জয়ার প্রথম নতুন বছরে সিনেমা ‘ওসিডি’

জয়ার প্রথম নতুন বছরে সিনেমা ‘ওসিডি’ জয়া আহসান নতুন বছর শুরু করছেন সিনেমা মুক্তির ঘোষণা দিয়ে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে সমান তালে কাজ করে যাওয়া এই অভিনেত্রীর গত বছরজুড়ে মুক্তি পেয়েছে একের পর এক সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’, ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’, ‘ফেরেশতে’, ‘জয়া আর শারমিন’ ও ‘ডিয়ার মা’। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছর জয়া পেক্ষাগৃহে আসছেন আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। বছরের প্রথম দিনেই নতুন সিনেমার মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেন তিনি। পোস্টার প্রকাশ করে জয়া জানান, পশ্চিমবঙ্গে ওই দিন মুক্তি পাবে তার নতুন সিনেমা ‘ওসিডি’। সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত এই মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার সিনেমায় জয়া অভিনয় করেছেন ‘শ্বেতা’ নামে চিকিৎসকের চরিত্রে। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে শ্বেতার জীবনের এক তিক্ত অতীত, মানসিক ট্রমা ও অবদমিত যন্ত্রণাকে কেন্দ্র করে। সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে জয়া আহসান লিখেছেন, “মনের কোণের সব দীনতা-মলিনতা ধুইয়ে দাও। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ‘ওসিডি’ সিনেমার শুটিং শেষ হলেও এতদিন মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। ২০২২ সালে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়েছে সিনেমাটি। সিনেমাটি প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমকে পরিচালক সৌকর্য ঘোষাল বলেন, “এই সিনেমাটি আমার কাছে এক ধরনের প্রতিবাদের ভাষা। এখানে এমন অনেক মানুষ ও শিশুর গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত এমন ঘটনার শিকার হয়, যা তারা কখনো মুখ ফুটে বলতে পারে না। পরিবারকে পাশে না পেয়ে তারা চুপ করে যায়, আর অপরাধীরা সমাজে নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়ায়। এর মাঝখানে নষ্ট হয়ে যায় একটি জীবন। এর আগে সৌকর্য ঘোষালের পরিচালনায় ‘ভূতপুরী’ সিনেমায় অভিনয় করেন জয়া আহসান। এবার এই নির্মাতা-অভিনেত্রী জুটির নতুন কাজ হিসেবে আসছে ‘ওসিডি’।

আশিষ-রূপালী দুর্ঘটনার কবলে তারকা জুটি 

আশিষ-রূপালী দুর্ঘটনার কবলে তারকা জুটি  ভারতের জনপ্রিয় বর্ষীয়ান অভিনেতা আশিষ বিদ্যার্থী ও তার স্ত্রী রূপালী বড়ুয়া সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন। শুক্রবার রাতে আসামের গুয়াহাটির জু রোডের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তারা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও দুজনেই শঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার রাতে গুয়াহাটির গীতানগর থানা এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে ডিনার করতে গিয়েছিলেন আশিষ ও রূপালী। ‘দ্য গুয়াহাটি অ্যাড্রেস’ নামের ওই রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাত দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ভারসাম্য হারিয়ে দুজনেই রাস্তায় পড়ে যান এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। এই ঘটনায় মোটরবাইক চালক নিজেও আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গীতানগর থানার পুলিশ। তারা তাৎক্ষণিকভাবে দম্পতিকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। অন্যদিকে আহত বাইকচালককে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজেই এক ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন আশিষ বিদ্যার্থী। ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি এবং রূপালী রাস্তা পার হচ্ছিলাম, তখনই একটি বাইক আমাদের ধাক্কা দেয়। আমরা দুজনেই এখন স্থিতিশীল আছি। রূপালী বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছে। আমার সামান্য চোট লেগেছে ঠিকই, তবে আমি পুরোপুরি সুস্থ আছি। আপনারা চিন্তিত হবেন না। উল্লেখ্য, ষাটোর্ধ্ব এই অভিনেতা গত বছর রূপালী বড়ুয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। বর্তমানে তারা গুয়াহাটিতে ব্যক্তিগত সফরে রয়েছেন।

আজ থেকে তিন প্রজন্মের গল্প

আজ থেকে তিন প্রজন্মের গল্প পারিবারিক মূল্যবোধ, প্রজন্মগত দ্বন্দ্ব ও ভালোবাসার গল্পে নির্মিত ‘পরম্পরা’ ধারাবাহিক নাটকটি আজ শনিবার থেকে প্রচারে আসছে। সপ্তাহে প্রতি শনি-বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় এটি দেখা যাবে দীপ্ত টিভি, দীপ্ত প্লে ও দীপ্ত টিভির ডিজিটাল প্ল্যাাটফর্মে। ‘পরম্পরা’ মূলত তিন প্রজন্মের জীবনবোধ, মূল্যবোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি পারিবারিক আখ্যান। ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা নাহিয়ান দীর্ঘদিন পর ঢাকায় ফিরে এসে নিজেকে নতুন সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশে মানিয়ে নিতে হিমশিম খায়। তার আধুনিক জীবনধারা ও চিন্তাভাবনার সঙ্গে যৌথ পরিবারের সদস্যদের ঐতিহ্যগত দৃষ্টিভঙ্গির দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একই ছাদের নিচে তিন প্রজন্মের ভালোবাসা, সংঘাত, মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং সম্পর্কের গভীরতা ধীরে ধীরে গল্পকে নিয়ে যায় নানা আবেগী মোড়ে। ব্যক্তিগত স্বপ্ন ও ভালোবাসার দ্বন্দ্বের মাঝেই সবাই উপলব্ধি করে- সময়ের সঙ্গে সমাজ বদলালেও সম্পর্কের বন্ধন চিরস্থায়ী। এই উপলব্ধির মধ্যদিয়েই এগিয়ে যায় তিন প্রজন্মের ‘পরম্পরা’র আখ্যান। ‘পরম্পরা’র চিত্রনাট্য লিখেছেন আফিফা মোহসিনা অরণি এবং সংলাপ রচনা করেছেন সরোয়ার সৈকত। আশিস রায়ের পরিচালনায় ‘পরম্পরা’য় অভিনয় করেছেন ডলি জহুর, শতাব্দী ওয়াদুদ, সুষমা সরকার, শাফিউল রাজ, নূপুর আহসান, জান্নাতুল ফেরদৌস কাজল, কাজী রাজু, মিলি বাসার, সানজিদা মিলা, শানারেই দেবী শানু, রাগিব ইয়াসার, উপমা, সংগিতা চৌধুরী ও তানভীর রিজভি। মেগা সিরিয়ালটির লাইন প্রডিউসার জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

নাজিফা তুষি দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী

নাজিফা তুষি দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী এ সময়ের জনপ্রিয় মুখ ঢালিউড অভিনেত্রী নাজিফা তুষি অভিনীত ‘রইদ’ সিনেমার ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর, যা বিশ্বব্যাপী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি ‘হাওয়ার’ চেয়েও চ্যালেঞ্জিং কাজ বলে জানিয়েছেন সিনেমাসংশ্লিষ্টরা। ট্রেলারটি প্রকাশের পর থেকে সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় মাইলফলক হবে বলে অনেকে আশা করছেন, যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও জীবনদর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন হাওয়াখ্যাত অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। নতুন বছরেও অভিনেত্রীর একাধিক সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সংখ্যার চেয়ে কাজের মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে কাজের ধরনের তুলনা করার কারণে প্রায়ই আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় অনেক অভিনয়শিল্পীকে। তিনি বলেন, আর্থিক চাপ এলেও তিনি তার নীতিতে অটল থাকেন। চাপ আসে, অস্বীকার করব না। কিন্তু সেটি মেনেই চলতে হয়। তুষি বলেন, আমি অভিনয় করতে এসেছি, শিল্পচর্চা করতে এসেছি শুধু অর্থের পেছনে ছুটতে নয়। কোয়ালিটির প্রতি বিশ্বাস রাখলে সম্মান আর অর্থ দুটোই একদিন আসে। আগামী কাজের পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিনেত্রী বলেন, গত বছর সম্পন্ন হওয়া কাজগুলো চলতি বছরে পর্যায়ক্রমে দর্শকদের সামনে আসবে। বর্তমানে সেগুলোর দিকেই বেশি মনোযোগ তার। এ ছাড়া ‘রইদ’ সিনেমার আন্তর্জাতিক সফর ও মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছেন তিনি। তুষি বলেন, ‘রঙ্গমালা’ সিনেমার বাকি অংশের শুটিং এবং একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও একটি নতুন কাজের প্রস্তুতিও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। সব মিলিয়ে চলতি বছরটি কাজের মধ্যেই কাটাতে চান বলে জানান এ অভিনেত্রী। অভিনেত্রী বলেন, আমি ব্যক্তিগত জীবনেও হিসাব করে চলি। হুট করে সিদ্ধান্ত নিই না। ক্যারিয়ারেও সেটির প্রভাব পড়েছে। শুরু থেকেই বেছে বেছে কাজ করেছি। শুধু সংখ্যার জন্য কোনো প্রজেক্টে জড়াইনি। দর্শক গ্রহণ না করলে কাজ করে লাভ কী বলে জানান তুষি।

ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক না স্পর্শকাতর

ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক না স্পর্শকাতর রূপচর্চা করতে হয় ত্বকের ধরন অনুযায়ী। আবার ত্বক বুঝেই প্রসাধনী মাখতে হয়। নয়তো যত নামী ব্র্যান্ডের দামি প্রসাধনী মাখেন না কেন, আশানুরূপ কোনো পরিবর্তন চোখে পড়বে না। কালচে দাগ দূর হবে না, ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে না। তাই প্রসাধনী কেনার আগে নিজের ত্বকের ধরন জেনে নিন। কিন্তু খালি চোখে দেখে কি ত্বকের ধরন বোঝা সম্ভব? ত্বকের চিকিৎসকরা বলছেন, ত্বকের মোটামুটি পাঁচটি আলাদা আলাদা ধরন হতে পারে। যেমন- তেলতেলে ত্বক, শুষ্ক ত্বক, স্বাভাবিক ত্বক, কম্বিনেশন ত্বক ও সেনসিটিভ ত্বক। বাইরে থেকে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখে ত্বকের ধরন বোঝা সম্ভব। ব্লটিং পেপার টেস্ট ত্বকের ধরন কেমন, তা বোঝার জন্য ব্লটিং পেপার ব্যবহার করতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় ব্লটিং পেপার রাখুন। ত্বকের নিজস্ব তেল বা সেবামের পরিমাণ কেমন তা লক্ষ্য করুন। মুখে কাগজ স্পর্শ করানোর সঙ্গে সঙ্গেই যদি তা তেলতেলে হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত। যদি নাক ও তার আশপাশের অংশ থেকে ব্লটিং পেপারে তেল লাগে, তাহলে আপনি কম্বিনেশন ত্বকের অধিকারী। আর মুখের কোনো অংশ থেকে পেপারে বিশেষ তেল না লাগলে, ধরে নিতে পারেন আপনার ত্বক নরমাল। যাদের ত্বক শুষ্ক, তারা মুখে হাত দিয়ে দিয়েই বুঝতে পারবেন। আলাদা করে আর ব্লটিং পেপার ছোঁয়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। ত্বকের প্রসাধনী কেনার আগে যদি এই পরীক্ষাটুকু করে নিজের ত্বকের ধরন জেনে নিতে পারেন, তাহলে আর কোনো ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। দাম দিয়ে প্রসাধনী কিনে তা ব্যবহার করতে না পারার আফসোসও থাকবে না।

স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ১০ বছরের রোমাঞ্চকর যাত্রার ইতি টানলো

স্ট্রেঞ্জার থিংস’ ১০ বছরের রোমাঞ্চকর যাত্রার ইতি টানলো বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের টানটান উত্তেজনা আর আবেগঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জনপ্রিয় মার্কিন সায়েন্স ফিকশন হরর সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’। দীর্ঘ ১০ বছরের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সমাপ্তি ঘটিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই সিরিজের পঞ্চম ও শেষ মৌসুমের সমাপনী পর্ব। দুই ঘণ্টার এই মহাকাব্যিক পর্বটি দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে দর্শকদের প্রবল চাপের কারণে মুক্তির পরপরই সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ে নেটফ্লিক্সের সার্ভার। ২০১৬ সালে ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের কাল্পনিক শহর হকিন্সের একদল কিশোরের গল্প নিয়ে শুরু হওয়া এই সিরিজটি বিশ্বব্যাপী পপ কালচারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছিল। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টায় শেষ পর্বটি আসার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে প্ল্যাটফর্মটি সাময়িক কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছিল। সিরিজের এই শেষ পর্বটির শিরোনাম ছিল ‘চ্যাপ্টার এইট: দ্য রাইটসাইড আপ’। অতিপ্রাকৃত এই রহস্যের সমাপ্তি দেখার সময় দর্শকরা যেমন উত্তেজনায় শিহরিত ছিলেন, তেমনি প্রিয় চরিত্রগুলোর নিয়তি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে। এই সমাপনী পর্বটি কেবল ঘরে বসেই নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন সিনেমা হলে বিশেষ প্রদর্শনীর মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ঐতিহাসিক ‘দ্য ইজিপশিয়ান থিয়েটার’-এর সামনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত ভক্তকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। দর্শকদের অনেকের মতে, আশি ও নব্বইয়ের দশকের নস্টালজিয়াকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিরিজের সমাপ্তি অত্যন্ত সুখকর ও আবেগপূর্ণ হয়েছে, যা তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার সার্থকতা দিয়েছে। আশির দশকের আবহ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা থাকলেও শেষ সিজনে সচেতন দর্শকদের চোখ এড়াতে পারেনি কিছু ছোটখাটো অসংগতি। যেমন একটি দৃশ্যে ব্যবহৃত জ্যাকেটে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ব্র্যান্ডের লোগো দেখা গেছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলেছে। এ ছাড়া ভিলেন ‘ভেকনা’র রহস্য এবং ‘আপসাইড ডাউন’-এর পরিণতি নিয়ে ভক্তদের করা অনেক অনুমানের সঙ্গে গল্পের মিল পাওয়া গেছে। সিরিজের মাধ্যমে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া মিলি ববি ব্রাউনসহ উইনোনা রাইডার ও ডেভিড হারবারের অভিনয় সমাপনী পর্বেও দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বর্তমানে নেটফ্লিক্স যখন ‘ওয়ার্নার ব্রোস’ স্টুডিও কেনার মতো বড় ব্যবসায়িক চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, ঠিক সেই সময়ে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর মতো একটি মাইলফলক সিরিজের সফল সমাপ্তি ওটিটি জগতের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় হয়ে থাকবে। সূত্র: বিবিসি

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয় শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রেখে তামিল সিনেমার শীর্ষ নায়কদের একজনে পরিণত হয়েছেন থালাপাতি বিজয়। সর্বশেষ ‘থালাপাতি ৬৯’ সিনেমার জন্য ২৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ নামে রাজনৈতিক দল গঠন করে সিনেমাকে বিদায় জানিয়েছেন এই নায়ক। রাজনৈতিক দল গঠনের কয়েক মাস পর কয়েকটি জনসভার আয়োজন করেন বিজয়। জনসভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখে অনেকের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। ২০২৬ সালের তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে আপাতত প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিজয়। এরই মধ্যে একজন জ্যোতিষী দাবি করলেন, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিজয়। প্রশান্ত কিনি নামে একজন জ্যোতিষী তার ভেরিফায়েড মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে (টুইটার) একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন“২০৩০ সালে রাজনীতিতে সাফল্য পাবেন থালাপাতি বিজয়। ২০৩১ সালে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনি। থালাপাতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। আগামী ৯ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি। গত ২৭ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল স্টেডিয়াম বুকিত জলিলে সিনেমাটির অডিও গান প্রকাশের আয়োজন করা হয়। বিজয়কে দেখতে এ মাঠে জড়ো হন ৯০ হাজার ভক্ত-অনুরাগী। বিজয় ঘোষণা দিয়েছেন তার শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’। কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন জ্যোতিষী প্রশান্ত কিনি। তার ভাষ্য, “জন নায়াগান’ তার শেষ সিনেমা নয়। ২০২৮-২৯ সালেও সিনেমায় অভিনয় করবেন বিজয়। তার অভিনীত শেষ সিনেমা ২০২৯ সালে রুপালি পর্দায় হিট হবে। জ্যোতিষী প্রশান্তের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন নেটিজেনরা। কেউ রসিকতা করছেন, কেউ আবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একজন লেখেন, “হ্যাঁ, ২৮/২৯ সালে আপনার পরিচালনায় বিজয় অভিনয় করবেন। কথা মনে রাখবেন। বিজয়ের এক ভক্ত লেখেন, “বুকমার্ক করে রাখলাম। আশা করি, এটা মুছে ফেলবে না। এর আগে মন্তব্য করেছিলেন, ‘বিজিটি সিরিজে কোহলি ৩টি সেঞ্চুরি করবেন।’ কিন্তু পরে সেই পোস্ট মুছে ফেলেছিলেন।” আরেকজন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে লেখেন, “আপনার ভবিষ্যদ্বাণী যদি ভুল হয়, তাহলে আপনাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া যেতে পারে? দয়া করে সেটাও ভবিষ্যদ্বাণী করে বলবেন।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে

সিয়াম আহমেদ রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে বছরের প্রথম দিনেই উৎসবের আবহে ভাসছেন বিনোদন জগতের তারকারা। নতুন বছরের নতুন প্রত্যাশা আর ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করেছেন ২০২৬ সাল। এর মধ্যে ঢালিউড অভিনেতা সিয়াম আহমেদ নতুন বছরে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে আগামী দিনের ভাবনা ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে বিগত বছরের সাফল্য ও দর্শকদের উন্মাদনা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এ অভিনেতা। নতুন বছরের পরিকল্পনা ও নিজের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সিয়াম আহমেদ লিখেছেন এবার নতুন চ্যালেঞ্জের পালা। নতুন বছরে আপনাদের জন্য আসছে আরও নতুন কিছু চরিত্র, আরও নতুন গল্প। অভিনেতা বলেন, আমি সিনেমায় অভিনয় করি দর্শকদের জন্যই, দর্শকের ভালোলাগা-মন্দলাগাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই নতুন বছরে এমন কিছু চরিত্র, এমন কিছু গল্পই হাতে নিয়েছি, যেখানে রাক্ষস আন্ধারে জংলি হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, তাই সিনেমাহলের সিটটি শক্ত করে ধরুন। পপকর্ণের বক্সটা কাছে নিয়ে রাখুন। কারণ আমি পর্দায় আগুন ধরাতে আসছি। আমার এই বড় পরিবারকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সিয়াম আহমেদ বলেন, এই বছরটা শুরু হয়েছিল অনেক আশঙ্কা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে। ঠিক সেই সময়ে বিনোদনের কাজটা আরও বেশি জরুরি হয়ে ওঠে। মানুষকে একটু হলেও বাস্তবের চাপ থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া, কিছুক্ষণ হাসানো, কাঁদানো, কিংবা নতুন একটা জগতে নিয়ে যাওয়া। গত বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা ‘জংলি’ প্রসঙ্গে এ অভিনেতা বলেন, ঈদে লাখ লাখ মানুষ পরিবার নিয়ে সিনেমাহলে এসেছিলেন ‘জংলি’ দেখতে। আপনারা হেসেছেন, কেঁদেছেন এবং পরম মমতায় আমাকে জড়িয়ে ধরেন। সিনেমাহলে লুকিয়ে লুকিয়ে আমি দেখেছি বাবা সন্তানকে আগলে ধরে বসে আছেন, মায়ের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। তিনি বলেন, বিশ্বাস করুন, আপনাদের সেই ভালোবাসা দেখে আমারও চোখ ভিজে উঠেছে। একজন অভিনেতার জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! এ ছাড়া শাকিব খানের তাণ্ডব সিনেমায় ‘আরমান মনসুর’ নামে এক ক্যামিও চরিত্রে দেখা গেছে সিয়াম আহমেদকে। সে প্রসঙ্গে সিয়াম লেখেন, আপনারা জনি কিংবা জংলিকে যেমন আপন করে নিয়েছেন, ঠিক তেমনই আরমান মনসুরকে দেখে বিস্মিত হয়েছেন। অল্প সময়ের একটি চরিত্রকে ঘিরে আপনারা পোস্টার, মিম, ভিডিও ম্যাশআপ এমনকি বিজিএম বানিয়ে পাঠিয়েছেন। এই ভালোবাসা সত্যিই ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তিনি বলেন, একজন অভিনেতা হিসেবে সবসময় নিজেকে চ্যালেঞ্জ করাই আমার লক্ষ্য। লক্ষ্য দর্শকদের জন্য ভিন্নস্বাদের চরিত্র ও নতুন গল্প নিয়ে আসা। এই বছর আপনাদের ভালোবাসা আমাকে বুঝিয়েছে, সেই চেষ্টায় আমি কিছুটা হলেও সফল হয়েছি।

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ

এবার স্ট্রোক করলেন সংগীতশিল্পী তৌসিফ গত ২৯ ডিসেম্বর নিজ বাসায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান সংগীতশিল্পী তৌসিফ আহমেদ। এতে তাঁর মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লাগে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, এ সময় তিনি স্ট্রোক করেছিলেন। তিন দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন এই সংগীতশিল্পী। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে গণমাধ্যমকে তৌসিফ বলেন, ‘২৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যাই। মাথায় মারাত্মক আঘাত লাগে। আমার স্ত্রী আশপাশে সবাইকে খবর দিলে প্রথমে ধানমন্ডির একটি স্থানীয় হাসপাতালে, পরে অন্য আরেকটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। এক দিন লাইফ সাপোর্টে থাকতে হয়েছে। অনেক রক্ত বের হয়। মাথায় ২৭টা সেলাই পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন এই শিল্পী। সে কারণে আগের মতো নিয়মিত কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তৌসিফ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এখন আগের চেয়ে ভালো আছি। তবে সামনে আরও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে প্রথমবার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন তৌসিফ। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় বিশ্রামে ছিলেন এই গায়ক। ‘দূরে কোথাও আছি বসে’, ‘বৃষ্টি ঝরে যায়’, ‘এ মনের আঙিনায়’, ‘জান পাখি’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে তৌসিফ আহমেদের ঝুলিতে। গায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি গান লেখা, সুর করা ও সংগীতায়োজনেও সমানভাবে সক্রিয় ছিলেন। তবে শারীরিক জটিলতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে অনেকটাই অনিয়মিত এই শিল্পী।

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ

মুস্তাফিজ ইস্যু তোপের মুখে শাহরুখ আইপিএলের আসন্ন আসরে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়ে ভারতে ব্যাপক রাজনৈতিক তোপের মুখে পড়েছেন বলিউড বাদশা ও কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মালিক শাহরুখ খান। ৯ কোটি রুপিতে ‘কাটার মাস্টার’কে কেনার পর থেকে নায়ককে শুনতে হয়েছে ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘গাদ্দার’ তকমা। এবার শাহরুখের সমর্থনে মুখ খুলেছে দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও একটি ইসলামিক সংগঠন। ভারত ও বাংলাদেশের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে অংশগ্রহণ নিয়ে ভারতের একটি মহলে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় চড়া দামে মুস্তাফিজকে দলে নেওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ও বিজেপি নেতাদের নিশানায় পড়েছেন শাহরুখ। উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম সরাসরি শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি শিবসেনার মতো দলগুলো মুস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার আল্টিমেটাম পর্যন্ত দিয়েছে। তাদের দাবি, মুস্তাফিজের উপার্জিত অর্থ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারে। শাহরুখকে নিয়ে চলা এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দিয়েছে কংগ্রেস। দলটির নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনেত সরাসরি বিসিসিআই এবং আইসিসি প্রধান জয় শাহর দিকে আঙুল তুলেছেন। প্রশ্ন ছোড়েন, খেলোয়াড়দের ‘পুল’-এ কে এই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের এনেছেন? বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কেনার সুযোগ করে দিয়েছেন কারা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র জয় শাহের এই উত্তরটা দেওয়া উচিত। ক্রিকেটারদের কেনাবেচার জায়গায় বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের রাখা হল কেন? উনিই তো আইসিসি প্রধান এবং ওনার হাতেই ক্রিকেট সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত থাকে। অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা মণিকম টেগোর মনে করেন, শাহরুখকে ‘দেশদ্রোহী’ বলা মানে ভারতের বহুত্ববাদকে আক্রমণ করা। বলেন, ঘৃণার দ্বারা জাতীয়তাবাদকে ব্যাখ্যা করা যায় না। এছাড়াও মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতের আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুর শাহরুখকে নিয়ে সমালোচনা করেন; আর তারই জবাব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মৌলানা সাজিদ রশিদ। বলিউড তারকার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, শাহরুখ খান একজন খেলোয়াড়কে কিনেছেন। সিনেমা ও খেলার জগতে কোনো সীমানা থাকে না। শাহরুখ ও সালমান খান সবচেয়ে বেশি সমাজসেবা করে থাকেন। তাই দেবকীনন্দন ঠাকুরের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। ৯ কোটি রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভিড়িয়ে কার্যত বিপাকে শাহরুখ খান ও তার দল কলকাতা নাইট রাইডার্স-কেকেআর। তবে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এও মনে করছেন, এবারের নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটিতে কেনায় এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তবে এই পুরো বিতর্ক নিয়ে এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি শাহরুখ খান।