এবার পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিল পুতিন

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিলেন পুতিন ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র এবং রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য কিয়েভকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার পরই পদক্ষেপ নিলো রাশিয়া। নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, যে দেশ পারমাণবিক শক্তিধর নয়, কিন্তু সেই রাষ্ট্র যদি পারমাণবিক শক্তিধর কোনো দেশের সমর্থন পায় তাহলে রাশিয়াও পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারবে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়া সবসময় পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার পক্ষে। আমরা শুধু আমাদের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষার জন্য এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। তিনি আর বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ‘সামরিক অভিযান’ অব্যাহত থাকবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে মুরাদের হ্যাটট্রিক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে প্রস্তুতি ম্যাচে মুরাদের হ্যাটট্রিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভালো একটা প্রস্তুতি সারল বাংলাদেশের বোলাররা। অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্বাচিত একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে কেউ জেতেনি। দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটি হয়েছে ড্র। বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। যেখানে টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেন জাকের আলী। ১১০ বলে ৪৮ রান করেন তিনি। এছাড়াও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৮৭ বলে ৪১ আর মুমিনুল এবং লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। তবে এই ম্যাচে মূল আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশের বোলারদের দিকে। নাহিদ রানা এবং তাইজুল বাদে সকলেই উইকেট পেয়েছেন। তবে সবার নজর কেড়েছেন হ্যাটট্রিক করা হাসান মুরাদ। ১.৪ ওভারে ১ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা এই বাঁহাতি স্পিনার ২৬তম ওভারে প্রথম ওভারটি করেন। সেই ওভারে ১ রান দেয়া মুরাদ নিজের পরের ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বলে উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পেয়ে যান। এদিকে মুরাদ ছাড়াও আলো ছড়িয়েছেন হাসান মাহমুদ এবং তাসকিন আহমেদ। হাসান ১৫ রানে ২ এবং তাসকিন ২১ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল এবং মিরাজ। আগামী শুক্রবার (২২ নভেম্বর) অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম টেস্ট। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশ: ৭৩.২ ওভারে ২৫৩/৭ ইনিংস ঘোষণা (জাকের ৪৮, মুমিনুল ৩১, লিটন ৩১, শাহাদাত ২৫; জেয়ার ম্যাকঅ্যালিস্টার ৪৮/২)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্বাচিত একাদশ: ২৭.৪ ওভারে ৮৭/৯ (মেরিয়ুস ২৩, গ্রিভস ২০, বেকফোর্ড ১৯; হাসান মাহমুদ ২/১৫, তাসকিন ২/২১, শরীফুল ১/১২, হাসান মুরাদ ৩/১, মিরাজ ১/০)। ম্যাচের ফল: ড্র।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ১৯ নভেম্বর, ২০২৪: সদর উপজেলার বেহুলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাল্যবিয়ে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও কমিউনিটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিসেফ ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এর আয়োজন করা হয়। আজ সকালে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল বাল্যবিয়ে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় এবং বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক ও সামাজিক জীবনে এর প্রভাব। লটারির মাধ্যমে দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মুশফিকুর রহমান, সহকারী শিক্ষক কাবিবুর রহমান ও খলিলুর রহমান। শেষে দুটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ছয়জনকে পুরস্কার হিসেবে বই উপহার দেয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ের হার অনেক বেশি। শহরের তুলনায় গ্রামে এ হার বেশি। অনেক শিক্ষার্থীই বাল্যবিয়ের শিকার হচ্ছে। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আইন থাকলেও অনেকে তা মানছে না। এ জন্য জনসচেতনতা দরকার। এ ধরণের আয়োজনের জন্য তিনি জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাল্যবিয়ের হার রোধ, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রতিবন্ধীদের অধিকার আদায়ে জনসচেতনা সৃষ্টিমূলক এ কর্মসূচি চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে আলোচনা, কুইজ বা উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, নাটক বা লোকজ গম্ভীরা গান। পাশাপাশি থাকবে উঠান বৈঠকও।
১৮ কোটি ৮০ লাখ ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার

১৮ কোটি ৮০ লাখ ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৮ কোটি ৮০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। দাম স্থিতিশীল করতে এবং এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আজ এই অনুমতি দিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারী এই আমদানি অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদের উদ্যোগে নায্যমূল্যে সবজি বিক্রি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদের উদ্যোগে নায্যমূল্যে সবজি বিক্রি ১৯ নভেম্বর ২০২৪ বাজার সিন্ডিকেটকে রুখে দিতে ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির মধ্যে জনসাধারণকে কিছুটা স্বস্তি দিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্ররা চালু করেছে নায্য মূল্যে সবজি বিক্রি কার্যক্রম। জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছেন। অনেকে পঁজি দিয়েও সহযোগিতা করতে চেয়েছেন। আজ সকাল ৮টায় শহরের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ বাউন্ডারি দেয়াল ঘেঁষে বৈষ্যম্যবিরোধি ছাত্র আন্দোলন সহ বিভিন্ন মতের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যানারে একটি অস্থায়ী কাাঁচামালের দোকান নিয়ে বসেন ছাত্ররা। সকাল ১১টা পর্যন্ত তারা বিক্রি করেন ৬৭টাকা কেজি দরে ৫০ কেজি পেঁয়াজ, ৬৬ টাকা কেজি দরে ৬৫ কেজি আলু, ৪৭ টাকা হালি দরে ১৮০ পিস ডিম, ৩৩টাকা কেজি দরে ১০ কেজি পটল, ১০০টাকা কেজি দরে ৫ কেজি কাঁচামরিচ, ৭২ টাকা কেজি দরে ১০ কেজি ফুলকপি, ৪৭ টাকা কেজি দরে ১০ কেজি বাঁধাকপি ও ৩০ টাকা কেজি দরে ১০ কেজি পেঁপে। স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম সংগঠক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ জানান, ছাত্ররা সবসময় নিপীড়িত সাধারণ মানুষের সাথে ছিল ও ভবিষ্যতেও থাকবে। সবজি বিক্রিতে সাধারণ ক্রেতাদের সাড়া পাওয়া গেছে। বিক্রেতা ছিল ছাত্ররাই। আজ চালু হওয়া দেকানটির টাটকা সবজি খুব ভোরে পুরাতন বাজার থেকে পাইকারি দরে ক্রয় করা। এসব সবজি শুধুমাত্র খরচ রেখে বিক্রি করা হচ্ছে। মূনাফার জন্য এই দোকান করা হয়নি। প্রথম দিন সামান্য কিছু অতিরিক্ত টাকা ছাত্রদের পকেট থেকেই গেছে। প্রাথমিক পুঁজি সংগঠনের সদস্যরা নিজ পকেট থেকে দিয়েছে। সাব্বির আরও জানান, এখন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে দোকানটিতে আরও কিছু মাল উঠিয়ে একটু বড় করা। আগামীকাল বুধবার(২০ নভেম্বর) থেকে এ চেষ্টা করা হবে। যতদিন বাজার মূল্য কিছুটা সহনীয় না হচ্ছে ততদিন এ কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যখনই বাজার সিন্ডিকেট মাথা চাড়া দিবে তখনই তাদের প্রতিরোধে এমন উদ্যোগ নেয়া হবে। আজ কার্যক্রমে অংশ নেন নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স শিক্ষার্থী সাকির আহমেদ. কাওসার আলী, রেদোয়ান আহমেদ ও সিটি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থী আব্দুস সুবহান।
নারীদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া

নারীদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের দলে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া ২০২৫ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। গত আসরের মত এবারও অস্ট্রেলিয়ার সাথে একই গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ। সাথে রয়েছে নেপাল এবং স্কটল্যান্ড। গ্রুপ ‘ডি’ তে খেলবে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম আসরেও একই গ্রুপে ছিল অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ। এবার মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিতব্য আসরেও একই গ্রুপে রয়েছে দুই দল। দক্ষিণ আফ্রিকায় অজিদের পরাজিত করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সুপার সিক্সেও গিয়েছিল, কিন্তু সেমিফাইনালে খেলা হয়নি। এই গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে অস্ট্রেলিয়া। বাকি দুই দল স্কটল্যান্ড এবং এশিয়ান অঞ্চলের বাছাইপর্ব পার করে আসা নেপালও নিশ্চিতভাবে ছেড়ে কথা বলবে না। চার গ্রুপের শীর্ষ ৩টি করে দল নিয়ে মোট ১২ দল যাবে সুপার সিক্স রাউন্ডে। সেখানে দুই গ্রুপে ৬টি করে দল ভাগ হয়ে লড়বে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে। দুই গ্রুপের শীর্ষ ২টি করে মোট ৪টি দল যাবে সেমিতে। গ্রুপ ‘এ’ তে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার সাথে রয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত। সাথে থাকবে আয়োজক মালয়েশিয়াও। গ্রুপ ‘বি’ ও কাগজে-কলমে বেশ শক্তিশালী। পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইংল্যান্ড রয়েছে এই গ্রুপে। গ্রুপ ‘সি’ তে রয়েছে ইতিহাসের হাতছানি। সামোয়া এবং নাইজেরিয়ার মধ্যে যেকোনো এক দলের সামনে সুযোগ রয়েছে সুপার সিক্সের টিকিট কেটে ফেলার। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে জয়ী দলই সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে সুপার সিক্সের দৌড়ে। দুই দলই এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছে নারীদের যুব বিশ্বকাপ। গ্রুপের বাকি দুই দল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ড। মালয়েশিয়াতে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি মাঠে গড়াবে নারীদের যুব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর। ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ভারত

দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ভারত ভারত এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে ওড়িশার উপকূলে দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং রোববার এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির। গত শনিবার এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ হয়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাজনাথ সিং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি বলেছেন, ওড়িশা উপকূলে এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ফ্লাইট ট্রায়াল সফলভাবে পরিচালনা করে ভারত একটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য আমাদের দেশকে নির্বাচিতদের গ্রুপে রেখেছে, যাদের এই ধরনের উন্নত সামরিক প্রযুক্তির সক্ষমতা রয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি দেশীর প্রযুক্তিতে তৈরি করে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ১৫০০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জের জন্য বিভিন্ন পেলোড বহন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ডিআরডিও’কে অভিনন্দন জানিয়েছে রাজনাথ সিং বলেছেন, এটি সশস্ত্র বাহিনী এবং শিল্পের জন্য একটি অসাধারণ অর্জন।
পাচার করা অর্থ ফেরাতে সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য

পাচার করা অর্থ ফেরাতে সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেছেন, তার সরকার বাংলাদেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় ঢাকাকে পূর্ণ সহায়তা দেবে। রবিবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন। ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেন, আপনাকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ যে, আপনি আমাদের সমর্থন পেয়েছেন। ব্রিটিশ মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার প্রায় ষোল বছরের শাসনামলে বিদেশে পাচার হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার ফেরত আনার জন্য ঢাকার প্রচেষ্টায় যুক্তরাজ্য তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। ড. ইউনূস তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, অলিগার্ক ও আমলাদের পাচার করা অর্থ ফেরত আনা অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ থেকে বছরে ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে তার সরকারের সংস্কার উদ্যোগের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং পূর্ববর্তী শাসনামলে চর্চা করা ব্যাপক ভোট কারচুপি থেকে বিরত থাকা এই সংস্কারের লক্ষ্য। পশ্চিমা দেশগুলো সরকারের সংস্কার উদ্যোগগুলোকে সমর্থন করে উল্লেখ করে ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেন, ব্রিটেন নির্বাচনী, বিচার বিভাগীয় ও সাংবিধানিক সংস্কারের মূল দিকগুলোতে প্রাণবন্ত বিতর্ক দেখতে চায়। ‘বিতর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ,’ তিনি বলেন। মন্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা প্রদানের জন্য ইউকে ১০.৩ মিলিয়ন পাউন্ড অনুদান সহায়তা ঘোষণা করেছে। ড. ইউনূস মিয়ানমারের সহিংসতা-জর্জরিত রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য একটি ‘জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠায় তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যাতে তাদের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে না হয় এবং দাতব্য সংস্থা এবং সাহায্য গোষ্ঠীগুলো নির্বিঘেœ বাস্তুচ্যুত মানুষের দোরগোড়ায় খাদ্য ও সহায়তা নিতে পারে। বৈঠকে তারা ভূ-রাজনৈতিক সমস্যা, সংখ্যালঘুদের অধিকার, দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ৪০ মেগাওয়াট জ্বালানি চুক্তি নিয়েও আলোচনা করেন। ইউনূস বলেন, তার সরকার জলবিদ্যুৎ সমৃদ্ধ নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার বিদ্যুৎ গ্রিড তৈরিকে পুরোপুরি সমর্থন করেছে। তিনি বলেন, হিমালয়ের পাদদেশের দুই দেশ থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি আমদানি করতে পারলে বাংলাদেশ জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারে। তিনি বলেন, এ লক্ষে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। বৈঠকে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে গুরুতর আহত ছাত্র ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি মেডিকেল টিম চলতি মাসে দেশে এসেছে। তিনি বলেন, ‘তারা দিনে তিনটি অস্ত্রোপচার করছেন।’
সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে খুব দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ : ইউনূস

সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে খুব দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ : জাতির উদ্দেশে ভাষণে অধ্যাপক ইউনূস দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমরা চাইব, আমরা যেন এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা সৃষ্টি করতে পারি, যা যুগ যুগ ধরে অনুসরণ করা হবে। এর ফলে রাজনৈতিক সংকট থেকে আমাদের দেশ রক্ষা পাবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকু আমি আপনাদের কাছে চেয়ে নিচ্ছি। নির্বাচনী সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে খুব দ্রুত আপনারা নির্বাচনের রোডম্যাপও পেয়ে যাবেন।’ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে গত ১৫ নভেম্বর। ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে একযোগে সম্প্রচার করা হয়। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই, সংস্কার প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নের সুযোগ আমরা কতটুকু পাবো। তবে আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আপনারা সুযোগ দিলে প্রয়োজনীয় কিছু অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার কাজ শেষ করেই আমরা আপনাদের কাক্সিক্ষত নির্বাচন আয়োজন করব। ততদিন পর্যন্ত আমি আপনাদের ধৈর্য্য ধারণ করার অনুরোধ করব।’ তিনি বলেন, নির্বাচন কবে হবে এই প্রশ্ন আপনাদের সবার মনেই আছে। আমাদের মনেও সারাক্ষণ আছে। আপনারা লক্ষ করেছেন, নির্বাচন আয়োজনের লক্ষে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছি। কয়েকদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন হয়ে যাবে। তারপর থেকে নির্বাচন আয়োজন করার সমস্ত দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তাবে। নির্বাচনের ট্রেন যাত্রা শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘এই যাত্রা আর থামবে না। কিন্তু যেতে যেতে আমাদের অনেকগুলো কাজ সেরে ফেলতে হবে। এই ট্রেন শেষ স্টেশনে কখন পৌঁছাবে সেটা নির্ভর করবে কত তাড়াতাড়ি আমরা তার জন্য রেল লাইনগুলো বসিয়ে দিতে পারি আর তা হবে রাজনৈতিক দলসমূহের ঐকমত্যের মাধ্যমে।’ সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, আমাদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর। আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের মতামত নিয়ে যাচ্ছি। সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে এসব মতামত অনেকাংশে প্রতিফলিত হচ্ছে। চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় তাদের প্রতিটি মতামত সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। আমরা আশা করছি, নির্ধারিত সময়ে, ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই সংস্কার কমিশনগুলো তাদের সুপারিশমালা সরকারের কাছে পেশ করতে পারবে। তাদের সুপারিশ নিয়ে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ক্রমাগতভাবে আলোচনায় বসব। সকলের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই আমরা সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করব।’ জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ আরো কিছু কাজ শুরু করে দিতে পারবে, যা একটি অবাধ নির্বাচনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে যাতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষেও সরকার কাজ করছে। তবে আমরা মনে করি না যে, একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে দিলেই নির্বাচন আয়োজনে আমাদের দায়িত্ব শেষ। রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংস্কার আমাদের এই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। আপনারাই আমাদেরকে এই ম্যান্ডেট দিয়েছেন। যে ছয়টি সংস্কার কমিশন আমরা শুরুতে গঠন করেছিলাম, তারা ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে আপনারা তাদের কার্যক্রমের আপডেটও দেখছেন। কয়েকটি সংস্কার কমিশন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছে। আমার অনুরোধ, আপনারা এই প্ল্যাটফর্মে উৎসাহ সহকারে আপনাদের মতামত জানাতে থাকুন। নির্বাচন সংস্কার কমিশন গঠনের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রথম ছয়টি সংস্কার কমিশনের মধ্যে একটি হলো নির্বাচন সংস্কার কমিশন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য এই কমিশনের সুপারিশমালা অত্যন্ত জরুরি। তাদের প্ল্যাটফর্মে যান। আপনার মতামত খোলাখুলিভাবে তুলে ধরুন। আপনি দেশের মালিক। আপনি বলে দিন, আপনি কি চান। কীভাবে চান।’ সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংস্কার নিয়ে দেশবাসীকে খোলা মনে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আপনাদের সকল বক্তব্য বিনা দ্বিধায় বলতে থাকুন। সবার মনের কথা তুলে ধরুন। আমার অনুরোধ, সংস্কারের কথাটাও একই সঙ্গে বলুন। সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে যাবেন না। নির্বাচনের কথা বলার সঙ্গে নির্বাচন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সংস্কারের কথাটিও বলুন। সংস্কার হলো জাতির দীর্ঘমেয়াদি জীবনী শক্তি। সংস্কার জাতিকে বিশেষ করে আমাদের তরুণ-তরুণীদের নতুন পৃথিবী সৃষ্টির সুযোগ দেবে। জাতিকে বঞ্চিত করবেন না।’ তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনে যে সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালায় রাজনৈতিক দলসমূহ এবং দেশের সকল মানুষের মতামত অপরিহার্য, সে কমিশন হলো সংবিধান সংস্কার কমিশন। এই সুপারিশমালার কোন অংশ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে তার ভিত্তিতে নির্বাচনী আইন সংশোধন করতে হবে। সমান্তরালভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। অন্তর্বর্তী সরকার সৃষ্টি হয়েছে রাজনীতিকে নীতির কাঠামোয় আনার জন্য, এবং রাজনীতির জন্য নতুন পরিবেশ সৃষ্টির নিবিড় আকাক্সক্ষা থেকে। এই আকাক্সক্ষা পূরণ করা থেকে জাতিকে বঞ্চিত করবেন না। সংস্কারের জন্য নির্বাচন কয়েক মাস বিলম্ব করা যেতে পারে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ইতোমধ্যে অন্যান্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা নিয়ে আলাপ চলতে থাকবে। নির্বাচন ছাড়াও আরো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করার ব্যাপারে ঐকমত্য গঠনের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। দেশবাসীর কাছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা ক্রমাগতভাবে প্রশ্ন তুলতে থাকতে থাকব কী কী সংস্কার নির্বাচনের আগে আপনারা করে নিতে চান। নির্বাচনের আয়োজন চলাকালীন কিছু সংস্কার হতে পারে। সংস্কারের জন্য নির্বাচনকে কয়েক মাস বিলম্বিতও করা যেতে পারে।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা দু’দিন পরে চলে যাবো। কিন্তু আমাদের মাধ্যমে জাতির জন্য যে ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হলো সে সুযোগটা যেন কোনো রকমেই হাতছাড়া করে না দিই, এটার ব্যাপারে দৃঢ় থাকার জন্য আমি দলমত, নারী-পুরুষ, ধর্ম, তরুণ-বৃদ্ধ, ছাত্র, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক নির্বিশেষে সবার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করি, আপনারা আমার এই আবেদন গ্রহণ করবেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে একদিনে আরো ৭ জন আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে একদিনে আরো ৭ জন আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে ৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২২ জনে। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ২ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন শনাক্ত হন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ১৮ জন রোগী। তাদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ, ২ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১৩ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ও ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন রয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হওয়ায় ৯ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।