শিবগঞ্জে ভটভটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু

শিবগঞ্জে ভটভটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিৎপুর বাজার সংলগ্ন একটি ফিলিং ষ্টেশনের সামনে সোনামসজিদ স্থলবন্দর মহাসড়কে গরুবোঝাই একটি ভটভটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের উপর রাজারামপুর এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে আব্দুল ওয়াহাব। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে শিবগঞ্জ থেকে সোনামসজিদ মহাসড়ক ধরে একাই মোটরসাইকেল চালিয়ে চাঁপাইনববাবগঞ্জ যাবার পথে ছত্রাজিৎপুর বাজারের নিকট বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গরুবোঝাই ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে ওয়াহাবের মোটরসাইকেলের। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর বিকাল ৫টার দিকে তিনি মারা যান। শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরমান হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই ভটভটি চালক ভটভটি নিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে শনাক্ত ও আটকে অভিযান শুরু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ।

 এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি দিবস ও নবান্ন উৎসব

 এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি দিবস ও নবান্ন উৎসব বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রতিবারের ন্যয় এবারও পহেলা অগ্রহায়ণ চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয় বাংলাদেশ এ জাতীয় কৃষি দিবস-২০২৪ ও নবান্ন উৎসব উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে এ উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি  শহরে অবস্থিত বিশ^বিদ্যালয়ের মুল ক্যাম্প্যাস থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।  এরপর ক্যাম্পাস সংলগ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্কে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার লোকজ গান,নৃত্য,নাটিকা ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিক্ষার্থীরা।  সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শেষে ক্যাম্পাস অডিটেরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. সাহেব আলী প্রামানিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক ইউসুফ হোসাইন খান। সভাপতিত্ব করেন কৃষি অনুষদের কো-অর্ভিনেটর মেহেদী হাসান সোহেল। বক্তরা বলেন, শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে হেমন্তকাল। কৃষকের মুখে এখন নতুন ধানের হাসি। বাংলার মাঠে মাঠে সোনালী রং এর মেলা। বাতাসে নতুন ধানের  সুবাস। ধান ঘরে তুলতে কৃষক-কৃষানীদের ব্যস্ততা। তাঁদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা। বাংলার কৃষক ও কৃষিকে এগিয়ে নিতে প্রতিবছরই ১লা অগ্রহায়ণ জাতীয়ভাবে পালন হয় কৃষি দিবস। বক্তরা আরও বলেন, এ দেশ ধানের দেশ-গানের দেশ-পাখির দেশ। দেশের অর্তনীতি বহুলাংংশে নির্ভর করে কৃষি ও কৃষকের উপর। কৃষক জাতির মেরুদন্ড এবং সব সাধকের বড় সাধক। কিন্তু আমাদের কৃষকরা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। তাদের আধুনিকায়ন করা, গ্রামে গ্রামে কৃষি সমবায় সমিতি গড়ে তোলা ও কৃষি বীমা চালু এখন সময়ের দাবী। বক্তরা পহেলা বৈশাখের মত সারাদেশে  কৃষি দিবসও উৎসবমূখর পরিবেশে পালনের দাবী জানান। তারা আশাপ্রকাশ করে বলেন, দিবসটি বাঙ্গালী জাতীয় জীবনে অনাবিল আনন্দ-সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এবং ‘কৃষিই কৃষ্টি, কৃষিই সমৃদ্ধি’ ¤েøাগাণ সফল হোক। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষাথী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

হাজীদের রিফান্ড টাকার নামে প্রতারণা বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

হাজীদের রিফান্ড টাকার নামে প্রতারণা বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা হাজীদের রিফান্ডের টাকা দেওয়ার নামে প্রতারণা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাজীদের রিফান্ডের টাকা দেওয়ার নামে প্রতারণার অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আপনার ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, নগদ বা বিকাশের গোপন নম্বর কাউকে দেবেন না।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারই প্রধান চ্যালেঞ্জ-প্রধান উপদেষ্টা

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারই প্রধান চ্যালেঞ্জ-প্রধান উপদেষ্টা সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি)র তৃতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ড. ইউনূস বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, ও বাক-স্বাধীনতার। দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারই সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ। থ্রি জিরোর ভিত্তিতে সভ্যতা তৈরির আহ্বান জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, শুধু পরিবেশের দিক দিয়েই নয়, মানুষ মুনাফার পেছনে মরিয়া হয়ে উঠাও এর জন্য দায়ী। আসুন আমরা নতুন একটি সভ্যতা তৈরি করি থ্রি জিরোর ভিত্তিতে।

জুলাই গণবিপ্লবের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত করা হবে-ক্রীড়া উপদেষ্টা

জুলাই গণবিপ্লবের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত করা হবে-ক্রীড়া উপদেষ্টা   জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশে আরও সময় লাগবে। এখনো গণকবরের সন্ধান মিলছে। জুলাই-আগস্টের গণবিপ্লবের ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে পাঠ্যপুস্তকে একটি অধ্যায় যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘শহীদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম তৈরি করা হবে। এসব স্টেডিয়ামের নাম সেই উপজেলার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের নামে নামকরণ করা হবে।

২৭ বছর বয়সী ক্যারোলিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি

২৭ বছর বয়সী ক্যারোলিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হতে চলেছেন ক্যারোলিন লেভিট। আজ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়ে বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ পদের জন্য ২৭ বছর বয়সী ক্যারোলিন লেভিটের নাম ঘোষণা করেছেন। ক্যারোলিন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র ছিলেন। তিনিই হবেন মার্কিন ইতিহাসে হোয়াইট হাউসের সর্বকনিষ্ঠ প্রেস সেক্রেটারি। ক্যারোলিন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হিসাবে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন এবং প্রশাসনের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ভূমিকা পালন করবেন। নিউ হ্যাম্পসায়ারের বাসিন্দা ক্যারোলিন ২০১৯ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পরপরই হোয়াইট হাউসের জন্য কাজ শুরু করেছিলেন।

ঘুরে বেড়াচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, আসবে বাংলাদেশেও

ঘুরে বেড়াচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, আসবে বাংলাদেশেও সব ঠিক থাকলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগামী আসর বসবে পাকিস্তানে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেই টুর্নামেন্টের পর্দা উঠবে। তবে মূল টুর্নামেন্টের আগে আইসিসির উদ্যোগে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ঘুরে বেড়াবে কয়েকটি দেশ, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। আইসিসির এক সূত্র থেকে জানা গেছে, এই ট্রফি এরই মধ্যে ১৪ নভেম্বর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ট্রফিটি পৌঁছেছে এবং পরবর্তী সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে এটি প্রদর্শিত হবে। আইসিসি জানিয়েছে, পাকিস্তানের মুরি, হুনজা, মুজাফফরাবাদ ও স্কার্দুতে ট্রফিটি নিয়ে যাওয়া হবে, এমনকি কেওটুজ পাহাড়েও ট্রফিটি নিয়ে যাওয়া হবে যা পর্যটন প্রচারের অংশ। তবে করাচি, লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডি শহরগুলোতে এটি নিয়ে যাওয়া হবে না, কারণ সেখানে বর্তমানে ধোঁয়াশার কারণে প্রতিকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশে ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ট্রফির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে, যা ঢাকার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 ক্রিকেট আয়োজন নিষিদ্ধ করা উচিত পাকিস্তানে ও ভারতে

 ক্রিকেট আয়োজন নিষিদ্ধ করা উচিত পাকিস্তানে ও ভারতে পাকিস্তানে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের অংশগ্রহণ নিয়ে নাটকীয়তা এখন সবারই জানা। এবার সেই বিষয়টির প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানের সাবেক উইকেটকিপার ব্যাটার রশিদ লতিফ বলেছেন, তার হাতে ক্ষমতা থাকলে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানকে খেলতে দিতেন না তিনি। এছাড়া, ঝামেলা সমাধানের আগে পাকিস্তান ও ভারতে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে দেওয়া আইসিসির উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলতে পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার কথা আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট সংস্থা বিসিসিআই। এমন ধারণাও করা হচ্ছে, পুরো টুর্নামেন্টটি পাকিস্তানের বাইরে আয়োজিত হতে পারে। ভারত দলের পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার বিষয়টির লিখিত আইসিসির কাছে চেয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সোজাসাপ্টা কথা বলার জন্য পরিচিত লতিফ পিটিআইকে বলেন, ‘একটা বড় সম্ভাবনা আছে ভারতের বিপক্ষে খেলাই বন্ধ করে দিতে পারে পাকিস্তান। আমার হাতে যদি ক্ষমতা থাকত হ্যাঁ, আমি শক্ত পদক্ষেপ নিতাম। আমি এজন্য কাউকেই দোষ দিচ্ছি না। যদি তোমরা পাকিস্তানে খেলতে না চাও, তাহলে কোনো প্রতিযোগিতায়ই খেলার দরকার নেই। পাকিস্তানের হয়ে ৩৭টি টেস্ট ও ১৬৬ ওয়ানডে খেলা লতিফ আরও বলেন, ‘আমার মতে, এসব ঝামেলা মিমাংসা হওয়ার আগে আইসিসির উচিত দেশ দুইটি থেকে আয়োজনের স্বত্ব তুলে নেওয়া। মূলত, সরকারের পরামর্শেই পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ক্রিকেট দল। ক্রিকেটে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, বিশেষ করে এশিয়ায়; লতিফ টেনে এনেছেন শ্রীলংকা ও জিম্বাবুয়ে প্রসঙ্গও। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ক্রিকেটে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলংকাকে নিষিদ্ধ করেছিল আইসিসি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। লতিফ বলেন, ‘ভারত এবং পাকিস্তান নিষিদ্ধ হচ্ছে না কেন? কারণ, আইসিসি অনেকাংশে তাদের ওপর নির্ভর করে। নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ভারত দলের পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের চরম সমালোচনা করেছেন লতিফ। তিনি বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো, আমি বলব বিসিসিআই ভুল করছে। তারা যে কারণ (পাকিস্তানে না যাওয়ার) দেখিয়েছে সেটা খুবই দুর্বল। এটা তাদের লিখিত দেওয়া উচিত যে বিসিসিআই এবং ভারত ক্রিকেট দল হুমকি অনুভব করছে। আইসিসির নিরাপত্তা দল এখানে (পাকিস্তানে) এসেছে এবং টুর্নামেন্ট আয়োজনে সবুজ সংকেত দিয়েছে। যদি আপনাদের কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে অভিযোগ জানাতে পারেন।

কখন খেলে ওজন কমে

কখন খেলে ওজন কমে ওজন কমানো বা সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে সঠিক ডায়েট করা জরুরি। এক্ষেত্রে কী খাচ্ছেন তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, কখন খাচ্ছেন তাও গুরুত্বপূর্ণ। ডায়েটে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হয় সকালের খাবারে। অনেকে এই বেলা না খেয়ে থাকেন। এতে ওজন তো কমেই না, উল্টো শরীরের ক্ষতি হয়। দেহের বাড়তি মেদ কমাতে চাইলে সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। সেই সঙ্গে শারীরিক চর্চাও লাগবে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই সঠিক সময় কোনটি? সকালের নাস্তা কখন খেলে সবচেয়ে ভালো উপকার মিলবে? সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ মানুষ সকালের খাবার ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে খেয়ে থাকেন। কিন্তু এতে ওজন কমার ক্ষেত্রে কোনো লাভ হয় না। সম্প্রতি লন্ডনের কিংস কলেজের এপিডেমিওলজির অধ্যাপক টিম স্পেক্টর জানিয়েছেন, সকাল ১১টার পর সকালের নাস্তা খাওয়া উচিত। কারণ মানুষের সন্ধ্যার পরও খাবার গ্রহণের অভ্যাস থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেহের বাড়তি মেদ কমাতে চাইলে পেটকে অন্তত ১৪ ঘণ্টা খালি রাখতে হবে। অর্থাৎ এ সময়ে ফাস্টিং বা উপোষ থাকা লাগবে। সাধারণত আমরা ৮-৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে থাকি। ১৪ ঘণ্টার হিসেবে তাই সকালের নাস্তা খাওয়ার উপযুক্ত সময় বেলা ১০টা থেকে ১১টা। কিন্তু ১৪ ঘণ্টা পর খাবার গ্রহণের উপকারিতা কী? প্রফেসর স্পেক্টর জানিয়েছেন, আমাদের দেহের স্বাভাবিক বিপাকের জন্য ১৪ ঘণ্টা সময় অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। এই সময়ের পরে নাস্তা খেলে, অল্প পরিমাণ গ্রহণ করলেও শরীরে দীর্ঘসময় ক্যালোরি বজায় রাখবে। হজমপ্রক্রিয়া খানিকটা বিশ্রাম নিতে পারবে। ফলে ওজনও কমবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা সকালের নাস্তা খাওয়ার আগে ১৪ ঘণ্টা উপবাস করেন তারা কয়েক মাসের মধ্যে ৪ থেকে ১১ পাউন্ড ওজন কমাতে সক্ষম হবেন। কেবল বাড়তি মেদ কমানো নয়, এই কাজটি সুস্বাস্থ্যের জন্যও উপকারি ভূমিকা রাখবে। তবে আপনার যদি সকাল সকাল খাওয়ারই অভ্যাস থাকে তাহলে রাতের শেষ খাবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যেই খেতে হবে। অনেকে মধ্যরাতে স্ন্যাঙ্কসজাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। শরীরের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর। রাতের খাবার খাওয়ার পর পানি ছাড়া অন্য কিছু না খেতে/পান করতে চেষ্টা করবেন। তবে শুধু ডায়েট নয়, ওজন কমাতে সুখাদ্য খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তাহলেই স্বাস্থ্যকর উপায়ে দেহের বাড়তি মেদ ঝরানো সম্ভব হবে।

টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় ইমরুলের

টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় ইমরুলের দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপান না ইমরুল কায়েস। সবশেষ ২০১৯ সালে ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের সাদা জার্সি গায়ে জড়িয়েছিলেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। এরপর ফেরার চেষ্টা করলেও আর দলে জায়গা করে নিতে পারেননি। শেষমেশ টেস্ট দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি চারদিনের ঘরোয়া লাল বলের টুর্নামেন্ট প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকেও বিদায়ের ঘোষণা দেন ইমরুল। আগামী ১৬ নভেম্বর খুলনা বিভাগের পক্ষে শেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচটি খেলবেন ইমরুল। আজ বুধবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় বিদায়ের ঘোষণা দেন তিনি। পোস্টে ভিডিও জুড়ে দিয়ে ক্যাপশনে লেখেন, ‘বিদায় টেস্ট ক্রিকেট। আপনাদের ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ। স্টেডিয়ামে বসে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন ইমরুল। যেখানে বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশের সকল ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের প্রতি ভালোবাসা রেখে জানাতে চাচ্ছি যে আমি খুব দ্রুতই একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। আগামী ১৬ নভেম্বর আমি টেস্ট ক্রিকেটের ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করতে যাচ্ছি। সেই সাথে আমার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেরও সমাপ্তি করতে যাচ্ছি। এটি জীবনে ১৭ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কঠিন ও আবেগের একটি মুহূর্ত।’ ভিডিওতে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বিভিন্ন স্মরণীয় মুহূর্তও তুলে ধরেন ইমরুল। ২০০৮ সালের নভেম্বরে ব্লুমফন্টেইনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট অভিষেক হয় ইমরুলের। ১১ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে মোটে ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন ইমরুল। ৭৬ ইনিংস খেলা ইমরুল করেছেন ১ হাজার ৭৯৭ রান। যেখানে ৩টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি হাঁকিয়েছেন ৪টি ফিফটি। প্রথম শ্রেণিতে ২০টি সেঞ্চুরিসহ প্রায় ৮ হাজার রান রয়েছে ইমরুলের। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে এখনো অবসর না নিলেও এই দুই সংস্করণে ইমরুলের জাতীয় দলে ফেরা বেশ কঠিন। সবশেষ ২০১৮ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেছেন এই সংস্করণে ২ হাজার ৪৩৪ রানের মালিক ইমরুল। আর টি-টোয়েন্টিতে সবশেষ ২০১৭ সালে খেলেছেন মাগুরার এই ক্রিকেটার। যেখানে ১৪ ম্যাচে করেছেন মোটে ১১৯ রান।