৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার

৫ উপকারিতা জেনে নিন মটরশুঁটি খাওয়ার মটরশুঁটি প্রোটিন, ফাইবার এবং পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস। এটি খেতেও সুস্বাদু। শীতের মৌসুমে মটরশুঁটি পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে মটরশুঁটি সবজি নয়। এটি শিম জাতীয়। মটরশুঁটি ছোলা, মসুর ডাল, মটরশুঁটি এবং চিনাবাদামের মতো একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। তবুও, বেশিরভাগ মানুষ মটরশুঁটিকে সবজি হিসেবে গণ্য করে। মটরশুঁটির পুষ্টি মটরশুঁটির পুষ্টিগুণ নির্ভর করে আপনি কীভাবে তা প্রস্তুত করেন তার উপর। উদাহরণস্বরূপ, মাখন বা তেল দিয়ে মটরশুঁটি রান্না করলে চর্বি বৃদ্ধি পায়। সেদ্ধ করার চেয়ে ভাপিয়ে বেশি পুষ্টি সংরক্ষণ করা যায়। এমনকি আপনি কাঁচা মটরশুঁটিও খেতে পারেন। লবণ ছাড়া এক কাপ সেদ্ধ মটরশুঁটিতে ১৩৪ ক্যালোরি থাকে। এতে স্বাস্থ্যকর পুষ্টি উপাদান হলো: ৪১ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন কে ১০১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট ২৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি ২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ৬২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ২.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। মটরশুঁটির স্বাস্থ্য উপকারিতা ১. শরীরকে শক্তিশালী করে : প্রতি কাপ মটরশুঁটিতে ৮ গ্রাম প্রোটিন থাকে। এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের জন্য মটরশুঁটি প্রোটিনের একটি ভালো উৎস হতে পারে। মটরশুঁটির প্রোটিন মাংস-ভিত্তিক প্রোটিন উৎসের তুলনায় হজম করা সহজ। প্রোটিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট যা পেশী, টিস্যু এবং অঙ্গ তৈরি এবং মেরামত করে। চুল, ত্বক, হাড় এবং পেশী গঠন করে। হরমোন এবং এনজাইম নিয়ন্ত্রণ করে। শক্তি সরবরাহ করে। ২. অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে : এক কাপ রান্না করা মটরশুঁটিতে প্রায় ৯ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই ফাইবারের বেশিরভাগই অদ্রবণীয়, যা মল বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ করলে যন্ত্রণাদায়ক কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করা যায়। উদ্ভিদ উৎস থেকে প্রাপ্ত আঁশ প্রাকৃতিকভাবে অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করতে পারে। ৩. স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বৃদ্ধি করে : প্রোটিন এবং ফাইবার ভাঙতে শরীর বেশি সময় নেয়, তাই নিয়মিত মটরশুঁটি খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন অর্জন করতে বা বজায় রাখতে সাহায্য করে। উচ্চ প্রোটিন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। যে কারণে বাড়তি খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে আসে। ৪. প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে : মটরশুঁটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং পলিফেনল দিয়ে ভরা থাকে। এই পুষ্টিগুলো প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুবিধা প্রদান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো হলো শরীরের ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা যা কোষ এবং টিস্যুকে ক্ষতি করতে পারে। ফ্রি র্যাডিকেলের কারণে প্রদাহ হৃদরোগ (হৃদরোগ), ক্যান্সার এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত অবস্থার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. চোখ এবং ত্বককে রক্ষা করে : মটরশুঁটিতে লুটেইন এবং জিএক্সানথিনও বেশি থাকে। এই ক্যারোটিনয়েডগুলো মটরশুঁটিকে উজ্জ্বল সবুজ রঙ দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে লুটেইন এবং জিএক্সানথিন ক্ষতিকারক নীল আলো থেকে রক্ষা করে যা দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।
সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা

সংসার ভাঙার ৫ বছর পর ফের প্রাক্তন স্ত্রীর প্রেমে অভিনেতা বিবাহবিচ্ছেদ হলেও সব সময় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় না- ‘দহাড়’ ভারতীয় অভিনেতা গুলশান দেবাইয়ারের ক্ষেত্রে সেটাই প্রমাণিত হল। গুলশানের জীবনে যা ঘটলো তা অভিনেতার জীবনে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনাই চলা চলে। অর্থাৎ বিচ্ছেদের পর আবারও প্রাক্তন স্ত্রী অভিনেত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে প্রেম করছেন এই অভিনেতা। আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আট বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২০ সালে স্ত্রী কাল্লিরোই টিজিয়াফেতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় গুলশানের। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন দুজন। বিচ্ছেদের প্রায় পাঁচ বছর পর, ২০২৪ সালে তারা আবার কাছাকাছি আসতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক নতুন করে প্রেমে রূপ নেয়। দাম্পত্য ভাঙনের প্রসঙ্গে গুলশান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘একটি কারণে কোনও সম্পর্ক ভাঙে না, এর পেছনে থাকে অনেক জটিলতা। সেই সময় আমি নিজের জীবনের নানা ঝড়ঝাপটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তা আর মানসিক সংগ্রাম মিলিয়ে আমি অনেক সময় বাড়িতে একা থাকতে চাইতাম। স্ত্রীকে ভালোবাসলেও কখনও কখনও একা থাকতেও ভালো লাগত। সম্প্রতি গুলশান জানান, বিচ্ছেদের পর তারা দুজনই মনোবিদের শরণাপন্ন হন এবং ‘কাপল থেরাপি’ নেন, যা তাদের সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, ‘আমরা কাপল থেরাপি নিয়েছি, যা খুবই কার্যকর হয়েছে। এখন আমি আমার প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে আবার প্রেম করছি। এই থেরাপির মাধ্যমে আত্মবিশ্লেষণের সুযোগ পেয়েছি এবং অনেক বেশি পরিণত হয়েছি। সম্পর্কের মধ্যে থাকার পরও আমরা নিয়মিত থেরাপি নেওয়ার চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত ‘দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন গুলশান দেবাইয়ার। এরপর তিনি আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন।
নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’

নজর কাড়লেন যারা গোল্ডেন গ্লোবে’ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর ‘গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস’-এর ৮৩তম আসর বসেছিল লস অ্যাঞ্জেলেসে। গত এক বছরের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতের সেরাদের বেছে নিতে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন একঝাঁক বিশ্বখ্যাত তারকা। দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও অভিনেত্রী নিকি গ্লেজার। তারকার আলোয় আলোকিত এই সন্ধ্যায় রেড কার্পেটে পা রাখেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, জেনিফার লোপেজ, ডোয়াইন জনসন এবং জ্যাকব এলোর্ডি। তবে দক্ষিণ এশীয় দর্শকদের নজর কেড়েছেন নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জুটি। সেরা চলচ্চিত্রের মুকুট এবারের আসরে ড্রামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিয়েছে ‘হ্যামনেট’। অন্যদিকে মিউজিক্যাল অথবা কমেডি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রের দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলে জয়ী হয়েছে নেটফ্লিক্সের ‘কেপপ ডেমন হান্টার্স’। আর বক্স অফিস কাঁপানো ছবি হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে ‘সিনার্স’।‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার (ড্রামা) পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ওয়াগনার মৌরা। সমান্তরালভাবে ‘হ্যামনেট’ ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রীর ট্রফি নিজের ঘরে তুলেছেন জেসি বাকলে। এছাড়াও পার্শ্ব-অভিনেতা হিসেবে সবাইকে চমকে দিয়েছেন আওয়েন কুপার। ‘অ্যাডোলেসেন্স’-খ্যাত এই তারকা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব জয়ের রেকর্ড গড়লেন। টেলিভিশন ও অন্যান্য বিভাগ ছোটপর্দায় কমেডি সিরিজ হিসেবে সেরা হয়েছে ‘দ্য স্টুডিও’ এবং লিমিটেড সিরিজ ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে ‘অ্যাডোলেসেন্স’। স্ট্যান্ড-আপ কমেডিতে আবারও নিজের জাত চিনিয়েছেন রিকি গারভাইস (মর্টালিটি)। এছাড়া আধুনিক যুগের জনপ্রিয় মাধ্যম পডকাস্ট বিভাগেও পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে; যেখানে সেরা হয়েছে অ্যামি পোএহলারের ‘গুড হ্যাং উইথ অ্যামি পোএহলার’। এমআইকে
সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার

সংসার ভাঙার কারণ কী তাহসান-রোজার সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান গত বছর সবাইকে চমকে দিয়ে তার বিয়ের খবর জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তার বিয়ে নিয়ে সে সময় বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টানা কয়েক দিন ট্রেন্ডিংয়ে ছিল তাহসানের বিয়ের খবর। তবে বছর না ঘুরতেই এলো এ জুটির বিচ্ছেদের সংবাদ। এদিকে তাহসান-রোজার বিচ্ছেদের খবরে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তুমুল প্রেমের পর বিয়ে তারপর এত দ্রুত সম্পর্কের সমাপ্তি কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে কৌতূহলী ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় সংগীতসফরে যাওয়ার আগেই তাহসান ও রোজা আলাদা থাকছিলেন। সে সময় মেলবোর্ন থেকে তাহসান গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন গান ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কথা। এ বিষয়ে তাহসান জানিয়েছেন, ওই সময়েরও আগে থেকেই তারা আলাদা ছিলেন। এরপর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আর প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি তাকে। অন্যদিকে, রোজা বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাহসানের সঙ্গে তোলা ছবি ও আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। এতে অনেকের ধারণা ছিল, সম্পর্কটি এখনো টিকে আছে। তবে ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাহসান ও রোজার ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছেন, বিয়ের পর দুজনের জীবনদর্শন ও প্রত্যাশার জায়গায় কিছু পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাহসান চেয়েছিলেন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি জীবনযাপন করতে। সে কারণেই বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষ্ক্রিয় করা এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সংসারকেই দিতে চেয়েছিলেন অগ্রাধিকার। অন্যদিকে, বিয়ের পর রোজার পরিচিতি ও সামাজিক পরিসর বেড়েছে। নতুন এই বাস্তবতাকে তিনি উপভোগ করছিলেন বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ভিন্ন ভিন্ন মানসিক অবস্থান ও জীবনযাপনের ধারা ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে। ঘনিষ্ঠ মহলের ভাষ্যমতে, শুরুতে এই দূরত্ব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা হলেও একসময় মতের অমিল প্রকট হয়ে ওঠে। কাউকে দোষারোপ না করে, পারস্পরিক সম্মানের জায়গা থেকে সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন দুজনই। জানা গেছে, গেল বছরের শেষ দিকেই বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাহসানের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। আগের সংসারে তার একটি কন্যাসন্তান রয়েছে, যার সঙ্গে তিনি নিয়মিত সময় কাটান। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাহসান বরাবরই সংযত। বর্তমান পরিস্থিতিতেও তিনি নীরবতাকেই বেছে নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠজনেরা জানিয়েছেন, বিচ্ছেদ হলেও দুজনই বিষয়টি সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সামলেছেন। সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নয় বরং জীবন ও সম্পর্কের বাস্তবতায় ভিন্ন পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছেন তারা।
বাড়ছে বিভাগ শিল্পকলা একাডেমিতে

বাড়ছে বিভাগ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে আরও গতিশীল, সংগঠিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’র চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, একাডেমির বিভাগের সংখ্যা ৬ থেকে ৯-এ উন্নীত করা হয়েছে। পুনর্গঠিত ৯টি বিভাগ হলো ‘সংগীত’, ‘চারুকলা’, ‘নাট্যকলা’, ‘চলচ্চিত্র’, ‘নৃত্য ও পারফর্মিং আর্টস’, ‘আলোকচিত্র’, ‘কালচারাল ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা’, ‘গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া’ এবং ‘প্রশাসন ও অর্থ’। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, নিউ মিডিয়া এবং কালচারাল ব্র্যান্ডিং ও উৎসবের মতো সমসাময়িক শিল্পমাধ্যম এবার স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল। অধ্যাদেশে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা পরিষদের গঠনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সহসভাপতি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব। এছাড়া অর্থ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে একজন করে প্রতিনিধি পরিষদে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বাংলা একাডেমি ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদাধিকার বলে পরিষদের সদস্য হবেন।অন্যদিকে শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা পরিষদে আগে শুধু শিল্পকলার ৩টি বিভাগের প্রতিনিধি থাকার নিয়ম ছিলো। বর্তমান সংশোধিত অধ্যাদেশে এবার শিল্পকলার ৮টি বিভাগ থেকে ৮ জন প্রতিনিধি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী থেকে একজন প্রতিনিধি নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে একাডেমির কর্মপরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অর্থ আত্মসাত-হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭ (৩) ধারায় মামলাটি করেছিলেন আমিরুল ইসলাম। মামলার বিষয়ে মেহজাবীন ও আলিশানের জবাব দাখিলের জন্য ১২ জানুয়ারি, দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। জবাব দাখিলের পর শুনানি নিয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত। আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার এসব তথ্য গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ১৬ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করে জামিন পান মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এবার মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন তারা। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিব বলে কালক্ষেপন করে। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান আমিরুল। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আমিরুলকে আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেয়। গত বছরের ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আমিরুল।
নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে

নারিকেলি হাঁস রান্না করবেন যেভাবে শীতের খাবারের তালিকায় হাঁসের মাংস অনেকেরই বেশ পছন্দের। এই মাংসের সঙ্গে আরেকটি উপকরণ খুব মানানসই, সেটি হলো নারিকেল। নারিকেলের দুধ দিয়ে রান্না করা হাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। তবে নারিকেল কুচি দিয়ে রান্না করা হাঁসও কিন্তু খেতে কম সুস্বাদু নয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক নারিকেলি হাঁস রান্না করার রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে হাঁস- ১টি নারিকেল কুচি- ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ কুচি- ৩টি রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ জিরা গুঁড়া- পরিমাণমতো হলুদ, মরিচ, লবণ- পরিমাণমতো কাঁচা মরিচ- ১০/১২টি সরিষা বাটা- অল্প বাদাম বাটা- সামান্য তেল- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন কড়াইতে তেল গরম করে তেলে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে আদা রসুন লবণ সরিষা ঢেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন। তারপর একটু ভাজা ভাজা হলে হলুদ, মরিচ, লবণ, জিরা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার কড়াইতে অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে চামড়া ছাড়ানো হাঁসের মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কড়াইতে ঢেলে দিন। মাংস সেদ্ধ হলে কাঁচা মরিচ এবং নারিকেল কুচি ঢেলে দিয়ে কড়াই ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ১ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ পানিতে মিশিয়ে কড়াইতে ছড়িয়ে দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন।
তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না

তামান্নার দুগ্ধজাত পণ্য সহ্য হয় না অন্ধের মতো ডায়েটের ট্রেন্ড অনুসরণ করেন না। বরং নিজের শরীরের জন্য যা প্রয়োজন, সেদিকেই মনোযোগী হন দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। তার খাদ্যাভ্যাস কেমন? সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা খেয়ে থাকেন তিনি জানান সে কথা। অভিনেত্রীর ত্বকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার ভক্ত-অনুরাগীরা। তার ছিপছিপে ও তন্বী চেহারার প্রতি ঈর্ষান্বিত মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ৩৬ বছরের অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া কৃচ্ছ্রসাধনে বিশ্বাসী নন। সাধারণ ও সাদামাটা নিয়ম মেনে চলেন তিনি। অন্ধের মতো ডায়েট করেন না। নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নেন অভিনেত্রী। মনোযোগ দেন পরিমিত খাবারে। আর তাই যারা ডায়েটের পথে হাঁটতে ভয় পান, তারাও অভিনেত্রীর দেখানো পথে চলা শুরু করতে পারেন। তামান্না বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজন নারীর শরীর পাল্টে যেতে থাকে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ থাকার অভ্যাসও বদলাতে থাকে। এ মনোভাবই তাকে এতদিন ফিট থাকতে সাহায্য করেছে। দুধ বা দুগ্ধজাত পণ্য এবং গ্লুটেন সহ্য করতে পারে না তামান্নার শরীর। তাই অভিনেত্রীর ডায়েটে জায়গা পায় না দুই ধরনের খাবার। তবে কালেভদ্রে স্বাদকোরকের বায়না মেটাতে দুগ্ধজাত পণ্য খেয়ে ফেলেন তামান্না। সংযম আর ইচ্ছাশক্তির ভারসাম্য বজায় রাখায় বিশ্বাসী তিনি। এবার সারাদিনের খাদ্যতালিকা জানিয়ে দিলেন তামান্না ভাটিয়া। কখন কী খান অভিনেত্রী জেনে নিন? ভোর ভোরে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস পানি পান করেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান। কখনো আমন্ড, কখনো বা আখরোট, আবার কখনো কালো কিশমিশ। সঙ্গে একটি করে ফল। খানিক পর ড্রাই ক্যাপুচিনো খেয়ে মন ফুরফুরে করে নেন অভিনেত্রী। কোনো কোনো দিন কফির বদলে চাও খান তিনি। প্রাতরাশ মুগ ডালের চিলা বা ডিম খেয়ে জলখাবার সারেন তামান্না ভাটিয়া। দিনের প্রাক্কালে প্রোটিনের উৎসে শরীরে জোর মেলে তার। আর দুপুরেও প্রোটিনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেন। কিনোয়ার সঙ্গে যে কোনো প্রকারের প্রোটিন খান তিনি। যার ফলে দিনভর গায়ে বল মেলে। বিকাল-সন্ধ্যার টিফিন ব্লুবেরি বা কলার মতো ফল খেয়ে বিকাল-সন্ধ্যার খিদে মেটান তামান্না ভাটিয়অ। কখনো-সখনো মিষ্টির আকাঙ্ক্ষা তৈরি হলে খেজুর খেয়ে থাকেন। এর ফলে সব রকম স্বাদের খাবারও খেতে পারেন, আবার নিয়ম থেকে বিচ্যুতিও ঘটে না। নৈশভোজ দুপুরের সঙ্গে বিস্তর ফারাক নেই নৈশভোজে। প্রোটিনে ভরপুর খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসেন তামান্না। কিনোয়া, সবজি আর সালাদ দিয়ে পেট ভরান তিনি। নিয়মিত নাচ ও শরীরচর্চা করেন বলে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর বিষয়ে সচেতন অভিনেত্রী।
রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন

রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি রক ব্যান্ড গ্রেটফুল ডেড–এর সহ–প্রতিষ্ঠাতা ও রিদম গিটারিস্ট বব উইয়ার মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রয়টার্সসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে বব উইয়ার ক্যানসারে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে ফুসফুসজনিত জটিলতা বাড়লে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৪৭ সালে জন্ম নেওয়া বব উইয়ার ছিলেন গ্রেটফুল ডেডের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। ১৯৬৫ সালে জেরি গার্সিয়া, ফিল লেশ ও বিল ক্রয়ৎসম্যানের সঙ্গে তিনি ব্যান্ডটি গড়ে তোলেন। ‘Truckin’, ‘Sugar Magnolia’, ‘Jack Straw’সহ ব্যান্ডের বহু জনপ্রিয় গানে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ১৯৬০ ও ৭০–এর দশকে গ্রেটফুল ডেড আমেরিকার কাউন্টার–কালচার আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। ব্যান্ডটির দীর্ঘ ইম্প্রোভাইজেশন, লাইভ পারফরম্যান্স ও অনন্য সংগীতধারা বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৯৫ সালে জেরি গার্সিয়ার মৃত্যুর পরও বব উইয়ার সংগীতচর্চা চালিয়ে যান এবং Dead & Company সহ বিভিন্ন ব্যান্ডের মাধ্যমে মঞ্চে সক্রিয় ছিলেন । দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনে তিনি রক, ফোক ও জ্যাম ব্যান্ড সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলেন। সংগীত সমালোচকদের মতে, বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে এক যুগের অবসান হলো। বব উইয়ারের মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে তার ভক্ত, সহশিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ভালোবাসার সীমা নাই তাদের

ভালোবাসার সীমা নাই তাদের নেটদুনিয়ায় গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। অন্যদিকে দোতারায় বেশ সরব ফাহিমা আহমেদ শিফা। এই তিন তরুণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী লুৎফর হাসান। তরিকের সংগীতে ‘ভালোবাসার সীমা নাই’ শিরোনামে গানটির ইতিমধ্যে গানচিত্র নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। ‘তুমি আমায় চিনো নাই গো, আমি তোমায় চিনি নাই, তোমার আমার মইধ্যে তবু ভালোবাসার সীমা নাই’ এমন কথায় গীতিকবিতা সাজিয়েছেন লুৎফর হাসান নিজেই। গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন শেখ সোলায়মান ও রাকিব। দোতারায় ছিলেন শিফা। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত। গানটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। গানের দৃশ্যায়ন হয়েছে টাঙ্গাইলের যমুনার চর ও হেমনগর জমিদার বাড়িতে। লুৎফর, সোলায়মান ও রাকিব, তিনজনই এক অঞ্চলের সন্তান। ফলে চিত্রায়ণও হয়েছে সেখানকার দৃষ্টিনন্দন নানান লোকেশনে। লুৎফর হাসান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোলায়মান ও রাকিব ভীষণ জনপ্রিয়। ওরা আমারই ছোটভাই। এক মাটির সন্তানেরা এক গানে একত্রিত হব, এটা বেশ আগের পরিকল্পনা। আর শিফা যুক্ত হয়েছে দোতারায়, ভিডিওতে সেও অংশ নিয়েছে। এই গান ও গানচিত্রের সবচেয়ে ইউনিক দিক এর লোকেশন। এর আগে কখনো এই লোকেশনে কাজ হয়নি। শেখ সোলায়মান ও রাকিবের ভাষ্য, লুৎফর ভাই আমাদের এলাকার বড়ভাই। উনার লেখা ও সুরে অনেকেই গান করেছেন। আমাদের ইচ্ছে ছিল, একসাথে কবে আমরা কাজ করব। ধ্রুব গুহ দাদা এগিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত কাজটা হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন জানিয়েছে, খুব দ্রুত গানটি ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে। এছাড়াও দেশি-বিদেশি একাধিক প্লাটফর্মে শ্রোতারা গানের অডিও শুনতে পাবেন।