বোলারদের পারফরম্যান্সের পর ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাংলাওয়াশ আয়ারল্যান্ড

বোলারদের পারফরম্যান্সের পর ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাংলাওয়াশ আয়ারল্যান্ড বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্সের পর শারমিন আক্তার সুপ্তা ও ফারজানা হকের ব্যাটিং দৃঢ়তায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৭ উইকেটের বড় জয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়ল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এ জয়ের ফলে ওয়ানডে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে আইরিশদের হোয়াইটওয়াশ করেছে লাল-সবুজের দল। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আজ টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা সফরকারীরা নির্ধারিত ৫০ ওভারে বকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রানেই থেমে যায়। জবাবে বাঘিনীরা ১২.৩ ওভার হাতে রেখেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় অতিথিদের বাংলাওয়াশ। আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজটি ছিল উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। সব ম্যাচ জেতায় পাকিস্তানকে টপকে এক ধাপ উপরে উঠে বাংলাদেশ ১৯ পয়েন্ট নিয়ে এখন টেবিলের ৭ নম্বরে আছে। পরের সিরিজটি আগামী জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাঠে।
গোপন দুর্বলতায় কালোজিরাই যথেষ্ট

গোপন দুর্বলতায় কালোজিরাই যথেষ্ট কালোজিরা শুধুই ছোট ছোট কালো দানা নয়, এটি বহন করে বিস্ময়কর ক্ষমতা। প্রাচীনকাল থেকেই এটি বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়। অনেকেই গোপন শক্তি বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন বা ভায়াগ্রা সেবন করেন। তবে তাদের জানানো দরকার, এর জন্য ভায়াগ্রার প্রয়োজন নেই এক চামচ কালোজিরাই যথেষ্ট! কারণ, কালোজিরার এই শক্তি অপরিসীম বলে জানিয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই ডট কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাবসংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক। আসুন জেনে নিই কালোজিরায় আর কি কি উপকারিতা রয়েছে- মাথাব্যথা: মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন উপকার পাবেন। যৌন দুর্বলতা: কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে খাবারের পর এক চামুচ করে খান। এতে গোপন শক্তি বৃদ্ধি পাবে। চুলপড়া: লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে। কফ ও হাঁপানি: বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁপানিতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সঙ্গে এটি মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে। স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও অ্যাজমায় উন্নতি ঘটে: এক চামচ মধুতে একটু কালোজিরা দিয়ে খেয়ে ফেলুন। এতে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। হালকা উষ্ণ পানিতে কালোজিরা মিলিয়ে ৪৫ দিনের মতো খেলে অ্যাজমার সমস্যার উন্নতি ঘটে। ডায়াবেটিস: কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসা চূর্ণ মিশ্রণ এবং কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। মেদ ও হৃদরোগ: চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ কমে যায়। অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্টিক: এক কাপ দুধ ও এক টেবিল চামুচ কালোজিরার তেল দৈনিক তিনবার ৫-৭ দিন সেবন করতে হবে। এতে গ্যাস্টিক কমে যাবে। চোখে সমস্যা: রাতে ঘুমানোর আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরুতে কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। এক কাপ গাজরের রসের সঙ্গে এক মাস কালোজিরা তেল সেবন করুন। উচ্চ রক্তচাপ: যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন, তখনই কালোজিরা খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরার ভর্তা খান রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। এ ছাড়া কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুণ। এটি ২-৩ দিন পরপর করা যায়। জ্বর: সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামুচ কালোজিরা তেল পান করুণ। আর কালোজিরার নস্যি গ্রহণ করুন। স্ত্রীরোগ: প্রসব ও ভ্রুণ সংরক্ষণে কালোজিরা মৌরী ও মধু দৈনিক ৪ বার খান। সৌন্দর্য বৃদ্ধি: অলিভ অয়েল ও কালোজিরা তেল মিশিয়ে মুখে মেখে এক ঘণ্টা পর সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলন। বাত: পিঠে ও অন্যান্য বাতের বেদনায় কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ছাড়া মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। দাঁত শক্ত করে: দই ও কালোজিরার মিশ্রণ প্রতিদিন দুবার দাঁতে ব্যবহার করুন। এতে দাঁতে শিরশিরে অনুভূতি ও রক্তপাত বন্ধ হবে। ওজন কমায়: যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন এই মিশ্রণে কিছু কালোজিরা পাউডার ছিটিয়ে দিন। পান করে দারুণ উপকার পাবেন।
কেন সুপারফুড বলা হয় বিটরুটকে

কেন সুপারফুড বলা হয় বিটরুটকে বিটরুট পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত সবজি। নানারকম পষ্টি উপাদানের ভরপুর লালচে-বেগুনি রঙের এই সবজিকে সুপারফুডও বলা হয়। এই সবজি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বিটুরটে রয়েছেন ভিটামিন সি, আয়রন, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপদান। আছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার। বিটরুট কেন খাবেন? বিটরুটে রয়েছে ভিটামিন সি ও বিটালাইন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে শরীরর রোগমুক্ত থাকে। ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং চুলকে স্বাস্থ্যকর রাখে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার আছে বলে ঞম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে বিটরুট। অন্ত্রের নানা সমস্যাও দূর করে। বিটরুটে আছে নাইট্রেট, এটা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, রক্তনালীকে শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পটাসিয়াম হার্ট সুস্থ রাখতে কার্যকর। এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। প্রচুর আয়রন আছে বলে বিটরুটে শরীরে হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে। এটা অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করাতেও বেশ কার্যকরী। বিটরুট শরীরকে শক্তি জোগায় এবং ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। তাই খেলোয়াড় ও পরিশ্রমী ব্যক্তিদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী। বিটরুটে আছে বিটালাইন নামে খাদ্য উপদান, এটা শরীরের কোষগুলোকে সুরক্ষিত রাখে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কীভাবে খাবেন? সালাদে কাঁচা বিটরুট মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া ব্লেন্ড করে জুস বানিয়েও সহজে খাওয়া যায়। বিটরুটের জুস খুবই পুষ্টিকর। সেদ্ধ বিটরুট সহজপাচ্য এবং সুস্বাদু। বিটরুট দিয়ে স্যুপ তৈরি করে খাওয়া যায়। বিটরুটের হালুয়া বা পুডিংও বেশ জনপ্রিয়। সতর্কতা : অতিরিক্ত বিটরুট খেলে প্রস্রাব ও মল লালচে হতে পারে, এতে অবশ্য ভয় পাওয়ার কিছু নেই। যাদের কিডনিতে পাথর আছে বা কিডনি জটিলতায় যারা ভুগছেন তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিটরুট খাওয়া উচিত। শেষ কথা হলো, বিটরুট একটি সুপারফুড, যা নিয়মিত খেলে শরীর সুস্থ ও শক্তিশালী থাকে। এর পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই খাদ্যতালিকায় বিটরুট যোগ করুন এবং সুস্থ থাকুন।
জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে লাশ উদ্ধার হলো

জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে লাশ উদ্ধার হলো দক্ষিণ ভারতের কন্নড় সিনেমা ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শোবিতা শিবান্নাকে তার ফ্ল্যাট থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর (রবিবার) হায়দরাবাদে নিজের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অভিনেত্রীর দেহ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তেলেঙ্গানার রাঙ্গারেড্ডির ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন শোবিতা শিবন্না। সেখানে তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে এই মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা বলেই মনে করা হচ্ছে। শোবিতার দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠানো হয়। যদিও এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পিছনে সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, ঘটনায় মামলাটা রুজু হয়েছে, সেই ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। অভিনেত্রী শোবিতা বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ইরাডোন্ডলা মুরু, এটিএম: অ্যাটেম্পট টু মার্ডার, জ্যাকপট এবং বন্দনা। এ ছাড়াও তিনি গালিপাতা, মঙ্গলা গৌরী, কোগিলে, ব্রহ্মগন্তু, কৃষ্ণা রুক্মিণীর মতো টিভি সিরিয়ালে নিয়মিত ছিলেন তিনি।
তাপসী বড় তারকাদের সাথে

তাপসী বড় তারকাদের সাথে তাপসী পান্নু ‘ডাঙ্কি’ সিনেমায় অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত সিনেমাটি ২০২৩ সালে মুক্তি পায়, এ সিনেমাতে শাহরুখ খান, ভিকি কৌশল, বোম্মান ইরানি, দিয়া মির্জাসহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন। এই সিনেমা করতে গিয়ে জীবনের বড় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তাপসী। সম্প্রতি সিনেমাটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তাপসী বলেন, ‘সবাই বড় তারকার সঙ্গে সহজে স্ক্রিন শেয়ার করতে চান না। এর অন্যতম কারণ হল- শাহরুখ খান বা সালমান খানের মতো অভিনেতারা যখন অভিনয় করেন তখন বাকিদের প্রাধান্য কিছুটা হলেও কমে যায়। তবে আমি মনে করি, মাঝে মাঝে ব্যাক সিটে বসাও ভালো। অর্থাৎ ভালো কিছু করার পর কিছু না করাও ভালো। ‘ডাঙ্কি’ সিনেমাটির মুক্তির সময় আমি ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলাম। যেখানে রাজকুমার হিরানি, শাহরুখ খান, ভিকি কৌশলের মতো তারকরা রয়েছেন, সেখানে তারাই যে সামনের দিকে থাকবেন তা বলাই বাহুল্য। তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি নিশ্চিন্তে ছিলাম। তাপসীকে সর্বশেষ অভিনয় করতে দেখা গেছে ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ সিনেমায়। এই সিনেমাটি ২০২১ সালের সিনেমা ‘হাসিন দিলরুবা’-এর সিক্যুয়েল। বিক্রান্ত মেসি এবং সানি কৌশল অভিনীত এই সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন তাপসী।
বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো মেক্সিকো ভিসা নিয়ে

বাংলাদেশিদের সুখবর দিলো মেক্সিকো ভিসা নিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মেক্সিকো ভ্রমণের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। ভিসা আবেদনের সুবিধা বাড়িয়েছে মেক্সিকো সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের যে কোনো মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বের অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসার আবেদনের জন্য দিল্লিতে মেক্সিকান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হতো। মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা সব দেশের দর্শনার্থীদের মেক্সিকান ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত প্রবেশের অনুমতি দেয়, তবে শর্ত থাকে যে তাদের কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের বা শেনজেন অঞ্চলের যে কোনও দেশের বৈধ পাসপোর্ট এবং বৈধ ভিসা থাকতে হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই সুবিধা বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং বৃহত্তর যোগাযোগ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
র্যাবের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে

র্যাবের সাবেক দুই কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে গুমের অভিযোগে সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাবেক দুই কর্মকর্তাকে। তারা হলেন- র্যাব-২ এর সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মহিউদ্দিন ফারুকী ও বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন। প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান সোমবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন । এর আগে গত ২৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, সাবেক দু’জন র্যাব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে তিনটি অ্যাপ্লিকেশন করেছিলাম। দু’জনই র্যাব কর্মকর্তা ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য গুম ও গুমের সময় সরাসরি নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতেই ট্রাইব্যুনালে দুটি আবেদন করা হয়। আবেদন দুটি মঞ্জুর করে সোমবার আদালত তাদের হাজির করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে, তবে আজ প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে গুমের বিষয়ে একটি মামলা করা হয়। এ দু’জনের একজনের নাম আলেপ উদ্দিন ও আরেকজনের নাম মহিউদ্দিন ফারুকী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর শনিরআখড়ায় জোবায়ের ওমর খানের মৃত্যুর মামলায় বর্তমানে গ্রেফতার আছেন এ দুই কর্মকর্তা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট দুপুরে যাত্রাবাড়ীর শনিরআখড়া এলাকায় জোবায়ের ওমর খান গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ট) নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মামলা করেন জোবায়েরের ভাই। পরে গত ১৩ নভেম্বর রাতে বরিশাল মহানগর এলাকা থেকে আলেপ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয় এবং একইদিন ভোরে রাঙামাটি জেলার কাউখালী (বেতবুনিয়া) এলাকা থেকে মহিউদ্দিন ফারুকীকে গ্রেফতার করা হয়।
বিজয়ের মাসে শাওনের সিদ্ধান্ত

বিজয়ের মাসে শাওনের সিদ্ধান্ত আজ শুরু হয়েছে বিজয়ের মাস। ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়ে অর্জিত হয় এই বিজয়। আর এই মাসের শুরুতে নতুন এক সিদ্ধান্তের কথা জানালেন নির্মাতা, অভিনেত্রী-গায়িকা মেহের আফরোজ শাওন। রোববার ১ ডিসেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ গানটি শেয়ার করেন মেহের আফরোজ শাওন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন একটি করে দেশের গান শেয়ার করার কথাও জানান এই শিল্পী। ঠিক করেছি ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন একটা করে দেশের গান আমার ফেসবুক পাতায় দিব। যাদের ভালো লাগবে শুনবেন। যাদের ৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে মানতে কষ্ট হয়, তারা দয়া করে এড়িয়ে যাবেন, আমাকে অবন্ধু (আনফ্রেন্ড) করবেন। সবাইকে বাংলাদেশের বিজয়ের মাসের শুভেচ্ছা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে লাল-সবুজের পতাকা স্থান পায়। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মরণপণ যুদ্ধ শেষে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল বীর বাঙালিরা। মূলত, এ দিনটি সামনে রেখে প্রতিদিন একটি করে দেশত্ববোধক গান নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করবেন শাওন।
অস্ট্রেলিয়ার ইয়ান রেডপাথ ক্রিকেটার না ফেরার দেশে

অস্ট্রেলিয়ার ইয়ান রেডপাথ ক্রিকেটার না ফেরার দেশে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ওভারে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড তার দখলে। তবে মারকুটে ছিলেন কোনোকালেই। তার ব্যাটিং ছিল ধৈর্য্যের অন্যতম প্রতীক। দুই দশক অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার মাতিয়ে রাখা সাবেক ওপেনার ইয়ান রেডপাথ না ফেরার দেশে চলে গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ষাট ও সত্তর দশকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে ওপেনিংয়ের চেনা মুখ ছিলেন রেডপাথ। ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৬ টেস্ট ও ৫ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি ইয়ান ও গ্রেগ চ্যাপেলের সময়ে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী অধিনায়কও ছিলেন। রেডপাথ অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ অপেশাদার ক্রিকেটার। তিনি অস্ট্রেলিয়া রুলস ফুটবল দলের হয়ে খেলেন বলে ১৯৬৩-৬৪ মৌসুমে ক্রিকেট থেকে ম্যাচ ফি নিতেন না। ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, তিনিই অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে খেলা সর্বশেষ অপেশাদার ক্রিকেটার। টেস্ট অভিষেকে তিনি সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও থেমেছেন, করেছিলেন ৯৭ রান। সেঞ্চুরি পেতে লেগেছে পাঁচ বছর। ১৯৬৯ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিডনি টেস্টে পেয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরি। যদিও পরের ৭ বছরে সেঞ্চুরি করেছেন আরো ৭টি। টেস্ট ক্যারিয়ারে করেন ৪৭৩৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ডটি এখন পর্যন্ত তারই। ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের নিল রোসেনডর্ফের এক ওভারে ৪ ছক্কা ২ চারে ৩২ রান নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার হল অব ফেমে জায়গা পান তিনি। রেডপাথের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তাদের চেয়ারম্যান মাইক বেয়ার্ড বলেছেন, “ইয়ান সবার ভালোবাসার এবং সম্মানের মানুষ, তার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের সবাই গভীর শোকাহত। ইয়ান ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের সেরা সময়ের চমৎকার ওপেনিং ব্যাটার।
জয় শাহ ৩৬ বছর বয়সেই আইসিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে

জয় শাহ ৩৬ বছর বয়সেই আইসিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ঘোষণা এসেছিল আগেই। তবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল জয় শাহকে। ধারণা করা হচ্ছিল, আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সমস্যার কারণে মসনদে বসছেন না তিনি। কিন্তু সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হলো। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেছেন জয় শাহ। আজ এক বিবৃতিতে জয় শাহকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এর আগে গত আগস্টে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইসিসির স্বাধীন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন জয় শাহ। আইসিসি বোর্ডের মনোনীত একমাত্র প্রার্থী ছিলেন জয় শাহ। তাই আনুষ্ঠানিক নির্বাচনের প্রয়োজন হয়নি। ২০১৯ সালের অক্টোবর মাস থেকে বিসিসিআই সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন জয় শাহ। তাছাড়া ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধানও তিনি। এবার দায়িত্ব শুরু করতে যাচ্ছেন আইসিসি প্রধান হিসেবে। আজ থেকেই দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। জয় শাহ আইসিসির সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান। এছাড়া পঞ্চম ভারতীয় হিসেবে আইসিসির প্রধান হয়েছেন তিনি। তার আগে এই দায়িত্ব পালন করেছেন জাগমোহন ডালমিয়া, শারাদ পাওয়ার, এন শ্রিনিবাসন ও শাশাঙ্ক মানোহার। আইসিসির চেয়ারম্যান হয়ে জয় শাহ জানালেন নারী ক্রিকেটের দিকে বেশি নজর দেওয়ার কথা। এছাড়া ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসেও নজর রাখার কথা জানান তিনি। জয় শাহ বলেন, ‘আমি আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে বসতে পেরে গর্বিত এবং আইসিসির কর্মকর্তাদের কাছে কৃতজ্ঞ আমার উপর ভরসা রাখার জন্য। এটা ক্রিকেটের জন্য দারুণ সময় কারণ আমরা ২০২৮ সালে অলিম্পিকের জন্য তৈরি হচ্ছি। ফলে বিশ্বে আরও বেশি করে সমর্থক আমাদের সঙ্গে যোগ দেবে। নারী ক্রিকেট নিয়ে জয় শাহ বলেন, ‘মেয়েদের ক্রিকেটের উন্নতিতে আমাদের আরও গতি বাড়াতে হবে। বিশ্বমঞ্চে ক্রিকেটের সেই ক্ষমতা আছে। আইসিসি টিম ও সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি।