রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি

রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শাস্তি’। লীসা গাজীর পরিচালনায় এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমণি। চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে আগামী সোমবার। নির্মাতা জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের গল্পকে কেন্দ্র করে কাজ হলেও এটি হুবহু পুনর্নির্মাণ নয়। বরং নতুন সময়, সমসাময়িক ভাষা ও প্রেক্ষাপটের আলোকে গল্পটিকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা চলছে। ফলে দর্শকরা পাবেন পুরনো গল্পের নতুন রূপ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর মানবিক গল্প। সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক সম্পর্ক, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং নারীর নীরব আত্মত্যাগ এসব বিষয় গল্পটিকে আজও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে। মূল গল্পে দুই ভাই- চিদাম ও দুখিরামের পারিবারিক জীবনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি। এক তুচ্ছ ঝগড়ার জেরে দুখিরামের স্ত্রী খুন হন, আর আইনের হাত থেকে বাঁচতে চিদাম হত্যার দায় চাপিয়ে দেন নিজের স্ত্রী চন্দরার ওপর। চন্দরা নির্দোষ হয়েও দায় স্বীকার করে নেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আগে সত্য বলার সুযোগ পেয়েও নীরব থাকেন। তার এই নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ- আত্মসম্মান, বিশ্বাসভঙ্গ ও অবিচারের বিরুদ্ধে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় যুক্ত রয়েছে একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। পরিচালক ও শিল্পীরা মনে করছেন, ‘শাস্তি’ সিনেমাটি শুধু একটি সাহিত্যকর্মের রূপান্তর নয়; এটি সমকালীন সমাজে নারীর অবস্থান, নৈতিক সংকট ও মূল্যবোধের প্রশ্নকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে দর্শককে।
‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা

‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান রহমান খানের ব্যক্তিজীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। বিয়ের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে গেল তার দ্বিতীয় সংসার। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তাহসানের বিচ্ছেদের খবর আগেই প্রকাশ্যে আসে। এবার সেই বিচ্ছেদের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট করলেন রোজা নিজেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে তাহসানের সঙ্গে তোলা সব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন রোজা আহমেদ। শুধু তাই নয়, নিজের নামের সঙ্গে যুক্ত করা ‘খান’ পদবিটিও মুছে ফেলেছেন তিনি। একসময় তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের নাম ছিল রোজা আহমেদ খান, যা এখন পরিবর্তিত হয়ে শুধু রোজা আহমেদ হয়ে গেছে। এর আগে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের পরও রোজার ইনস্টাগ্রামে তাহসানের সঙ্গে তোলা স্মৃতিময় ছবিগুলো অক্ষত ছিল। ফলে অনেক ভক্তই আশা করেছিলেন, হয়তো এই সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে পারে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর সেই সম্ভাবনাও কার্যত শেষ হয়ে গেল বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে রয়েছে তার নিজস্ব মেকআপ প্রতিষ্ঠান। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে। সেই সংসারে তাহসানের একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা তাহরিম খান রয়েছে।
আসিফের মন্তব্যের জবাব দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী

আসিফের মন্তব্যের জবাব দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী দেশের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। গত বছরের শেষের দিকে একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে চিত্রনায়ক ওমর সানীকে ‘সহজ-সরল’, ‘চাপ বিক্রেতা’ এবং ‘নারী শাসিত পুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন আসিফ। তারপর এ নিয়ে তৈরি হয় আলোচনা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ওমর সানী। এ ঘটনার পর কেটে গেছে বেশ খানিকটা সময়। একই পডকাস্টে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন ওমর সানী। এ আলাপচারিতায় সঞ্চালক বলেন, এর আগে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এই পডকাস্টে এসে আপনার দোষ-গুণ নিয়ে কথা বলেছিলেন। আপনাকে ‘সহজ-সরল’ মানুষ বলেছিলেন, পাশাপাশি কিছু সমালোচনাও করেছিলেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাই জবাবে ওমর সানী বলেন, “সে আমাকে যথেষ্ট পরিমাণে ‘সরি’ বলেছে এবং এসব কথা বলা উচিত হয় নাই বলেও জানিয়েছে। তার ছোট ছেলের জন্য দোয়া করতে বলেছে। ছোট ছেলের বিয়েতে দাওয়াত দিয়েছিল। ও আমাকে ভয়েস ওভার পাঠিয়েছিল। আমি বাংলাদেশে থাকলে ওর ছেলের বিয়েতে যেতাম; আমি ওর ছেলের জন্য দোয়া করি। আসিফ আকবরের সঙ্গে এই তর্ক-বিতর্কের অবসান চান ওমর সানী। তার ভাষায় “আগেও বলেছি, এখনো বলছি, চেয়ারের গরমের কারণে কাউকে কিছু দেওয়া (বলা) উচিত না। আমার মনে হয়, এটা এখানেই ফুল স্টপ হয়ে যাক। ওর ব্যাপারে আমি কোনো মন্দ কথা বলব না। এটুকু বলব, ওর জন্য দোয়া করি। ওর দুটো ছেলে আছে, মেয়ে আছে, স্ত্রী আছে ওরা সবাই ভালো থাকুক। আমি দোয়া করি, এ ধরনের কথাবার্তা থেকে যেন আল্লাহ পাক ওকে নিস্তার দেন। ওমর সানীর এই বক্তব্যের ভিডিও এখন ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালে। বিনয়ী বক্তব্যের কারণে ভূয়সী প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী। জ্যোতির্ময় তালুকদার লেখেন, “কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়? ধন্যবাদ ওমর সানী সাহেব!” ফরহাদ আব্দুল্লাহ লেখেন, “ভালো মানুষের উত্তর এমনই হয়, ওমর সানী ভাইর প্রতি ভালোবাসাটা বেড়ে গেল। আরেকজন লেখেন, “ওমর সানী একজন ভালো মানুষ।” মুহাম্মদ আইয়াস লেখেন, “ধন্যবাদ। বড় ভাইয়ের কাজ করছেন সানী ভাই।” লাভলী ইয়াসমীন লেখেন, “বাহ! দারুণ বলেছেন।” এমন অনকে মন্তব্য শোভা পাচ্ছে কমেন্ট বক্সে।
অবসরের পরিবর্তে যা চাইলেন অমিতাভ

অবসরের পরিবর্তে যা চাইলেন অমিতাভ বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। এদিকে বয়সের চাকা আশি পেরিয়েছে বেশ আগে। শরীর সায় না দিলেও মনের জোরে আজও ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যান তিনি। দীর্ঘ ছয় দশকের অভিনয় জীবনে কতই না চড়াই-উতরাই দেখেছেন। বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দা, এমনকি আধুনিক ওটিটি বা সোশ্যাল মিডিয়া সব মাধ্যমেই তিনি সমান জনপ্রিয়। কিন্তু দীর্ঘ এই পথচলার শেষে এসে এক গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করলেন এই কিংবদন্তি। সম্প্রতি নিজের ব্লগে অমিতাভ জানিয়েছেন, প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন মাধ্যমের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া কতটা কঠিন। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে আমূল পরিবর্তনের এই নিরন্তর চেষ্টা তাকে মাঝে মাঝে ক্লান্ত করে তোলে। তবুও তিনি থেমে থাকেননি; আধুনিক সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এই বদলে যাওয়া সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে। তার আক্ষেপ যদি এই পরিবর্তনের শিক্ষা বা কারিগরি জ্ঞান তিনি আরও আগে অর্জন করতে পারতেন, তবে পথচলাটা হয়তো আরও সহজ হতো। জনপ্রিয় টেলিভিশন শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি) থেকে শুরু করে ব্লগিং বা টুইটার সবখানে অমিতাভকে অ্যাক্টিভ দেখা গেলেও পর্দার পেছনের লড়াইটা সহজ ছিল না। তিনি মনে করেন, সময়ের সাথে তাল মেলানোটা এখনকার প্রজন্মের জন্য যতটা সহজ, তার মতো সিনিয়রদের জন্য ততটাই চ্যালেঞ্জিং। আর এই দেরি করে শেখার বিষয়টিই তাকে পোড়ায়। ৮৩ বছর বয়সেও অমিতাভ বচ্চন কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। তবে এই নিরন্তর পরিবর্তনের চাপে মাঝে মাঝে যে তিনি হাঁপিয়ে ওঠেন, সেটাই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তার লেখনীর মাধ্যমে।
বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায়

বাসায় গ্যাস সংকটে রান্নার বিকল্প উপায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা সরকারি লাইনের বা এলপি গ্যাস ব্যবহার করে থাকি। বছরের অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে শীত মৌসুমে এর ব্যবহার বেড়ে যায়। এই অবস্থায় অনেক সময় লাইনের গ্যাসের চাপ কমে যায়। মাঝেমধ্যেও একেবারেই থাকে না। কখনো কখনো বাসায় রাখা এলপি গ্যাস শেষ হয়ে যায়। তখন রান্না নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। তবে, এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আজ আপনাদের জানাব, বাসায় গ্যাস না থাকলে বিকল্প উপায়ে কীভাবে রান্না করা যায়। ইন্ডাকশন চুলা : গ্যাস না থাকলে সবচেয়ে আধুনিক ও দ্রুত সমাধান হলো ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন চুলা। বিশেষ করে ইন্ডাকশন কুকার ২৫-৫০ শতাংশ দ্রুত সময়ে রান্না সম্পন্ন পারে। এটি সরাসরি পাতিলের তলায় তাপ দেয় বলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। এতে আগুনের ঝুঁকিও কম। বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে এটি তাদের জন্য নিরাপদ। তবে, মনে রাখতে হবে, ইন্ডাকশন চুলার জন্য ম্যাগনেটিক বা ধাতব তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। রাইস কুকার : নাম রাইস কুকার হলেও এটি কার্যত একটি মাল্টি কুকার। গ্যাস না থাকলে ডিম সেদ্ধ, স্যুপ বানানো, নুডলস রান্না কিংবা সবজি ও মাছ ভাপানোর কাজে এটি দারুণ উপযোগী। একটু সৃজনশীল হলে রাইস কুকারেই বিরিয়ানি বা খিচুড়ি রান্না করা সম্ভব। তবে পরিমাপ ঠিক রাখা জরুরি। এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেন : এয়ার ফ্রায়ার ও ওভেনকেও বলা যায় ঝামেলাহীন ও স্বাস্থ্যকর সমাধান। এয়ার ফ্রায়ারে তেল ছাড়াই মাছ-মাংস ভাজা বা সবজি রোস্ট করা যায়। ওভেনে চিকেন রোস্ট, বিস্কুট কিংবা পাউরুটি সবই তৈরি করা সম্ভব। হবেও রেস্তোরাঁ মানের স্বাদ। যারা ডায়েট করেন, তাদের জন্য এগুলো গ্যাসের চুলার ভালো বিকল্প। অভ্যাস না থাকলে এই সংকটের সময়ই ওভেনে রান্না শেখার সুযোগ। গ্যাসের বদলে মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করেও সবজি সেদ্ধ, ডিম পোচ কিংবা খাবার গরম করা যায় খুব দ্রুত। এ ছাড়া স্লো কুকারে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা পদ, যেমন ডাল বা নেহারি, সহজেই তৈরি করা যায়। আর একদম জরুরি অবস্থায় বিদ্যুৎ না থাকলে বাইরে চারকোল গ্রিল বা কাঠ-কয়লার চুলায় বারবিকিউ স্টাইলে রান্না সেরে নেয়া যায়। যখন কোনো উপায়ই কাজ করে না, তখন ফলমূল, পাউরুটি-জ্যাম কিংবা সালাদের মতো খাবার বেছে নেয়াই ভালো। এগুলো পুষ্টিকর এবং রান্নার ঝামেলা নেই বললেই চলে। তবে ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহারে কিছু সতর্কতা জরুরি। বিদ্যুৎ-সংযোগ ত্রুটিপূর্ণ হলে আগুন বা শকের ঝুঁকি থাকে, তাই সঠিক ইনস্টলেশন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। রান্নার সময় অমনোযোগী হলে ইলেকট্রিক যন্ত্র থেকেও আগুন লাগতে পারে, তাই ব্যবহার শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ করতে হবে। গরম কয়েল বা পাত্র স্পর্শ করলে হাত পুড়ে যেতে পারে। সুইচ বন্ধ করার পরও কিছুক্ষণ এগুলো গরম থাকে এটি মনে রাখতে হবে। গ্যাস না থাকলেও রান্নাঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি, যাতে ধোঁয়া ও বাষ্প বের হতে পারে। বাড়ির বিদ্যুৎ-সংযোগ ও তারের ক্ষমতার সঙ্গে মানানসই চুলা বা ওভেন কিনতে হবে। আর পোশাক বা কাপড় থেকে আগুন লাগার ঝুঁকি থাকায় সব সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী এখন জোয়ি সালডানা

বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী এখন জোয়ি সালডানা বৈচিত্রময় সব চরিত্রের মাধ্যমে তিনি দর্শকের মন জয় করে চলেছেন। এবার লিখলেন দারুণ এক ইতিহাস। সবশেষ জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন অভিনেত্রী জোয়ি সালডানা। তিনিই এখন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যবসাসফল অভিনয়শিল্পী প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের তিনটি সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমায় অভিনয় করেছেন সালডানা। সেগুলো হলো- ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’, ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ ও ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’। এছাড়া তিনি প্রথম নারী অভিনেত্রী যিনি চারটি ছবিতে দুটি বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে ২০১৮ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়্যার’ ছবিটি। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে গ্যামোরা চরিত্রে তিনটি ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ ছবিতে অভিনয় করেছেন জোয়ি সালডানা। পাশাপাশি ‘স্টার ট্রেক’ ট্রিলজিতে তিনি অভিনয় করেছেন নিয়োটা উহুরা চরিত্রে, যে সিরিজের মোট আয়ও এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০২৪ সাল পর্যন্ত সালডানার সিনেমাগুলোর মোট আয় ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি, তখন তিনি ছিলেন স্কারলেট জোহানসন ও স্যামুয়েল এল জ্যাকসনের পর তৃতীয় স্থানে। কিন্তু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ একাই আয় করেছে ১ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা তাকে একলাফে শীর্ষে তুলে এনেছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালডানা একটি ভিডিও পোস্ট করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ, এই অসাধারণ যাত্রার জন্য যা আমাকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয়কারী অভিনেত্রী হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। এই অর্জন সম্ভব হয়েছে আমি যেসব প্রকল্পে কাজ করেছি সেগুলোর অসাধারণ টিম এবং পরিচালকদের জন্য। ‘স্টার ট্রেক’ পরিচালক জে. জে. অ্যাব্রামস, ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ পরিচালক জো ও অ্যান্থনি রুসো, ‘গার্ডিয়ানস’ পরিচালক জেমস গানের এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ‘অ্যাভাটার’-এর জেমস ক্যামেরনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আপনাদের বিশ্বাস এবং দিকনির্দেশনা কেবল এই ছবিগুলোকেই নয়, আমাকে একজন শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলেছে।’ভক্তদের উদ্দেশ্যে সালডানা বলেন, ‘আপনারা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। এই সাফল্য আমাদের সকলের। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’একইসঙ্গে পরবর্তী রেকর্ড ভাঙার ব্যক্তি আবার একজন নারীই যেন হন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। ২০২৫ সাল জোয়ি সালডানার ক্যারিয়ারে ছিল স্মরণীয়। মার্চে তিনি ‘এমিলিয়া পেরেজ’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জেতেন। এর মাধ্যমে তিনি হন প্রথম ডোমিনিকান-আমেরিকান অভিনেত্রী, যিনি একাডেমি পুরস্কার জিতেছেন।জাক অদিয়ার পরিচালিত এই সংগীতধর্মী ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়। এরপর সালডানা জিতে নেন স্যাগ অ্যাওয়ার্ড, বাফটা, গোল্ডেন গ্লোব ও ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ড-পুরো মৌসুমেই ছিল তার একচ্ছত্র দাপট। ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এ সালডানা আবার ফিরেছেন নাভি যোদ্ধা নেইতিরি চরিত্রে। মানব থেকে নাভি হয়ে ওঠা নেতা জেক সালির (স্যাম ওয়ারথিংটন) সঙ্গে নেইতিরির সম্পর্কই এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল আবেগ। নীল রঙের, আট ফুট লম্বা এই চরিত্রে রূপ দিতে ব্যবহৃত হয়েছে জেমস ক্যামেরনের উদ্ভাবিত পারফরম্যান্স ক্যাপচার প্রযুক্তি। সালডানা বলেন, ‘এই জগৎ এত বাস্তব মনে হয়, কারণ অভিনয়টাই জিমের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পারফরম্যান্স ক্যাপচার আমাদের সব মনোযোগ আর আবেগ দৃশ্যের ভেতর ঢেলে দেওয়ার সুযোগ দেয়। জোয়ি সালডানাকে আবার দেখা যাবে ‘অ্যাভাটার ৪’ (ডিসেম্বর ২০২৯) ও ‘অ্যাভাটার ৫’-এ (ডিসেম্বর ২০৩১)। অর্থাৎ বক্স অফিসে তাঁর আধিপত্য আরও বাড়বে-এটা বলাই যায়। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির প্যাসাইকে জোয়ি সালডানার জন্ম। তার শৈশবের বড় একটি সময় কেটেছে নিউ ইয়র্কের কুইন্সে। পুয়ের্তো রিকান মা ও ডোমিনিকান বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া তিনি ও তার দুই বোন ঘরে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে বড় হয়েছেন। তবে তার বয়স যখন মাত্র ৯, তখন এক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যু হয়। এরপর পরিবারসহ তিনি ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে চলে যান। সেখানে ইকোস এস্পাসিও দে দান্সা নৃত্যশালায় নৃত্যের প্রশিক্ষণ নেন। ১৭ বছর বয়সে তিনি আবার নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং যুব থিয়েটার দলগুলোর সঙ্গে অভিনয় শুরু করেন। ২০০৯ সালটা ছিল জোয়ি সালডানার ক্যারিয়ারে মোড় ঘোরানো বছর। ওই বছরই তিনি একসঙ্গে দুটি আইকনিক চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। প্রথমত, জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিজের চরিত্রগুলোকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা সিনেমা ‘স্টার ট্রেক’-এ তিনি লেফটেন্যান্ট উহুরার চরিত্রে অভিনয় করেন। একই বছরে মোশন ক্যাপচার প্রযুক্তির মাধ্যমে তিনি জেমস ক্যামেরনের বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার’-এ নেইতিরি চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পান। এরপর কেবলই নতুন নতুন সাফল্যে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি।
‘কিং’ মুক্তির আগেই আইএমডিবির শীর্ষে

‘কিং’ মুক্তির আগেই আইএমডিবির শীর্ষে তিন বছর পর সিনেমায় প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। চলতি বছরেই এ অভিনেতার বহুল আলোচিত ছবি ‘কিং’ মুক্তি পেতে চলেছে। তবে প্রেক্ষাগৃহে আসার আগেই নতুন করে কীর্তি গড়ল সিনেমাটি। সেটা হল, চলতি বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলো নিয়ে একটি তালিকা করেছে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তথ্যভাণ্ডার ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ (আইএমডিবি)। এই তালিকারই শীর্ষস্থান দখল করেছে ‘কিং’। আইএমডিবি থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বব্যাপী দর্শকদের প্রকৃত আগ্রহ ও অনুসন্ধানের ভিত্তিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রতি মাসে প্ল্যাটফর্মটিতে আসা প্রায় ২৫ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর পেজভিউ বিশ্লেষণ করে এই র্যাংকিং করা হয়, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ভারতীয় সিনেমার প্রতি দর্শকের বাড়তি আগ্রহকেই প্রতিফলন করে। ২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার যে তালিকা আইএমডিবি প্রকাশ করেছে সেখানে মোট ২০টি ছবি জায়গা করে নিয়েছে। মোট পাঁচটি ভাষায় নির্মিত এই ছবিগুলোর মধ্যে অর্ধেকই আবার হিন্দি ভাষার। আর তেলেগু ভাষার সিনেমা রয়েছে পাঁচটি, তামিল ভাষার তিনটি এবং মালয়ালম ও কন্নড় ভাষার একটি করে সিনেমা স্থান দখল করেছে। তালিকায় সবার উপরে রয়েছে শাহরুখ খানের ‘কিং’। এরপর দ্বিতীয় স্থানে আছে নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ও রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ পার্ট ১’। তৃতীয় স্থানে আছে এইচ ভিনোথ পরিচালিত থালাপতি বিজয় অভিনীত মুক্তির শঙ্কায় থাকা আলোচিত ছবি ‘জন নায়াগন’। চতুর্থ স্থানে জায়গা করে নিয়েছে প্রভাস অভিনীত ও সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত ‘স্পিরিট’। আর পঞ্চম স্থানে গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’, যেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন যশ। এ সিনেমাটি ইতোমধ্যেই প্রকাশিত টিজার দিয়েই নেটদুনিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এদিকে, ২০২৩ সালের দুই ব্লকবাস্টার সিনেমা মুক্তির পর আবারও বিগ বাজেটের ছবি দিয়ে রুপালি পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন শাহরুখ। তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীরাও কতটাও উচ্ছ্বসিত সেটা আইএমডিবির তালিকা থেকেই স্পষ্ট। এবারও কি বক্স অফিসে ঝড় তুলবেন বলিউডের কিং? সেটা সময়ই বলে দিবে।
‘সুলতানাস ড্রিম’ সিনেমায় কী আছে

‘সুলতানাস ড্রিম’ সিনেমায় কী আছে বাঙালি মুসলমান নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। তার কালজয়ী রচনা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ অবলম্বনে নির্মিত অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘সুলতানাস ড্রিম’ এবার বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে আসছে। নারী অধিকার, কল্পনা ও মুক্তচিন্তার এক অনন্য ভুবন নিয়ে তৈরি সিনেমাটি আগামী ১৬ জানুয়ারি স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে। অনগ্রসর বাঙালি সমাজে নারীদের অবহেলার বিপরীতে দাঁড়িয়ে বেগম রোকেয়া যে স্বপ্ন দেখেছিলেন-নারীরা নিজেদের অধিকারে মাথা তুলে দাঁড়াবে-সেই ভাবনাকেই গল্পের মূল উপজীব্য করেছেন স্প্যানিশ নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা। স্প্যানিশ ভাষায় নির্মিত ৮৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই অ্যানিমেশন সিনেমার মূল নাম ‘এল সুয়েনো দে লা সুলতানা’, যার ইংরেজি শিরোনাম ‘সুলতানাস ড্রিম’। ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ সান সেবাস্তিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়। এরপর ইউরোপিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, গোয়া ফেস্টিভ্যাল, ফিল্মফেস্ট হামবুর্গ, লিডস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রশংসা কুড়িয়েছে সিনেমাটি। উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালে ইংরেজিতে প্রকাশিত ‘সুলতানাস ড্রিম’ তৎকালীন ভারতবর্ষে, বিশেষ করে বাংলায় নারীবাদী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও একটি বৈপ্লবিক কল্পকাহিনি হিসেবে পরিচিতি পায়। পরে ১৯২২ সালে বেগম রোকেয়া নিজেই কিছু পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে গ্রন্থটি ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নামে বাংলায় অনুবাদ করেন। এই গল্পের সঙ্গে নিজের পরিচয়ের কথাও জানিয়েছেন নির্মাতা ইসাবেল হারগুয়েরা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ২০১২ সালে দিল্লি সফরের সময় প্রবল বৃষ্টিতে একটি আর্ট গ্যালারিতে আটকে পড়েন তিনি। সেখানেই তার হাতে আসে ‘সুলতানাস ড্রিম’ বইটি। ইসাবেলের ভাষায়, ‘এত বছর আগে লেখা একটি বই, যেখানে নারীদের জন্য কল্পিত এক ভিন্ন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখানো হয়েছে-পড়ে আমি বিস্মিত হই। প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ার মতো। তখনই সিদ্ধান্ত নিই, এটা নিয়ে সিনেমা বানাবো। সুলতানাস ড্রিম’ ইসাবেল হারগুয়েরার প্রথম ফিচার ফিল্ম। জিয়ানমার্কো সেরার সঙ্গে যৌথভাবে তিনি এর চিত্রনাট্য লিখেছেন। সিনেমাটিতে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ ও বাস্কসহ একাধিক ভাষার ব্যবহার রয়েছে। এতে কলকাতার সংগীতশিল্পী মৌসুমী ভৌমিকের লেখা একটি গানও রয়েছে, যার সংগীতায়োজন করেছেন তাজদির জুনায়েদ এবং কণ্ঠ দিয়েছেন দীপান্বিতা আচার্য। স্পেন ও জার্মানির পাঁচটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রে বেগম রোকেয়ার স্বপ্ন, সাহস ও প্রত্যয়ের গল্প নতুন প্রজন্মের দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ভিন্নমাত্রিক শিল্পভাষায়।
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি মায়ের শাড়িগুলো : ফারিণ

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি মায়ের শাড়িগুলো : ফারিণ মায়ের প্রতি সন্তানের আবেগ-দুর্বলতা ব্যাখ্যাতীত। বিশেষ করে মায়ের শাড়ির সঙ্গে কন্যার নানারকম স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। শোবিজ অঙ্গনের অনেক অভিনেত্রী তার মায়ের পুরোনো শাড়ি পরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। এবার মায়ের শাড়ি নিয়ে আবেগময় গল্প শুনালেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ফারিণ তার ফেসবুকে বেশ কটি ছবি পোস্ট করেছেন। এসব ছবিতে দেখা যায়, শাড়িতে সেজেছেন এই আলোচিত অভিনেত্রী। কেবল তাই নয়, ছবির ক্যাপশনে মায়ের প্রতি প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে ফারিণ বলেন, “প্রত্যেকটা মেয়ের শাড়ি পরার শখ জন্মায় মাকে দেখে। ছোটবেলা থেকে আম্মুর আলমারি ভর্তি শাড়ি দেখতাম আর ভাবতাম কবে বড় হবে। কবে বড়দের মতো শাড়ি পরে বিয়ে খেতে যাব মজার মজার। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি তাসনিয়া ফারিণের মায়ের সংগ্রহে রয়েছে; যা তার ভীষণ প্রিয়। তার ভাষায় “এখনো আম্মু কোনো শাড়ি কিনলে আম্মুর আগে আমার-ই পরা হয়। কিছু শাড়ি তো আমার মা কখনো পরেই নাই। আমি নিয়ে রেখে দিছি। আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি হচ্ছে আমার মায়ের শাড়িগুলো। মায়ের ভালোবাসায় অভিভূত হয়ে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, “আমার তো মনে হয়, আম্মু আসলে কিছু শাড়ি আমার পরার জন্য ইচ্ছা করে কিনে আলমারিতে উঠায় রাখে। মায়েরা হয়তো এমনই। মায়ের শাড়িতে তাসনিয়া ফারিণকে দেখে দর্শকরা যেমন মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন, তেমনিই ‘মা ও শাড়ি’ নিয়ে ফারিণের বক্তব্য নেটিজেনদের মনে নাড়া দিয়েছে। অন্তরা নামে একজন লেখেন, “হ্যাঁ দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর মায়ের শাড়ি, মায়ের শাড়ি পরে বড় হই আমরা, আবার আমরাও মা হয়ে ওঠি।” কৌশিক বাবু লেখেন, “বাহ কি চমৎকার বাংলা লেখা। নিজের অনুভূতিগুলি শেয়ার করলেন ফারিণ। ভালো থাকুন আর সবসময় মায়ের শাড়িগুলি পরার চেষ্টা করবেন।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।
মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) থেকে প্রদর্শিত হচ্ছে এই চলচ্চিত্রটি। রাজনৈতিক আলোচনা নিয়ে সমাজে থাকা ‘ট্যাবু’ ভাঙার গল্প নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন সংগীতশিল্পী আহমেদ হাসান সানি। জানা গেছে, স্টার সিনেপ্লেক্সের পাঁচটি শাখায় দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি। এর মধ্যে সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা শাখা, ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার, মিরপুরের সনি স্কয়ার, উত্তরার সেন্টার পয়েন্ট এবং চট্টগ্রামের বালি আর্কিডে মোট ১৪টি শোতে প্রদর্শিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে ঘিরে চলচ্চিত্রটির পটভূমি; পাশাপাশি এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমা নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে আহমেদ হাসান সানি সংবাদমাধ্যমে বলেন, এটি নির্মাণ করা ছিল এক অদ্ভুত, কঠিন কিন্তু সুন্দর অভিজ্ঞতা। ভিন্ন ধরনের কিছু দেখানোর চেষ্টা করেছি, আশা করছি দর্শক সিনেমাটির সঙ্গে আবেগী সংযোগ খুঁজে পাবেন। এর আগে এই সংগীতশিল্পী বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে এটি তার প্রথম কাজ। সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, তানভীর অপূর্ব, এ কে আজাদ সেতু, কেয়া আলমসহ অনেকে। ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন খালিদ মাহমুদ।