অ্যাওয়ার্ড পেলেই কেউ সুপারস্টার হয়ে যায় না

অ্যাওয়ার্ড পেলেই কেউ সুপারস্টার হয়ে যায় না ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খানকে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন, এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক শাকিল খান। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আলোচনার সময় তার বক্তব্যে উঠে এসেছে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সোনালী অতীত, বর্তমান সংকট এবং শাকিব খানের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সংগ্রামের কথা। শাকিল খান বলেন, ‘শাকিব খান আমাদের দেশেরই সন্তান। আজ আমি আছি, কাল চলে যাব এটাই নিয়ম। আমাদের কিংবদন্তি রাজ্জাক সাহেব ও ফারুক ভাই চলে গেছেন, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রি থেমে থাকেনি। তারা প্রত্যেকেই বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। চলচ্চিত্রের পরিধি ছোট হয়ে আসা প্রসঙ্গে শাকিলের ভাষ্যে, ‘ইন্ডাস্ট্রি এখন হয়তো ছোট হয়ে গেছে, তবে আমরা কখনোই এমনটা আশা করিনি। একটি ভালো চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সারা বাংলার মানুষকে যুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। অথচ আমরাই অনেক সময় এই পরিধি ছোট করার পেছনে দায়ী থাকি। তার কথায়, ‘আমি আগে বলেছিলাম দুই-একটা অ্যাওয়ার্ড পেলেই কেউ সুপারস্টার হয়ে যায় না। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ঘুরিয়ে শাকিব খানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। আমি তো কখনোই শাকিবকে নিয়ে এমন কিছু বলিনি! বরং আমি সবসময় বলি, যোগ্য মানুষকে যোগ্য সম্মান দেওয়া উচিত। শাকিব খানের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘শাকিব খান বর্তমানে যে প্ল্যাটফর্মে এগিয়ে যাচ্ছে, তার জন্য আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। একটা ছেলে এতো কষ্ট করে আজ এই অবস্থানে এসেছে, তার পরিশ্রমের মূল্যায়ন আমাদের করতেই হবে। আমি তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত দেখেছি। সে নিজের মেধা আর অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়ে এই জায়গাটি অর্জন করেছে।
ত্বকের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে যা করবেন শীতকালে

ত্বকের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে যা করবেন শীতকালে শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষামূলক স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ত্বক শুষ্ক, রুক্ষ ও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। শীতকালে তাই ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। এ সময় ত্বকের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। শীতকালে প্রায় সবারই ঠোঁট ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। শুষ্ক বাতাস ও পানিশূন্যতার কারণে ঠোঁট রুক্ষ ও ফেটে যায়। এ সমস্যা এড়াতে প্রচুর পানি পান করা, ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করা এবং নিয়মিত পেট্রোলিয়াম জেলি বা মোমযুক্ত লিপবাম লাগানো জরুরি। বাইরে বের হলে সানস্ক্রিনযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করা উচিত। ঠোঁট চাটা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও পরে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শীতকালে ফাটা হিল বা গোড়ালির সমস্যাও খুব সাধারণ। শুষ্ক ত্বকের কারণে গোড়ালিতে ফাটল সৃষ্টি হয়, যা অনেক সময় ব্যথাদায়ক হয়ে ওঠে। রাতে ঘুমানোর আগে ফাটা হিলে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে প্লাস্টিকের মোড়ক দিয়ে ঢেকে মোজা পরলে আর্দ্রতা ধরে রাখা যায় এবং উপকার পাওয়া যায়। শীতের ঠাণ্ডা বাতাস ও ঘন ঘন হাত ধোয়ার ফলে হাতের ত্বক খুব সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। এ সমস্যা এড়াতে দিনে একাধিকবার, বিশেষ করে সকালবেলা ও রাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। বাইরে বের হলে ঠাণ্ডা ও বাতাস থেকে হাত রক্ষার জন্য গ্লাভস পরা অত্যন্ত উপকারী। অ্যাকজিমা হলো ত্বকের একটি প্রদাহজনিত রোগ। এর লক্ষণ হিসেবে শুষ্ক, লালচে ও চুলকানিযুক্ত ত্বক দেখা যায়। শীতকালে এ সমস্যা বেড়ে যায়। অ্যাকজিমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেলভিত্তিক মলম দিয়ে ঘন ঘন ময়েশ্চারাইজ করা দরকার। অতিরিক্ত ঘাম বা গরম এড়াতে স্তরে স্তরে পোশাক পরা উচিত। প্রয়োজনে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সোরিয়াসিস সাধারণ শুষ্ক ত্বকের চেয়ে বেশি জটিল একটি সমস্যা, যা ইমিউন সিস্টেমের ভারসাম্যহীনতার কারণে হয়। শুষ্ক বাতাস, ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও সূর্যালোকের অভাব শীতকালে এ রোগকে আরও তীব্র করে তোলে। এ ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হালকা গরম পানিতে গোসল করা, নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা এবং ঘরে হিউমিডিফায়ার রাখা উপকারী। সঠিক চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। শীতকালে শুষ্ক ত্বকের কারণে চুলকানির সমস্যাও বেড়ে যায়। এ সময় স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও পর্যাপ্ত তরল পান করা অত্যন্ত জরুরি। গোসলের সময় হালকা গরম পানি ও মৃদু সাবান ব্যবহার করা উচিত এবং গোসলের পর ত্বক আলতোভাবে মুছে গ্লিসারিনভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। প্রয়োজনে দিনের মধ্যে একাধিকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় রোদ ও ঠাণ্ডা বাতাসে থাকা এড়িয়ে চলা উচিত।শীতকালে খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি অনেকের জন্য বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ব্যবহার করা উপকারী। তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ এতে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়। প্রতিদিনের পরিবর্তে প্রতি দুই থেকে তিন দিন পর পর চুল ধোয়া ভালো। চুল নরম ও আর্দ্র রাখতে নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত এবং অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলতে হবে। বাইরে বের হলে টুপি ব্যবহার করে চুল শীতের প্রভাব থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। ডা. তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী লেখক : চর্ম, যৌন ও এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ
কোটিপতি হয়েও সুখ নেই অক্ষয়ের

কোটিপতি হয়েও সুখ নেই অক্ষয়ের বলিউডের অন্যতম শীর্ষ ধনী অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তার সম্পদ এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন প্রায় সবারই জানা। অথচ কোটিপতি হয়েও যেন পুরোপুরি সুখী নন এই সুপারস্টার! সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আক্ষেপ করলেন অক্ষয়; জানান, তারকাখ্যাতির কারণে মধ্যবিত্ত জীবনের একটি সাধারণ অভ্যাস এখন চাইলেও করতে পারেন না। মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে বলিউড সুপারস্টার হওয়া অক্ষয় কুমার একসময় সামান্য খরচ জোগাতেও হিমশিম খেতেন। এখন তিনি শতকোটি রুপির মালিক এবং তার জীবনযাপনও বিলাসবহুল। অক্ষয় কুমার জানান, বাইরে ঘোরা বা স্ট্রিট ফুড খেতে খুব একটা মিস না করলেও সমুদ্রে যাওয়াটা এখনও তিনি খুব মিস করেন। অভিনেতার কথায়, ‘আমি প্রতিদিন সৈকতে যেতাম। আমি সেখানে গিয়ে শরীরচর্চা করতাম। কিন্তু এখন আমি সমুদ্রের তীরে গিয়ে এগুলো করতে পারি না। হ্যাঁ, এটি এমন কিছু যা আমি খুব মিস করি। উল্লেখ্য, অক্ষয় কুমারের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘জলি এলএলবি থ্রি’। সিনেমাটি প্রায় ৯৫ কোটি রুপির বাজেটে নির্মিত হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী এটি প্রায় ১৫০ কোটি রুপি আয় করে। বর্তমানে অক্ষয় কুমার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’, ‘হেরা ফেরি থ্রি’, ‘হাইওয়ান’ এবং ‘ভূত বাংলো’-সহ একাধিক ছবির কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
৩ প্রাকৃতিক পানীয় ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করে

৩ প্রাকৃতিক পানীয় ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করে ফ্যাটি লিভার এমন একটি রোগ যা বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষকে সমস্যায় ফেলে। যদিও ৯০-১০০% অ্যালকোহল ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য বিপাকীয় এবং জীবনযাপনের ধরন সংক্রান্ত কারণও এর পেছনে দায়ী হতে পারে। আমেরিকান লিভার ফাউন্ডেশনের মতে, প্রায় ১০ কোটি আমেরিকানের অ্যালকোহলবিহীন ফ্যাটি লিভার রোগ রয়েছে। যদিও পরিপূরক এবং ওষুধ গ্রহণ সমস্যার সমাধান করতে পারে, তবে সেসব বেশ ব্যয়বহুলও। ফ্যাটি লিভার মোকাবিলা করার সবচেয়ে সহজ উপায়ের মধ্যে একটি হলো যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক পদ্ধতি বেছে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর খাওয়া, ব্যায়াম করা এবং আরও অনেক কিছু। প্রতিদিনের খাবারের রুটিনে কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় যোগ করলে তা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- গ্রিন টি : গ্রিন টি একটি স্বাস্থ্য পাওয়ার হাউস যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অসংখ্য উপকারিতা প্রদান করে। এটি ক্যাটেচিন নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা অত্যন্ত শক্তিশালী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে, যা ফ্রি র্যাডিকেলকে নিউট্রাল করে। এটি প্রদাহও কমায় যা ফ্যাটি লিভার রোগের অনুঘটক বলে মনে করা হয়। ২০১৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে গ্রিন টি পানকারীদের লিভারে ফ্যাট জমা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। গ্রিন টি খাবার থেকে ফ্যাট শোষণকারী এনজাইম, যেমন প্যানক্রিয়াটিক লিপেজের হজমে বাধা দেয়, যা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। আদা চা : আদা ৪০০ টিরও বেশি জৈব সক্রিয় যৌগ এবং ৪০টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ দিয়ে ভরপুর। হেপাটাইটিস মান্থলিতে প্রকাশিত ২০১৬ সালের একটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বারো সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দুই গ্রাম আদার সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হয়েছিল এবং দেখা গেছে যে এটি ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে এবং লিভারে প্রদাহের চিহ্ন হ্রাস করে। সুতরাং, দিনে অন্তত এক কাপ আদা চা খেলে তা কেবল ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে না, বরং এটি রক্তচাপ এবং বমি বমি ভাবও কমায়। সেইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যাপল সাইডার ভিনেগার : অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এমন একটি পানীয় যা কারও কারও জন্য সত্যিই ভালো কাজ করে। যারা ফ্যাটি লিভারের মাত্রা কমাতে চান, তাদের জন্য এটি সম্পূর্ণ উপকারী। পানীয়টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ। ২০২১ সালে BMC কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিন অ্যান্ড থেরাপিজে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, আপেল সাইডার ভিনেগার টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের প্লাজমা গ্লুকোজ কমাতে বেশ কার্যকরী। গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করলে তা ফ্যাটি লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। তবে এটি সঠিকভাবে পাতলা করতে এবং স্ট্র দিয়ে পান করতে ভুলবেন না, কারণ এটি এনামেলের ক্ষতি করতে পারে।
‘ধুরন্ধর’৬ দেশে নিষিদ্ধ ৩০০ কোটির পথে থাকা

‘ধুরন্ধর’৬ দেশে নিষিদ্ধ ৩০০ কোটির পথে থাকা ৩০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলিউডের নতুন সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। গত ৫ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘ধুরন্ধর’। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বক্স অফিসে সিনেমাটির আয় ২৮৩.৮১ কোটি টাকা। তবে এমন সুখবরের মাঝেই দুঃসংবাদ পেয়েছেন লেখক, পরিচালক ও প্রযোজক আদিত্য ধর। তার পরিচালিত সিনেমাটি মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নিষিদ্ধ করা দেশগুলো হলো বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘পাকিস্তানবিরোধী থিম’-এর অভিযোগ থাকায় সিনেমাটিকে মুক্তির অনুমতি দেয়নি দেশগুলো। স্পাই থ্রিলারধর্মী ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা নির্মিত হয়েছে হামজা আলি মাজারি নামের এক রহস্যময় চরিত্রকে কেন্দ্র করে। সিনেমায় সংসদ বিস্ফোরণ, মুম্বাইয়ের তাজ হোটেল হামলা, বিমান ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাগুলো উঠে এসেছে। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ায় সিনেমাটি নিজ দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত করতে আপত্তি তোলে দেশগুলো। এর আগে একই কারণে একাধিক হিন্দি সিনেমা উপসাগরীয় অঞ্চলে মুক্তির ছাড়পত্র পায়নি।
ওটিটিতে মিম বিরতির পর

ওটিটিতে মিম বিরতির পর মালদ্বীপের নীল জলরাশি আর ছুটির আমেজ পেরিয়ে দেশে ফিরেই সুখবর দিলেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম। কাজ থেকে কিছুদিন বিরতিতে থাকলেও নতুন কোনো গল্পের খোঁজ যে থেমে ছিল না, সেটাই এবার স্পষ্ট হলো। দেশে ফিরেই জানা গেল, প্রথমবারের মতো ওটিটি প্ল্যাটফর্মের একটি অরিজিনাল ফিল্মে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। গ্ল্যামারের চেনা ছক ভেঙে ভিন্ন এক চরিত্রে মিমকে দেখার প্রস্তুতি শুরু হলো চরকিতে। ছবিটি পরিচালনা করছেন নির্মাতা কাজী আসাদ। এর আগে তিনি নির্মাণ করেছিলেন আলোচিত সিরিজ ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’, যেখানে অভিনয় করেছিলেন মোশাররফ করিম। নতুন সিনেমাটি প্রসঙ্গে কাজী আসাদ জানান, এটি একটি আবেগনির্ভর গল্প। চলতি মাসেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এটা ইমোশনাল একটা গল্প। বিদ্যা সিনহা মিম আমাদের ইন্ডাস্ট্রির একজন পরীক্ষিত, মেধাবী ও গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী। আমরা তাকে সাধারণত গ্ল্যামার লুকেই দেখি। কিন্তু মজাটা হচ্ছে- এই গ্ল্যামারের বাইরেও তাকে ভেঙে একেবারে নতুন ধরনের চরিত্রে কীভাবে উপস্থাপন করা যায়। আমরা সেই চ্যালেঞ্জটাই নিয়েছি।
গোবিন্দর স্ত্রী শাশুড়ির সঙ্গে থাকতেই আনন্দ পেতাম

গোবিন্দর স্ত্রী শাশুড়ির সঙ্গে থাকতেই আনন্দ পেতাম বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা গোবিন্দ। ব্যক্তিগত জীবনে সুনীতা আহুজার সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। দাম্পত্য জীবন ৩৯ বছর পার করছেন এই যুগল। টিনা ও যশবর্ধন নামে তাদের দুটো সন্তান রয়েছেন। যদিও দাম্পত্য জীবনের এ পর্যায়ে নানারকম তিক্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে বছরজুড়ে সমালোচনা হয়েছে। গোবিন্দর মা সংগীতশিল্পী-অভিনেত্রী নির্মলা দেবী। ১৯৯৬ সালে মারা যান তিনি। বিয়ের পর শাশুড়িকে ৭ বছর পেয়েছিলেন সুনীতা। শাশুড়ির সঙ্গে সুনীতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক দারুণ ছিল। এ নিয়ে জুম-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খোলামেলা কথা বলেছেন সুনীতা। সুনীতা আহুজা বলেন, “গোবিন্দকে বিয়ে করার পর এক বছর বাড়ির বাইরে পা রাখিনি, যতদিন না টিনার (কন্যা) জন্ম হয়। আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ ছিল সন্তান নেওয়া ও তাদের বড় করে তোলার দিকে। শাশুড়ি নির্মলা প্রসঙ্গে সুনীতা আহুজা বলেন, “শাশুড়ির সঙ্গে থাকতে আনন্দ পেতাম, কারণ আমি জানতাম গোবিন্দ তার মাকে খুব ভালোবাসে। আমি এখন যে প্রার্থনা ও আচার-অনুষ্ঠান পালন করি, সেগুলো আমার মা ও শাশুড়ির কাছ থেকেই শিখেছি। তাদের সেবা করে আমি আনন্দ পেতাম। গোবিন্দর মন জয়ের গোপন মন্ত্র ফাঁস করে সুনীতা আহুজা বলেন, “আমি জানি, আপনি যদি স্বামীকে সুখী রাখতে চান, তাহলে প্রথমেই রান্না শিখতে হবে। দ্বিতীয়ত, যদি গোবিন্দর মন জয় করতে চান, তাহলে তার মাকে ভালোবাসেন। বিয়ের পর এই বাড়িতে এসেছি শুধু আমার শাশুড়ির জন্য, গোবিন্দর জন্য নয়। তিন বছর প্রেম করে বিয়ে করেন গোবিন্দ-সুনীতা। তখন সুনীতার কেবল আঠারো বছর বয়সে পা রাখেন। গত বছর ‘টাইম আউট’ নামে একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে সুনীতা বলেছিলেন, “আমার বয়স যখন ১৮ বছর, তখন বিয়ে করি। আমরা খুবই কম বয়সে বিয়ে করেছি। কারণ তার (গোবিন্দ) মায়ের অনেক বয়স হয়েছিল। গোবিন্দ তার মায়ের ছোট সন্তান। গোবিন্দর মা ছেলের বিয়ে দিয়ে নাতি-নাতনির মুখ দেখতে চাচ্ছিলেন।
কখন আক্কেল দাঁত তোলা উচিত

কখন আক্কেল দাঁত তোলা উচিত আক্কেল দাঁত ওঠার যন্ত্রণা অনেকর ক্ষেত্রেই ভয়াবহ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের আবার আক্কেল দাঁত তুলে ফেলারও প্রয়োজন হয়। মুখের ভেতরে বেকায়দায় কোনো জায়গায় দাঁত ওঠা, ব্যথা, ক্যাভিটি, প্রদাহ, আক্কেল দাঁত সংলগ্ন অন্য কোনো দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইত্যাদি কারণে এই দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ধরনের কোনো সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলা প্রয়োজন কিনা তা পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার পর একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিশেষত মেক্সিলোফেসিয়াল সার্জন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আক্কেল দাঁত কি: অনেকে মনে করেন ‘আক্কেল দাঁতের’ সঙ্গে জ্ঞানবুদ্ধি বা আক্কেলের সম্পর্ক রয়েছে। তবে এর সঙ্গে কোনো বিশেষ সম্পর্ক নেই। সাধারণত ১৭-২৫ বছরের মধ্যে উপরের ও নিচে উভয় চোয়ালের তৃতীয় বা দাঁতগুলো উঠে। এমন দাঁতের সংখ্যা ৪টি যাদের মেডিকেলের পরিভাষায় বলা হয় ‘থার্ড মোলার টুথ’। কখন ব্যথা হয়: বেশিরভাগ দাঁত ওঠার সময় ব্যথা অনুভূত না হলেও আক্কেল দাঁত বা থার্ড মোলার টুথ ওঠার ক্ষেত্রে অনেকের ব্যথার অনুভূতি হয়। প্রতিটি দাঁত উঠতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন হয়। অনেকের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার সময় জায়গায় অভাব হয় যেমন-চোয়াল ছোট বা অতিরিক্ত দাঁতের উপস্থিতি বা সঠিক স্থানে দাঁত না ওঠা ইত্যাদি কারণে প্রয়োজনীয় স্থান সংকুলান না হলে দাঁত ওঠার সময় তার চারপাশে যে চাপ প্রয়োগ করে তাতে ব্যথা অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যথা স্বাভাবিক মাত্রার ভেতর থাকে তবে ক্ষেত্রবিশেষে ইনফেকশন বা প্রদাহজনিত পরিস্থিতিতে আরও গুরুতর করে তোলে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। দাঁত কখন তোলা হয়: যে কোনো দাঁত তোলার ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। কেননা সময়ের আগে দাঁত পড়ে যাওয়া বা দাঁত তুলে ফেলার ফলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়া, সঠিক স্থানে দাঁত না ওঠা অথবা প্রয়োজনীয় স্থান সংকুচিত হয়ে দাঁত উঠতে বাধাগ্রস্থ হওয়া ইত্যাদি। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, পর্যাপ্ত বয়স, ইনফেকশন বা প্রদাহের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্নের পর দাঁত তোলা যেতে পারে। আক্কেল দাঁত কখন তোলা হয় : আক্কেল দাঁত বা যেকোন দাঁত উঠতে সমস্যা হওয়া, ইনফেকশন বা প্রদাহের উপস্থিতি, প্রয়োজনীয় স্থানের অভাব বা কোন টিউমার বা সিস্টের উপস্থিতি থাকলে সাধারণত দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হয়। দাঁত তোলার দুটি পদ্ধতি আছে। সার্জিকাল এবং নন সার্জিকাল। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চলার দ্বারা চিকিৎসা পরবর্তী যেকোনো জটিলতা সহজেই এড়ানো যায়। কখন আক্কেল দাঁত সার্জারির প্রয়োজন হয় : যেকোনো দাঁত তোলার ক্ষেত্রেই সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। দাঁতের গঠন কাঠামো অস্বাভাবিক হলে, স্বাভাবিক পন্থায় (নন সার্জিকাল) দাঁত তোলা না গেলে অথবা দাঁত যদি অর্ধেক বা পুরোপুরি মাড়ি বা চোয়ালের হাড়ের ভেতর অবস্থান করে তখন দাঁত তুলতে সার্জারির প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে বিজ্ঞ চিকিৎসকের পাশাপাশি রোগীকেও সার্জারির পূর্বে ও পরে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা আন্তরিকতার সঙ্গে মেনে চলা জরুরি। দাঁত তোলার পরবর্তী করণীয় : সাধারণত দাঁত তোলার পর ২৪ ঘণ্টা নরম খাবার খাওয়া, গরম খাবার এড়িয়ে চলা, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা লবন পানি দিয়ে কুলকুচি করা বা মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের দ্বারা অধিকাংশ জটিলতা কেটে যায়। তবে সার্জিকাল এক্সট্রাকশনের ক্ষেত্রে সাময়িক সময়ের জন্য মুখ পরিপূর্ণ হা করতে বা জোরে হাসতে নিষেধ করা হয়। কারণ তাতে করে সেলাই ছুটে যাওয়া বা পুনরায় রক্তপাত হবার আশঙ্কা থাকে। তবে জটিলতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যেমন ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। লেখক: ডা. মেহেদী হাসান শিবলী, ওরাল এন্ড ডেন্টাল সার্জন, বিডিএস, বিসিএস
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘দ্য মাস্ক’-এর অভিনেতা পিটার গ্রিন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার ১২ ডিসেম্বরনিউ ইয়র্ক সিটির নিজ ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পিটার গ্রিনের ম্যানেজার ও দীর্ঘদিনের বন্ধু গ্রেগ এডওয়ার্ডস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, নিউ ইয়র্কের লোয়ার ইস্ট সাইডে অবস্থিত অভিনেতার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে টানা ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উচ্চশব্দে গান বাজার আওয়াজ আসছিল। এরপর পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে অভিনেতার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। দ্যা মাস্ক সিনেমায় মূলত ডোরিয়ান টাইরেলের খলচরিত্রে ছিলেন পিটার। পর্দায় তার তীক্ষ্ণ চাহনি, গম্ভীর কণ্ঠস্বর এবং ভয়ংকর খল চরিত্রের অভিনয় দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এছাড়াও ‘পাল্প ফিকশন’-এর জেড চরিত্রের জন্য তিনি কাল্ট ক্লাসিক ভক্তদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে পর্দায় ভয়ংকর সব চরিত্রে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবনে পিটার ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বভাবের মানুষ। তার ম্যানেজার গ্রেগ এডওয়ার্ডস বলেন, ‘পিটারের চেয়ে ভালো ‘ভিলেন’ আর কেউ হতে পারত না। কিন্তু পর্দার বাইরে তার একটি কোমল দিক ছিল, যা খুব কম মানুষই দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি অত্যন্ত বড় মনের এবং দয়ালু একজন মানুষ ছিলেন। প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে হলিউড সতীর্থ ও তার ভক্তরা স্যোশাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করছেন। ইত্তেফাক/পিএস
শাহরুখ সাক্ষাৎ পেলেন মেসির

শাহরুখ সাক্ষাৎ পেলেন মেসির কলকাতার এক বিশেষ আয়োজনে মুখোমুখি হলেন দুই ভিন্ন জগতের দুই মহাতারকা ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি ও বলিউডের কিং খান শাহরুখ খান। শনিবারের এই সাক্ষাৎ শুধু একটি অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং করমর্দন, আলাপচারিতা ও একসঙ্গে তোলা ছবির মাধ্যমে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটজুড়ে। অনুষ্ঠানে শাহরুখ খানের ছোট ছেলে আব্রাম খানকেও দেখা যায় মেসির পাশে। ফুটবল মহাতারকার সঙ্গে আব্রামের হাসিমুখে ছবি ভক্তদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি করে আলাদা উন্মাদনা।‘গোট ট্যুর অব ইন্ডিয়া ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে ভারতে সফর করছেন লিওনেল মেসি। সেই সফরের অংশ হিসেবে শনিবার কলকাতায় এসে তিনি অংশ নেন এক বিশেষ মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে। সেখানেই প্রথমবারের মতো কিং খানের সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়। অনুষ্ঠানের মঞ্চে দুজনের করমর্দন, সংক্ষিপ্ত কথোপকথন ও বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্ত উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। এ সময় মেসি আলাদাভাবে আব্রামের সঙ্গেও ছবি তোলেন, যা অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান শেষে মেসি শহরের ঐতিহ্যবাহী সল্ট লেক স্টেডিয়ামের উদ্দেশে রওনা দেন। অন্যদিকে শাহরুখ খান সেখান থেকেই মুম্বাই ফিরে যান। তবে কলকাতায় এই স্বল্প সময়ের সাক্ষাৎই রয়ে গেল ভক্তদের মনে দীর্ঘদিনের স্মৃতি হয়ে।