রাঘব-পরিণীতি ছেলেকে প্রকাশ্যে এনে নাম জানালেন

রাঘব-পরিণীতি ছেলেকে প্রকাশ্যে এনে নাম জানালেন কদিন আগেই পুত্রসন্তানের বাবা-মা হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া ও তার স্বামী রাজনীতিক রাঘব চাড্ডা। এরপর থেকেই নেটিজেনরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিলেন কবে দেখা পাওয়া যাবে পরিণীতি পুত্রের, কি নাম রেখেছেন তার তা জানান জন্য। সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রায় এক মাস পর পরিণীতি-রাঘব জানালেন তাদের ছেলের নাম, সঙ্গে প্রকাশ্যে আনলেন শিশুপুত্রের এক ঝলক। গত ২০ অক্টোবর এই দম্পতির কোল আলো করে আসে তাদের প্রথম সন্তান। পরিণীতি এবং রাঘব ইনস্টাগ্রামে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে জানান, তার নাম রাখা হয়েছে নীর। যৌথ ক্যাপশনে তারা লেখেন, ‘জলস্য রূপম, প্রেমস্য স্বরূপম তত্র এভ নীর। আমাদের হৃদয় খুঁজে পেয়েছে জীবনের এক চিরন্তন বিন্দু। আমরা তার নাম রেখেছি ‘নীর’ শুদ্ধ, পবিত্র, অনন্ত। পরিণীতির শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, ছোট্ট নীরের মুখ জনসমক্ষে না এনে শুধু তার দুটি ছোট্ট পা দেখানো হয়েছে। এক ছবিতে পরম স্নেহে সেই পায়ে মা-বাবা চুমু এঁকে দিচ্ছেন, অন্য ছবিতে তাকে দু’হাত দিয়ে আগলে রেখেছেন। সন্তানের প্রতি তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে এই ছবিতে। নাম ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন বার্তার ঢল নামে। অভিনেত্রী গওহর খান মন্তব্য করে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। হবু মা ভারতী সিংও ভালোবাসা পাঠিয়েছেন।

শাকিব খান সত্যিই কি সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিলেন

শাকিব খান সত্যিই কি সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিলেন   বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খানকে আবারও নতুন বিজ্ঞাপনে দেখা যাবে। এই খবর ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে নতুন একটি গুঞ্জন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারী দাবি করছেন, শাকিব খান এই শীতকালীন ত্বক সুরক্ষা পণ্যের নতুন বিজ্ঞাপনের জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন। তবে এই গুঞ্জনের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা দেশের পরিচিত নির্মাতা আদনান আল রাজীবও এ নিয়ে মুখ খুলেননি। জানা গেছে, বিজ্ঞাপনটির শুটিং ইতোমধ্যে রাজধানীতে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই এটি টেলিভিশন ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচার শুরু হবে। শাকিব খান সম্প্রতি ‘রিমার্ক হারল্যান’ কোম্পানি ছেড়ে দিয়েছেন, এই গুঞ্জনও কিছু সময় ধরে শোনা যাচ্ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, শাকিব খান আগামীতে নিয়মিত বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে টিভিসি, ফটোশুট ও প্রচারণায় দেখা দেবেন। বর্তমানে শাকিব খান নতুন সিনেমা ‘সোলজার’র শুটিং শুরু করেছেন। সিনেমার পরিচালক সাকিব ফাহাদ এক ভিডিও বার্তায় শুটিং শুরু হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন। নানা সূত্রে জানা গেছে, সিনেমায় শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে থাকবেন তানজিন তিশা। এছাড়া এতে আছেন তারিক আনাম খান, তৌকীর আহমেদ, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীসহ অনেকে। সোশাল মিডিয়ায় গুঞ্জন এবং বিজ্ঞাপনের ভক্তদের উত্তেজনা মিলে শাকিব খানের নতুন কাজ নিয়ে আগ্রহ ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

৫০ বছরের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে সুপারম্যানের

৫০ বছরের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে সুপারম্যানের   ডিসি স্টুডিওসের নতুন সিনেমা ‘সুপারম্যান টু (ম্যান অব টুমোরো)’ সুপারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে সুপারম্যানের একক সিনেমাগুলোতে ভিলেন হিসেবে ঘুরেফিরে এসেছে জেনারেল জড বা লেক্স লুথর-এই চক্রের বাইরে যাওয়া হয়নি। কিন্তু এবার সেই দীর্ঘদিনের ট্রেন্ড ভাঙতে চলেছে ডিসি। খবর দ্য ডাইরেক্টের। দ্য র‍্যাপ-এর উমবের্তো গনজালেজ এবং কেসি লাভিং-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘ম্যান অব টুমোরো’ সিনেমায় মূল ভিলেন হিসেবে থাকছেন ব্রেইনিয়াক। এটি হবে প্রথমবার, কোনো লাইভ-অ্যাকশন ডিসি ছবিতে ব্রেইনিয়াককে প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখানো হবে। এখনো পর্যন্ত চরিত্রটির অভিনেতা চূড়ান্ত হয়নি। সুপারম্যানের একক ছবিতে ১৯৮৩ সালের সুপারম্যান থ্রী ছাড়া সব সিনেমাতেই প্রধান ভিলেন ছিলেন জড বা লেক্স। সুপারম্যান থ্রী ছবিতে রস ওয়েবস্টার নামে এক নন-কমিকস ভিলেন ব্যবহৃত হয়েছিল। এরপর আর কখনোই এই দুই চরিত্রের বাইরে যাওয়া হয়নি। জড চরিত্রটিকে প্রথম জনপ্রিয় করেন টেরেন্স স্ট্যাম্প, পরে ডিসিইউতে মাইকেল শ্যানন তার আধুনিক রূপ দেন। অন্যদিকে, লেক্স লুথরের ভূমিকায় ছিলেন জিন হ্যাকম্যান ও কেভিন স্পেসি। নতুন ডিসি ইউনিভার্সে এই চরিত্রে অভিনয় করছেন নিকোলাস হোল্ট, যিনি ২০২৫ সালের সুপারম্যান–এ তার প্রথম উপস্থিতি দিয়েছিলেন এবং পরে পিসমেকার এর দ্বিতীয় মৌসুমেও দেখা যাবে তাকে। ২০২৫ সালের সুপারম্যান এর সিক্যুয়েল ‘ম্যান অব টুমোরো’তে আবারও ফিরছেন ডেভিড কোরেনসোয়েট (সুপারম্যান), নিকোলাস হোল্ট (লেক্স লুথর), র‍্যাচেল ব্রসনাহান এবং ফ্র্যাঙ্ক গ্রিলো। গল্পে দেখা যাবে- পৃথিবীকে রক্ষা করতে চরম শত্রুতা ভুলে সুপারম্যান ও লেক্স লুথরকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে ব্রেইনিয়াকের বিরুদ্ধে। ছবিটি মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ৯ জুলাই। ডিসি কমিকসে ব্রেইনিয়াককে ধরা হয় প্রায় জাস্টিস লিগ–স্তরের হুমকি হিসেবে। এই টেকনো-অর্গানিক ভিলেন পুরো সভ্যতাকে সঙ্কুচিত করে সংগ্রহ করে রাখার জন্য কুখ্যাত। ফলে সিনেমায় তিনিই হতে চলেছেন কোরেনসোয়েটের সুপারম্যানের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতিপক্ষ। জ্ঞান সংগ্রহের প্রতি তার অসীম লোভের কারণে, ব্রেইনিয়াক পৃথিবীর মেটাহিউম্যানসহ নানা তথ্য দখল করতে চাইবে- এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। তার ভয়াবহতার কারণেই, মেটাহিউম্যানদের ঘৃণা করা লেক্স লুথরও বাধ্য হবে সুপারম্যানের সঙ্গে হাত মেলাতে।

মিথিলাকে ভোট দেওয়ার শেষ দিন আজ

মিথিলাকে ভোট দেওয়ার শেষ দিন আজ থাইল্যান্ডে ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন তানজিয়া জামান মিথিলা। এ প্রতিযোগিতার মূল পর্ব যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অনলাইন ভোটিং। কারণ, এই ভোটের ওপরই নির্ভর করছে কোন দেশ কত শক্তিশালী অবস্থানে শুরু করবে প্রতিযোগিতা। পিপলস চয়েসে আজকেই শেষ হচ্ছে ভোট। বাংলাদেশের মানুষ চাইলেই তাকে পিপলস চয়েসে বিজয়ী করতে পারেন। মিথিলা বলেন, ‘পিপলস চয়েসে বাংলাদেশের হয়ে এক নম্বরে ছিলাম, এখন দুই নম্বরে বাংলাদেশ। বুধবার (আজ) শেষ দিন। আশা করি, আবার বাংলাদেশ এক নম্বরে যাবে। মানুষের ভালোবাসা থাকলে কিছুই সম্ভব। মিস ইউনিভার্স অ্যাপে গিয়ে বাংলাদেশ সিলেক্ট করে ‘গেট ভোট’ নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘পিপলস চয়েস’ সেকশনে তানজিয়া জামান মিথিলা নির্বাচন করে প্রতিটি বিজ্ঞাপন দেখার মাধ্যমে আরও ভোট দেওয়া সম্ভব। পিপলস চয়েসে ১ নম্বরে থাকলে সরাসরি সেরা ৩০-এ পৌঁছে যাবেন মিথিলা। এর আগে সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা বলেন, ‘২০২০ সালে আমি ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ হয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেতে পারিনি, কভিডের কারণে। সেটা ছিল এক অপূর্ণতা। এবার সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়েছি। আমি চাই, পৃথিবী জানুক– বাংলাদেশ থেমে নেই। আমরা এগোচ্ছি, সাহস নিয়ে, মর্যাদা নিয়ে। বিশ্বের সুন্দরীদের মঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা পত পত করে উড়ুক। তাই আমার দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি আছে। আছে জয়ের আত্মবিশ্বাসও। পাশাপাশি দেশবাসীর দোয়া ও আশীর্বাদ তো আছেই। ২১ নভেম্বর ঘোষণা হবে চূড়ান্ত ফলাফল। মিথিলা জানালেন, ‘এটা একটা প্রতিযোগিতা। আমি শতভাগ আশা নিয়ে এখানে এসেছি। মুকুট জয়ের সব যোগ্যতা বাংলাদেশের রয়েছে। আমার লক্ষ্য একটাই–বাংলাদেশের নামটা বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল করা। তবে ফলাফল যা–ই হোক, আমি খুবই খুশি। কারণ, দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসছে এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। এই পাওয়া নিয়েই আগামী পথচলা শুরু করব। তানজিয়া জামান মিথিলা শুরুতে ছিলেন র‍্যাম্প মডেল। ২০১৯ সালে ভারতীয় পরিচালক হায়দার খানের ‘রোহিঙ্গা’ সিনেমা দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক। একই বছরে ‘ফেস অব বাংলাদেশ’ এবং ‘ফেস অব এশিয়া’-এ মুকুট জেতেন। পরে ২০২০ সালে নির্বাচিত হন ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’।

সুর ঠিক না রাখতে পারলে শিল্পী হওয়াই উচিত না রুনা লায়লা

সুর ঠিক না রাখতে পারলে শিল্পী হওয়াই উচিত না রুনা লায়লা উপমহাদেশের প্রখ্যাত ও কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী গান, যার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন সংগীতজগতের জীবন্ত কিংবদন্তি। বর্তমান সময়ের সংগীত তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এই গুণী শিল্পী। বিশেষ করে ‘অটো টিউন’ প্রযুক্তির ব্যবহার শিল্পীদের মৌলিকত্ব ও পরিশ্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করেন তিনি। রুনা লায়লা বলেন, ‘অটো টিউন দিয়ে এখন যে কেউ গান গাইতে পারে। সো, এটা বললেই আপনি বুঝতে পারবেন যে এটা আমার পছন্দ, না অপছন্দ। তিনি বলেন, ‘আমি যদি নিজের সুর ঠিক না রাখতে পারি, তাহলে তো আমার শিল্পী হওয়াই উচিত না। কারণ অটোটিউনে যদি সবকিছু করে দেয়, আমার সুরও ঠিক করে দিচ্ছে। আমার কোথায় কী সমস্যা আছে ঠিক করে দিচ্ছে, আমি একটা মুখ গাইলাম তারপর আর মুখ গাইলাম না, ওটাই লাগিয়ে দিল আগে-পিছে করে। কিংবদন্তি এই শিল্পী মনে করেন, প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত ব্যবহার গানের আসল আবেগ ও স্বতঃস্ফূর্ততা (স্পন্টানিটি) নষ্ট করে দিচ্ছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘তাহলে তো জিনিসটা ওই স্পন্টানিটিটাও থাকে না, ওই ইমোশনও থাকে না। তার কথায়, ‘আমরা আগে যেরকম করতাম ফুল মিউজিশিয়ানদের নিয়ে একদম আমরা গান করতাম। সেই বিকেল ছটায় শুরু হলে পরের দিন সকাল ছটায় গিয়ে শেষ হতো। সব মিউজিশিয়ান সবার সাথে, একটা কেউ ভুল করলো তো আবার প্রথম থেকে। তিনি আরও বলেন, ‘দেখা গেল অনেক সময় ১০১ টেক চলছে নাম্বার ১০১। তো যে খাটনিটা আমরা খেটেছি, এইটা তো এখন নেই। এখন স্টুডিওতে গেলাম, আমিও তো এখন গান করতে গেলে বলি, ‘আচ্ছা কী ট্র্যাক কী? আচ্ছা ঠিক আছে, ওকে চলো’।

শিশুর মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমাতে

শিশুর মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমাতে ছোটবেলার দুষ্টুমি তো আগেও ছিল, তবে আজকের ‘জেন’, ‘আলফা’ প্রজন্মের বাচ্চাদের নিয়ে বাবা-মায়ের চিন্তা একটু অন্যরকম। রিলস দেখা, গেইম খেলা, কার্টুন সবকিছু এখন মোবাইলের পর্দায় আটকে গেছে। এই আসক্তি তাদের জেদি, অমনোযোগী আর শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় করে তুলছে। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। তিনি বলছেন, “সন্তানকে স্ক্রিনের নেশা থেকে বের করে আনতে কিছু সাধারণ অভ্যাস বদলই যথেষ্ট। চলুন জেনে নিই কীভাবে সেটা সম্ভব। নিজে প্রথমে মোবাইল থেকে দূরে থাকুন : শিশুর সামনে ফোন হাতে নিয়ে বসে থাকলে সে কী শিখবে? আপনি যদি নিজেই স্ক্রল করতে করতে সময় কাটান, তাহলে সন্তানের কাছে এটাই স্বাভাবিক মনে হবে। তাই সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় ফোন একদম দূরে রাখতে হবে। গল্প করুন, খেলুন, একসঙ্গে রান্না করুন এতেই সে বুঝবে ফোন ছাড়াও জীবন মজার। খাওয়ার সময় মোবাইল একদম নয় : শিশুকে খাওয়ানোর জন্য অনেকে মোবাইল ধরিয়ে দেন। এটা একদম ভুল। এতে খাবারের প্রতি মনোযোগ থাকে না, স্বাদ বোঝে না, এমনকি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলতেও পারে। বরং পুরো পরিবার একসঙ্গে বসুন, গল্প করুন, হাসুন। খাবার শেষ হবে, সম্পর্কও মজবুত হবে। ঘরের ভেতর খেলায় ব্যস্ত রাখুন : খেলাধুলায় মগ্ন থাকলে মোবাইলের কথা মনেই পড়ে না। বাইরে নিয়ে যাওয়া সবসময় সম্ভব না হলে ঘরেই নানান খেলার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। লুডো, দাবা, পাজল, ব্লক সেট, রং পেন্সিল, গল্পের বই এসব দিয়ে শিশুকে ব্যস্ত রাখতে হবে। সৃজনশীল কাজে আগ্রহী করলে সে নিজেই স্ক্রিন ভুলে যাবে। ধীরে ধীরে স্ক্রিন টাইম কমান : হঠাৎ ফোন কেড়ে নিলে শিশু আরও জেদ ধরবে। তাই ধীরে ধীরে কমাতে হবে।প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দিন যেমন সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কার্টুন দেখা, তারপর বন্ধ। নিয়মিত এটা মানলে সে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। একটা স্বাস্থ্যকর রুটিন তৈরি হবে, আসক্তিও কমবে। শিশুর মোবাইল আসক্তি কমানো মানে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং তাকে বোঝানো যে জীবন ফোনের বাইরেও অনেক রঙিন। একটু ধৈর্য আর ভালোবাসা দিয়ে শুরু করলেই ফল পাওয়া সম্ভব।

কেন খাবেন মটরশুঁটি

কেন খাবেন মটরশুঁটি শীতকালে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি পাওয়া যায়। শীতকালের বাজার মানে সবজি সমাহার। নতুন আলু থেকে পালং শাক, মুলো কী নেই সেই তালিকায়। তবে শীতকালের সবজির মধ্যে অনেকেরই প্রথম পছন্দ মটরশুঁটি। ফুলকপি আলুর তরকারিতে স্বাদ বৃদ্ধি জন্য হোক, কিংবা গরম গরম ধোঁয়া ওঠা কচুরির পুরে, এই সবজির জুড়ি মেলা ভার। অনেকে তো আবার মুড়িতে মেখে কাঁচা মটরশুঁটি মেখে খেতেও পছন্দ করেন। কিন্তু রোজ মটরশুঁটি খাওয়া কি ভালো? এতে শরীরে ঠিক কী প্রভাব পড়ে? পুষ্টিগুণেও ভরপুর মটরশুঁটি। শীতকালে যদি প্রতিদিন মটরশুঁটি খাওয়া যায় তবে তা অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। মটরশুঁটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং বি কমপ্লেক্স যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে। তাছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পাওয়া যায়। আজ তার উপকারিতাগুলো জেনে নিন – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে : মটরশুঁটিতে থাকা উচ্চমাত্রার অ্যান্ট-অক্সিডেন্ট, ছোট-বড় অসুস্থতা থেকে শরীরকে নিরাপদে রাখতে কাজ করে। এতে থাকা উচ্চমাত্রার মিনারেল তথা- আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক, কপার, ম্যাংগানিজ প্রভৃতি এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। ত্বকের বলীরেখা প্রতিরোধ করে : মটরশুঁটি থেকে পাওয়া যাবে অ্যান্টি এইজিং ইফেক্ট, যা ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়তে দেবে না। এতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েডস ক্যাটেচিন, এপিক্যাটাচিন, ক্যারোটেনয়েড, আলফা ক্যারোটেনয়েড মূলক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীরগতি করে দেয় এবং ত্বক সুস্থ রাখতে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। আলঝেইমার ও আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ করে : মটরশুঁটিতে থাকা ভিটামিন-কে বয়সকালীন বড় ধরণের রোগ তথা আলঝেইমার ও আর্থ্রাইটিস দেখা দেওয়া থেকে শরীরকে নিরাপদে রাখে। এমনকি নিয়মিত মটরশুঁটি খাওয়ার ফলে আলঝেইমারের রোগীদের নিউরাল ড্যামেজের মাত্রা কমে আসে বেশ অনেকখানি। একদম ফ্রেশ মটরশুঁটি থেকে ভিটামিন-কে পাওয়া যাবে সবচেয়ে বেশি। নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তে চিনির মাত্রা : মটরশুঁটিতে থাকে পর্যাপ্ত আঁশ ও প্রোটিন, যার ফলে রক্তে চিনি মেশে ধীরগতিতে। এছাড়া মটরশুঁটিতে বাড়তি চিনি না থাকায়, এই সবজিটি খাওয়ার ফলে কোন সমস্যা দেখা দেয় না। পাশাপাশি রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রনেও ভূমিকা রাখে মটরশুঁটি। চোখের জন্য উপকারী : মটরশুঁটিতে থাকে পরিমিত মাত্রায় লুটেন, ক্যারোটেনিস, জি-জ্যান্থিন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভনয়েড ও ভিটামিন-এ। এই সকল পুষ্টি উপাদান চোখের সুস্থতা ও সুস্থ দৃশ্তিশক্তির জন্য ভীষণ জরুরি। চুল পড়ার হার কমায় : ভিটামিন-এ ও কে এর সঙ্গে মটরশুঁটি থেকে পাওয়া যাবে ভিটামিন-সি। যা কোলাজেন তৈরিতে অবদান রাখে। চুলের গোড়ার বৃদ্ধির জন্য কোলাজেনের প্রয়োজন হয়। খুব অল্প মাত্রার ভিটামিন-সি এর অভাবের ফলে চুল পড়া ও চুল শুষ্ক হওয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে অনেকখানি। ত্বকের প্রদাহ কমায় : মটরশুঁটিতে রয়েছে ত্বকের জন্য উপকারী পুষ্টি উপাদান তথা- ভিটামিন-বি৬, ভিটামিন-সি ও ফলেট। এই পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের যেকোন অংশের ত্বকের প্রদাহকে দ্রুত কমাতে ও ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আবারো শাকিব রাজীব জুটি

আবারো শাকিব রাজীব জুটি টানা তৃতীয়বারের মতো আবারও একসঙ্গে কাজ করলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ তারকা শাকিব খান এবং দেশের প্রথম সারির বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীব। কাজের অভিজ্ঞতা ও বোঝাপড়া দুইজনেরই ভালো, ফলে তাদের জুটি বরাবরই বাণিজ্যিকভাবে সফল। ২০১৯ সালে রাজীব পরপর দুটি মুঠোফোনের বিজ্ঞাপন বানিয়েছিলেন শাকিব খানকে নিয়ে-যা প্রচারের পর ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই সফলতার ধারাবাহিকতায় আবারও একই ফ্রেমে ফিরলেন তারা; নতুন কাজটিও একটি বিজ্ঞাপনচিত্র। এবারের বিজ্ঞাপনটি দেশের জনপ্রিয় একটি প্রসাধনী ব্র্যান্ডের জন্য। শীতের মৌসুম শুরু হওয়ায় ব্র্যান্ডটির প্রচারণা জোরদার করতে শাকিব খানকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শাকিব খানের টিম জানিয়েছে গত দুদিন ধরে বিজ্ঞাপনটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই এটি টেলিভিশনসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচারে আসবে। শাকিব খানকে নিয়ে প্রথম কাজের সময় রাজীব বলেছিলেন, ‘শাকিব খানের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, তিনি ইতিবাচক কিছু করতে চান। তাঁর মধ্যে দারুণ উদ্যম আছে। আমরাও চেষ্টা করি নতুন কিছু করার। গত কয়েক মাস ধরে শোনা যাচ্ছিল, বিভিন্ন কারণে শাকিব খান ‘রিমার্ক হারল্যান’ কোম্পানি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মে মাসের পর থেকে তাদের কোনো কাজেই তাকে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। অবশেষে সূত্র নিশ্চিত করেছে-শাকিব খান সত্যিই ওই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিয়েছেন। এর পরই তিনি অন্য ব্র্যান্ড ও কোম্পানির নতুন বিজ্ঞাপনে কাজ করতে শুরু করেছেন।

মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক শিল্পীদের বিরুদ্ধে ডিপজল

মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক শিল্পীদের বিরুদ্ধে ডিপজল অভিনয় শিল্পীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। গতকাল ১৭ নভেম্বর তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘শিল্পীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক। শিল্পের অগ্রগতির জন্য শিল্পীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা অপরিহার্য। গত রোববার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে করা তার অপরিচিত এক ব্যক্তির মামলার জামিন নিতে আদালতে যান এবং জামিন নেন। মেহজাবীন জানিয়েছেন, এক অজানা ব্যক্তি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আমার ও আমার ১৯ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত ৯ মাসে আমি এই মামলার কোনো তথ্য পাইনি। কারণ, অভিযোগকারি ব্যক্তি পুলিশকে আমার সঠিক ফোন নম্বর, সঠিক ঠিকানা বা কোনো যাচাইকৃত তথ্য দিতে পারেননি। আমার সাথে ব্যবসা করছিলেন, এমন প্রমাণও দিতে পারেননি। তিনি আমাকে ২৭ লাখ টাকা দিয়েছেন তার কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। মেহজাবীনের এ বক্তব্য থেকে তার ভক্তদের প্রতীয়মান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে যিনি মামলা করেছেন, তা তাকে হয়রানি করতেই করেছে।   এদিকে সম্প্রতি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম মিজবাহ-উর-রহমানের আদালতে ডিপজলের ভক্ত হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর স্বামী তার বিরুদ্ধে একটি ‘হত্যাচেষ্টা মামলা’ করেছেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ডিপজলের সাথে আসামি করা হয়েছে তার সহকারী মো. ফয়সালকে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিপজল ও ফয়সালের বিরুদ্ধে মারধর করে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে গত ৮ জুলাই ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী মামলা করেন। আদালত মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিত্তিহীন অভিযোগে শুধু হয়রানির জন্য একই ভক্তের পরিবার এসব মামলা করেছে। অথচ ভক্ত যেসব ঘটনার অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন। এখনও তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি ডায়বেটিস, হৃদরোগ, চোখের সমস্যাসহ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে থাকতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় তাকে হয়রানি ও মানসিক ক্ষতি করার জন্য উক্ত ভক্ত একের পর এক মামলা করছে, যা তাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা পুরো শিল্পী সমাজের জন্য ভয় ও আতঙ্কের বলে মনে করছেন শিল্পীরা। ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ‘আমরা অনুরোধ করব- শুধু ডিপজল নয়, যে কোনো শিল্পীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগে হয়রানিমূলক মামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি 

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি  মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যারা বুলডোজার নিয়ে গেছেন তাদেরকে ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকার’ বলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়েছেন প্রয়াত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওন। অনেকেই এই অভিনেত্রীর কড়া সমালোচনা করে তাকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। আওয়ামী কালচারাল ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। শাওনের পোস্টের জবাবে দিনাত জাহান মুন্নি লিখেছেন, ৩২ নম্বর তো, তাই ৩২ বার ভাঙতে হবে।  নাসির উদ্দিন খান নামে এক ব্যক্তি শাওনকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, সাহস থাকলে আজ ৩২ নম্বর আয়। ওর সাহস আওয়ামী লীগের নেতাদের সময় থাকে। মুহাম্মদ আল আমিন হোসাইন আওয়ামী দোসর শাওনকে ‘শাহবাগি’ উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি করেছেন। মাহদী হাসান ফরাজী নামে আরেক নেটিজেন বলেন, দেশে থেকেও এই (উল্লেখযোগ্য নয়) এত নিরাপদ থাকে কী করে? জামাল আজিজ বলেছেন, বুলডোজার বার বার ৩২ না গিয়ে শাওনের বাড়িতে যাওয়া উচিত। দিদারুল ইসলাম বলেন, শাওন, এরকম কথা বলে বাসায় থাকতে পারছে- এটাই হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশ। হাসিনার আমলে যদি আওয়ামীবিরোধী এরকম কথা বলতো, তবে এতক্ষণে থানায় অথবা গুম ঘরে থাকতে হতো। আফিয়া সিদ্দিকা বলেন, এই মেয়েটাকে এখনো কেন সরকার অ্যারেস্ট করে না? মাকসুদ আলম পাটোয়ারী বলেন, এই ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্টটিকে কেউ ৩২ নিয়ে ছেড়ে দাও, ৩২ থেকে তার কান্নার শব্দে যেন আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙে! শরীফুল ইসলাম বলেন, শাওনের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। রুবেল কানিস নামে একজন লিখেছেন, শাওন ভারতের একজন গুপ্তচর হিসেবে বাংলাদেশ অবস্থান করছে, তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। তার জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স জব্দ করা হোক, তার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হোক বুলডোজার দিয়ে। শাওনকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ ইউনুস লিখেছেন, ‘লেজ কাটা শিয়ালের হুক্কা হুয়া ডাক’।ফজলে রাব্বি অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় এজেন্ট’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।