প্রিন্স মাহমুদ পঁচিশে নতুন করে দেখা দিয়েছেন

প্রিন্স মাহমুদ পঁচিশে নতুন করে দেখা দিয়েছেন ১৯৯৫ সাল থেকে এখনও নিজ মহিমায় উজ্জ্বল প্রিন্স মাহমুদ। যদিও গানের ভুবনে তাঁর পদযাত্রা শুরু হয়েছিল আরও কয়েক বছর আগে। তবে ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত মিশ্র ‘শক্তি’ অ্যালবামের মাধ্যমে সূচনা আজকের প্রিন্স মাহমুদ হয়ে ওঠা। সংগীতের মানের কাছে আপস না করার কারণে তাঁর প্রতিটি সৃষ্টি হয়ে উঠেছে অনবদ্য; যা তাঁকে নিয়ে এসেছে কিংবদন্তিদের কাতারে। এ কারণে ২০২৫ সালেও নন্দিত এই গীতিকবি ও সুরকারের আয়োজন নিয়ে সংগীতপ্রেমীর কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো। এ বছরের বড় চমক ছিল একই সিনেমার জন্য এই সুরকারের একসঙ্গে চারটি ভিন্ন রকম গান তৈরির বিষয়টি। ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমার গানগুলোয় প্রিন্স নিজেকে উপস্থাপন করেছেন আরও নতুন ভাবে। ‘জংলি’ সিনেমার কাজ করার জন্য প্রিন্স মাহমুদের নাম ঈদজুড়ে ছিল আলোচনায়। এই আলোচনা শুরু হয়েছিল এক বছর আগে যখন ‘জংলি’ টিম ঘোষণা দেয়, ‘জংলি হবে প্রিন্স মাহমুদের সুরে’। ‘জংলি’ রিলিজ হওয়ার আগেই তাহসান ও আতিয়া আনিসার ‘জনম জনম’ গানটি আলোচনায় আসে। সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পায় ইমরান ও কনার দ্বৈত গান ‘বন্ধু গো শোনো’। এ গানটি প্রায় সবাই নব্বই দশকের সিনেমার দ্বৈত গানের আদল খুঁজে পান এবং বলেছেন, ‘অনেকদিন সিনেমায় এমন গান হয়নি’। অন্যদিকে হাবিব ওয়াহিদ প্রথমবারের মতো প্রিন্স মাহমুদের সুরে গেয়েছেন ‘যদি আলো আসত’ গানটি। এই গানও অনেকে পছন্দ করেছেন। এ ছাড়া ‘মায়াপাখি’ শিরোনামে মাহতিম সাকিবও একটা গান করেছেন, যা অনেক শ্রোতাকে আবেগে ভাসিয়ে নিয়েছে। এ কারণে ‘জংলি’র প্রচারে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা-অভিনেত্রী সিয়াম, বুবলী, দীঘিসহ প্রত্যেকে প্রিন্স মাহমুদের প্রশংসায় সরব ছিলেন। যাদের কথায় এটিই স্পষ্ট, তারুণ্যে উদ্দীপ্ত পঁচিশের প্রিন্স মাহমুদ যেন নতুন করে দেখা দিয়েছেন ২০২৫ সালে। যে তারুণ্য কেবলই নতুন ও অভিনব সৃষ্টিতে মেতে ওঠার সাহস ও প্রেরণা জোগায়। এই প্রথম কোনো সিনেমায় একসঙ্গে চারটি গান তৈরি এবং তাঁর সুবাদে অগণিত শ্রোতার ভালোবাসা কুড়িয়েও বাড়তি কোনো উচ্ছ্বাস দেখাননি প্রিন্স মাহমুদ। তিনি আসলে এমনই। শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ তাঁর শিল্পী সত্তাকে খুশি করলেও এ নিয়ে বাড়তি উচ্ছ্বাস, উন্মাদনা প্রকাশ করেন না। এ বিষয়টি স্বাভাবিক মেনে নিলেও সবাই অবাক হয়েছেন যে ঘোষণায় তাহলো– হঠাৎ করে সিনেমার গান তৈরির বিয়ষটিতে দাঁড়ি টেনে দেওয়ায়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এর মধ্যে বেশ কিছু সিনেমার কাজ ফিরিয়ে দিয়েছি; যা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন না। সিনেমায় আসলে আমার নতুন কিছু দেওয়ার নেই। যে যাই বলুন সিনেমার গান নায়ক-পরিচালকের গান হয়, আমার গান হয় না। অকারণ ক্রেডিট নেওয়ার কোনো মনে হয় না। পুরোনো দিনের সুরকারদের জন্য হয়তো ঠিক ছিল কিন্তু এখন নয়। ভুল বুঝবেন না। আসলে সিনেমার কাজ এনজয় করছি না। প্রতিটি গান ঠিকঠাক করতে হবে নিজ তাগিদেই, কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না–এটি এ মুহূর্তে একটি মানসিক চাপ। নিজ খেয়ালে কাজ করা চিরকালের অভ্যাস। আমার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের অনুপস্থিতিও ছিল না। তারপরও। তবে সিনেমার গান করতে গিয়ে সম্মান পেয়েছি। এটি বলতেই হবে। যোগাযোগ একদম বন্ধ রাখার পরও সর্বোচ্চ প্রচার পেয়েছি। অন্য কারও ক্ষেত্রে এমন ঘটেছে কিনা জানা নেই। এটিও চাপ। আপন আলোয় ভাবছি। রিগ্রেট নেই। যা ছেড়ে আসি, ছেড়েই আসি। যাই হোক, অডিওর গানে থাকব; যে গান আমার গান হবে। প্রিন্সের এ কথায় অনেকে হতাশ হবেন, তবু এই আশায় প্রহর গুনে যাবেন যে, একদিন না একদিন আবার তিনি ফিরবেন সিনেমার গানে। যদিও সিনেমায় গান তৈরির বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলেননি প্রিন্স মাহমুদ। তবে নতুন গানের খবর ঠিকই জানিয়ে দিয়েছেন। সেখানেও থাকছে চমক। কারণ এবার তিনি গান তৈরি করছেন একাত্তর, চব্বিশ জুলাই ও বিভিন্ন সময়ের বীর শহীদদের নিয়ে; যার প্রথম গানটি প্রয়াত প্রতিবাদী তরুণ আবরার ফাহাদকে নিয়ে লেখা। একটি পোস্টে প্রিন্স লিখেছেন, ‘আবরার ফাহাদকে নিয়ে একটা গান করেছি। এটি আমার সেরা গানের একটি হতে যাচ্ছে। প্রতিটি লাইন সবার প্রিয় লাইন হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনেক বড় আয়োজনে আসছি। এখানে শেষ নয়, এই সুরকার জানিয়েছেন, আরও সাত শহীদকে নিয়ে আলাদাভাবে গান তৈরি করছেন। তাঁর কথায়, ‘কেউ কিছু করছে দেখে আমি সেটি করে ফেলি–এই ভাবনা কখনও মনের মধ্যে কাজ করে না। সময় চলে যাচ্ছে এখনই করতে হবে, এমনও নয়। কোনো কিছু শুরু করার আগে নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কাজ করি। বেশ কিছু কমার্শিয়াল কাজ ছেড়েছি শুধু আবরার ফাহাদসহ জুলাই শহীদদের নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করব বলে। জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক, শহীদী মিছিলের নেতা আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম, শাইখ আশহাবুল ইয়ামিনসহ ৭ জনকে নিয়ে কাজ করছি আপাতত। তাড়াহুড়ো করছি না। সংবাদের শিরোনাম হতে নয়, নিজের জন্য করেছি। তাড়না থেকে করেছি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত জ্ঞান বা উপলব্ধি থেকে বুঝি, সব গান গান হয়ে ওঠে না। এই গানগুলো গান হবে আশা করছি। ভালোবাসায় রাখবেন। এই কথার মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন ২০২৫ প্রসঙ্গের সমাপ্তি টেনেছেন, তেমনি আভাস দিয়ে রেখেছেন আগামী বছরেও ভিন্ন রকম করে তুলে ধরার।
লাল নাকি সবুজ, কোন আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী?

লাল নাকি সবুজ, কোন আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী? আঙুর একটি সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় ফল, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। বাজারে সাধারণত লাল এবং সবুজ এই দুই রঙের আঙুর সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। উভয়েরই রয়েছে চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা। তবে পুষ্টিগুণের বিচারে কোনটি বেশি কার্যকর, তা নিয়ে অনেকের মনেই কৌতূহল রয়েছে। আসুন জেনে নিই লাল ও সবুজ আঙুরের পুষ্টিগত পার্থক্য এবং কোনটি আপনার জন্য বেশি উপকারী। * পুষ্টির তুলনা : মিল ও অমিল সবুজ এবং লাল উভয় ধরনের আঙুরই জলীয় অংশ, প্রাকৃতিক শর্করা, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘কে;’-র চমৎকার উৎস। ক্যালরি ও ফাইবারের দিক থেকেও এই দুই ফলের মধ্যে খুব একটা তফাত নেই। তবে এদের রঙের পার্থক্যের কারণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণে একটি বড় তফাত লক্ষ্য করা যায়। * লাল আঙুর কেন বেশি এগিয়ে? পুষ্টিবিদ এবং বিভিন্ন গবেষণায় লাল আঙুরকে কিছুটা বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মূল কারণ হলো রেসভেরাট্রল নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা লাল আঙুরের খোসায় প্রচুর থাকে। এর কিছু বিশেষ গুণ নিচে দেওয়া হলো— হৃদরোগ প্রতিরোধ : রেসভেরাট্রল রক্তনালীর ক্ষতি রোধ করে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বার্ধক্য রোধ : এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ক্ষতি রোধ করে বার্ধক্য বিরোধী হিসেবে কাজ করে এবং দীর্ঘায়ু লাভে সহায়তা করে। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য : লাল আঙুরের উপাদানগুলো মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়ায়, যা স্মৃতিশক্তি ও চিন্তা করার ক্ষমতাকে সুরক্ষা দেয়। * সবুজ আঙুরের গুণাবলি : সবুজ আঙুরও যথেষ্ট পুষ্টিকর। এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েডস শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এর বিশেষ কিছু গুণ হলো— হাড়ের সুরক্ষা : এতে প্রচুর ভিটামিন ‘কে’ থাকে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করার পাশাপাশি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। প্রদাহ দূর করা : সবুজ আঙুরে থাকা ‘কোয়ারসেটিন’ শরীরের প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে। সামগ্রিকভাবে বলা যায়, হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা এবং বার্ধক্য প্রতিরোধের ক্ষেত্রে লাল আঙুর (বা কালো আঙুর) সামান্য বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে সবুজ আঙুরও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, যেকোনো রঙের আঙুরই আপনার খাদ্যতালিকার জন্য দারুণ। গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস করা। তাই আপনার পছন্দের আঙুরটি বেছে নিন এবং সুস্থ থাকতে নিয়মিত ফল খান।
‘হোমবাউন্ড’ গল্প চুরির দায়ে আইনি বিপাকে করণের

‘হোমবাউন্ড’ গল্প চুরির দায়ে আইনি বিপাকে করণের অস্কারের শর্টলিস্টে জায়গা করে নিয়ে ভারতীয় সিনেমা হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নাম উজ্জ্বল করেছিল ‘হোমবাউন্ড’। কিন্তু সেই সাফল্যের আনন্দের মাঝেই এবার বড়সড় ধাক্কা খেলেন নির্মাতা ও প্রযোজকরা। জনপ্রিয় বলিউড প্রযোজক করণ জোহরের প্রযোজনা সংস্থা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে উঠেছে সরাসরি গল্প চুরির অভিযোগ। নীরজ ঘাওয়ান পরিচালিত এই ছবিটির বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছেন সাংবাদিক ও লেখিকা পূজা ছাঙ্গোইওয়ালা। তার দাবি, ২০২১ সালে প্রকাশিত তার সাড়াজাগানো উপন্যাস ‘হোমবাউন্ড’ থেকে কোনো অনুমতি ছাড়াই এই সিনেমার প্লট ও চরিত্রগুলো নেওয়া হয়েছে। পূজা ছাঙ্গোইওয়ালা জানান, ২০২০ সালের করোনা মহামারির কঠিন সময়ে ভারতের পরিযায়ী শ্রমিকদের মানবেতর জীবন এবং তাদের সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে তিনি এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন। সিনেমাটি দেখার পর তিনি হতবাক হয়ে লক্ষ্য করেন, তার বইয়ের গল্প, মূল চরিত্র এবং প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ছবির হুবহু মিল রয়েছে। বিশেষ করে সিনেমার দ্বিতীয় অর্ধেকের সঙ্গে উপন্যাসের সাদৃশ্য অবিশ্বাস্য রকমের বেশি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ অক্টোবর ধর্মা প্রোডাকশন ও নেটফ্লিক্স এন্টারটেইনমেন্ট সার্ভিসেস ইন্ডিয়াকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন লেখিকা। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার সৃজনশীল কাজ কোনো অনুমতি ছাড়াই পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে, যা মেধাস্বত্ব আইনের লঙ্ঘন। অন্যদিকে, এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে করণ জোহরের প্রযোজনা সংস্থা এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। আইনি নোটিশ পাওয়ার পর প্রযোজনা সংস্থাটি বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে এবং আইনি পথেই এটি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়েছিলাম প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ায়

স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়েছিলাম প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ায় মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশখ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। পর্দায় তাকে শান্ত ও লাবণ্যময়ী রূপে দেখা গেলেও, বাস্তব জীবনের এক ঘটনায় চমকে গেছেন তার ভক্তরা। সম্প্রতি দেশ টিভির একটি টক-শোতে অংশ নিয়ে নিজের স্কুল জীবনের স্মৃতি শেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারে ঐশী জানান, দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় এক তরুণ তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রস্তাবের উত্তরে যা ঘটেছিল, তা ছিল অভাবনীয়। ঐশী বলেন, ‘প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার প্যাটার্নের থেকে বড় কথা, প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল এমন একজনকে আমি ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়েছিলাম। ঘটনাটি শুনে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক অবাক হয়ে জানতে চান, ঠিক কেন বা কোন পরিস্থিতিতে ঐশী এমন মারমুখী হয়ে উঠেছিলেন। উত্তরে ঐশী হেসে জানান, তখন তিনি অনেক ছোট ছিলেন এবং বিষয়টি বোঝার মতো পরিপক্কতা তার ছিল না। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ঐশী কিছুটা লজ্জিত হয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে সেই তরুণের কাছে ক্ষমাও চান। তিনি বলেন, ‘সরি, আমি তখন ইমম্যাচিউর ছিলাম। আই অ্যাম সরি। আমি এখন তাকে উদ্দেশ্য করেই বলছি। প্রসঙ্গত, স্কুল জীবনের এই মজার এবং কিছুটা তেতো অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সময় ঐশীকে বেশ হাসিখুশি মেজাজেই দেখা যায়। বর্তমানে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ব্যস্ত এই অভিনেত্রী নিজের কাজ নিয়ে নিয়মিত ছোট ও বড় পর্দায় সরব রয়েছেন।
ঢালিউডের আলোচিত ৪ সিনেমা

ঢালিউডের আলোচিত ৪ সিনেমা শেষ হতে চলেছে ২০২৫ সাল। শুরু হয়েছে সারাবছরের পর্যালোচনা। আর সে বাতাস লেগেছে ঢালিউডেও। বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলতি বছর ঢালিউডে মুক্তি পেয়েছে প্রায় ৪৫টির মতো সিনেমা। তবে বছর জুড়ে দর্শক আলোচনায় ছিল মাত্র গুটি কয়েক সিনেমাই। ২০২৫ সালে রোজার ও কোরবানির ঈদ মিলে সর্বমোট ১২টি সিনেমা মুক্তি পায়। দুই ঈদ ছাড়াও সারাবছর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে প্রায় ৪ ডজন সিনেমা। এসব সিনেমার মধ্যে দর্শকমহলে সারা বছর আলোচনায় থাকতে দেখা যায় বরবাদ, অন্তরাত্মা, জিন থ্রি, দাগি, জংলি, তাণ্ডব, নীলচক্র, উৎসবের মতো সিনেমাগুলোকে। তবে দর্শকপ্রিয়তায় শীর্ষে ছিল মাত্র ৩টি সিনেমাই। বছরের শেষে আসুন আরও একবার ফিরে দেখি আলোচিত ও পছন্দের সেই সিনেমা- বরবাদ: ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘বরবাদ’। চলতি বছর তার অভিনীত আরও দুটি সিনেমা হলো ‘তাণ্ডব’ ও ‘অন্তরাত্মা’। এ তিন সিনেমার মধ্যে শাকিব খান অভিনীত সবচেয়ে বেশি আলোচিত সিনেমা ছিল ‘বরবাদ’। এ সিনেমার গান থেকে শুরু করে সংলাপ পর্যন্ত জনপ্রিয় হয় দর্শক মহলে। মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত এ সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন কলকাতার ইধিকা পাল। সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন যিশু সেনগুপ্ত। সিনেমায় শাকিব খানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ‘জিল্লুর’ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান কলকাতার অভিনেতা শ্যাম ভট্টাচার্য। জংলি: নির্মাতা এম রহিমের সিনেমা ‘জংলি’। চলতি বছর রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পায়। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ- সব বয়সী দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায় সিনেমাটি। সিনেমায় শিশুদের শ্লীলতাহানির বিষয়টি সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষামূলক টপিক ছিল, যা প্রশংসা কুড়ায় সিনেপ্রেমীদের। ‘জংলি’তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। সিনেমায় সিয়ামের বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি ও শবনম বুবলী। উৎসব: চলতি বছর কোরবানির ঈদে এক ঝাঁক তারকা নিয়ে মুক্তি পায় ‘উৎসব’ সিনেমাটি। তানিম নূর পরিচালিত এতে আফসানা মিমি, জাহিদ হাসান ছাড়াও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, অপি করিম, চঞ্চল চৌধুরী, সাদিয়া আয়মানের মতো তারকারা। পারিবারিক সিনেমা হওয়ায় দর্শক আলোচনায় ও পছন্দের তালিকায় ছিল সিনেমাটি। তাণ্ডব: এবছরের ঈদুল অজহায় মুক্তি পায় রায়হান রাফীর সপ্তম সিনেমা ‘তাণ্ডব’। ৬ কোটির ক্লাবে শাকিব খানের ‘তাণ্ডব’ শাকিব খানের সঙ্গে এটি তার দ্বিতীয় কাজ। ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খান ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, সিয়াম আহমেদ, আফরান নিশো, আফজাল হোসেন, সাবিলা নূর, রোজী সিদ্দিকী, ডা. এজাজ, এফএস নাঈম, ফজলুর রহমান বাবু, কাজী রাকায়েতসহ আরও অনেকে।
মিষ্টি জান্নাত ভদ্র ব্যবহারের কোনো মূল্য নেই এই সমাজে

মিষ্টি জান্নাত ভদ্র ব্যবহারের কোনো মূল্য নেই এই সমাজে ঢালিউড সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাতের পর্দার উপস্থিতি যতটা না বেশি, তার চেয়ে বেশি সামাজিক মাধ্যমে সমালোচিত। অভিনয়ের চেয়ে ব্যক্তিগতজীবন আর সোজাসাপ্টা মন্তব্যের কারণেই বেশি খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি। এবার অভিনেত্রী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। সামাজিক মাধ্যম পোস্টে মিষ্টি জান্নাত লিখেছেন বর্তমান সমাজে ভদ্র আচরণের কোনো কদর নেই। ভদ্র ব্যবহারের কোনো মূল্য নেই এই সমাজে। তাই আবার আগের ফর্মে ফেরত আসলাম। এর আগে আরেক বার্তায় তার ক্যারিয়ার ও পেশাদারত্ব নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন মিষ্টি জান্নাত। সেখানে অভিনেত্রী বলেছিলেন, সিনেমার ছোট কোনো চরিত্রে কাজ করে অসম্মানিত হওয়ার চেয়ে সম্মান বজায় রেখে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াটাই প্রকৃত সাহসিকতা। কাজ কম করলেও নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিতে নারাজ এ অভিনেত্রী। হঠাৎ কেন মিষ্টির এই মেজাজ বদল, তা নিয়ে অবশ্য তার ভক্ত-অনুসারীদের মনে কৌতূহল দেখা দিলেও নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তার এই মন্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তার পোস্টের কমেন্ট বক্সে সমর্থন জানিয়ে এক নেটিজেন লিখেছেন একদম ঠিক কথা বলেছেন; সঠিক সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ‘লাভ স্টেশন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাতের। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি দন্তচিকিৎসক হিসেবেও কাজ করছেন তিনি। তবে প্রায়শই তার করা বিভিন্ন মন্তব্য বিনোদনপাড়ায় বিতর্কের জন্ম দেয়। তবে এবার ‘ভদ্রতার মূল্য নেই’ বলে তিনি ঠিক কী ইঙ্গিত দিলেন, তা নিয়েই এখন চলছে জল্পনা-কল্পনা।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে গোলাপজলের সঙ্গে কী মেশালে

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে গোলাপজলের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের যত্নে বহু বছর ধরে গোলাপজল ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ত্বক পরিষ্কার করে। একইসঙ্গে ত্বক হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে যদি কিছু বিশেষ জিনিস যোগ করেন, তাহলে কার্যকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এ মিশ্রণ একটানা ৩০ দিন ব্যবহার করলে, ত্বক অনেকটা উজ্জ্বল হবে। মধু : মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায়। এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বকের সংক্রমণ এবং ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও, মধু ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল করে। পাশাপাশি এটি বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে। গোলাপজলের সঙ্গে আধা চা চামচ মধু যোগ করুন। এরপর এটি মুখে লাগিয়ে ৫-৭ মিনিট আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। অ্যালোভেরা জেল : অ্যালোভেরার গুণ অনেক। এটি ত্বকে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায় এবং আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা জেলে প্রদাহ-বিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়া-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ব্রণ এবং ব্রণের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। আধা চা চামচ অ্যালোভেরা জেলের সাথে এক চা চামচ গোলাপ জল ও মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল : ভিটামিন ই ত্বক মেরামত এবং বলিরেখা কমাতে কার্যকর। এটি ত্বককে তরুণ ও সুস্থ রাখে। সঙ্গে কালো দাগ- ছোপ কমায়। এমনকি এটি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকেও রক্ষা করে। একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল নিন। ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে গোলাপজল, অ্যালোভেরা জেল ও মধুর মিশ্রণে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি আলতো করে মুখে-ঘাড়ে লাগান। আঙুলের সাহায্যে ৫-৭ মিনিট বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করুন। এরপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এটি লাগান।
টেনিস ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ জামালী আর নেই

টেনিস ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ জামালী আর নেই বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান জামালী সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। জামালী প্রথম পর্যায়ে ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯০ এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। টেনিসের উন্নয়ন ও সংগঠনের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে জামালীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পাওয়ার জেনারেশন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ডেভিস কাপ দলের খেলোয়াড় ও সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন প্রয়াত শোভন জামালীর পিতা। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন জামালী। মঙ্গলবার উত্তরা জামে মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে আজিমপুর পুরাতন গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি, কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপ-কমিটিসমূহের সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দেশের সমগ্র টেনিস পরিবার মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে।
এখনই শীতে হাত-পা ফাটা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবস্থা নিন

এখনই শীতে হাত-পা ফাটা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবস্থা নিন শীতকাল মানেই এক অন্যরকম অনুভূতি। তবে এর মাঝেই অনেকের জীবনে নেমে আসে অস্বস্তি। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, প্রাণহীন ও খসখসে। বিশেষ করে ঠোঁট, হাত-পা ফাটার সমস্যা বেশি দেখা দেয়। সারাক্ষণ জ্বালা, চুলকানি কিংবা ব্যথায় একেবারেই স্বস্তি থাকে না। কিন্তু এ জন্য মন খারাপ করার কারণ নেই। ত্বকের সঠিক যত্ন নিলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। শীতের সময় হাত-পা ফাটার অন্যতম প্রধান কারণ, ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্কতা। ঠান্ডা বাতাস, কম আর্দ্রতা এবং ত্বকের প্রতি অবহেলা- এ তিনটি বিষয় একসঙ্গে কাজ করে ত্বককে রুক্ষ করে তোলে। অনেক সময় সঠিক পরিচর্যার অভাবে এই রুক্ষতা বাড়তে বাড়তে ত্বক ফেটে যায়। তাই শীতের শুরু থেকেই নিয়মিত ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। গোসলের পর ও হাত-পা ধুয়েই ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বক আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হাত-পা ফাটার সমস্যা এড়ানো যায়। অনেকে মনে করেন, শীতকালে রোদের ক্ষতি কম, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি মোটেও তা নয়। শীতের রোদও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, বিশেষ করে বাইরে দীর্ঘ সময় থাকলে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে অবশ্যই হাত-পা ও খোলা জায়গায় সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করা উচিত। এটি ত্বক রুক্ষ হওয়া থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি বয়সের ছাপ পড়াও কমায়। শীতকালে শরীরের কিছু অংশ তুলনামূলকভাবে বেশি রুক্ষ হয়ে ওঠে। যেমন- হাঁটু, গোঁড়ালি ও কনুই। এ জায়গাগুলোয় নিয়মিত যত্ন না নিলে দ্রুত ফাটল ধরতে পারে। এসব ক্ষেত্রে গ্লিসারিন খুব কার্যকর। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে এ জায়গাগুলোয় গ্লিসারিন লাগালে ত্বক নরম থাকে। যদি রুক্ষতা বেশি হয়, তবে সপ্তাহে একবার লেবু ও মধু মিশিয়ে হালকা মেসেজ করা যেতে পারে। এতে মৃত কোষ দূর হবে এবং ত্বক ফিরে পাবে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। বাইরে থেকে ফিরে কুসুম গরম পানিতে সামান্য সোডা মিশিয়ে কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখাও বেশ উপকারী। এরপর চিনি, লবণ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে পায়ের তলায় আলতো করে মেসেজ করলে মৃত চামড়া উঠে যায়। খুব বেশি ফাটা না থাকলে ঝামা দিয়ে পায়ের তলা ঘষে নেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সম্ভব হলে মাসে অন্তত একবার মেনিকিউর ও পেডিকিউর করালে হাত-পায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। যাদের শীতে পা ফাটার প্রবণতা বেশি, তারা এখন থেকেই নিয়মিত মোজা পরার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে শুষ্কতা অনেকটাই কমবে। শীতকালে শুধু ত্বক নয়, নখও হয়ে ওঠে শুষ্ক ও দুর্বল। ফলে নখ ভেঙে যাওয়া বা ফেটে যেতে পারে। এ থেকে রক্ষা পেতে ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি নখকে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি নখভাঙা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও গরম পানি ও অল্প শ্যাম্পু মিশিয়ে নখ ভিজিয়ে রাখা নখের যত্নে কার্যকর। শীতকালে প্রায় সবারই ঠোঁট ফাটে। এর প্রধান কারণ ঠোঁটের ত্বক খুবই পাতলা এবং এতে তেলগ্রন্থি কম থাকে। ফলে শুষ্কতা দ্রুত দেখা দেয়। এ সময় নিয়মিত লিপবাম, চ্যাপস্টিক বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা জরুরি। লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভিটামিন-ই বা সানস্ক্রিনযুক্ত লিপস্টিক বেছে নেওয়া ভালো। চেষ্টা করুন ঠোঁট যেন সব সময় আর্দ্র থাকে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ঠোঁটে গ্লিসারিন লাগান। ডা. তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী লেখক : চর্ম, যৌন ও অ্যালার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ
বার্সা শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করল

বার্সা শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করল ২০২৫ সালটি রাজকীয় ঢঙেই বিদায় জানাল বার্সেলোনা। রবিবার রাতে ভিয়ারিয়ালের মাঠ ‘এস্তাদিও দে লা সেরামিকা’য় স্বাগতিকদের ২-০ গোলে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান আরও মজবুত করলেন হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। রাফিনহা ও লামিনে ইয়ামালের লক্ষ্যভেদে টানা অষ্টম জয় তুলে নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান চারে বাড়িয়ে নিলেন কাতালানরা।এই জয়ের ফলে ১৮ ম্যাচে ১৫ জয় ও এক ড্রয়ে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চূড়ায় থেকে বছর শেষ করল বার্সা। সমান ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ঠিক পরেই রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে ভিয়ারিয়ালকে চেপে ধরে বার্সেলোনা। দশম মিনিটেই বক্সের ভেতর ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহা ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে দলকে ১-০ তে এগিয়ে দেন ছন্দে থাকা এ ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ভিয়ারিয়াল। ইয়ামালকে বিপজ্জনকভাবে ফাউল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রেনাতো ভেইগা। ফলে ম্যাচের বাকি ৫০ মিনিটেরও বেশি সময় ১০ জন নিয়ে লড়াই করতে হয় স্বাগতিকদের। ম্যাচে বার্সেলোনার রক্ষণভাগ মাঝেমাঝে খেই হারালেও ভাগ্য সহায় ছিল তাদের। ১৭ মিনিটে ডিফেন্ডার জুল কুন্দে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দিলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। আবার ৩৬ মিনিটে আলেহান্দ্রো বালদের একটি মারাত্মক ভুল থেকে গোল হজম করতে পারত বার্সা। তবে গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভ সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করে। দ্বিতীয়ার্ধে একজন বেশি থাকার সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভিয়ারিয়ালকে দিশাহারা করে দেয় বার্সা। ৬৩তম মিনিটে বার্সার জয়ের পথে শেষ পেরেকটি ঠোকেন তরুণ বিস্ময় লামিনে ইয়ামাল। চলতি লিগে এটি এই টিনেজ তারকার সপ্তম গোল। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধান ধরে রেখে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্লিক-বাহিনী। দারুণ এক জয়ের স্মৃতি নিয়ে ছুটিতে যাচ্ছে বার্সেলোনা। আগামী ৩ জানুয়ারি এস্পানিওলের বিপক্ষে উত্তাপ ছড়ানো ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ সালের ফুটবল মিশন শুরু করবে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।