বাংলাদেশ সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে

বাংলাদেশ সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৯২ রানে হারে বাংলাদেশ। এতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০তে পিছিয়ে যায় সফরকারীরা। আজ বিকেল চারটায় শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। সিরিজে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। এমন বাচা-মরার লড়াইয়ে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শান্তর মতে, উইকেট শুষ্ক থাকায় ব্যাটিংয়ে সহায়তা হবে। ম্যাচের শেষ দিকে সুইংয়েরও আশা করছেন তিনি। অন্যদিকে আফগানিস্তান অধিনায়ক হাশমাতউল্লাহ শাহিদির চাওয়া, বাংলাদেশকে ২৪০ রানের আটকানো। এই ম্যাচে অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তার জায়গায় উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন জাকের আলী। স্পিনার রিশাদ হোসেনের জায়গায় নেওয়া হয়েছে আরেক স্পিনার নাসুম আহমেদকে।বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।
লেখালেখিতেও সিদ্ধহস্ত বরণ্যে অভিনেতা আফজাল হোসেন

লেখালেখিতেও সিদ্ধহস্ত বরণ্যে অভিনেতা আফজাল হোসেন নির্মাণ আর অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখিতেও সিদ্ধহস্ত বরণ্যে অভিনেতা আফজাল হোসেন। প্রায় সময় তার লেখা উঠে আসে নানা ইস্যু। আবার কখনও তিনি মনের কথাগুলো তুলে ধরেন ভক্ত-দর্শকদের কাছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি লিখেছেন, বাঙালির স্বভাব ও আচরণ নিয়ে। আজ শনিবার এক ফেসবুক পোস্টে আফজাল হোসেন লিখেছেন, ‘আজ-কালকার মানুষেরা নিজেদের বিচারে নিজেরাই ঠিক করে নেয়, কারা ভালো আর মন্দ কারা। শুধুমাত্র নিজের, নিজ গোষ্ঠী ও নিজের স্বার্থের মানুষদের ভালো মনে করে, নিজেদের ভালোই মন দিয়ে চায়। যত দোষ নন্দ ঘোষের মত, অন্যদেরকে খুবই খারাপ ভাবে। ভাবে, তাদের দোষেই দেশ-সমাজ-মানুষ সবই যাচ্ছে রসাতলে। তিনি আরও লিখেছেন, ‘অর্ধশত বছরেরও বেশি সময় ধরে একটা জাতি চোখ থাকিতে অন্ধের মতো। তারা যেটা দেখতে চায় সেটা দেখে, যা দেখতে চায় না- দেখে না। তারা বুঝেও নিজ নিজ সুবিধামতো। খুশি হওয়া উচিত হবে না মনে করে খুশি হওয়ার মতো বিষয়েও মুখ বেজার করে থাকে। স্বার্থপর চিন্তা, চরিত্র কারো ভালো ডেকে আনে না। পিছন ফিরে তাকালে নিজেদের স্বভাবের মন্দ দিকটা স্পষ্ট দেখা যায়। দেশে বিশেষ হয়ে উঠবার একঘেয়ে ফর্মুলা হচ্ছে- আমি ভালো, তুমি খারাপ। দেশটা স্বাধীন হওয়ার পর থেকে যারা যারাই শাসনক্ষমতায় এসেছে- টিকিয়ে রেখেছে ওই একটাই ভাব, বিশ্বাস, মন্ত্র- আমি ভালো তুমি খারাপ। অন্যের প্রতি ঘৃণার করে মুক্তি মেলে না সেকথা উল্লেখ করে আফজাল হোসেন লিখেছেন, ‘একটা জাতি একজীবনে দেখে যেতে পারল না, আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা নিয়ে কেউ মানুষের পক্ষ নিয়ে দাঁড়িয়েছে। কালে কালে দেখতে হয়েছে- আমার আপন আর অন্যের পর হও- তাতেই মানুষ তোমার মিলবে মুক্তি। পর হয়ে শত্রু বনে, অন্যদের প্রতি ঘৃণার পাহাড় তৈরি করে মুক্তি মেলে না। শত্রু শত্রু খেলতে খেলতে এখন কে, কাকে বন্ধু বলে ভাবতে পারে মানুষ? কে, কাকে বিশ্বাস করে? দিনভর যদি দেখতে হয় কারো প্রতি কারো শ্রদ্ধা নেই, ভক্তির প্রয়োজন নেই, পরস্পরকে অসম্মান অমর্যাদা করে আত্মসুখ মিলছে- এসবের কোনোটাই কোনো মানুষের অর্জন নয়। সবশেষে এই অভিনেতা ও নির্মাত লিখেছেন, ‘আমরা দেশের, দল বা গোষ্ঠীর গৌরবে গৌরবান্বিত বোধ করি কিন্তু মানুষ পরিচয়ের গৌরব কিসে, কিভাবে তা অর্জিত হতে পারে- তা নিয়ে ভাবি না। আমরা জিততে চাই গায়ের জোরে, প্রতিহিংসার তীব্রতা দিয়ে। জিতি। আনন্দ উল্লাস করি কিন্তু জানা হয় না মানুষ থাকছি না কেউ, রোজ হেরে হেরে ভূত হয়ে যাচ্ছি।
পুতিন অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন ট্রাম্পকে

পুতিন অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন ট্রাম্পকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সোচি শহরে এক অনুষ্ঠানে পুতিন বলেন, ‘আমার মতে, তিনি অত্যন্ত সঠিক উপায়ে, সাহসের সঙ্গে একজন সত্যিকারের পুরুষের মতো আচরণ করেছিলেন। এই সুযোগে আমি তাকে নির্বাচনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর হামলা হয়। এ সময় তিনি আহত হন। ওই ঘটনায় ট্রাম্পের প্রশংসা করে তাঁকে ‘সত্যিকারের পুরুষ’ বলে অভিহিত করেন পুতিন। তবে নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনে শান্তি ফেরাবেন। এ বিষয়ে ৭২ বছর বয়সী পুতিন একটি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘আমি জানি না, এখন কী হচ্ছে? এ বিষয়ে আমার কোনো ধারণা নেই।
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দিচ্ছে বাফুফে সাফজয়ীদের

দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দিচ্ছে বাফুফে সাফজয়ীদের নেপালে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নারী দলের এই অর্জনে দারুণ খুশি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফের) নতুন কমিটি। সাফজয়ী দলের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে দেড় কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বাফুফের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর নেপালকে তাদের মাটিতে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে নারী দল। এরপর দেশে তাদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে নারী দলকে এক কোটি টাকা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও মেয়েদের আর্থিক পুরস্কার দেয়। এবার নারী ফুটবলারদের নিজ প্রতিষ্ঠান বাফুফেও সে পথেই হেঁটেছে। এর আগে, নেপালে মেয়েদের সাফ ব্যস্ততার মধ্যে গত ২৬ অক্টোবর ঢাকায় বাফুফের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে বাফুফে প্রধান হন তাবিথ আউয়াল। তার নেতৃত্বাধীন কমিটিই আজ বাফুফে ভবনে প্রথম সভায় মিলিত হয়। যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নারী দলের অর্জন। আর্থিক পুরস্কার ছাড়াও নারী দলকে বাফুফের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির নতুন চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম।
ইসরাইলের কাছে অবিলম্বে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের আহ্বান ৫২ দেশের

ইসরাইলের কাছে অবিলম্বে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের আহ্বান ৫২ দেশের জাতিসংঘের ৫২টি সদস্য দেশ ইসরাইলের কাছে অবিলম্বে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে। চিঠিতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সহিংসতা এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের দুর্ভোগের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ইসরায়েলে সামরিক রপ্তানি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে দেশগুলো। শনিবার ৯ নভেম্বর এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাক্ষরকারী দেশগুলো গাজা এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি অঞ্চলে মানবিক সংকটের বিষয়ে তাদের ক্রমবর্ধমান শঙ্কা প্রকাশ করেছে। এছাড়া চিঠিতে অস্ত্রের প্রবাহ রোধ করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে যা সম্ভাব্য সংঘর্ষকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান অবশ্য আগে থেকে নাকচ করে আসছে ইসরাইল। এমনকি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকার। তাই এটা সহজেয় অনুমেয়, অস্ত্র বিক্রি বন্ধে ৫২ দেশের এই উদ্যোগে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের কোনো হেরফের হবে না। মূলত ইসরাইল অস্ত্র বিক্রির এই আহ্বানটি প্রতীকী। তবে এই পদক্ষেপের কারণে কিছু দেশ ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, কিছু দেশ ইসরাইলের সাথে তাদের সামরিক সহযোগিতা পুনর্বিবেচনা করতে পার। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় মিত্রদের মতো বড় শক্তিগুলো তাদের নীতিতে কোনও পরিবর্তন আনবে বলে মনে হয় না।
৬ দিনে ৪৫৯ জন্মনিবন্ধন বিতরণ পাসওয়ার্ড পাল্টে

৬ দিনে ৪৫৯ জন্মনিবন্ধন বিতরণ পাসওয়ার্ড পাল্টে রৌমারীর চরশৌলমারী ইউপি সচিব মিনারুল হকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৬ দিনে ৪৫৯টি জন্মনিবন্ধন তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউপির চেয়ারম্যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান একেএইচএম সাইদুর রহমানের মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ১৫-২০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪৫৯ জনের জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করে বিতরণ করেছেন সচিব মিনারুল হক। যার, প্রায় ৯৭ শতাংশ অন্য জেলার মানুষ। তাদেরকে শনাক্ত করতে পারেননি ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও এলাকার জনগণ। চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের ধারণা, এসব নিবন্ধন রোহিঙ্গা ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হওয়া সম্ভাবনা আছে। ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, আরও প্রায় আড়াইশ আবেদন করা হয়ে ছিল। তার অভিযোগ, ১৮ আগস্ট চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদে সচিব পদে যোগদান করেন মিনারুল হক। যোগদানের দিন ছাড়া অন্যসব দিনে ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। এ কারণে তাকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশও করা হয়। তিনি পরিষদে না আশায় স্থবির হয়ে পড়ে কার্যক্রম। সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। অভিযোগের বিষয়ে ইউপির সচিব মিনারুল হক বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। অপরাধী হলে যে শাস্তি দেবে, তা মাথা পেতে নেব।
স্মার্ট কার্ডেই মিলবে টিসিবির পণ্য

স্মার্ট কার্ডেই মিলবে টিসিবির পণ্য একটি পরিবার থেকে একজন ব্যক্তির টিসিবি কার্ড পাওয়ার কথা থাকলেও প্রায়ই অভিযোগ পাওয়া যায় একাধিক ব্যক্তি এই সুবিধা নিচ্ছেন। এর ফলে ‘প্রকৃত সুবিধা দরকার’ এমন অনেকেই এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তবে এই অবস্থা আর থাকছে না। বাতিল হচ্ছে হাতে লেখা কার্ডের প্রচলন। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আঞ্চলিক কার্যালয়ে রমজান উপলক্ষে আগাম প্রস্তুতি বিষয়ক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবীর। হুমায়ুন কবীর বলেন, রমজান উপলক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যেসব পণ্য আমদানি করা হয়, সেসবেরও প্রস্তুতি নেওয়া শেষ। রমজানে পণ্যের কোনো সংকট হবে না। তিনি আরও বলেন, তেল, ডাল, চিনির পাশাপাশি খেজুর ও ছোলা ঢাকা ও অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় দেওয়া হবে। ছোলা ও খেজুরের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি হয়ে গেছে। জানুয়ারির ভেতর পণ্য টিসিবির গুদামে চলে আসবে। হুমায়ুন কবীর বলেন, একটি পরিবার থেকে যেন এক ব্যক্তির বেশি না পায়। এজন্য স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড করা হচ্ছে। ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখন ডিলার নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে ডিলারের প্রয়োজন হলে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, পণ্য স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছাতে বিঘ্ন হচ্ছে না। তবে মনিটরিংটা ঠিকমতো হচ্ছে না। ভোক্তার কাছে সঠিকভাবে যেতে যে সহযোগিতা দরকার, সেটাতে কমতি রয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সভার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ঢাকার বাতাস আজ সহনীয়

ঢাকার বাতাস আজ সহনীয় রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান আজ ‘সহনীয়’ পর্যায়ে রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা নিয়ে দূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এ ছাড়া দূষণের শীর্ষ পাঁচ দেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, চীন, ভিয়েতনাম ও বসনিয়া হার্জেগোভিনা। শনিবার ৯ নভেম্বর সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বের বায়ুদূষণ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করা লাহোরের দূষণ স্কোর ৭২৩। বায়ুদূষণের পরিমাপক অনুযায়ী স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ পরিবেশ বলে বিবেচিত হয়। সেই হিসাবে এই শহরের বাতাস দুর্যোগপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরের দূষণ স্কোর ৩০২, অর্থাৎ সেখানকার বাতাসও ‘দুর্যোগপূর্ণ’ অবস্থায় রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে চায়নার বেইজিং শহর। আজ সকালে এর দূষণ স্কোর ছিল ২১১। পরিমাপক অনুযায়ী স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০৯ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয় শহর।প্রসঙ্গত, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও যেতে পারছে না সেন্ট মার্টিন দ্বীপে

বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও যেতে পারছে না সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে আনুষ্ঠানিক কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও দ্বীপের বাসিন্দা ছাড়া সেখানে কেউ বেড়াতে যেতে পারছেন না। নভেম্বর মাসে পর্যটকরা যেতে পারবেন, তবে থাকতে পারবেন না এমন ঘোষণা থাকলেও দ্বীপ ভ্রমণের সব ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। দ্বীপটির বাসিন্দারা বলছেন, তাদের আত্মীয়-স্বজনরাও বেড়াতে যেতে পারছেন না। পর্যটন ব্যবসায়ী এবং দ্বীপের স্থানীয়রা বলছেন, সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে এমন কড়াকড়ি কখনোই ছিল না, যেটি গুজব সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করেছে। পর্যটন শুরু করা নিয়ে একটা অনিশ্চয়তাও কাজ করছে সবার মধ্যে। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী নভেম্বর মাসে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে বাধা থাকার কথা নয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে বেড়াতে যাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় বাসিন্দাদেরকেও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিজ এলাকায় প্রবেশ করতে হচ্ছে। এমনকি নভেম্বরের চার তারিখে সংবাদ সংগ্রহের জন্য সেন্ট মার্টিন যেতে বিবিসির এই প্রতিবেদককে স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে কোস্ট গার্ডকে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি দিতে হয়েছে। সরেজমিনে কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন ঘুরে এবং কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে আলাপ করে মনে হয়েছে, নভেম্বর মাসেও সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে এক ধরনের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলছে। নভেম্বর মাসে সেন্ট মার্টিনে পর্যটন আদৌ চালু করা সম্ভব হবে কি না সেটি নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে। সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের দ্রুতগামী যাতায়াদের আরেকটি ব্যবস্থা হলো স্পিডবোটে চলাচল। নিরাপত্তার বিবেচনা থেকে স্পিডবোট চলাচলও এখন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ অনুমতি ছাড়া স্পিডবোট চালানোর অনুমতি দেওয়া হয় না। যাতায়াতের জন্য এখনো সেন্ট মার্টিন রুটে পর্যটকবাহী একটিও জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি। স্পিডবোট চলাচলও বন্ধ। যাত্রীবাহী ট্রলার বা সার্ভিস বোট চলাচল করলেও ভ্রমণ করতে লিখিত অনুমতি লাগছে। সেন্ট মার্টিনের বাসিন্দা ছাড়া কাউকে ভ্রমণ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দ্বীপের অধিবাসী কি না নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে ট্রলারের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। দফায় দফায় কোস্ট গার্ড যাত্রীদের এনআইডি যাচাই করছে। অন্যদিকে ভ্রমণের জন্য কোনো অনুমোদন দিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন। উপজেলা পরিষদে একাধিক দেয়ালে বিজ্ঞপ্তি টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হচ্ছে- ২২ অক্টোবর থেকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে কোনো অনুমতি দিচ্ছে না উপজেলা প্রশাসন। সেন্ট মার্টিন যাওয়ার অনুমতি নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে কথা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বলেন, পর্যটন পারপাসে এখন অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এখন এনজিও কর্মী, গবেষণার কাজে কিংবা সংবাদ সংগ্রহের মতো জরুরি প্রয়োজনে যারা যায়, তাদেরকেই শুধু অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। সেন্ট মার্টিন গিয়েও কোস্ট গার্ডের চেকপোস্ট রয়েছে। সেখানে নাম-পরিচয় লিপিবদ্ধ করে দ্বীপে প্রবেশ করতে হয়। ভ্রমণে কড়াকড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে সেন্ট মার্টিনে কোস্ট গার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার এস এম রাশাদ হায়দার বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভ্রমণ করতে কেউ সেন্ট মার্টিন যাতে না আসতে পারে, সে জন্য তারা মনিটরিং করছেন। কেউ যদি সেন্ট মার্টিন দ্বীপে চলে আসে, তাকে ফেরত পাঠানো হবে। তিনি বলেন, সমন্বয় সাধন করেই যাওয়া-আসাটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এখানে যাদের অনুমতি আছে তাদের আসতে আসলে কোনো বাধা নেই। বাট ভ্রমণটা যেহেতু এখনো নিষিদ্ধ, ভ্রমণ শুরু হলে ওনারাও আসতে পারবেন। এদিকে পর্যটনে এমন কড়াকড়ির ফলে দ্বীপের বেশির ভাগ দোকানপাট, পর্যটনকে ঘিরে নির্মিত হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ। ভ্রমণে এই কড়াকড়ি নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন দ্বীপের স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং বাইরে থেকে যাওয়া বিনিয়োগকারীরা। বাইরে থেকে যারা পর্যটন খাতে দ্বীপে বিনিয়োগ করেছেন তারা পড়েছেন মারাত্মক বিড়ম্বনায়। পর্যটনের প্রস্তুতি, সেবা দেওয়ার জন্য স্টাফ আনারও সুযোগ হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দৈনিক দুই হাজার করে পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবেন, যার প্রতিবাদে নিয়মিত বিক্ষোভ আন্দোলন ও মানববন্ধন কর্মসূচি চলছে সেন্ট মার্টিনে। পাঁচই নভেম্বর সেখানে বিক্ষোভ মিছিল এবং মানববন্ধন করেন দ্বীপের ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসীন্দারা। সেখানে উপস্থিত একজন বলেন, ‘এই দ্বীপের সঙ্গে অন্য এলাকার যারা আত্মীয়তা করছেন, তারাও আসতে পারছেন না। বউ আনলে বউ আসতে পারছেন না, জামাই হলে জামাই আসতে পারছেন না। তা হলে এটা কোন ধরনের স্বাধীনতা আমরা বুঝলাম না।’রিসোর্টের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মো. জসিম বলেন, সেন্ট মার্টিনে দ্বীপের দশ হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা এবং পরিবেশ দুটোই সমান গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিমানবন্দরের ভেতরে তাদের ডিউটি করতে দেওয়া হচ্ছে না এভসেক-এপিবিএন

বিমানবন্দরের ভেতরে তাদের ডিউটি করতে দেওয়া হচ্ছে না এভসেক-এপিবিএন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও এভিয়েশন সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এভসেকর বাধায় ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করতে পারছে না এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এরই মধ্যে গত ২৮ অক্টোবর গভীর রাতে বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোন এরিয়ায় অবস্থিত এপিবিএনের অফিসটি দখল করে এভসেক। এ ঘটনায় পরদিন ২৯ অক্টোবর এপিবিএনের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সরকারি দুই সংস্থার এমন মুখোমুখি অবস্থান বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য শঙ্কা হয়ে দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিকভাবেও শাহজালাল বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো একে অপরের সঙ্গে সহমর্মিতা নিয়ে কাজ করবে, এটাই কাম্য। তবে এভসেক ও এপিবিএনের এ ধরনের মুখোমুখি অবস্থান আমাদের কাছে মোটেও কাম্য নয়। এ বিষয়ে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভুঁইয়া বলেন, এভসেক সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব সিকিউরিটি। বিমান বাহিনী, এপিবিএনসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এভসেকের অধীনের নিরাপত্তার কাজটি করে থাকেন। এখানে কারো সঙ্গে কারো বিরোধ নেই। সবাই সরকারি সংস্থার লোক। আর ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের অধীনে বিমান বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য কাজ করছে। যতদিন নিরাপত্তাব্যবস্থা সুষ্ঠু হবে না, সেই সময় পর্যন্ত তারা কাজ করবে। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের অ্যাপ্রন এলাকায় (যেখানে বিমান পার্ক করা, লোড-আনলোড করা, রিফুয়েল করা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়) এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের কমান্ড সেন্টার অবস্থিত। গত ২৮ অক্টোবর গভীর রাতে এপিবিএনের অফিসটি দখল করে এভসেক। এ ঘটনায় এপিবিএনের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা জিডির বিষয়ে গতকাল বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর। তাই আমরা জিডির বিষয়টি লিখিতভাবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানিয়েছি। এখন পর্যন্ত জিডির কোনো তদন্তকাজ শুরু হয়নি। এপিবিএনের অধিনায়ক সিহাব কায়সার খান বলেন, আমাদের সক্ষমতা অগে যেমন ছিল এখনো রয়েছে। আমরা দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আমাদের সেটি করতে দেওয়া হচ্ছে না। সরকারি পরিপত্র, আইকাও (আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা)-এর নিয়মাবলী যেভাবে রয়েছে, আমরা সেভাবেই দায়িত্ব পালন করে আসছি। এখন কী কারণে এপিবিএনকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে সেটি বোধগম্য নয়। অ্যাপ্রন এরিয়ায় আমাদের অফিসটি না জানিয়ে তারা নিয়ে গেছে। আমাদেরকে এয়ারসাইড ও টার্মিনাল সাইডে ডিউটি করতে দেওয়া হচ্ছে না। আগে ১ হাজার ২০০ পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করত। এখন ৬০০ পুলিশ ডিউটি করছে। এদিকে, ৫ আগস্টের পর বিমানবন্দরে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে বিমান বাহিনী থেকে ফোর্সের ৬০০ সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়েছে। ফলে বিমানবন্দরের ভেতরে এপিবিএনের সদস্যদের ডিউটি করতে দেওয়া হচ্ছে না। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক আবেদনের পর মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি চাকরিরত কোনো ডিসিপ্লিনড ফোর্সের সদস্যদের আইনসম্মতভাবে বছরের পর বছর অন্য কোথাও সংযুক্ত রাখা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রেটিং ছিল থার্ড ক্যাটাগরিতে, অর্থাত্ নিরাপত্তা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। নিরাপদে অবতরণ ও উড্ডয়ন ছিল হুমকির মুখে। অবাধ চোরাকারবারীর অভিযোগ ছিল। যাত্রী হয়রানি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। পার্কিংয়ে ছিল না কোনো শৃঙ্খলা। পরিবহন শ্রমিকদের দৌরাত্ম্য ছিল চরমে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১০ সালের ১ জুন বিমানবন্দরে নিরাপত্তার কাজ শুরু করে আর্মড পুলিশ। নিরাপত্তার পাশাপাশি চোরাচালান রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এপিবিএন।