১ বিলিয়ন ডলার আয়, কী আছে ‘জুটোপিয়া টু’ সিনেমায়

 ১ বিলিয়ন ডলার আয়, কী আছে ‘জুটোপিয়া টু’ সিনেমায় বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস তৈরি করল অ্যানিমেশন ছবি ‘জুটোপিয়া টু’। মুক্তির মাত্র সতেরো দিনের মধ্যেই ছবিটি বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। এর মধ্য দিয়ে সর্বকালের দ্রুততম পারিবারিক শ্রেণির ছবি হিসেবে এই মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল ডিজনির এই অ্যানিমেশন সিক্যুয়েল। ডিজনির প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটি এখন পর্যন্ত নিজ দেশের বাজার থেকে আয় করেছে প্রায় ২৩২ কোটি মার্কিন ডলার। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে প্রায় ৭৫৩ কোটি মার্কিন ডলার। সব মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। দ্রুতই ১ বিলিয়ন ডলারের সীমা পেরিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরে এটি তৃতীয় ছবি হিসেবে ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করল। এর আগে ডিজনির ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং চীনের অ্যানিমেশন ব্লকবাস্টার ‘নে ঝা টু’ এই কীর্তি গড়েছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত মাত্র তেরোটি অ্যানিমেশন ছবি ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করতে পেরেছে। তার মধ্যে ১০টিই ডিজনির প্রযোজনা। ডিজনি অ্যানিমেশন স্টুডিওর প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা জ্যারেড বুশ বলেন, এই ছবিতে আমাদের প্রতিটি সদস্য তাদের হৃদয় ও সৃজনশীলতা উজাড় করে দিয়েছে। এই সাফল্য আমাদের কাছে শুধু অর্থনৈতিক অর্জন নয়, বরং সারা বিশ্বের দর্শক একসঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে বসে ছবি দেখছে এই অভিজ্ঞতারই স্বীকৃতি। এটাই ‘জুটোপিয়া’র স্বপ্ন। প্রথম ‘জুটোপিয়া’ ছবিটি মুক্তির নয় বছর পর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পায় থ্যাংক্স গিভিং উৎসবকে সামনে রেখে। মুক্তির প্রথম পাঁচ দিনের ছুটিতে উত্তর আমেরিকায় ছবিটি আয় করে প্রায় ১৫৮ কোটি ডলার এবং বিশ্বজুড়ে আয় দাঁড়ায় প্রায় ৫৫৯ কোটি ডলার। এটি পারিবারিক অ্যানিমেশন ছবির ইতিহাসে অন্যতম সেরা সূচনা। চীনের বাজারেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘জুটোপিয়া টু’। সেখানে ছবিটির আয় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৩০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশটিতে এটি বিদেশি ছবির মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা ছবি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। জ্যারেড বুশ ও বায়রন হাওয়ার্ড পরিচালিত এই ছবিতে প্রাণীদের শহরে আবারও দেখা যায় খরগোশ পুলিশ কর্মকর্তা ও ধূর্ত শিয়াল জুটিকে। নতুন এক রহস্যময় সরীসৃপ চরিত্রকে ঘিরে এগোয় গল্প। সমালোচকদের প্রশংসা, দর্শকের মুখে মুখে প্রশংসা আর পারিবারিক দর্শকের দীর্ঘদিনের অপেক্ষাদ; সব মিলিয়েই বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য এনে দিয়েছে ‘জুটোপিয়া টু’। এলআইএ

এটি আত্মসম্মানের প্রতীক ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে বাঁধন বললেন

এটি আত্মসম্মানের প্রতীক ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে বাঁধন বললেন ক্যামেরার আলো, পর্দার সৌন্দর্য আর দর্শকের প্রত্যাশা সব মিলিয়ে নায়িকা বা শিল্পীদের ওজন কমানো নিয়ে থাকে বাড়তি আলোচনা। কখনো চরিত্রের প্রয়োজনে, আবার কখনো ব্যক্তিগত সুস্থতার জন্য এই পরিবর্তন নিয়ে আসেন অনেক তারকা, যা ভক্তদের কৌতূহল ও চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। এবার ৬ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে ভক্তদের চর্চায় উঠে এলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।আজ সামাজিক মাধ্যমে পৃথক ছবি শেয়ার করে নিজের এই রূপান্তরের পার্থক্য দেখিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে শেয়ার করেছেন এই ছয় মাসের অভিজ্ঞতা। বাঁধন লিখেছেন, ‘৭৮ কেজি থেকে ৬০ কেজি আমি এটি করেছি! এই যাত্রা সহজ ছিল না। মানসিক স্বাস্থ্য সংগ্রাম, অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও বংশগত কারণে ওজন বৃদ্ধিকে তুচ্ছ করার ফলস্বরূপ আমার ওজন বেড়েছিল। কিন্তু সঠিক চিকিৎসকের নির্দেশনা, ডিসিপ্লিন এবং আত্মবিশ্বাসের জোরে আমি মাত্র ৬ মাসে ১৮ কেজি ওজন কমাতে পেরেছি। অভিনেত্রী জানান, তার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তার মেয়ে। মেয়েই তাকে শরীরচর্চা করতে, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকতে এবং প্রতিদিন নিজেকে বিশ্বাস করতে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন, ‘এটি শুধু ওজন কমানো নয়- এটি নিরাময়, শক্তি এবং আত্মসম্মানেরও প্রতীক; এখনো এগিয়ে চলছি। বর্তমানে নির্মাতা তানিম নূরের নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এটি হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। অভিনেত্রী বলেন, ‘এই সিনেমার নির্মাতা ও সহশিল্পীরা আমার ভীষণ পছন্দের। তানিম নূর যখন এই চরিত্রের কথা বলল, তখন আমার মেয়ে বলেছে, তুমি এটি করো। কারণ আমাকে নাকি সব সময় সিরিয়াস আর অবসাদগ্রস্ত চরিত্রে দেখা যায়। আর হুমায়ূন আহমেদ যে আমার কত পছন্দের, সেটা সবাই জানে। অনেক বছর পর তার গল্পে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। এটা আমার কাছে বিশেষ কিছু।

যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী

যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী গতকাল কলকাতায় এসেছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি। ফুটবলের জাদুকরকে একঝলক দেখার জন্য উপচে পড়েছিল হাজার হাজার ভক্ত। এতে করে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ ওঠে, হাজার হাজার টাকা খরচ করেও প্রিয় তারকা মেসিকে ঠিকমতো দেখার সুযোগ পাননি ভক্তরা। এই ক্ষোভ ও অসন্তোষের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এক পর্যায়ে এই আগুনের আঁচ গিয়ে লাগে ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলির উপরে। মেসিকে দেখতে পারেননি তার ভক্তরা। তাহলে শুভশ্রীকে কেন আক্রমণ করে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা? মূলত, গতকাল মেসিকে দেখতে শুভশ্রীও গিয়েছিলেন। কারণ তারও প্রিয় ফুটবলার মেসি। তারকা ফুটবলারের সঙ্গে দেখা করে তার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দিও হন এই নায়িকা; যা তার ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ ছবি দেখে ‘নোংরা’ মন্তব্য যেমন করেছেন, তেমনই কটাক্ষ করেও মন্তব্য করেছেন। এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন শুভশ্রীর স্বামী, পরিচালক-বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। স্ত্রী স্বপক্ষে দাঁড়িয়ে রাজ পরিষ্কার ভাষায় ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে বলেন, “আগামী দিনে যতবার সুযোগ আসবে, ততবার মেসিকে দেখতে যাবে শুভশ্রী। অন্য অনেকের মতো আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন শুভশ্রী। আয়োজক কর্তৃপক্ষ শুভশ্রীকে উপস্থিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এ তথ্য স্মরণ করে রাজ চক্রবর্তী বলেন, “শুভশ্রী কিন্তু ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট সেশন’-এ মেসির মুখোমুখি হয়েছে। কথাবার্তার পর ছবি তুলেছে, মাঠে যায়নি। অনেকে মাঠে মেসির পাশে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত ছবি তুলেছেন। তাদের কেন বলা হচ্ছে না? শুভশ্রী একা কেন ক্রমাগত আক্রমণের শিকার? শুভশ্রীর পারিবারিক পরিচয়, তার শারীরিক গড়ন নিয়েও কটূক্তি করেছেন অনেকে। এ বিষয়ে রাজ চক্রবর্তী বলেন, “শুধু তারকা নয়, তথাকথিত সভ্য সমাজে নারী এখনো ‘সফট টার্গেট’। তিনি তারকা না-ও হতে পারেন। যেমন: কোনো তরুণী যদি ছোট পোশাকে সেজে মেসির কাছে যেতেন, তার আশেপাশে থাকতেন, উল্লাসে মাততেনতাকেও একইভাবে কটাক্ষের শিকার হতে হতো। তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলে আক্রমণের মুখে পড়তে হতো।

মেহজাবীন অবকাশ যাপনে কোথায় গেছেন

মেহজাবীন অবকাশ যাপনে কোথায় গেছেন দীর্ঘ ১৩ বছরের প্রেমের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরিচালক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। এই তারকা দম্পতি এখন সুখী দাম্পত্যজীবন উপভোগ করছেন। এবার একান্ত অবকাশ যাপনে এই জুটি উড়াল দিয়েছেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি মালদ্বীপে। সেখানে কাটানো বিশেষ মুহূর্তগুলোর একগুচ্ছ ছবি অভিনেত্রী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সমুদ্রের তীরে খোশ মেজাজে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন এই তারকা জুটি। দু’জনের মিষ্টি হাসি ছবিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিঃশব্দে সাগরের কাছে। অভিনেত্রীর এই ছবিগুলো প্রকাশের পর পরই কমেন্ট বক্সে উপচে পড়েছে ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। অনেকেই এই তারকা জুটির বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘আমি এই দৃশ্যের প্রেমে পড়ে যাবো।’ আরেকজন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘অনেক সুন্দর লাগছে দুজনকে অভিনন্দন।

৩ পানীয় ত্বকের বলিরেখা কমাতে পান করুন

৩ পানীয় ত্বকের বলিরেখা কমাতে পান করুন   বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বিরূপ প্রভাব পড়ে। চোখের চারপাশে কালো ছোপ পড়ে, চামড়া ঝুলে যায় আর কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মূলত অধিক মানসিক চাপ, ডিহাইড্রেশন এবং পুষ্টির অভাবেও ত্বকের বয়স বেড়ে যায়। ত্বকের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কোলাজেন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়ে যায়। তবে সঠিক জীবনযাপন ও উপকারী খাদ্যাভ্যাসের অভ্যাস ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ত্বকের হারানো সৌন্দর্য ফিরে পেতে নিয়মিত কিছু পানীয় পান করুন। বেদানা ও পুদিনার রিফ্রেশনার : বেদানা ও পুদিনা স্বাস্থ্যের যেমন উন্নতি ঘটায়, তেমনই ত্বকের জন্যও উপকারী। বেদানায় পলিফেনল ও ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখে। পুদিনা শরীর ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সহায়তা করে। এক বাটি বেদানার রসের সঙ্গে পুদিনা পাতা, পাতিলেবুর রস এবং পানি মিশিয়ে পান করুন। নিয়মিত পানে ত্বক উজ্জ্বল হবে। আদা-হলুদ মিশ্রিত পানীয় : হলুদ দিয়ে রূপচর্চা করলে উজ্জ্বলতা বাড়ে। আবার হলুদ খেলেও ত্বকের বলিরেখা কমে। কেননা হলুদে থাকে কারকিউমিন, যা ত্বকের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে সহায়ক। আদাও প্রদাহ কমায় এবং একাধিক রোগ প্রতিরোধ করে। কাঁচা হলুদ ও আদা একসঙ্গে মিক্সারে দিয়ে তার জুস বানিয়ে নিন। এটি গরম পানিতে মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন। গাজর ও কমলালেবুর জুস: শীতে ত্বক ভালো রাখতে পান করতে পারেন গাজর ও কমলালেবুর জুস। কমলালেবুতে থাকা ভিটামিন সি এবং গাজরের মধ্যে থাকা বিটা-ক্যারোটিন ত্বকের হারানো সৌন্দর্য ফেরাতে সহায়ক। ১টা কমলালেবুর রসের সঙ্গে অর্ধেক গাজর ব্লেন্ড করে রস ছেকে খেয়ে নিন। এর সঙ্গে চিয়া সিডস মিশিয়ে খেতে পারেন।

চলতি বছর যেসব গান মন ছুঁয়েছে শ্রোতার

চলতি বছর যেসব গান মন ছুঁয়েছে শ্রোতার অডিও, সিনেমা, নাটকের বেশ কিছু গান শ্রোতার মাঝে সাড়া ফেলেছে। অডিও গানে যদিও খরা কাটেনি। শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো গান প্রকাশ থেকে এ বছরও দূরেই ছিল। গত কয়েক বছর সিনেমার গানই এসেছে আলোচনায়। অডিও গান বলতে গেলে বিচ্ছিন্নভাবে প্রকাশ হয়েছে। নাটকের কয়েকটি গান শ্রোতার মাঝে সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া কোক স্টুডিও বাংলার কয়েকটি গান পছন্দ করেছে শ্রোতারা। ২০২৫ সালে প্রকাশিত আলোচিত গান নিয়েই এ আয়োজন এ বছরের প্রশংসিত গান ‘গুলবাহার’। গানের কথা ও সুর করেছেন ঈশান মজুমদার। কণ্ঠ দিয়েছেন ঈশান মজুমদার ও শুভেন্দু দাস শুভ। গানটি প্রকাশ হয়েছে ঈশানের গান ইউটিউব চ্যানেল থেকে। মে মাসে প্রকাশিত এ গানের ভিউ বছর শেষে তিন কোটি ছাড়িয়ে। এ বছরের অন্যতম প্রশংসিত গান ‘কিছু মানুষ মরে যায় পঁচিশে’। সাইফ জোহানের এ গানের ভিউ প্রায় দুই কোটি। গানের কথা, সুর ও গায়কীই গানটির প্রধান শক্তি। নেই কোনো ব্যয়বহুল মিউজিক ভিডিও।   লিরিক্যাল ভিডিওর মাধ্যমে সাদামাটাভাবে প্রকাশ হয়েছে। সাইফ জোহানের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশের পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছে গানটি। কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন শিল্পী নিজেই। অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি-সিরিজ থেকে প্রকাশিত একটি গান শ্রোতাদের মাঝে আলোড়ন তুলেছে। ‘আমার বন্ধুরও বন্ধু আছে’ শিরোনামের এ গানটি গেয়েছেন পারভেজ খান। গানের কথা লিখেছেন সোহাগ ওয়াজিউল্লাহ। গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন রিমো বিপ্লব। গানের ভিউ দুই কোটি ছাড়িয়ে। ‘রাগের মাথায় কইলে কিছু রাইখো না অন্তরে। ফোক এ গানটি টিকটক, ফেসবুকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। গানটি গেয়েছেন মরিয়ম ইসলাম। গীতিকার ও সুরকার পাগল মোস্তাক, সংগীতায়োজন করেছেন মুন্সি জুয়েল। গানটি প্রকাশ হয়েছে পাগল মোস্তাকের ইউটিউব চ্যানেল থেকে। ২৮ জুলাই প্রকাশিত এ গানের ভিউ ১ কোটি ৪০ লাখ। সৈয়দ অমির সঙ্গে ‘দুই চাক্কার সাইকেল’ গানটি গেয়ে আলোচনায় আসেন কণ্ঠশিল্পী সানজিদা রিমি। এ বছর প্রকাশিত হয় তার কণ্ঠে ‘তুই আমার আলতা চুড়ি না’ গানের মিউজিক ভিডিও। এ গানটি প্রকাশের পর থেকেই শ্রোতার মাঝে ছড়িয়ে যায়। গানের কথা লিখেছেন নূরে আলম মামুন, সুর করেছেন আফনান অন্তর, সংগীতায়োজন করেছেন আহমেদ সজীব। বছরের শুরুতেই প্রকাশিত এ গানের ভিউ ৫ কোটি ছাড়িয়ে। কণ্ঠশিল্পী কোনাল ও নিলয়ের কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে ‘ময়না’ গানের মিউজিক ভিডিও। গানের কথা লিখেছেন আসিফ ইকবাল, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আকাশ সেন। জুলাই মাসে প্রকাশিত গানটির ভিউ ৬০ লাখ ছাড়িয়ে। ইমরান ও হোমায়রা ইশিকার কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে ‘পারব না তোমাকে ছাড়তে’ গানের মিউজিক ভিডিও। গানের কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান নিজেই। গানটি প্রকাশ হয়েছে ইমরান মাহমুদুলের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে। আগস্টে প্রকাশিত এ গানের ভিউ প্রায় ৫০ লাখ। গানটি শ্রোতারা পছন্দ করেছেন। আর কয়েক মাস পরই কোটির ঘর ছাড়িয়ে যাবে। কণ্ঠশিল্পী লুইপার কণ্ঠে প্রকাশ হয়েছে ‘চুড়ি ছাম ছাম’ গানের মিউজিক ভিডিও। সিফাত আব্দুল্লাহর কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন তানভীর। এক মাস না হতেই গানটির ভিউ ৪০ লাখ ছাড়িয়ে। সিনেমার গান : এ বছর সিনেমার সবচেয়ে আলোচিত গান ‘বরবাদ’-এর ‘চাঁদমামা’। প্রীতম হাসানের সুর, সংগীতে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রীতম হাসান ও অদিতি রহমান দোলা। এ সিনেমার আরেক গান ‘মহামায়া’। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মাঈনুল আহসান নোবেল। সোমেশ্বর অলির কথায় গানটির সুর করেছেন খায়রুল ওয়াসী, সংগীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসেন। সিনেমার আরেক আলোচিত গান ছিল ‘লিচুরও বাগানে’। তাণ্ডব সিনেমার এ গানেরও সুর, সংগীতায়োজন করেছেন প্রীতম হাসান। কণ্ঠ দিয়েছেন প্রীতম, জেফার, মঙ্গল মিয়া ও আলেয়া বেগম। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় ইমরান ও কনার কণ্ঠে ‘কন্যা’ গানটি শ্রোতাদের মনছুঁয়ে যায়। এটি ‘জিন-৩’ সিনেমার গান। সুর ও সংগীতায়োজন করেন ইমরান মাহমুদুল। প্রিন্স মাহমুদের সুরে ‘জংলি’ সিনেমার গান ‘বন্ধু গো শোনো’ বছরের প্রশংসিত গান। এ গানটি গেয়েছেন ইমরান ও কনা। এ ছাড়া ইমরান ও কোনালের কণ্ঠে ‘বরবাদ’ সিনেমার ‘মায়াবী’ গানটিও শ্রোতারা পছন্দ করেছেন। নাটকের গান: হাবিব ওয়াহিদ ও ন্যানসির কণ্ঠে নাটকের গান ‘আমার দিনগুলো সব হারিয়ে যায় আঁধারে।’ আহমেদ রিজভীর কথায় গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান মাহমুদুল। ‘হৃদয়ের কথা’ নাটকের এ গানটি শ্রোতার মন ছুঁয়ে গেছে। গানের ভিউ ২ কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়ে। এ ছাড়া কনা ও সজীব দাসের কণ্ঠে ‘আশিকি’ নাটকের গান ‘যদি মনটা করি চুরি’ গানটিও সাড়া ফেলেছে শ্রোতার মাঝে। গানের কথা লিখেছেন সালাউদ্দিন সাগর, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সজীব দাস। এ গানের ভিউ ১ কোটি ৭০ লাখ। এ ছাড়া সোমেশ^র অলির কথায় ‘মন দুয়ারী’ নাটকের ‘এত প্রেম এত মায়া’ গানটি শ্রোতাদের পছন্দের তালিকায়। কণ্ঠ দিয়েছেন রেহান রসুল ও অবন্তী সিঁথি। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাজিদ সরকার।

শাকিব খানের সঙ্গে অপু

শাকিব খানের সঙ্গে অপু ঢালিউডের শীর্ষ তারকা শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’ নির্মিত হচ্ছে। ছবিটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছেই। এই সিনেমায় শাকিবের সঙ্গে অভিনয় করছেন একাধিক তারকা। সেই তালিকায় আছেন অভিনেতা রাশেদ মামুন অপুও। এর আগে ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমায় এই দুই অভিনেতা একসঙ্গে কাজ করে দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। সেই সফল সহযোগিতার পর ফের বড় পর্দায় তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে ‘প্রিন্স’ সিনেমায়। গেল ১১ ডিসেম্বর ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন অপু। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খান থাকছেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। অন্যদিকে রাশেদ মামুন অপু অভিনয় করছেন গল্পের গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে। এটি সিনেমার গল্প এগিয়ে নিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। নির্মাতা মনে করছেন, এই চরিত্রের মাধ্যমে অপু আবারও নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারবেন। এর আগে ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমায় রাশেদ মামুন অপুর অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। শাকিব খানের সঙ্গে তার রসায়ন এবং সাবলীল অভিনয় তখন প্রশংসা পেয়েছিল সমালোচকদের কাছেও। সেই ধারাবাহিকতায় ‘প্রিন্স’ সিনেমাতেও এই দুই অভিনেতার অভিনয় দর্শকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাশেদ মামুন অপু বলেন, ‘শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করা সবসময়ই আনন্দের। তিনি একজন পরিশ্রমী ও পেশাদার অভিনেতা। নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’ দর্শকদের জন্য আলাদা কিছু নিয়ে আসবে। এখানে আমাকে ভিন্ন ধরনের একটি চরিত্রে দেখা যাবে। নির্মাতার সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির গল্প, নির্মাণশৈলী ও উপস্থাপনায় থাকবে আধুনিকতার ছোঁয়া। শুটিংয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং শিগগিরই নিয়মিত শুটিংয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাটি নিয়ে বেশ আশাবাদী এবং মুক্তির আগেই ‘প্রিন্স’ ঢালিউডে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

আমি সুন্দর নই আমার শরীর ঠিকঠাক নেই রাধিকা আপ্তে

আমি সুন্দর নই আমার শরীর ঠিকঠাক নেই রাধিকা আপ্তে বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। বলিউডের রোমান্টিক সিনেমায় অভিনেত্রীদের যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, তা নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষ্য অভিনেত্রীদের সৌন্দর্যের মানদণ্ড ও পর্দায় তাদের আচরণ দেখে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। ফলে কলেজ জীবনে নিজেকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন এই অভিনেত্রী। জুমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র ও ক্রিকেট খেলার প্রভাব ব্যাখ্যা করেন রাধিকা আপ্তে। এ অভিনেত্রী বলেন, “আমার মনে হয়, এই দেশে আপনি চান বা না চান, ক্রিকেট ও সিনেমা সবচেয়ে জনপ্রিয় জিনিস, তাই না? এগুলো থেকে মানুষ অনুপ্রেরণা পায়, এগুলোর প্রতি মানুষ আগ্রহী। সুতরাং আপনি চান বা না চান, এগুলো আপনাকে প্রভাবিত করবেই। আপনি যদি আমার মতো ছোট অভিনেত্রী হন অথবা বড় তারকা, সেটা কোনো ব্যাপার না। আপনার প্রভাব আছে আর এর সঙ্গে দায়িত্বও। মনে রাখবেন, আপনি শুধু বলে যেতে পারেন না। তারকাদের প্রভাব ব্যাখ্যা করে রাধিকা বলেন, “আপনার বলা বা না-বলা ছোট ছোট কথার ভিত্তিতে কখনো কখনো মানুষ গড়ে ওঠে। কারণ আমারও ছিল। আমি যেসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রশংসা করতাম, তাদের কারণে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমার মনে হয়েছিল, আমি সত্যিই এর একটি উদাহরণ। বলিউডে রোমান্টিক সিনেমার গল্পে নারীদের যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, সে বিষয়ে কথা বলেন রাধিকা। এ অভিনেত্রী বলেন, “কলেজ জীবনে ভাবতাম, আমি সুন্দর নই আর আমার শরীর ঠিকঠাক নেই। এসব ভাবনার কারণে অনেক কিছুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারতাম না। সমস্ত রোমান্টিক সিনেমার ট্রেন্ড ছিল ছেলেদের ‘না’ বলা, তারপর ছেলেরা পেছনে পেছনে ঘুরতো, যা দারুণ ছিল। এসব কিছু এবং নারীদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হতো, তাদের যেভাবে দেখানো হতো, তা আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছে; আমিও তারই অংশ ছিলাম। তারপর সৌভাগ্যক্রমে, আপনি সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেন, বুঝতে পারেন এসব বাজে কথা। কিন্তু এর বড় ধরনের প্রভাব থেকেই যায়! তাই আমার মনে হয়, কিছু দায়িত্ব আপনারও থাকে। আপনি নিজেকে রাজনীতি থেকে আলাদা করতে পারেন না।” বলেন রাধিকা। রাজনীতিকে ব্যাখ্যা করে রাধিকা বলেন, “রাজনীতি শুধু নির্বাচন বা রাজনৈতিক দল নিয় নয়; এটি প্রতিদিনের জীবন। সমাজ কীভাবে চলে, আপনি কী ভাবেন, আপনার কী দায়িত্ব, সেসবও।

এভাবে ছবি না তুললেও পারেন রুনা-জয়া

এভাবে ছবি না তুললেও পারেন রুনা-জয়া অভিনেত্রী জয়া আহসান ও রুনা খানের ফটোশুট ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা নতুন নয়। এবার তাদের কিছু ছবিকে ঘিরে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী ফারজানা চুমকি। একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে তিনি বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে নিজের শারীরিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে ফারজানা চুমকি বলেন, ‘ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে আমি ফটোশুট করিনি। কাজ করেছি, কিন্তু ক্যামেরার সামনে আলাদা করে ফটোশুট করার মানসিকতা তখন ছিল না। এ সময় উপস্থাপক ওজন কমানোর প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসেবে অভিনেত্রী রুনা খান-এর নাম উল্লেখ করেন। উত্তরে চুমকি বলেন, ‘রুনা খানের বিষয়টা আলাদা। উনি খুব ডেডিকেটেড ছিলেন। ওনার লক্ষ্যই ছিল ওজন কমানো, নিজেকে ফিট করা এবং ফটোশুট করা। আমার মধ্যে সেই রকম চেষ্টা ছিল না, তাই আমি পারিনি। তিনি আরও জানান, বয়স ও পারিবারিক বাস্তবতাও তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। বলেন, ‘আমার বয়স হয়েছে, ছেলে বড় হয়েছে। আমি যদি ফটোশুট করি, সেটা আমার মতো করেই করব। জয়া আহসান ও রুনা খানের ফটোশুট নিয়েও নিজের অনুভূতি জানান ফারজানা চুমকি। তার ভাষায়, ‘আমি রুনা খানের ওপর ঈর্ষান্বিত নই। তবে কিছু ছবি দেখলে মনে হয়; এগুলো না করলেও পারতেন। আমি ওনার অভিনয়ের বড় ভক্ত। এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান-কে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘জয়া আপার অনেক ছবি খুব সুন্দর লাগে, আবার কিছু ছবি দেখে ভালো লাগে না। আমরা জয়া আপাকে সাধারণত শালীন একটি ইমেজে দেখে অভ্যস্ত। তাই হঠাৎ কিছু ভিন্নধর্মী ছবি দেখলে সেটি আমাদের কাছে একটু ধাক্কার মতো লাগে। উল্লেখ্য, জয়া আহসান ও রুনা খান দুজনই অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়। তাদের ফটোশুট ও অনলাইন উপস্থিতি প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়, যা নিয়ে বিনোদন অঙ্গনে ভিন্ন ভিন্ন মতামত উঠে আসে। এদিকে চুমকির এই সাক্ষাৎকারের বক্তব্যকে অনেকে অতিরঞ্জিত করেও মন্তব্যও করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। তা নজরে আসে অভিনেত্রীর। সেখানে চুমকির বক্তব্যকে বিকৃত করে উল্লেখ করা হয়, ’জয়া আহসান আর রুনা খানকে নিয়ে ফারজানা চুমকি বললেন, এই আপুরা এই বয়সে এগুলা কেন করেন বুঝিনা। এ নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চুমকি। লেখেন, আমি কাউকে নিয়ে এভাবে কথা বলিনি। জয়া আপা আমার ভীষণ পছন্দের একজন অভিনেত্রী। রুনা আমার ছোট বোনের মতো ওর অভিনয় এর ভক্ত আমি। কাউকে আমি ছোট করে কথা বলি নি। আপনারা কেন এভাবে লেখেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

নতুন বছরেই ‘গোলাপ’ উপহার দিবেন পরীমণি

নতুন বছরেই ‘গোলাপ’ উপহার দিবেন পরীমণি ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা পরীমণিকে নিয়ে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে ভক্তদের। হঠাৎই সুখবর মিললো, আর অপেক্ষা নয় নতুন বছরের শুরুতেই দর্শকদের ‘গোলাপ’ উপহার দিবেন জনপ্রিয় এ নায়িকা। ‘গোলাপ’ নামের নুতন সিনেমাটি নির্মাণের ঘোষণার পর প্রায় ১১ মাস কেটে গেলেও কাহিনি জটিলতায় শুটিং শুরু হয়নি। যা পরীমণি ভক্তদের মন ভেঙে দিয়েছিল। তবে অবশেষে সেই সিনেমা নির্মাণের জট খুলতে শুরু করেছে। সিনেমাটির নির্মাতা সামছুল হুদা জানিয়েছেন, বহুদিনের অপেক্ষার পর ‘গোলাপ’ এবার সত্যিই আসছে ক্যামেরার সামনে। সিনেমায় চিত্রনায়িকা পরীমণির বিপরীতে অভিনয় করবেন অভিনেতা নিরব। জানা যায়, শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে ছিল গল্প সংশ্লিষ্ট জটিলতা। গল্পের কয়েকটি অংশে পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে সমস্যা কাটিয়ে গল্পটি নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ছোট শহরের রাজনৈতিক বাস্তবতা, উত্তেজনা আর রহস্যকে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে ‘গোলাপ’। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব ঠিকমতো এগোলে নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।