ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হয়? যা করবেন

ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হয়? যা করবেন সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে নানান ধরনের খাবার খাওয়া হয়। মসলাদার খাবার, ডুবো তেলে ভাজা মুখরোচক খাবার খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে সচেতন থাকতে হবে। ইফতার ও সেহেরিতে মশলাদার ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তরল ও কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। এছাড়াও খেতে হবে নির্দিষ্ট কিছু খাবার, যা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। অ্যাসিডিটি দূর করতে কী খাবেন কলা তীব্র গ্যাস এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে খাদ্যতালিকায় কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি বা ইফতারে একটি পাকা কলা খান। কলা পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করে, অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমায়। কলা হজম বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করুন। দুধ পেটের অ্যাসিডকে কমাতে সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ পান না করাই ভালো। ডাবের পানি রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগলে লেবুর শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক পানীয়। সেটি হতে পারে ডাবের পানি। অ্যাসিডিটি কমাতে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সেইসঙ্গে এ পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও। পুদিনা পাতা ইফতার করার পর অ্যাসিডিটি হলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। চাইলে এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানিও পান করতে পারেন। এ পাতা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। আদা অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে খেতে পারেন। আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সহায়ক। আদা খেতে অস্বস্তি লাগলে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশিতে প্রভাব ফেলে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।
রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন রোজার সময়ে খাবারের রুটিন পুরোটাই বদলে যায়। তিনবেলা খাবারের বদলে তখন দুইবেলা খাবার প্রাধান্য পায়- সেহরি ও ইফতার। রোজায় কী খাবেন তা নির্ভর করে কোন খাবারগুলো আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ করে তার ওপর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুষ্টিকর খাবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া যাতে সীমিত ক্যালোরি গ্রহণের পরেও আপনি সুস্থ ও সতেজ থাকতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন- প্রচুর প্রোটিন খান প্রোটিন এবং ওজন হ্রাস একসঙ্গে চলে। রোজার সময় প্রোটিন গ্রহণ বজায় রাখা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শরীর চর্বি এবং কার্বোহাইড্রেটের মতো প্রোটিন ধরে রাখতে পারে না। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে, ওজন হ্রাসের সময় পেশী হ্রাস রোধ করে। সঠিকভাবে পুষ্ট এবং শক্তিশালী থাকার জন্য প্রতিদিন প্রস্তাবিত ৬০ গ্রাম বা তার বেশি প্রোটিন গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। মুরগির বুকের মাংস, ডিম, পনির, টক দই এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়। ফাইবার ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক এবং বিশেষজ্ঞরা একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে প্রতিদিন প্রায় ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটি আমাদের পাচনতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ফাইবারের রয়েছে অনেক উপকারিত। ছোলা, ফুলকপি, ব্রোকলি এবং মটরশুটি রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়। স্বাস্থ্যকর চর্বি স্বাস্থ্যকর চর্বিতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যেমন বি১২, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩। এগুলো আপনাকে শক্তি দিতে, রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং সুস্থ কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। যদিও স্বাস্থ্যকর চর্বিতে ক্যালোরি বেশি হতে পারে, তবুও রোজার সমেয় এগুলো খাবারের তালিকায় যোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো, বাদাম, জলপাই এবং তৈলাক্ত মাছ নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।
ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন

ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসানের মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তার মা মমতাজ বেগম রবিবার সকালে খুলনায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে। বিসিবি শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, ‘মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গভীর শোক প্রকাশ করছে। আমরা শেখ মেহেদী হাসান এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি। শেখ মেহেদী টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ শ্রীলংকা থেকে বিকল্প ভেন্যুতে খেলার চেষ্টা করলেও আইসিসি সেই অনুরোধ গ্রহণ করেনি। মেহেদী ২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে অভিষেক করেন। এ ফরম্যাটে ৭০ ম্যাচে ৬৮ ইনিংসে ২৪.০৫ গড়ে ৬৮ উইকেট নিয়েছেন এবং ওভারপ্রতি ৬.৭৩ রান দিয়েছেন। ব্যাট হাতে ৪৮ ইনিংসে ১১.৮৬ গড়ে ৪২৭ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১০১.১৮। ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ৩১.১৪ গড়ে ১৪ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ১২২ রান, গড় ১৫.২৫ করেছেন তিনি।
বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা ১৩৫ রানের লক্ষ্যটা বড়ই ছিল বলা যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য। ভারতের মেয়েদের বোলিং তোপে মাত্র ৮৮ রানে অলআউট হয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। ৪৬ রানে জিতে আবারও এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত ‘এ’ দল। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ভারতের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ১০০ রানও করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ৮৮ রানে অলআউটে হয়েছ স্বপ্নভঙ্গ। ১১ ব্যাটারের ৭ জনই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশের। এরমধ্যে একজন ছিলেন কোনো বল না খেলে শূন্য রানে অপরাজিত। সর্বোচ্চ ২০ রান করেছেন শামিমা সুলতানা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান এসেছে শারমিন সুলতানার ব্যাটে। অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন করেছেন ১৪ রান। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন প্রেমা রাওয়াত। দুটি করে সোনিয়া মেনধিয়া ও তেনুজা কানওয়ার। একটি করে উইকেট গেছে সাইমা ঠাকুর, মিন্নু মানি ও রাধা যাদবের ঝুলিতে। এর আগে, বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে ১৩৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ভারতের নারীরা। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের মেয়েরা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৪৪ রানেই তুলে নেয় ভারতের ৪টি উইকেট। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় মেয়েরা। তেজাল হাসাবনিস ও রাধা যাদবের ব্যাটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ৩০ বলে ৩৬ রান করে রাধা যাদব আউট হয়ে গেলেও তেজাল হাসাবনিস ৩৪ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ১৯ রান করেন দিনেশ ব্রিন্দা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান সংগ্রহ করে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল। বাংলাদেশের হয়ে ফাহিমা খাতুন ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে একাই নেন ৪ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন ফারজানা ইয়াসমিন ও ফাতিমা জাহান।
যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরিয়ে নিচ্ছে কাতার ও বাহরাইন থেকে

যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরিয়ে নিচ্ছে কাতার ও বাহরাইন থেকে ইরানের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার ও বাহরাইনে থাকা সামরিক ঘাঁটি থেকে এ প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। পেন্টাগনের গোপন সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে ইতোমধ্যে কয়েক শ মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি, যেখানে নিয়মিত প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকেন। বাহরাইন থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি আল জাজিরা জানিয়েছিল, সিরিয়ায় অবস্থানরত প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এসব পদক্ষেপ ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে তেহরান পাল্টা জবাবে এ অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক চিঠিতে সতর্ক করে বলেছে, ইরান আক্রান্ত হলে এ অঞ্চলে থাকা শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি ও স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায়ভার ওয়াশিংটনকেই নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমালেও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রশাসন ও পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে রয়েছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সতর্ক করেছেন এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের বৈশ্বিক পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিবিসি, রয়টার্সসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের বৈশ্বিক পাল্টা শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ বাতিল করে রায় দেন। আদালত বলেন, অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা-সংক্রান্ত আইনের আওতায় উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আদালতের এই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভিন্ন একটি বাণিজ্য আইনে বিশ্বের প্রায় সব দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। শনিবার এটা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছি যে, আজ থেকেই বিশ্বের সব দেশের ওপর আমাদের আরোপ করা ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হলো। অনেক দেশ বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়ে আসছিল এবং এর কোনো বিচারও হচ্ছিল না (যতক্ষণ না আমি ক্ষমতায় এসেছি!)। এখন থেকে আইন মেনেই তাদের ওপর এই বাড়তি কর কার্যকর হবে। এর আগে শুক্রবার আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়া শুল্কের জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২–এর অধীনে নতুন করে ১৫ শতাংশ কর আরোপের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ কিছু দেশের জন্য প্রশ্ন তৈরি করেছে। কারণ এসব দেশ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ শতাংশ শুল্ক চুক্তি করেছিল। আইনে বলা আছে, নতুন এই কর প্রায় পাঁচ মাস পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। এরপর এটি চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হবে। আগামী মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকেই তার ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা। এখন সেটি যদি ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয় তাহলে সেটি কখন থেকে কার্যকর হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, গত বছর জরুরি অর্থনৈতিক শক্তি আইন (আইইইপিএ)) এর অধীনে বিশ্বের সব দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। আদালত বলেছেন, ট্রাম্প তার ক্ষমতার অধিক ব্যবহার করেছেন। শুল্ক আরোপের আগে তার কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া উচিত ছিল।
ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার

ভেঙে গেল অভিনেত্রীর সংসার ভেঙে গেছে হলিউড অভিনেত্রী আলেকজান্দ্রা ড্যাডারিওর সংসার। প্রযোজক অ্যান্ড্রু ফর্মের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম টিএমজেড এ খবর প্রকাশ করেছে। টিএমজেড-কে একটি বিবৃতি দিয়েছেন আলেকজান্দ্রার একজন মুখপাত্র। তাতে বলা হয়েছে, “ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিভাবক হিসেবে তারা তাদের সন্তানকে লালন-পালন করবেন। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কামনা করছেন তারা। তবে তারা ঠিক কবে আলাদা হয়েছেন বা বিচ্ছেদের কারণ কী এসব বিষয় এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। ২০২২ সালের জুনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু। এ দম্পতির ১৫ মাস বয়সি একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রার এটি প্রথম হলেও অ্যান্ড্রুর এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে মার্কিন অভিনেত্রী জর্ডানা ব্রিউস্টারের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অ্যান্ড্রু। এ সংসারে ১২ ও ৯ বছর বয়সি দুটো পুত্রসন্তান রয়েছে। আলেকজান্দ্রা তাদের সৎমা ছিলেন। আলেকজান্দ্রা ও অ্যান্ড্রু মাত্র ১৫ বছর বয়সে অভিনেত্রী হিসেবে টেলিভিশনে অভিষেক ঘটে আলেকজান্দ্রার। ২০০৫ সালে হলিউড চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো হলো ‘বেওয়াচ’, পার্সি জ্যাকসন অ্যান্ড দ্য অলিম্পিয়ানস’, ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’, ‘ইটস সিক্যুয়েল’, ‘হল পাস’ প্রভৃতি।
বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা

বঙ্গবিভূষণ পেলেন নচিকেতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একঝাঁক বিশিষ্ট নাগরিকদের হাতে রাজ্য সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ তুলে দেওয়া হলো। গতকাল শনিবার আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০২৬ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মাননা পেয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন শিবাজী চট্টোপাধ্যায় এবং শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া সংগীত ও সংস্কৃতির জগতে অবদানের জন্য লোপামুদ্রা মিত্র, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী ও শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছে বঙ্গবিভূষণ সম্মান। চিত্রকলায় বিশেষ কৃতির জন্য গণেশচন্দ্র হালুইকে বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়। একই মঞ্চ থেকে এদিন ‘বঙ্গভূষণ’ সম্মানও প্রদান করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন কলেন্দ্রনাথ মান্ডি, শ্যামচাঁদ বাগদি, নন্দলাল বাউড়ি, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস এবং চন্দন লোমজেল। সংগীতে অবদানের জন্য মনোময় ভট্টাচার্য, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচি, অদিতি মুন্সি, কার্তিক দাস বাউল ও নাজমুল হক। বিশেষ সম্মান পেয়েছে স্টার জলসা ও জি বাংলা চ্যানেল। এছাড়া বঙ্গভূষণ পেয়েছেন সমরেশ মজুমদার, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও বিবেক কুমার।
আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল

আমি সবসময় চেষ্টা করি : কেয়া পায়েল ছোট পর্দার অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। একের পর এক দর্শকপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের নতুন কাজ, শুটিং সেটের অভিজ্ঞতা এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সুব্রত সঞ্জীবের পরিচালনায় নতুন একটি নাটকে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল, যেখানে তার বিপরীতে রয়েছেন মুশফিক আর ফারহান। নাটকের বিষয়ে পায়েল বলেন, ‘এই গল্পটি খুবই চমৎকার একটা প্লটে করা। আমাদের এখানে কিছু পারিবারিক কোলাহল আছে যা দর্শক খুব মজা পাবে। আমার চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং, আমি আমার জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজের চরিত্রের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু দৃশ্যে দেখে হয়তো মানুষ বলবে- আল্লাহ, মেয়েটা তার শাশুড়ির সাথে এরকম কেন করছে! তবে গল্পটি সম্পূর্ণ দেখলে দর্শকদের অবশ্যই ভালো লাগবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি পরিবার নিয়ে দেখার মতো গল্প ও চরিত্রে কাজ করতে। বর্তমানে ‘আমাদেরই গল্প’ নাটকের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। নাটকে তার চরিত্রের নাম ‘মেহরিন’। দর্শক এখন তাকে আসল নামের চেয়ে চরিত্রের নামেই বেশি ডাকছে। এ প্রসঙ্গে পায়েলে ভাষ্য, ‘আমি রাজ (পরিচালক) ভাইয়াকে বলছিলাম, এত নাটক করেছি কিন্তু কখনো চরিত্রের নামে কেউ ডাকেনি। এখন ছবির নিচেও মানুষ মেহরিন বা সামির-ফাহাদ নামে কমেন্ট করে। একজন শিল্পী হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। শুটিং সেটের পরিবেশ নিয়ে পায়েল জানান, পরিবারের চেয়েও বেশি সময় তাদের সেটে কাটাতে হয়। তাই শুটিং ইউনিটও এখন তার কাছে একটি পরিবার। সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক কাজের গতি বাড়িয়ে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অফ-স্ক্রিনে আমাদের রসায়ন খুব চমৎকার। সুনেরাহর সাথে জামাকাপড় নিয়ে গল্প করি, সাজ্জাদ ভাইকেও বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। কাজের জায়গাটা আপন না হলে আসলে প্রাণখুলে অভিনয় করা সম্ভব হয় না।
দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না, এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করতে হবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আমরা নিজেরা দুর্নীতিতে জড়াবো না এবং অন্যদের ক্ষেত্রেও কঠোর নজরদারিতে থাকবো। দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ শুধু আন্দোলনে নয়, কর্মক্ষেত্রেও দিতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত, মানসম্মত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২১ ফেব্রুয়ারি জাতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যময় দিন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং বাঙালির মৌলিক অধিকার আদায়ের প্রতীক। ভাষা মানুষের সবচেয়ে ব্যক্তিগত ও মৌলিক অধিকার। একইসঙ্গে নিজের পরিবার, অনুভূতি ও চেতনার সঙ্গে ভাষার সম্পর্ক গভীর। সেই ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাঙালিকে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ত্যাগ ও সংগ্রাম ছাড়া কোনো জাতি অধিকার অর্জন করতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়েও অধিকার আদায়ে আন্দোলন ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। নির্বাচিত সরকার নিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পেয়েছেন এটাই বড় প্রাপ্তি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা হলো রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে উঁচু ভবন দাঁড় করে লাভ নেই। তাই শিক্ষার অবকাঠামো মজবুত করাই সবার দায়িত্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। সেটি হচ্ছে ‘কারিকুলাম, ক্লাসরুম ও কনসিস্টেন্সি’। পাঠ্যক্রম ভালো হতে হবে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে এবং সারা দেশে শিক্ষার মানে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। বর্তমানে দেশে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন ধারার মাদ্রাসাসহ বহু শিক্ষাধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে মানগত সমন্বয় জরুরি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।