ফিরছে রণবীর-দীপিকা জুটি ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান

ফিরছে রণবীর-দীপিকা জুটি ১০ বছরের অপেক্ষার অবসান বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও দীপিকা পাড়ুকোনের প্রেম-বিচ্ছেদ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। তাদের প্রেম যেমন আলোচনায় ছিল, বিচ্ছেদও ছিল সংবাদমাধ্যমের কেন্দ্রবিন্দুতে। এরপর সময় বয়ে গেছে নিজের গতিতে। রণবীর আর দীপিকা খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের জীবনসঙ্গী। বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলে অবশ্য বিয়ের আগেই নিজেদের মাঝে মিটমাট করে নিয়েছিলেন সবকিছু, উপহার দিয়েছিলেন ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’, ‘তামাশা’র মতো ছবি। বহুদিন হয় এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাচ্ছে না, পর্দায় তাদের রসায়ন আজও বলিউডের অন্যতম আকর্ষণ। তবে দর্শকদের জন্য সুখবর হলো, দশ বছর পর আবারও পর্দায় ফিরছেন এই জনপ্রিয় অনস্ক্রিন জুটি। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তামাশা’ ছিল তাদের শেষ কাজ। এরপর তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে কিনা–এ নিয়ে জল্পনা ছিল বহুদিনের। শেষ পর্যন্ত তা সত্যি হতে যাচ্ছে। নতুন এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন অয়ন মুখোপাধ্যায়, যিনি এর আগে রণবীর-দীপিকাকে নিয়ে সুপারহিট ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ তৈরি করেছিলেন। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, অয়ন তার নতুন ছবির চিত্রনাট্য নির্মাণ করছেন রাজ কাপুরের ১৯৫৬ সালের ক্ল্যাসিক ‘চোরি চোরি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। মূল গল্পে আধুনিকতা যোগ করতে নির্মাতা বেশ কিছু নতুন টুইস্ট যোগ করছেন। শোনা যাচ্ছে, এই ছবির মাধ্যমে রণবীর কাপুর প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন। তার প্রযোজনা সংস্থার নাম রাখা হয়েছে আরকে ফিল্মস; যা কাপুর পরিবারের ঐতিহ্যেরই আধুনিক রূপ। যদিও সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে একাধিক গণমাধ্যম সূত্র জানিয়েছে, ছবির প্রি-প্রোডাকশন চলছে। ২০২৬ সালের শুরুতে শুটিং শুরু হতে পারে। বড় বাজেট ও ভারতের পাশাপাশি একাধিক দেশে সিনেমার দৃশ্যধারণের পরিকল্পনাও রয়েছে অয়নের।
রান্নাঘরে তালা দেন মনোজ দুপুরের খাবারের পর

রান্নাঘরে তালা দেন মনোজ দুপুরের খাবারের পর বলিউড অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি প্রায় তিন দশকের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ধারাবাহিক দিয়ে। এরপরে নাম লেখান সিনেমায়। তবে বর্তমানে ওটিটির অন্যতম চর্চিত অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি। সম্প্রতি তার ‘ফ্যামিলি ম্যান ৩’ মুক্তি পেয়েছে। ৫৬ বছর বয়সে এখনো ছিপছিপে সুঠাম দেহের অধিকারী এ অভিনেতা। মুখে নেই কোনো বলিরেখার চিহ্ন, যার নেপথ্যে রয়েছে তার জীবনযাপনের দীর্ঘ ইতিহাস। ১৪ বছর ধরে রাতের খাবার খান না বলে সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে এসে জানিয়েছেন মনোজ বাজপেয়ি। অভিনেতার কথা শুনলে মনে হবে তিনি কৃচ্ছসাধন করছেন। এত বছর ধরে রাতের খাবার না খেয়ে থাকছেন। তবে অভিনেতা নিজের ইচ্ছায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার শরীর ঠিক রাখার জন্যই এমনটা করেন তিনি। সূর্যাস্তের পর তার বাড়ির রান্নাঘরে চুলা জ্বলে না। তবে ব্যতিক্রমী কিছু সময় রয়েছে। মনোজ বাজপেয়ি বলেন, আমি আমার দাদুকে দেখেছি ছিপছিপে শরীর। আমি নিজেও তেমন চেহারা চেয়েছি সবসময়। তাই দুপুর ৩টার পর আর কিছু মুখে দেই না। তাই আজ ১৪ বছর ধরে রাতে খাই না। আমাদের বাড়ির রান্নাঘর বন্ধ হয় দুপুরে। শুধু মেয়ে বাড়িতে এলে রাতের রান্না হয় বলে জানান এ অভিনেতা। যদিও অভিনেতা সকালের খাবার ও দুপুরের খাবার ফাঁকি দেন না। সেই সময় যতটা সম্ভব খেয়ে নেন তিনি। তার পরের ১২ ঘণ্টা আর কোনো খাবার মুখে তুলেন না বলে জানান মনোজ বাজপেয়ি।
নেটমাধ্যমে তোলপাড় পাইলট’ লুকে শাকিব

নেটমাধ্যমে তোলপাড় পাইলট’ লুকে শাকিব সদ্য এক বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশ নিয়েছেন ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খান। এখন শাকিব খান মানেই যেন নতুন নতুন লুক আর পোশাক। এই বিজ্ঞাপনও তার ব্যতিক্রম নয়। বিজ্ঞাপনটি ভাইরাল হতেই নতুন কিছু লুক নিয়ে আলোচনায় আসেন শাকিব। এরপর বিজ্ঞাপনটির জন্য তোলা পাইলটের লুকের কয়েকটি আলাদা ছবি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন নায়ক। সেই ছবিগুলোতেই দেখা যায় সম্পূর্ণ অন্যরকম এক শাকিব খানকে; যা নিয়ে নেটমাধ্যমে তৈরি হয়েছে শোরগোল। ছবিতে দেখা যায়, নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম, গম্ভীর লুক, পরিপাটি গেটআপ; চোখে সানগ্লাস আর পরিচ্ছন্ন গোঁফে যেন ভক্তদের নতুন করে মুগ্ধ করেছেন তিনি। ছবিগুলোর ক্যাপশনে শাকিব লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান! ছবিগুলো প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন লুক ভাইরাল হয়ে যায় ফেসবুকে। মন্তব্যের ঘরে ভক্তরা প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন তাকে। কেউ লিখেছেন, “এটিই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” আরেকজনের মন্তব্য, “চলচ্চিত্রের পাইলট। তবে ছবিগুলো দেখে বহু নেটিজেন বলেছেন, এগুলো নাকি এআই-নির্মিত! যদিও মেটা এআই কিংবা চ্যাটজিপিটি, কোনোটিই ছবিগুলোকে এআই-জেনারেটেড হিসেবে শনাক্ত করেনি। এদিকে আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়েও ব্যাপক আলোচনায় আছেন শাকিব খান। সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স প্রযোজিত ছবিটিতে তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একাই লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে।
মাসুমের কণ্ঠে আনন্দের গান

মাসুমের কণ্ঠে আনন্দের গান সংগীতশিল্পী মাসুমের কণ্ঠে প্রকাশ হলো নতুন গান ‘অন্ধকারে দেখা হোক’। গানের কথা লিখেছেন তারেক আনন্দ। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন মাসুম নিজেই। গানটি প্রকাশ হয়েছে মাসুমের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। গান নিয়ে মাসুম বলেন, ‘অন্ধকারে দেখা হোক’ গানটি আমার মনের মতো লিরিক পেয়েছিলাম। আমি চেষ্টা করেছি সুন্দর সুর, সংগীত করার। আশা করছি গানটি ভালো লাগবে শ্রোতাদের। তারেক আনন্দ বলেন, পাওয়ার ভয়েস খ্যাত শিল্পী মাসুম আজ থেকে দশ বছর আগে আমার আনন্দের গান অ্যালবামে প্রথম গান গেয়েছিলেন। এরপর তার সাথে কাজ করার কথা থাকলেও আর কেন জানি হয়নি। হঠাৎ এক রাতে লিরিক চাইলেন। সেই গানটিই ‘অন্ধকারে দেখা হোক’। খুব সুন্দর সুর করেছেন। আমার ক্যারিয়ারে আরেকটি ভালো গান যোগ হলো। মাসুম নিয়মিত গান প্রকাশ করে আসছেন। তার কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে ৩০টির বেশি মৌলিক গান। এরমধ্যে‘মাঝি’, ‘অভিশপ্ত’, ‘মা’, ‘কিছু রাত নির্ঘুম’, ‘মাটি বলে’ প্রমুখ গান শ্রোতাপ্রিয়।
একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত শিল্পী সুমন মারা গেছেন

একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত শিল্পী সুমন মারা গেছেন চলে গেলেন ‘একটা চাদর হবে চাদর’ খ্যাত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আজ ২৮ নভেম্বর বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ঘনিষ্ঠজন নাদিম। নাদিম জানান, সকালে হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন সুমন। দ্রুত তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন। একটা চাদর হবে’-এই একটি গানই তাকে দেশের ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে। ১৯৯৭ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশের পর একের পর এক শ্রোতাপ্রিয় অ্যালবাম উপহার দেন তিনি ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ আরও অনেক গান। ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তার সবশেষ অ্যালবাম ‘মন চলো রূপের নগরে’। এরপর কিছুটা অনিয়মিত হয়ে পড়লেও শ্রোতাদের মনে জায়গা ছিল অটুট।
প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে তনুশ্রী

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে তনুশ্রী টালিউডের ‘ডিপ ফ্রিজ’খ্যাত অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বেড়াতে গিয়ে সদ্য বিয়ে সেরেছেন লাস ভেগাসে। গলায় আনন্দ আর উত্তেজনা মিলেমিশে একাকার। লাস ভেগাসের সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নৈশভোজ সারতে নবদম্পতি যাচ্ছেন লাস ভেগাসের একটি পাঁচতারা হোটেলে। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম যোগাযোগ করতেই ফোনের ওপারে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে উঠলেন তনুশ্রী সবটা স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। এখনো ঘোর কাটেনি। বিশ্বাস হয়েও যেন হচ্ছে না। রাতারাতি ও সবটা ব্যবস্থা করে ফেলল। বাঁধা পড়লাম সাতপাকে। অভিনেত্রী বলেন, চেনাজানা অনেক দিনের। ভালোবাসার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। পাত্র সুজিত বসু আইটি ইঞ্জিনিয়ার। আটলান্টায় থাকেন। ২৮ বছর ধরে প্রবাসী। ভালোবাসার বয়স কম হলে কী হবে, আমাদের প্রেম গভীর বলে জানান তনুশ্রী চক্রবর্তী। সাতপাকে বাঁধা পড়ার ভাবনাচিন্তা চলছিলই। এরই মাঝে তনুশ্রী ঠিক করেন, হবু বরের সঙ্গে আরও একবার বিদেশ ঘুরে দেখবেন। সেই ভাবনা থেকেই মার্কিন মুলুকে যাওয়া তার। তনুশ্রী বলেন, হঠাৎ সুজিত বসু বলল চলো বিয়েটা সেরে ফেলি? কিছু বুঝে ওঠার আগেই আয়োজন প্রস্তুত। রাতারাতি সব সেরে ফেলল। অভিনেত্রী বলেন, এমনকি বিয়ের লেহেঙ্গাও চলে এলো। সঙ্গে মানানসই গহনা। পুরোটাই যেন সিনেমার মতো। ভিডিওকলে পরিবারের সবাইকে সাক্ষী রেখে অতঃপর বিয়ে। তিনি বলেন, তবে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কলকাতায় ফিরে আরও একবার বিয়ে হবে। হিন্দু রীতিনীতি মেনে। সে রকমই ইচ্ছা আছে। অন্যদিকে মার্কিন মুলুকে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। ভিডিওকলে দেখতে দেখতে চোখে পানি মায়ের। মধুচন্দ্রিমা কোথায় হবে নবদম্পতির? কবে ফিরবেন দেশে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তনুশ্রী বলেন, ফ্লোরিডায় তারা কয়েকটা দিন কাটাবেন। তারপর ঠিক করবেন, ভারতে কবে ফিরবেন। যদিও ফেরার টিকিট কাটা আছে তার। নায়িকা কি তাহলে টালিউডকে বিদায় জানালেন? সঙ্গে সঙ্গে সেই ভাবনা নাকচ করে অভিনেত্রী বলেন, একেবারেই তা নয়; কাজ বন্ধ করব না। সুজিত আমার সঙ্গে কলকাতায় ফিরে আসতে পারে। একটু থেমে তারপর তিনি বলেন, বিদেশের নাগরিকত্ব নেবেন কিনা, সেটিও বিবেচনাধীন। যেখানেই থাকি আমরা একসঙ্গেই থাকব। এদিকে নায়িকা বউ পেয়ে খুশি আইটি ইঞ্জিনিয়ার সুজিতও। সুদূর লাস ভেগাস থেকে তিনি বলেন, তনুশ্রীর সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর বাংলা বিনোদনদুনিয়া সম্পর্কে সবিস্তার জেনেছি। ওকে জীবনসঙ্গী পেয়ে খুশি। আমরা যাতে সুখে থাকতে পারি, তার জন্য সবার শুভেচ্ছা চাই।
প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম

প্রকাশ্যে আনলেন কিয়ারা সন্তানের নাম চলতি বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তানের মা-বাবা হন কিয়ারা আদভানি ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তারপর থেকে এই তারকা জুটির ভক্তদের প্রশ্ন ছিল, কন্যাসন্তানের নাম কী রাখলেন তারা? সেসময় অনুরাগীদের থেকে এসেছিল বেশ কয়েকটি নামের পরামর্শ। কেউ বলেছিলেন, সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার নাম যোগ করে সন্তানের নাম হবে ‘সিয়ারা’। অবশেষে সন্তানের নাম প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী।আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর সকালে সামাজিকমাধ্যমে মেয়ের পায়ের ছবি শেয়ার করেছেন কিয়ারা ও সিড। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাদের কন্যার নাম রেখেছেন সারায়াহ মালহোত্রা। এরপর কিয়ারা লেখেন, ‘আমাদের প্রার্থনা থেকে আমাদের কোলে। আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ- আমাদের রাজকন্যা। সারায়াহ নামের নেপথ্যে কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা প্রকাশ্যে আনেননি সিদ্ধার্থ বা কিয়ারা কেউই। তবে জানা গেছে, হিব্রু ভাষায় ‘সারাহ’ নামের অর্থ রাজকন্যা। সেখান থেকেই এই নাম এসেছে বলে অনুমান অনুরাগীদের। তাদের এই নাম বেশ পছন্দ হয়েছে। তবে কন্যার মুখ এখরো প্রকাশ্যে আনেননি তারকা দম্পতি।‘শেরশাহ’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে প্রেম শুরু হয়েছিল সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার। ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তারা।
গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা

গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রুনা লায়লা দেশের নন্দিত গিটারিস্ট সেলিম হায়দার মারা গেছেন। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ২৭ নভেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস করেন। ৬৯ বছরের জীবনে ৫১ বছর গিটারের সঙ্গে কাটিয়েছেন সেলিম হায়দার। দেশের প্রখ্যাত বেশিরভাগ শিল্পীর সঙ্গে বাজিয়েছেন এই মিউজিশিয়ান। এ তালিকায় রয়েছেন গুণী সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। গিটারিস্ট সেলিম হায়দারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বরেণ্য সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) এ শিল্পী তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। রুনা লায়লা বলেন, “বাংলাদেশ আজ একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান সংগীতশিল্পীকে হারাল। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে বাজিয়েছেন তিনি। আমরা প্রায় পুরো পৃথিবী ঘুরে একসঙ্গে কনসার্ট করেছি। আমার ব্যান্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন এবং প্রতিটি সংগীতাংশ ও গান নিখুঁতভাবে মনে রাখতেন। কাজের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন তিনি। অসুস্থ হায়দারের খোঁজখবর নিতেন রুনা লায়লা। তা জানিয়ে এই শিল্পী বলেন, “আমি জানতাম তিনি অসুস্থ, তাই মাঝে মাঝে খোঁজ নিতাম এবং আশা করতাম, প্রার্থনা করতাম তিনি শিগগরি সুস্থ হয়ে আবার আমার কনসার্টে বাজাবেন। কিন্তু তা আর হলো না। আমি সেলিম হায়দারকে খুব তাড়াতাড়ি হারালাম। হায়দারকে হারিয়ে স্তব্ধ রুনা লায়লা বলেন, “আমি স্তব্ধ ও আমার হৃদয়ে ভেঙে গেছে; তার অকাল প্রয়াণে কোনো সান্ত্বনা খুঁজে পাচ্ছি না। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন এবং তার রুহের মাগফিরাত দান করুন। আমিন। এক মাস আগে সেলিম হায়দারের প্রোস্টেট ক্যানসার শনাক্ত হয়। এরপর নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৩১ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সেলিম হায়দারকে। ২৪ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। ২৭ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেলিম হায়দার মূলত লিড গিটারিস্ট ছিলেন। তবে বেজ ও রিদম গিটার, অ্যাকুস্টিক ড্রামস এবং কিবোর্ডেও পারদর্শী ছিলেন। ফিডব্যাক প্রতিষ্ঠার বাইরেও দেশের বেশির ভাগ শিল্পীর সঙ্গেই গিটার বাজিয়েছেন। সেলিম হায়দারের সংগীত পরিচালনায় দুটি জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে—ফিডব্যাকের ‘এইদিন চিরদিন রবে’ ও ‘ঐ দূর থেকে দূরে’।
স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা, ৫০ কোটির দাবি সেলিনার

স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা, ৫০ কোটির দাবি সেলিনার বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া সেলিনা জেটলি তার স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন । গত ২১ নভেম্বর মুম্বাইয়ের আদালতে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনের ২(এ) ধারায় মামলাটি দায়ের করেছেন তিনি। মঙ্গলবার বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট এস সি তাডয়ের আদালতে মামলার আবেদন শুনানি হয়। পরে পিটার হাগকে নোটিশ পাঠান আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১২ ডিসেম্বর।হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার অভিযোগপত্রে ৪৭ বছর বয়সী অভিনেত্রীর উল্লেখ করেন, অস্ট্রিয়ান স্বামী পিটার হাগের হাতে গুরুতর মানসিক, শারীরিক, যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি দেশ ত্যাগ করে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তার সন্তানরা অস্ট্রিয়ায় বাবার সাথে বসবাস করছে। এএনআই-এর বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানও, মুম্বাই আদালতে মামলা করে স্বামীর থেকে ৫০ কোটি রুপি খোরপোশ দাবি করেছেন সেলিনা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৮ কোটির টাকার বেশি। এছাড়া সন্তানদের জন্য মাসিক ১০ লক্ষ রুপি দাবি করেন তিনি। পিটার হাগ একজন অস্ট্রিয়ান উদ্যোক্তা ও হোটেল ব্যবসায়ী। দুবাই ও সিঙ্গাপুরের স্বনামধন্য হোটেল চেইনে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দুবাইয়ের ইমার হসপিটালিটি গ্রুপে মার্কেটিং ও ম্যানেজমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ২০১১ সালে সেলিনা জেটলির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে থেকে তিনি হোটেল শিল্পে প্রতিষ্ঠিত। এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে সেলিনা জানান, দুবাইয়ে এক ইভেন্টে প্রথম দেখা হয় তাদের। ভারতীয় একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের স্টোর ওপেনিংয়ে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিনা। সেখানে পারিবারিক এক বন্ধু তাকে পিটার হাগের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেলিনা বলেন, ‘ওই মুহূর্তে তাকে দেখে মনে হয়েছিল, মানুষটা আমার স্বামী হওয়ার যোগ্য। আমরা তখন কথা বলিনি, তবে পরে তার সঙ্গে আলাপ হয়। পিটারের ভদ্রতা ও কোমল স্বভাব দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ২০১০ সালে সেলিনার পরিবারকে দেখতে পিটার ভারত আসেন। এক সন্ধ্যায় তারা বাইরে ঘুরতে গেলে পিটার তাকে শাড়ি পরতে বলেন। সে রাতেই পিটার হাগ তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন। ওই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ের বাসায় পরিবারের লোকজনের উপস্থিতিতে তাদের আংটি বদল হয়। ২০১১ সালে তারা বিয়ে করেন এবং ২০১২ সালে যমজ সন্তানের মা–বাবা হন। পাঁচ বছর পর সেলিনা আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন, যার একজন হৃদরোগে মারা যায়। গত বছরও সেলিনা জেটলি স্বামীকে নিয়ে ভালোবাসায় ভরা একাধিক ছবি পোস্ট করেন। কিন্তু এক বছর পর স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে মামলা করলেন তিনি।
দেবের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে যা বললেন রুক্মীণী

দেবের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে যা বললেন রুক্মীণী ভারতীয় বাংলা সিনেমার তারকা অভিনেতা ও তৃণমূলের সংসদ সদস্য দেব। রাজনীতি ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে বিয়াল্লিশের দেব এখনো অবিবাহিত। যদিও চিত্রনায়িকা রুক্মিণী মৈত্রর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের খবর কারো অজানা নয়। সুযোগ পেলেই রুক্মিণীকে নিয়ে অবসর কাটাতে বিদেশে উড়ে যান দেব। তার ভক্ত-অনুরাগীরাও চান তাদের প্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী বিয়ে করুক। দেবের বাবা-মাও চান ছেলে বিয়ে করুক। এ নিয়ে নানা সময়ে নানা ধরনের পরিস্থিতিতে প্রসঙ্গ যেমন এড়িয়ে গিয়েছেন, তেমনি নানা মন্তব্যও করেছেন দেব-রুক্মিণী। সংগীত বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবার মুখ খুললেন এই অভিনেত্রী। রুক্মিণী মৈত্র বলেন, “যে দিন আমাদের সবাই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দেবেন, সেদিন আমরা সকলকে চমকে দেব। তখন সবাই আশ্চর্য হয়ে যাবেন। কিন্তু বলা যায় না, বিয়ে কার কপালে কখন, কার সঙ্গে (এ কথা বলেই জিভ কাটেন নায়িকা)। ২০২৪ সালে গুগল সার্চ করে অনুরাগীরা চমকে গিয়েছিলেন। কারণ সেখানে লেখা ছিল দেব বিবাহিত! ২০২১ সালের ৬ মে রুক্মিণীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। কেবল তাই নয়, তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। সাক্ষাৎকারে দেবকে প্রশ্ন করা হয়ছিল, দেব কি টলিউডের সালমান খান? ভাইজানের মতো তিনিও কি সারা জীবন একাই জীবন কাটানোর মন স্থির করেছেন? জবাবে দেব বলেছিলেন, “আমি কোনো খান হতে চাই না। দেব হয়েই বেশ ভালো আছি। যেখানে আছি, যার সঙ্গে আছে বেশ ভালোই আছি। তবে এই নয় যে, আমি একা ব্যাচেলর লাইফ লিড করব। রুক্মিণীকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে দেব বলেছিলেন, “বিয়ে হলো ভাগ্যের ব্যাপার। তবে এই নয় যে, আমি বিয়ে করতে চাই না। অবশ্যই করব। একটা প্ল্যান চলছে, খুব শিগগির সবাই জানতে পারবেন। দেবের তার হাত ধরে রুপালি জগতে পা রাখেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে সবচেয়ে বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। পর্দার রসায়ন ব্যক্তিগত জীবনেও গড়িয়েছে। চুটিয়ে প্রেম করছেন তারা। ২০১৭ সালে ‘চ্যাম্প’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন রুক্মিণী। অভিষেক চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় হাজির হন। তারপর ‘ককপিট’, ‘কবীর’, ‘কিডন্যাপ’, ‘পাসওয়ার্ড’, ‘ব্যোমকেশ ও দূর্গরহস্য’ প্রভৃতি সিনেমায় জুটিবদ্ধ হন তারা।