আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের বিনোদনজগতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা সক্রিয় নন তিনি। তবে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ভুয়া পেজ ও আইডি খোলার ঘটনায় চরম বিরক্তি, বিব্রতবোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর দাবি, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দেওয়া, ছবি আপলোড করা এবং তাঁর পরিচিতজনদের পোস্টে মন্তব্য করা হচ্ছে। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, ফেসবুকে তার একটি মাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার নাম ‘সাদিয়া ইসলাম’। ‘সাদিয়া ইসলাম মৌ’ নামে তার কোনো ফেসবুক আইডি বা পেজ নেই। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের খুব সুন্দর করে অনুরোধ করছি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করুন। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি পোস্ট করা, লেখা দেওয়া এসব আইনত অপরাধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভক্তদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনারা প্রতারিত হবেন না। আবারও জানিয়ে দিচ্ছি আমার কোনো ফ্যান পেজ নেই, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও নেই। যারা এসব করছে, সাবধান হোন। নইলে আইনি ব্যবস্থায় যা হওয়ার, তাই হবে।

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া খানিকটা ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের। ব্যক্তিগত ও সমকালীন বিষয় নিয়ে তাকে খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায়। গতকাল স্বামীর প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এরই মধ্যে চলমান রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টটি দেন শবনম ফারিয়া। শুরুতে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার ধৈর্য একটু কমই ছিল আগে। যেহেতু আমি বাসায় সবার ছোট ছিলাম আর একা বড় হয়েছি, যখনই যা চাইতাম পেতাম, বেশিরভাগ সময় তো চাওয়ার আগেই পেতাম। তবে ২০২০ সালে কোভিডের পর থেকে আমার অ্যাবনরমাল লেভেলের ধৈর্য চলে এসেছে। সবকিছুতেই! আমি এখন আর কোনো কিছুতেই অল্পতে ধৈর্য হারাই না। উদাহরণ টেনে শবনম ফারিয়া বলেন, “একটা উদাহরণ দিই, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো কার্পেট পরিষ্কার করার ভিডিও। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্পেট পরিষ্কার করা দেখতে পারি। আমার আরেকটা পছন্দের ভিডিও হলো হারমেস ব্যাগ কেনা-বেচার ভিডিও। একটা বারকিন বা কেলি ব্যাগের দাম আমার বাৎসরিক ইনকামের চেয়েও বেশি। এইরকম ইনকাম থাকলে জীবনে এই জিনিস কেনার কথা না (যদিও আমার জামাই বলেছে, সে একদিন না একদিন বড়লোক হবে আর আমাকে একটা বারকিন কিনে দেবে)। কিন্তু এই ব্যাগের সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনা-বেচা দেখা আমার ডেইলি রুটিনের একটা অংশ। এরপর আরো কয়েকটি উদাহরণ টানেন শবনম ফারিয়া। তার ভাষায়, “আমি এখন জানি, কি কি চামড়া দিয়ে এই ব্যাগ বানানো হয়, কি কি সাইজে পাওয়া যায়, কি কি হার্ডওয়্যার ব্যবহার হয়, আর ‘হিমালায়ান’ নামে একটা বারকিন আছে, যার দাম প্রায় বাংলাদেশের জিডিপির সমান! তারপর আমার আরেকটা সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো, একজন মানুষ একটা পুরোনো বাড়ি কিনে, নিজে নিজে আর প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সেটার রিনোভেশন করে। ভাই, তোর রিনোভেট করার এত টাকা থাকলে তুই এই জঙ্গলে বাড়ি না কিনে একটা ঠিকঠাক স্বাভাবিক বাড়ি কিনতে পারতি! কিন্তু না, ভাঙাচোরা বাড়ি কিনবে, তারপর বছরের পর বছর ধরে সেটাই ঠিক করবে, আর আমি সেই ভিডিও দেখি। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও দেখে বাস্তব জীবনে একা থাকার চেষ্টা করেন শবনম ফারিয়া। এরপর তার জীবনে আসে স্বামী তানজিম। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার সবচেয়ে পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম লিজিকি। ওকে দেখে ইনস্পায়ার্ড হয়ে আমি একা থাকা শুরু করেছিলাম। নিজে নিজে সব কিনতাম, বাসা গুছাতাম, বাজার করতাম, রান্না করতাম। আবার আমার কাউন্সেলরের পরামর্শে সেগুলো ভ্লগ বানানোর ট্রাইও করেছিলাম। ৩/৪টা বানিয়েছিলাম, এরপর আর সম্ভব হয়নি। এভাবে দুই বছরের একটু বেশি সময় একা থেকে বাসার সবাইকে টেনশনে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর আর বেশিদিন লিজিকি হওয়ার চেষ্টা করতে হয়নি, এরই মধ্যে তানজিম মিয়ার আগমন। শবনম ফারিয়াকে বেশ জ্বালাতন করেন তার স্বামী তানজিম। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “তবে এখনো কেনাকাটা আর গুছানোর কাজটা আমাকেই করতে হয়। ট্রলি ঠেলার জন্য উনি থাকেন, ঘরের কাজের সময় আজেবাজে কাজ করে কাজ বাড়ানো কিংবা গুছানো বাসা অগোছালো করার দায়িত্বও উনার। তবে আমি অসুস্থ হলে অবশ্য জ্বালায় না। বরং অনেক হেল্পই করে। কালকেই তো অনেক প্রশংসা করলাম, আর না করি। শবনম ফারিয়ার দীর্ঘ এই বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু চলমান নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ। তার কথায় “যাইহোক করোনাকালে আমার আরেকটা প্রিয় কনটেন্ট ছিল মানুষের খাওয়া দেখা। শুকনা-শুকনা মেয়েরা বিশাল থালায় খাবার খায়, আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত সেই খাওয়ার ভিডিও দেখতাম। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার। জানি, যা বলছে সবই মিথ‍্যা আশ্বাস, তাও মনোযোগ দিয়ে দেখি। দুই ঘণ্টার মধ্যে শবনম ফারিয়ার এ পোস্টে রিঅ্যাক্ট পড়েছে প্রায় ৩ হাজার। মন্তব্য জমা পড়েছে দুই শতাধিক। ফারিয়া নামে একজন লেখেন, আপু আমি সবটা পড়ে একদম ক্লান্ত হয়ে গেছি, তারপর মোরাল অব দ্য স্টোরি পাইছি।” রেজমেন আক্তার লেখেন, “আমিও বাসায় সবার ছোট। বরাবরই ধৈর্য কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে এফবিতে রাজনৈতিক মিথ্যাচারগুলা দেখি, দেখার পর বুঝতে পারতেছি, ধৈর্যের চরম লেবেলে আছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের পছন্দের। তবে সম্প্রতি এই জুটিকে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন রূপে। বিশেষ করে কেয়া পায়েলের উষ্কখুষ্ক চুল আর মলিন পোশাকের ‘পাগলী’ লুকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হলেও এর আসল রহস্য ফাঁস করলেন তার সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। েজোভান জানান, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, বরং একটি নাটকের বিশেষ দৃশ্য ছিল এটি। বাতাসের ভুল’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ের সময়কার এই দৃশ্য নিয়ে জোভান প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পায়েলকে। তার মতে, পায়েল যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে জোভান বলেন, ‘ভিডিওটি পুরো ফেসবুক জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটি একটি নাটকের সিকোয়েন্সের জন্য আসলে ও পাগল সেজেছিল। নাটকের নাম ‘বাতাসের ভুল’, পরিচালনা করেছেন ইশান। খুব শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। অভিনেত্রীর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে জোভান আরও বলেন, ‘ওই নাটকটাতে পায়েল খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার প্লে করেছে। আমি এতটুকু বলতে পারব যে, পায়েলকে আসলে স্যালুট দেওয়া উচিত। কারণ ও একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের চরিত্রে অভিনয় করেছে, যা যেকোনো শিল্পীর জন্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ। চরিত্রটির গভীরতা নিয়ে জোভান জানান, এটি কেবল এক-দুটি দৃশ্য নয়, বরং পুরো একটি জার্নি। রাস্তায় রাস্তায় একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের যে দীর্ঘ লড়াই ও পথচলা, তা পায়েল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। জোভানের প্রত্যাশা, কাজটির নেপথ্য গল্প ও অভিনয়ের মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয় জয় করবে।

রাতে চুল বেঁধে ঘুমানো কি ভালো?

রাতে চুল বেঁধে ঘুমানো কি ভালো? রাতে ঘুমানোর আগে অনেকেই চুল শক্ত করে বেঁধে ঘুমান। তারা মনে করেন চুল বেঁধে ঘুমালে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। কিন্তু রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতে চুল শক্ত করে বাঁধলে গোড়ায় টান পড়ে। এ কারণে চুল বেশি পরিমাণে ঝরে যায়। আবার পুরো খুলে রাখলেও বিপদ। বালিশের সঙ্গে ঘষে ঘষে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে। তাই চুল ভালো রাখতে হালকা পনিটেল বা ঢিলেঢালা বেণী করে ঘুমানো ভালো। এতে ঘষাঘষি কম হয়। জটও কম পড়বে। চাইলে স্যাটিন কাপড়ের হেয়ার ক্যাপ মাথায় পরে ঘুমোতে পারেন। এতে চুল আরও সুরক্ষিত থাকে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলে হালকা হেয়ার সিরাম মাখতে পারেন। ঘরোয়া টোটকা হিসেবে মাখতে পারেন অ্যালোভেরা জেলও। ভেজা চুল নিয়ে কখনোই ঘুমাতে যাবেন না। তাতে চুল ঝরার পরিমাণ বেড়ে যায়। ঘুমানোর আগে স্যাটিনের হেয়ার ক্যাপ, বালিশের কভারও ব্যবহার করতে পারেন।

কুমড়ার বীজ বেশি খেলে শরীরে যা ঘটে

কুমড়ার বীজ বেশি খেলে শরীরে যা ঘটে কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়- ১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে : কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে। ২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে : কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম : কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ : কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। ৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে : অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক আগে থেকে। এতে থাকা সালফার মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। হেয়ার ফলিকল মজবুত করে। এখন শুধু চুলের যত্নেই নয়, রূপচর্চায়ও ব্যবহৃত হচ্ছে এ উপাদান। রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেঁয়াজের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা, তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে। তবে এর জন্য জানতে হবে পেঁয়াজের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং বলিরেখা দূর হবে। পেঁয়াজের রস ও মধু : পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে মেখে মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মাখলে যেমন ত্বকের পোরস পরিষ্কার হবে, তেমনই বাড়বে রক্ত সঞ্চালন। পেঁয়াজের রস ও টক দই : পেঁয়াজের রসের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে মুখে মাখলে আলাদা করে এক্সফোলিয়েট করার প্রয়োজন পড়বে না। ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ সহজেই উঠে যাবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। পেঁয়াজের রস ও লেবুস : দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখে মেখে মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। পেঁয়াজের রস ও অ্যালোভেরা : শুষ্ক খসখসে ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন অ্যালোভেরা। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। পেঁয়াজের রস ও বেসন : তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে বেসন মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে মাখুন। ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে এই মিশ্রণ। ত্বকের টেক্সচারও ভালো করে।

চুলকানি ত্বকের ঘরোয়া সমাধান

চুলকানি ত্বকের ঘরোয়া সমাধান জীবনে একবারও ত্বকে চুলকানি হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা হয়তো। খুব সাধারণ এই ব্যাপারটি অসহ্যকর একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন ত্বকের চুলকানি বেড়ে যায়। অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আশ্রয় নেয় নানান মলম বা ক্রিমের যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়ার আছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। ঘরোয়া এই উপায়গুলোতে খুব সহজেই ত্বকের ক্ষতি ছাড়াই চুলকানির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন আপনি। জেনে নিন চুলকানির ঘরোয়া কিছু প্রতিকার সম্পর্কে। লেবু: লেবুর রসে আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ত্বকের চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। চুলকানির প্রতিকার পাওয়ার জন্য লেবুর রস ব্যবহার করাও খুব সহজ। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। তুলসী পাতা: তুলসী পাতায় আছে ইউজেনল যা একটি অ্যান্সথেটিক উপাদান। এই উপাদানটি চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়ক। এক মগ ফুটন্ত পানিতে ১৫/২০টি তুলসী পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিন। এরপর একটি পরিষ্কার টাওয়েলে পানিটি লাগিয়ে হালকা গরম থাকা অবস্থাতেই চুলকানির স্থানে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ আরাম অনুভূত হবে। পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতারও আছে অ্যান্সথেটিক ও ইনফ্লেমেটরি উপাদান। চুলকানির প্রতিষেধক হিসেবে তাই পুদিনা পাতাও অত্যন্ত উপকারী। এক মগ ফুটন্ত পানিতে এক আউন্স পুদিনা পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস তৈরি করে নিন। এরপর এই পানিটি চুলকানির স্থানে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। অ্যালোভেরা: ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা ব্যবহারের কথা তো সবাই জানেন। চুলকানি প্রতিকারেও অ্যালোভেরার জুড়ি নেই। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি হচ্ছে সেখানে একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। বেকিং সোডা: বেকিং সোডা ত্বকের পিএইচ ভারসাম্যহীনতাকে মোকাবেলা করতে পারে এবং আপনার ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে প্রদাহ বিরোধী হিসাবে কাজ করে।

লিটন-শান্তদের তিন দলের টুর্নামেন্টে জাঁকজমক 

লিটন-শান্তদের তিন দলের টুর্নামেন্টে জাঁকজমক  বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না এবার। মূলত নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে ভারতে খেলতে যেতে রাজি হয়নি বিসিবি। তাদের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে যুক্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বকাপ না থাকায় ওই সময়ে বিসিবি ৩ দলের টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে। আসন্ন টুর্নামেন্টে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ছাড়াও থাকবেন এইচপি এবং ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররা। বিসিবির বিশ্বস্ত সূত্র ঢাকা পোস্ট জানিয়েছে, ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন দলের এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। ৫, ৬ ও ৭ ফ্রেব্রুয়ারি গ্রুপপর্বের পর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৯ ফেব্রুয়ারি। সেখানে অংশগ্রহণ করা ক্রিকেটারদের জন্য থাকছে ভালো পেমেন্টের ব্যবস্থাও। প্রথম দিনে দর্শকদের কথা চিন্তা করে থাকছে বেশ ভালো একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ফাইনালে থাকবে আঁতশ বাজির সঙ্গে ড্রোন শো। ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টকে সফল করার লক্ষ্যে জাঁকজমকের কোনো কমতি রাখতে চাই না বিসিবি। তবে তিন দলের অধিনায়কত্বে কারা থাকছেন সেটি এখনও অজানা। এর আগে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম গত বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘(বিশ্বকাপ না খেলায়) আর্থিক বিষয় তো জড়িয়ে আছে–ই। কিন্তু সবার আগে নিরাপত্তার বিষয়। ইতোমধ্যে আমাদের উপদেষ্টা বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে আলোচনা করেছেন। দেশেই আমরা আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিসিবির মাধ্যমে খবরটা পাবেন। আপনাদের অবহিত করবেন বিসিবি সভাপতি। সরকার আয়োজন করবে না, ক্রিকেট বোর্ডই সব করবে।

অভিনীত সিনেমার অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন

অভিনীত সিনেমার অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন হলিউড অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারা মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ভ্যারাইটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন ক্যাথরিন ও’হারা।তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তার ম্যানেজার। জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন ও’হারা। দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে হলিউডে কাজ করেছেন ও’হারা। তার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল কানাডিয়ান স্কেচ কমেডি সিরিজ ‘সেকেন্ড সিটি টেলিভিশন’ দিয়ে, এমনকি এতে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রথমবার এমি পুরস্কার লাভ করেন।ও’হারা ‘হোম অ্যালোন’, ‘বেস্ট ইন শো’ ও ‘শিটস ক্রিক’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয়ের সুবাধে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন। ‘হোম অ্যালোন’ ছবির প্রথম দুই কিস্তিতে অভিনয় করেছেন ও’হারা, যেখানে তিনি ম্যাকাওলে কুলকিনের চরিত্র কেভিনের মা হিসেবে ছিলেন। একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হলো হোম অ্যালোন-২ একটি অতিথি চরিত্রে তৎকালীন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও দেখা যায়, এর বহু বছর পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হন। অভিনেত্রী ও’হারা ক্রিস্টোফার গেস্টের ছবিতে নিয়মিত কাজ করেছেন, যেমন ‘বেস্ট ইন শো’, ‘ফর ইওর কনসিডারেশন’ ও ‘ওয়েটিং ফর গাফম্যান’। তিনি ‘দ্য নাইটমেয়ার বিফোর ক্রিসমাস’ ও ‘চিকেন লিটল’র মতো জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড ফিচারেও কণ্ঠ দিয়েছেন। সত্তরের দশকে ও’হারা তার ক্যারিয়ারে নতুন জীবন পেয়েছিলেন। তিনি সিবিসি সিরিজ ‘শিটস ক্রিক’-এ ধনী গৃহিণী মোইরা রোজের ভূমিকায় অভিনয় করেন এবং এ জন্য তিনি দ্বিতীয়বার এমি পুরস্কার পান। তার সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিটলজুস বিটলজুস’ এবং অ্যাপল অ্যাকশন ছবি ‘আর্গিল’।

মমতার শোবার ঘরেই আমির আমার পোশাক বদলাত

মমতার শোবার ঘরেই আমির আমার পোশাক বদলাত নব্বই দশকের লাস্যময়ী ও সাহসী অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি। অক্ষয় কুমার, আমির খান, সালমান খান, গোবিন্দ, সঞ্জয় দত্তের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় ঝড় তুলেছেন। গত বছর আলো ঝলমলে দুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে সন্ন্যাসিনী হন এই অভিনেত্রী।অস্কারজয়ী সুরকার এ. আর. রহমানকে নিয়ে ভারতে চর্চা চলছে। কিছুদিন আগে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ শিল্পী বলেন “বলিউডে সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।” এই মন্তব্য তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। এ.আর. রহমানকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নব্বই দশকে চলচ্চিত্র জগতের সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেন মমতা কুলকার্নি। তার শোবার ঘরে আমির খান পোশাক বদলাতেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মমতা কুলকার্নি বলেন, “আমি নিজেকে ভীষণ সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ আমি নব্বই দশকে কাজ করেছি। বিশ্বাস করুন, আমরা কখনো এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবিনি। আমি আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছি, শাহরুখ খানের সঙ্গেও কাজ করেছি; আমরা কখনো একে অপরের ধর্মের দিকে তাকাইনি। সত্যি বলতে এখন আমি আর কী বলব?সেই সময়ের কাজের পরিবেশ সম্পর্কেও জানান মমতা। শুটিং সেটে ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। উদাহরণ টেনে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমির খান আমার বাড়িতে আসত। আমরা যখন ‘বাজি’ সিনেমার শুটিং করছিলাম, তখন সে আমার বাড়িতে এসে বসত। অনেক সময় শুটিং চলাকালীন সে আমার শোবার ঘরে গিয়ে পোশাক বদলাত। কারণ তখন ভ্যানিটি ভ্যান ছিল না। এমন নয় যে, ‘ভ্যান আছে, সেখানে গিয়ে আমরা পোশাক বদলাব’। লোখন্ডওয়ালায় শুটিং থাকলে আমির সরাসরি আমার বাড়িতে চলে আসত এবং আমার শোবার ঘরেই পোশাক বদলাত। নব্বই দশকে কাজের পরিবেশটা একেবারেই আলাদা ছিল। মমতার ভাষায় “আমরা একে অপরের বাড়িতে যেতাম, সেখানেই তৈরি হতাম, তারপর সরাসরি শুটিং সেটে চলে যেতাম। ‘বাজি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়, প্যাক-আপের পরও আমির খান আর আমি সরাসরি আমার বাড়িতে চলে আসতাম, আর সে আমার রান্নাঘরে গিয়ে চা বানাত। আমির-শাহরুখ খানের সঙ্গে বিদেশ সফরের প্রসঙ্গ টেনে মমতা কুলকার্নি বলেন, “আমির খান ও শাহরুখ খানের সঙ্গে যখন ওয়ার্ল্ড ট্যুরে যেতাম, তখন আমরা একে অপরের বাড়িতে গিয়ে বসতাম। কেউ চা বানাত, কেউ রান্না করত। আমরা কখনো এসব নিয়ে ভাবিনি। কিন্তু এখন সত্যিই সবকিছু বদলে গেছে, সব বন্ধ হয়ে গেছে। একজন শিল্পী মানে একজন শিল্পী। দয়া করে এখানে ভেদাভেদ আনবেন না। সংগীত জগতের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা কুলকার্নি। সুরকার এ.আর. রহমান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনি যখন এ.আর. রহমানের কথা জিজ্ঞেস করেন, তখন বলব সবকিছুরই একটা সময় থাকে। সম্ভবত, আপনার ধরণের সংগীত এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। এখন খুব ভালো গায়ক-গায়িকাও কাজ পাচ্ছেন না, তারা বাড়িতে বসে আছেন। ১৯৯২ সালে রাজ কুমার ও নানা পাটেকরের ‘তিরঙ্গা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন মমতা কুলকার্নি। নব্বই দশকে ‘করণ অর্জুন’, ‘ওয়াক্ত হামারা হ্যায়’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘সাবছে বড় খিলাড়ি’-এর মতো হিট সিনেমার নায়িকা তিনি।