যে কারণে বিদেশি শিক্ষার্থী হারাচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

যে কারণে বিদেশি শিক্ষার্থী হারাচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের শরৎকালের মধ্যে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোত নতুন বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ১৭ শতাংশ কমে গেছে। ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের এক প্রতিবেদনের বরাতে বিশ্লেষণধর্মী সংবাদমাধ্যম ইউএসনিউজ তাদের এক নিবন্ধে লিখেছে, মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি কমে গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ১৭ শতাংশ কমেছে। যা আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিদদের সমিতির অনুমান অনুসারে, প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব এবং প্রায় ২৩,০০০ কর্মসংস্থানের সুযোগ হারানোর সমতুল্য। যদিও স্নাতক স্তরের শিক্ষার্থী ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে স্নাতক এবং ডিগ্রিবিহীন প্রোগ্রামগুলোতে ভর্তি যথাক্রমে ১২ এবং ১৭ শতাংশ কমেছে। ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের গবেষণা ও মূল্যায়ন প্রধান মিরকা মার্টেল বলেন, এই প্রতিবেদনটি স্প্রিং সেমিস্টারের শুরুতে প্রায় ৮২৫টি প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতির একটি প্রাথমিক চিত্র মাত্র। সম্পূর্ণ তথ্য ওপেন ডোরস ২০২৬ রিপোর্টে প্রকাশিত হবে। ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের মতে, এই প্রবণতার প্রধান কারণ হলো ভিসা সমস্যা, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের প্রবেশের বিষয়ে মার্কিন সরকারের সিদ্ধান্ত। এই প্রভাবগুলোর একটি উদাহরণ সান দিয়াগো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে দেখা গেছে। সেখানে বিদশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০২৪ সালের স্প্রিং সেশনে ভর্তি হওয়া ৯৫৭ জন থেকে কমে ২০২৫ সালের স্প্রিং সেশনে ৮৮৯-এ দাঁড়িয়েছে। এতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে কিছু মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় দেশীয় শিক্ষার্থী ভর্তি জোরদার করেছে এবং তাদের ওয়েটিং লিস্ট দীর্ঘ করেছে। ৭০ শতাংশেরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের স্প্রিং সেশন পর্যন্ত ভর্তি স্থগিত রাখার অনুমতি দিয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার জন্য আন্তর্জাতিক ক্যাম্পাস বা অনলাইন লার্নিং প্রোগ্রামও ব্যবহার করেছে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কমে যাওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ। এই প্রবণতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল, আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারিত্ব এবং মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বৈশ্বিক অবস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, বেড়েছে তেলের দামও

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলারের সীমা ছুঁইছুঁই করছে। মার্কিন-ভেনিজুয়েলা উত্তেজনার জেরে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে মূল্যবান এই ধাতুর দিকে ঝুঁকছেন। একইসঙ্গে রুপার দামও পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। আজ ২৩ ডিসেম্বর বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৮৬ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে, সেশনের শুরুতে যা রেকর্ড ৪ হাজার ৪৯৭ দশমিক ৫৫ ডলারে পৌঁছেছিল। ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫১৯ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ‘মার্কিন-ভেনিজুয়েলা উত্তেজনা বিনিয়োগকারীদের কাছে অনিশ্চয়তার বিপরীতে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে আবারও নজরে এনেছে। মার্কিন সুদের হার আরও কমতে পারে-এমন প্রত্যাশার মধ্যেই চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দামে এই উত্থান দেখা যাচ্ছে। এদিকে স্পট মার্কেটে রুপার দাম রেকর্ড ৬৯ দশমিক ৯৮ ডলার ছুঁয়েছে। চলতি বছরে রুপার দাম বেড়েছে ১৪১ শতাংশের বেশি। সরবরাহ ঘাটতি, শিল্প খাতে চাহিদা এবং বিনিয়োগ প্রবাহের কারণে রুপার বৃদ্ধির হার স্বর্ণকেও ছাড়িয়ে গেছে। পেপারস্টোনের সিনিয়র কৌশলবিদ মাইকেল ব্রাউন বলেন, উৎসবের মৌসুমে তারল্য কমে যাওয়ায় বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা যেতে পারে। তবে ভলিউম বাড়লে আবারও ঊর্ধ্বগতি শুরু হবে বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, আগামী বছর স্বর্ণের জন্য ৫ হাজার ডলার এবং দীর্ঘমেয়াদে রুপার জন্য ৭৫ ডলার একটি স্বাভাবিক লক্ষ্য হতে পারে। অন্যদিকে স্পট প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ২ হাজার ১৪৫ দশমিক ১০ ডলারে পৌঁছেছে, যা ১৭ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্যালাডিয়ামের দামও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে তিন বছরের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ব্রিটিশ রক ও ব্লুজ গায়ক ক্রিস রি আর নেই

ব্রিটিশ রক ও ব্লুজ গায়ক ক্রিস রি আর নেই ব্রিটিশ রক ও ব্লুজ গায়ক-গীতিকার ক্রিস রি আর নেই। তিন দিন আগে শরীরে অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’ এবং ‘দ্য রোড টু হেল’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান করেছেন। ক্রিস রি’র পরিবার জানায়, ‘অসীম দুঃখের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রিয় ক্রিসের মৃত্যু ঘোষণা করছি। দীর্ঘ নয় মাসের অসুস্থতার পর তিনি আজ হাসপাতালে শান্তিপূর্ণভাবে প্রয়াত হয়েছেন। এসময় তার পরিবার পরিজনেরা ঘিরে ছিল। রিয়া ৩৩ বছর বয়সে অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পরে তার অগ্ন্যাশয় অপসারণ করান। অসুখের বিরুদ্ধে লড়ে তিনি মোট নয়টি অস্ত্রোপচারের সম্মুখীন হন। ২০১৬ সালে স্ট্রোক হওয়ার এক বছর পর তিনি ‘দ্য রোড সঙ্গস ফর লাভার্স’ লাইভ ট্যুর চালিয়ে গেছেন। ২০১৭ সালে অক্সফোর্ডের নিউ থিয়েটারে এক কনসার্টের সময় তিনি স্টেজে অচেতন হয়ে পড়েন। মিডলসব্রোতে জন্ম নেওয়া এই সংগীতশিল্পী ১৯৭৮ সালে তার বিখ্যাত ক্রিসমাস গান রচনা করেন। সেটি দশ বছর পর প্রকাশিত হয়। ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর উৎসবের সময় চার্টে দেখা যায় গানটি। চলতি বছরে গানটি ক্রিসমাস চার্টে ১৩তম স্থানে রয়েছে। এমঅ্যান্ডএস ফুডের ক্রিসমাস বিজ্ঞাপনেও কমেডিয়ান ডন ফ্রেঞ্চের সঙ্গে দেখানো হয়েছে গানটির ভিডিও। ক্রিস রি ২৫টির বেশি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ‘দ্য রোড টু হেল’ (১৯৮৯) এবং ‘অবের্জ’ (১৯৯১) অ্যালবাম যুক্তরাজ্যের অ্যালবাম চার্টে প্রথম স্থান অর্জন করে। তিনি স্ত্রী জোয়ান এবং দুই কন্যা জোসেফিন ও জুলিয়াসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার প্রযোজক মারা গেছেন

কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার প্রযোজক মারা গেছেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার সুবাদে ঢাকাই চলচ্চিত্র পেয়েছে দুই তারকা অভিনয়শিল্পী সালমান শাহ ও মৌসুমীকে। আনন্দমেলা সিনেমা লিমিটেডের ব্যানারে তৈরি এই সিনেমার অন্যতম প্রযোজক সুকুমার রঞ্জন ঘোষ মারা গেছেন। গত সোমবার ২২ ডিসেম্বর ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। চলচ্চিত্র পরিচালক গাজী মাহবুব গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে পারকিনসন রোগে ভুগছিলেন সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। ধানমন্ডির বাসায় অবস্থানকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্যও ছিলেন সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চলচ্চিত্রশিল্পে তার অবদান ছিল অনন্য ও স্মরণীয়। চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি মনে করছে, তার মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে সংগঠনটি।‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছাড়াও সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে‘স্বজন’, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘লড়াই’, ‘অমর সঙ্গী’, ‘বিয়ের ফুল’সহ বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা। সুকুমার রঞ্জন ঘোষ স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মেহজাবীন-আদনান মালদ্বীপে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন

মেহজাবীন-আদনান মালদ্বীপে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন দীর্ঘ ১৩ বছরের লুকোচুরি আর প্রেমের গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাতা আদনান আল রাজীবের গলায় মালা পরিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের পর থেকেই এই তারকা দম্পতিকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। বর্তমানে তারা যে সুখের জোয়ারে ভাসছেন, তার নতুন প্রমাণ মিলল সুদূর মালদ্বীপে। ব্যস্ত শিডিউল থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে এই জুটি এখন অবস্থান করছেন প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি মালদ্বীপে। সেখানে কাটানো একান্ত মুহূর্তের কিছু মনোমুগ্ধকর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন মেহজাবীন। ছবিগুলোতে দেখা যায়, সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশে দাঁড়িয়ে একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করছেন তারা। কোনো ছবিতে নীল দিগন্তের দিকে তাকিয়ে আছেন, আবার কোনোটিতে মিষ্টি হাসি ভক্তদের হৃদয়ে দোলা দিচ্ছে। তবে কেবল সমুদ্রবিলাসই নয়, মেহজাবীন-আদনান মেতেছেন সাইকেলিংয়েও। চোখে রোদ চশমা আর ক্যাজুয়াল পোশাকে সাইকেলে চড়ে রিসোর্টের চারপাশ ঘুরে দেখার মুহূর্তগুলোও ক্যামেরাবন্দী করেছেন তারা। মেহজাবীনের শেয়ার করা সেই অ্যালবামটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পরপরই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।
নিয়মিত খেতে হবে যে কারণে এই ৩ সুপারফুড

নিয়মিত খেতে হবে যে কারণে এই ৩ সুপারফুড ডায়াবেটিস, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং হৃদরোগের স্বাস্থ্য পরস্পর সম্পর্কিত। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, স্থূলতা ডায়াবেটিসের কারণ হতে পারে, অন্যদিকে স্থূলতা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এসব সমস্যা বেশ জটিল এবং বিভিন্ন কারণের দ্বারাও প্রভাবিত হয়। তবে খাদ্যাভ্যাস এসব সমস্যার ঝুঁকি কমাতে এবং এর প্রভাব নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের খাবার গ্রহণ করা উচিত। জেনে নিন এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে- *পালং শাক : আপনি কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় না ভুগলেও সবুজ শাক-সবজি আপনার খাদ্যতালিকায় থাকা উচিত। তার মধ্যে একটি হলো পালং শাক। এটি বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উপকারী উদ্ভিদ যৌগে ভরপুর যা শরীরের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। পালং শাকের উচ্চ ফাইবার এবং পানি থাকা এটি ওজন কমানোর খাবারের পাশাপাশি ডায়াবেটিসের খাবার হিসেবেও দুর্দান্ত। পালং শাকে নাইট্রেটও রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে বলে জানা যায়। আপনি পালং শাক স্যুপ, সালাদ এবং স্ন্যাকস তৈরিতে এবং সবজি ও ডালেও ব্যবহার করতে পারেন। *বাদাম : বাদামে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকেও ভালো রাখতে কাজ করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় বাদাম ক্ষুধা কমাতে এবং তৃপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এতে ফাইবারও বেশি থাকে, যা ওজন এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য উপকারী। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে কয়েকটি বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন। আপনি এটি আপনার স্ন্যাকস, স্যুপ এবং পানীয়তেও যোগ করতে পারেন যাতে এর স্বাদ এবং গঠন বিভিন্ন উপায়ে উপভোগ করতে পারেন। *সবুজ মুগ ডাল : সবুজ মুগ ডাল খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের কারণে সৃষ্ট ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে বলে জানা যায়। উভয়ই হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই মুগের গ্লাইসেমিক সূচক কম এবং এতে ফাইবারের পাশাপাশি প্রোটিনও বেশি। মুগ ডাল দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার বৃদ্ধি এড়াতে কাজ করে। তাই যারা ওজন কমাতে বা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাদের অবশ্যই আরও বেশি করে সবুজ মুগ খাওয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত।
টম ক্রুজের নতুন সিনেমা ‘ডিগার’

টম ক্রুজের নতুন সিনেমা ‘ডিগার’ হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজ ‘মিশন: ইম্পসিবল’ সিরিজে ইথান হান্ট হিসেবে দীর্ঘ যাত্রা শেষ করেছেন চলতি বছরের মে মাসে। এরপর তিনি শুরু করেছেন নতুন অধ্যায়– মেক্সিকান নির্মাতা আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতুর সিনেমা ‘ডিগার’-এ। এখানে টম ক্রুজকে দেখা যেতে পারে কমেডি চরিত্রে। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির শিরোনাম, পোস্টার ও টিজার। ওয়ার্নার ব্রস ও লিজেন্ডারি প্রযোজিত ডিগার মুক্তি পাবে ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর। গল্পের বিস্তারিত এখনও গোপন। তবে ওয়ার্নার ব্রর্সের দেওয়া সংক্ষিপ্ত বিবরণে বলা হয়েছে, ডিগার রকওয়েল হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষ, যিনি নিজের ছড়িয়ে দেওয়া এক ভয়াবহ বিপর্যয় সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার আগেই নিজেকে মানবজাতির ‘ত্রাতা’ প্রমাণ করতে মরিয়া অভিযানে নামেন। এদিকে ছয় মাস ধরে যুক্তরাজ্যে শুটিং হওয়া ‘ডিগার’ দিয়ে আবারও ইংরেজি ভাষার ছবিতে ফিরছেন অস্কারজয়ী পরিচালক আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু। ‘দ্য রেভেন্যান্ট’-এর পর এটিই তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। ছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করছেন ইনারিতু নিজেই, সহ-প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন টম ক্রুজ। যুক্তরাজ্যে ছয় মাস ধরে শুটিং হয়েছে। টম ক্রুজের সঙ্গে এ সিনেমায় আরও থাকছেন সান্ড্রা হুলার, জন গুডম্যান, মাইকেল স্টুলবার্গ, জেসি প্লেমন্স, সোফি ওয়াইল্ড, রিজ আহমেদ ও এমা ডার্সি প্রমুখ। সূত্র: ভ্যারাইটি
কেন তামান্নাকে বাদ দেন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার পরিচালক আইটেম গান

কেন তামান্নাকে বাদ দেন ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার পরিচালক আইটেম গান আইকনিক ড্যান্স নাম্বারের সমার্থক হয়ে উঠেছেন দক্ষিণী সিনেমার অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। ‘স্ত্রী টু’ সিনেমায় ‘আজ কি রাত’, শাহরুখ খানপুত্র আরিয়ান খানের ‘দ্য বা***ডস অব বলিউড’ ওয়েব সিরিজে ‘ঘফুর’ শিরোনামের গানে তার নাচের হিল্লোল কেউই ভোলেননি। বক্স অফিস কাঁপানো ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার ‘শরারাত’ গানেও তামান্নাকে নেওয়ার কথা ছিল; সর্বশেষ তা হয়নি। ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার কোরিওগ্রাফি করেছেন বিজয় গাঙ্গুলি। ‘শরারাত’ আইটেম গানে তামান্না ভাটিয়াকে নেওয়ার প্রস্তাব দেন বিজয়। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করেন পরিচালক আদিত্য ধর। পরে গানটিতে নেওয়া হয় অভিনেত্রী আয়েশা খান ও ক্রিস্টল ডি’সুজাকে। পরিচালক কেন তামান্নাকে বাদ দিলেন তা নিয়ে কথা বলেছেন বিজয় গাঙ্গুলি। ফিল্মি জ্ঞানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “দুজন মেয়েকে (অভিনেত্রী) চূড়ান্ত করার জন্য অডিশন নেওয়ার ফলে অনেক অপশন তৈরি হয়েছিল। এরপর জানতে চাওয়া হয়, তামান্না ভাটিয়ার নাম ভেবেছিলেন কি না? জবাবে বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “আমার মাথায় তিনি (তামান্না) ছিলেন। আমি তার নাম প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু আদিত্য স্যার এ বিষয়ে খুব পরিষ্কার সিদ্ধান্তে ছিলেন। তিনি গানটি এমনভাবে তৈরি করতে চাননি যাকে মানুষ ‘আইটেম সং’ বলেন; যা গল্প থেকে আলাদা হয়ে যায়। ‘শরারাত’ গানে একদল নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করেন। এ বিষয়ে বিজয় বলেন, “গানে যদি শুধু একজন মেয়ে থাকতেন, তাহলে পুরো মনোযোগ গল্প থেকে সরে যেত। এ কারণে এখানে একজন নয়, দু’জন মেয়ে আছেন। সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু কোনো একজন মানুষকে নিয়ে হোক, তা আদিত্য স্যার চাননি। তামান্না যদি থাকতেন, তাহলে আলোচনা তাকে নিয়েই হতো, গল্প নিয়ে নয়। খানিকটা ব্যাখ্যা করে বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “রণবীর সিং ও সারা অর্জুনের বিয়ের রিসেপশনের দৃশ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেখানে নাচের বাইরেও অনেক কিছু ঘটছিল। আদিত্য গল্প থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে যেতে চাননি। তাই ‘শরারাত’ গানটিকে ‘জাস্ট আ কাট-টু সং’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘শরারাত’ গানটি মুক্তির পর দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। ১১ দিনে ইউটিউবে গানটির ভিউ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ কোটি। আর ‘ধুরন্ধর’ সিনেমা বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। তামান্না অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ওডেলা টু’। গত ১৭ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। তেলেগু ভাষার সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। বর্তমানে হিন্দি ভাষার চারটি সিনেমার কাজ তামান্নার হাতে রয়েছে। এগুলো হলো ‘রোমিও’, ‘রেঞ্জার’, ‘ভিভ্যান’। তাছাড়া নাম ঠিক না হওয়া আরেকটি সিনেমার কাজ এই অভিনেত্রীর হাতে রয়েছে।
২০২৬ সালে নতুন রূপে আসছেন জন্মশতবর্ষ মহানায়ক উত্তমকুমার

২০২৬ সালে নতুন রূপে আসছেন জন্মশতবর্ষ মহানায়ক উত্তমকুমার প্রেক্ষাগৃহ থাকবে, আর সেখানেই ফিরবেন তিনি- বাংলা সিনেমার মহানায়ক উত্তমকুমার। তবে একা নন, তার সঙ্গে থাকবেন সমসাময়িক ও পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরাও। ২০২৬ সালে উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে কলকাতা বইমেলাজুড়ে বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী বছরের কলকাতা বইমেলাকে ‘উত্তমময়’ করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে কলকাতারা ‘পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড’। খবর অনুযায়ী, কিংবদন্তিতুল্য নায়ক স্মরণে বইমেলায় বিশেষ এক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এই প্রদর্শনীর দায়িত্বে থাকছেন ‘আর্ট অলিন্দ আর্কাইভ’র জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এবং ‘কলকাতা কথকতা’র চন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, প্রেক্ষাগৃহের আদলে প্রদর্শনীস্থল সাজানোর ভাবনা রয়েছে। সেখানে প্রদর্শিত হবে উত্তমকুমারের লেখা চিঠি, চিত্রনাট্য, সিনেমার স্মরণীয় মুহূর্ত, স্থিরচিত্র, পোস্টার, কাটআউট, সিনেমার টিকিট এবং অভিনেতার ব্যবহৃত পোশাকসহ বিভিন্ন স্মারক। শুধু দৃশ্য নয়, থাকবে শব্দের আবহও। কখনো ভেসে আসবে সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘হীরক রাজা দেশে়’র গান ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’, কখনো আবার শোনা যাবে টিকিট কাটার কোলাহল-ঠিক পুরনো দিনের প্রেক্ষাগৃহের মতো পরিবেশ। আগামী বছরের কলকাতা বইমেলা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। জ্যোতির্ময়ের কথায়, বিষয়টি এখনো পরিকল্পনার স্তরেই থাকলেও উত্তমকুমারকে একা নয়, তার আগের প্রজন্মের ছবি বিশ্বাস, পাহাড়ি সান্যালের মতো শিল্পীদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মকেও তুলে ধরা হবে। নতুন প্রজন্মকে বাংলা সিনেমার ধারাবাহিক ইতিহাস বোঝাতেই এ প্রয়াস। সেই সূত্রে পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের সময়কেও প্রদর্শনীতে অন্তর্ভুক্ত করার ভাবনা রয়েছে। ‘সপ্তপদী’ সিনেমাতে বাইকে চেপে উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেনের গান ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’- এই আইকনিক দৃশ্যের আদলে একটি বাইকও প্রদর্শনী প্রাঙ্গণে রাখা হবে। পাশাপাশি, ‘আর্ট অলিন্দ আর্কাইভ’-এর উদ্যোগে প্রকাশ পাবে ‘দ্য গোল্ডেন মোমেন্টস’ নামের একটি বই, যেখানে উত্তমকুমারের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে। উত্তম-পুত্র গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী মহুয়া চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মহানায়কের ব্যবহৃত কিছু স্মারক প্রদর্শনীর জন্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কোন কোন জিনিস দেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। তার সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন উপাদানও বইমেলায় থাকবে। পাশাপাশি থাকছে আলোচনাচক্র। গত বছরের মতো এ বছরেও তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানান, পুরো আয়োজনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে-একটি বিশেষ প্রদর্শনী এবং অন্যটি উত্তমকুমারকে ঘিরে আলোচনা ও স্মৃতিচারণা। বাজবে তার গান। এই বিশেষ অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘অতি উত্তম’। আয়োজনের দায়িত্বে থাকছেন মালবিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্ভাব্য অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তী, অপর্ণা সেনের মতো বিশিষ্টরা।
চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর

চমক ওয়েস্টার্ন লুকে অপুর ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। তবে কেবল রূপালি পর্দায় নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই অভিনেত্রী। নিয়মিত বিরতিতে নতুন নতুন লুকে হাজির হয়ে তাক লাগিয়ে দেন ভক্ত-অনুরাগীদের। সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন-ফিউশন ফরমাল আউটফিটে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। তার শেয়ার করা একগুচ্ছ ছবিতে দেখা যায়, পরনে শুভ্র সাদা রঙের একটি স্টাইলিশ কোট। কানের দুল আর গলার নেকলেসে ফুটে উঠেছে আধুনিক ও আভিজাত্যের ছাপ। ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, ‘তুমি যেমনটা পেতে চাও, নিজেকে ঠিক তেমনভাবেই গড়ে তোলো।’ এদিকে অপুকে গ্ল্যামারাস লুকে দেখে আপ্লুত নেটিজেনরা। মুহূর্তেই ছবির কমেন্ট বক্স ভরে ওঠে প্রশংসায়। অপুর রূপের লাবণ্য আর চোখের মোহময় চাহনি নজর কেড়েছেন। একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘অসাধারণ ছবিগুলো, কারো নজর যেন না লাগে মাশাআল্লাহ আপু।’ আরেক ভক্ত নিজের আবেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমার হৃদয়ের আয়নাতে শুধু তোমাকেই দেখি। প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস।