নাচোলে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

নাচোলে ট্রেনের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু নাচোল উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় তাসলিমা খাতুন নামে ২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে নাচোলের কসবা ইউনিয়নের যাদুপুর গ্রামের মতিউর রহমানের মেয়ে। পুলিশ, রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৯টার দিকে বাড়ি সংলগ্ন রেললাইনের পাশে খেলতে খেলতে ট্রেনের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে আহত হয় তাসলিমা। স্থানীয় ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গোমস্তাপুরের রহনপুর রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার মামুনুর রশিদ বলেন, রহনপুর থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর গামী ১৩০ ডাউন অপরাজিতা কমিউটার ট্রেনের ধাক্কায় আহত হয়ে শিশুটি মারা যায়। রেলওয়ে পুলিশের আমনুরা জংশন ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক এসআই আইনুল হক বলেন, নাচোলের গোলাবাড়ি ও রহনপুর ষ্টেশনের মাঝামাঝি নাচোলের যাদুপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে জিআরপি মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় রাজশাহী জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মনিরুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ আগামীকাল

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ আগামীকাল সেপ্টেম্বর মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে আগামীকাল। এদিন এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। আজ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ওই দিন বিকেল ৩টায় এক মাসের জন্য নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরামকোর ঘোষিত সেপ্টেম্বর মাসের সিপি মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতে ব্যবহৃত এলপিজির মূল্য সমন্বয় করা হবে। এর আগে, সর্বশেষ গত ৩ আগস্ট এলপি গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯১ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। একই দিনে ঘোষণা আসবে অটোগ্যাসের নতুন দামেরও। ৩ আগস্ট সর্বশেষ সমন্বয়ের সময় অটোগ্যাসের দাম ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে প্রতিলিটার ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল (মূসকসহ)।
ডেঙ্গুতে একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৫৫২

ডেঙ্গুতে একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ৫৫২ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এটি একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। তবে স্বস্তির বিষয়—এই সময়ে কোনো মৃত্যু ঘটেনি। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এ বছর মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ২৮ জন, আর মৃত্যুর সংখ্যা ১২২। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১৪ জন, চট্রগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৯৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৭ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৯ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২১ জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর আগের দিন, রোববার ৫৬৮ জন আক্রান্ত এবং ৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা ছিল চলতি বছরের একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের দিন।
মারা গেছেন আল্লু অর্জুনের দাদি, রাম চরণের নানি
মারা গেছেন আল্লু অর্জুনের দাদি, রাম চরণের নানি দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনের দাদি ও রাম চরনের নানি মারা গেছেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আল্লু কানাকারাত্তিনাম। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল এ খবর প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার (৩০ আগস্ট) হায়দরাবাদের বাড়িতে মারা গেছেন আল্লু কানাকারাত্তিনাম। বার্ধক্যজনিত কারণে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর শাশুড়ি। রাম চরণ মুসৌরিতে শুটিংয়ের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে, আল্লু অর্জুন অ্যাটলির পরবর্তী সিনেমার কাজে মুম্বাইয়ে ছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত হায়দরাবাদে উড়ে যান তারা। গতকালই আল্লু কানাকারাত্তিনামের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তাতে যোগ দেন চিরঞ্জীবী, রাম চরণ, আল্লু অর্জুনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও। দক্ষিণী সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা আল্লু রামালিঙ্গ। ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই মারা যান তিনি। পদ্মশ্রী প্রাপ্ত এ অভিনেতার স্ত্রী আল্লু কানাকারাত্তিনাম। এ দম্পতির দুই সন্তান। তারা হলেন— আল্লু অরবিন্দ (পুত্র), সুরেখা (কন্যা)। বাবার পথ অনুসরণ করে চলচ্চিত্রে পা রাখেন আল্লু অরবিন্দ। তবে অভিনেতা নন, প্রভাবশালী প্রযোজক ও প্রদর্শক হিসেবে নিজের জায়গা গড়ে নেন। আল্লু অরবিন্দ নির্মলার সঙ্গে সংসার বেঁধেছেন। এ সংসারে জন্ম নেয় আল্লু অর্জুন ও আল্লু সিরিশ। এই দুই অভিনেতাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, আল্লু রামালিঙ্গ-আল্লু কানাকারাত্তিনাম দম্পতির কন্যা সুরেখা শোবিজে পা রাখেননি। তবে দক্ষিণী সিনেমার মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চিরঞ্জীবী-সুরেখা দম্পতির তিন সন্তান। তারা হলেন—রাম চরণ (পুত্র), সুস্মিতা (কন্যা), শ্রীজা (কন্যা)। চলচ্চিত্রে রাম চরণ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেও, দুই বোনের কেউই অভিনয়ে আসেননি।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা

অভিনেত্রীর অভিযোগ, ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী পবন সিংয়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর স্পর্শের অভিযোগ তোলেন ভারতের হরিয়ানার অভিনেত্রী অঞ্জলি রাঘব। এ ঘটনার পর এক ভিডিও বার্তায় অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি আর ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করবেন না। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়, যা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন পবন সিং। এবার অভিনেত্রীর অভিযোগে মুখ খুললেন ভোজপুরি অভিনেতা-সংগীতশিল্পী পবন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (৩১ আগস্ট) পবন তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সহ-অভিনেত্রীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না বলেও দাবি করেছেন তিনি। অভিনেতা তার পোস্টে লেখেন, ‘অঞ্জলি ব্যস্ত ছিলাম বলে আপনার লাইভ দেখার সুযোগ পাইনি। আমি যখন এই বিষয়টি জানলাম, তখন খুবই খারাপ লেগেছে। আমার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। আমার কোনো ব্যবহার যদি আপনার খারাপ লাগে তবে তার জন্য ক্ষমা চাইছি।’ সম্প্রতি একটি গানের প্রচার অনুষ্ঠানে অঞ্জলি রাঘব ও পবন সিং উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে হঠাৎ অঞ্জলির কোমরে অকারণে হাত রাখেন পবন। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে কথা না উঠলেও পরে তা ভিন্ন রূপ নেয়। ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘অনেকেই জানতে চাইছেন কেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখাননি বা চড় মারেননি। আবার কেউ কেউ তাঁকে হাসতে দেখে সমালোচনা করছেন।’ অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আমি কি আনন্দ পাব যদি কেউ প্রকাশ্যে আমার অনুমতি ছাড়া ছুঁয়ে দেয়? একেবারেই এমনটা নয়।’ এরপর অঞ্জলি আরও বলেন, ‘কোনো মেয়েকে তার অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করাই ভুল। এভাবে স্পর্শ আরও বেশি ভুল। যদি এ ঘটনা হরিয়ানায় ঘটত, আমাকে কিছু বলতেই হতো না, মানুষ নিজেরাই প্রতিবাদ করত।’ সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমাকে অনেকেই পরামর্শ দিয়েছিলেন কিছু না বলার জন্য। কারণ পবন সিংয়ের শক্তিশালী পিআর টিম বিষয়টিকে উল্টে দিতে পারে।’ তবুও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে অঞ্জলি বলেন, ‘আমি আর ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করব না। আমি আমার পরিবার ও হরিয়ানার কাজ নিয়েই খুশি।’
পানি সংকটাপন্ন চাঁপাইনবাবঞ্জে বিনাধান চাষের তাগিদ

পানি সংকটাপন্ন চাঁপাইনবাবঞ্জে বিনাধান চাষের তাগিদ পানি সংকটাপন্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বরেন্দ্রাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত খরা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদী বিনাধান-১৯ এবং বিনাধান-২১ চাষের তাগিদ দিয়েছেন কৃষি বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা। আজ বিকালে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের লক্ষীনারায়নপুর পোড়াগ্রাম ও দেবিনগর ইউনিয়নের নতুন গ্রাম এলাকায় পৃথক দু’টি মাঠ দিবসে বিনাধান চাষের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউটের চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপকেন্দ্র মাঠ দিবস দুটির ব্যবস্থাপনা করে। বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. আজাদুল হকের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে ভিডিও কনফারন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিনা মহাপরিচালক ড. আবুল কালম আজাদ। আরও বক্তব্য দেন বিনার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড, আশিকুর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ্উপ-পরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সুনাইন বিন জামানসহ অন্যরা। মাঠ দিবসে উপস্থিত কৃষক-কৃষানীদের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানী ও কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, খরাপ্রবণ এলাকা হওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের জন্য বিনার এই ধানের জাত দুটি কার্যকর। বিভিন্ন মাঠে চাষ করে ৯৫-১০০ দিনের মধ্যেই এসব জাতের ভাল ফলন পাওয়া গেছে। আগামীতে খরা সহিঞ্চু ও উচ্চ ফলনশীল জাত দুটির পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করা হবে। তাঁরা কৃষকদের যে কোন ফসল চাষে পরিমানের বেশী সার না ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এত মাটির গুন নষ্ট হয়। তাঁরা আরও বলেন, এ অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্ত পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ভূ-গর্ভস্ত পানির ব্যবহার কমাতে কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষাবাদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি বন্যায় নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় এসব এলাকায় প্রণোদনার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান কৃষি কর্মকর্তারা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ২ জনের কারাদন্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ২ জনের কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় রবিউল ইসলাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও পৃথক আরেকটি অস্ত্র মামলায় আকতারুল হক নামে একজনকে ১০ বছর কারাদ- দেন আদালত। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মিজানুর রহমান আলাদাভাবে মামলা দুটির আসামিদের উপস্থিতিতে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন। মাদক মামলায় দ-প্রাপ্ত রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার রামজীবনপুর-কাচারীর আনোয়ার হোসেনের ছেলে। আর অস্ত্র মামলায় দ-প্রাপ্ত আকতারুল ইসলাম জেলার ভোলাহাট উপজেলার বড় জামবাড়িয়া গ্রামের এন্তাজ আলীল ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওদুদ জানান, ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের টোলবাড়ি এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব। অভিযানকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় দুটি ওয়ান শুটার গান ও দুই রাউন্ড গুলিসহ আকতারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন র্যাবের ওয়ারেন্ট অফিসার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার এসআই বরুন সরকার ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি আকতারুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এই মামলায় আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদন্ড দেন। অপর মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে আবদুল ওদুদ আরো জানান, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর সদর উপজেলার বটতলাহাট-শান্তিমোড় সড়কের চৌধুরী মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় একটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ১ কেজি ১৩৪ গ্রাম হেরোইনসহ রবিউলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন র্যাবের এসআই জাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শহীদুল ইসলাম ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার শুনানি শেষে আদালত এই দন্ড প্রদান করেন।
শিবগঞ্জে বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ কর্মশালা

শিবগঞ্জে বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ কর্মশালা শিবগঞ্জে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ উপজেলা হল রুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাহার আলী। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুৎ তোয়াব, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহাদৎ হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলার পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আক্তার, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মাহাবুব আরিফ ও পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রত্যাশা-২ প্রকল্পের রিজিওনাল এমআরএসসি কোঅর্ডিনেটর শামসুজ্জামান, স্পেশালিষ্ট ইকোনোমিক রিইন্টিগ্রেশন হুমায়ন কবিরসহ অন্যরা। উল্লেখ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেন্টস প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের অধীনে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।
চরঅনুপনগরে খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসল চাষে প্রশিক্ষণ

চরঅনুপনগরে খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসল চাষে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসলের চাষাবাদ’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সদর উপজেলার চরঅনুপনগর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ‘এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) প্রকল্পের আওতায় সিসিএজি সদস্যদের নিয়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)। প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রশমন ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন এবং জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের খরাসহিষ্ণু ফল ও ফসলের জাত নির্বাচন, বসতবাড়িতে বাগান করার কৌশল, মাটির গুণাগুণ উন্নয়ন, পানি সংরক্ষণ এবং রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কার্যকর ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ নায়েম উদ্দিন, চরঅনুপনগর ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা ও প্রকল্পের কৃষিবিদ ফয়জুল হক। বরেন্দ্র অঞ্চলের খরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাপ খাইয়ে চাষাবাদ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। এছাড়া ঋণ কার্যক্রমের নীতিমালা ও ধরন নিয়ে আলোচনা করেন প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-১২ এর ব্যবস্থাপক ইতিআরা খাতুন। সার্বিক কার্যক্রম সম্পাদন করেন সিএমও সিভিল রোকনুজ্জামান।
ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন গোমস্তাপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুরে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে দাড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ বিষয়ে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলার জানান, শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছি। তাদের দাবিগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হবে।