ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

ঢাবির টিএসসিতে দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণে ‘ঢাকা ফিল্ম ক্লাব’-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে উন্মুক্ত এ আয়োজন চলবে আজ ও আগামীকাল। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রদর্শনীর প্রথম দিন আজ দেখানো হচ্ছে কিংবদন্তি নির্মাতা জহির রায়হান পরিচালিত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। ১৯৭০ সালে নির্মিত এ ছবিটি বাংলা চলচ্চিত্রে রাজনৈতিক রূপকের এক অনন্য উদাহরণ। একটি পরিবারের ভেতরের দমন-পীড়নের গল্পের মাধ্যমে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি স্বৈরশাসনের প্রতীকী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ড্রাকুলা চরিত্রের রূপক ব্যবহার করে শাসনব্যবস্থার নির্মমতা এবং জনগণের প্রতিবাদী চেতনা ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা। চলচ্চিত্রটিতে ভাষা আন্দোলনের আবহ আরও শক্তিশালী হয়েছে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত অমর সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ব্যবহারের মাধ্যমে। শুটিং চলাকালে ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক চলচ্চিত্র’ নির্মাণের অভিযোগে জহির রায়হানকে ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে প্রমাণের অভাবে তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল ও আনোয়ার হোসেনসহ প্রখ্যাত শিল্পীরা। এই আয়োজনের দ্বিতীয় দিন শনিবার প্রদর্শিত হবে শহীদুল হক খান পরিচালিত কলমীলতা। ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পারিবারিক গল্পের আবহে একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন কবরী, বুলবুল আহমেদ, সুচরিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, গোলাম মুস্তাফা, রোজী সামাদ ও টেলি সামাদসহ আরও অনেকে।আয়োজকদের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নির্মাণের সংখ্যা এখনও সীমিত। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসনির্ভর গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলো পৌঁছে দেওয়া এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা পুনরুজ্জীবিত করাই এ প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সী দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এ আয়োজনকে ঘিরে তৈরি করেছে এক ভিন্ন আবহ।

বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর

বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে : আসিফ আকবর বাংলাদেশে শিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া একটি পোস্টে করোনাকালীন সংকট ও সংগীতাঙ্গনের নাকাল পরিস্থিতির কথাও বর্ণনা করেন এই শিল্পী। আসিফ আকবর বলেন, পবিত্র রমজান মাস এলেই করোনাকালীন যন্ত্রণা তাড়িয়ে বেড়ায়। এমনিতেই বাংলাদেশের সমস্ত সমস‍্যা প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতি অঙ্গনে, প্রথম চালানেই বন্ধ হয় সংগীতের কার্যক্রম। এই দেশে শিল্পীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক নিরাপত্তা প্রাপ্তির কোনো অপশন নেই, ব‍্যাংক লোন দেয় না, বাড়িওয়ালা দেয় না বাসা ভাড়া। তবু থেমে নেই চর্চা, চলছে পেশা নিয়ে টিকে থাকার যুদ্ধ। সংগীতশিল্পী ও প্রযোজক ধ্রুব গুহকে স্মরণ করে আসিফ আকবর বলেন, “করোনার সময় আমরা রেকর্ডিং করতাম মোবাইল ফোনে। স্টুডিও বন্ধ, টেকনিশিয়ান নাই, সব কাজ হতো বাসায় অবস্থান করেই। নিরাপত্তা আতঙ্কে মিউজিশিয়ানরা কেউ চলে গেছেন শহর ছেড়ে, কেউ প্রবাসে, কেউ বদলে ফেলেছেন পেশা। তবু শুকরিয়া, ধ্রুব গুহ দাদার মতো দু-একজন বোকা প্রোডিউসার ছিলেন আমাদের পাশে। রাজনীতি, মিউজিক-ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা বর্ণনা করে আসিফ আকবর বলেন, “যেভাবে সরকার যায় সরকার আসে, ঠিক সেভাবেই চাটুকারের দল যায়, চাটুকারের দল আসে। একঘেয়ে গালভরা বুলি আর স্বপ্ন পোড়া ছাই—এই টম অ্যান্ড জেরির গল্প যেন শেষ হবার নয়! এখন দেশে মিউজিক বা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলে কিছু নেই, যা আছে সেগুলো কঙ্কালসার অবয়ব। এই অবয়ব দিয়ে ল‍্যাবেও (গবেষণা) কাজ হবে না। বিপদ কেটে গেলে মানুষ অহংকারী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে উদাহরণ দিয়ে আসিফ আকবর বলেন, “করোনা শিক্ষা আর আতঙ্ক নিয়ে এসেছিল, চলেও গেছে। আমরা সব ভুলে যাই বরাবরের মতো, বিপদ কেটে যাওয়ায় আবারও হয়ে গেছি অহংকারী। সংস্কৃতিকর্মীদের নিজেদের স্বার্থপরতায় প্রতি পদে পদে নিহত হয় সম্ভাবনা, আর সাংস্কৃতিক বলয়ে ছড়ি ঘোরায় অভিশপ্ত পদাতিক। তবু। ভালোবাসা অবিরাম।

দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

দেশবাসীকে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলিমকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষায় সমৃদ্ধ রমজান মানবজাতির জন্য শান্তি, কল্যাণ ও নৈতিকতার বার্তা বয়ে আনে। এই মহিমান্বিত মাসে সিয়াম, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সকলের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিসহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের সুযোগ হয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের ব্যক্তি ও জাতির জীবনে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার পরিহার করে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয়। এই মাস ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয় এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের প্রতি সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। তিনি আরও বলেন, আসুন, আমরা পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, তওবা ও সৎকর্মে মনোনিবেশ করি, রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামাজ, দান-সদকা ও সকল নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদের জীবনে মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করুন। আমিন।

ব্যাংককে আজ হাত মেলাননি ভারত-পাকিস্তানের মেয়েরা

ব্যাংককে আজ হাত মেলাননি ভারত-পাকিস্তানের মেয়েরা কলম্বোয় ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তাপ ছড়ালো মেয়েদের এশিয়া কাপ। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আজ ‘রাইজিং স্টারস’ টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ‘এ’ দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারত ‘এ’ দল। তবে মাঠের একপেশে লড়াই ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় সেই পুরনো ‘হাত না মেলানো’র সংস্কৃতি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৫ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। শাওয়াল জুলফিকার (২৩) ও গুল রুখ (২১) ছাড়া কেউ দাঁড়াতে পারেননি। জবাবে দীনেশ ভৃন্দার ২৯ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে মাত্র ১০.১ ওভারেই জয় তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শুরুতে টসের সময় পাকিস্তান অধিনায়ক হাফসা খালিদ ও ভারত অধিনায়ক রাধা যাদব হাত মেলাননি। ম্যাচ শেষেও দুই দলের খেলোয়াড়দের করমর্দন করতে দেখা যায়নি। গত এশিয়া কাপ থেকেই দুই দেশের ক্রিকেটে এই বৈরী রেওয়াজ চলছে। আইসিসির নিয়মে হাত মেলানো বাধ্যতামূলক না হলেও এটি সৌজন্যের প্রতীক। আজ সন্ধ্যায় কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তানের ছেলেরা। ব্যাংককের এই ঘটনার পর কলম্বোতেও সৌজন্যের ব্যত্যয় ঘটবে কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে। দুই দলের অধিনায়করাও সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আসছেন না। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইসলামাবাদ এখনো জানায়নি। এছাড়া ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ঢাকায় আসবেন কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে, ভারত সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন ভারতের লোকসভার স্পিকার শ্রী ওম বিড়লা। তিনি অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার আগামী মঙ্গলবার শপথগ্রহণ করতে যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী দল বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে?

ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের সুযোগ আছে? ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার বহুল আলোচিত মহারণ আজ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ম্যাচের আগে ও পরে ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রায় ১৬ হাজার ভারতীয় সমর্থক, যারা বিশেষভাবে এই ম্যাচ দেখতে শ্রীলঙ্কায় এসেছেন। ম্যাচটি হওয়ার কথা ২৮ হাজার দর্শক ধারণক্ষম প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। এই মাঠে গ্যালারি ভরার পাশাপাশি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ টেলিভিশন ও অনলাইনে ম্যাচটি দেখার অপেক্ষায় আছেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আঘা বলেছেন, এই ম্যাচ সব সময়ই বড় গুরুত্ব বহন করে। তার ভাষায়, বৃষ্টি হলে তাদের কিছু করার নেই। ওভার কমে গেলে সে অনুযায়ী খেলতে প্রস্তুত দল। এই মাঠের উইকেট সাধারণত ধীরগতির এবং স্পিনারদের সহায়তা করে। ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় রান করা সহজ হয় না। ঠিক একারণেই উসমান তারিক পাকিস্তানের জন্য ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে একজন গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তার বোলিং অ্যাকশন ও ভ্যারিয়েশন ব্যাটসম্যানদের জন্য বেশ অস্বস্তিকর। ডানহাতি অফস্পিনার হিসেবে তিনি নিচু আর্ম অ্যাঙ্গেল ও থেমে থেমে বল করার কৌশল ব্যবহার করেন, যা সাধারণ স্পিনারদের থেকে আলাদা। এই অপ্রচলিত স্টাইলের কারণে পাকিস্তান তাকে মিডল ওভারে উইকেট নেওয়ার বড় ভরসা হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, বিশেষ করে এই সময়েই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করে। শুরুর দিকে ধারণা করা হয়েছিল, এটি হবে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। কিন্তু টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত এখানে খেলা তিনটি ম্যাচে রান হয়েছে তুলনামূলক কম। সাধারণত স্কোর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ এর মধ্যে। তবে এবারও কী হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। ভারতের অধিনায়ক সুরিয়াকুমার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচ জয়ের পর জানিয়ে দেন, এই মুহূর্তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখেন না তিনি। তবু দর্শকরা এখনও সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখায় এই ম্যাচে। স্টেডিয়াম সবসময় পূর্ণ থাকে, আর টিভি বা অনলাইন দর্শক সংখ্যা অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার তুলনায় বেশি থাকে। পাকিস্তান কখনোই অস্বীকার করেনি যে ভারতের বিরুদ্ধে জয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গত ১০ বছরে তারা ভারতের বিরুদ্ধে মাত্র তিনটি ম্যাচ জিতেছে। তবে বাকি ১৭টি ম্যাচেই পরাজয় বরণ করেছে পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের দিক থেকে এই ম্যাচের প্রভাব খুব বেশি নয়। উভয় দলই তাদের কম পরিচিত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে রেকর্ড গড়েছে। কোনো দল হারলেও পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রগতি প্রায় নিশ্চিত। এই ম্যাচ, আসলে, টুর্নামেন্টের প্রেক্ষাপট ছাড়াই, তাদের নিজের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের মধ্যে ভারত পাকিস্তানের ওপর স্পষ্টভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। এশিয়া কাপে তিনটি ম্যাচই তারা তিনভাবে জিতেছে, প্রথমে বল, দ্বিতীয়তে ব্যাট, শেষ ম্যাচে মানসিক কৌশল। এতে পাকিস্তানের জন্য জেতার পথ আরও কঠিন হয়ে গেছে। ভারতের টপ অর্ডার টি-২০তে ভীষণ শক্তিশালী, মিডল অর্ডারে রয়েছে ভার, স্পিনারদের ভ্যারাইটি বিশ্বমানের, এবং ফাস্ট বোলিংয়ে আছে জসপ্রিত বুমরাহ। ভারতের দলে হয়তো হার্দিক পান্ডিয়া পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। ই দলের বিপক্ষে তার বোলিং গড়, ইকোনমি রেট এবং স্ট্রাইক রেট তার সাধারণ টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানের চেয়ে ভালো। ব্যাটিংয়ে যদিও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তার গড় খুব বেশি ভালো নয়, তবুও ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ৪৩ বলের ৭৬ রান হারলেও সবাই এখনও মনে রাখে।

৫০০তম গোল হ্যারি কেইনের

৫০০তম গোল হ্যারি কেইনের বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে একের পর এক গোল করেই যাচ্ছেন ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন। শনিবার রাতেও করেছেন জোড়া গোল। ওয়েডার ব্রেমেনের বিপক্ষে এই জোড়া গোলে অনন্য একটি মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে এ নিয়ে ৫০০তম গোল করলেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক। হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ভর করে রেলিগেশন শঙ্কায় থাকা ভের্ডার ব্রেমেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবারের এই জয়ে বুন্দেসলিগার শীর্ষে নিজেদের ছয় পয়েন্টের ব্যবধান অটুট রেখেছে বায়ার্ন। ম্যাচের ২২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। চার মিনিট পরই বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে পোস্টে লেগে বল জালে জড়িয়ে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। জোড়া গোল করার পর চলতি মৌসুমে বুন্দেসলিগায় কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬টিতে, যার মধ্যে ৯টি এসেছে পেনাল্টি থেকে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে লিওন গোরেৎজকা তৃতীয় গোল করে বায়ার্নের বড় জয় নিশ্চিত করেন। প্রথমার্ধ শেষে গোড়ালির সামান্য সমস্যার কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাঠ ছাড়েন বায়ার্নের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। দ্বিতীয়ার্ধে তার জায়গায় নামেন জোনাস উরবিগ। এই জয়ের ফলে দুই সপ্তাহ পরের গুরুত্বপূর্ণ ‘ডার ক্লাসিকার’-এ বায়ার্নকে টপকানো বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ডর্টমুন্ড শুক্রবার মাইনৎসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ লিগ জয় পেয়েছে। আগামী ম্যাচে তারা আরবি লেইপজিগের মাঠে খেলবে, অন্যদিকে বায়ার্ন মুখোমুখি হবে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের। অন্য ম্যাচে, হফেনহাইম ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে। বায়ার লেভারকুসেন সেন্ট পাউলিকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ যোগ্যতা অর্জনের স্থান, অর্থাৎ চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। এছাড়া হামবুর্গ এসভি ইউনিয়ন বার্লিনকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছে এবং আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে।

নেপালকে পাত্তা না দিয়ে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নেপালকে পাত্তা না দিয়ে সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত সেপ্টেম্বরের ঘটনা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শারজাহতে খেলতে গিয়েছিল নেপাল-এর বিপক্ষে। সেখানে স্বাগতিকদের ‘ভরপেট খাইয়ে’ ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয় নেপাল। আইসিসির পূর্ণ সদস্যভুক্ত দলের বিপক্ষে সেটিই ছিল তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য। পাঁচ মাস পর আবার মুখোমুখি দুই দল, এবার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-এর মঞ্চে। দুই দলই সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামে। তবে এবার আর আগের মতো চমক দেখাতে পারেনি নেপাল। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে একেবারেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে তারা। ওয়াংখেড়েতে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারতে হয় নেপালকে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নেপাল ৮ উইকেটে তোলে ১৩৩ রান। জবাবে সহজ লক্ষ্য তাড়া করে নির্দিষ্ট ওভারের অনেক আগেই জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের নায়ক পেসার জেসন হোল্ডার। ইনিংসের শুরুতে দুই উইকেট নেওয়ার পর শেষ ওভারেও আরও দুইটি উইকেট শিকার করেন তিনি। ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে নেপালকে বড় স্কোর গড়তে দেননি এই ডানহাতি পেসার। নেপালের ব্যাটিং ছিল পুরোপুরি ব্যর্থ। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে না পেরে ৩.৬৬ রান রেটে তোলে মাত্র ২২ রান, হারায় ৩ উইকেট। কুশাল ভুর্তেল (১), আসিফ শেখ (১১) ও রোহিত পাউডেল (৫) দ্রুত আউট হয়ে গেলে চাপে পড়ে দল। মিডল অর্ডারে আরিফ শেখ (২) ও লোকেশ বামও (১৩) রান পাননি। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন দীপেন্দ্র সিং আইরি। ৪৭ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৮ রান করেন তিনি। শেষদিকে সম্পাল কামি ১৫ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেললে শেষ পাঁচ ওভারে ৬০ রান যোগ করে নেপাল, যা তাদের সম্মানজনক স্কোর এনে দেয়। হোল্ডার ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আকিল হোসেন, ফোর্ডে, সামার ও রোস্টন একটি করে উইকেট নেন। সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রান রেট বাড়ানোর জন্য আগ্রাসী মনোভাব বেছে নেয়। পাওয়ার প্লে’তে ১ উইকেট হারিয়ে তাদের রান ৪৪। ৪ বাউন্ডারিতে ১৭ রান করে বিদায় নেন ব্রেন্ডন কিং। যাদবের বলে আউট হন তিনি। এরপর তাদেরকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শেই হোপ ও শিমরন হেটমায়ারের অবিচ্ছন্ন ৫৯ বলে ৯১ রানের জুটিতে জয় চলে আসে ১৫.২ ওভারেই। হোপ তুলে নেন ফিফটি। ৪৪ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলতে ৫ চার ও ৩ ছক্কা হাকান। হেটমায়ার ৩২ বলে ৪৬ রান করেন ৪ চার ও ২ ছক্কায়। তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে প্রথম দল হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সি গ্রুপ থেকে নিশ্চিত করেছে সুপার এইট। নেপাল তিন ম্যাচ খেললেও খুলতে পারেনি জয়ের খাতা।

বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও

বোর্ডে আসবেন না ইশরাক, জানালেন সাকিব-মাশরাফিকে নিয়েও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অনেক আগেই সরে গিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তাজা। ঘরোয়া ক্রিকেটে শুধু খেলে যাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জনসম্মুখে নেই সাবেক এই সংসদ সদস্য। জুলাই অভ্যুথানের পর সাকিব আল হাসানের নামে একাধিক মামলা হয়। একই কারণে দেশের বাইরে তিনি। তবে সাকিব-তামিমকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখছেন না সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ব্রাদার্স ইউনিয়নের আহ্বায়ক ইশরাক হোসেন। দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলোকেও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন না তিনি। এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ইশরাক বলেন, ‘‘তারা ক্রিকেটার এবং শুধু কোনো যেন তেন ক্রিকেটার না, তারা আমাদের দেশের অ্যাসেট। আমি ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করছি। জনগণ তাদেরকে ইতোমধ্যেই এক প্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছে, সমাজ দিয়ে দিয়েছে। আর তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার যে মামলা হয়েছে, সেটি আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় নাই, তারা গিয়ে অর্ডার ক্যারি আউট করেছে অথবা নিজেরা হাতে বন্দুক নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নাই। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইশরাক, ‘‘আপনারা তো জানেন বিসিবির কাউন্সিলর কেমন করে হয়, সেখানে জেলা প্রশাসক কাউন্সিলর নিয়োগ দেন। এটা মহাদুর্নীতি, বাণিজ্য এবং পক্ষপাতিত্যমূলক করে নিজেদের সিন্ডিকেটকে বোর্ডে বসানোর চেষ্টা যখন সরকারের উপদেষ্টার পক্ষ থেকে হলো, তখন তো আমরা বসে থাকতে পারি না। বোর্ড নয়, তার চেয়ে বরং ইশরাক করতে চাই ফুল টাইম রাজনীতি, ‘‘আমিও তো একজন কাউন্সিলর। আমি কখনো বোর্ডে আসব না। আমার বোর্ডে আসার সময় নাই। আমি ফুলটাইম রাজনীতি করব। আমি চাই যারা ফুলটাইম ক্রীড়া সংগঠক, তারা আসুক। আমরা তাদের সাহায্য করবো।

ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি

ইরানে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে চান রেজা পাহলভি জার্মানির মিউনিখে ইরানি প্রবাসীদের এক বিশাল সমাবেশে দেশটির সাবেক যুবরাজ ও বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি বলেছেন, তিনি ইরানে একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ‘রূপান্তর’ প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। শনিবার মিউনিখের থেরেজিয়েনভিজে ময়দানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পুলিশ জানায়, সমাবেশে প্রায় দুই লাখ মানুষ অংশ নেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ইরানের বর্তমান শাসকদের অপসারণের দাবি জানান। রেজা পাহলভি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে রূপান্তর নিশ্চিত করতে।’ ‘আমি আপনাদের জন্য এই রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে একদিন আমরা স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ব্যালটের মাধ্যমে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারি’, বলেন তিনি। ইরানের সাবেক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ছেলে রেজা পাহলভি দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান ইসলামি প্রজাতন্ত্র সরকারের কড়া সমালোচক। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতনের পর থেকে তিনি প্রবাসে বসবাস করছেন। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল