ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি

ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি জার্মানির মিউনিখে ইরানি প্রবাসীদের এক বিশাল সমাবেশে দেশটির সাবেক যুবরাজ ও বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি বলেছেন, তিনি ইরানে একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ‘রূপান্তর’ প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। শনিবার মিউনিখের থেরেজিয়েনভিজে ময়দানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পুলিশ জানায়, সমাবেশে প্রায় দুই লাখ মানুষ অংশ নেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ইরানের বর্তমান শাসকদের অপসারণের দাবি জানান। রেজা পাহলভি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে রূপান্তর নিশ্চিত করতে।’ ‘আমি আপনাদের জন্য এই রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে একদিন আমরা স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যালটের মাধ্যমে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারি’, বলেন তিনি। ইরানের সাবেক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ছেলে রেজা পাহলভি দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকারের কড়া সমালোচক। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে তিনি প্রবাসে বসবাস করছেন। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
টিউলিপকে দেশে ফেরাতে আবেদন করবে নির্বাচিত সরকার

টিউলিপকে দেশে ফেরাতে আবেদন করবে নির্বাচিত সরকার দুর্নীতির মামলায় লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য যুক্তরাজ্যের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানাবে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী-মনোনীত তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ এক শীর্ষ সহযোগীর বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউকে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে। হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেটের এমপি ও সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ঢাকার একটি জমি অধিগ্রহণ চুক্তি সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলা রয়েছে। মামলার শুনানিতে অনুপস্থিতিত থাকলেও টিউলিপকে এ মামলার বিচারে চার বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, তারা এই রায়কে স্বীকৃতি দেয় না। এই মামলায় টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে তার খালা, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পৃথকভাবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। তারেক রহমানের সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আলোচিত হুমায়ুন কবির বলেছেন, নতুন বিএনপি সরকার দুর্নীতির মামলায় বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে। তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। বিচারিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে এগোচ্ছে, দ্য ইন্ডিপেনডেন্টকে বলেন হুমায়ুন কবির। তবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই ফলে টিউলিপ সিদ্দিককে দেশে ফেরত পাঠানো অত্যন্ত কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। চুক্তি ছাড়াও তাত্ত্বিকভাবে প্রত্যর্পণ সম্ভব হলেও, লেবার পার্টি এই বিচার প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে। লেবার পার্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, টিউলিপ সিদ্দিক ন্যায্য আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ পাননি এবং অভিযোগের বিস্তারিত কখনও তাকে জানানো হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে আমরা এই রায়কে স্বীকৃতি দিতে পারি না। হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন সরকার মামলাগুলো প্রত্যাহার করবে না। আমরা হস্তক্ষেপ করব না। বিচারিক প্রক্রিয়াই তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এছাড়া, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি কর্তৃক সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির, তবে বলেন ,আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন। টিউলিপ সিদ্দিক এর আগে এই বিচারকে ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই কথিত রায় যেমন পূর্বনির্ধারিত, তেমনি অযৌক্তিক। আমি বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হব না; আমার মনোযোগ সবসময় আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতি।
ঢাকায় আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব

ঢাকায় আসছেন ভারতের স্পিকার-পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা। সঙ্গে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লোকসভার স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকার তথ্য জানিয়েছে। জানা গেছে, শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, একই সময়ে ভারতে এআই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছ। এতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁসহ প্রায় ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান উপস্থিত থাকবেন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী মোদির পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করলো চীন

দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করলো চীন যুক্তরাজ্য ও কানাডার নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে চীন। দেশটির কর্তৃপক্ষ কানাডা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কানাডীয় ও ব্রিটিশ নাগরিকরা চীনে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন বলে বেইজিংয়ের কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। বেইজিংয়ে ওই দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে চীনা কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালুর ঘোষণা এসেছে। এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সাধারণ পাসপোর্টধারীরা ব্যবসা, পর্যটন, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, সৌজন্য বিনিময় কর্মসূচি অথবা ট্রানজিটের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নীতি আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বেইজিং। এর আগে, গত ১৬ জানুয়ারি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর চীনা কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, কানাডীয় নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ভিসামুক্ত প্রবেশের প্রস্তাবটি সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরদিন ১৭ জানুয়ারি চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কানাডার প্রস্তাব এখনও আলোচনাধীন রয়েছে। কানাডা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য এক মাসের ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালুর চীনা এই পদক্ষেপকে গত কয়েক বছর ধরে চলা সম্পর্কের দ্বিপাক্ষিক টানাপোড়েনের অবসানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৮ সালে কানাডায় চীনা নাগরিক মেং ওয়ানঝৌ গ্রেপ্তারের পর থেকেই চীন-কানাডা সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়। পরবর্তীতে কানাডা হুয়াওয়ের ৫জি সরঞ্জামের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, বেইজিংয়ের এই ভিসা সংক্রান্ত বার্তায় উভয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে। তবে কানাডা চীনের নাগরিকদের জন্য পাল্টা কোনও সুবিধা দেবে, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। বর্তমানে চীনা নাগরিকদের কানাডায় পূর্ণ ভিসামুক্ত প্রবেশ সুবিধা চালু নেই। বরং ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) যাচাই ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশটিতে চীনা নাগরিকদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত হয়। সূত্র: এএফপি।
বয়স বাড়ার সঙ্গে আরও ‘অ্যাডভেঞ্চারাস’ হচ্ছেন জয়া আহসান

বয়স বাড়ার সঙ্গে আরও ‘অ্যাডভেঞ্চারাস’ হচ্ছেন জয়া আহসান পশ্চিমবঙ্গে ৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ওসিডি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সৌকর্য ঘোষাল। সিনেমাটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিনয়, দুই বাংলার সিনেমা এবং ব্যক্তিগত নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার সিনেমা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে জয়া বলেন, তিনি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ দুই ইন্ডাস্ট্রির কাজ নিয়েই সমানভাবে আশাবাদী। ‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য বড় পরিসর ছিল। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’-র মতো ভিন্ন ঘরানার ছবিতে কাজ করেছেন। তার ভাষায়, তিনটি সিনেমাই আলাদা মাত্রার একটি পারিবারিক, একটি ক্ল্যাসিক ধারার এবং ‘ওসিডি’-তে রয়েছে শক্তিশালী সামাজিক বার্তা। বাংলাদেশের সিনেমা প্রসঙ্গে জয়া বলেন, নানা পরিস্থিতির মধ্যেও গত বছর তার অভিনীত ‘উৎসব’ ও ‘তান্ডব’ ব্লকবাস্টার সাফল্য পেয়েছে। সামনে আরও কয়েকটি ভালো কাজ আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে যা নিয়ে তিনি আশাবাদী। দুই বাংলার সিনেমা পারস্পরিকভাবে মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ করেন জয়া। তার আশা অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত জায়গা নয় বরং এটি তার পেশাদার ইমেজের একটি আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম। যদিও মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন। সাক্ষাৎকারের শেষ অংশে ‘র্যাপিড ফায়ার’ পর্বে বয়স বাড়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে জয়া জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের মধ্যে বাবার ছাপ খুঁজে পাচ্ছেন এ বিষয়টি তিনি উপভোগ করছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে তিনি আরও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন। কোনো কিছু করতে নিজেকে ‘না’ বলেন না তিনি।
সন্তানের কথা ভেবে কাঁদলেন বুবলী

সন্তানের কথা ভেবে কাঁদলেন বুবলী ঢাকাই চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। পর্দায় সবসময় গ্ল্যামারাস ও হাসিখুশি দেখা গেলেও বাস্তব জীবনের সংগ্রাম ও মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। সম্প্রতি রুম্মান খানের পডকাস্ট অনুষ্ঠানে হাজির হন নায়িকা; সে সময় সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্মের সময়ের কঠিন পরিস্থিতির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এই নায়িকা। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে করোনা মহামারির সময়ে একাকীত্বের দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন বুবলী। ২০২০ সালে যখন বিশ্বজুড়ে কোভিডের ভয়াবহতা, ঠিক সেই সময়েই মা হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সেই দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে বুবলী বলেন, সেটা ছিল আমার পুনর্জন্ম। আমি তখনো জানি না মায়ের জার্নিটা কেমন হয়। প্রেগন্যান্ট অবস্থায় আমেরিকায় ছিলাম, কোভিডের ওই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা আমরা কেউ জানতাম না। কথাগুলো বলার সময় কণ্ঠ জড়িয়ে আসে বুবলীর। একপর্যায়ে তিনি চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি; নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বুবলী বলেন, আমি আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি পৃথিবীতে। বাবা-মা দুজনকে আমরা সবাই ভালোবাসি কিন্তু আমার মায়ের জন্য আমার ফিলিংটা যেমন আলাদা, তেমনি আমার সন্তানের জন্য। আম্মু সবসময় একটা কথা বলতেন আমাদেরকে যখন ছোটবেলা থেকে শাসন করতেন- যে, মা হলে বুঝবি। পডকাস্টে নিজের ক্যারিয়ার ও প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি নিয়েও কথা বলেন বুবলী। ক্যারিয়ারের শুরুতে নবাগত হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি তার জন্য বড় অনুপ্রেরণা ছিল। পরিবারের অমতে শোবিজে এসে সেই পুরস্কারটি ছিল তার জন্য বড় অর্জন। তবে পরবর্তীতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বেশ কিছু পুরস্কার পাওয়ার আশ্বাস পেয়েও শেষ পর্যন্ত না পাওয়ার আক্ষেপও ঝরেছে তার কণ্ঠে। বুবলী বলেন, অনেক সময় কনগ্রাচুলেশন জানানো হয়েছে যে আমি পুরস্কার পাচ্ছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাইনি। তখন মনে হয়েছে, এটাই জীবনের অংশ। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের লং আইল্যান্ড জিউস মেডিকেল হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন শাকিব খান ও বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর। কাকতালীয়ভাবে, বুবলীর ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার সংখ্যাও ২১টি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা চড়াই-উতরাই ও শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন থাকলেও বর্তমানে কাজ ও সন্তানকে নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই নায়িকা।
‘ভয় ও মন্দ কথা বলে যারা বাজার গরম রাখত, তাদের ক্ষতি হয়ে গেল’

‘ভয় ও মন্দ কথা বলে যারা বাজার গরম রাখত, তাদের ক্ষতি হয়ে গেল’ অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি নিয়মিত মতামত প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে উদ্বেগভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করেছেন এবং সাধারণ মানুষের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভয় দেখিয়ে ও হতাশার কথা বলে যারা বাজার গরম রাখার চেষ্টা করছিলেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। এ বিষয়ে আফজাল হোসেন বলেন, “যারা ভয় দেখিয়ে, মন্দ, হতাশ হওয়ার মতো কথা বলে বলে বাজার গরম করে রাখতে পছন্দ করেন, তাদের বেশ ক্ষতি হয়ে গেল। দেশের সব মানুষ রাজনীতি করে না কিন্তু দেশকে ভালোবাসে। দেশের সব মানুষ রাজনীতি না করলেও দেশকে ভালোবাসে। তারা চায় দেশ ও মানুষের ভোগান্তির অবসান হোক, দীর্ঘ কষ্টের পর দেশ একটু স্বস্তি পাক। সাধারণ মানুষ দেশ নিয়ে উচ্চকণ্ঠ না হলেও তাদের মায়া, ভালোবাসা ও উদ্বেগ গভীরে। এ তথ্য উল্লেখ করে আফজাল হোসেন বলেন, “নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বহুদিন পর মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কিছু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা আশঙ্কা ও নেতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণী ছড়িয়ে জনমনে উদ্বেগের পাহাড় তৈরি করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা সেই আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করেছে; ফলে তাদের মুখে চুনকালি পড়েছে বলে মত অভিনেতার। আশঙ্কার কথা ব্যাখ্যা করে আফজাল হোসেন বলেন, “সাধারণ মানুষকে বারবার শোনানো হয়েছে- তারেক রহমান দেশে ফিরবেন না, তাকে ফিরতে দেওয়া হবে না; এমনকি খালেদা জিয়া না থাকলে তার দল শেষ হয়ে যাবে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, দলটির ইতিবাচক ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে গেছে এবং নির্বাচনই হবে না। এছাড়া নির্বাচন বয়কট হবে, মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে না, দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে-এমন নানা আশঙ্কাও ছড়ানো হয়েছিল। এসব ঘোষণাই উল্টোভাবে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বহু মানুষ-যারা দীর্ঘদিন রাজনীতির ওপর আস্থা হারিয়েছিলেন বা ভোট দিতে অনাগ্রহী ছিলেন; তারাও পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে গেছেন বলে মনে করেন এই শিল্পী। রাজনৈতিক দল ও নেতাদের উদ্দেশে আফজাল হোসেন বলেন, “সাধারণ মানুষই মূল চালিকাশক্তি এ কথা মনে রাখা উচিত। মানুষের দেশপ্রেমের কারণেই জয় এসেছে; তাই মানুষ ও দেশের প্রতি সম্মান বজায় রাখলে সেই সম্মান নেতৃত্বকেও মর্যাদাবান রাখবে। যারা সর্বদা নেতিবাচক কথা বলে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চান, তারা সাময়িকভাবে চুপ থাকলেও সুযোগ পেলেই আবার বাজে কথার দোকান খুলে বসবেন।
‘তুমি বললেই’ বাপ্পা-টিনার ভালোবাসার গান

‘তুমি বললেই’ বাপ্পা-টিনার ভালোবাসার গান এবারের ভালোবাসা দিবসে দর্শক-শ্রোতাদের জন্য দারুণ এক উপহারের বার্তা দিলেন সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। সেটি হলো ‘তুমি বললেই’ শিরোনামের নতুন একটি গান; যার সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন শিল্পী নিজেই। এতে তার কণ্ঠসঙ্গী হয়েছেন টিনা রাসেল। গানটি লিখেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকবি জুলফিকার রাসেল। বাপ্পা-জুলফিকার-টিনা- এই তিনের দ্বিতীয় সম্মিলিত সৃষ্টি ‘তুমি বললেই’। এর আগে ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয় জুলফিকার রাসেলের কথা, বাপ্পা মজুমদারের সুর-সংগীতে টিনার কণ্ঠে ‘কিছু নেই যার’। সেই গানের মাধ্যমে ১২ বছরের বিরতি ভেঙে আবারও একসঙ্গে কাজ করেন সংগীতাঙ্গনের অন্যতম সফল ও প্রশংসিত জুটি বাপ্পা মজুমদার ও জুলফিকার রাসেল। নতুন গান বেঁধে পুনর্মিলন হলো তাদের। বনানীতে বাপ্পার স্টুডিওতে এর রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে বাপ্পা মজুমদার শেয়ার করেছেন ‘তুমি বললেই’ গানের পোস্টার। টিনা রাসেল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিউজিক ভিডিওর বিহাইন্ড দ্য সিন পোস্ট করেন। ঢাকার একটি লোকেশনে এর শুটিং হয়েছে। ‘তুমি বললেই’ গানের ভিডিও নির্মাণ করেছেন চন্দন রয় চৌধুরী। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় ইউটিউবে টিনা রাসেল চ্যানেলে গানটি প্রকাশ হবে। নতুন গান প্রসঙ্গে বাপ্পা মজুমদার বলেন, জুলফিকার রাসেল আমার ভীষণ প্রাণের একজন মানুষ। সে আমার সংগীত সত্তার একটি অংশ। আমরা একসঙ্গে পাঁচ শতাধিক গান করেছি। তার লেখা গান করা আমার জন্য বরাবরই আনন্দের। টিনার গায়কী সুন্দর। আমার বিশ্বাস, নতুন কাজটি দারুণ লাগবে দর্শক-শ্রোতাদের।গীতিকবি জুলফিকার রাসেল বলেন, “বাপ্পা ভাই ও আমি একসঙ্গে প্রচুর কাজ করেছি। এ তালিকায় ‘তুমি বললেই’ নতুন সংযোজন। টিনার গায়কী আমার আলাদাভাবে ভালো লাগে। এবারের কাজটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। দর্শক-শ্রোতাদের ভালো লাগলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে। বাপ্পা ও জুলফিকার রাসেল জুটির নতুন গানে অংশ হতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত টিনা রাসেল। তার কথায়, এর আগে জুলফিকার রাসেলের কথায় ও বাপ্পা ভাইয়ের সুরে গান গাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। এবার রাসেলের কথায় বাপ্পা ভাইয়ের সঙ্গে ডুয়েট গাইতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমাকে এই সুযোগ দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ

বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামে গেজেট ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিতদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়। রবিবার থেকে কর্মদিবস শুরু হওয়ায় ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। শপথ পরবর্তী ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, “সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর বিজয়ী দল তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং পরবর্তীতে একটি সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। সচিব জানান, এটি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ার। তবে তিনি অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানান, এখানে একাধিক বিকল্প রয়েছে। সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে তারা না থাকলে তাদের মনোনীত কেউ অথবা প্রধান বিচারপতি কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বরাবরের মতোই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পাঠ করাবেন। শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেখ আব্দুর রশীদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা পরিস্থিতির প্রয়োজনে এর পরেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ারল্যান্ড

এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারালো আয়ারল্যান্ড চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইশোর্ধ্ব দলীয় স্কোর হয়ে পাঁচটি। এর মধ্যে ২৩৫ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। যা এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। শুধু তাই নয়, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণের বিশ্বকাপের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এটি। ২০০৭ আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। এমন রেকর্ড গড়ার দিনে বড় ব্যবধানে জিতে মাঠ ছেড়েছে আইরিশরা। ওমানকে ৯৬ রানে হারিয়েছে তারা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর এসএসসি গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আয়ারল্যান্ড। এমনকি দলীয় ৬৪ রানে আরেকটি উইকেট হারালে বিপদ আরও বাড়ে। পল স্টার্লিংয়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব পাওয়া টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানি যোগ দিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫৬ রানে আউট হন ডিলানি। এরপর ক্রিজে আসেন জর্জ ডকরেল। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ডেথ ওভারেই দলটি ৯৩ রান তোলে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। শেষদিকে জর্জ ডকরেল আগ্রাসী ছিলেন। তার সঙ্গে টাকারের জুটি ছিল ১৯ বলে ৭০ রানের। অধিনায়ক টাকার ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পথে টাকার ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয় মারেন। ৯ বলে ৫ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডকরেল। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। ২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তোলে ওমান। লড়াই করার মতো অবস্থায় ছিল তারা। কিন্তু আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর দাঁড়াতে পারেনি ওমান। ৪২ রানে শেষ সাত উইকেট হারায়। কালিম সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৪৬ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ২ ওভার বাকী থাকতেই ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। আইরিশদের পক্ষে জশ লিটল নেন সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট।