। উদাহরণস্বরূপ, মাখন বা তেল দিয়ে মটরশুঁটি রান্না করলে চর্বি বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ করার চেয়ে ভাপিয়ে বেশি পুষ্টি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি আপনি কাঁচা মটরশুঁটিও খেতে পারেন। লবণ ছাড়া এক কাপ সেদ্ধ মটরশুঁটিতে ১৩৪ ক্যালোরি থাকে। এতে   স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান হলো: ৪১ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে ১০১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট ২৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ৬২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ২.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। মটরশুঁটির স্বাস্থ্য উপকারিতা ১. শরীরকে শক্তিশালী করে : প্রতি কাপ মটরশুঁটিতে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের জন্য মটরশুঁটি প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হতে পারে। মটরশুঁটির প্রোটিন মাংস-ভিত্তিক প্রোটিন উৎসের তুলনায় হজম করা সহজ। প্রোটিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট যা পেশী, টিস্যু এবং অঙ্গ তৈরি এবং মেরামত করে। চুল, ত্বক, হাড় এবং পেশী গঠন করে। হরমোন এবং এনজাইম নিয়ন্ত্রণ করে। শক্তি সরবরাহ করে। ২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : এক কাপ রান্না করা মটরশুঁটিতে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই ফাইবারের বেশিরভাগই অদ্রবণীয়, যা মল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে যন্ত্রণাদায়ক কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়। উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত আঁশ প্রাকৃতিকভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করতে পারে। ৩. স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বৃদ্ধি করে : প্রোটিন এবং ফাইবার ভাঙতে শরীর বেশি সময় নেয়, তাই নিয়মিত মটরশুঁটি খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন অর্জন করতে বা বজায় রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ প্রোটিন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। যে কারণে বাড়তি খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে আসে। ৪. প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে : মটরশুঁটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং পলিফেনল দিয়ে ভরা থাকে। এই পুষ্টিগুলো প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো শরীরের ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা যা কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতি করতে পারে। ফ্রি র‍্যাডিকেলের কারণে প্রদাহ হৃদরোগ (হৃদরোগ), ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত অবস্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. চোখ এবং ত্বককে রক্ষা করে : মটরশুঁটিতে লুটেইন এবং জিএক্সানথিনও বেশি থাকে। এই ক্যারোটিনয়েডগুলো মটরশুঁটিকে উজ্জ্বল সবুজ রঙ দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে লুটেইন এবং জিএক্সানথিন ক্ষতিকারক নীল আলো থেকে রক্ষা করে যা দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা

সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা বিবাহবিচ্ছেদ হলেও সব সময় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় না- ‘দহাড়’ ভারতীয় অভিনেতা গুলশান দেবাইয়ারের ক্ষেত্রে সেটাই প্রমাণিত হল। গুলশানের জীবনে যা ঘটলো তা অভিনেতার জীবনে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনাই চলা চলে। অর্থাৎ বিচ্ছেদের পর আবারও প্রাক্তন স্ত্রী অভিনেত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে প্রেম করছেন এই অভিনেতা। আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আট বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২০ সালে স্ত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় গুলশানের। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন দুজন। বিচ্ছেদের প্রায় পাঁচ বছর পর, ২০২৪ সালে তারা আবার কাছাকাছি আসতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক নতুন করে প্রেমে রূপ নেয়। দাম্পত্য ভাঙনের প্রসঙ্গে গুলশান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘একটি কারণে কোনও সম্পর্ক ভাঙে না, এর পেছনে থাকে অনেক জটিলতা। সেই সময় আমি নিজের জীবনের নানা ঝড়ঝাপটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা আর মানসিক সংগ্রাম মিলিয়ে আমি অনেক সময় বাড়িতে একা থাকতে চাইতাম। স্ত্রীকে ভালোবাসলেও কখনও কখনও একা থাকতেও ভালো লাগত। সম্প্রতি গুলশান জানান, বিচ্ছেদের পর তারা দুজনই মনোবিদের শরণাপন্ন হন এবং ‘কাপল থেরাপি’ নেন, যা তাদের সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, ‘আমরা কাপল থেরাপি নিয়েছি, যা খুবই কার্যকর হয়েছে। এখন আমি আমার প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে আবার প্রেম করছি। এই থেরাপির মাধ্যমে আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ পেয়েছি এবং অনেক বেশি পরিণত হয়েছি। সম্পর্কের মধ্যে থাকার পরও আমরা নিয়মিত থেরাপি নেওয়ার চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত ‘দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন গুলশান দেবাইয়ার। এরপর তিনি আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন।

নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’

নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ‘গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস’-এর ৮৩তম আসর বসেছিল লস অ্যাঞ্জেলেসে। গত এক বছরের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের সেরাদের বেছে নিতে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকা। দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও অভিনেত্রী নিকি গ্লেজার। তারকার আলোয় আলোকিত এই সন্ধ্যায় রেড কার্পেটে পা রাখেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, জেনিফার লোপেজ, ডোয়াইন জনসন এবং জ্যাকব এলোর্ডি। তবে দক্ষিণ এশীয় দর্শকদের নজর কেড়েছেন নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জুটি। সেরা চলচ্চিত্রের মুকুট এবারের আসরে ড্রামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‘হ্যামনেট’। অন্যদিকে মিউজিক্যাল অথবা কমেডি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রের দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলে জয়ী হয়েছে নেটফ্লিক্সের ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’। আর বক্স অফিস কাঁপানো ছবি হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে ‘সিনার্স’।‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার (ড্রামা) পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ওয়াগনার মৌরা। সমান্তরালভাবে ‘হ্যামনেট’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রীর ট্রফি নিজের ঘরে তুলেছেন জেসি বাকলে। এছাড়াও পার্শ্ব-অভিনেতা হিসেবে সবাইকে চমকে দিয়েছেন আওয়েন কুপার। ‘অ্যাডোলেসেন্স’-খ্যাত এই তারকা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব জয়ের রেকর্ড গড়লেন। টেলিভিশন ও অন্যান্য বিভাগ ছোটপর্দায় কমেডি সিরিজ হিসেবে সেরা হয়েছে ‘দ্য স্টুডিও’ এবং লিমিটেড সিরিজ ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে ‘অ্যাডোলেসেন্স’। স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে আবারও নিজের জাত চিনিয়েছেন রিকি গারভাইস (মর্টালিটি)। এছাড়া আধুনিক যুগের জনপ্রিয় মাধ্যম পডকাস্ট বিভাগেও পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে; যেখানে সেরা হয়েছে অ্যামি পোএহলারের ‘গুড হ্যাং উইথ অ্যামি পোএহলার’। এমআইকে

সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার

সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান গত বছর সবাইকে চমকে দিয়ে তার বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তার বিয়ে নিয়ে সে সময় বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টানা কয়েক দিন ট্রেন্ডিংয়ে ছিল তাহসানের বিয়ের খবর। তবে বছর না ঘুরতেই এলো এ জুটির বিচ্ছেদের সংবাদ। এদিকে তাহসান-রোজার বিচ্ছেদের খবরে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তুমুল প্রেমের পর বিয়ে তারপর এত দ্রুত সম্পর্কের সমাপ্তি কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে কৌতূহলী ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় সংগীতসফরে যাওয়ার আগেই তাহসান ও রোজা আলাদা থাকছিলেন। সে সময় মেলবোর্ন থেকে তাহসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন গান ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কথা। এ বিষয়ে তাহসান জানিয়েছেন, ওই সময়েরও আগে থেকেই তারা আলাদা ছিলেন। এরপর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আর প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি তাকে। অন্যদিকে, রোজা বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাহসানের সঙ্গে তোলা ছবি ও আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। এতে অনেকের ধারণা ছিল, সম্পর্কটি এখনো টিকে আছে। তবে ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাহসান ও রোজার ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছেন, বিয়ের পর দুজনের জীবনদর্শন ও প্রত্যাশার জায়গায় কিছু পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাহসান চেয়েছিলেন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি জীবনযাপন করতে। সে কারণেই বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষ্ক্রিয় করা এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সংসারকেই দিতে চেয়েছিলেন অগ্রাধিকার। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি ও সামাজিক পরিসর বেড়েছে। নতুন এই বাস্তবতাকে তিনি উপভোগ করছিলেন বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ভিন্ন ভিন্ন মানসিক অবস্থান ও জীবনযাপনের ধারা ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। ঘনিষ্ঠ মহলের ভাষ্যমতে, শুরুতে এই দূরত্ব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা হলেও একসময় মতের অমিল প্রকট হয়ে ওঠে। কাউকে দোষারোপ না করে, পারস্পরিক সম্মানের জায়গা থেকে সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন দুজনই। জানা গেছে, গেল বছরের শেষ দিকেই বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাহসানের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। আগের সংসারে তার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার সঙ্গে তিনি নিয়মিত সময় কাটান। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাহসান বরাবরই সংযত। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তিনি নীরবতাকেই বেছে নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ হলেও দুজনই বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সামলেছেন। সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় বরং জীবন ও সম্পর্কের বাস্তবতায় ভিন্ন পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন তারা।