রহনপুরে নুনগোলায় নতুন ঢাকা বাস টার্মিনালের উদ্বোধন

রহনপুরে নুনগোলায় নতুন ঢাকা বাস টার্মিনালের উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে ঢাকাগামী বাস টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে ফিতা কেটে এই টার্মিনালের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. লতিফুর রহমান। রহনপুর পৌর এলাকার নুনগোলায় এই টার্মিনাল উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান। প্রসঙ্গত, রহনপুর স্টেশন বাজারে ঢাকাগামী এই বাসস্ট্যান্ডটি অবস্থিত ছিল। সেটি স্থানান্তর হয়ে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ভোলাহাট-রহনপুর সড়কের নুনগোলায় এই নতুন টার্মিনাল থেকে নৈশকোচগুলো ছেড়ে যাবে।

গোমস্তাপুরে ডিবির অভিযানে ফেনসিডিল জব্দ দুজন আটক

গোমস্তাপুরে ডিবির অভিযানে ফেনসিডিল জব্দ দুজন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ৭০ বোতল কথিত ফেনসিডিলসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে ডিবি পুলিশ জানিয়েছে। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার পাঁচটিকরী গ্রামের মো. ইব্রাহিমের ছেলে মো. জাহিরুল ইসলাম (৪০) ও মো. সাইদুর রহমানের ছেলে মো. ওয়াসিম রেজা (৩৮)। গত শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার মকরমপুর টোল প্লাজার সামনে অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিলসহ তাদের আটক করা হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহীন আকন্দ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান, শনিবার দিবাগত মধ্য রাতে এসআই পলাশ চন্দ্র চৌধুরীর নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল মকরমপুর টোল প্লাজার সামনে অভিযান চালায়। এসময় ৭০ বোতল কথিত ফেনসিডিলসহ মো. জাহিরুল ইসলাম ও মো. ওয়াসিম রেজাকে আটক করা হয়।

শিবগঞ্জে চোরাইপথে আনা ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ একজন আটক

শিবগঞ্জে চোরাইপথে আনা ভারতীয় মোবাইল ফোনসহ একজন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনোহরপুর সীমান্ত এলাকায় চোরাইপথে আনা ভারতীয় মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল (বাইক) ও নৌকাসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে। রবিবার সকাল ৯টার দিকে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের বুগলাউড়ি ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে হয় উল্লিখিত পণ্যসহ যুবককে আটক করা হয়। আটক হওয়া যুবক উপজেলার পাঁচকাঠা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মো. মুক্তার হোসেন (২৪)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির ৫৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মনির-উজ-জামান বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, মনোহরপুর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বুগলাউড়ি ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে এক যুবক ব্যাগ নিয়ে নৌকা থেকে নামার সময় তার গতিবিধি সন্দেহ হয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার ব্যাগটি তল্লাশি করে অবৈধ ও চোরাচালানকৃত ১৮টি মোবাইল ফোন, ১টি নৌকা ও ১টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।

সদর উপজেলার বাখেরআলী সীমান্তে তিনটি ভারতীয় গরুসহ আটক ৩

সদর উপজেলার বাখেরআলী সীমান্তে তিনটি ভারতীয় গরুসহ আটক ৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী সীমান্তবর্তী গোয়ালডুবি ঘাট এলাকা থেকে চোরাইপথে আনা ৩টি ভারতীয় গরুসহ তিনজনকে আটক করেছে বিজিবি। সোমবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে নিয়মিত টহল দেয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। বিজিবির ৫৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মনির-উজ-জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়ালডুবি ঘাট এলাকা দিয়ে গবাদিপশু চোরাচালান হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানা যায়। এর প্রেক্ষিতে টহলদল সোমবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এসম টহল দল ৩ জন ব্যক্তিকে ৩টি গরুসহ আসতে দেখে। তাদের গতিবিধি সন্দেহ হওয়ায় থামার সংকেত দিলে তারা ঘন কুয়াশার সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে টহলদল তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে। আটককৃতরা হলো- সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে বাকিদুর রহমান (৩৫), বেলপাড়ার মো. সোনাউদ্দির ছেলে মো. শাহিদুল ইসলাম (৩৫) ও জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নামোজগন্নাথপুর বাদশাপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. আব্দুল করিম (৩০)। এসময় তাদের কাছ থেকে চোরাইপথে আনা ৩টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে প্রশিক্ষক/মেন্টর তৈরি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় আইসিটি ল্যাবে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল মতিন। প্রধান আলোচক ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ আনিছুর রহমান খাঁন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লা আল মামুন। কর্মশালায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকম-লী অংশগ্রহণ করেন।

নাচোলে প্রয়াসের উদ্যোগে মাছচাষ বিষয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নাচোলে প্রয়াসের উদ্যোগে মাছচাষ বিষয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ‘হাজামজা ও পরিত্যক্ত পুকুর সংস্কারপূর্বক মাছচাষ’ বিষয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের আমলাইনে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির সমন্বিত কৃষি ইউনিটের মৎস্য খাতের আওতায় এই মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এই কর্মসূচির আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন- প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মৎস্য কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক, প্রয়াসের ফতেপুর ইউনিটের ব্যবস্থাপক মোহা. আনোয়ার হোসেন, সফল খামারি মো. মতিউর রহমানসহ অন্যরা।

রানীহাটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটির ওরিয়েন্টেশন

রানীহাটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটির ওরিয়েন্টেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর হাটে ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ রুখসানা খানম। ওরিয়েন্টেশান পরিচালনা করেন লাইট হাউজের দি ইউএসএআইডি আইন সহায়তা এক্টিভিটি প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা মো. সালাহ উদ্দিন জুয়েল। সভায় ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। দি ইউএসএআইডি আইন সহায়তা এ্যাকটিভির অর্থায়নে, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এর বাস্তবায়নে লাইট হাউজ এই ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিএমডিএ’র ২৫০ কোটি টাকার সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিএমডিএ’র ২৫০ কোটি টাকার সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকায় গভীর নলকূপের সাহায্যে দীর্ঘদিন ধরে পানি উত্তোলনের ফলে যখন ভূগর্ভের পানির সংকট দেখা দিচ্ছে, যে কারণে কিছু এলাকায় যখন বোরো আবাদ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে তখন নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিএমডিএ’র ২৫০ কোটি টাকার ‘বরেন্দ্র এলাকার খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প’। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ। জমিতে সারা বছর নিরবচ্ছিন্ন সেচ দিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়বন করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু খাল ও খাড়ি পুনর্খনন করা হয়েছে এবং এ কাজ এখনো চলমান রয়েছে। মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদী থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি তুলে সেইসব খালে ও খাড়িতে সংরক্ষণ করা হবে এবং সোলার বিদ্যুতের মাধ্যমে ৯৮টি সেচ পাম্প দিয়ে সেই পানি কৃষকের জমিতে সরবরাহ দেয়া হবে। বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলা গোবরাতলা ইউনিয়নের গণির মোড় এলাকায় মহানন্দা নদীতে ১টি পন্টুন স্থাপন করে পন্টুনের ওপর ৮টি প্রতিটি ৫ কিউসেক ক্ষমতার সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প দিয়ে মোট ৪০ কিউসেক পানি উত্তালন করা হবে। ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ২টি এবং ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ২টি মোট ৪টি ভূগর্ভস্থ ৪৫০-৫০০ মি.মি. ডায়া এমএস পাইপের মাধ্যমে তেঘড়িয়া-মির্জাপুর খাড়িতে পানি সরবরাহ করে সংরক্ষণ করা হবে। খালে ৩০টি সোলার পাম্প স্থাপন করে খালের উভয় পাশে পানি সেচের মাধ্যমে ৫৭০ হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হবে। এছাড়া ওই এলাকায় ৪০টি গভীর নলকূপ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বালিপাথর নির্গত হয়ে প্যাক্টআপ হওয়ায় সেচ কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প দিয়ে সরাসরি ওই গভীর নলকূপ এলাকায় ৬০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হবে। তাছাড়া ৭ কিলোমিটার তেঘড়িয়া খাল পলি পড়ে ভরাট হওয়ায় পুনঃখনন করা প্রয়োজন হচ্ছে। ওই এলাকায় সেচের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে ফসল উৎপাদন করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে এক ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে পরিণত হবে। ফলে প্রায় ৯৩৬০ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদ বলেন, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর এলাকায় প্রকল্পের কাজ প্রায় শতভাগ শেষ হয়েছে এবং গোমস্তাপুরের কাজ এরই মধ্যে ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। এছাড়া সদর উপজেলার গোবরাতলার কাজটি ২০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের ধাইনগর অংশের পানি সরবরাহ আগামী এক মাসের মধ্যেই শুরু হবে। এছাড়া অন্য দুটির কাজ শেষ হতে আরো মাস ছয়েক লাগবে। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের আওতায় সবমিলিয়ে ২ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৩২০ মেট্রিক টন। তিনি বলেন— এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়ন, নাচোল উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ও গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর, রাধানগর ও পার্বতীপুর ইউনিয়নে এবার বোরো আবাদা না করে গমসহ সেচ কম লাগে এমন ফসল চাষাবাদ করতে কৃষকদের বলা হয়েছে। কারণ, এইসব অঞ্চলের ভূগর্ভের পানি অনেক নিচে নেমে গেছে। এই ভূগর্ভের পানির বিষয়টি মাথা রেখেই ‘বরেন্দ্র এলাকার খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প’টি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষে বরেন্দ্র অঞ্চলের পানির সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। এদিকে মহানন্দায় রাবার ড্যামে পানি সংরক্ষণ শুরু হওয়ায় ভূউপরিস্থ পানিরও অনেকটা সমাধান হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমছে ডেঙ্গু রোগী, নতুন আক্রান্ত ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কমছে ডেঙ্গু রোগী, নতুন আক্রান্ত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব করমে এসেছে। কোনো কোনো দিন শনাক্ত হচ্ছে না ডেঙ্গু রোগী। গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে গত রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১ জন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছেন। ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাহমুদুর রশিদ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১ জন বয়স্ক ও ১ জন শিশু ভর্তি আছেন। একই সময়ে সুস্থ হওয়ায় ৩ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫২৮ জনে।

নারী ক্রিকেটারদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়লো

নারী ক্রিকেটারদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়লো বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়লো বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের। পাশাপাশি পুরুষ দলের মত পারফরমেন্স বোনাস চালু করা হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় বেশ কিছু ক্রিকেটারকে বেতনের আওতায় আনা হয়েছে। গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ১৬তম সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছরের পহেলা অক্টোবর থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকাও প্রকাশ করেছে বিসিবি। আগের বছরের থেকে বেতনের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। গ্রেড ‘এ’ ও ‘বি’তে ২০ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে মাসিক বেতন হয়েছে যথাক্রমে- ১ লাখ ২০ হাজার এবং ১ লাখ টাকা। ‘সি’ এবং ‘ডি’ গ্রেডে ১০ হাজার করে বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন খেলোয়াড়ই ‘বি’ গ্রেড থেকে ‘এ’ গ্রেডে পদোন্নতি পাননি। ‘সি’ গ্রেড থেকে ‘বি’ গ্রেড নেওয়া হয়েছে শারমিন আক্তার সুপ্তা, মুর্শিদা খাতুন এবং মারুফা আক্তারকে। ‘ডি’ গ্রেড থেকে ‘বি’ গ্রেডে নেওয়া হয়েছে রাবেয়াকে। ‘ডি’ গ্রেড থেকে ‘সি’ গ্রেডে সুযোগ পেয়েছেন সোমা আকতার। এছাড়া অন্যান্য খেলোয়াড়রা আগের গ্রেডেই আছেন। গ্রেড ‘এ’তে আছেন চারজন খেলোয়াড়। তারা হলেন- অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি, ফারজানা হক পিংকি, রিতু মনি ও নাহিদা আকতার। আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিং-এ এক থেকে তিন নম্বরে থাকা দলের বিপক্ষে ম্যাচ ও সিরিজ জিততে পারলে ১ লাখ টাকা বোনাস নির্ধারিত করেছে বোর্ড। র‌্যাংকিংয়ে ৪ থেকে ৬ নম্বরে থাকা দলের বিপক্ষে ৭৫ হাজার টাকা এবং ৭ থেকে নয় নম্বরে থাকা দলের বিপক্ষে ম্যাচ জয় ও সিরিজ জয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকা বোনাস দেওয়া হবে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১ থেকে ৩ নম্বর দলের বিপক্ষে ৫০ হাজার, ৪ থেকে ৬ নম্বরে থাকা দলের বিপক্ষে ৩৫ হাজার এবং ৭ থেকে ৯ নম্বরে থাকা দলের বিপক্ষে জয়ের জন্য ৩০ হাজার টাকা বোনাস দেওয়া হবে। প্রথম শ্রেনির পুরুষ ক্রিকেটারদের সাথে জাতীয় দলের নারী ক্রিকেটারদের মিল আছে। নারী ক্রিকেটারদের একটি বড় পুলে আর্থিক অবস্থায় স্থিতিশীলতা আনতেই এটি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। কেন্দ্রীয় চুক্তির অংশ নন এমন ৩০ জন ক্রিকেটারকে এ বছরের পহেলা নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত নারীদের জাতীয় চুক্তিতে রাখা হয়েছে। জাতীয় চুক্তির নারী ক্রিকেটাররা : সালমা খাতুন, রুমানা আহমেদ, ইশমা তানজিম, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, সুমাইয়া আকতার, শারমিন সুলতানা, রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, ফারজানা আকতার লিসা, সুরাইয়া আজমিম, পূজা চক্রবর্তী, নিশিতা আকতার নিশি, সম্পা বিশ্বাস, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, সাবিকুন নাহার জেসমিন, সানজিদা আকতার মেঘলা, ফাতেমা জাহান সোনিয়া, রিয়া আকতার শিখা, মিষ্টি রানী সাহা, জান্নাতুল ফেরদৌস তিথি, আয়শা আকতার (জুনিয়র), ফুয়ারা বেগম, মোসাম্মত ইভা, সুমাইয়া আকতার সুর্বনা, জান্নাতুল মাওয়া, দিপা খাতুন, আফিয়া আসিমা ইরা, উন্নতি আকতার, তাজ নেহার, শরিফা খাতুন। কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা : গ্রেড ‘এ’ (১ লাখ ২০ হাজার টাকা) : নিগার সুলতানা জ্যোতি, ফারজানা হক পিংকি, রিতু মনি, নাহিদা আক্তার। গ্রেড ‘বি’ (১ লাখ টাকা) : ফাহিমা খাতুন, শামীমা সুলতানা, শারমিন আক্তার সুপ্তা, মুর্শিদা খাতুন, মারুফা আকতার, রাবেয়া। গ্রেড ‘সি’ (৭০ হাজার টাকা) : সোবহানা মোস্তারি, লতা মন্ডল, জাহানারা আলম, সোমা আক্তার। গ্রেড ‘ডি’ (৬০ হাজার টাকা) : দিশা বিশ্বাস, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, সাথী রানী