নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে

নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে শীতের খাবারের তালিকায় হাঁসের মাংস অনেকেরই বেশ পছন্দের। এই মাংসের সঙ্গে আরেকটি উপকরণ খুব মানানসই, সেটি হলো নারিকেল। নারিকেলের দুধ দিয়ে রান্না করা হাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। তবে নারিকেল কুচি দিয়ে রান্না করা হাঁসও কিন্তু খেতে কম সুস্বাদু নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক নারিকেলি হাঁস রান্না করার রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে হাঁস- ১টি নারিকেল কুচি- ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি- ৩টি রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ জিরা গুঁড়া- পরিমাণমতো হলুদ, মরিচ, লবণ- পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ- ১০/১২টি সরিষা বাটা- অল্প বাদাম বাটা- সামান্য তেল- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন কড়াইতে তেল গরম করে তেলে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে আদা রসুন লবণ সরিষা ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন। তারপর একটু ভাজা ভাজা হলে হলুদ, মরিচ, লবণ, জিরা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার কড়াইতে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে চামড়া ছাড়ানো হাঁসের মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কড়াইতে ঢেলে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে কাঁচা মরিচ এবং নারিকেল কুচি ঢেলে দিয়ে কড়াই ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ১ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ পানিতে মিশিয়ে কড়াইতে ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।
তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না

তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না অন্ধের মতো ডায়েটের ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না। বরং নিজের শরীরের জন্য যা প্রয়োজন, সেদিকেই মনোযোগী হন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। তার খাদ্যাভ্যাস কেমন? সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা খেয়ে থাকেন তিনি জানান সে কথা। অভিনেত্রীর ত্বকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। তার ছিপছিপে ও তন্বী চেহারার প্রতি ঈর্ষান্বিত মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৩৬ বছরের অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া কৃচ্ছ্রসাধনে বিশ্বাসী নন। সাধারণ ও সাদামাটা নিয়ম মেনে চলেন তিনি। অন্ধের মতো ডায়েট করেন না। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নেন অভিনেত্রী। মনোযোগ দেন পরিমিত খাবারে। আর তাই যারা ডায়েটের পথে হাঁটতে ভয় পান, তারাও অভিনেত্রীর দেখানো পথে চলা শুরু করতে পারেন। তামান্না বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজন নারীর শরীর পাল্টে যেতে থাকে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ থাকার অভ্যাসও বদলাতে থাকে। এ মনোভাবই তাকে এতদিন ফিট থাকতে সাহায্য করেছে। দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য এবং গ্লুটেন সহ্য করতে পারে না তামান্নার শরীর। তাই অভিনেত্রীর ডায়েটে জায়গা পায় না দুই ধরনের খাবার। তবে কালেভদ্রে স্বাদকোরকের বায়না মেটাতে দুগ্ধজাত পণ্য খেয়ে ফেলেন তামান্না। সংযম আর ইচ্ছাশক্তির ভারসাম্য বজায় রাখায় বিশ্বাসী তিনি। এবার সারাদিনের খাদ্যতালিকা জানিয়ে দিলেন তামান্না ভাটিয়া। কখন কী খান অভিনেত্রী জেনে নিন? ভোর ভোরে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস পানি পান করেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান। কখনো আমন্ড, কখনো বা আখরোট, আবার কখনো কালো কিশমিশ। সঙ্গে একটি করে ফল। খানিক পর ড্রাই ক্যাপুচিনো খেয়ে মন ফুরফুরে করে নেন অভিনেত্রী। কোনো কোনো দিন কফির বদলে চাও খান তিনি। প্রাতরাশ মুগ ডালের চিলা বা ডিম খেয়ে জলখাবার সারেন তামান্না ভাটিয়া। দিনের প্রাক্কালে প্রোটিনের উৎসে শরীরে জোর মেলে তার। আর দুপুরেও প্রোটিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন। কিনোয়ার সঙ্গে যে কোনো প্রকারের প্রোটিন খান তিনি। যার ফলে দিনভর গায়ে বল মেলে। বিকাল-সন্ধ্যার টিফিন ব্লুবেরি বা কলার মতো ফল খেয়ে বিকাল-সন্ধ্যার খিদে মেটান তামান্না ভাটিয়অ। কখনো-সখনো মিষ্টির আকাঙ্ক্ষা তৈরি হলে খেজুর খেয়ে থাকেন। এর ফলে সব রকম স্বাদের খাবারও খেতে পারেন, আবার নিয়ম থেকে বিচ্যুতিও ঘটে না। নৈশভোজ দুপুরের সঙ্গে বিস্তর ফারাক নেই নৈশভোজে। প্রোটিনে ভরপুর খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসেন তামান্না। কিনোয়া, সবজি আর সালাদ দিয়ে পেট ভরান তিনি। নিয়মিত নাচ ও শরীরচর্চা করেন বলে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর বিষয়ে সচেতন অভিনেত্রী।
রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন

রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি রক ব্যান্ড গ্রেটফুল ডেড–এর সহ–প্রতিষ্ঠাতা ও রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে বব উইয়ার ক্যানসারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে ফুসফুসজনিত জটিলতা বাড়লে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৪৭ সালে জন্ম নেওয়া বব উইয়ার ছিলেন গ্রেটফুল ডেডের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। ১৯৬৫ সালে জেরি গার্সিয়া, ফিল লেশ ও বিল ক্রয়ৎসম্যানের সঙ্গে তিনি ব্যান্ডটি গড়ে তোলেন। ‘Truckin’, ‘Sugar Magnolia’, ‘Jack Straw’সহ ব্যান্ডের বহু জনপ্রিয় গানে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ১৯৬০ ও ৭০–এর দশকে গ্রেটফুল ডেড আমেরিকার কাউন্টার–কালচার আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। ব্যান্ডটির দীর্ঘ ইম্প্রোভাইজেশন, লাইভ পারফরম্যান্স ও অনন্য সংগীতধারা বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৯৫ সালে জেরি গার্সিয়ার মৃত্যুর পরও বব উইয়ার সংগীতচর্চা চালিয়ে যান এবং Dead & Company সহ বিভিন্ন ব্যান্ডের মাধ্যমে মঞ্চে সক্রিয় ছিলেন । দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে তিনি রক, ফোক ও জ্যাম ব্যান্ড সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেন। সংগীত সমালোচকদের মতে, বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে এক যুগের অবসান হলো। বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে তার ভক্ত, সহশিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ভালোবাসার সীমা নাই তাদের

ভালোবাসার সীমা নাই তাদের নেটদুনিয়ায় গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। অন্যদিকে দোতারায় বেশ সরব ফাহিমা আহমেদ শিফা। এই তিন তরুণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী লুৎফর হাসান। তরিকের সংগীতে ‘ভালোবাসার সীমা নাই’ শিরোনামে গানটির ইতিমধ্যে গানচিত্র নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ‘তুমি আমায় চিনো নাই গো, আমি তোমায় চিনি নাই, তোমার আমার মইধ্যে তবু ভালোবাসার সীমা নাই’ এমন কথায় গীতিকবিতা সাজিয়েছেন লুৎফর হাসান নিজেই। গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। দোতারায় ছিলেন শিফা। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত। গানটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানের দৃশ্যায়ন হয়েছে টাঙ্গাইলের যমুনার চর ও হেমনগর জমিদার বাড়িতে। লুৎফর, সোলায়মান ও রাকিব, তিনজনই এক অঞ্চলের সন্তান। ফলে চিত্রায়ণও হয়েছে সেখানকার দৃষ্টিনন্দন নানান লোকেশনে। লুৎফর হাসান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোলায়মান ও রাকিব ভীষণ জনপ্রিয়। ওরা আমারই ছোটভাই। এক মাটির সন্তানেরা এক গানে একত্রিত হব, এটা বেশ আগের পরিকল্পনা। আর শিফা যুক্ত হয়েছে দোতারায়, ভিডিওতে সেও অংশ নিয়েছে। এই গান ও গানচিত্রের সবচেয়ে ইউনিক দিক এর লোকেশন। এর আগে কখনো এই লোকেশনে কাজ হয়নি। শেখ সোলায়মান ও রাকিবের ভাষ্য, লুৎফর ভাই আমাদের এলাকার বড়ভাই। উনার লেখা ও সুরে অনেকেই গান করেছেন। আমাদের ইচ্ছে ছিল, একসাথে কবে আমরা কাজ করব। ধ্রুব গুহ দাদা এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত কাজটা হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন জানিয়েছে, খুব দ্রুত গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে। এছাড়াও দেশি-বিদেশি একাধিক প্লাটফর্মে শ্রোতারা গানের অডিও শুনতে পাবেন।
‘শিরোনামহীন’-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক বিয়ে করলেন

‘শিরোনামহীন’-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক বিয়ে করলেন জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন জনপ্রিয় ব্যান্ড শিরোনামহীন-এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার একটি রিসোর্টে পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনে সম্পন্ন হয় তাঁর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এই বিশেষ আয়োজনে সংগীতাঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় নিজের বিয়েতেই পারফর্ম করেছে ব্যান্ড শিরোনামহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে ব্যান্ডের পারফরম্যান্স চলাকালে ইশতিয়াকের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর নববধূ। দু’জনকেই দেখা যায় আনন্দ ও হাসিতে ভরপুর। রোববার (১১ জানুয়ারি) সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি শেয়ার করে ইশতিয়াক লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। গতকাল আমরা একসঙ্গে নতুন যাত্রা শুরু করেছি। দয়া করে আমাদের প্রার্থনায় রাখবেন। আল্লাহ যেন আমাদের বিয়েকে ভালোবাসা, ধৈর্য ও বোঝাপড়ার আশীর্বাদে ভরে দেন। আমরা যেন বিশ্বাস ও মায়া নিয়ে একসঙ্গে বেড়ে উঠতে পারি।এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ব্যান্ড শিরোনামহীন-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও ইশতিয়াকের বিয়ের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সেখানে লেখা হয়, ‘হ্যালো! আজ আমরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে যাচ্ছি। ঠিকই শুনেছেন আজ আমাদের শেখ ইশতিয়াকের বিয়ে। তাঁর জীবনের এই নতুন ইনিংসের জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি। উল্লেখ্য, একক শিল্পী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেন শেখ ইশতিয়াক। ২০১৭ সালে তিনি ব্যান্ড শিরোনামহীনে যোগ দেন। বর্তমান ভোকালিস্ট হিসেবে অল্প সময়েই শ্রোতাদের মধ্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘এই অবেলায়’ গানটি তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সম্প্রতি প্রকাশিত এর সিক্যুয়েল ‘এই অবেলায় ২’ নিয়েও প্রশংসা পাচ্ছে ব্যান্ডটি।
যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের

যেভাবে সময় কাটছে তাহসানের ব্যক্তিগত জীবনের এক কঠিন সময় পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে আলাদা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করার পর নিজের বর্তমান মানসিক ও শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তাহসান জানান, এই সময়টা তিনি অনেকটাই একা একা কাটাচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমণ করছেন, আর অবসর সময় কাটছে বই পড়েই। তাহসানের ভাষায়, “ঘুরছি আর বই পড়েই সময় চলে যাচ্ছে। এই সময়ে বই-ই আমার সবচেয়ে বড় সঙ্গী।” নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও গোপন রাখেননি এই শিল্পী। তিনি জানান, মানসিক চাপের পাশাপাশি শারীরিকভাবেও বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ বোধ করছেন। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনই প্রকাশ্যে বলতে চান না তিনি। এ কারণে ফোনে কথা বলার বদলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বলেও জানান তাহসান। সবশেষে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই শিল্পী। তাহসানের কথায়, “দোয়া করবেন, যেন আমি এই কঠিন সময়টা দ্রুত পার করতে পারি।”তাহসানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তার ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে সবাই আশা করছেন, দ্রুতই তিনি এই সময় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক জীবনে ও সৃষ্টিশীল কাজে ফিরবেন।
ডিম দিয়ে সুস্বাদু পিঠা তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ডিম দিয়ে সুস্বাদু পিঠা তৈরির রেসিপি জেনে নিন শীত মানেই নানা স্বাদের পিঠা। সেসব পিঠার বেশিরভাগেরই মূল উপকরণ থাকে খেজুর গুড়। তবে আরও অনেক ধরনের পিঠা এসময় তৈরি করে খাওয়া হয়। তার মধ্যে একটি হলো ডিম দিয়ে সহজে তৈরি করা বিস্কুট পিঠা। এছাড়াও অনেকে অনেক নামে ডেকে থাকেন এই পিঠাকে। এটি খেতে বেশ সুস্বাদু। শুকনো পিঠা বলে কয়েকদিন সংরক্ষণ করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক- তৈরি করতে যা লাগবে চালের গুঁড়া- দেড় কাপ ময়দা- আধা কাপ ডিম- ২টি চিনি- ১ কাপ এলাচ ও দারুচিনি- ২টি তেল- পরিমাণমতো লবণ- অল্প। যেভাবে তৈরি করবেন চিনি, এলাচ, দারুচিনি, লবণ ও পরিমানমতো পানি কিছুক্ষণ ফুটিয়ে ঘন করে নিন। এরপর এলাচ দারুচিনি ফেলে চালের গুঁড়া ও ময়দা দিয়ে শক্ত খামির করে নিন। নামিয়ে ডিম ও তেল দিয়ে ভালো মতো ময়ান করে নিন। মোটা রুটির মতো বেলে নিয়ে পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভেজে তুলুন। এই পিঠা কয়েকদিন সংরক্ষণ করেও খেতে পারবেন।
সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার

সংসার ভেঙে যাচ্ছে তাহসান ও রোজার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান এবং মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সংসার ভাঙতে চলেছে। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই এই দম্পতির বিচ্ছেদের খবর সামনে এসেছে। বিষয়টি দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন কে নিশ্চিত করেছেন তাহসান খান নিজেই। এ প্রসঙ্গে তাহসান খান বলেন,“খবরটি সত্য। দীর্ঘদিন ধরেই, অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আমরা আলাদা আছি। সঠিক সময় এলে বিস্তারিত জানানো হবে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইনি। তবে আমাদের বিবাহবার্ষিকী ঘিরে ভুয়া খবর ছড়ানোয় জানাতে হচ্ছে যে আমরা এখন একসঙ্গে নেই। তাহসানের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েনের বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া বা ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। হঠাৎ এই বিয়ের খবর সে সময় ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি করেছিল। রোজা আহমেদ একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে ব্রাইডাল মেকআপের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিজের একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি। বিয়ে পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুজনকে নিয়ে নানা আলোচনা হলেও সম্প্রতি তাদের একসঙ্গে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। এবার তাহসানের বক্তব্যে স্পষ্ট হলো, তারা কয়েক মাস ধরেই আলাদা থাকছেন। সংগীত ও অভিনয় দুই মাধ্যমেই তাহসান খান দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনের এই ভাঙন তার ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে রোজা আহমেদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা

নতুন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম নিয়ে ব্যস্ত ভাবনা ছোটপর্দা ও বড়পর্দা দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতা ও সাহসী চরিত্র নির্বাচনের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও স্পষ্টভাষী ও সচেতন এই অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভাবনা ও মতামত প্রকাশে বরাবরই সরব। বর্তমানে থ্রিলার ঘরানার একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাবনা। সুমন ধরের পরিচালনায় নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটির শুটিং চলছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। এখনো শিরোনাম ঠিক না হওয়া এই প্রকল্পে ভাবনার সঙ্গে অভিনয় করছেন ইরফান সাজ্জাদ, প্রার্থনা ফারদিন দীঘিসহ একঝাঁক পরিচিত অভিনয়শিল্পী। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি গল্পনির্ভর থ্রিলার, যেখানে চরিত্র নির্মাণ ও আবহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ওয়েব ফিল্মটি নির্মাণ করা হলেও কোন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এটি মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। শুটিং শেষ হওয়ার পর নাম ও মুক্তির প্ল্যাটফর্ম জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি বড়পর্দার কাজেও ব্যস্ত রয়েছেন ভাবনা। বর্তমানে তিনি অভিনয় করছেন আসিফ ইসলাম পরিচালিত সিনেমা ‘ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’-এ। এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে এক যাত্রাপালার নায়িকার ভূমিকায়, যা তার জন্য ভিন্নধর্মী একটি চরিত্র। চরিত্রের প্রয়োজনে আলাদা শরীরি ভাষা ও মঞ্চসুলভ উপস্থিতি রপ্ত করতে হয়েছে তাকে।এ চরিত্রের জন্য নিজের শারীরিক গড়নেও পরিবর্তন এনেছেন ভাবনা। সিনেমাটির প্রয়োজনে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়িয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে অভিনেত্রী নিজেও আত্মবিশ্বাসী। তার মতে, চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে ভাঙা ও গড়া এই চ্যালেঞ্জই একজন অভিনেত্রীর কাজকে অর্থবহ করে তোলে। সব মিলিয়ে ওয়েব ফিল্ম ও সিনেমা দুই মাধ্যমেই নতুন ভাবনায় দর্শকের সামনে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আশনা হাবিব ভাবনা।
নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি

নেপালে সঞ্জয় দত্ত – পুরোনো ফর্মে ফেরা আর জীবনের নতুন বিরতি বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবারও আলোচনায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। কখনো অভিনয়, কখনো ব্যক্তিগত জীবন, আবার কখনো অসুস্থতা কিংবা কারাবাস সব মিলিয়ে তার জীবন বরাবরই ঘটনাবহুল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে তার নেপাল সফর। সাতপাঁচ তোয়াক্কা না করেই বন্ধুর সঙ্গে নেপালে পাড়ি জমিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০২৫ সালে নেপাল ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলেও সে সময় দেশটির উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সফর বাতিল করতে হয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। তবে এবার আর কোনো দ্বিধা না রেখে বন্ধুর সঙ্গে নেপালের পথে পা বাড়ান তিনি। সফরে তার সঙ্গী ছিলেন অভিনেতা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাহুল মিত্র। নেপাল সফরের পেছনে যে আধ্যাত্মিক টান রয়েছে, সে কথা অস্বীকার করছেন না ঘনিষ্ঠজনরাও। কারাবাসে থাকার সময় নিয়মিত শিবপুরাণ পাঠ করতেন সঞ্জয় দত্ত এই তথ্য অনেকেরই জানা। বন্ধু রাহুল মিত্রের ভাষায়, “শিবের সঙ্গে সঞ্জয়ের এক গভীর যোগ রয়েছে। মনে হয়েছে যেন বাবার ডাক এসেছে। তাই আর দেরি করেননি। ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক ও শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি সঞ্জয় দত্ত। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। অনেক দিন পর এই ছবিতে তাকে পুরোনো ছন্দে ফিরতে দেখেছেন ভক্তরা। ফলে সিনেমার সাফল্যের পর এই নেপাল সফরকে কেউ কেউ দেখছেন আত্মবিশ্লেষণ ও মানসিক প্রশান্তির খোঁজ হিসেবে। নেপালে গিয়ে সঞ্জয় দত্ত শুধু ধর্মীয় স্থানে দর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি উপভোগ করেছেন স্থানীয় খাবারও। রাহুল মিত্র জানান, ভ্রমণের সময় স্থানীয় খাবার চেখে দেখা তাদের অভ্যাস। এর আগেও অরুণাচল প্রদেশ ও রাজস্থানে গিয়ে ডাল-ভাত, মসুর ডালের বড়া, নুডলস স্যুপ কিংবা মটন কাটিয়ার মতো খাবার উপভোগ করেছেন তারা। নেপাল সফরেও সেই অভ্যাসের ব্যতিক্রম হয়নি। সব মিলিয়ে বলা যায়, অভিনয়ের সাফল্য, আধ্যাত্মিক টান ও জীবনের ব্যস্ততা থেকে খানিক বিরতি এই তিনের সমন্বয়েই সঞ্জয় দত্তের এবারের নেপাল সফর।