চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী নজরুল ইসলাম ওরফে সুজনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালুবাগান মহল্লার মো. ইব্রাহীমের ছেলে। আজ দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জজ আদালত ভবন সংলগ্ন এলাকা থেকে গোপন খবরের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী সুজনের অনুপস্থিতিতে দায়রা জজ আদালতে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদন্ড, সেই সাথে ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস  সাজা হয়। এরপর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। আজ বিকালেই তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক সুকোমল।    

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৬ জন এবং শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী শনাক্ত হন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৩ জন রোগী। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ১ জন ও নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।    

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়া আক্রান্ত আরো ৪৬ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়া আক্রান্ত আরো ৪৬ জন জেলায় ডায়রিয়া পরিস্থিতি ওঠানামা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৪৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬০ জন রোগী। সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৪৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলা সদরে ৩০ জন, শিবগঞ্জে ৭ জন, গোমস্তাপুরে ৪ জন, নাচোলে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬০ জন রোগী। তাদের মধ্যে জেলা হাসপাতাল থেকে ২৯ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১৩ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৯ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৯ জন রোগী বাড়ি ফিরেছেন।

সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সরকারি মহিলা কলেজের চুক্তি স্বাক্ষর

সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সরকারি মহিলা কলেজের চুক্তি স্বাক্ষর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র করপোরেট অনলাইন পেমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কলেজের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার এবং সোনালী ব্যাংকের পক্ষে উপ-মহাব্যবস্থাপক মোর্শেদ ইমাম। আজ দুপুরে তারা এই স্বাক্ষর করেন। এসময় জানানো হয়, এখন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা ন্যূনতম / বিনা খরচে ভর্তি, ফরম পূরণ, সেশন চার্জসহ বিভিন্ন ফি’র অনলাইন পেমেন্ট সকল মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, এটিএম কার্ড, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে সোনালী ব্যাংকের ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি)’ অর্থাৎ একই ছাতার নিচের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রয়াসের কার্যক্রম পরিদর্শনে রূপালী ব্যাংকের প্রতিনিধিদল

প্রয়াসের কার্যক্রম পরিদর্শনে রূপালী ব্যাংকের প্রতিনিধিদল সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির বিভিন্ন খামার ও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন রূপালী ব্যাংকের আট সদস্যের সিনিয়র প্রতিনিধিদল। আজ দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ঠাকুর যৌবনে অবস্থিত প্রয়াসের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল খামার, শীপ ফার্মের শেড, ডেইরি ফার্ম, ফ্যাটেনিং ফার্ম ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। তাঁরা খামারের উৎপাদন ব্যবস্থা, প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে প্রয়াসের কর্মকর্তারা অতিথিদের খামারের কার্যক্রম ও সাফল্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন। বিশেষ করে, কীভাবে স্থানীয় পরিবেশ ও জেনেটিক গবেষণার মাধ্যমে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের উন্নত ব্রিড ডেভেলপ করা হচ্ছে— সে বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রতিনিধিরা প্রয়াসের উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী পদ্ধতির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে ব্যাংকিং সহায়তা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আশ্বাস প্রদান করেন। রূপালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের মাইক্রোফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক পঙ্কজ কুমার সরকার, যুগ্ম-পরিচালক নাসের উদ্দিন সজল, নিরীক্ষা বিভাগের প্রধান ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবুল খায়ের খান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর অঞ্চলের জোন প্রধান তরিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক ডা. রাজিন বিন রেজাউল, খামারের ম্যানেজার ডিপ্লোমা কৃষিবিদ মোঃ জামাল উদ্দিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। দলটি খামারের বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন এবং খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিরা বলেন, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই করতে প্রয়াসের এই উদ্যোগগুলো দেশের জন্য অনুকরণীয়।” প্রথম দিন মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন শেষে পরিদর্শক টিম প্রয়াসের প্রধান কার্যালয়ে পৌঁছালে তাদেরকে ফুলেল শুভেচছা জানানো হয়। দুই দিনব্যাপী এই পরিদর্শনসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল রবিবার (২৬ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন রূপালী ব্যাংকের প্রতিনিধিদল।

ইনলাইটেন্ড মোরাল অ্যাকাডেমির প্রীতি শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ

ইনলাইটেন্ড মোরাল অ্যাকাডেমির প্রীতি শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইনলাইটেন্ট মোরাল অ্যাকাডেমির আয়োজনে শনিবার সকাল ১০ টায় প্রতিষ্ঠানটির চত্বরে কোরআন পাঠের উদ্বোধন,কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সূচনা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোহা. আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নূহ্। তিনি উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন পরিবারে বাবা মা বিশেষ করে মা, ছাত্র-ছাত্রী নিজে ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। এই যান্ত্রিক যুগে বেশি মেশিনারির ব্যবহার বিশেষ করে মোবাইলের ব্যবহার বাড়িতে বাবা-মাকে কমাতে হবে। সেই সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের নিজে পরিশ্রম করে পড়াশোনায় বেশি আগ্রহী হতে হবে। পরিশ্রম করে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে এবং মোবাইলের প্রতি আসক্তি কমাতে হবে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ছাত্রছাত্রীরা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে নতুন কিছু শিখতে তারা যে সমস্যার সম্মুখীন হয় তা জানতে হবে। যে নিজেকে পৃথিবীতে পরিশ্রমের মাধ্যমে যোগ্য প্রমাণ করতে পেরেছে সে পৃথিবীতে টিকে আছে টিকে থাকবে। যারা নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে পারবে না তারা একদিন কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে রানীহাটি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল বাশার, চুনাখালি এনায়েতুল্লাহ মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. ইসাহক বিন আব্দুল গফুর বক্তব্য প্রদান করেন।

রহনপুরে মমতাজ বেগমের পোশালু উৎসব

রহনপুরে মমতাজ বেগমের পোশালু উৎসব শিশুদের মেধার বিকাশ ঘটাতে স্কুল শিক্ষিকা মমতাজ বেগমের এবারের পোশালুতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে। এবার তিনি শিশুদের মেধার বিকাশ ঘটাতে আয়োজন করেন পোশালু। পুনর্ভবা নদী ঘেঁষা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র রহনপুর পৌর এলাকার বাবুরঘোন মহল্লার ওই শিক্ষিকার বাড়িতে চলে এই আয়োজন। ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী এতে অংশ নেন। শনিবার পোশালুতে নানা আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশুসহ গ্রামের নারীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শিশু শিক্ষার্থীরা গানের তালে নৃত্য, গান, কবিতা, নাটক, গম্ভীরা পরিবেশন করেন। এতে তারা গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যগুলো তুলে ধরেন। অন্যদিকে গ্রামের নারীরা পোশালু উৎসবের রান্নার আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করেন। তারা কেউ কেউ গল্পের তালে পোশালুর সিদ্ধ ডিম থেকে খোসা ছড়াচ্ছেন। আবার কেউ ভাত রান্না করছেন। রান্না শেষে নারীরা হারিয়ে যাওয়া খেলাধুলায় অংশ নিয়েছেন। দুপুরে সকলে একসঙ্গে সারিবদ্ধ হয়ে বসে খাবার খেয়েছেন। উত্তর রহনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মমতাজ বেগম এসবের আয়োজন করেন। শিশুদের পড়ালেখার পাশাপাশি গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়ায় সংস্কৃতিগুলো তুলে ধরতে তার এ প্রচেষ্টা বলে জানান। সেই সঙ্গে তাদের মেধার মনোনিবেশ ঘটানো ছিল তার উদ্দেশ্য। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতি বছরের বিভিন্ন সময়ে তাদের প্রিয় শিক্ষিকা মমতাম বেগম গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতিগুলো তুলে ধরতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এবার তিনি শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে পোশালু উৎসবের আয়োজন করেন। তারা প্রাথমিক পর্যায়ের ৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী এতে অংশ নিয়েছেন। তারা জানান, মমতাজ ম্যাডামের আন্তরিকতা তাদের মুগ্ধ করেছে। নতুন কিছু শিখতে ও জানতে পারলাম। ৫ম শ্রেণির ছাত্র নিরবসহ অন্য ছাত্ররা জানান, পোশালু কি তা আজ জানতে পারলাম। কিভাবে করতে হয় তা দেখলাম ও জানলাম। খেলাধুলার পাশাপাশি নাচ, গান, নাটিকাতে অংশ নিয়েছি। নানা-দাদাতের আমলে তারা কি করতেন সেটা আজ উপলদ্ধি করলাম। জেলা সদর থেকে আসা সাজিদ তৌহিদ জানান, পরিবার নিয়ে এই আয়োজনে অংশ নিয়েছি। বউ ও ছেলে বেশ খুশি। ছেলে মমতাজ আপার বাড়ির উঠানে ধান রাখার কুটি প্রথম দেখল। এছাড়া তার বাড়িতে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র রেখেছেন। পুরনো আমলের সংস্কৃতিগুলো নতুনদের সামনে তুলে ধরছেন এটা প্রশংসার দাবি রাখেন তিনি। এখানে এসে ছোটবেলার স্মৃতিগুলো ভেসে উঠেছে। রহনপুর জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হাবিবা সাত্তার জানান, এসব আয়োজন শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধার বিকাশ ঘটাবে। শিশুরা হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি জানতে পারছে, কিভাবে হতো সেটা আবার জানতে পারছে। তাদের মধ্যে মনোবিকাশ ঘটছে। এই আয়োজনে অংশ নিতে পেরে বেশ ভালো লাগছে। মমতাজ বেগম গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য নতুনদের কাছে তুলে ধরছেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আয়োজনে। এ বিষয়ে শিক্ষিকা মমতাজ বেগম বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি অনেকটা বিলুপ্তির দিকে। এসব নতুন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের উৎসব পালন করি। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য তুলে ধরতে পোশালু উৎসব করি। গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা তাকে এ উৎসবে সহায়তা করেছেন বলে তিনি জানান।

অলিম্পিয়াডে অংশ নিলেন দুই সহস্রাধিক শিক্ষর্থী

অলিম্পিয়াডে অংশ নিলেন দুই সহস্রাধিক শিক্ষর্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুলে এ প্রতিযোগিতার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২ হাজার ৫৯৭ জন রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজারের অধিক পরীক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, ইসলামিক জ্ঞান ও পরিবেশ বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একযোগে এমন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরে তাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে। অভিভাবকরা জানান, অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিতসহ অন্যান্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহী করবে বিশেষ করে তাদের গাণিতিক দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব হবে। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজাহার আলী বলেন, বাংলা, ইংরজি, বিজ্ঞান ও গণিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে চর্চা বাড়াতে ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি করতে অলিম্পিয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিগগির ফলাফল প্রস্তুত করে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকল ও স্কুল ব্যাগ দেয়া হবে।

নাচোলে দুই ভাই হত্যা মামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন এলাকাবাসীর

নাচোলে দুই ভাই হত্যা মামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন এলাকাবাসীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত আপন দুই ভাই আলম ও মিলন হত্যা মামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নাচোল উপজেলার ফুলবাড়ী মোড়ে ভুক্তভোগী পরিবারের ব্যানারে এলাকার কয়েকশত নারী-পুরুষ এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য দেন— নিহত আলম ও মিলনের ভাই আহত আমিরুল ইসলাম ও শরিফ কাফি, জুলেখা খাতুন, নূরেশা, কাহার আলী, মামুন আলীসহ আরো অনেকে। বক্তারা বলেন, আপন দুই ভাইকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হলেও পুলিশ মাত্র ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অপর আসামিদের এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অবিলম্বে মামলার সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। প্রসঙ্গত, গত ১৪ অক্টোবর নাচোল উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মাড়কইল সাহাপুকুর এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৪ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে পরদিন ১৫ অক্টোবর মিলন আলী ও তার ভাই আলম আলী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংঘর্ষের ঘটনায় হত্যা ও লুটপাটের অভিযোগে নাচোল থানায় আলাদা তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। এঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে নাচোল থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. সৈকত বলেন— ৫ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি, কয়েকদিনের মধ্যেই

আন্ত:স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় চাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা

আন্ত:স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় চাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা আন্ত:স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় ২০২৫ এ বিভাগীয় চাম্পিয়ন হওয়ায় মাসুদ উল হক ইনিস্টিউটের নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শনিবার বিকালে মাসুদ উল হক ইনিস্টিউট প্রাঙ্গণে কেক কেটে নারী দলের এ অর্জনকে উদযাপন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতী সন্তান প্রবাসী রেজা হায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাসুদ উল হক ইনিস্টিউটের প্রধান শিক্ষক নাসিউল আলম, সহকারী শিক্ষক সৈয়দ ওয়াহদেুল ইসলাম, সামিরুল ইসলাম, সংগঠক আসরাফুল আম্বিয়া সাগর, নারী উদ্যোক্তা শাহনাজ পারভিন রুমি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউটস লিডার খসরু পারভেজ, স্কাউটার আব্দুর রব নাহিদসহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে চাম্পিয়ন দলের ২০ সদস্যকে ৫ হাজার করে টাকা ও তাদের কোচকে ১০ হাজার টাকা উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।