ড. ইউনূস কয়েক লাইন লিখেছেন বিপিএল থিম সংয়ের

ড. ইউনূস কয়েক লাইন লিখেছেন বিপিএল থিম সংয়ের মঙ্গলবার রাতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উন্মোচিত হয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের থিম সং। ‘খেলায় মাতো, সবাই মিলে, এলাকা কাঁপাও, ছক্কা চারে, বাংলার হৃদয়, উৎসবে নাচে, বিজয় উল্লাস, ঘরে ঘরে, লাল সবুজের পতাকা উড়ে, বাংলাদেশের আকাশজুড়ে, বিপিএলের ঝড়, দেশে এলো দিন বদল, আবার এলো বিপিএল। বিপিএলের থিম সংয়ে ফুটে উঠেছে এমন সব কথাই। বিপিএলের নতুন আসরকে ঘিরে তৈরি হওয়া থিম সংটি গেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পী মুজা। সেই সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন রায়েফ আল হাসান রাফা ও র‌্যাপার হান্নান হোসাইন। অফিশিয়াল গান প্রকাশের দিন তিন জনই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। জানিয়েছেন, বিপিএল নিয়ে নিজেদের উচ্ছ্বাসের কথা। গানের দুটি লাইন লিখেছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মোহাম্মদ ইউনূস, এমনটা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। থিম সং এবং গ্রাফিতি উন্মোচন অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিসিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা জানেন যে এবার আমাদের বিপিএল আয়োজনের সঙ্গে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। আমি নিজেও যখন প্রথম স্যারকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম (প্যারিস) অলিম্পিকসহ বড় বড় অনেক ইভেন্টে আপনি ইনপুট দিয়ে থাকেন। তো আমাদেরকে যদি একটু দিতেন। আমি আশা করিনি যে স্যার পার্সোনালি এতটা যুক্ত হবেন আমাদের সঙ্গে। স্যার এবং স্যারের টিম আমার চেয়েও অনেক (বেশি) যুক্ত ছিলেন এটার সঙ্গে। এমনকি স্যার থিম সংয়ের কয়েকটি লাইনও লিখে দিয়েছেন। উনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদেরকে মূল্যবান ইনপুট দেওয়ার জন্য। নয়া দামান ও ঝুমকা গান দিয়ে তুমুল আলোচিত হওয়া শিল্পী মুজা বিপিএলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বলেছেন, ‘বিপিএলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারাটা দারুণ ব্যাপার ছিল। আমি বিদেশ থাকাকালে এই গানের রেকর্ডিং শুরু করি। এরপর দেশে এসে আমরা ভিডিও শুট করি। সবাই আমরা অনেক এক্সাইটেড ছিলাম। এর জন্য বিসিবির প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, আমাদের এই সুযোগটা দেওয়ার জন্য। এই গানে একটি লাইন আছে, এসো দেশ বদলাই। যেটা সবাইকে অনুপ্রেরণা দেবে। আশা করি এবারের বিপিএল সবাই উপভোগ করবে। একসাথে সবাই গানটি গাইবে। আমরাও মাঠে আসবো, খেলা দেখবো। এক মিনিট নীরবতা পালনে শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরুতেই ‘বল বীর, বল উন্নত মম শির’ আবৃত্তি করেন আবৃত্তিকার টিটো মুন্সি। আবৃত্তির পর স্বাগত বক্তব্য দেন বিপিএলের সদস্য সচিব ও বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। এবারের বিপিএলের প্রতিটি আয়োজনেই থাকছে জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্পৃহা। টুর্নামেন্টের মাসকটসহ গ্রাফিতি ও থিম সং সব কিছুতেই প্রকাশ পেয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন ‘থিম গ্রাফিতি’। জুলাই আন্দোলনের নানা স্মৃতির সঙ্গে বিভিন্ন স্লোগানে গ্রাফিতিগুলো তৈরি করা হয়। স্লোগানগুলোর মধ্যে অন্যতম, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’, ‘আবু সাইদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘কোটা নামের কুঠার দিয়ে মেধার পিঠে আঘাত কেন?’, ‘মোরা আকাশের মতো বাধাহীন’, ‘পানি লাগবে পানি?’ অন্যতম। এর আগে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বিপিএলের মাসকট ‘ডানা-৩৬’ উন্মোচন করা হয়। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ফরচুন বরিশাল ও দুর্বার রাজশাহীর ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টটি। বিপিএলের একাদশ আসরে সাত দল অংশ নিচ্ছে। মোট ৪৬ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। খেলা হবে ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রামে। ফাইনাল ম্যাচ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

জয়া শাড়ি পরার নতুন ধরনে তাক লাগালেন

জয়া শাড়ি পরার নতুন ধরনে তাক লাগালেন অভিনেত্রী জয়া আহসান এপার-ওপার দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয়। দক্ষ অভিনয়ের মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্যও বেশ আলোচিত তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সময় সাজ ও ফ্যাশন দিয়েও মুগ্ধতা ছড়ান জয়া। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফিল্মফেয়ার ওটিটি অ্যাওয়ার্ডসের পঞ্চম আসর। সেখানেও ভিন্নধর্মী পোশাকে দেখা যায় জয়া আহসানকে। ওই অনুষ্ঠানে জামদানি শাড়িতে দেখা যায় জয়াকে। তবে চমকপ্রদ তথ্য হলো বাহারি সাজের এই শাড়ি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৬ মাস। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী নিজেই। ফেসবুকে ফিল্মফেয়ার ওটিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ এর কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। যেখানে ভিন্নতার ছাপে জামদানি শাড়িতে দেখা মেলে জয়ার। বিশেষ করে শাড়িটির নকশা ও পরার ধরন আলাদাভাবে নজর কেড়েছে ভক্তদের। ছবিগুলো প্রকাশ করে জয়া লিখেছেন, “সবসময় আমার সাজ পোশাকের মাধ্যমে আমি যে সংস্কৃতি থেকে উঠে এসেছি তা উপস্থাপন করার চেষ্টা করি। অনেক দিন ধরে আমার পরিকল্পনা ছিল একটু অন্যরকম করে জামদানি শাড়ি পরব। আর তার জন্য ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের চেয়ে বড় মঞ্চ কী হতে পারে! এ আয়োজনে নামিদামি অনেক শিল্পীদের সঙ্গে দেখা হয়। আমাকে আবারও এমন সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, ফিল্মফেয়ারকে। জয়ার সেই পোস্টে ভক্তরাও নানা রকম মন্তব্য করেছেন। অনেকেই অভিনেত্রীর এই সাজের প্রশংসা করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বিকেলে

প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বিকেলে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিতে রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আজ বুধবার, ৪ ডিসেম্বর বৈঠকে বসবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ফরেইন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বুধবার বিকাল ৪টায়। পরদিন তিনি বসবেন ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে। এর লক্ষ্য ঐক্যের ডাক দেওয়া। অবশ্য এর আগেই মঙ্গলবার ছাত্র নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। গত সোমবার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা চালায় দেশটির একদল উগ্রবাদী জনতা। এ সময় তারা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় আগুনও দেয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। ভারত–বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে এমন ঘটনা আগে কখনও হয়নি। এ ঘটনায় সোমবারই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট তৎপর ছিল না। এদিকে হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে থাকা বাংলাদেশের হাইকমিশন, ডেপুটি হাইকমিশন ও সহকারী হাইকমিশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েডে গুগল ড্রাইভের প্রাইভেসি ফিচার

অ্যান্ড্রয়েডে গুগল ড্রাইভের প্রাইভেসি ফিচার অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের নতুন সুরক্ষা ফিচার নিয়ে কাজ করছে গুগল ড্রাইভ। অ্যাপের কোড পরীক্ষার সময় ‘প্রাইভেসি স্ক্রিন’ নামে ফিচারটির সন্ধান পাওয়া গেছে। সাধারণত ডেভেলপার বা প্রযুক্তিসংশ্লিষ্টরা এ ধরনের কোড বিশ্লেষণ করেন, যেন নতুন বা আসন্ন ফিচার শনাক্ত করা যায়। যা ২০২০ সাল থেকে আইওএসেও রয়েছে। ফিচারটি শিগগিরই অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফরমেও আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অ্যান্ড্রয়েড অথরিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুগল ড্রাইভ অ্যাপের জন্য প্রাইভেসি স্ক্রিন নামে একটি নতুন ফিচার তৈরি হচ্ছে। অ্যাপের ২-২৪-৪৬৭-৩ সংস্করণের কোড বিশ্লেষণ করার সময় এ ফিচার খুঁজে পাওয়া গেছে। এটি অন থাকলে অ্যাপে প্রবেশের আগে ব্যবহারকারীদের পরিচয় শনাক্তকরণের (authentication) প্রয়োজন হতে পারে। তবে প্রাইভেসি স্ক্রিন ফিচারের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। কোড বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, এটি চালু থাকলেও শেয়ার করা ডাটা অন্য অ্যাপের ইন্টারনেট ব্রাউজারের মাধ্যমে দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া এটি নোটিফিকেশনসহ অন্যান্য সিস্টেম ফিচারের সুরক্ষা না-ও দিতে পারে।

বাংলাদেশ জ্যামাইকা টেস্ট জিতেছে তাসকিন বললেন

বাংলাদেশ জ্যামাইকা টেস্ট জিতেছে তাসকিন বললেন কিংস্টনের স্যাবাইনা পার্কে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট জিততে হলে ইতিহাস গড়তে হতো স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কারণ এই মাঠে ২১২ রানের বেশি তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই। এবার উইন্ডিজের লক্ষ্য ছিল ২৮৭ রানের। তবে টাইগার বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলের ঘুর্ণিতে উইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে ১৮৫ রানে। বাংলাদেশ জ্যামাইকা টেস্ট জিতেছে ১০১ রানে। ২০০৯ সালের পর প্রথম অর্থাৎ ১৫ বছর পর ক্যারিবিয়ান মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যৌথভাবে দু’জনকে। তবে একটি ট্রফি তো আর দু’জনকে ভাগ করে দেওয়া যায় না। জেডেন সিলস সৌজন্য দেখিয়ে তাসকিন আহমেদকে বললেন ট্রফি রেখে দিতে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসার তাতে বেজায় খুশি। বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে আগে দুই দফায় সিরিজ-সেরা হয়েছেন তিনি। ওয়ানডেতেও হয়েছেন একবার। টেস্টেই কেবল শূন্যতা ছিল। এবার সেটিও হয়ে গেল। প্রথম টেস্টের তো দ্বিতীয় ইনিংসে বিধ্বংসী বোলিংয়ে ছয় উইকেট শিকার করেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পান ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ। ম্যাচে পান আট উইকেট। জ্যামাইকায় এত উইকেট পাননি। তবে তিনটি উইকেট নিয়ে দলের দারুণ জয়ে ভূমিকা রাখেন ঠিকই। সঙ্গে প্রাপ্তি সিরিজ সেরার পুরস্কার। পিছিয়ে পড়েও বাংলাদেশের সিরিজ ড্র করতে পারা এবং সেখানে সিরিজ-সেরা হয়ে তাসকিনের খুশি ছুঁতে চাইল আকাশ। তিনি বলেন, “এটা অনেক বড় অর্জন। আমরা টেস্ট সিরিজ ড্র করলাম। ওদের কন্ডিশনে অনেক বড় বড় দল ভোগান্তিতে পড়ে। আমরা একটু কঠিন সময় পার করছিলাম। পাকিস্তানে সিরিজ জয়ের পর কয়েকটি সিরিজ হেরে যাওয়াতে আমরা মানসিকভাবে দমে গিয়েছিলাম। তবে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।দুটি ম্যাচেই আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি এবং আল্লাহতায়ালা আমাকে এই পুরস্কার দিয়েছেন ম্যান অব দা সিরিজ হিসেবে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরুর আগে থেকেই চোট তার নিত্য সঙ্গী। এখনও তিনি বেশ চোটপ্রবণ। অনেকবার পুনবার্সনের কষ্টদায়ক ও ক্লান্তিকর প্রক্রিয়য় তাকে যেতে হয়েছে। সবশেষ এই কাঁধের চোট কাটিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতেও অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে তাকে। তিনি বলেন, “আশা করি, মেনি মোর টু কাম। কাঁধের সমস্যা কাটিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার অনেক চেষ্টা করছিলাম। এখন আগের চেয়ে ভালো আছে (অবস্থা)। আশা করছি এমন আরও অর্জন হবে সামনে। তাসকিন আরও বলেন, “আমি খুবই খুশি। যদিও কাজটা সহজ ছিল না। কাঁধের অবস্থা বাজে ছিল। স্রষ্টার কৃপায় এখন টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে আসছি। অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সেটি এখন ফলপ্রসূ হতে শুরু করেছে। আশা করি, মেনি মোর টু কাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’দিনের তথ্য মেলা’র সমাপনী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’দিনের তথ্য মেলা’র সমাপনী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর যৌথ উদ্যোগে দু’দিনের তথ্য মেলা শেষ হয়েছে। আজ বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে শিক্ষা, বিআরটিএ ও পাসপোর্ট সেবা বিষয়ক গণশুনানির মধ্যে দিয়ে শেষ দিনের অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। প্যানেল উত্তরদাতা হিসাবে সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি বিভিন্ন সেবা সংক্রান্ত ও অভিযোগের উত্তর দেন জেলা শিক্ষা অফিসের প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক রাশেদুল আরমান, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিআরটিএ সহকারী পরিচালক শাহজামান হক ও জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকরাী পরিচালক মিজানুর রহমান। শুনানী সঞ্চালনা করেন টিআইবি’র জেলা সমন্বয়ক শফিকুল ইসলাম। সন্ধ্যায় মেলা মঞ্চে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ তথ্য কমিশন সচিব মো. আরিফ। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সনাক সভাপতি সেলিনা বেগম। জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর তৌহিদুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপ-সচিব) আফাজ উদ্দিন। বক্তরা তথ্য অধিদপ্তর আইনের যথাযথ বাস্তবায়নকে তরান্বিত ও বেগবান করার মাধ্যমে দূর্নীতি বিরোধী আন্দোলনকে সামাজিক আন্দোলনে রুপ দেবার উপর জোর দেন। পরে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মেলায় অংশ নেয়া ৬৬টি স্টলের মধ্যে সরকারি ক্যাটাগরিতে জেলা এলজিইডি কে প্রথম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভাকে দ্বিতীয় ও জেলা কৃষি সম্প্রষরাণ অদিপ্তরকে তৃতীয় সেরা পুরস্কার প্রদান করেন অতিথিরা। বেসরকারি স্টলের মধ্যে আশা এনজিও কে বিশেষ পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া অংশ নেয়া সকল স্টলকে শুভেচ্ছা পুরস্কার দেয়া হয়। রাতে আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মেলা শেষ হয়।  

শিবগঞ্জে মহান বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা

শিবগঞ্জে মহান বিজয় দিবসের প্রস্তুতি সভা শিবগঞ্জে আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা প্রশাসন এই সভার আয়োজন করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফতাবুজ্জামান-আল-ইমরান। এতে বক্তব্য দেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আজিজ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল আলমসহ অন্যরা। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

শিবগঞ্জ পৌরসভায় টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

শিবগঞ্জ পৌরসভায় টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু শিবগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় নিম্নআয়ের ৩ হাজার ৪২৯টি পরিবারের মধ্যে টিসিবির পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে। আজ সকালে পৌরসভা চত্বরে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়। কার্ডধারী প্রত্যেক পরিবারকে ২৭০ টাকা মূল্যে ৫ কেজি চাল ও ২ কেজি মসুর ডাল দেয়া হচ্ছে। শিবগঞ্জ পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও ডাল ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ৯টি ওয়ার্ডে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রমে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ স্বল্পমূল্যে এই খাদ্য কিনতে পারছেন।  

গোমস্তাপুরে প্রয়াসের পেঁয়াজ বীজ বিতরণ

গোমস্তাপুরে প্রয়াসের পেঁয়াজ বীজ বিতরণ গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে সমন্বিত কৃষি ইউনিট (কৃষি খাত)’র আওতায় পেঁয়াজ বীজ (কন্দ) বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির ইউনিট-০৭ রহনপুর অফিসে এই বীজ (কন্দ) বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে পরামর্শ দেন প্রয়াসের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন- আরএমটিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রিফাত আমিন হিরা, স্মার্ট প্রকল্পের পরিবেশ কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক, আরএমটিপি ডেইরি প্রকল্পের সহকারী ভ্যালুচেইন ফ্যাসিলেটেটর আবদুল্লাহ-আল-কাফিসহ অন্যরা। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় পেঁয়াজ বীজ (কন্দ) বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক গৌড় বাংলা ও রেডিও মহানন্দা ৯৮.৮ এফএম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু সদর উপজেলার মাহারজপুর ইউনিয়নের লালাপাড়া এলাকায় সোনামসজিদ স্থলবন্দর মহাসড়ক পারাপারের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ফজলুর রহমান নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি একই ইউনিয়নের গোয়ালটুলী গ্রামের মৃত সাজ্জাত মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পরপরই মোটরসাইকেল ফেলে চালক পালিয়ে যায়। বৃদ্ধের বাড়ির অদূরেই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ দুপুর দেড়টার দিকে সদরের বারঘরিয়া থেকে সোনামসজিদের দিকে যাওয়া মোটরসাইকলের ধাক্কায় সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলে আহত হন ফজলুর। তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রইস উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।